আলোচনার জন্য প্রস্তুত ইরান: পেজেশকিয়ান

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের চেষ্টা করছে না। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরান আলোচনার জন্য প্রস্তুত।

সুগন্ধা নদীতে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় ইউএনওসহ আহত ৯

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে অভিযান চালানোর সময় স্পিডবোট দুর্ঘটনায় নলছিটি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রতীক কুমার কুণ্ডুসহ ৯ জন আহত হয়েছেন। 

সুগন্ধা নদীতে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় ইউএনওসহ আহত ৯
ভোলায় দুই অটোরিকশার সংঘর্ষে আহত একজনের মৃত্যু

ভোলার বোরহানউদ্দিনে দুই সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে আহত মো. আলী (৬০) নামের একজন মারা গেছেন। এ ঘটনায় আহত পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ভোলায় দুই অটোরিকশার সংঘর্ষে আহত একজনের মৃত্যু
ঢাকার দিয়াবাড়িতে ১৮ নভেম্বর শুরু হ‌চ্ছে  দাওয়াতে ইসলামীর ৩ দিনের ইজতেমা

প্রতিবছ‌রের ম‌তো ঢাকায় শুরু হ‌চ্ছে সুফিবাদী বৃহৎ অরাজ‌নৈ‌তিক দ্বী‌নি সংগঠন ‘দাওয়াতে ইসলামী’র তিন দিনের সুন্নাতে ভরা ইজতেমা। 

ঢাকার দিয়াবাড়িতে ১৮ নভেম্বর শুরু হ‌চ্ছে  দাওয়াতে ইসলামীর ৩ দিনের ইজতেমা
আরো অবনতি ঘটছে ট্রাম্প-জেলেনস্কির সম্পর্কে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সম্পর্ক আরো অবনতি ঘটছে। শুক্রবার জেলেনস্কি সাফ জানিয়েছেন, তিনি রাশিয়ার সঙ্গে ট্রাম্পের ডিজেল চুক্তিকে মানেন না। 

আরো অবনতি ঘটছে ট্রাম্প-জেলেনস্কির সম্পর্কে
মস্তিষ্কে আটকে বুলেট, শরীরে ৪৭ ছররা গুলি: রীপা গোমেজের পাশে প্রধানমন্ত্রী

২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ নার্স রীপা ফ্রান্সিসকো গোমেজের শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার নির্দেশে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানী...

মস্তিষ্কে আটকে বুলেট, শরীরে ৪৭ ছররা গুলি: রীপা গোমেজের পাশে প্রধানমন্ত্রী
জিপিএ-৫ এর পেছনে দৌড়ানোর দিন শেষ: ডেপুটি স্পিকার 

ডেপুটি স্পিকার বলেন, “বাংলাদেশে যত বড় বড় আন্দোলন হয়েছে, তাতে নেতৃত্ব দিয়েছে তরুণরাই। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে যারা নিহত হয়েছেন, তাদের অনেকেই তরুণ। তরুণরা সব সময় আন্দোলন করেছে সামাজিক মর্...

জিপিএ-৫ এর পেছনে দৌড়ানোর দিন শেষ: ডেপুটি স্পিকার 

সারা দেশ

View more
রংপুরের পীরগঞ্জে পৌরভবনের ছাদ ধসে ২ শ্রমিক নিহত
রংপুরের পীরগঞ্জে পৌরভবনের ছাদ ধসে ২ শ্রমিক নিহত

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল থেকে পীরগঞ্জ পৌরভবনের ছাদ ঢালাইয়ের কাজ করছিলেন ১৩ শ্রমিক। বিকেল ৫টার দিকে হঠাৎ ছাদ ঢালাইয়ের জন্য তৈরি অস্থায়ী কাঠামো (সাটারিং) ভেঙে পড়ে। এতে কয়েকজন শ্রমিক তার নিচে চাপা পড়েন। খবর পেয়ে পীরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি দল গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় উদ্ধারকাজ শুরু করে

Video news
Readysell
Readysell

https://www.youtube.com/watch?v=8tpROnMtdbk

Rss feed news

ঘর বাঁচলে জীবন বাঁচে, দারিদ্র্য কমে, মর্যাদাও বাড়ে
ঘর বাঁচলে জীবন বাঁচে, দারিদ্র্য কমে, মর্যাদাও বাড়ে

