চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১০৫

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মুসকান আরা মিম (১৬) নামের একজেনর মৃত্যু হয়েছে।

সারা দেশ

View more
শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা
শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

Video news
সারা বিশ্ব
ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো শাহী মসজিদের অংশ কেন ভাঙতে চায় প্রশাসন?
ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো শাহী মসজিদের অংশ কেন ভাঙতে চায় প্রশাসন?

হিন্দু ধর্মের মেলার আয়োজনকে কেন্দ্র করে শাহী মসজিদের একটি অংশ সরিয়ে সড়ক প্রশস্ত করার কাজ শুরু হয়, আর তা নিয়েই বিরোধের সূত্রপাত। স্থানীয় প্রশাসন বলছে, মেলার সময় বাড়তি যানবাহনের চাপ ও ভক্তদের যাতায়াত সহজ করার জন্য ওই সড়ক প্রশস্ত করা জরুরি।

ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ
ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ

সাবান, শ্যাম্পু, টুথপেস্ট প্যাকেটজাতে সংশোধন বিধি জারি করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন নির্দেশ নাঅনুযায়ী, কোনো প্রসাধনী তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান আমিষজাত না নিরামিষজাত, তা প্যাকেটের গায়ে নির্দিষ্ট চিহ্নের মাধ্যমে জানাতে হবে।

তথ্যপ্রযুক্তি
ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু
ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু

কক্সবাজারে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক (টমটম) চলন্ত অবস্থায় চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে সীমা আক্তার নামে এক নারী পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে।

‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’
‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’

স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলামকে তার এলাকার ‘বড় ভাই’ পরিচয় দিয়ে এএসআই ইলিয়াস হোসাইন থানার কার্যক্রম ও তদন্তকাজে প্রভাব খাটান। তবে এ অভিযোগের সত্যতাও আলাদাভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত
ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত

ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটে সহকর্মীর ওপর হামলা ও বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত কো-পাইলট সম্ভবত একাই এই কাজ করেছিলেন। ইসরায়েলি সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে রবিবার সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।

মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার
মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে ‘মব’ সৃষ্টি করে রিকশাচালক মো. ফয়েজ আহাম্মদকে (৪৩) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তুষারঝড়ে ফিরে যায় দুই দল, থামেননি শাকিল
তুষারঝড়ে ফিরে যায় দুই দল, থামেননি শাকিল

চারদিকে শুধু সাদা আর সাদা। তুষারের ঘন পর্দা ভেদ করে কয়েক মিটারের বেশি সামনে দেখা যাচ্ছিল না। হিমশীতল বাতাস শরীরের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছিল ঝড়ের গতিতে। পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে হাঁটুসমান নরম বরফে ডুবে যাচ্ছিল।

