যশোর কারাগারে ভারতীয়র মৃত্যু

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে এক ভারতীয় বন্দির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ভোরে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। 

সারা দেশ

View more
শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা
শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

Video news
সারা বিশ্ব
ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো শাহী মসজিদের অংশ কেন ভাঙতে চায় প্রশাসন?
ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো শাহী মসজিদের অংশ কেন ভাঙতে চায় প্রশাসন?

হিন্দু ধর্মের মেলার আয়োজনকে কেন্দ্র করে শাহী মসজিদের একটি অংশ সরিয়ে সড়ক প্রশস্ত করার কাজ শুরু হয়, আর তা নিয়েই বিরোধের সূত্রপাত। স্থানীয় প্রশাসন বলছে, মেলার সময় বাড়তি যানবাহনের চাপ ও ভক্তদের যাতায়াত সহজ করার জন্য ওই সড়ক প্রশস্ত করা জরুরি।

ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ
ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ

সাবান, শ্যাম্পু, টুথপেস্ট প্যাকেটজাতে সংশোধন বিধি জারি করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন নির্দেশ নাঅনুযায়ী, কোনো প্রসাধনী তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান আমিষজাত না নিরামিষজাত, তা প্যাকেটের গায়ে নির্দিষ্ট চিহ্নের মাধ্যমে জানাতে হবে।

তথ্যপ্রযুক্তি
ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু
ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু

কক্সবাজারে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক (টমটম) চলন্ত অবস্থায় চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে সীমা আক্তার নামে এক নারী পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে।

‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’
‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’

স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলামকে তার এলাকার ‘বড় ভাই’ পরিচয় দিয়ে এএসআই ইলিয়াস হোসাইন থানার কার্যক্রম ও তদন্তকাজে প্রভাব খাটান। তবে এ অভিযোগের সত্যতাও আলাদাভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত
ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত

ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটে সহকর্মীর ওপর হামলা ও বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত কো-পাইলট সম্ভবত একাই এই কাজ করেছিলেন। ইসরায়েলি সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে রবিবার সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।

মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার
মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে ‘মব’ সৃষ্টি করে রিকশাচালক মো. ফয়েজ আহাম্মদকে (৪৩) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তুষারঝড়ে ফিরে যায় দুই দল, থামেননি শাকিল
তুষারঝড়ে ফিরে যায় দুই দল, থামেননি শাকিল

চারদিকে শুধু সাদা আর সাদা। তুষারের ঘন পর্দা ভেদ করে কয়েক মিটারের বেশি সামনে দেখা যাচ্ছিল না। হিমশীতল বাতাস শরীরের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছিল ঝড়ের গতিতে। পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে হাঁটুসমান নরম বরফে ডুবে যাচ্ছিল।