<p>ঘর শুধু চার দেয়াল, আর একটি চাল নয়। ঘর মানে ঠিকানা। ঘর মানে নিরাপত্তা। ঘর মানে মর্যাদা। স্বল্প আয়ের পরিবারের জন্য ঘরই জীবনের প্রথম ভিত্তি। দারিদ্র্য আর অনিরাপদ ঘর একে অপরের সঙ্গে জড়িত। গরিব মানুষ দুর্বল ঘরে থাকে। বন্যা আসে, ঘূর্ণিঝড় আসে। ঘর ভাঙে। সঞ্চয় শেষ হয়। ঋণ বাড়ে। আবার নতুন করে শুরু করতে হয়। এভাবেই দারিদ্র্যের চক্র চলতে থাকে। </p><p>আবাসন ঋণ ও জলবায়ু-সহনশীল বাসস্থানের মাধ্যমে স্বল্প আয়ের মানুষকে দারিদ্র্যের চক্র থেকে বের করে আনছে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)। এই চক্র ভাঙতে পিকেএসএফ তাদের সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে চারটি উদ্যোগ নিয়েছে।</p><p>বাংলাদেশে আবাসন ঋণের চাহিদা অনেক। কিন্তু ছোট অঙ্কের ঋণ বাণিজ্যিক ব্যাংক দিতে চায় না। কারণ ঝুঁকি বেশি, লাভ কম। ব্যাংক চায় জমির দলিল ও বন্ধক। গরিব মানুষের তা থাকে না। ফলে নিজের সামান্য সঞ্চয়ে অল্প অল্প করে ঘর তোলেন তাঁরা। সেই ঘর হয় দুর্বল। অনেক সময় নির্মাণও অসম্পূর্ণ থাকে। পিকেএসএফ এই গ্যাপটি পূরণ করতে চেয়েছে। তাদের ঋণ সহজ শর্তের। বন্ধক লাগে না। মেয়াদ প্রচলিত ক্ষুদ্রঋণের তুলনামূলক দীর্ঘ, সুদের হার কম।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/mb2t0p5b6o">দুর্নীতি দূর না করতে পারলে দারিদ্র্য হটবে না</a></aside><p>২০১৬ সালে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে শুরু হয় ‘লো-ইনকাম কমিউনিটি হাউজিং সাপোর্ট প্রজেক্ট’ (এলআইসিএইচএসপি)। সাতটি সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে ১৩টি শহরে আবাসন ঋণ দেওয়া হয়। ২০২১ সালের মে পর্যন্ত ১২ হাজার ২ জন সদস্য ২৫৫ কোটি টাকা ঋণ পান। ৫৮ দশমিক ৬৫ শতাংশ ঋণ গেছে স্বল্প আয়ের পরিবারে (যাদের মাসিক আয় ২৫,০০০ টাকা)। লক্ষ্য ছিল ৪০ শতাংশ। বিশ্বব্যাংকের মিশন প্রকল্পটিকে ‘অত্যন্ত সন্তোষজনক’ বলেছে। বাংলাদেশে এটি বিশ্বব্যাংকের দেওয়া সর্বোচ্চ রেটিং। মাঠের অভিজ্ঞতাও ইতিবাচক। ঋণগ্রহীতাদের স্বাস্থ্য ভালো হয়েছে। সন্তানের পড়াশোনার পরিবেশ উন্নত হয়েছে। সামাজিক মর্যাদা বেড়েছে। কিছু ক্ষেত্রে ছোট ব্যবসার সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে।</p><p>এলআইসিএইচএসপির অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পিকেএসএফ ২০১৯ সালে নিজস্ব তহবিলে চালু করে ‘আবাসন ঋণ’ কর্মসূচি। জুন ২০২৬ পর্যন্ত ৪২টি জেলার ১৬০টি উপজেলায় ৩২টি সহযোগী সংস্থার ৩৬০টি শাখা কাজ করছে। ৫২ হাজার ১৮৪টি পরিবার ঋণ পেয়েছে। বিতরণ হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৪৩৭ কোটি টাকা। এই টাকায় কেউ নতুন ঘর তুলেছেন। কেউ পুরোনো ঘর মেরামত করেছেন। কেউ ঘর বাড়িয়েছেন। ঘর পাকা হয়েছে, আলো-বাতাস ঢুকেছে, স্যানিটেশন ঠিক হয়েছে। রান্নাঘর উন্নত হয়েছে।</p><blockquote>জলবায়ু ক্ষতি রক্ষায় আরও নিরাপদ ঘরের প্রয়োজন। বাংলাদেশ জলবায়ু ঝুঁকির অন্যতম শীর্ষ দেশ। উপকূলে ঘূর্ণিঝড় ও লবণাক্ততা। উত্তরাঞ্চলে বন্যা ও নদীভাঙন। সেখানে সাধারণ ঘর যথেষ্ট নয়। দরকার জলবায়ু-সহনশীল ঘর।</blockquote><p>ঘর কী দারিদ্র্য কমায়? এ বিষয়ে পিকেএসএফ ছয়টি কারণ চিহ্নিত করেছে। প্রথমত, ঘর পরিবারকে সমাজে পরিচিতি দেয়। দ্বিতীয়ত, ঘর নারীর ক্ষমতায়ন করে। নারী ঘরে সবচেয়ে বেশি সময় কাটান। নিরাপদ ও নিরিবিলি ঘর তাঁর মর্যাদা রক্ষা করে। ঘরের মালিকানা বা যৌথ মালিকানা থাকলে তাঁর দর-কষাকষির ক্ষমতা বাড়ে। তৃতীয়ত, ঘর শিক্ষাকে সহায়তা করে। ঘরে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস থাকলে শিশুর পড়ার পরিবেশ উন্নত হয়। প্রতি বন্যায় বা সাইক্লোনে ঘর মেরামতে টাকা গেলে স্কুলের খরচে কম পড়ে, অনেক সময় থাকে না। চতুর্থত, ঘর স্বাস্থ্য রক্ষা করে। স্যাঁতসেঁতে ও ঘিঞ্জি ঘরে শ্বাসকষ্ট ও রোগ ছড়ায়। পঞ্চমত, ঘর একটি সম্পদ। গরিবের বড় সম্পদ প্রায়ই ঘর। এই সম্পদ থেকে গড়ে ওঠে আরও সম্পদ। ষষ্ঠত, ঘর কর্মসংস্থান তৈরি করে। রাজমিস্ত্রি, কাঠমিস্ত্রি, শ্রমিক ও নির্মাণসামগ্রীর ব্যবসায়ী আয় করেন। অনেকের ঘরই কর্মস্থল। সেখানে চলে সেলাই, হাঁস-মুরগি পালন বা ছোট দোকান।