নীল দহন
নীল দহন

টরন্টো শহরের শীতের আলাদা এক ভাষা আছে।সেই ভাষা শব্দে নয়, তুষারে লেখা। জানালার ওপারে নিরবচ্ছিন্ন সাদা ঝরনা নেমে আসে, রাস্তার আলো কুয়াশা আর বরফের ভেতর ম্লান হয়ে যায়, আর মানুষ বুঝতে শেখে, পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর নীরবতাও কখনো কখনো খুব জোরে কথা বলে।সেদিনও তেমনই এক সন্ধ্যা।বাইরে মাইনাস দশ ডিগ্রি। ফায়ারপ্লেসে জ্বলতে থাকা আগুনের লালচে আলো ঘরের দেয়ালে ছায়া এঁকে দিচ্ছিল। হাতে ধোঁয়া ওঠা কফির মগ। আমরা তিনজন বসে গল্প করছিলাম।সায়েম ভাই, আমাদের কোম্পানির সিনিয়র লিড ইঞ্জিনিয়ার। প্রবাসে এসে এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়, যাদের ঘরে ঢুকলেই মনে হয় বহুদিন পর নিজের বাড়িতে ফিরেছি। ভাবিও ঠিক তেমনই। তার আন্তরিকতা কখনো অতিথিপরায়ণতা বলে মনে হয় না; মনে হয় বড় বোনের মমতা।কফির কাপ নামিয়ে ভাবি হঠাৎ আমার দিকে তাকালেন।—নীল, একটা কথা বলব?মৃদু হেসে বললাম,—বলুন, ভাবি।—রাগ করবে না তো?—আপনার ওপর রাগ করার সাহস আমার নেই।তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—এত বছর হয়ে গেল। ক্যারিয়ার হয়েছে, নিজের অবস্থান হয়েছে। কিন্তু নিজের জন্য কী করলে? একা একা আর কত দিন? বিয়ে করার কথা কখনো ভাবো না?আমি হেসে বিষয়টা এড়িয়ে যেতে চাইলাম।—সবাইকে দিয়ে সবকিছু হয় নাকি, ভাবি?সায়েম ভাই চশমাটা খুলে টেবিলে রাখলেন।—তোমার এই কথাটাই আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয়। সারা দিন অফিসে তোমাকে দেখি। কাজে মন, বইয়ে মন, গিটার বাজাও, ভ্রমণ করো। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয়, জীবন একেবারে গুছিয়ে নিয়েছ। অথচ দিনের শেষে তুমি একাই ফিরে যাও।একটু থেমে তিনি আবার বললেন,—কখনো কি কাউকে ভালোবেসেছিলে?ঘরটা হঠাৎ যেন নিস্তব্ধ হয়ে গেল।ফায়ারপ্লেসের কাঠে আগুন ফেটে ছোট্ট একটা শব্দ হলো।আমি উত্তর দিলাম না।জানালার ওপারে তাকিয়ে রইলাম। সাদা তুষারের ভেতর হঠাৎ ভেসে উঠল বহু বছরের পুরোনো আরেকটা আকাশ। অনেক দূরের একটা বিকেল। আমি ধীরে বললাম,—মানুষ কখনো কখনো একটা গল্প কাউকে বলে না। কারণ, গল্পটা বললে সে আবার সেই সময়ে ফিরে যায়।ভাবি মৃদুস্বরে বললেন,—আজ ফিরে যাও। আমরা শুনব।আমি দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। কফির মগটা টেবিলে রেখে বললাম,—জানেন ভাবি, পৃথিবীর সব ভালোবাসা মিলনের গল্প নয়। কিছু ভালোবাসা শুধু নীরবে মানুষের ভেতরে বেঁচে থাকে। কারও কাছে কোনো দাবি করে না, কোনো অধিকারও চায় না। শুধু মানুষটাকে সারা জীবন বদলে দেয়। আমার গল্পটাও তেমন।আজ থেকে প্রায় দশ বছর আগের কথা। তখন ঢাকার উত্তরায় থাকতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। বাবার পক্ষে নিয়মিত টাকা পাঠানো সম্ভব হতো না। টিউশনি করে নিজের পড়াশোনা, বাসাভাড়া আর খরচ চালাতাম। উত্তরার একটা পুরোনো বাড়ির চিলেকোঠার ছোট্ট ঘর ছিল আমার ঠিকানা। ঘরটা বড় ছিল না। একটা খাট, একটা পড়ার টেবিল, বইয়ের তাক আর জানালার পাশে রাখা পুরোনো একটা গিটার। কিন্তু আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা ছিল ছাদ।সন্ধ্যা নামার আগে পড়ন্ত রোদ যখন আকাশজুড়ে লালচে রং ছড়িয়ে দিত, আমি গিটার হাতে ছাদে উঠে যেতাম। কখনো বাজাতাম। কখনো বই পড়তাম। কখনো কিছুই করতাম না। শুধু আকাশ দেখতাম। হয়তো মানুষ একা থাকলে আকাশের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি কথা বলে।ঠিক এমনই এক বিকেলে প্রথম তাকে দেখি। আমাদের পাশের ছয়তলা বাড়ির একটি বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল সে। অদ্ভুত শান্ত একটি মেয়ে। তার হাতে কোনো মোবাইল ছিল না। কোনো বইও নয়। সে শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিল। বাতাসে তার চুল উড়ছিল।কিন্তু আমাকে থামিয়ে দিয়েছিল তার চোখ। কিছু কিছু চোখ থাকে, যেগুলোকে সুন্দর বলা যায় না। কারণ, সুন্দর শব্দটা তাদের জন্য যথেষ্ট নয়।সেই চোখ দুটো যেন নিজের ভেতর একটা বিকেল লুকিয়ে রেখেছিল। আমি তার নাম জানতাম না। কখনো জানার চেষ্টাও করিনি। নিজের মনেই একটা নাম দিয়েছিলাম—‘সুনয়না’।নামটা শুধু আমার ছিল। আমার কল্পনার। আমার নীরবতার। তার বাস্তব নাম কী ছিল, তখনো জানতাম না।তার পর থেকে প্রতিদিন বিকেলে আমি অপেক্ষায় থাকতাম। ছাদে উঠতাম। আর কিছুক্ষণ পর সে এসে দাঁড়াত সেই বারান্দায়।আমাদের মধ্যে কখনো কথা হয়নি। চোখাচোখিও খুব কম। তবু মনে হতো, বিকেল নামার সঙ্গে সঙ্গে দুজনের জীবন অদৃশ্য কোনো সেতুতে এসে মিলেছে।কখনো তাকে অনুসরণ করিনি। তার সম্পর্কে খোঁজ নিইনি। কারণ, দূরত্বেরও একটা সৌন্দর্য আছে। সব মানুষকে কাছে গিয়েই জানতে হয় না। কিছু মানুষ দূর থেকেই হৃদয়ের ভেতর জায়গা করে নেয়।এভাবেই কেটে গেল কয়েক মাস। একদিন বিকেলে ছাদে উঠে দেখলাম, বারান্দাটা ফাঁকা। ভাবলাম, হয়তো কোথাও গেছে।পরদিনও এল না।তারপর আরও এক দিন।এক সপ্তাহ।এক মাস।ঋতু বদলে গেল।আকাশের রং বদলে গেল। কিন্তু সেই বারান্দায় আর কাউকে দেখা গেল না। বুঝলাম, কিছু অপেক্ষার কোনো উত্তর হয় না।তারপর ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষ এসে গেল। পড়াশোনা, প্রজেক্ট, ইন্টারভিউ—জীবন অন্যদিকে মোড় নিতে শুরু করল। তবু মাঝেমধ্যে বিকেলের আকাশ দেখলে মনে হতো, কোথাও যেন একটা বারান্দা এখনো খালি দাঁড়িয়ে আছে। আর সেখানে কেউ একজন আর কখনো ফিরে আসবে না।অফিসে যোগ দেওয়ার তিন সপ্তাহের মাথায় প্রথমবার তার সঙ্গে কথা হলো।সেদিন দুপুরে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। কাচঘেরা অফিসের জানালায় বৃষ্টির ফোঁটাগুলো লম্বা দাগ টেনে নিচে নেমে আসছিল। ক্যাফেটেরিয়ায় বসে এক কাপ কফি হাতে বাইরে তাকিয়ে ছিলাম। হঠাৎ পাশে এসে কেউ বলল,—এই সিটটা খালি?মুখ তুলে তাকাতেই বুকের ভেতরটা অকারণ ধক করে উঠল।সে।উত্তরার সেই বারান্দার মেয়েটি।আমি সামান্য হাসলাম।—অবশ্যই।সে বসে কফির কাপ নামিয়ে বলল,—আমি নতুন। এখনো কাউকে তেমন চিনি না।—আমিও খুব পুরোনো নই।সেদিনের কথোপকথন ছিল খুব সাধারণ। অফিস, কাজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকার যানজট; এর বেশি কিছু নয়। আশ্চর্যের বিষয়, কিছু মানুষের সঙ্গে কথা বলতে কোনো আয়োজন লাগে না। যেন বহুদিনের চেনা।তার নাম জানলাম, সুস্মিতা।আমি নামটা মনে রাখলাম। তবু নিজের ভেতরে সে রয়ে গেল অন্য নামে—‘সুনয়না’।এরপর ধীরে ধীরে পরিচয় বাড়ল।অফিস শেষে মাঝেমধ্যে সবাই মিলে চা খেতে যেতাম। কোনো প্রজেক্ট শেষ হলে পুরো টিম রাত পর্যন্ত কাজ করত। সেই সব দীর্ঘ সন্ধ্যায় সুস্মিতাকে নতুন করে চিনতে শুরু করলাম।সে খুব কম কথা বলত। অকারণ হাসত না। তবে কেউ সমস্যায় পড়লে সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিত।একদিন জানতে পারলাম, সে রবীন্দ্রসংগীত শেখে।আরেক দিন শুনলাম, অবসরে জলরঙে ছবি আঁকে।আমি অবাক হয়ে ভাবলাম, মানুষকে দূর থেকে দেখলে তার সৌন্দর্য দেখা যায়; কাছে এলে দেখা যায় তার নীরবতা। আর নীরবতাই একজন মানুষকে সবচেয়ে আলাদা করে।সেদিন অফিস থেকে বেরোতে বেরোতে সন্ধ্যা নেমে এসেছে। বৃষ্টি থেমেছে। রাস্তার বাতিগুলো ভেজা ডামারের ওপর হলুদ আলো ফেলছে। আমি বললাম,—কফি খাবেন?সে একটু ভেবে মৃদু হেসে বলল,—আজ খাওয়া যেতে পারে।ছোট্ট একটি ক্যাফেতে আমরা জানালার পাশে বসলাম। বাইরে গাড়ির আলো ভেজা রাস্তায় ভেঙে পড়ছিল।অনেকক্ষণ গল্প হলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি, বই, সিনেমা, ভ্রমণ, প্রিয় ঋতু। কথার ফাঁকে হঠাৎ সে জিজ্ঞেস করল,—আপনি এত চুপচাপ কেন?আমি হেসে বললাম,—সবাই সব কথা বলতে পারে না।সে জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল,—আমার মনে হয়, যারা কম কথা বলে, তাদের ভেতরে অনেক গল্প জমে থাকে।আমি উত্তর দিলাম না। সত্যিই আমার ভেতরে একটি গল্প ছিল। যার শুরু হয়েছিল উত্তরার এক ছাদের বিকেলে।বহুবার ভেবেছি, আজ বলব। বলব, কয়েক বছর আগে প্রতিদিন বিকেলে আমি এক অচেনা মেয়েকে আকাশ দেখতে দেখতাম। বলব, তার জন্যই আমি সন্ধ্যার অপেক্ষা করতাম। বলব, তাকে না জেনেই একটা নাম দিয়েছিলাম।কিন্তু মানুষের জীবনে কিছু মুহূর্ত আসে, যখন সত্যি কথাটাই সবচেয়ে কঠিন হয়ে ওঠে। আমি পারলাম না। শুধু কফির কাপে আঙুল ঘুরিয়ে যেতে লাগলাম।ঠিক তখনই তার ফোনটা বেজে উঠল। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে তার মুখে খুব কোমল একটা হাসি ফুটে উঠল। সে ফোন ধরল। নরম গলায় বলল,—হ্যাঁ... আমি বের হচ্ছি... আর পাঁচ মিনিট।ফোন রেখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—আমাকে উঠতে হবে।আমি শুধু মাথা নাড়লাম।ক্যাফের দরজার বাইরে এসে দেখি, একটা গাড়ি ধীরে ধীরে এসে থামল। গাড়ি থেকে একজন নেমে ছাতা খুলে তার দিকে এগিয়ে এল। সুস্মিতার মুখে যে হাসি ফুটে উঠল, তাতে কোনো দ্বিধা ছিল না, কোনো অভিনয়ও নয়। সে মানুষটিকে এমন স্বাভাবিক ভঙ্গিতে দেখল, যেমন মানুষ নিজের আপনজনকে দেখে। বিদায় নেওয়ার আগে সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—কাল দেখা হবে।আমি বললাম,—ভালো থাকবেন।গাড়িটা ধীরে ধীরে দূরে মিলিয়ে গেল।আমি অনেকক্ষণ একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রইলাম। বৃষ্টি আবার শুরু হয়েছে। ভেজা শহরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে হঠাৎ মনে হলো, কিছু স্বপ্ন ভাঙার শব্দ বাইরে শোনা যায় না। সেগুলো শুধু মানুষের ভেতরেই প্রতিধ্বনি তোলে।সেদিন রাতেই প্রথম বুঝেছিলাম, ভালোবাসা সব সময় কাউকে পাওয়ার নাম নয়। কখনো কখনো সময়মতো কিছু না বলার নামও ভালোবাসা।পরদিন অফিসে গিয়ে সুস্মিতাকে দেখলাম না। ভাবলাম, হয়তো ছুটিতে আছে।পরদিনও এল না।এরপর আরও কয়েক দিন কেটে গেল।কাজের ব্যস্ততা আমাকে ডেস্কে আটকে রাখলেও মনটা বারবার করিডরের দিকে চলে যেত। এক বিকেলে সাহস করে মানবসম্পদ বিভাগের এক সহকর্মীকে জিজ্ঞেস করলাম,—সুস্মিতা কি ছুটিতে?তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—জানেন না? ওর স্বামীকে সিঙ্গাপুরে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। তাড়াহুড়ো করেই ও চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছে। যাওয়ার আগেই সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়েছে। আপনি সেদিন ক্লায়েন্ট মিটিংয়ে ছিলেন, তাই হয়তো দেখা হয়নি।আমি আর কিছু জিজ্ঞেস করিনি। অদ্ভুতভাবে বুকের ভেতর কোনো বিস্ফোরণ ঘটল না। শুধু একটা নিঃশব্দ শূন্যতা নেমে এল, যেন বহু বছর আগে উত্তরার সেই বারান্দাটা আবার একবার খালি হয়ে গেল।এরপর জীবন খুব দ্রুত বদলে গেল। কাজের চাপ বাড়ল। পদোন্নতি হলো। নতুন শহর, নতুন দায়িত্ব, নতুন দেশ। একসময় কানাডার একটা সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব গ্রহণ করলাম। বন্ধুরা বলেছিল,—স্বপ্নপূরণ হয়ে গেল!হয়তো সত্যিই হয়েছিল। কিন্তু মানুষ বুঝতে শেখে, সব স্বপ্নের সঙ্গে সব আনন্দ আসে না। কিছু সাফল্য খুব নিঃসঙ্গও হয়।টরন্টোতে আসার পর প্রথম শীতেই আমি বুঝলাম, তুষার শুধু শহর ঢেকে দেয় না, মানুষের স্মৃতিকেও সাদা করে দিতে চায়। কিন্তু সব স্মৃতি ঢেকে যায় না। কখনো কখনো কোনো কফির গন্ধ, কোনো বিকেলের আলো কিংবা কোনো বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা একাকী মানুষের ছায়া হঠাৎ বহু বছর আগের দরজা খুলে দেয়। সেই দরজার ওপাশে এখনো দাঁড়িয়ে আছে উত্তরার সেই বিকেল।আর একটি নাম, যে নাম পৃথিবীর কেউ জানত না। শুধু আমি।সুনয়না।’ফায়ারপ্লেসের আগুন তখন ধীরে ধীরে নিভে আসছে। কথা শেষ করতেই ঘরজুড়ে দীর্ঘ নীরবতা নেমে এল। ভাবি কফির ঠান্ডা হয়ে যাওয়া কাপটার দিকে তাকিয়ে রইলেন। সায়েম ভাই উঠে এসে আমার পাশে দাঁড়ালেন। তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—তাহলে তুমি তাকে কোনো দিন জানাওনি?আমি মৃদু হেসে মাথা নাড়ালাম।—না।—আফসোস হয় না?জানালার বাইরে তাকালাম। তুষার পড়ছে। প্রতিটি সাদা কণা নিঃশব্দে মাটিতে মিশে যাচ্ছে। আমি ধীরে বললাম,—আফসোস হয় সেই ভালোবাসার জন্য, যেটা কাউকে কষ্ট দিয়ে নিজের করতে হয়। আমার গল্পে তেমন কিছু ছিল না। সে তার জীবন নিয়ে সুখী ছিল। আমি কেন আমার অনুভূতির ভার তার কাঁধে চাপিয়ে দিতাম?ভাবি খুব আস্তে বললেন,—কিন্তু তুমি তো একা রয়ে গেলে।আমি হেসে উত্তর দিলাম,—মানুষ সব সময় কারও অভাবে একা থাকে না। কখনো কখনো একটি সুন্দর স্মৃতির সঙ্গেও সারা জীবন কাটিয়ে দেওয়া যায়।ঘড়ির কাঁটা তখন রাত বারোটা ছুঁয়েছে। বাইরে তুষারপাত আরও ঘন হয়েছে। বিদায় নিয়ে দরজার সামনে দাঁড়াতেই সায়েম ভাই আমার কাঁধে হাত রাখলেন।—নীল...—জি?—জীবনে যদি আবার কোনো বিকেল এসে দাঁড়ায়, এবার যেন চুপ করে থেকো না।আমি কোনো উত্তর দিলাম না। শুধু মৃদু হাসলাম।বাড়ি ফেরার পথে গাড়ির জানালার বাইরে অসংখ্য তুষারকণা উড়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ মনে হলো, মানুষ আসলে কাউকে ভুলে যায় না। সে শুধু স্মৃতির সঙ্গে বসবাস করতে শিখে যায়।সেদিন রাতে ঘরে ফিরে বহুদিন পর জানালার পাশে দাঁড়ালাম। দূরে বরফে ঢাকা শহর ঘুমিয়ে আছে।অন্ধকার কাচে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে মনে হলো, সময় আমার চুলে রুপালি রং ছড়িয়ে দিয়েছে, কিন্তু উত্তরার সেই একফালি আকাশ এখনো কোথাও রয়ে গেছে।আমি চোখ বন্ধ করলাম। কল্পনায় আবার একটি বারান্দা ভেসে উঠল। সেখানে একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার মুখ আজও স্পষ্ট নয়। শুধু চোখ দুটো স্পষ্ট। আমি নিঃশব্দে বললাম,—ভালো থেকো, সুনয়না।জানালার ওপারে তুষার পড়তেই থাকল। আর আমি বুঝলাম, কিছু ভালোবাসার শেষ অধ্যায় মিলনে লেখা হয় না। সেগুলো লেখা থাকে নীরবতায়।উত্তরা, ঢাকা