নীল দহন
নীল দহন

টরন্টো শহরের শীতের আলাদা এক ভাষা আছে।সেই ভাষা শব্দে নয়, তুষারে লেখা। জানালার ওপারে নিরবচ্ছিন্ন সাদা ঝরনা নেমে আসে, রাস্তার আলো কুয়াশা আর বরফের ভেতর ম্লান হয়ে যায়, আর মানুষ বুঝতে শেখে, পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর নীরবতাও কখনো কখনো খুব জোরে কথা বলে।সেদিনও তেমনই এক সন্ধ্যা।বাইরে মাইনাস দশ ডিগ্রি। ফায়ারপ্লেসে জ্বলতে থাকা আগুনের লালচে আলো ঘরের দেয়ালে ছায়া এঁকে দিচ্ছিল। হাতে ধোঁয়া ওঠা কফির মগ। আমরা তিনজন বসে গল্প করছিলাম।সায়েম ভাই, আমাদের কোম্পানির সিনিয়র লিড ইঞ্জিনিয়ার। প্রবাসে এসে এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়, যাদের ঘরে ঢুকলেই মনে হয় বহুদিন পর নিজের বাড়িতে ফিরেছি। ভাবিও ঠিক তেমনই। তার আন্তরিকতা কখনো অতিথিপরায়ণতা বলে মনে হয় না; মনে হয় বড় বোনের মমতা।কফির কাপ নামিয়ে ভাবি হঠাৎ আমার দিকে তাকালেন।—নীল, একটা কথা বলব?মৃদু হেসে বললাম,—বলুন, ভাবি।—রাগ করবে না তো?—আপনার ওপর রাগ করার সাহস আমার নেই।তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—এত বছর হয়ে গেল। ক্যারিয়ার হয়েছে, নিজের অবস্থান হয়েছে। কিন্তু নিজের জন্য কী করলে? একা একা আর কত দিন? বিয়ে করার কথা কখনো ভাবো না?আমি হেসে বিষয়টা এড়িয়ে যেতে চাইলাম।—সবাইকে দিয়ে সবকিছু হয় নাকি, ভাবি?সায়েম ভাই চশমাটা খুলে টেবিলে রাখলেন।—তোমার এই কথাটাই আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয়। সারা দিন অফিসে তোমাকে দেখি। কাজে মন, বইয়ে মন, গিটার বাজাও, ভ্রমণ করো। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয়, জীবন একেবারে গুছিয়ে নিয়েছ। অথচ দিনের শেষে তুমি একাই ফিরে যাও।একটু থেমে তিনি আবার বললেন,—কখনো কি কাউকে ভালোবেসেছিলে?ঘরটা হঠাৎ যেন নিস্তব্ধ হয়ে গেল।ফায়ারপ্লেসের কাঠে আগুন ফেটে ছোট্ট একটা শব্দ হলো।আমি উত্তর দিলাম না।জানালার ওপারে তাকিয়ে রইলাম। সাদা তুষারের ভেতর হঠাৎ ভেসে উঠল বহু বছরের পুরোনো আরেকটা আকাশ। অনেক দূরের একটা বিকেল। আমি ধীরে বললাম,—মানুষ কখনো কখনো একটা গল্প কাউকে বলে না। কারণ, গল্পটা বললে সে আবার সেই সময়ে ফিরে যায়।ভাবি মৃদুস্বরে বললেন,—আজ ফিরে যাও। আমরা শুনব।আমি দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। কফির মগটা টেবিলে রেখে বললাম,—জানেন ভাবি, পৃথিবীর সব ভালোবাসা মিলনের গল্প নয়। কিছু ভালোবাসা শুধু নীরবে মানুষের ভেতরে বেঁচে থাকে। কারও কাছে কোনো দাবি করে না, কোনো অধিকারও চায় না। শুধু মানুষটাকে সারা জীবন বদলে দেয়। আমার গল্পটাও তেমন।আজ থেকে প্রায় দশ বছর আগের কথা। তখন ঢাকার উত্তরায় থাকতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। বাবার পক্ষে নিয়মিত টাকা পাঠানো সম্ভব হতো না। টিউশনি করে নিজের পড়াশোনা, বাসাভাড়া আর খরচ চালাতাম। উত্তরার একটা পুরোনো বাড়ির চিলেকোঠার ছোট্ট ঘর ছিল আমার ঠিকানা। ঘরটা বড় ছিল না। একটা খাট, একটা পড়ার টেবিল, বইয়ের তাক আর জানালার পাশে রাখা পুরোনো একটা গিটার। কিন্তু আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা ছিল ছাদ।সন্ধ্যা নামার আগে পড়ন্ত রোদ যখন আকাশজুড়ে লালচে রং ছড়িয়ে দিত, আমি গিটার হাতে ছাদে উঠে যেতাম। কখনো বাজাতাম। কখনো বই পড়তাম। কখনো কিছুই করতাম না। শুধু আকাশ দেখতাম। হয়তো মানুষ একা থাকলে আকাশের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি কথা বলে।ঠিক এমনই এক বিকেলে প্রথম তাকে দেখি। আমাদের পাশের ছয়তলা বাড়ির একটি বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল সে। অদ্ভুত শান্ত একটি মেয়ে। তার হাতে কোনো মোবাইল ছিল না। কোনো বইও নয়। সে শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিল। বাতাসে তার চুল উড়ছিল।কিন্তু আমাকে থামিয়ে দিয়েছিল তার চোখ। কিছু কিছু চোখ থাকে, যেগুলোকে সুন্দর বলা যায় না। কারণ, সুন্দর শব্দটা তাদের জন্য যথেষ্ট নয়।সেই চোখ দুটো যেন নিজের ভেতর একটা বিকেল লুকিয়ে রেখেছিল। আমি তার নাম জানতাম না। কখনো জানার চেষ্টাও করিনি। নিজের মনেই একটা নাম দিয়েছিলাম—‘সুনয়না’।নামটা শুধু আমার ছিল। আমার কল্পনার। আমার নীরবতার। তার বাস্তব নাম কী ছিল, তখনো জানতাম না।তার পর থেকে প্রতিদিন বিকেলে আমি অপেক্ষায় থাকতাম। ছাদে উঠতাম। আর কিছুক্ষণ পর সে এসে দাঁড়াত সেই বারান্দায়।আমাদের মধ্যে কখনো কথা হয়নি। চোখাচোখিও খুব কম। তবু মনে হতো, বিকেল নামার সঙ্গে সঙ্গে দুজনের জীবন অদৃশ্য কোনো সেতুতে এসে মিলেছে।কখনো তাকে অনুসরণ করিনি। তার সম্পর্কে খোঁজ নিইনি। কারণ, দূরত্বেরও একটা সৌন্দর্য আছে। সব মানুষকে কাছে গিয়েই জানতে হয় না। কিছু মানুষ দূর থেকেই হৃদয়ের ভেতর জায়গা করে নেয়।এভাবেই কেটে গেল কয়েক মাস। একদিন বিকেলে ছাদে উঠে দেখলাম, বারান্দাটা ফাঁকা। ভাবলাম, হয়তো কোথাও গেছে।পরদিনও এল না।তারপর আরও এক দিন।এক সপ্তাহ।এক মাস।ঋতু বদলে গেল।আকাশের রং বদলে গেল। কিন্তু সেই বারান্দায় আর কাউকে দেখা গেল না। বুঝলাম, কিছু অপেক্ষার কোনো উত্তর হয় না।তারপর ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষ এসে গেল। পড়াশোনা, প্রজেক্ট, ইন্টারভিউ—জীবন অন্যদিকে মোড় নিতে শুরু করল। তবু মাঝেমধ্যে বিকেলের আকাশ দেখলে মনে হতো, কোথাও যেন একটা বারান্দা এখনো খালি দাঁড়িয়ে আছে। আর সেখানে কেউ একজন আর কখনো ফিরে আসবে না।অফিসে যোগ দেওয়ার তিন সপ্তাহের মাথায় প্রথমবার তার সঙ্গে কথা হলো।সেদিন দুপুরে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। কাচঘেরা অফিসের জানালায় বৃষ্টির ফোঁটাগুলো লম্বা দাগ টেনে নিচে নেমে আসছিল। ক্যাফেটেরিয়ায় বসে এক কাপ কফি হাতে বাইরে তাকিয়ে ছিলাম। হঠাৎ পাশে এসে কেউ বলল,—এই সিটটা খালি?মুখ তুলে তাকাতেই বুকের ভেতরটা অকারণ ধক করে উঠল।সে।উত্তরার সেই বারান্দার মেয়েটি।আমি সামান্য হাসলাম।—অবশ্যই।সে বসে কফির কাপ নামিয়ে বলল,—আমি নতুন। এখনো কাউকে তেমন চিনি না।—আমিও খুব পুরোনো নই।সেদিনের কথোপকথন ছিল খুব সাধারণ। অফিস, কাজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকার যানজট; এর বেশি কিছু নয়। আশ্চর্যের বিষয়, কিছু মানুষের সঙ্গে কথা বলতে কোনো আয়োজন লাগে না। যেন বহুদিনের চেনা।তার নাম জানলাম, সুস্মিতা।আমি নামটা মনে রাখলাম। তবু নিজের ভেতরে সে রয়ে গেল অন্য নামে—‘সুনয়না’।এরপর ধীরে ধীরে পরিচয় বাড়ল।অফিস শেষে মাঝেমধ্যে সবাই মিলে চা খেতে যেতাম। কোনো প্রজেক্ট শেষ হলে পুরো টিম রাত পর্যন্ত কাজ করত। সেই সব দীর্ঘ সন্ধ্যায় সুস্মিতাকে নতুন করে চিনতে শুরু করলাম।সে খুব কম কথা বলত। অকারণ হাসত না। তবে কেউ সমস্যায় পড়লে সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিত।একদিন জানতে পারলাম, সে রবীন্দ্রসংগীত শেখে।আরেক দিন শুনলাম, অবসরে জলরঙে ছবি আঁকে।আমি অবাক হয়ে ভাবলাম, মানুষকে দূর থেকে দেখলে তার সৌন্দর্য দেখা যায়; কাছে এলে দেখা যায় তার নীরবতা। আর নীরবতাই একজন মানুষকে সবচেয়ে আলাদা করে।সেদিন অফিস থেকে বেরোতে বেরোতে সন্ধ্যা নেমে এসেছে। বৃষ্টি থেমেছে। রাস্তার বাতিগুলো ভেজা ডামারের ওপর হলুদ আলো ফেলছে। আমি বললাম,—কফি খাবেন?সে একটু ভেবে মৃদু হেসে বলল,—আজ খাওয়া যেতে পারে।ছোট্ট একটি ক্যাফেতে আমরা জানালার পাশে বসলাম। বাইরে গাড়ির আলো ভেজা রাস্তায় ভেঙে পড়ছিল।অনেকক্ষণ গল্প হলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি, বই, সিনেমা, ভ্রমণ, প্রিয় ঋতু। কথার ফাঁকে হঠাৎ সে জিজ্ঞেস করল,—আপনি এত চুপচাপ কেন?আমি হেসে বললাম,—সবাই সব কথা বলতে পারে না।সে জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল,—আমার মনে হয়, যারা কম কথা বলে, তাদের ভেতরে অনেক গল্প জমে থাকে।আমি উত্তর দিলাম না। সত্যিই আমার ভেতরে একটি গল্প ছিল। যার শুরু হয়েছিল উত্তরার এক ছাদের বিকেলে।বহুবার ভেবেছি, আজ বলব। বলব, কয়েক বছর আগে প্রতিদিন বিকেলে আমি এক অচেনা মেয়েকে আকাশ দেখতে দেখতাম। বলব, তার জন্যই আমি সন্ধ্যার অপেক্ষা করতাম। বলব, তাকে না জেনেই একটা নাম দিয়েছিলাম।কিন্তু মানুষের জীবনে কিছু মুহূর্ত আসে, যখন সত্যি কথাটাই সবচেয়ে কঠিন হয়ে ওঠে। আমি পারলাম না। শুধু কফির কাপে আঙুল ঘুরিয়ে যেতে লাগলাম।ঠিক তখনই তার ফোনটা বেজে উঠল। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে তার মুখে খুব কোমল একটা হাসি ফুটে উঠল। সে ফোন ধরল। নরম গলায় বলল,—হ্যাঁ... আমি বের হচ্ছি... আর পাঁচ মিনিট।ফোন রেখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—আমাকে উঠতে হবে।আমি শুধু মাথা নাড়লাম।ক্যাফের দরজার বাইরে এসে দেখি, একটা গাড়ি ধীরে ধীরে এসে থামল। গাড়ি থেকে একজন নেমে ছাতা খুলে তার দিকে এগিয়ে এল। সুস্মিতার মুখে যে হাসি ফুটে উঠল, তাতে কোনো দ্বিধা ছিল না, কোনো অভিনয়ও নয়। সে মানুষটিকে এমন স্বাভাবিক ভঙ্গিতে দেখল, যেমন মানুষ নিজের আপনজনকে দেখে। বিদায় নেওয়ার আগে সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—কাল দেখা হবে।আমি বললাম,—ভালো থাকবেন।গাড়িটা ধীরে ধীরে দূরে মিলিয়ে গেল।আমি অনেকক্ষণ একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রইলাম। বৃষ্টি আবার শুরু হয়েছে। ভেজা শহরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে হঠাৎ মনে হলো, কিছু স্বপ্ন ভাঙার শব্দ বাইরে শোনা যায় না। সেগুলো শুধু মানুষের ভেতরেই প্রতিধ্বনি তোলে।সেদিন রাতেই প্রথম বুঝেছিলাম, ভালোবাসা সব সময় কাউকে পাওয়ার নাম নয়। কখনো কখনো সময়মতো কিছু না বলার নামও ভালোবাসা।পরদিন অফিসে গিয়ে সুস্মিতাকে দেখলাম না। ভাবলাম, হয়তো ছুটিতে আছে।পরদিনও এল না।এরপর আরও কয়েক দিন কেটে গেল।কাজের ব্যস্ততা আমাকে ডেস্কে আটকে রাখলেও মনটা বারবার করিডরের দিকে চলে যেত। এক বিকেলে সাহস করে মানবসম্পদ বিভাগের এক সহকর্মীকে জিজ্ঞেস করলাম,—সুস্মিতা কি ছুটিতে?তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—জানেন না? ওর স্বামীকে সিঙ্গাপুরে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। তাড়াহুড়ো করেই ও চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছে। যাওয়ার আগেই সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়েছে। আপনি সেদিন ক্লায়েন্ট মিটিংয়ে ছিলেন, তাই হয়তো দেখা হয়নি।আমি আর কিছু জিজ্ঞেস করিনি। অদ্ভুতভাবে বুকের ভেতর কোনো বিস্ফোরণ ঘটল না। শুধু একটা নিঃশব্দ শূন্যতা নেমে এল, যেন বহু বছর আগে উত্তরার সেই বারান্দাটা আবার একবার খালি হয়ে গেল।এরপর জীবন খুব দ্রুত বদলে গেল। কাজের চাপ বাড়ল। পদোন্নতি হলো। নতুন শহর, নতুন দায়িত্ব, নতুন দেশ। একসময় কানাডার একটা সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব গ্রহণ করলাম। বন্ধুরা বলেছিল,—স্বপ্নপূরণ হয়ে গেল!হয়তো সত্যিই হয়েছিল। কিন্তু মানুষ বুঝতে শেখে, সব স্বপ্নের সঙ্গে সব আনন্দ আসে না। কিছু সাফল্য খুব নিঃসঙ্গও হয়।টরন্টোতে আসার পর প্রথম শীতেই আমি বুঝলাম, তুষার শুধু শহর ঢেকে দেয় না, মানুষের স্মৃতিকেও সাদা করে দিতে চায়। কিন্তু সব স্মৃতি ঢেকে যায় না। কখনো কখনো কোনো কফির গন্ধ, কোনো বিকেলের আলো কিংবা কোনো বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা একাকী মানুষের ছায়া হঠাৎ বহু বছর আগের দরজা খুলে দেয়। সেই দরজার ওপাশে এখনো দাঁড়িয়ে আছে উত্তরার সেই বিকেল।আর একটি নাম, যে নাম পৃথিবীর কেউ জানত না। শুধু আমি।সুনয়না।’ফায়ারপ্লেসের আগুন তখন ধীরে ধীরে নিভে আসছে। কথা শেষ করতেই ঘরজুড়ে দীর্ঘ নীরবতা নেমে এল। ভাবি কফির ঠান্ডা হয়ে যাওয়া কাপটার দিকে তাকিয়ে রইলেন। সায়েম ভাই উঠে এসে আমার পাশে দাঁড়ালেন। তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—তাহলে তুমি তাকে কোনো দিন জানাওনি?আমি মৃদু হেসে মাথা নাড়ালাম।—না।—আফসোস হয় না?জানালার বাইরে তাকালাম। তুষার পড়ছে। প্রতিটি সাদা কণা নিঃশব্দে মাটিতে মিশে যাচ্ছে। আমি ধীরে বললাম,—আফসোস হয় সেই ভালোবাসার জন্য, যেটা কাউকে কষ্ট দিয়ে নিজের করতে হয়। আমার গল্পে তেমন কিছু ছিল না। সে তার জীবন নিয়ে সুখী ছিল। আমি কেন আমার অনুভূতির ভার তার কাঁধে চাপিয়ে দিতাম?ভাবি খুব আস্তে বললেন,—কিন্তু তুমি তো একা রয়ে গেলে।আমি হেসে উত্তর দিলাম,—মানুষ সব সময় কারও অভাবে একা থাকে না। কখনো কখনো একটি সুন্দর স্মৃতির সঙ্গেও সারা জীবন কাটিয়ে দেওয়া যায়।ঘড়ির কাঁটা তখন রাত বারোটা ছুঁয়েছে। বাইরে তুষারপাত আরও ঘন হয়েছে। বিদায় নিয়ে দরজার সামনে দাঁড়াতেই সায়েম ভাই আমার কাঁধে হাত রাখলেন।—নীল...—জি?—জীবনে যদি আবার কোনো বিকেল এসে দাঁড়ায়, এবার যেন চুপ করে থেকো না।আমি কোনো উত্তর দিলাম না। শুধু মৃদু হাসলাম।বাড়ি ফেরার পথে গাড়ির জানালার বাইরে অসংখ্য তুষারকণা উড়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ মনে হলো, মানুষ আসলে কাউকে ভুলে যায় না। সে শুধু স্মৃতির সঙ্গে বসবাস করতে শিখে যায়।সেদিন রাতে ঘরে ফিরে বহুদিন পর জানালার পাশে দাঁড়ালাম। দূরে বরফে ঢাকা শহর ঘুমিয়ে আছে।অন্ধকার কাচে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে মনে হলো, সময় আমার চুলে রুপালি রং ছড়িয়ে দিয়েছে, কিন্তু উত্তরার সেই একফালি আকাশ এখনো কোথাও রয়ে গেছে।আমি চোখ বন্ধ করলাম। কল্পনায় আবার একটি বারান্দা ভেসে উঠল। সেখানে একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার মুখ আজও স্পষ্ট নয়। শুধু চোখ দুটো স্পষ্ট। আমি নিঃশব্দে বললাম,—ভালো থেকো, সুনয়না।জানালার ওপারে তুষার পড়তেই থাকল। আর আমি বুঝলাম, কিছু ভালোবাসার শেষ অধ্যায় মিলনে লেখা হয় না। সেগুলো লেখা থাকে নীরবতায়।উত্তরা, ঢাকা