</p><p>জলবায়ু ক্ষতি রক্ষায় আরও নিরাপদ ঘরের প্রয়োজন। বাংলাদেশ জলবায়ু ঝুঁকির অন্যতম শীর্ষ দেশ। উপকূলে ঘূর্ণিঝড় ও লবণাক্ততা। উত্তরাঞ্চলে বন্যা ও নদীভাঙন। সেখানে সাধারণ ঘর যথেষ্ট নয়। দরকার জলবায়ু-সহনশীল ঘর। </p><p>গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের (জিসিএফ) অর্থায়নে চলছে ‘রেজিলিয়েন্ট হোমস্টেড অ্যান্ড লাইভলিহুড সাপোর্ট টু দ্য ভালনারেবল কোস্টাল পিপল অব বাংলাদেশ’ (আরএইচএল) প্রকল্প। কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করা হচ্ছে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা ও কক্সবাজারের ২১টি উপজেলায়। ১৮টি সহযোগী সংস্থা এতে যুক্ত। লক্ষ্য ৩ হাজার বসতভিটা। প্রতিটি ঘরে উঁচু ভিটা, শক্ত কাঠামো, নিরাপদ স্যানিটেশন, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, সৌরবিদ্যুৎ ও উন্নত চুলা আছে। চারপাশে লাগানো হচ্ছে ঝড়-প্রতিরোধী গাছ। ২ লাখ ৫০ হাজারের বেশি গাছ এরই মধ্যে লাগানো হয়েছে। </p><p>২০২৫ সালের মে মাসে ঘূর্ণিঝড় ৭ জেলায় ৫০ হাজারের বেশি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত করে। সেই সময় আরএইচএল ঘরে নিরাপদ ছিল ৭০০ পরিবার। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সাতক্ষীরার আশাশুনিতে ভূমিকম্পে প্রকল্পের ইটের ঘরের কোনো ক্ষতি হয়নি বলে জানানো হয়েছে। ঘরের পাশাপাশি আছে আয় কর্মকাণ্ডে সহায়তা। উঁচু মাচায় ছাগল-ভেড়া পালন, লবণসহিষ্ণু সবজি চাষ, বস্তায় আদা চাষ ও কাঁকড়া চাষে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ২০২৫ সালে ৬ হাজার ১৮৮ জন আদা চাষি প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা আয় করেছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/pjfroi8ja3">বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনে আয়বৈষম্য যেভাবে দায়ী</a></aside><p>ইসিসিসিপি-ফ্লাড-মূল উদ্দেশ্য বন্যার বিরুদ্ধে উঁচু ভিটা। উত্তরাঞ্চলের বন্যা প্রবণ এলাকায় একই দর্শনে কাজ করেছে ইসিসিসিপি-ফ্লাড। জিসিএফ ও পিকেএসএফের মোট ১৩ দশমিক ৩৩ মিলিয়ন ডলারের এই প্রকল্প চলেছে কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, গাইবান্ধা ও জামালপুরে। এখানে মূল কাজ ছিল ভিটা উঁচু করা। এলাকার আগের সর্বোচ্চ বন্যার উচ্চতার ওপরে ভিটা তোলা হয়েছে। এ পর্যন্ত ১৫ হাজার ৫৬৩টি ভিটা উঁচু করা হয়েছে। ভিটার ওপর বসেছে নলকূপ ও জলবায়ু-সহনশীল পায়খানা। ফলে সারা বছর নিরাপদ পানি মিলছে। একই সঙ্গে বন্যা-সহনশীল ধানের বীজ দেওয়া হয়েছে। চরে সবজি চাষের প্রশিক্ষণ হয়েছে। প্রায় ২ হাজার মাচা-ঘর তৈরি করে ছাগল-ভেড়া পালনে ঋণ দেওয়া হয়েছে। নারীপ্রধান পরিবার পেয়েছে অগ্রাধিকার। একই ধরনের সিসিসি প্রকল্পে ৫৭৫৯টি ভিটা উঁচু করা হয়েছে।</p><p>এখন আসছে নতুন সম্ভাবনা, আরও বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ। এডিবি দিচ্ছে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ। এর মাধ্যমে পিকেএসএফ ও সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে ২০৩১ সালের মধ্যে অন্তত ৪০ হাজার পরিবার আবাসন ঋণ পাবে। তাদের অন্তত ৩২ হাজার নারী। অন্তত ২৪ হাজার ঋণগ্রহীতা থাকবেন দুর্যোগ-প্রবণ এলাকায়। ঋণ হবে বন্ধক ছাড়া ও দীর্ঘমেয়াদি। নারীর আবাসন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বামী-স্ত্রী যৌথ উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হবে।</p><p>এই চার উদ্যোগ একটি বিষয় প্রমাণ করে। আবাসন শুধু অবকাঠামো নয়। এটি দারিদ্র্য বিমোচনের পথ। একটি ঘর একসঙ্গে নিজস্ব পরিচয়, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সম্পদ ও কর্মসংস্থান গড়ে তোলে। জলবায়ু-সহনশীল ঘর সেই অর্জনকে দুর্যোগের হাত থেকেও বাঁচায়। আবাসন ব্যবস্থা উন্নয়নে তারপরও রয়েছে অনেক চ্যালেঞ্জ। চাহিদার তুলনায় তহবিল কম। নির্মাণসামগ্রীর দাম বাড়ছে। জলবায়ুর ঝুঁকিও বাড়ছে। তাই চাই আরও উপযুক্ত বিনিয়োগ। চাই সরকার, উন্নয়ন সহযোগী ও সহযোগী সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত উদ্যোগ।</p><p>নিরাপদ ঘর পেলে একটি পরিবার শুধু মাথা গোঁজার ঠাঁই পায় না, সে মাথা তুলে দাঁড়ানোর সাহসও পায়।</p><ul><li><p><strong>ড. একেএম নুরুজ্জামান </strong>সিনিয়র মহাব্যবস্থাপক, পিকেএসেফ</p></li></ul>

