তাইওয়ানে আনিসুরের মৃত্যু, দেশে মরদেহের অপেক্ষায় পরিবার
বয়সের কাছে হার মানেননি তিনি। সময়ের স্রোতে হারিয়ে গিয়েছিল শিক্ষাজীবনের স্বপ্ন, কিন্তু মনের ভেতর বেঁচে ছিল বই-খাতা হাতে নেওয়ার আকাঙ্ক্ষা। এরই মধ্যে সংসার, সন্তান, ব্যবসা এবং পারিবারিক দায়িত্বের ব্যস্ততায় কেটে গেছে দীর্ঘ ৩২ বছর। তবুও মনের ভেতর থাকা সেই স্বপ্নপূরণে পুনরায় ফিরে এসেছেন শ্রেণিকক্ষে। আর সেই প্রত্যাবর্তনে মিলেছে সাফল্য।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের বাসন থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) পারভেজ মল্লিকের এক রাউন্ড গুলিসহ পিস্তল হারিয়ে গেছে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোয়াককোয়ারেলি সাইমন্ডসের (কিউএস) প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিংস: এশিয়া ২০২৭’-এ গত বছরের তুলনায় ৪৩ ধাপ এগিয়েছে যশোর বিজ্ঞান ও প...
সংসারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে সুদূর তাইওয়ানে পাড়ি জমান গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল গ্রামের বাসিন্দা মো. আনিসুর রহমান (৫২)। সেখানে গিয়ে অসুস্থ হয়ে মারা যান তিনি। দেশটির নিউ তাইপেই সিটির একটি হাসপ...
বার কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের আইনগত ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। ১৯৭২ সালের বার কাউন্সিল অর্ডারে আইনজীবী হওয়ার ন্যূনতম বয়স ২১ বছর নির্ধারণ করা হলেও সর্বোচ্চ বয়সসীমার উল্লেখ নেই। অন্যদিকে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যা...
পদ্মা নদী থেকে অবৈধ ও অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীর প্রাকৃতিক গঠন, নদীতীরের স্থিতিশীলতা, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো পদ্মা সে...
ভোরের আলো তখনো পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়েনি। শিল্পাঞ্চলের সড়কে একে একে বাড়ছে মানুষের পদচারণা। কেউ কারখানার পথে, কেউ দিনের কাজ শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কোথাও চায়ের দোকানে শ্রমিকদের ছোট ছোট জটলা, কোথাও কারখ...
সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।
সরকার নতুন শিক্ষাক্রমে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি আরেকটি বিদেশি ভাষা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। উদ্যোগটি ভালো।
<p>২৩ বছর। সময়টা কম নয়। বাংলাদেশের ফুটবলে এই সময়ের মধ্যে কত পরিবর্তন এসেছে। কত খেলোয়াড় এসেছেন, গেছেন। বদলেছে কোচ, বদলেছে অধিনায়ক। কিন্তু সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফিটা আর ছুঁয়ে দেখা হয়নি বাংলাদেশের।</p><p>সেই অপেক্ষার অবসান ঘটানোর স্বপ্ন এবার ঘরের মাঠে। আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই সেই স্বপ্নের কথা শুনিয়েছেন জাতীয় ফুটবল দলের কোচ টমাস ডুলি। তাঁর বিশ্বাস, বাংলাদেশ এবার চ্যাম্পিয়ন হতে পারে। শুধু অংশ নিতে নয়, শিরোপা জিততেই মাঠে নামবে দল।</p> <p>আগামীকাল ঢাকায় শুরু হচ্ছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। প্রথম দিনেই মাঠে নামবে স্বাগতিক বাংলাদেশ। দিনের প্রথম ম্যাচে বিকেল সাড়ে তিনটায় মুখোমুখি হবে ভারত ও পাকিস্তান। রাত ৮টায় বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভুটান। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে আজ রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের লক্ষ্য ও প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন কোচ ডুলি ও অধিনায়ক তপু বর্মণ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/7lr6gdp0/WhatsApp-Image-2026-11-04-at-16.14.50.jpeg"><figcaption>জাতীয় ফুটবল দলের কোচ টমাস ডুলি।</figcaption></figure> <p>বাংলাদেশ সর্বশেষ সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ২০০৩ সালে, ঢাকাতেই। এবার আবারও ঘরের মাঠে টুর্নামেন্ট। শিরোপা জয়ের সুযোগটাও এবার বাস্তব বলে মনে করছেন ডুলি, ‘আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে যে আমরা খেলতে পারব, লড়াই করতে পারব এবং লক্ষ্য অর্জন করতে পারব। আমার মনে হয়, এই টুর্নামেন্টে আমাদের জেতার বাস্তবসম্মত সুযোগ আছে। ২৩ বছর পর এটা সম্ভব। তবে এর জন্য কঠোর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলা এবং শেষ মিনিট পর্যন্ত লড়াই করতে হবে।’</p><p>শুধু স্বপ্ন দেখানো নয়, শিরোপা জয়ের পথে চ্যালেঞ্জটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন কোচ, ‘আমরা জিততে এসেছি। প্রতিটি দলের বিপক্ষেই আমাদের প্রমাণ করতে হবে যে আমরা এই টুর্নামেন্ট জিততে চাই।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/hxdtfl2rgt">‘এবার আমাদেরই জেতা উচিত’, সাফে ২৩ বছরের খরা কাটানো নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ডুলি</a></aside> <p>ঘরের মাঠে খেলা। গ্যালারিতে থাকবে সমর্থকদের প্রত্যাশা। অন্য দলগুলোর চোখেও বাংলাদেশ শিরোপার অন্যতম দাবিদার। ডুলিও দর্শকদের সমর্থনকে চাপ নয়, বরং বাড়তি শক্তি হিসেবে দেখতে চান।</p><p>চাপের বিষয়টি মানছেন অধিনায়ক তপুও। তবে চাপকে ভয় পাওয়ার কিছু দেখছেন না তিনি। বরং এই চাপ থেকেই ভালো ফল আসতে পারে বলে বিশ্বাস তাঁর, ‘অবশ্যই চাপ আছে। তবে আমার মনে হয়, যেখানে চাপ থাকবে, সেখান থেকেই ভালো ফল আসবে। আমাদের ফুটবলপ্রেমীরা কী চান, সেটা বুঝতে হবে। তাঁরা চান আমরা ম্যাচ জিতি, ট্রফি জিতি।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/t8zyns95/WhatsApp-Image-2026-11-04-at-16.14.43-2.jpeg"><figcaption>জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক তপু বর্মণ। </figcaption></figure> <p>তপুর কাছে আপাতত সেই ট্রফির পথে প্রথম ধাপ ভুটানকে হারানো। সমর্থকদের জয় উপহার দেওয়ার পাশাপাশি এই ম্যাচের সঙ্গে জড়িয়ে আছে হামজা চৌধুরীর নামও।</p><p>ফিফা উইন্ডো শুরু হবে ৯ নভেম্বর। তাই ভুটানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে খেলতে পারবেন না বাংলাদেশের তারকা মিডফিল্ডার হামজা। তাঁর নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা, মাঠে সতীর্থদের দিকনির্দেশনা এবং অনুপ্রেরণা জোগানোর ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটি জানেন তপু। হামজাকে মিস করবেন, তবে জয় দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় অধিনায়ক, ‘হামজাকে অনেক মিস করব। তার মতো নেতৃত্ব আমাদের দলে খুবই প্রয়োজন। সে যেভাবে আমাদের গাইড করে, সেটা বিশেষ কিছু। তবে আমরা আগে থেকেই জানি, সূচির কারণে প্রথম ম্যাচে তাকে পাব না। আমাদের কাজ হবে পথটা তার জন্য সহজ করে দেওয়া, অর্থাৎ ভুটানের বিপক্ষে জেতা। সে যেন জয়ী দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারে, আমরা সেটাই চাই।’