কনসিলার, ব্লাশ আর নিউড লিপ: মাত্র ৩ প্রোডাক্টেই কীভাবে ন্যাচারাল গ্ল্যাম আনেন জাহ্নবী কাপুর
কনসিলার, ব্লাশ আর নিউড লিপ: মাত্র ৩ প্রোডাক্টেই কীভাবে ন্যাচারাল গ্ল্যাম আনেন জাহ্নবী কাপুর

মেকআপ মানেই যেন অনেকগুলো প্রোডাক্ট, ঘন্টার পর ঘন্টা প্রস্তুতি। কিন্তু বলিউড তারকা জাহ্নবী কাপুর সাম্প্রতি তার ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন নিজের বিউটি লুক তৈরির পেছনের গল্প। যেখানে তিনি বলেছেন মাত্র তিনটি ধাপে তার সাজ হয়ে উঠেছে পরিপাটি, ফ্রেশ ও নেচারাল।প্রতিদিনের মেকআপে খুব বেশি কিছু না করেও কীভাবে ফ্রেশ ও গোছানো দেখানো যায়, জাহ্নবীর এই রুটিন তারই সহজ উদাহরণ। আরও মজার বিষয়, মেকআপ ব্রাশ বা স্পঞ্জের ওপর খুব বেশি নির্ভর না করে আঙুল দিয়েই তিনি বেশির ভাগ প্রোডাক্ট ব্লেন্ড করেছেন। ফলে পুরো সাজটি যেমন দ্রুত করা যায়, তেমনি এর ফিনিশও থাকে বেশ স্বাভাবিক। তার সাজের মূল তিনটি বিষয় হচ্ছে সতেজ বেস, নরম গোলাপি ব্লাশ আর নিউড-পিঙ্ক ঠোঁট। View this post on Instagram A post shared by Janhvi Kapoor (@janhvikapoor) ভারী বেস নয়, শুরু হোক কনসিলার দিয়েজাহ্নবীর রুটিনের প্রথম ধাপ কনসিলার। পুরো মুখে ভারী ফাউন্ডেশন লাগানোর বদলে যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করছেন তিনি। চোখের নিচে সরাসরি অ্যাপ্লিকেটর দিয়ে অল্প প্রোডাক্ট নিয়ে আঙুলের সাহায্যে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এতে ত্বকের রং কিছুটা সমান দেখালেও মুখ ভারী হয়ে যাচ্ছে না। এই ধরনের মেকআপে ব্লেন্ড করা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্তর বাড়ানো যায়, এমন কনসিলারই ভালো। একবারে বেশি না দিয়ে অল্প অল্প করে লাগানোই মূল কৌশল।গালে নরম গোলাপি আভাবেসের পর জাহ্নবী ব্যবহার করছেন সফট পিঙ্ক লিকুইড ব্লাশ। গালে সরাসরি অল্প ব্লাশ নিয়ে আঙুল দিয়ে ট্যাপ করে ব্লেন্ড করেছেন তিনি। ফলে গালে ভারী রঙের বদলে এসেছে হালকা, সতেজ আভা। এই লুকের জন্য ক্রিম বা লিকুইড ব্লাশ বেশ কার্যকর। কারণ অল্প অল্প করে রং বাড়ানো যায়, ফলে মুখে ব্লাশের দাগও স্পষ্ট থাকে না।ঠোঁটে নিউড-পিঙ্কজাহ্নবীর পুরো মেকআপের সঙ্গে ঠোঁটের রংও বেশ নরম। শেষ ধাপে তিনি ব্যবহার করেছেন নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। গালের গোলাপি আভা আর ঠোঁটের একই পরিবারের রং পুরো লুকটিকে করেছে আরও গোছানো। খুব ফ্যাকাশে বেইজ নিউডের বদলে গোলাপি, রোজি বা হালকা ব্রাউন আন্ডারটোনের নিউড বেছে নিলে ঠোঁট আরও স্বাভাবিক দেখাবে। দিনের সাজে লিপস্টিক পুরো ঠোঁটে না দিয়ে মাঝখানে অল্প লাগিয়ে আঙুল দিয়ে ছড়িয়ে দিলেও পাওয়া যাবে আরও নরম ফিনিশ।চোখে শুধু এক কোট মাসকারাজাহ্নবী যে তিনটি মূল ধাপ দেখিয়েছেন, সেখানে মাসকারা ছিল না। তাই এটি মূল রুটিনের অংশ নয়; চাইলে বাড়তি সংযোজন হিসেবে রাখা যায়। বিশেষ করে দিনের সাজ সন্ধ্যার দিকে নিতে চাইলে এক বা দুই কোট মাসকারাই যথেষ্ট। এতে চোখ কিছুটা বেশি স্পষ্ট হবে, কিন্তু পুরো মেকআপের স্বাভাবিক মেজাজ নষ্ট হবে না।ভ্রু থাকুক নেচারালএই লুকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভ্রু। খুব গাঢ় করে আঁকার বদলে যেখানে ফাঁকা আছে, শুধু সেখানে হালকা করে ভরাট করাই যথেষ্ট। এরপর স্পুলি দিয়ে ভ্রু আঁচড়ে নিলে রংটা নরম হয়ে যাবে। এ জন্য পেন্সিল ব্যবহার করা যেতে পারে। লক্ষ্য হবে ভ্রুকে স্পষ্ট করে আঁকা নয়, বরং একটু গোছানো দেখানো।ত্বক যেন ত্বকের মতোই দেখায়জাহ্নবীর মেকআপের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য সম্ভবত এটাই। নিজের ত্বকের রং পুরোপুরি ঢেকে ফেলার চেষ্টা নেই। ভারী ফাউন্ডেশনের বদলে প্রয়োজনমতো কনসিলার ব্যবহার করায় ত্বকের স্বাভাবিক টেক্সচারও দেখা যায়। এই লুক করতে গিয়ে সবচেয়ে সহজ ভুল হতে পারে বারবার কভারেজ বাড়ানো। যেখানে প্রয়োজন শুধু সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করে থেমে যাওয়াই ভালো। এতে মেকআপ থাকবে হালকা, আর মুখও দেখাবে আরও স্বাভাবিক।ব্রাশ নয়, আঙুলেই ব্লেন্ডজাহ্নবীর রুটিন থেকে সবচেয়ে সহজে নেওয়া যায় যে কৌশল, সেটি হলো আঙুল দিয়ে মেকআপ ব্লেন্ড করা। কনসিলার ও ব্লাশের মতো লিকুইড বা ক্রিম প্রোডাক্ট অল্প করে আঙুলে নিয়ে ত্বকে ট্যাপ করে লাগালে দ্রুত কাজ হয় এবং প্রোডাক্টের পরিমাণও সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বিশেষ করে ব্যস্ত সকালে এই পদ্ধতি বেশ সুবিধাজনক। একগাদা ব্রাশ বের করার দরকার নেই, আবার অতিরিক্ত মেকআপ করার ঝুঁকিও কমে।জাহ্নবীর তিন ধাপের সহজ রুটিনপুরো রুটিনকে একেবারে সহজ করে বললে, কনসিলার, ব্লাশ, নিউড লিপ। প্রথমে অল্প কনসিলার দিয়ে ত্বকের প্রয়োজনীয় অংশ সমান করুন। এরপর গালে নরম গোলাপি আভা দিন। সবশেষে নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। সব প্রোডাক্টই হালকা হাতে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করতে হবে। এর সঙ্গে আরও একটু সাজানো লুক চাইলে যোগ করা যায় মাসকারা ও হালকা ভ্রু ডেফিনিশন। তবে মূল সৌন্দর্যটা থাকবে কম প্রোডাক্টে, হালকা হাতে এবং ত্বকের স্বাভাবিকতা বজায় রাখায়।জাহ্নবী কাপুরের সাম্প্রতিক মেকআপ রুটিন শেষ পর্যন্ত খুব সাধারণ একটি কথাই মনে করিয়ে দেয়। দৈনন্দিন গ্ল্যামের জন্য সবসময় অনেক কিছু দরকার হয় না। ত্বককে সমান করা, গালে একটু রং আর ঠোঁটে সামান্য উষ্ণতা এই তিনটিই যথেষ্ট হতে পারে। আসল কৌশল হলো মেকআপের স্তর হালকা রাখা এবং ত্বককে ত্বকের মতোই থাকতে দেওয়া।