কনসিলার, ব্লাশ আর নিউড লিপ: মাত্র ৩ প্রোডাক্টেই কীভাবে ন্যাচারাল গ্ল্যাম আনেন জাহ্নবী কাপুর
কনসিলার, ব্লাশ আর নিউড লিপ: মাত্র ৩ প্রোডাক্টেই কীভাবে ন্যাচারাল গ্ল্যাম আনেন জাহ্নবী কাপুর

মেকআপ মানেই যেন অনেকগুলো প্রোডাক্ট, ঘন্টার পর ঘন্টা প্রস্তুতি। কিন্তু বলিউড তারকা জাহ্নবী কাপুর সাম্প্রতি তার ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন নিজের বিউটি লুক তৈরির পেছনের গল্প। যেখানে তিনি বলেছেন মাত্র তিনটি ধাপে তার সাজ হয়ে উঠেছে পরিপাটি, ফ্রেশ ও নেচারাল।প্রতিদিনের মেকআপে খুব বেশি কিছু না করেও কীভাবে ফ্রেশ ও গোছানো দেখানো যায়, জাহ্নবীর এই রুটিন তারই সহজ উদাহরণ। আরও মজার বিষয়, মেকআপ ব্রাশ বা স্পঞ্জের ওপর খুব বেশি নির্ভর না করে আঙুল দিয়েই তিনি বেশির ভাগ প্রোডাক্ট ব্লেন্ড করেছেন। ফলে পুরো সাজটি যেমন দ্রুত করা যায়, তেমনি এর ফিনিশও থাকে বেশ স্বাভাবিক। তার সাজের মূল তিনটি বিষয় হচ্ছে সতেজ বেস, নরম গোলাপি ব্লাশ আর নিউড-পিঙ্ক ঠোঁট। View this post on Instagram A post shared by Janhvi Kapoor (@janhvikapoor) ভারী বেস নয়, শুরু হোক কনসিলার দিয়েজাহ্নবীর রুটিনের প্রথম ধাপ কনসিলার। পুরো মুখে ভারী ফাউন্ডেশন লাগানোর বদলে যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করছেন তিনি। চোখের নিচে সরাসরি অ্যাপ্লিকেটর দিয়ে অল্প প্রোডাক্ট নিয়ে আঙুলের সাহায্যে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এতে ত্বকের রং কিছুটা সমান দেখালেও মুখ ভারী হয়ে যাচ্ছে না। এই ধরনের মেকআপে ব্লেন্ড করা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্তর বাড়ানো যায়, এমন কনসিলারই ভালো। একবারে বেশি না দিয়ে অল্প অল্প করে লাগানোই মূল কৌশল।গালে নরম গোলাপি আভাবেসের পর জাহ্নবী ব্যবহার করছেন সফট পিঙ্ক লিকুইড ব্লাশ। গালে সরাসরি অল্প ব্লাশ নিয়ে আঙুল দিয়ে ট্যাপ করে ব্লেন্ড করেছেন তিনি। ফলে গালে ভারী রঙের বদলে এসেছে হালকা, সতেজ আভা। এই লুকের জন্য ক্রিম বা লিকুইড ব্লাশ বেশ কার্যকর। কারণ অল্প অল্প করে রং বাড়ানো যায়, ফলে মুখে ব্লাশের দাগও স্পষ্ট থাকে না।ঠোঁটে নিউড-পিঙ্কজাহ্নবীর পুরো মেকআপের সঙ্গে ঠোঁটের রংও বেশ নরম। শেষ ধাপে তিনি ব্যবহার করেছেন নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। গালের গোলাপি আভা আর ঠোঁটের একই পরিবারের রং পুরো লুকটিকে করেছে আরও গোছানো। খুব ফ্যাকাশে বেইজ নিউডের বদলে গোলাপি, রোজি বা হালকা ব্রাউন আন্ডারটোনের নিউড বেছে নিলে ঠোঁট আরও স্বাভাবিক দেখাবে। দিনের সাজে লিপস্টিক পুরো ঠোঁটে না দিয়ে মাঝখানে অল্প লাগিয়ে আঙুল দিয়ে ছড়িয়ে দিলেও পাওয়া যাবে আরও নরম ফিনিশ।চোখে শুধু এক কোট মাসকারাজাহ্নবী যে তিনটি মূল ধাপ দেখিয়েছেন, সেখানে মাসকারা ছিল না। তাই এটি মূল রুটিনের অংশ নয়; চাইলে বাড়তি সংযোজন হিসেবে রাখা যায়। বিশেষ করে দিনের সাজ সন্ধ্যার দিকে নিতে চাইলে এক বা দুই কোট মাসকারাই যথেষ্ট। এতে চোখ কিছুটা বেশি স্পষ্ট হবে, কিন্তু পুরো মেকআপের স্বাভাবিক মেজাজ নষ্ট হবে না।ভ্রু থাকুক নেচারালএই লুকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভ্রু। খুব গাঢ় করে আঁকার বদলে যেখানে ফাঁকা আছে, শুধু সেখানে হালকা করে ভরাট করাই যথেষ্ট। এরপর স্পুলি দিয়ে ভ্রু আঁচড়ে নিলে রংটা নরম হয়ে যাবে। এ জন্য পেন্সিল ব্যবহার করা যেতে পারে। লক্ষ্য হবে ভ্রুকে স্পষ্ট করে আঁকা নয়, বরং একটু গোছানো দেখানো।ত্বক যেন ত্বকের মতোই দেখায়জাহ্নবীর মেকআপের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য সম্ভবত এটাই। নিজের ত্বকের রং পুরোপুরি ঢেকে ফেলার চেষ্টা নেই। ভারী ফাউন্ডেশনের বদলে প্রয়োজনমতো কনসিলার ব্যবহার করায় ত্বকের স্বাভাবিক টেক্সচারও দেখা যায়। এই লুক করতে গিয়ে সবচেয়ে সহজ ভুল হতে পারে বারবার কভারেজ বাড়ানো। যেখানে প্রয়োজন শুধু সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করে থেমে যাওয়াই ভালো। এতে মেকআপ থাকবে হালকা, আর মুখও দেখাবে আরও স্বাভাবিক।ব্রাশ নয়, আঙুলেই ব্লেন্ডজাহ্নবীর রুটিন থেকে সবচেয়ে সহজে নেওয়া যায় যে কৌশল, সেটি হলো আঙুল দিয়ে মেকআপ ব্লেন্ড করা। কনসিলার ও ব্লাশের মতো লিকুইড বা ক্রিম প্রোডাক্ট অল্প করে আঙুলে নিয়ে ত্বকে ট্যাপ করে লাগালে দ্রুত কাজ হয় এবং প্রোডাক্টের পরিমাণও সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বিশেষ করে ব্যস্ত সকালে এই পদ্ধতি বেশ সুবিধাজনক। একগাদা ব্রাশ বের করার দরকার নেই, আবার অতিরিক্ত মেকআপ করার ঝুঁকিও কমে।জাহ্নবীর তিন ধাপের সহজ রুটিনপুরো রুটিনকে একেবারে সহজ করে বললে, কনসিলার, ব্লাশ, নিউড লিপ। প্রথমে অল্প কনসিলার দিয়ে ত্বকের প্রয়োজনীয় অংশ সমান করুন। এরপর গালে নরম গোলাপি আভা দিন। সবশেষে নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। সব প্রোডাক্টই হালকা হাতে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করতে হবে। এর সঙ্গে আরও একটু সাজানো লুক চাইলে যোগ করা যায় মাসকারা ও হালকা ভ্রু ডেফিনিশন। তবে মূল সৌন্দর্যটা থাকবে কম প্রোডাক্টে, হালকা হাতে এবং ত্বকের স্বাভাবিকতা বজায় রাখায়।জাহ্নবী কাপুরের সাম্প্রতিক মেকআপ রুটিন শেষ পর্যন্ত খুব সাধারণ একটি কথাই মনে করিয়ে দেয়। দৈনন্দিন গ্ল্যামের জন্য সবসময় অনেক কিছু দরকার হয় না। ত্বককে সমান করা, গালে একটু রং আর ঠোঁটে সামান্য উষ্ণতা এই তিনটিই যথেষ্ট হতে পারে। আসল কৌশল হলো মেকআপের স্তর হালকা রাখা এবং ত্বককে ত্বকের মতোই থাকতে দেওয়া।