</p> <p>হামজা না থাকায় নেতৃত্বের ভারও থাকবে তপুর কাঁধে। রক্ষণ সামলানোর পাশাপাশি দলকে সামনে থেকে পথ দেখানোর দায়িত্ব তাঁর। জামাল ভূঁইয়ার বদলে তপুকে অধিনায়ক করার সিদ্ধান্ত নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নও উঠেছে। ডুলির ব্যাখ্যা, রক্ষণভাগের একজন খেলোয়াড় অধিনায়ক হলে পেছন থেকে পুরো দলকে সংগঠিত করা সহজ হয়। সেন্টারব্যাক হিসেবে তপুর অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের ওপরও আস্থা আছে তাঁর।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/njueptw9/WhatsApp-Image-2026-11-04-at-16.14.48-2.jpeg"><figcaption>জাতীয় ফুটবল দলের কোচ টমাস ডুলি ও অধিনায়ক তপু বর্মণ। রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে।</figcaption></figure> <p>তবে অধিনায়কের আর্মব্যান্ডকেই নেতৃত্বের একমাত্র মাপকাঠি মনে করেন না ডুলি। তাঁর মতে, দলে একাধিক নেতা থাকা জরুরি। হামজাও নেতৃত্ব দিতে পারেন। কেউ চোটে পড়লে অন্য কেউ দায়িত্ব নেবেন, এটাই চান কোচ।</p><p>তপুকে দলে ফিরে পেয়ে স্বস্তিতে ডুলি। এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে তাঁকে মিস করেছেন বলে জানিয়েছেন কোচ। এবার অনুশীলনে পুরোপুরি প্রস্তুত তপু। ভুটান ম্যাচে তাঁকে পাওয়া যাবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/4tf0a4dkdv">বাংলাদেশকে ‘সেরা’ মেনেও শিরোপা চান ভারতের কোচ</a></aside> <p>আগের ম্যাচগুলোতে করা ভুলগুলোও শুধরে নিতে কাজ করেছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে পাস দেওয়া ও বল নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সাধারণ ভুল কমানোর চেষ্টা করেছেন ফুটবলাররা। টুর্নামেন্টের আগে কোনো প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে না পারার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন ডুলি। তাঁর দাবি, উপযুক্ত প্রতিপক্ষ দল পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি কয়েকজন খেলোয়াড়ের চোট ও ফিটনেস নিয়ে উদ্বেগ ছিল। ঝুঁকি নিতে চাননি তাঁরা। তখন তপুও পুরো ৯০ মিনিট খেলার মতো ফিট ছিলেন না।</p><p>এখন অবশ্য সেসব সমস্যা পেছনে ফেলে সামনে তাকাতে চায় বাংলাদেশ। কোচের চোখে শিরোপা, অধিনায়কের চাওয়া জয় দিয়ে শুরু। ২৩ বছরের অপেক্ষা ঘোচানোর স্বপ্নটা পূরণ করতে হলে শুরুটা যে জয় দিয়েই হওয়া চাই!</p>
<p>চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থীদের শুধু অকৃতকার্য হওয়া বিষয়ে আবার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। আগামী ১ ডিসেম্বর শুরু হবে এই ‘সাপ্লিমেন্টারি’ পরীক্ষা। নিয়মিত ও অনিয়মিত দুই ধরনের পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।</p><p>আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। এতে বলা হয় পরবর্তী সময়ে নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ পরীক্ষার রুটিন জানিয়ে দেওয়া হবে।