ফরমাল পোশাকে গ্ল্যামারাস দেখালেন কিয়ারা
ফরমাল পোশাকে গ্ল্যামারাস দেখালেন কিয়ারা

ফ্যাশনের দুনিয়ায় কিয়ারা আদভানির সবচেয়ে বড় শক্তি তার বহুমুখী স্টাইল সেন্স। রেড কার্পেটের ঝলমলে গ্ল্যামার, ফটোশুট লুক কিংবা দৈনন্দিন পোশাক-প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের মতো করে স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরি করতে জানেন এই অভিনেত্রী। কখনো শাড়ি বা অন্য কোনো ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাকে তিনি হয়ে ওঠেন মোহময়ী, আবার কখনো পশ্চিমা পোশাকে ফুটিয়ে তোলেন আধুনিকতার ছাপ। তার সাম্প্রতিক ফটোশুটের লুকটিও সেই বহুমুখী ফ্যাশন ভাবনারই আরেকটি উদাহরণ। এবার কিয়ারার পছন্দ ছিল স্ট্রাকচার্ড পাওয়ার স্যুট। ক্যামেল-বেইজের একরঙা এই সাজে ছিল টেইলারিংয়ের নিখুঁত ছাপ, পুরুষালি পোশাকের অনুপ্রেরণা এবং নারীর আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি-সবকিছুর সুন্দর সমন্বয়। পুরো লুকটি যেন দেখিয়ে দিল, পাওয়ার ড্রেসিং মানেই শুধু কঠোর বা ফরমাল হওয়া নয়, সঠিক কাট, রং ও স্টাইলিংয়ের মাধ্যমে সেটিই হয়ে উঠতে পারে অত্যন্ত গ্ল্যামারাস। কিয়ারার স্যুটের অন্যতম আকর্ষণ ছিল স্ট্রাকচার্ড ওয়েস্টকোট। শরীরের উপরের অংশের সঙ্গে সুন্দরভাবে মানানসই এই ওয়েস্টকোটে ছিল গভীর ভি-নেকলাইন। সামনে একই ক্যামেল-বেইজ রঙের ছোট ছোট বোতামের সারি পোশাকটিতে এনে দিয়েছে পরিপাটি ফিনিশিং। ওয়েস্টকোটের ভেতরে কিয়ারা পরেছিলেন দুই রঙের বেইজ ও সাদা শার্ট। শার্টটির উষ্ণ বেইজ রঙের মূল অংশ ওয়েস্টকোটের সঙ্গে মিশে গেলেও নজর কেড়েছে এর ওভারসাইজড সাদা কলার। সঙ্গে ছিল স্টাইলিশ ফ্রেঞ্চ কাফ, যা পুরো পোশাকে এনে দিয়েছে খানিকটা ক্লাসিক ফরমাল আবহ। এর ওপর ছিল একই রঙের একটি স্ট্রাকচার্ড জ্যাকেট। টেইলারড শোল্ডার, পরিষ্কার ল্যাপেল এবং নিখুঁত কাটিংয়ের কারণে জ্যাকেটটি কিয়ারার সিলুয়েটকে আরও সুস্পষ্ট করে তুলেছে। নিচে ছিল একই ক্যামেল-বেইজ শেডের হাই-ওয়েস্টেড ওয়াইড-লেগ ট্রাউজার্স। প্যান্টের বাড়তি ভলিউম একদিকে যেমন স্বাচ্ছন্দ্য এনেছে, অন্যদিকে পুরো পোশাকটিকে দিয়েছে আধুনিক ও বিলাসবহুল আবহ। প্রচলিত টাইয়ের বদলে কিয়ারার গলায় দেখা গেছে চিকন বেইজ নেকটাই। কলারের নিচে পরিপাটি করে গুঁজে রাখা এই টাই পুরুষদের ক্লাসিক টেইলারিংয়ের ছোঁয়া এনে দিয়েছে নারীর পাওয়ার স্যুটে। পুরো পোশাকে থাকা সূক্ষ্ম প্লেড প্যাটার্নও লুকটিকে একঘেয়ে হওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছে। জুতার ক্ষেত্রেও টোনাল স্টাইলিংয়ের পথেই হেঁটেছেন কিয়ারা। পায়ে ছিল উটের রঙের পয়েন্টেড স্টিলেটো পাম্প। সূচালো অগ্রভাগের এই জুতা তার পায়ের রেখাকে আরও দীর্ঘ দেখিয়েছে এবং মাথা থেকে পা পর্যন্ত একরঙা বিন্যাসটিও অটুট রেখেছে। অ্যাক্সেসরিজে রেখেছিলেন একবারে ছিমছাম । একজোড়া সোনালি স্টেটমেন্ট কানের দুল এবং মানানসই একটি আংটিতেই নজর কেড়েছেন। এর সঙ্গে এভিয়েটর সানগ্লাস যোগ করে কিয়ারা পুরো লুকে এনেছেন আরও দৃঢ় ভাব। সানগ্লাসের উপস্থিতিই আত্মবিশ্বাসী বার্তাটিকে আরও জোরালো করেছে। চুল ও মেকআপেও ছিল পরিমিতির ছাপ। পোশাকের কাটিং ও টেইলারিংকে লুকের মূল আকর্ষণ করে তুলতে কিয়ারা তার লম্বা, ঘন বাদামি চুল হালকা ঢেউ খেলানো এবং কিছুটা স্বাভাবিক ভঙ্গিতে রেখেছেন। মেকআপে ছিল সফট-গ্ল্যাম আবহ- সুবিন্যস্ত ভ্রু, উষ্ণ টোনের আইশ্যাডো এবং নুড-গোলাপি লিপস্টিক। কিয়ারার এই লুকটি প্রমাণ করে, পাওয়ার ড্রেসিংয়ের আসল শক্তি পোশাকে যতটা, তার চেয়েও বেশি আত্মবিশ্বাসে। ক্যামেল-বেইজের শান্ত রং, নিখুঁত টেইলারিং, পুরুষালি টেইলারিংয়ের অনুপ্রেরণা  এই লুকে কিয়ারা তৈরি করেছেন এমন এক ফ্যাশন স্টেটমেন্ট, যা একই সঙ্গে স্মার্ট, আধুনিক ও নজরকাড়া। এসএকেওয়াই

ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়
ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়

ঘুম শরীর ও মনের পুনরুদ্ধারের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের ভেতরে শুরু হয় নানা জটিলতা, যা ধীরে ধীরে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনেকেই ঘুমকে অবহেলা করেন, অথচ সুস্থ থাকার অন্যতম চাবিকাঠি হচ্ছে ভালো ঘুম। যখন ঘুম ঠিকমতো হয় না, তখন শরীরের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে সহজেই সর্দি-কাশি বা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ঘুমের ঘাটতি হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, ফলে ক্ষুধা বেড়ে যায়, যা অতিরিক্ত খাওয়া ও ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। শুধু তাই নয়, নিয়মিত কম ঘুম মানে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেক গুণ বেড়ে যাওয়া। মানসিক স্বাস্থ্যের দিক থেকেও এর প্রভাব ভয়াবহ। ঘুম কম হলে মন খারাপ লাগে, মনোযোগে ঘাটতি আসে, কাজের উদ্যম কমে যায়। অনেক সময় হতাশা, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা তৈরি হয়। শিক্ষার্থী বা কর্মজীবীদের ক্ষেত্রে এটি সরাসরি কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেয়। তবে সুস্থ থাকার জন্য ঘুম ঠিক রাখার কিছু সহজ উপায় অনুসরণ করা যায়। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং জেগে ওঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস। রাতে ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা উচিত — মোবাইল, টিভি বা ল্যাপটপের আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনের ক্ষরণে বাধা দেয়। শোবার ঘরকে ঠান্ডা, অন্ধকার ও শান্ত রাখা ঘুমের মান বাড়ায়। কফি বা চা রাতের বেলা এড়িয়ে চলাই ভালো। দিনের বেলা হালকা ব্যায়াম ও সকালের রোদে কিছুক্ষণ সময় কাটানো ঘুমে সহায়তা করে। আর ঘুমানোর আগে ভারী খাবার না খাওয়াও জরুরি। ঘুমকে যদি গুরুত্ব না দেওয়া হয়, তাহলে শরীর একসময় সিগন্যাল দিতে শুরু করবে — মাথা ভার, মেজাজ খারাপ, স্মৃতিশক্তি দুর্বল ইত্যাদি নানা রকম সমস্যা দেখা দেবে। তাই সুস্থ থাকতে হলে শুধু খাদ্য, ব্যায়াম বা ওষুধ নয় — একটি পরিপূর্ণ ঘুমই হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।

দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ
দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ

বাংলাদেশে আবারও শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের নতুন সংকট। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা শহরে একটানা লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। দিনের পাশাপাশি রাতেও বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, এমনকি হাসপাতালের রোগীরাও অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তীব্র গরম ও অসহনীয় তাপদাহের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাই ভুগছেন। শহরাঞ্চলে ফ্যান, এসি ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গরমে হাঁসফাঁস করছেন মানুষ। অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলে পানির পাম্প চলতে না পারায় পানির সংকটও দেখা দিয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, দিনে প্রায় ৬-৮ বার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা আর ফিরে আসছে না। বিশেষ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ছোট কারখানাগুলো এই বিদ্যুৎ সংকটে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ছোট দোকানদাররা জানাচ্ছেন, দীর্ঘ সময় ফ্রিজ বন্ধ থাকায় খাবারদাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আইটি ও অনলাইনভিত্তিক কাজেও সমস্যা হচ্ছে, কারণ ইন্টারনেট রাউটার, কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি চালাতে বিদ্যুৎ অপরিহার্য। এতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং আয়-রোজগারে বড় ধাক্কা লাগছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্রে জানা গেছে, গ্রীষ্ম মৌসুমে চাহিদা বৃদ্ধির কারণে জেনারেশন ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র গ্যাস সংকটের কারণে পুরো উৎপাদন করতে পারছে না। অন্যদিকে আমদানি নির্ভর কয়লা ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যয় সামাল দিতে গিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি সাময়িক এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে লোডশেডিং কমে আসবে। তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কতদিন এমন দুর্ভোগ চলবে? বিশেষ করে যেসব এলাকায় দিনে ৮-১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না, তাদের জন্য এ আশ্বাস কতটা কার্যকর হবে — তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকট দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে এবং এর সমাধানে স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রয়োজন। বিকল্প জ্বালানি উৎস যেমন সৌর ও নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে গুরুত্ব না দিলে প্রতি বছরই এ ধরনের সংকটের পুনরাবৃত্তি হবে। এ অবস্থায় মানুষ চায় বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও দ্রুত সমাধান। বিদ্যুৎ বিভ্রাট যেন আর এক নিত্যকার দুর্ভোগে পরিণত না হয় — সেই প্রত্যাশাই করছে সারাদেশ।

Follow us

Top week

ইয়েমেনে ২৪ ঘণ্টায় দেড় হাজার হুথি যোদ্ধা হতাহত
আন্তর্জাতিক

ইয়েমেনে ২৪ ঘণ্টায় দেড় হাজার হুথি যোদ্ধা হতাহত

News অক্টোবর ৩, ২০২৬ 0

Rss feed news

ভারত-পাকিস্তানের ‘শীতল যুদ্ধের’ শেষ কোথায়
ভারত-পাকিস্তানের ‘শীতল যুদ্ধের’ শেষ কোথায়

তবে একটি বড় সমস্যা ছিল। ভারতের প্রতিটি ইতিবাচক পদক্ষেপের জবাবে পাকিস্তান প্রতিটি ক্ষেত্রে সামরিক আক্রমণ বা সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
ঢাকা মেডিকেলে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির মরদেহ রেখে পালালেন দুই যুবক, পরে মিলল পরিচয়
ঢাকা মেডিকেলে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির মরদেহ রেখে পালালেন দুই যুবক, পরে মিলল পরিচয়

<p>ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে অচেতন এক ব্যক্তিকে ট্রলিতে করে নিয়ে এসে কৌশলে পালিয়ে গেছেন দুই যুবক। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রথমে পরিচয় নিশ্চিত হওয়া না গেলেও পকেটে থাকা একটি চশমার দোকানের রসিদের সূত্র ধরে পরে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা হয়।</p><p> নিহত ব্যক্তির নাম সবুজ মল্লিক (৫০)। তিনি ঢাকার ধামরাইয়ে প্রতীক সিরামিক কোম্পানিতে ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি জামালপুর সদর এলাকায়।</p><p>শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দুপুরে অজ্ঞাতপরিচয় দুই যুবক অচেতন অবস্থায় সবুজ মল্লিককে ট্রলিতে করে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। জরুরি বিভাগে পৌঁছানোর পর তাঁদের একজন রোগী ভর্তির টিকিট কাটার কথা বলে ভেতরে চলে যান। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি ফিরে না আসায় হাসপাতালের কর্মী, নার্স ও ট্রলিম্যানরা সঙ্গে থাকা অপর যুবকের কাছে জানতে চান। তখন তিনি প্রথম যুবককে খোঁজার কথা বলে জরুরি বিভাগ থেকে কৌশলে পালিয়ে যান।</p><p>পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সবুজ মল্লিককে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় তাঁর পকেটে তল্লাশি চালিয়ে একটি মানিব্যাগ, কয়েকটি ভিজিটিং কার্ড ও একটি চশমার দোকানের রসিদ পায় পুলিশ। সেই রসিদের সূত্র ধরে সংশ্লিষ্ট চশমার দোকানে মৃত ব্যক্তির ছবি পাঠানো হয়। পরে দোকান কর্তৃপক্ষ ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করলে স্বজনেরা বিষয়টি জানতে পারেন এবং পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।</p><p>ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তাঁর শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। বিষয়টি শাহবাগ থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে।</p><p>সবুজ মল্লিকের ছেলে তামিম মল্লিক মুঠোফোনে বলেন, তাঁর বাবা ধামরাই এলাকায় সিরামিক কোম্পানির ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং সেখানেই থাকতেন। তবে শুক্রবার তিনি কোথায় গিয়েছিলেন কিংবা কীভাবে এ ঘটনা ঘটল, সে বিষয়ে স্বজনেরা কিছুই জানেন না।</p>

অক্টোবর ৯, ২০২৬
অবৈধভাবে মজুত ৫৬ বস্তা সার জব্দ করেছে পুলিশ, ১৫ হাজার টাকা জরিমানা
অবৈধভাবে মজুত ৫৬ বস্তা সার জব্দ করেছে পুলিশ, ১৫ হাজার টাকা জরিমানা

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে অবৈধভাবে মজুত করা ৫৬ বস্তা সার জব্দ করেছে ডিবি। ভ্রাম্যমাণ আদালতে মজুত করার দায়ে এক ব্যক্তিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে

অক্টোবর ৯, ২০২৬
এমবাপ্পেকে নিয়ে ট্রল আর সমালোচনার ঝড়, মরিনিওর জবাব: ‘হাস্যকর’
এমবাপ্পেকে নিয়ে ট্রল আর সমালোচনার ঝড়, মরিনিওর জবাব: ‘হাস্যকর’