ফরমাল পোশাকে গ্ল্যামারাস দেখালেন কিয়ারা
ফরমাল পোশাকে গ্ল্যামারাস দেখালেন কিয়ারা

ফ্যাশনের দুনিয়ায় কিয়ারা আদভানির সবচেয়ে বড় শক্তি তার বহুমুখী স্টাইল সেন্স। রেড কার্পেটের ঝলমলে গ্ল্যামার, ফটোশুট লুক কিংবা দৈনন্দিন পোশাক-প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের মতো করে স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরি করতে জানেন এই অভিনেত্রী। কখনো শাড়ি বা অন্য কোনো ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাকে তিনি হয়ে ওঠেন মোহময়ী, আবার কখনো পশ্চিমা পোশাকে ফুটিয়ে তোলেন আধুনিকতার ছাপ। তার সাম্প্রতিক ফটোশুটের লুকটিও সেই বহুমুখী ফ্যাশন ভাবনারই আরেকটি উদাহরণ। এবার কিয়ারার পছন্দ ছিল স্ট্রাকচার্ড পাওয়ার স্যুট। ক্যামেল-বেইজের একরঙা এই সাজে ছিল টেইলারিংয়ের নিখুঁত ছাপ, পুরুষালি পোশাকের অনুপ্রেরণা এবং নারীর আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি-সবকিছুর সুন্দর সমন্বয়। পুরো লুকটি যেন দেখিয়ে দিল, পাওয়ার ড্রেসিং মানেই শুধু কঠোর বা ফরমাল হওয়া নয়, সঠিক কাট, রং ও স্টাইলিংয়ের মাধ্যমে সেটিই হয়ে উঠতে পারে অত্যন্ত গ্ল্যামারাস। কিয়ারার স্যুটের অন্যতম আকর্ষণ ছিল স্ট্রাকচার্ড ওয়েস্টকোট। শরীরের উপরের অংশের সঙ্গে সুন্দরভাবে মানানসই এই ওয়েস্টকোটে ছিল গভীর ভি-নেকলাইন। সামনে একই ক্যামেল-বেইজ রঙের ছোট ছোট বোতামের সারি পোশাকটিতে এনে দিয়েছে পরিপাটি ফিনিশিং। ওয়েস্টকোটের ভেতরে কিয়ারা পরেছিলেন দুই রঙের বেইজ ও সাদা শার্ট। শার্টটির উষ্ণ বেইজ রঙের মূল অংশ ওয়েস্টকোটের সঙ্গে মিশে গেলেও নজর কেড়েছে এর ওভারসাইজড সাদা কলার। সঙ্গে ছিল স্টাইলিশ ফ্রেঞ্চ কাফ, যা পুরো পোশাকে এনে দিয়েছে খানিকটা ক্লাসিক ফরমাল আবহ। এর ওপর ছিল একই রঙের একটি স্ট্রাকচার্ড জ্যাকেট। টেইলারড শোল্ডার, পরিষ্কার ল্যাপেল এবং নিখুঁত কাটিংয়ের কারণে জ্যাকেটটি কিয়ারার সিলুয়েটকে আরও সুস্পষ্ট করে তুলেছে। নিচে ছিল একই ক্যামেল-বেইজ শেডের হাই-ওয়েস্টেড ওয়াইড-লেগ ট্রাউজার্স। প্যান্টের বাড়তি ভলিউম একদিকে যেমন স্বাচ্ছন্দ্য এনেছে, অন্যদিকে পুরো পোশাকটিকে দিয়েছে আধুনিক ও বিলাসবহুল আবহ। প্রচলিত টাইয়ের বদলে কিয়ারার গলায় দেখা গেছে চিকন বেইজ নেকটাই। কলারের নিচে পরিপাটি করে গুঁজে রাখা এই টাই পুরুষদের ক্লাসিক টেইলারিংয়ের ছোঁয়া এনে দিয়েছে নারীর পাওয়ার স্যুটে। পুরো পোশাকে থাকা সূক্ষ্ম প্লেড প্যাটার্নও লুকটিকে একঘেয়ে হওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছে। জুতার ক্ষেত্রেও টোনাল স্টাইলিংয়ের পথেই হেঁটেছেন কিয়ারা। পায়ে ছিল উটের রঙের পয়েন্টেড স্টিলেটো পাম্প। সূচালো অগ্রভাগের এই জুতা তার পায়ের রেখাকে আরও দীর্ঘ দেখিয়েছে এবং মাথা থেকে পা পর্যন্ত একরঙা বিন্যাসটিও অটুট রেখেছে। অ্যাক্সেসরিজে রেখেছিলেন একবারে ছিমছাম । একজোড়া সোনালি স্টেটমেন্ট কানের দুল এবং মানানসই একটি আংটিতেই নজর কেড়েছেন। এর সঙ্গে এভিয়েটর সানগ্লাস যোগ করে কিয়ারা পুরো লুকে এনেছেন আরও দৃঢ় ভাব। সানগ্লাসের উপস্থিতিই আত্মবিশ্বাসী বার্তাটিকে আরও জোরালো করেছে। চুল ও মেকআপেও ছিল পরিমিতির ছাপ। পোশাকের কাটিং ও টেইলারিংকে লুকের মূল আকর্ষণ করে তুলতে কিয়ারা তার লম্বা, ঘন বাদামি চুল হালকা ঢেউ খেলানো এবং কিছুটা স্বাভাবিক ভঙ্গিতে রেখেছেন। মেকআপে ছিল সফট-গ্ল্যাম আবহ- সুবিন্যস্ত ভ্রু, উষ্ণ টোনের আইশ্যাডো এবং নুড-গোলাপি লিপস্টিক। কিয়ারার এই লুকটি প্রমাণ করে, পাওয়ার ড্রেসিংয়ের আসল শক্তি পোশাকে যতটা, তার চেয়েও বেশি আত্মবিশ্বাসে। ক্যামেল-বেইজের শান্ত রং, নিখুঁত টেইলারিং, পুরুষালি টেইলারিংয়ের অনুপ্রেরণা  এই লুকে কিয়ারা তৈরি করেছেন এমন এক ফ্যাশন স্টেটমেন্ট, যা একই সঙ্গে স্মার্ট, আধুনিক ও নজরকাড়া। এসএকেওয়াই

ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়
ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়

ঘুম শরীর ও মনের পুনরুদ্ধারের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের ভেতরে শুরু হয় নানা জটিলতা, যা ধীরে ধীরে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনেকেই ঘুমকে অবহেলা করেন, অথচ সুস্থ থাকার অন্যতম চাবিকাঠি হচ্ছে ভালো ঘুম। যখন ঘুম ঠিকমতো হয় না, তখন শরীরের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে সহজেই সর্দি-কাশি বা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ঘুমের ঘাটতি হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, ফলে ক্ষুধা বেড়ে যায়, যা অতিরিক্ত খাওয়া ও ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। শুধু তাই নয়, নিয়মিত কম ঘুম মানে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেক গুণ বেড়ে যাওয়া। মানসিক স্বাস্থ্যের দিক থেকেও এর প্রভাব ভয়াবহ। ঘুম কম হলে মন খারাপ লাগে, মনোযোগে ঘাটতি আসে, কাজের উদ্যম কমে যায়। অনেক সময় হতাশা, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা তৈরি হয়। শিক্ষার্থী বা কর্মজীবীদের ক্ষেত্রে এটি সরাসরি কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেয়। তবে সুস্থ থাকার জন্য ঘুম ঠিক রাখার কিছু সহজ উপায় অনুসরণ করা যায়। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং জেগে ওঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস। রাতে ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা উচিত — মোবাইল, টিভি বা ল্যাপটপের আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনের ক্ষরণে বাধা দেয়। শোবার ঘরকে ঠান্ডা, অন্ধকার ও শান্ত রাখা ঘুমের মান বাড়ায়। কফি বা চা রাতের বেলা এড়িয়ে চলাই ভালো। দিনের বেলা হালকা ব্যায়াম ও সকালের রোদে কিছুক্ষণ সময় কাটানো ঘুমে সহায়তা করে। আর ঘুমানোর আগে ভারী খাবার না খাওয়াও জরুরি। ঘুমকে যদি গুরুত্ব না দেওয়া হয়, তাহলে শরীর একসময় সিগন্যাল দিতে শুরু করবে — মাথা ভার, মেজাজ খারাপ, স্মৃতিশক্তি দুর্বল ইত্যাদি নানা রকম সমস্যা দেখা দেবে। তাই সুস্থ থাকতে হলে শুধু খাদ্য, ব্যায়াম বা ওষুধ নয় — একটি পরিপূর্ণ ঘুমই হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।

দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ
দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ

বাংলাদেশে আবারও শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের নতুন সংকট। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা শহরে একটানা লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। দিনের পাশাপাশি রাতেও বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, এমনকি হাসপাতালের রোগীরাও অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তীব্র গরম ও অসহনীয় তাপদাহের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাই ভুগছেন। শহরাঞ্চলে ফ্যান, এসি ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গরমে হাঁসফাঁস করছেন মানুষ। অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলে পানির পাম্প চলতে না পারায় পানির সংকটও দেখা দিয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, দিনে প্রায় ৬-৮ বার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা আর ফিরে আসছে না। বিশেষ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ছোট কারখানাগুলো এই বিদ্যুৎ সংকটে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ছোট দোকানদাররা জানাচ্ছেন, দীর্ঘ সময় ফ্রিজ বন্ধ থাকায় খাবারদাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আইটি ও অনলাইনভিত্তিক কাজেও সমস্যা হচ্ছে, কারণ ইন্টারনেট রাউটার, কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি চালাতে বিদ্যুৎ অপরিহার্য। এতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং আয়-রোজগারে বড় ধাক্কা লাগছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্রে জানা গেছে, গ্রীষ্ম মৌসুমে চাহিদা বৃদ্ধির কারণে জেনারেশন ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র গ্যাস সংকটের কারণে পুরো উৎপাদন করতে পারছে না। অন্যদিকে আমদানি নির্ভর কয়লা ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যয় সামাল দিতে গিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি সাময়িক এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে লোডশেডিং কমে আসবে। তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কতদিন এমন দুর্ভোগ চলবে? বিশেষ করে যেসব এলাকায় দিনে ৮-১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না, তাদের জন্য এ আশ্বাস কতটা কার্যকর হবে — তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকট দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে এবং এর সমাধানে স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রয়োজন। বিকল্প জ্বালানি উৎস যেমন সৌর ও নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে গুরুত্ব না দিলে প্রতি বছরই এ ধরনের সংকটের পুনরাবৃত্তি হবে। এ অবস্থায় মানুষ চায় বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও দ্রুত সমাধান। বিদ্যুৎ বিভ্রাট যেন আর এক নিত্যকার দুর্ভোগে পরিণত না হয় — সেই প্রত্যাশাই করছে সারাদেশ।

Follow us

Top week

ইয়েমেনে ২৪ ঘণ্টায় দেড় হাজার হুথি যোদ্ধা হতাহত
আন্তর্জাতিক

ইয়েমেনে ২৪ ঘণ্টায় দেড় হাজার হুথি যোদ্ধা হতাহত

News অক্টোবর ৩, ২০২৬ 0

Rss feed news

প্রেমের নামে এখন সবই হচ্ছে, শুধু প্রেমই হচ্ছে না...
প্রেমের নামে এখন সবই হচ্ছে, শুধু প্রেমই হচ্ছে না...

<p>প্রেমের নামে অনেক কিছুই হচ্ছে, কিন্তু প্রেমটাই কি হচ্ছে? সম্পর্কের চাওয়া-পাওয়ার হিসাবের ভিড়ে দুজন মানুষ কি একজন আরেকজনের আশ্রয়, আস্থা কিংবা নিরাময়ের জায়গা হয়ে উঠতে পারছেন? এমন প্রশ্ন আর দুজন পরিণত মানুষের সম্পর্কের গল্প নিয়ে মঞ্চে এল হান্ট থিয়েটারের নতুন নাটক ‘তবুও প্রেম আসে’। গত বুধবার জাতীয় নাট্যশালার  স্টুডিও থিয়েটার মিলনায়তনে নাটকটির দুটি প্রদর্শনী হয়। নাটকটির গল্প ও নির্দেশনায় ডায়না ম্যারেলিন, নাট্যরূপ দিয়েছেন শাফী বিন কবির।</p><p>কথা হয় নির্দেশকের সঙ্গে। ‘তবুও প্রেম আসেতে’ ভালোবাসাকে শুধু আবেগ কিংবা চাওয়া-পাওয়ার সমীকরণ হিসেবে দেখেননি তিনি, দুজন পরিণত মানুষের সম্পর্কে একজন আরেকজনের আরাম, আশ্রয় ও আস্থার জায়গা হয়ে ওঠার গল্প বলতে চেয়েছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-09/nzco3lvl/WhatsApp_Image_2026_10_07_at_5_22_35_PM.jpeg"><figcaption>বুধবার জাতীয় নাট্যশালার স্টুডিও থিয়েটার মিলনায়তনে নাটকটির দুটি প্রদর্শনী হয়</figcaption></figure><p>ডায়না ম্যারেলিন বলেন, ‘আমরা একটা প্রেমের গল্প বলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু প্রেমের গল্প বলতে গিয়ে দেখি, প্রেমের নামে এখন সবই হচ্ছে, শুধু প্রেমই হচ্ছে না! দুজন পরিণত মানুষ একজন আরেকজনের আরাম হবে, বিশ্রামের জায়গা হবে, আস্থার ঠিকানা হবে। একজন আরেকজনকে নিরাময় করতে তার ক্ষতে প্রলেপ দেবে। এই সহজ সত্য দূরে সরিয়ে আমরা চাওয়া-পাওয়ার হিসাব মেলাতে ব্যস্ত হয়ে আছি।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-09/ji2jq24u/WhatsApp_Image_2026_10_07_at_5_22_39_PM.jpeg"><figcaption>নাটকটির গল্প ও নির্দেশনায় ডায়না ম্যারেলিন, নাট্যরূপ দিয়েছেন শাফী বিন কবির</figcaption></figure><p>প্রেমকে জীবনের স্বাভাবিক অনুষঙ্গ হিসেবে দেখতে চেয়েছেন নির্দেশক। তাঁর ভাষায়, ‘প্রেম তো আর আলাদা কিছু নয়, এটা একটা লাইফস্টাইল। নিত্যদিনের ব্যস্ততায় একটুকরা খোলা আকাশ, একটা বিশ্বস্ততার সিলমোহর। ক্ষণস্থায়ী হোক বা দীর্ঘস্থায়ী, মুখোমুখি প্রেম বা দূরত্বের সম্পর্ক, একসঙ্গে বুড়ো হওয়া কিংবা তীব্র ভালোবাসা—সম্পর্কে এটুকু সততা তো রাখাই যায়।’</p><p>নাটকটিতে অভিনয় করেছেন সারাহ জেবীন, সুপ্তি দাস, ডায়না ম্যারেলিন, নিয়ন আহসান, সাইম বিন মুজিব ও জেরম প্রজ্ঞা। গানে কণ্ঠ দিয়েছেন সুমেল চৌধুরী, সাজ্জাদ কবির ও রেশমী চাকমা।<br>হান্ট থিয়েটার এর আগে গত এপ্রিলে মঞ্চে এনেছিল ‘ক্যাফে দ্য ভলতে’। প্রচলিত মঞ্চভাষার বাইরে গিয়ে উপস্থাপনার ধরন, নির্দেশনা ও অভিনয়ের কারণে প্রযোজনাটি ঢাকার মঞ্চপাড়ায় আলোচনা তৈরি করেছিল। সেই অভিজ্ঞতার পর এবার ‘তবুও প্রেম আসে’ দিয়ে সম্পর্ক ও ভালোবাসার গল্প মঞ্চে আনল তারা।</p>

অক্টোবর ৯, ২০২৬
ডিসির সভায় এমপির প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য দিলেন অস্ত্র মামলার আসামি
ডিসির সভায় এমপির প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য দিলেন অস্ত্র মামলার আসামি

ডিসির মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দিয়েছেন অস্ত্র আইনের মামলার আসামি। পটুয়াখালীতে সম্প্রতি ঘটা এ ঘটনার পরই শুরু হয়েছে বিতর্ক

অক্টোবর ৯, ২০২৬
ভোট চুরির সব প্রমাণ আছে দাবি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর
ভোট চুরির সব প্রমাণ আছে দাবি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর

ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাতের পর কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন, নির্বাচনে কারচুপির সব প্রমাণ তাঁদের কাছে আছে

অক্টোবর ৯, ২০২৬
সুন্দর কণ্ঠ যথেষ্ট নয়, উপস্থাপনায় চাই জানাশোনা ও নিজস্বতা
সুন্দর কণ্ঠ যথেষ্ট নয়, উপস্থাপনায় চাই জানাশোনা ও নিজস্বতা

‘দ্য আর্ট অব কমিউনিকেশন ইজ দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অব লিডারশিপ’—যোগাযোগের শিল্পই নেতৃত্বের ভাষা। উপস্থাপনার ক্ষেত্রেও কথাটি বেশ প্রাসঙ্গিক। একজন উপস্থাপক শুধু একটি লেখা পড়েন না, তিনি একটি সংবাদ, একটি অনুষ্ঠান, একজন অতিথি কিংবা একটি গল্পকে দর্শকের কাছে জীবন্ত করে তোলেন।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
এআই কি দাজ্জাল? প্রযুক্তির নতুন জোয়ারে পুরোনো আতঙ্ক
এআই কি দাজ্জাল? প্রযুক্তির নতুন জোয়ারে পুরোনো আতঙ্ক