</p><p>বর্তমানে এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় কোনো পরীক্ষার্থী এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে তাঁকে এক বছর পর, অর্থাৎ পরের বছরের পরীক্ষায় আবার বসতে হয়। সে ক্ষেত্রে শুধু অকৃতকার্য হওয়া বিষয়গুলো অথবা চাইলে সব বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকে। কিন্তু একটি বা দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার কারণে একজন শিক্ষার্থীকে দীর্ঘ এক বছর অপেক্ষা করতে হয়।</p><p>এবার এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থীদের আবারও পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা বিভাগ।</p><p>গত ৩১ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবার এক ও দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থী ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন। আর এক বিষয়ে ফেল করেছেন ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ জন এবং দুই বিষয়ে ফেল করেছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন পরীক্ষার্থী।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/examination/6xg2a4l10z">এইচএসসির ফলাফলে ২২ বছরে এত বড় অবনতি যেসব কারণে</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/39446qlmdh">এইচএসসিতে পাস কম, উচ্চশিক্ষায় খালি থাকবে ৮ লাখের বেশি আসন</a></aside>
ইকবাল সোবহান চৌধুরী ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ও টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসির সাবেক চেয়ারম্যান।
পোশাকশ্রমিকের ন্যূনতম মোট মজুরি ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে ১২,৫০০ টাকা; মিরপুরের এক শ্রমিক জানালেন, ওভারটাইম মিলিয়ে মাসে আসে ১৮ থেকে ২০ হাজার। শ্রমিকের মজুরি না বাড়লে নতুন পে স্কেল পুরো বাস্তবায়নের পর এই দুই প্রতিবেশীর বার্ষিক আয়ের ব্যবধান দাঁড়াবে প্রায় তিন গুণ।
১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়। বিদ্যমান সংবিধান পর্যালোচনা করে বাংলাদেশের সংবিধান: ইতিহাস, বৈশিষ্ট্য ও ভবিষ্যৎ বই লিখেছেন আলী রীয়াজ। সংবিধান দিবস উপলক্ষে সেই বইয়ের কিছু চুম্বক অংশ প্রথম আলোর পাঠকদের জন্য প্রকাশ করা হলো।
<p>যেকোনো উৎসবে নিজের লুক দিয়ে ভক্তদের তাক লাগান বলিউড সুইটহার্ট আলিয়া ভাট। দুর্গাপূজার শাড়ির লুকের পর আবারও নজর কাড়লেন দিওয়ালির লুকে। এবারও উৎসবের লুকে চেনা ছকের বাইরে গিয়ে ফ্যাশনপ্রেমীদের মনোযোগ কেড়েছেন এই অভিনেত্রী। নতুন লুকের সবটুকু আলো কেড়ে নিয়েছে তার স্টেটমেন্ট ধাতব ব্যাকলেস হল্টারনেক ব্লাউজ। সঙ্গে বেছে নিয়েছেন হ্যান্ডলুম শাড়ি। খোলা চুল, মিনিমাল মেকআপ আর ছোট্ট নীল টিপে তাঁর সাজে ফুটে উঠেছে আভিজাত্য ও নিজস্ব স্টাইলের ছাপ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/uwfiunas/aliaabhatt17937158464022301447800727576259925762.jpg"><figcaption>আলিয়া ভাট মেটালিক হল্টার-নেক ব্লাউজটির সাথে একটি ট্র্যাডিশনাল টিন্ট বা সি-গ্রিন শেডের বর্ডারযুক্ত ধূসর-সবুজ রঙের ক্লাসিক শাড়ি পরেছেন। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/safklmog/aliaabhatt17937158464022301463260906905259925762.jpg"><figcaption>এই লুকের সবটুকু আলো কেড়ে নিয়েছে তার মেটালিক স্টেটমেন্ট ব্যাকলেস হল্টারনেক ব্লাউজ।