<p>সমালোচনা এই মৌসুমে যেন কিলিয়ান এমবাপ্পের নিত্যসঙ্গী হয়ে ওঠেছে। চোটের মধ্যে প্যারিসে যাওয়া, সুইজারল্যান্ডে সাইকেল চালানো, মাঠের বাইরে তাঁর এমন নানা ঘটনা নিয়ে বিরক্ত রিয়াল মাদ্রিদ সমর্থকদের একাংশ। তবে এমবাপ্পেকে নিয়ে সমর্থকদের এসব সমালোচনা ভালোভাবে নেননি কোচ জোসে মরিনিও। ফরাসি অধিনায়ককে নিয়ে সব সমালোচনাকে সরাসরি ‘হাস্যকর’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন পর্তুগিজ এই কোচ। </p> <aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/jexomwpj00">হাঁটুর চোটে ফ্রান্স দল থেকে ছিটকে পড়লেন এমবাপ্পে</a></aside><p>তুরস্কের বিপক্ষে উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচে বাঁ হাঁটুতে চোট পান ২৭ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। এরপর চোটের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য তিনি ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডে যান। এ সময় প্যারিসের একটি নৈশক্লাবের প্রবেশমুখে তাঁর ছবি প্রকাশিত হয়। সুইজারল্যান্ডে সাইকেল চালানোর ছবিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ট্রলও করতে থাকেন কেউ কেউ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-09/qo3p2a0x/gettyimages_2296521535_2048x2048.jpg"><figcaption>তুরস্কের বিপক্ষে উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচে বাঁ হাঁটুতে চোট পান এমবাপ্পে।</figcaption></figure> <p>এমবাপ্পের এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে মরিনিওর সাম্প্রতিক একটি মন্তব্য মিলিয়ে দেখছেন সমর্থকদের কেউ কেউ। কয়েক দিন আগেই রিয়াল কোচ বলেছিলেন, চোটের ঝুঁকি এড়াতে খেলোয়াড়দের স্কিইং কিংবা সাইকেল চালানো থেকে বিরত থাকা উচিত। এরপর এমবাপ্পের সাইকেল চালানোর ছবি সামনে আসায় কেউ কেউ মনে করছেন, কোচের নির্দেশকে ইচ্ছাকৃতভাবে উপেক্ষা করেছেন ফরাসি তারকা।</p><p>তবে আজ সংবাদ সম্মেলনে এসব সমালোচনার জবাব দিয়েছেন মরিনিও। ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে লা লিগার ম্যাচের আগের দিন তিনি বলেছেন, ‘এই সমালোচনাগুলো কি বাড়াবাড়ি? অবশ্যই। এগুলো হাস্যকর।’</p> <aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/ar2yhsa8j3">এমবাপ্পের চোট কি তাহলে নতুন বুটের কারণে</a></aside><p>এমবাপ্পের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের বিষয়টি ব্যাখ্যা করে রিয়াল কোচ বলেন, ‘যেসব খেলোয়াড়কে প্রতিদিন উপস্থিত থেকে পুনর্বাসনপ্রক্রিয়ায় অংশ নিতে বলা হয়েছিল, তারা সবাই এখানে ছিল। অন্যদের মতো এমবাপ্পেও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে এসেছিল, যাতে তাঁর চোটের ধরন সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়। এরপর সে ফ্রান্সে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে গেছে। কারণ, তার হাঁটুতে আগে থেকেই সমস্যার ইতিহাস আছে, যেটি আমরা উপেক্ষা করতে পারি না।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-09/q90i6sja/gettyimages_2293522155_2048x2048.jpg"><figcaption>এমবাপ্পের পাশে আছেন মরিনিও।</figcaption></figure> <p>এমবাপ্পেকে নিয়ে সমালোচনার প্রতিটি বিষয়েই নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন মরিনিও। ৬৩ বছর বয়সী এই কোচের মতে, ফুটবলসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সমালোচকদের সন্তুষ্টি হচ্ছে না বলেই তাঁরা অন্য প্রসঙ্গ টেনে আনছেন। সংবাদ সম্মেলনে মরিনিও বলেন, ‘ফুটবল নিয়ে সমস্যাগুলো আপনাদের জন্য যথেষ্ট নয়। তাই আপনারা নৈশক্লাবের প্রসঙ্গ তুলেছেন। অথচ সেটি আসলে কোনো নৈশক্লাবের অনুষ্ঠান ছিল না। ফ্যাশন উইকের একটি ব্যক্তিগত আয়োজন ছিল সেটি।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-09/bj5b9dkv/gettyimages_2293521629_2048x2048.jpg"><figcaption>এমবাপ্পে রিয়াল মাদ্রিদের প্রতি নিজের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছেন বলে ‘নিশ্চিত’ মরিনিও।</figcaption></figure> <p>সুইজারল্যান্ডে এমবাপ্পের সাইকেল চালানো নিয়েও ব্যাখ্যা দিয়েছেন মরিনিও। তাঁর ভাষায়, ‘সুইজারল্যান্ডে সাইকেল চালানোর যে ছবি নিয়ে কথা হচ্ছে, সেটি ছিল একটি হোটেলে। সেখানে ছোট ছোট বাড়ি আছে। অতিথিরা সাইকেল ব্যবহার করে হোটেলের সবার জন্য নির্ধারিত জায়গাগুলোতে যেতে পারেন। অথচ আপনারা এমনভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করছেন, যেন সে সুইজারল্যান্ডের সাইকেল রেসে অংশ নিচ্ছিল।’</p> <p>আগামীকাল ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে ম্যাচে এমবাপ্পেকে সমর্থকদের বিরূপ প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হতে পারে কি না, সে প্রশ্নও উঠেছে। তবে এ নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন মরিনিও। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা এমবাপ্পে রিয়াল মাদ্রিদের প্রতি নিজের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছেন বলে ‘নিশ্চিত’ এই কোচ।</p><p>এমবাপ্পেকে নিয়ে রিয়াল সমর্থকদের একাংশের ক্ষোভ এবারই প্রথম নয়। গত মাসেও তাঁকে নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল ক্লাবটির কট্টরপন্থী সমর্থকগোষ্ঠী আলত্রাস সুর। ডানপন্থী রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এই গোষ্ঠীকে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।</p> <aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/o36v0k8nap">মেসি, এমবাপ্পে, ইয়ামাল, কেইন—ব্যালন ডি’অরে সাবেকদের ফেবারিট কে</a></aside>

অক্টোবর ৯, ২০২৬
বিশ্ব ডিম দিবস: ডিমের বিজ্ঞান, বাংলাদেশের সম্ভাবনা
বিশ্ব ডিম দিবস: ডিমের বিজ্ঞান, বাংলাদেশের সম্ভাবনা

<p>ডিম কি শুধু প্রোটিনেরই সহজলভ্য উৎস, নাকি মস্তিষ্কের সুস্থতা ও জটিল স্নায়বিক কার্যক্রমেও এর কোনো বিশেষ ভূমিকা রয়েছে? ২০২৬ সালের একটি গবেষণায় প্রায় এক লাখ মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করে ডিম খাওয়ার সঙ্গে মস্তিষ্কের বয়সজনিত পরিবর্তনের ইতিবাচক সম্পর্ক পাওয়া গেছে। অন্যদিকে ডিমের কোলেস্টেরল নিয়ে দীর্ঘদিনের প্রচলিত ধারণাকেও এখন নতুনভাবে মূল্যায়ন করছে আধুনিক বিজ্ঞান।</p><p>আজ ৯ অক্টোবর, বিশ্ব ডিম দিবস। এ বছর দিবসটির ৩০ বছর পূর্তি পালিত হচ্ছে। এবারের আন্তর্জাতিক প্রতিপাদ্য—‘প্রোটিন, যা শক্তি দেয় ও সুরক্ষা করে’। বাংলাদেশের বাস্তবতায় দিবসটির গুরুত্ব অত্যন্ত গভীর। কারণ, ডিম এখন কেবল পুষ্টির উৎস নয়; দেশের খাদ্যনিরাপত্তা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও গ্রামীণ অর্থনৈতিক সক্ষমতার এক অপরিহার্য স্তম্ভ।</p><h3>মস্তিষ্ক ও স্মৃতিশক্তি নিয়ে গবেষণার নতুন বার্তা </h3><p>২০২৬ সালের জানুয়ারিতে জার্নাল অব হিউম্যান নিউট্রিশন অ্যান্ড ডায়েটেটিকসে প্রকাশিত একটি গবেষণায় ২১টি ভিন্ন সমীক্ষার ৯৯ হাজার ৪৫৩ জন মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। এতে দেখা গেছে, দৈনিক প্রায় ৫০ থেকে ৬০ গ্রাম ডিম খাওয়ার সঙ্গে বয়সজনিত জ্ঞানীয় অবনতির (কগনিটিভ ডিক্লাইন) তুলনামূলক কম ঝুঁকির প্রত্যক্ষ সম্পর্ক রয়েছে।</p><p>ডিমের কুসুমে বিদ্যমান ‘কোলিন’ মানবদেহে ‘অ্যাসিটাইলকোলিন’ নামক গুরুত্বপূর্ণ নিউরোট্রান্সমিটার তৈরিতে ভূমিকা রাখে, যা স্মৃতিশক্তি, শেখার ক্ষমতা ও মনোযোগের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের এক গবেষণাতেও প্রবীণদের মধ্যে নিয়মিত ডিম খাওয়ার সঙ্গে আলঝেইমারজনিত স্মৃতিভ্রংশের ঝুঁকি কমার ইতিবাচক দিক উঠে এসেছিল। এটি নিশ্চয়তা না দিলেও মস্তিষ্কের পুষ্টি জোগানে ডিমের কার্যকারিতা সুস্পষ্ট করে।</p><h3>কোলেস্টেরল নিয়ে বদলাচ্ছে পুরোনো ধারণা </h3><p>ডিম নিয়ে সমাজে সবচেয়ে প্রচলিত বিভ্রান্তি হলো এর কোলেস্টেরল। অনেকে এখনো ভুল ধারণাবশত কুসুম বাদ দিয়ে শুধু সাদা অংশ খান। অথচ কুসুমেই রয়েছে কোলিন, লুটেইন ও জেক্সানথিনের মতো অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান। ২০২৫ সালে দ্য আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনে প্রকাশিত এক গবেষণায় খাদ্যের কোলেস্টেরল ও সম্পৃক্ত চর্বির (স্যাচুরেটেড ফ্যাট) প্রভাব মূল্যায়ন করে দেখা গেছে, রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বৃদ্ধির জন্য খাদ্যের কোলেস্টেরলের চেয়ে সম্পৃক্ত চর্বিই মূল দায়ী।</p><p>অর্থাৎ ডিমকে এককভাবে দায়ী না করে সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাসকে গুরুত্ব দেওয়াই যুক্তিসংগত। এ ছাড়া লাল ডিম ও সাদা ডিমের পুষ্টিমানে কোনো পার্থক্য নেই; খোসার রং নির্ভর করে মুরগির জাতের ওপর এবং কুসুমের রং নির্ভর করে তাদের খাদ্যের ওপর। তাই রঙের বিভ্রান্তি ছেড়ে মানসম্মত উৎপাদনকেই প্রাধান্য দেওয়া উচিত।</p><h3>একটি ডিমে কত পুষ্টি </h3><p>প্রায় ৫০ গ্রাম ওজনের একটি ডিমে ছয় গ্রামের বেশি উচ্চমানের প্রোটিন এবং ৭০ থেকে ৭৫ কিলোক্যালরি শক্তি মেলে। এতে মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয় ৯টি অপরিহার্য অ্যামিনো অ্যাসিডের পাশাপাশি ভিটামিন বি-১২, ভিটামিন এ, সেলেনিয়াম ও কোলিন থাকে। ডিমের প্রোটিন শিশুদের শারীরিক বৃদ্ধি ও প্রবীণদের বয়সজনিত পেশিক্ষয় (সারকোপেনিয়া) প্রতিরোধে কার্যকর। কুসুমে থাকা লুটেইন ও জেক্সানথিন চোখের স্বাভাবিক স্বাস্থ্য বজায় রাখে। তবে ডিমকে একক অলৌকিক সমাধান না ভেবে সুষম খাদ্যের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা উচিত।</p><h3>উৎপাদনে ঐতিহাসিক অর্জন ও পুষ্টির সংকট </h3><p>বাংলাদেশের পোলট্রি শিল্প গত দেড় দশকে অসামান্য উন্নতি করেছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১০-১১ অর্থবছরে দেশে যেখানে ৬০৮ কোটি ডিম উৎপাদিত হতো, ২০২৪-২৫ সালে তা প্রায় ৪ গুণ বেড়ে ২,৪৪১ কোটিতে পৌঁছেছে। দেশে নির্ধারিত ১,৮৫০ কোটি চাহিদার বিপরীতে বর্তমানে মাথাপিছু বার্ষিক প্রাপ্যতা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৩৭টি। এটি আমাদের খামারি ও পোলট্রি খাতের বিশাল অর্জন।</p><p>তবে উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা এলেও পুষ্টি গ্রহণের জায়গায় বড় বৈষম্য রয়ে গেছে। ইউনিসেফ ও বিবিএসের ২০২৫ সালের জাতীয় জরিপ অনুযায়ী, ৬ থেকে ২৩ মাস বয়সী শিশুদের প্রায় ৬৫ শতাংশ এখনো চরম খাদ্যদারিদ্র্যের মধ্যে বাস করছে। পোলট্রি খাতের এই বিপুল সাফল্যকে শিশুদের অপুষ্টি দূর করতে কাজে লাগানো জরুরি। শিশুদের ছয় মাস বয়সের পর সম্পূরক খাবারে ডিম অন্তর্ভুক্ত করা গেলে জাতীয় পর্যায়ে শিশুর শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধিতে বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব।</p><h3>খামারি ও ভোক্তার স্বার্থের ভারসাম্য </h3><p>বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৫ সালের কৃষিপণ্যের সরবরাহব্যবস্থা সংক্রান্ত গবেষণায় দেখা গেছে, পোলট্রি বাজারের সব ধরনের আর্থিক ও বাজারভিত্তিক ঝুঁকি এককভাবে বহন করেন প্রান্তিক খামারিরা। বাজারে পোলট্রি খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য ও সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থার অভাবে খামারিরা কখনো নিঃস্ব হন, আবার কখনো ভোক্তাকে চড়া দামে ডিম কিনতে হয়। তাই খামারির জন্য ন্যায্য লাভজনক মূল্য এবং সাধারণ ভোক্তার জন্য সাশ্রয়ী দাম নিশ্চিত করতে পোলট্রি ফিডের দাম স্থিতিশীল রাখা ও সরবরাহ শৃঙ্খলে স্বচ্ছতা আনা জরুরি।</p><h3>জলবায়ু চ্যালেঞ্জ ও বাজারের নতুন দিগন্ত </h3><p>বাংলাদেশের অতিরিক্ত গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া পোলট্রি খামারের জন্য নতুন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। অতিরিক্ত তাপে ডিম উৎপাদন কমে এবং খোসা পাতলা হয়। এ কারণে ভবিষ্যতে শুধু উন্নত জাতের মুরগি নয়; বরং তাপসহনশীল খামার ব্যবস্থাপনা, জৈবনিরাপত্তা এবং খামারের বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস ও সোলার পাওয়ারের মাধ্যমে নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিকে নজর দিতে হবে।</p><p>এর পাশাপাশি সনাতন খোসাসহ ডিম বিক্রির বাইরে তরল ডিম (লিকুইড এগ), পাস্তুরিত উপাদান ও ডিমের গুঁড়ার (এগ পাউডার) মতো প্রক্রিয়াজাত পণ্য তৈরির শিল্প বিকাশ প্রয়োজন। বেকারি, হোটেল ও তৈরি পোশাক খাতের মতো প্রাতিষ্ঠানিক বাজারে এর ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে, যা ভবিষ্যতে মাননিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করে ডিম রপ্তানির নতুন দুয়ারও খুলে দিতে পারে।</p><p>বিশ্ব ডিম দিবসের ৩০ বছর পূর্তিতে আমাদের মূল অঙ্গীকার হওয়া উচিত—বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণাকে কাজে লাগিয়ে একদিকে যেমন শিশু, নারী ও প্রবীণদের পুষ্টির অধিকার নিশ্চিত করা, অন্যদিকে খামারিদের স্বার্থ রক্ষা করে পোলট্রি শিল্পকে পরিবেশবান্ধব, টেকসই ও রপ্তানিমুখী অর্থনৈতিক খাতে রূপান্তর করা।</p><ul><li><p><strong>এ কে এম হুমায়ুন কবির</strong> শিক্ষক ও গবেষক, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়।</p></li></ul>