<p>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অভূতপূর্ব বিপ্লব দেখে ইদানীং অনেকেই সংশয়ে পড়ে প্রশ্ন তুলছেন, এআই-ই কি তবে শেষ জামানার দাজ্জাল? কেউ কেউ ‘এ আই’ মানে ‘এক চোখ’ অর্থও করছেন। যদিও ব্যাকরণ বিচারে এমন অর্থ ভুল। কেননা, তখন ‘অ্যান আই’ হওয়ার কথা।</p><p>তবে প্রযুক্তির রূপান্তর দেখে তাকে ধর্মীয় ফিতনা বা দাজ্জালের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলার এই প্রবণতা মোটেও নতুন কিছু নয়।</p><p>বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে যখন টেলিভিশন মানুষের বাসাবাড়িতে পৌঁছাতে শুরু করেছিল, তখনও তৎকালীন সমাজের এক শ্রেণির মানুষ একই ধরনের দাবি তুলেছিল। </p><p>তাদের বক্তব্য ছিল, ড্রয়িংরুমে রাখা এক চোখের এই যে কাচের বাক্সে সারা পৃথিবীর ছবি ফুটে উঠছে, এটিই নাকি হাদিসে বর্ণিত ‘এক চোখের দাজ্জাল‘!</p><p>পরবর্তীকালে কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের বিশ্বব্যাপী বিস্তারের সময়েও একই ধরনের বিভ্রান্তি ছড়াতে দেখা গেছে।</p><p><strong>দাজ্জাল কোনো প্রযুক্তি নয়</strong></p><p>ইসলামের আলোকে দাজ্জাল কোনো রূপক ধারণা বা প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন নয়। মহানবী মহানবী (সা.) দাজ্জালের পরিচয় দিতে গিয়ে তাকে আদম সন্তানের মধ্য থেকেই একজন মানুষ হিসেবে স্পষ্ট করে বর্ণনা করেছেন।</p><p>মহানবী (সা.) দাজ্জালের শারীরিক গঠন, চোখের অবস্থা, মাথার চুল এবং চেহারার এমন নিখুঁত বিবরণ দিয়ে গেছেন, যা শুধু একজন জ্যান্ত মানুষের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।</p><p>তিনি বলেছেন, দাজ্জাল হবে একজন লালচে-সাদা রঙের মানুষ, তার চুল হবে অত্যন্ত কোঁকড়ানো এবং সে ডান চোখে অন্ধ হবে; তার চোখটি দেখতে ভেসে ওঠা আঙুরের মতো। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩৪৩৯)</p><p>এমনকি মহানবী (সা.) তৎকালীন আরবের খুজাআ গোত্রের ‘ইবন কাতান’ নামে এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করে বলেছিলেন যে, দাজ্জাল দেখতে অবিকল ওই লোকটির মতো হবে। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩৪৩৯)</p><aside><cite>ইমাম নববি (রহ.)</cite>দাজ্জাল সম্পর্কিত হাদিসগুলোতে তাঁর দৈহিক রূপ, চোখ ও অবস্থানের যে বিবরণ এসেছে তা অলংকার বা রূপক নয়; বরং তিনি একজন সত্যকারের মানুষ, যাকে মহান আল্লাহ অলৌকিক কিছু ক্ষমতা দিয়ে পৃথিবীতে পাঠাবেন মানুষের পরীক্ষা হিসেবে।</aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/na7b9z67qk">কোরআনের ব্যাখ্যায় এআই ব্যবহারে সতর্কতা</a></aside><p>এ ছাড়া সাহাবি তামিম আদ-দারি (রা.)-এর দীর্ঘ হাদিস থেকে দাজ্জালের দৈহিক সত্তার চূড়ান্ত প্রমাণ পাওয়া যায়। তিনি সমুদ্রে পথ হারিয়ে এক দ্বীপে পৌঁছে শৃঙ্খলিত অবস্থায় এক বিশালদেহী মানুষকে দেখতে পেয়েছিলেন, যে নিজেকে দাজ্জাল হিসেবে পরিচয় দিয়েছিল এবং মহানবী (সা.) সাহাবিদের সামনে তামিম আদ-দারির এই প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ সমর্থন করে বক্তব্য দেন। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৯৪২)</p><p>সুতরাং দাজ্জাল কোনো প্রযুক্তি বা কাল্পনিক বিষয় নয়, বরং মহান আল্লাহর সৃষ্টি এক শারীরিক সত্তা। কোনো যন্ত্র বা প্রযুক্তিগত অ্যালগরিদমকে কখনো মানব গোত্রের কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে তুলনা করা সম্ভব নয়।</p><p><strong>পূর্বসূরি মনীষীদের অবস্থান</strong></p><p>হাফিজ ইবনে হাজার আসকালানি উল্লেখ করেছেন যে দাজ্জাল হলেন আদম সন্তানেরই একজন সুনির্দিষ্ট ব্যক্তি, যিনি শেষ জামানায় আত্মপ্রকাশ করবেন এবং মহান আল্লাহ তাঁর মাধ্যমে মানুষের ইমান পরীক্ষা করবেন। (আল-আসকালানি, <em>ফাতহুল বারি, </em>১৩/৯১, দারুল মারিফাহ, বৈরুত, ১৩৭৯ হি.)</p><p>ইমাম নববি লিখেছেন, দাজ্জাল সম্পর্কিত হাদিসগুলোতে তাঁর দৈহিক রূপ, চোখ ও অবস্থানের যে বিবরণ এসেছে তা অলংকার বা রূপক নয়; বরং তিনি একজন সত্যকারের মানুষ, যাকে মহান আল্লাহ অলৌকিক কিছু ক্ষমতা দিয়ে পৃথিবীতে পাঠাবেন মানুষের পরীক্ষা হিসেবে। (ইমাম নববি, <em>আল-মিনহাজ শারহু সহিহ মুসলিম,</em> ১৮/৫৮, দারুল ইহইয়া আত-তুরাস আল-আরাবি, বৈরুত, ১৯৯৫)</p><p>ইবনে কাসিরও তাঁর ইতিহাস গ্রন্থে দাজ্জালকে প্রবঞ্চক এক মিথ্যাবাদী মানুষ হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন, যে নিজেকে প্রভু হিসেবে দাবি করবে। (ইবনে কাসির, <em>আল-বিদায়াহ ওয়ান-নিহায়াহ, </em>১৯/১২১, দার আলম আল-কুতুব, রিয়াদ, ২০০৩)</p><p>ফলে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ইসলামি মনীষীদের যে ঐক্যবদ্ধ মতামত চলে আসছে, তার আলোকেও এআই বা অন্য কোনো প্রযুক্তিকে দাজ্জাল বলার কোনো সুযোগ নেই।</p><p><strong>টেলিভিশন থেকে এআই: নতুন প্রবঞ্চনা</strong></p><p>তাহলে কেন মানুষ বারবার প্রযুক্তিকে দাজ্জাল বলে ভুল করে? এর প্রধান কারণ হলো, দাজ্জালের প্রধান চরিত্র হলো প্রতারণা বা চাতুর্য। আর আধুনিক প্রযুক্তি, যেমন—টেলিভিশন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা এআই ব্যবহার করে মানুষ খুব সহজেই মিথ্যা ও বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/w3t2r748li">এআই যুগে ইসলাম: চিন্তাকে গভীর করতে নবীজির শেখানো ৫ অভ্যাস</a></aside><blockquote>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো তথ্য বা ভিডিও দেখলেই তা অন্ধভাবে বিশ্বাস করা উচিত নয়।</blockquote><p>কিন্তু হাতিয়ার আর হাতিয়ারের ব্যবহারকারী কখনোই এক জিনিস নয়।</p><p>যেমন টেলিভিশন আবিষ্কৃত হওয়ার পর তার মাধ্যমে অশ্লীলতা বা বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে ঠিকই, কিন্তু একই টেলিভিশনের মাধ্যমে বিশ্বের কোটি মানুষের কাছে কোরআন পাঠ, ওয়াজ-নসিহত ও ধর্মীয় শিক্ষাও পৌঁছে গেছে; যা দাজ্জালের মাধ্যমে হওয়ার কথা নয়।</p><p>ঠিক একইভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিজেই দাজ্জাল নয়; এটি মানুষের তৈরি একটি শক্তিশালী ডিজিটাল হাতিয়ার মাত্র।</p><p>কোরআনে মহান আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন সত্যকে মিথ্যার সঙ্গে মিশ্রিত না করতে এবং জেনেবুঝে সত্য গোপন না করতে। (সুরা বাকারা, আয়াত: ৪২)</p><p>এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষ যেমন ভুয়া তথ্য বা ডিপফেক ভিডিও বানিয়ে সত্যকে মিথ্যার রূপ দিতে পারে, তেমনই একে জটিল গবেষণা ও মানবকল্যাণেও ব্যবহার করা যায়। </p><p>প্রযুক্তিকে দাজ্জাল বানিয়ে দিলে মানুষের মূল দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার একটি মানসিক সুযোগ তৈরি হয়। অথচ প্রযুক্তি অপব্যবহারের জন্য দায়ী মানুষের নিজস্ব নীতিজ্ঞান ও ইমানের ঘাটতি।</p><p><strong>প্রকৃত প্রস্তুতি ও করণীয়</strong></p><p>শেষ জামানায় ফিতনা ও বিভ্রান্তি এত তীব্র হবে যে, সঠিক পথ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। মহানবী (সা.) সতর্ক করে বলেছেন, মানুষের কাছে এমন এক ধৈর্যের সময় আসবে, যখন নিজের ধর্মকে আঁকড়ে ধরে রাখাটা হাতের তালুতে জ্বলন্ত অঙ্গার রাখার মতো কঠিন হবে। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ২২৬০)</p><p>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো তথ্য বা ভিডিও দেখলেই তা অন্ধভাবে বিশ্বাস করা উচিত নয়।</p><p>কোরআনের সুস্পষ্ট নির্দেশ হলো, কোনো অবিশ্বস্ত সংবাদ এলে তা প্রচার করার আগে ভালোভাবে তথ্য যাচাই-বাছাই করা। (সুরা হুজুরাত, আয়াত: ৬)</p><p>তাই টেলিভিশন কিংবা এআই-এর মতো প্রযুক্তিকে ‘দাজ্জাল’ আখ্যা দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনো সুযোগ ইসলামে নেই। আমাদের উচিত রাসুলের সুন্নত অনুসরণ করা। দাজ্জাল এক সুনির্দিষ্ট মানব সত্তা, যার ফিতনা থেকে বাঁচার জন্য তিনি প্রতি নামাজের শেষ বৈঠকে আশ্রয় প্রার্থনার শিক্ষা দিয়েছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/jmbv6yf051">ইসলামি গবেষণায় এআই কতটা কার্যকর</a></aside>