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
মুসলিম সমাজে মোনাফেক কারা, তারা কীভাবে কাজ করে
মুসলিম সমাজে মোনাফেক কারা, তারা কীভাবে কাজ করে

<p>আরব মরুভূমির এক ছোট্ট ও চঞ্চল প্রাণী ‘জারবোয়া’। খুব বেশি লাফায় বলে একে অনেকে মরু ইঁদুর বা ক্যাঙ্গারি ইঁদুর বলে। আত্মরক্ষার প্রয়োজনে এই প্রাণীটির এক অদ্ভুত প্রবৃত্তি হয়, যা প্রাচীনকাল থেকেই আরবদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছিল।</p><p>জারবোয়া যখন মাটির নিচে নিজের থাকার জন্য গর্ত তৈরি করে, তখন সে বিপদের সময় পালানোর জন্য একটি বিকল্প পথও খুঁড়ে রাখে। এই গোপন পথের মুখে সে মাটির খুব পাতলা একটি আস্তরণ দিয়ে রাখে, যেন বাইরে থেকে বোঝা না যায়। বিপদের আঁচ পেলে সে মাথা দিয়ে ধাক্কা দিয়ে সেই পাতলা মাটির স্তর ভেঙে দ্রুত পালিয়ে যায়।</p><p>আরবরা জারবোয়ার গর্তের এই প্রথম ও মূল পথকে বলত ‘কাসিয়া’ এবং দ্বিতীয় গোপন পথকে বলত ‘নাফিকা’। এই ‘নাফিকা’ শব্দ থেকেই ‘নিফাক’ বা মোনাফেকির ধারণাটি এসেছে। কারণ মোনাফেকদের চরিত্রও ঠিক এই প্রাণীর মতোই; তাদের বাইরে থাকে এক রূপ, আর ভেতরে থাকে গোপন গর্ত, যার মাধ্যমে তারা সুযোগ পেলে প্রতারণার আশ্রয় নেয়।</p><p>মক্কায় ইসলামের প্রথম যুগে মুসলিমদের অবস্থা যখন দুর্বল ছিল, তখন অবিশ্বাসীরা সরাসরি শত্রুতা প্রকাশ করত। কিন্তু মহানবী (সা.) ও তাঁর সাহাবিরা যখন হিজরত করে মদিনায় গেলেন, তখন সমাজচিত্র বদলে গেল। সেখানে এমন একদল মানুষের উদ্ভব হলো, যারা মুখে ইসলামের কথা বললেও ভেতরে ভেতরে অবিশ্বাস, অহংকার ও শত্রুতা লালন করত।</p><p>মদিনার নতুন পরিবেশে মুসলিমদের ক্ষমতা ও প্রভাব বাড়তে থাকায় তারা সরাসরি বিরোধিতা করার সাহস পায়নি। তাই তারা এমন এক ভয়াবহ আদর্শিক ও আচরণগত বিকৃতির পথ বেছে নিল, যার সঙ্গে মুসলিমরা আগে পরিচিত ছিল না।</p><aside><cite>সুরা হাদিদ, আয়াত: ১৪</cite>তোমরা নিজেরাই নিজেদের বিপদগ্রস্ত করেছ। তোমরা (মুমিনদের অমঙ্গলের) অপেক্ষায় ছিলে, তোমরা সন্দেহ পোষণ করেছিলে এবং মিথ্যা আশা তোমাদের প্রতারিত করেছিল; যতক্ষণ না আল্লাহর নির্দেশ এসে পৌঁছাল। আর প্রতারক (শয়তান) তোমাদের আল্লাহ সম্পর্কে প্রতারিত করেছিল।</aside><h3>মোনাফেকের মানসিক টানাপোড়েন </h3><p>মোনাফেকরা সবসময়ই এক ধরনের মানসিক দ্বন্দ্বে ভোগে। বাইরে তারা নিজেদের মুসলিম সমাজের অংশ হিসেবে জাহির করে, কিন্তু ভেতরে তারা সেই সমাজের নীতি ও মূল্যবোধের প্রতি প্রবল নেতিবাচক ধারণা পোষণ করে। এই স্ববিরোধিতার কারণে তাদের ভেতরটা সবসময় অশান্ত থাকে এবং তারা তীব্র মানসিক যন্ত্রণায় ভোগে।</p><p>এই মানসিক অবস্থা একটি ‘ব্যাধি’। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, “তাদের অন্তরে রয়েছে ব্যাধি। অতঃপর আল্লাহ তাদের ব্যাধি আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন।” (সুরা বাকারা, আয়াত: ১০)</p><p>এই ব্যাধি একপর্যায়ে ক্যান্সারের মতো সমাজে ছড়িয়ে পড়ে। তারা নিজেদের এই ব্যাধি অন্যদের মধ্যেও সংক্রমিত করতে চায়, যা শেষ পর্যন্ত সামাজিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোকে ধ্বংস করে এবং সমাজের সাধারণ শান্তি বিঘ্নিত করে।</p><p>পরকালেও যখন মুমিন ও মোনাফেকদের মধ্যে কথোপকথন হবে, তখন মোনাফেকরা মুমিনদের আলো থেকে একটু সুবিধা নিতে চাইবে। তারা দাবি করবে যে পৃথিবীতে তো তারা মুমিনদের কাতারেই ছিল। তারা ধূর্ততার সঙ্গে মুমিনদের জিজ্ঞেস করবে, “আমরা কি তোমাদের সঙ্গে ছিলাম না?”</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/k2eso0zymh">একটি মসজিদ নিয়ে নবীজি (সা.)