অক্টোবর ৯, ২০২৬
প্রকৃত শ্রমিক প্রতিনিধি নিয়ে 
মজুরি বোর্ড গঠনের দাবি
প্রকৃত শ্রমিক প্রতিনিধি নিয়ে মজুরি বোর্ড গঠনের দাবি

<p>প্রকৃত শ্রমিক প্রতিনিধি নিয়ে তৈরি পোশাকশিল্পের নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠনসহ চারটি দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির নেতা–কর্মীরা। অন্য দাবিগুলো হচ্ছে—গণতান্ত্রিক শ্রম বিধিমালা, ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধন সহজীকরণ ও অসৎ শ্রম আচরণ বন্ধ।</p><p> রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আজ শুক্রবার সমাবেশ ও মিছিল করে এসব দাবি করেছেন বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির নেতা–কর্মীরা। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সভাপ্রধান তাসলিমা আখতার।</p><p>কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহীম চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় সহসভাপ্রধান এফ এম নুরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক হযরত বিল্লাল, কেন্দ্রীয় সদস্য মামুন, সাহিদা আক্তার, আকলিমা আক্তার প্রমুখ। সভায় সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন আউটসোর্সিং কর্মচারীর নেতা নুরুল হক, প্রাইভেট কার ইউনিয়নের সহসভাপতি আক্কাস মিয়া ও ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের সদস্য সোহেলা রুমি।</p><p>সংশোধিত শ্রম আইনে শিল্প খাতের শ্রমিকের মজুরি নির্ধারণের সময় পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে তিন বছর করা হয়েছে। শ্রমিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় গত সপ্তাহে মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।</p><p>সমাবেশ বক্তারা বলেন, গত তিন বছরে গ্যাস, বিদ্যুৎ, জ্বালানিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য যেভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, তাতে শ্রমিকদের নতুন মজুরির বিকল্প নেই। তাই প্রকৃত প্রতিনিধি নিয়ে দ্রুত মজুরি বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের আমলে তিনটি মজুরি বোর্ডেই শ্রমিক বা নিরপেক্ষ প্রতিনিধি মূলত মালিকপক্ষের স্বার্থই বিবেচনা করেছে। এ পুরোনো পথ পরিহার করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।</p><p>শ্রমিকনেতারা আরও বলেন, চলতি বছর শ্রম আইন সংশোধন করে কোনো প্রতিষ্ঠানে ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধনে ২০ শতাংশ শ্রমিকের সম্মতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়। তার পরিবর্তে ২০ জন শ্রমিকের সম্মতিতে ইউনিয়ন নিবন্ধনের পথ খোলে। তবে এখনো ইউনিয়ন রেজিস্ট্রেশনে নানা হয়রানি ও দুর্বলতা রয়েছ। শ্রমিকের সংখ্যা নির্ধারণ, প্রত্যয়নপত্র দেওয়া ও ৫৫ দিনে রেজিস্ট্রেশন না হওয়া, অনলাইন সার্ভার কাজ না করা ইত্যাদি বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। শ্রমিকের ইউনিয়ন গঠনের প্রক্রিয়াকে সহজ ও হয়রানিমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।</p>

অক্টোবর ৯, ২০২৬
বাংলাদেশ ট্যাক্স লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রমিজউদ্দিন, মহাসচিব মাজম আলী খান
বাংলাদেশ ট্যাক্স লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রমিজউদ্দিন, মহাসচিব মাজম আলী খান

<p>বাংলাদেশ ট্যাক্স লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএলএ) ২০২৬-২৯ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে রমিজউদ্দিন আহমেদ সভাপতি ও মো. মাজম আলী খান মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন।</p><p> আজ শুক্রবার রাজধানীর ঢাকা ট্যাক্সেস বার হলরুমে আয়োজিত বিটিএলএর ৩৯তম সাধারণ সভায় এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। দেশের বিভিন্ন ট্যাক্সেস বারের আইনজীবীদের প্রতিনিধিত্বে গঠিত এই নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যসংখ্যা মোট ৩১।</p><p> কমিটিতে অতিরিক্ত মহাসচিব (অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি জেনারেল) হিসেবে মো. আবু নাসের মজুমদার ও কোষাধ্যক্ষ (ট্রেজারার) পদে নুরুল্লাহ ভূঁইয়া বেলাল নির্বাচিত হয়েছেন।</p><p>নতুন কমিটিতে আঞ্চলিক ও বিভাগীয় পর্যায় থেকে ১১ জন সহসভাপতি (ভাইস প্রেসিডেন্ট) নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁরা হলেন সৈয়দ আবদুন নূর (ঢাকা ক্যাপিটাল সিটি), মো. মুসা (কমার্শিয়াল ক্যাপিটাল সিটি-চট্টগ্রাম), মো. শামসুর রহমান খান (ঢাকা বিভাগ), মোস্তফা কামাল মনসুর (চট্টগ্রাম বিভাগ), খান মনিরুজ্জামান (খুলনা বিভাগ), মো. মুনতাসির মামুন (রাজশাহী বিভাগ), এস এম এনায়েত করিম (বরিশাল বিভাগ), আবুল ফজল (সিলেট বিভাগ), হোসেইন আহমেদ শাহজাহান (কুমিল্লা বিভাগ), মোহাম্মদ রুহুল আমিন (ময়মনসিংহ বিভাগ) ও কাজী মোস্তাফিজুর রহমান (রংপুর বিভাগ)।</p><p>একইভাবে ১১টি অঞ্চল ও বিভাগ থেকে ১১ জন উপমহাসচিব (ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল) নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁরা হলেন এ টি এম রাশেদ বাবু (ঢাকা ক্যাপিটাল সিটি), মো. ইমাম উদ্দিন (কমার্শিয়াল ক্যাপিটাল সিটি-চট্টগ্রাম), মো. জাহাঙ্গীর আলম খান (ঢাকা বিভাগ), মো. সারওয়ার আলম ভূঁইয়া (চট্টগ্রাম বিভাগ), মো. আমিনুর রহমান (খুলনা বিভাগ), আমিরুল হাসান রতন (রাজশাহী বিভাগ), রাজিউল কবির (বরিশাল বিভাগ), মো. মিজানুর রহমান মিঠু (সিলেট বিভাগ), মো. আবুল হাসেম রতন (কুমিল্লা বিভাগ), রাকিবুল আহসান (ময়মনসিংহ বিভাগ) ও মজমুল হোসেন প্রামাণিক (রংপুর বিভাগ)।</p><p>এ ছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন মো. সোলায়মান, আইন সহায়তা ও সমাজকল্যাণ (লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার) সম্পাদক আশরাফ হোসেন খান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক এম এ হালিম মন্টু, তথ্য ও প্রচার সম্পাদক মো. নূর নবী পাটোয়ারী ও দপ্তর সম্পাদক মো. জামালউদ্দিন।</p><p>সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, বর্তমানে সারা দেশে ৪২ হাজারের বেশি কর আইনজীবী রয়েছেন। সংগঠনটির কার্যক্রম দেশব্যাপী বিস্তৃত রাখতে নতুন কমিটিতে চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট, লক্ষ্মীপুর, শেরপুর, রংপুর, লালমনিরহাটসহ বিভিন্ন ট্যাক্সেস বারের প্রতিনিধিত্ব রাখা হয়েছে।</p><p>দ্বিতীয় মেয়াদে সভাপতি নির্বাচিত হয়ে রমিজউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমাকে পুনরায় দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য বিটিএলএর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করায় দেশের সব সম্মানিত ট্যাক্স লইয়ার্সের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই...দেশের ট্যাক্স আইনজীবীদের পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা, তাঁদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করার জন্য সম্মানিত সব সদস্যের সহযোগিতা চাই।’</p>