অক্টোবর ৯, ২০২৬
অ্যাম্বুলেন্সে মেয়ের লাশ, বাইরে বাবার আর্তনাদ, ‘বুকের ভেতর আগলে রেখেছিলাম তোরে’
অ্যাম্বুলেন্সে মেয়ের লাশ, বাইরে বাবার আর্তনাদ, ‘বুকের ভেতর আগলে রেখেছিলাম তোরে’

<p>‘আমি গরিব হলে কী হবে। তোকে তো সোনা দিয়ে মুড়িয়ে রেখেছি। কোনো দিন ফুলের টোকাও লাগতে দিইনি। বুকের ভেতর আগলে রেখেছি। তোকে কীভাবে কষ্ট দিয়ে মারল তারা।’</p><p> চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে মেয়ের লাশের পাশে দাঁড়িয়ে এভাবেই বিলাপ করছিলেন বাবা তেজেন্দ্র দাশ। পাশে মা আলো বালা দাশও কাঁদছিলেন। বারবার অ্যাম্বুলেন্সের জানালা দিয়ে মেয়ের লাশের দিকে তাকাচ্ছিলেন, আবার স্বজনদের দিকে ফিরে আহাজারি করছিলেন। তাঁদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে থানা এলাকার পরিবেশ। আজ শুক্রবার বিকেলে সীতাকুণ্ডে থানা প্রাঙ্গণে দেখা যায় এই দৃশ্য।</p><p>নিহত ওই তরুণীর নাম চন্দনা রানী শীল (২২)। তিনি সীতাকুণ্ড উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ–পশ্চিম সৈয়দপুর এলাকার তেজেন্দ্র দাশের মেয়ে। আজ সকালে উপজেলার বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের টেরিয়াইল এলাকায় টেরিয়াইল উচ্চবিদ্যালয়ের পেছন থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।</p><p>সকালে লাশ উদ্ধারের পর এর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। সেই ছবি দেখে চন্দনার পরিবারের সদস্যরা তাঁকে শনাক্ত করেন। পরে মা-বাবা থানায় গিয়ে মেয়ের লাশ শনাক্ত করেন।</p><p>চন্দনার স্বামীর নাম শিমুল শীল। তিনি সীতাকুণ্ডের কুমিরা ইউনিয়নের বড় কুমিরা এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনায় শিমুলসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।</p><p>নিহত চন্দনার পরিবারের অভিযোগ, যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের পর তাঁকে হত্যা করেছেন তাঁর স্বামী।</p><p>পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে শিমুলের সঙ্গে চন্দনার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তাঁরা বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের দাবিতে চন্দনাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো বলে পরিবারের অভিযোগ। ঘটনার আগের দিনও নির্যাতনের শিকার হয়ে চন্দনা বাবার বাড়িতে ফিরে এসেছিলেন। পরে তাঁর স্বামী তাঁকে আবার ডেকে নিয়ে যান। এর এক দিন পর পরিবারের সদস্যরা তাঁর মৃত্যুর খবর পান।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-09/fbiu7m8g/WhatsApp-Image-2026-10-09-at-10.10.53-PM.jpeg"><figcaption>মেয়ের লাশ দেখে মা–বাবার আর্তনাদ</figcaption></figure><p>সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর প্রথম আলোকে বলেন, শুক্রবার সকালে টেরিয়াইল উচ্চবিদ্যালয়ের পেছনে এক নারীর লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। তাঁর ধারণা, ওই নারীকে অন্য কোথাও হত্যার পর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে বিদ্যালয় এলাকার একটি জমিতে হাত-পা বেঁধে ফেলে রাখা হয়েছিল।</p><p>মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সীতাকুণ্ড থানার উপপরিদর্শক (এসআই) উত্তম কুমার রাজবংশী প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। হত্যাকাণ্ডে কারা জড়িত, তা নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছেন তাঁরা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চন্দনার স্বামীসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে গ্রেপ্তার দেখানো হবে। তবে হত্যাকাণ্ডের পেছনে যৌতুক নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা তদন্ত শেষ হওয়ার আগে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।</p><p>পুলিশ জানায়, লাশ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/jjavjtomim">বিদ্যালয়ের পেছনে পড়ে ছিল নারীর হাত-পা বাঁধা লাশ</a></aside>

অক্টোবর ৯, ২০২৬
নানার কোন ১০ সিনেমা না দেখলেই নয়
নানার কোন ১০ সিনেমা না দেখলেই নয়

প্রায় পাঁচ দশকের ক্যারিয়ারে তিনি কখনো ভয়ংকর খলনায়ক, কখনো প্রতিবাদী মানুষ, কখনো পুলিশ কর্মকর্তা, আবার কখনো নিখাদ কমেডিয়ান—বিভিন্ন চরিত্রে নিজেকে ভেঙেছেন।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
আলেমদের অন্যের ‘গেমের ঘুঁটি’ না হয়ে ‘নিজস্ব গেমের প্লেয়ার’ হতে বললেন হাসনাত আবদুল্লাহ
আলেমদের অন্যের ‘গেমের ঘুঁটি’ না হয়ে ‘নিজস্ব গেমের প্লেয়ার’ হতে বললেন হাসনাত আবদুল্লাহ

<p>ভোট এলে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা ‘মোর দ্যান ইসলামিক’ হয়ে যান উল্লেখ করে তরুণ আলেমদের উদ্দেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ভোট এলে সবাই একটু বেশি কৃষক হয়ে যান, একটু বেশি আলেম হয়ে যান।</p><p> এর মাধ্যমে একটা বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে মনে করেন কুমিল্লা–৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত। এই প্রেক্ষাপটে তরুণ আলেমদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘দীর্ঘ মেয়াদে আমাদের নিজস্ব রাজনীতি নির্মাণ করতে হবে। আমরা যেন আরেকজনের রাজনীতির ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহৃত না হই, আরেকজনের গেমের (খেলা) ঘুঁটি যেন আমরা না হই। বরং আমরা যেন নিজস্ব গেমের প্লেয়ার (খেলোয়াড়) হতে পারি।’</p><p>আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদে বায়তুল মোকাররমে চলমান ইসলামি বইমেলার মঞ্চে এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ এসব কথা বলেন। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও তাঁর পরবর্তী আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর স্মরণে এনসিপির সহযোগী সংগঠন ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের উদ্যোগে প্রকাশিত পত্রিকা ‘তুরাস’–এর প্রথম সংখ্যার (উত্তরাধিকার, পর্ব–১) মোড়ক উন্মোচন উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।</p><p>অনুষ্ঠানে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচন–পরবর্তী সময়ে আলেম–ওলামাদের ওপর রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় নির্মম অত্যাচার করা হয়েছে। কিন্তু সেগুলো নিয়ে ওই অর্থে উল্লেখযোগ্য একাডেমিক কোনো কাজ হয়নি। সে ক্ষেত্রে ওলামা অ্যালায়েন্সের প্রকাশিত বইটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p><p>আলেমদের পেশাগতভাবে বহুমুখী হওয়ার আহ্বান জানান হাসনাত। তিনি বলেন, কওমি সনদের কার্যকারিতা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলোর মধ্য দিয়ে তাঁরা যেন রাষ্ট্রের মূলধারার পেশাগুলোর মধ্যে অংশগ্রহণ করে জাতীয় ক্ষেত্রে যথাযথ ভূমিকা রাখার জন্যও তাঁদের এগিয়ে আসতে হবে। জুলাই যে উপলক্ষ তৈরি করে দিয়েছে, সমন্বিত উদ্যোগের মধ্য দিয়ে তা কাজে লাগাতে হবে। বিভাজিত না হয়ে আলেমদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বানও জানান তিনি।</p><h3>পরমত সহিষ্ণুতাসহ কিছু পরামর্শ </h3><p>আওয়ামী লীগ চলে গেলে অন্য ধর্মের মানুষেরা অনিরাপদ—এই প্রচার যে মিথ্যা, তা কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রমাণ করা, পরমতসহিষ্ণু হওয়াসহ কিছু পরামর্শ দেন হাসনাত আবদুল্লাহ। আলেমদের নিজস্ব গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যম তৈরি করার প্রয়োজনীতাও তুলে ধরেন তিনি।</p><p>হাসনাত ছিলেন অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তা। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সব সময় একটা কার্ড খেলত যে তারা যদি না থাকে, তাহলে বাংলাদেশে থাকা অন্য ধর্মাবলম্বীরা অন্যদের কাছে, অর্থাৎ আমাদের কাছে অনিরাপদ। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারা দেশে অন্য ধর্মের উপাসনালয়গুলো রাত জেগে পাহারা দিয়ে আমাদের আলেম–ওলামা ভাইয়েরা প্রমাণ করে দিয়েছেন আওয়ামী লীগ মিথ্যার ওপর রাজনীতি করেছে।’</p><p>এই দেশের মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা এবং আলেম–ওলামারা এক্সট্রিমিস্ট (উগ্রবাদী), প্রতিক্রিয়াশীল এবং তাঁদের হাতে বাংলাদেশ নিরাপদ নয়—৫ আগস্টের পর থেকে এমন বয়ান প্রতিষ্ঠার চেষ্টার কথা উল্লেখ করে আলেমদের উদ্দেশে হাসনাত বলেন, ‘এটা যে মিথ্যা, তা আমাদের কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হবে। আপনাদের ১ নম্বর দায়িত্ব হচ্ছে, অন্য ধর্মের যাঁরা আছেন, তাঁদের ধর্মীয় আচার–আচরণ, কালচার–কৃষ্টি যেন তাঁরা যথাযথভাবে পালন করতে পারেন, সেদিকে লক্ষ রাখা।’</p><p>আসন্ন দুর্গাপূজার কথা উল্লেখ করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘সামনে পূজা, একটা বৃহত্তর প্রোগ্রাম (উৎসব)। এ ছাড়া অন্যান্য ধর্মেরও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড থাকে। এই জায়গাগুলোতে আমাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা যেটা আমরা পালন করে আসছি, তা অব্যাহত রাখতে হবে।’</p><p>হাসনাতের দ্বিতীয় পরামর্শ হচ্ছে, আলেমরা ‘পরমতসহিষ্ণু নন’, এই দোষারোপ যাতে কেউ না করতে পারেন, তা কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে প্রমাণ করা। তিনি বলেন, ‘৫ আগস্টের পরে এসে ভিন্নমতের সঙ্গে আমাদের তর্কবিতর্ক হবে, কথা হবে। কিন্তু কোনোভাবেই যেন এই ট্যাগটা এই আওয়ামী সেট–আপের মিডিয়া দিতে না পারে, সেটা আমাদের দায়িত্ব ও কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হবে। আমাদের গবেষণাপ্রতিষ্ঠান তৈরি করতে হবে, আমাদের নিজস্ব গণমাধ্যম তৈরি করতে হবে।’</p><p>বক্তব্যের পর হাসনাতসহ এনসিপি ও ওলামায়ে অ্যালায়েন্সের নেতারা ‘তুরাস’-এর প্রথম সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন করেন। হাসনাতের আগে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে প্রয়াত জুনায়েদ বাবুনগরীর ব্যক্তিগত সহকারী এনামুল হাসান, তাকওয়া চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান গাজী ইয়াকুব, হেফাজতে ইসলামের পল্টন জোনের সাধারণ সম্পাদক মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী, প্রথম আলোর ধর্ম বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক মনযূরুল হক, ওলামা অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক আশরাফ উদ্দিন মাহদী, সদস্যসচিব সানাউল্লাহ খান প্রমুখ বক্তব্য দেন।</p>