–এর ব্যতিক্রমী নির্দেশ</a></aside><p>এর জবাবে তাদের কপটতার চারটি দিক উন্মোচন করে বলা হবে, “হ্যাঁ, কিন্তু তোমরা নিজেরাই নিজেদের বিপদগ্রস্ত করেছ। তোমরা (মুমিনদের অমঙ্গলের) অপেক্ষায় ছিলে, তোমরা সন্দেহ পোষণ করেছিলে এবং মিথ্যা আশা তোমাদের প্রতারিত করেছিল; যতক্ষণ না আল্লাহর নির্দেশ এসে পৌঁছাল। আর প্রতারক (শয়তান) তোমাদের আল্লাহ সম্পর্কে প্রতারিত করেছিল।” (সুরা হাদিদ, আয়াত: ১৪)</p><h3>মোনাফেকের ৪ বৈশিষ্ট্য </h3><p>উপরে জবাবের মাঝেই মোনাফেকদের প্রধান চারটি বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে।</p><p><strong>১. ভেতরে এক, বাইরে অন্য:</strong> তারা মুখে যা বলে, অন্তরে তা বিশ্বাস করে না এবং কাজেও তা প্রমাণ করে না। তারা এমন সব নৈতিক আদর্শের বুলি আওড়ায়, যা নিজেরা কখনোই পালন করে না। আবার তারা এমন সব কাজের সমালোচনা করে, যা তারা নিজেরাই গোপনে করে বেড়ায়।</p><p>এই ধরনের মানুষেরা নিজেদের নৈতিকতার একটি ‘ভুল সংকেত’ সমাজের সামনে উপস্থাপন করে। এর ফলে সমাজ যখন তাদের আসল রূপটি ধরে ফেলে, তখন মানুষের পারস্পরিক বিশ্বাস ও সামাজিক সংহতি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।</p><p>নবীজি (সা.) বলেছেন, “মোনাফেকের নিদর্শন তিনটি: যখন কথা বলে মিথ্যা বলে, যখন প্রতিশ্রুতি দেয় ভঙ্গ করে এবং যখন তার কাছে আমানত রাখা হয়, সে তার খেয়ানত করে।” (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩৩)</p><blockquote>যখন মানুষের ভেতরের সত্তা এবং বাইরের প্রদর্শিত রূপের মাঝে এই মাত্রার বিরোধ তৈরি হয়, তখন তা আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয় এবং মানসিক বিচ্ছিন্নতা তৈরি করে। মুমিনদের সাফল্য দেখলে এরা ভেতরে ভেতরে তীব্র ক্ষোভে জ্বলতে থাকে।</blockquote><p><strong>২. নেতিবাচক তৎপরতা:</strong> তারা দ্বিমুখী আচরণে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে এবং নৈতিক অবক্ষয় তাদের স্বভাবে পরিণত হয়। তারা অবলীলায় বড় বড় অপরাধ ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় এবং মিথ্যা শপথ করে নিজেদের আড়াল করার চেষ্টা করে।</p><p>এরা মূলত সমাজের ভেতর গুপ্তঘাতক হিসেবে কাজ করে। মক্কার অবিশ্বাসীরা ছিল সরাসরি শত্রু, যাদের মোকাবিলা করা তুলনামূলক সহজ ছিল, কারণ তাদের অবস্থান ছিল দিনের আলোর মতো স্পষ্ট। কিন্তু মদিনার মোনাফেকরা ছিল ঘাপটি মেরে থাকা শত্রু।</p><p>নবীজির ইন্তেকালের পর, ওহির আগমন বন্ধ হয়ে গেলে মোনাফেকদের এই চরিত্র আরও খোলামেলা রূপ নেয়।</p><p>সাহাবি হুজাইফা (রা.) সেই সময়ের সমাজচিত্র দেখে আক্ষেপ করে বলেছিলেন, “নবীজির যুগে যারা মোনাফেক ছিল, আজকের দিনের মোনাফেকরা তাদের চেয়েও জঘন্য। কারণ, তারা তাদের কপটতা গোপন রাখত, আর এরা প্রকাশ্যে তা করে বেড়ায়।” (ইবনে আবি শাইবা, <em>আল-মুসান্নাফ,</em> ৭/২৫৪, মাকতাবাতুর রুশদ, রিয়াদ, ২০০৪)</p><p><strong>৩. সত্যের প্রতি সংশয়: </strong>তারা না পারে পুরোপুরি সত্য গ্রহণ করতে, না পারে পুরোপুরি তা বর্জন করতে। কোরআনের ভাষায়, “তারা এর মাঝখানে দোদুল্যমান; না এদের দিকে, না ওদের দিকে।” (সুরা নিসা, আয়াত: ১৪৩)</p><p>তাদের এই দিশেহারা অবস্থাটি বোঝাতে গিয়ে একটি চমৎকার উপমা দেওয়া হয়েছে। হাদিসে বলা হয়েছে, “মোনাফেকের উদাহরণ হলো দুই পালের মাঝে ঘুরে বেড়ানো একটি ভেড়ার মতো। সে একবার এই পালের দিকে যায়, আবার ওই পালের দিকে যায়; সে বুঝতে পারে না কোনটির অনুসরণ করবে।