অক্টোবর ৯, ২০২৬
শুরুর ব্যর্থতার পর শেষ বেলায় ঘুরে দাঁড়াল অস্ট্রেলিয়া
শুরুর ব্যর্থতার পর শেষ বেলায় ঘুরে দাঁড়াল অস্ট্রেলিয়া

১২৪ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর আর বিপদ বাড়তে দেননি ম্যাট রেনশ ও অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই
নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই

নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি জানিয়েছে, জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাইকে তার "শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইন প্রসারের প্রচেষ্টার" জন্য স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
'আম্বানি কি ভারতের প্রকৃত বস?'- কেন এই প্রশ্ন ইলন মাস্কের
'আম্বানি কি ভারতের প্রকৃত বস?'- কেন এই প্রশ্ন ইলন মাস্কের

স্টারলিংকের প্রবেশ নিয়ে ইলন মাস্ক ও ভারত সরকারের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
'পাঠাও' থেকে গ্রাহকদের কোন ধরনের তথ্য চুরি গেছে এবং তা কী ঝুঁকি তৈরি করতে পারে?
'পাঠাও' থেকে গ্রাহকদের কোন ধরনের তথ্য চুরি গেছে এবং তা কী ঝুঁকি তৈরি করতে পারে?

বাংলাদেশের রাইড-শেয়ারিং ও পণ্য সরবরাহ সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান ‘পাঠাও’ এর সার্ভার থেকে গ্রাহকদের কোন ধরনের তথ্য চুরি হয়েছে? এটা কী কী ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে?

অক্টোবর ৯, ২০২৬
'চাঁদা না পেয়ে' ট্রাক এনে লুটপাট; সরকার কেন চাঁদাবাজি-দখল থামাতে পারছে না?
'চাঁদা না পেয়ে' ট্রাক এনে লুটপাট; সরকার কেন চাঁদাবাজি-দখল থামাতে পারছে না?

“এখানে তো মাটি কাটার সময় থেকেই চান্দা শুরু হয়ে গেছে। আমি ওদের সঙ্গে অনেকবার বসছি। কিন্তু ওরা একেকবার একেকজন আসে।''

অক্টোবর ৯, ২০২৬
সবচেয়ে বড় পেঙ্গুইন কলোনিতে পাঁচ লাখ পাখি কমলো কী করে?
সবচেয়ে বড় পেঙ্গুইন কলোনিতে পাঁচ লাখ পাখি কমলো কী করে?

একটি প্রত্যন্ত আগ্নেয় দ্বীপে বসবাসকারী চিনস্ট্র্যাপ পেঙ্গুইনের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে কমে যাওয়ার জন্য জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করা হচ্ছে।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
বিদেশি কর্মী নিয়োগে মাইক্রোসফটসহ কয়েকটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ওপর হোয়াইট হাউসের নিষেধাজ্ঞা
বিদেশি কর্মী নিয়োগে মাইক্রোসফটসহ কয়েকটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ওপর হোয়াইট হাউসের নিষেধাজ্ঞা

মাইক্রোসফটকে বিদেশি কর্মী নিয়োগ কর্মসূচি থেকে নিষিদ্ধ করেছে হোয়াইট হাউস। আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও এই ব্যবস্থা নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। আমেরিকার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচির মাধ্যমে অনেক দিন ধরেই আন্তর্জাতিক কর্মী নিয়োগ করে আসছে। কিন্তু হঠাৎ করে কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো?

অক্টোবর ৯, ২০২৬
যন্তর মন্তর যেভাবে গণতন্ত্রের স্পন্দন মাপতে শুরু করল
যন্তর মন্তর যেভাবে গণতন্ত্রের স্পন্দন মাপতে শুরু করল

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণাগার হিসেবে ১৭২৪ সালে যে যন্তর মন্তর গড়া হয়েছিল, দিল্লির সেই প্রাচীন মানমন্দির, সম্প্রতি আন্দোলনের কারণে যন্তর মন্তর আবার শিরোনামে। কিন্তু যন্তর মন্তর কীভাবে একটি আন্দোলন কেন্দ্রে পরিণত হল?

অক্টোবর ৯, ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরে ডিপি ওয়ার্ল্ডের চুক্তিতে কী আছে?
চট্টগ্রাম বন্দরে ডিপি ওয়ার্ল্ডের চুক্তিতে কী আছে?

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলেও এটি নিয়ে বিদেশি কোম্পানির সাথে চুক্তি করার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। কিন্তু বন্দরের শ্রমিক কর্মচারীদের বিরোধিতার মুখে সরকার সেই কার্যক্রম স্থগিত করেছিল।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
ভারতে রপ্তানি বাধা ও অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক প্রত্যাহার চায় বাংলাদেশ
ভারতে রপ্তানি বাধা ও অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক প্রত্যাহার চায় বাংলাদেশ

ভারতের বাজারে পণ্য রপ্তানিতে স্থলবন্দরভিত্তিক বিধিনিষেধ ও অশুল্ক বাধা দূর করার বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরেছে বাংলাদেশ।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
যশোর কারাগারে ভারতীয়র মৃত্যু
যশোর কারাগারে ভারতীয়র মৃত্যু

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে এক ভারতীয় বন্দির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ভোরে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। 

অক্টোবর ৯, ২০২৬
সৌদি আরবে বেসামরিক অবকাঠামোয় হুতিদের হামলার নিন্দা বাংলাদেশের
সৌদি আরবে বেসামরিক অবকাঠামোয় হুতিদের হামলার নিন্দা বাংলাদেশের

সৌদি আরবে বিমানবন্দরসহ বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হুতি বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১০৫
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১০৫

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মুসকান আরা মিম (১৬) নামের একজেনর মৃত্যু হয়েছে।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
বিরোধীদলের মূল লক্ষ্যই অরাজকতা ছড়ানো: এমপি খোকন 
বিরোধীদলের মূল লক্ষ্যই অরাজকতা ছড়ানো: এমপি খোকন 

“আমাদের দেশে এমন এক বিরোধীদল তৈরি হয়েছে, যাদের মূল লক্ষ্যই হলো প্রতিটি ক্ষেত্রে কীভাবে অরাজকতা ছড়ানো যায় এবং সমাজকে নষ্ট করা যায়,” বলে মন্তব্য করেছেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার। 

অক্টোবর ৯, ২০২৬
হঠাৎ ধসে এলোমেলো বাংলাদেশ, প্রথম দিনের সংগ্রহ আশানুরূপ নয়
হঠাৎ ধসে এলোমেলো বাংলাদেশ, প্রথম দিনের সংগ্রহ আশানুরূপ নয়

দিনের শুরুতে প্রতিপক্ষের উপর ছড়ি ঘোরানো, মাঝপথে হঠাৎ তাসের ঘরের মতো ধসে পড়া, শেষ সেশনে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা। আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম দিনের গল্পটা এমনই।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
গাছের ডাল মাথায় পড়ে মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু, ছেলে আহত
গাছের ডাল মাথায় পড়ে মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু, ছেলে আহত

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সড়কের পাশের গাছ কাটার সময় ডাল মাথায় পড়ে মো. ইয়াসিন আলী নামের এক মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার ৫ বছর বয়সী ছেলে মো. রিয়াদ গুরুতর আহত হয়েছে।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
নানা পাটেকরের মৃত্যু: তনুশ্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য, চর্চায় পুরোনো বিতর্ক
নানা পাটেকরের মৃত্যু: তনুশ্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য, চর্চায় পুরোনো বিতর্ক

২০০৫ সালে ‘আশিক বানায়া আপনে’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন তনুশ্রী দত্ত।

অক্টোবর ৯, ২০২৬