অক্টোবর ৯, ২০২৬
নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই
নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই

নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি জানিয়েছে, জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাইকে তার "শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইন প্রসারের প্রচেষ্টার" জন্য স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
'আম্বানি কি ভারতের প্রকৃত বস?'- কেন এই প্রশ্ন ইলন মাস্কের
'আম্বানি কি ভারতের প্রকৃত বস?'- কেন এই প্রশ্ন ইলন মাস্কের

স্টারলিংকের প্রবেশ নিয়ে ইলন মাস্ক ও ভারত সরকারের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
'পাঠাও' থেকে গ্রাহকদের কোন ধরনের তথ্য চুরি গেছে এবং তা কী ঝুঁকি তৈরি করতে পারে?
'পাঠাও' থেকে গ্রাহকদের কোন ধরনের তথ্য চুরি গেছে এবং তা কী ঝুঁকি তৈরি করতে পারে?

বাংলাদেশের রাইড-শেয়ারিং ও পণ্য সরবরাহ সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান ‘পাঠাও’ এর সার্ভার থেকে গ্রাহকদের কোন ধরনের তথ্য চুরি হয়েছে? এটা কী কী ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে?

অক্টোবর ৯, ২০২৬
'চাঁদা না পেয়ে' ট্রাক এনে লুটপাট; সরকার কেন চাঁদাবাজি-দখল থামাতে পারছে না?
'চাঁদা না পেয়ে' ট্রাক এনে লুটপাট; সরকার কেন চাঁদাবাজি-দখল থামাতে পারছে না?

“এখানে তো মাটি কাটার সময় থেকেই চান্দা শুরু হয়ে গেছে। আমি ওদের সঙ্গে অনেকবার বসছি। কিন্তু ওরা একেকবার একেকজন আসে।''

অক্টোবর ৯, ২০২৬
সবচেয়ে বড় পেঙ্গুইন কলোনিতে পাঁচ লাখ পাখি কমলো কী করে?
সবচেয়ে বড় পেঙ্গুইন কলোনিতে পাঁচ লাখ পাখি কমলো কী করে?

একটি প্রত্যন্ত আগ্নেয় দ্বীপে বসবাসকারী চিনস্ট্র্যাপ পেঙ্গুইনের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে কমে যাওয়ার জন্য জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করা হচ্ছে।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
বিদেশি কর্মী নিয়োগে মাইক্রোসফটসহ কয়েকটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ওপর হোয়াইট হাউসের নিষেধাজ্ঞা
বিদেশি কর্মী নিয়োগে মাইক্রোসফটসহ কয়েকটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ওপর হোয়াইট হাউসের নিষেধাজ্ঞা

মাইক্রোসফটকে বিদেশি কর্মী নিয়োগ কর্মসূচি থেকে নিষিদ্ধ করেছে হোয়াইট হাউস। আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও এই ব্যবস্থা নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। আমেরিকার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচির মাধ্যমে অনেক দিন ধরেই আন্তর্জাতিক কর্মী নিয়োগ করে আসছে। কিন্তু হঠাৎ করে কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো?

অক্টোবর ৯, ২০২৬
যন্তর মন্তর যেভাবে গণতন্ত্রের স্পন্দন মাপতে শুরু করল
যন্তর মন্তর যেভাবে গণতন্ত্রের স্পন্দন মাপতে শুরু করল

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণাগার হিসেবে ১৭২৪ সালে যে যন্তর মন্তর গড়া হয়েছিল, দিল্লির সেই প্রাচীন মানমন্দির, সম্প্রতি আন্দোলনের কারণে যন্তর মন্তর আবার শিরোনামে। কিন্তু যন্তর মন্তর কীভাবে একটি আন্দোলন কেন্দ্রে পরিণত হল?

অক্টোবর ৯, ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরে ডিপি ওয়ার্ল্ডের চুক্তিতে কী আছে?
চট্টগ্রাম বন্দরে ডিপি ওয়ার্ল্ডের চুক্তিতে কী আছে?

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলেও এটি নিয়ে বিদেশি কোম্পানির সাথে চুক্তি করার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। কিন্তু বন্দরের শ্রমিক কর্মচারীদের বিরোধিতার মুখে সরকার সেই কার্যক্রম স্থগিত করেছিল।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
মার্কিনিদেরকে ইরানের হামলার ভয় দেখালেন ট্রাম্প
মার্কিনিদেরকে ইরানের হামলার ভয় দেখালেন ট্রাম্প

মার্কিনিদেরকে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ইরানের হামলার ভয় দেখিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার হোয়াইট হাউজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই ভয় দেখিয়েছেন।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
বিকাশের গাড়ি থেকে ৩ কোটি টাকা লুট, গুলিবিদ্ধ ১
বিকাশের গাড়ি থেকে ৩ কোটি টাকা লুট, গুলিবিদ্ধ ১

গাজীপুরের শ্রীপুরে বিকাশের ডিস্ট্রিবিউটর প্রতিষ্ঠানের নগদ টাকা বহনকারী প্রাইভেটকারের গতিরোধ করে প্রায় ৩ কোটি টাকা লুট করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার হিমেল গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গাড়িচালক লাল মিয়া ও এরিয়া ম্যানেজার ফরহাদ আহত হয়েছেন।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদের আয়োজনে শরৎ উৎসব
ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদের আয়োজনে শরৎ উৎসব

শরতের স্নিগ্ধতা ও বাংলার ঋতুবৈচিত্র্যকে গান, নৃত্য ও আবৃত্তির মধ্য দিয়ে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে উদযাপিত হয়েছে ‘শরৎ উৎসব-২০২৬’।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
শান্তিতে নোবেল জয়ী নাভি পিল্লাইকে ইহুদিবিদ্বেষী আখ্যা দিল ইসরায়েল
শান্তিতে নোবেল জয়ী নাভি পিল্লাইকে ইহুদিবিদ্বেষী আখ্যা দিল ইসরায়েল

চলতি বছর শান্তিতে নোবেল জয়ী দক্ষিণ আফ্রিকার বিচারপতি ও জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার কমিশনার নাভি পিল্লাইকে ইহুদিবিদ্বেষী বলে আখ্যা দিয়েছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
মা-বাবার ইচ্ছা পূরণে হাতির পিঠে বরযাত্রা, দুই গ্রামে উৎসবের আমেজ
মা-বাবার ইচ্ছা পূরণে হাতির পিঠে বরযাত্রা, দুই গ্রামে উৎসবের আমেজ

মা-বাবার ইচ্ছে পূরণ করতে হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করতে গেছেন সাকিব নামের এক যুবক। পরিবারের একমাত্র ছেলের বিয়েকে স্মরণীয় করে রাখতেই এ ধরনের ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। এদিকে, হাতির পিঠে চড়ে আসা বরকে একনজর দেখতে বর ও কনের গ্রামে উৎসবের আমেজ দেখা গেছে। 

অক্টোবর ৯, ২০২৬
ভারতে রপ্তানি বাধা ও অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক প্রত্যাহার চায় বাংলাদেশ
ভারতে রপ্তানি বাধা ও অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক প্রত্যাহার চায় বাংলাদেশ

ভারতের বাজারে পণ্য রপ্তানিতে স্থলবন্দরভিত্তিক বিধিনিষেধ ও অশুল্ক বাধা দূর করার বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরেছে বাংলাদেশ।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
যশোর কারাগারে ভারতীয়র মৃত্যু
যশোর কারাগারে ভারতীয়র মৃত্যু

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে এক ভারতীয় বন্দির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ভোরে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। 

অক্টোবর ৯, ২০২৬
সৌদি আরবে বেসামরিক অবকাঠামোয় হুতিদের হামলার নিন্দা বাংলাদেশের
সৌদি আরবে বেসামরিক অবকাঠামোয় হুতিদের হামলার নিন্দা বাংলাদেশের

সৌদি আরবে বিমানবন্দরসহ বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হুতি বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ।

অক্টোবর ৯, ২০২৬