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৭৮৪)</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/jlonr68gcg">শত্রুদের বিবরণ আছে সুরা মুনাফিকুনে </a></aside><p>যখন মানুষের ভেতরের সত্তা এবং বাইরের প্রদর্শিত রূপের মাঝে এই মাত্রার বিরোধ তৈরি হয়, তখন তা আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয় এবং মানসিক বিচ্ছিন্নতা তৈরি করে। মুমিনদের সাফল্য দেখলে এরা ভেতরে ভেতরে তীব্র ক্ষোভে জ্বলতে থাকে।</p><p>কোরআনে তাদের এই অবস্থার চিত্রায়ন করা হয়েছে এভাবে, “আর যখন তারা একান্তে মিলিত হয়, তখন তোমাদের প্রতি আক্রোশে তারা নিজেদের আঙুলের অগ্রভাগ কামড়ায়। বলে দাও, তোমাদের আক্রোশেই তোমরা মরো।” (সুরা আলে ইমরান, আয়াত: ১১৯)</p><p>আবার যখন কোনো কঠিন মুহূর্ত বা ত্যাগ স্বীকারের সময় আসে, তখন তারা মৃত্যুভয়ে গুটিয়ে যায়। যেমন বলা হয়েছে, “অতঃপর যখন কোনো সুনির্দিষ্ট সুরা অবতীর্ণ হয় এবং তাতে যুদ্ধের কথা উল্লেখ থাকে, তখন যাদের অন্তরে ব্যাধি রয়েছে, তুমি তাদের দেখবে, মৃত্যুভয়ে মূর্ছিত ব্যক্তির মতো তারা তোমার দিকে তাকিয়ে আছে।” (সুরা মুহাম্মদ, আয়াত: ২০)</p><p><strong>৪. পার্থিব মোহ ও মরীচিকা</strong>: মোনাফেকি শূন্য থেকে জন্ম নেয় না। মানুষের বেপরোয়া আকাঙ্ক্ষা এবং নিরাপত্তা ও স্বীকৃতির আদিম প্রবৃত্তিগুলো যখন পথভ্রষ্ট হয়, তখনই কপটতার জন্ম হয়। মোনাফেকরা সবসময় শুধু নগদ লাভ ও স্বার্থের পেছনে ছুটে বেড়ায়। কোনো কাজ থেকে পার্থিব সুবিধা বা ক্ষমতা না পেলে তারা সেখানে পা মাড়ায় না।</p><aside><cite>ইমাম ইবনুল কাইয়িম আল-জাওজিয়্যা (রহ.)</cite>মোনাফেকি হলো এমন এক বিষাক্ত গাছ, যা মিথ্যা ও লোকদেখানো স্বভাব—এই দুটি নালার পানিতে বেড়ে ওঠে। আর এই নালা দুটির উৎস হলো অন্তর্দৃষ্টির দুর্বলতা ও সংকল্পের অভাব। এই চারটির সমন্বয়ে মোনাফেকির গাছ শক্তভাবে শিকড় গাড়ে।”</aside><h3>শেষ কথা </h3><p>বিশেষজ্ঞরা কপটতাকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করে থাকেন।</p><p>প্রথমত, ‘অবচেতন কপটতা’—যেখানে মানুষ না বুঝেই নিজের নীতির বিরুদ্ধে কাজ করে।</p><p>দ্বিতীয়ত, ‘পরিস্থিতিগত কপটতা’—পরিবেশ বা কর্মক্ষেত্রের চাপে পড়ে নীতির সঙ্গে আপস করা।</p><p>এবং তৃতীয়ত, ‘চতুরতামূলক কপটতা’—যেখানে ব্যক্তি নিজের হীন স্বার্থ হাসিলের জন্য সম্পূর্ণ সচেতনভাবে প্রতারণার আশ্রয় নেয়। এই চতুরতামূলক কপটতাই সমাজের জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর।</p><p>আধুনিক জীবনব্যবস্থায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যাপক বিস্তারের ফলে এই কপটতা এক নতুন রূপ পেয়েছে। মানুষ এখন নিজেদের জীবনের একটি মিথ্যা ছবি অন্যের সামনে তুলে ধরতে পাগলপ্রায়।</p><p>ফলে সমাজে সাফল্য, উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও প্রতিযোগিতার মতো ইতিবাচক ধারণাগুলো মূল অর্থ হারিয়ে ফেলছে এবং মানুষ তার সহজাত মানবিক গুণাবলি থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।</p><p>এই ব্যাধির শেকড় কতটা গভীর, তা বোঝাতে গিয়ে ইবনুল কাইয়িম (রহ.) একটি চমৎকার তুলনা টেনেছেন।</p><p>তিনি বলেন, “মোনাফেকি হলো এমন এক বিষাক্ত গাছ, যা মিথ্যা ও লোকদেখানো স্বভাব—এই দুটি নালার পানিতে বেড়ে ওঠে। আর এই নালা দুটির উৎস হলো অন্তর্দৃষ্টির দুর্বলতা ও সংকল্পের অভাব। এই চারটির সমন্বয়ে মোনাফেকির গাছ শক্তভাবে শিকড় গাড়ে।” (ইবনুল কাইয়িম, <em>মাদারিজুস সালিকিন, </em>১/৩৫৫, দারুল কিতাব আল-আরাবি, বৈরুত, ১৯৯৬)</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/1em5fin1bk">তওবা করেও কেন আমরা একই পাপে ফিরে যাই</a></aside>

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবন থেকে সাবেক অতিরিক্ত সচিবকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার, পরে হাসপাতালে মৃত্যু
অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবন থেকে সাবেক অতিরিক্ত সচিবকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার, পরে হাসপাতালে মৃত্যু

ওসি ইয়াছিন মিয়া বলেন, অফিসার্স ক্লাবের সিসিটিভিতে দেখা গেছে, মোশাররফ হোসেন বারবার ওপরে উঠছিলেন আর নিচে নামছিলেন।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
মিয়ানমারের জান্তা–সমর্থিত সরকারের সঙ্গে টোকিওতে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন বৈঠক
মিয়ানমারের জান্তা–সমর্থিত সরকারের সঙ্গে টোকিওতে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন বৈঠক

আগের বৈঠকের মতো টোকিও বৈঠকেও নেতৃত্ব দেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের গোয়েন্দা ও গবেষণাবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেল ভ্যান্স।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
জাতীয় পতাকা নিয়ে কর্মসূচিতে হাজির বহু মানুষ, দিল্লিতে এর আগেই আটক অভিজিৎ দীপকে ও নেহা বোরা
জাতীয় পতাকা নিয়ে কর্মসূচিতে হাজির বহু মানুষ, দিল্লিতে এর আগেই আটক অভিজিৎ দীপকে ও নেহা বোরা

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র 'লেহরা দো তিরঙ্গা' বা তেরঙ্গা ওড়াও কর্মসূচি, আটক এবং পুলিশ-প্রশাসনের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনার পারদ বেশ ঊর্ধ্বমুখী।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
নেত্রকোনায় গুলিতে নিহত সাংবাদিক আগে থেকেই 'ঝুঁকিতে ছিলেন'
নেত্রকোনায় গুলিতে নিহত সাংবাদিক আগে থেকেই 'ঝুঁকিতে ছিলেন'

নিহত ব্যক্তির নাম লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির। তিনি 'ডিটেকটিভ আর্টিকেল' নামে একটি ফেসবুক পেজ পরিচালনা করতেন এবং সেখানে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপরাধের বিষয়ে লেখালেখি করতেন।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
ফিলিপিন্সে 'পেঁয়াজ সিন্ডিকেট'কে ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার জরিমানা
ফিলিপিন্সে 'পেঁয়াজ সিন্ডিকেট'কে ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার জরিমানা

২০২২ সালে ফিলিপিন্সে পেঁয়াজের দাম রেকর্ড পরিমাণ বেড়ে প্রতি কেজি ৮০০ পেসোতে পৌঁছায়, যা দেশটির দৈনিক ন্যূনতম মজুরি এবং মাংসের দামকেও ছাড়িয়ে যায়।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
হেফাজতের নেতৃত্বে ঐক্য প্রক্রিয়ায় মতবিরোধ, সন্দেহ কেন জামায়াতের
হেফাজতের নেতৃত্বে ঐক্য প্রক্রিয়ায় মতবিরোধ, সন্দেহ কেন জামায়াতের

এই ঐক্য প্রক্রিয়ার নেপথ্যে কী আছে, সেটা নিয়ে সন্দেহ আছে কারো কারো মধ্যে। কেউ এমনটাও মনে করেন, ঐক্য প্রক্রিয়ায় নেপথ্যে সরকার ভূমিকা রাখছে এবং সরকার চায় জামায়াতে ইসলামীর বাইরে ইসলামপন্থি দলগুলোর আলাদা একটা জোট গড়ে উঠুক।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
আইফোন ১৭ থেকে ২০ কিলো বিরিয়ানি: পার্সেলের হিড়িকে হয়রান দক্ষিণ ভারতের ইনফ্লুয়েন্সার
আইফোন ১৭ থেকে ২০ কিলো বিরিয়ানি: পার্সেলের হিড়িকে হয়রান দক্ষিণ ভারতের ইনফ্লুয়েন্সার

দক্ষিণ ভারতের মাদুরাইয়ের সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার শান্মুগানাথন গত কয়েকদিন ধরে 'অ্যামাজন', 'সুইগি' এবং অন্যান্য অনলাইন অ্যাপ মারফত একের পর এক পার্সেল পাচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে খাবার- টিভি, ফ্রিজ, আই ফোন এমনকি ২০ কেজি বিরিয়ানিও। এই পার্সেলই এখন তার পরিবারের কাছে মাথাব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে প্রাইমারি স্কুলে ১৬ বছরের কিশোরের গুলি, তিন শিশুসহ নিহত পাঁচ
যুক্তরাষ্ট্রে প্রাইমারি স্কুলে ১৬ বছরের কিশোরের গুলি, তিন শিশুসহ নিহত পাঁচ

ঘটনাস্থল থেকে মোট পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে তিন শিশু, একজন শিক্ষক এবং সন্দেহভাজন হামলাকারী রয়েছে। হামলাকারী ১৬ বছর বয়সী কিশোর বেন্ড শহরেরই বাসিন্দা।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বাংলাদেশিদের 'টোপ' হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ
ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বাংলাদেশিদের 'টোপ' হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ

"কীভাবে কোন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যে প্রাণে বেঁচে ফিরছি, সে কথা বলে বোঝানো যাবে না," বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সম্প্রতি দেশে ফিরে আসা তরুণ রাজন হোসেন।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
'গরু জবাই' নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে যা হচ্ছে
'গরু জবাই' নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে যা হচ্ছে

ঢাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মন্দিরের কাছে গরুর মাংস দিয়ে খিচুড়ি রান্নার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ঘটনার শুরু গত ১২ই অক্টোবর। সেদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ১৭তম আবর্তনের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের মুক্তমঞ্চের কাছে গরুর মাংস দিয়ে খিচুড়ি রান্নার আয়োজন করেন।

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
ভোলায় দুই অটোরিকশার সংঘর্ষে আহত একজনের মৃত্যু
ভোলায় দুই অটোরিকশার সংঘর্ষে আহত একজনের মৃত্যু

ভোলার বোরহানউদ্দিনে দুই সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে আহত মো. আলী (৬০) নামের একজন মারা গেছেন। এ ঘটনায় আহত পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
সুগন্ধা নদীতে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় ইউএনওসহ আহত ৯
সুগন্ধা নদীতে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় ইউএনওসহ আহত ৯

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে অভিযান চালানোর সময় স্পিডবোট দুর্ঘটনায় নলছিটি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রতীক কুমার কুণ্ডুসহ ৯ জন আহত হয়েছেন। 

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
আলোচনার জন্য প্রস্তুত ইরান: পেজেশকিয়ান
আলোচনার জন্য প্রস্তুত ইরান: পেজেশকিয়ান

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের চেষ্টা করছে না। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরান আলোচনার জন্য প্রস্তুত।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
ঝালকাঠিতে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার
ঝালকাঠিতে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

ঝালকাঠির রাজাপুরে ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মো. আনিচ হাওলাদার (৬৫) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
জিপিএ-৫ এর পেছনে দৌড়ানোর দিন শেষ: ডেপুটি স্পিকার 
জিপিএ-৫ এর পেছনে দৌড়ানোর দিন শেষ: ডেপুটি স্পিকার 

ডেপুটি স্পিকার বলেন, “বাংলাদেশে যত বড় বড় আন্দোলন হয়েছে, তাতে নেতৃত্ব দিয়েছে তরুণরাই। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে যারা নিহত হয়েছেন, তাদের অনেকেই তরুণ। তরুণরা সব সময় আন্দোলন করেছে সামাজিক মর্যাদা এবং সমতার সুযোগ রক্ষার জন্য।”

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
মস্তিষ্কে আটকে বুলেট, শরীরে ৪৭ ছররা গুলি: রীপা গোমেজের পাশে প্রধানমন্ত্রী
মস্তিষ্কে আটকে বুলেট, শরীরে ৪৭ ছররা গুলি: রীপা গোমেজের পাশে প্রধানমন্ত্রী

২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ নার্স রীপা ফ্রান্সিসকো গোমেজের শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার নির্দেশে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর মধ্য বাড্ডায় রীপা গোমেজের বাসায় যায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রতিনিধিদল।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
আরো অবনতি ঘটছে ট্রাম্প-জেলেনস্কির সম্পর্কে
আরো অবনতি ঘটছে ট্রাম্প-জেলেনস্কির সম্পর্কে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সম্পর্ক আরো অবনতি ঘটছে। শুক্রবার জেলেনস্কি সাফ জানিয়েছেন, তিনি রাশিয়ার সঙ্গে ট্রাম্পের ডিজেল চুক্তিকে মানেন না। 

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
ঢাকার দিয়াবাড়িতে ১৮ নভেম্বর শুরু হ‌চ্ছে  দাওয়াতে ইসলামীর ৩ দিনের ইজতেমা
ঢাকার দিয়াবাড়িতে ১৮ নভেম্বর শুরু হ‌চ্ছে  দাওয়াতে ইসলামীর ৩ দিনের ইজতেমা

প্রতিবছ‌রের ম‌তো ঢাকায় শুরু হ‌চ্ছে সুফিবাদী বৃহৎ অরাজ‌নৈ‌তিক দ্বী‌নি সংগঠন ‘দাওয়াতে ইসলামী’র তিন দিনের সুন্নাতে ভরা ইজতেমা। 

অক্টোবর ১৬, ২০২৬