</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/aslvgvrl/aliaabhatt17937158464022301435452628928259925762.jpg"><figcaption>ব্লাউজের কারুকাজের সঙ্গে মিলিয়ে গয়না বেছে নিয়েছেন আলিয়া। হাত খালি রেখে, কানে পরেছেন ফিরোজা পাথরের দুল।</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/5kc6mopi/aliaabhatt17937158464022301453437890195259925762.jpg"><figcaption>মেকআপ মিনিমাল রেখেছেন এই লুকে। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/glzfo0ad/aliaabhatt17937158464022301468755240242259925762.jpg"><figcaption>কাজল আর টিপে ছড়াচ্ছেন মুগ্ধতা</figcaption></figure>
<p>বাংলাদেশের ফ্যাশন এখন শুধু দেশের বাজারে সীমাবদ্ধ নেই। আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেদের কাজ তুলে ধরছেন দেশের ডিজাইনাররা। দেশীয় ফ্যাশনশিল্পের পরিবর্তন, বড় বিনিয়োগের প্রভাব, তাঁত ও কারুশিল্পের ভবিষ্যৎ এবং জামদানি নিয়ে ডিজাইনার<strong> মাহীন খানের </strong>সঙ্গে<strong> </strong>কথা বলেছেন <strong>হুমায়রা মেহজাবীন</strong></p><p><strong>বাংলাদেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিকে এখন কোথায় দেখেন</strong></p><p>বাংলাদেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি অনেকখানি উন্নত হয়েছে। নতুন মানুষ নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করছেন। তবে একটি বড় সমস্যা এখনো রয়েছে—পুঁজি। ব্যবসা শুরু করা এবং দীর্ঘ সময় চালিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের সীমাবদ্ধতা বিশেষ করে ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।</p><p>করোনার সময় ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির সবাই বড় ধাক্কা খেয়েছিল। অনেকের দোকান বন্ধ হয়ে গেছে, অনেকে ভাড়া দিতে পারেননি বা কাজ বন্ধ করতে হয়েছে। পরে অনলাইনে নতুনভাবে কাজ শুরু হয়। ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নতুন উদ্যোক্তারা বাংলাদেশের ফ্যাশনকে আবার মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। এখন অনেকেই সুন্দর কাজ করছেন।</p><div><div><p><strong>বড় বিনিয়োগ দেশীয় ফ্যাশনে কী প্রভাব ফেলছে?</strong></p></div><div><p>বড় পোশাক কারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান এখন দেশীয় খুচরা বাজারে বড় বিনিয়োগ করছে। বড় পরিসরে দোকান ও বাজার তৈরি হচ্ছে। তবে এর মধ্যে আমাদের কিছু দেশীয় কারুশিল্প আঘাত পাচ্ছে। তাঁত, নকশিকাঁথা ও হাতের তৈরি কাজ ছোট উদ্যোক্তারা দীর্ঘদিন ধরে রেখেছেন। তাঁরা গবেষণা করে দেশীয় কারুশিল্পকে নতুনভাবে কাজে লাগান। কিন্তু বড় বাজারে দ্রুত উৎপাদনের প্রয়োজন হয়। মেশিন ও ডিজিটাল সূচিশিল্পের মাধ্যমে দ্রুত উৎপাদন সম্ভব। এটি মূলত দ্রুতগতির ফ্যাশনের বাজার। তাই ছোট পরিসরে গবেষণামূলক ও হাতে তৈরি কাজকে টিকিয়ে রাখা জরুরি। </p></div></div><p><strong>দেশীয় কারুশিল্পকে এগিয়ে নিতে তাহলে কী প্রয়োজন</strong></p><p>শুধু ভালো নকশা থাকলেই হবে না। উৎপাদন, মান, নকশা ও বিপণন—সবকিছুর সমন্বয় প্রয়োজন। উৎপাদন কোথায় হবে, কারা তৈরি করবেন, তাঁদের প্রশিক্ষণ কেমন হবে—প্রতিটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। গ্রামের মানুষের কর্মসংস্থান তৈরির দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে অনেক নারী নিজের বাড়িতে বসেই কাজ করতে পারেন। এ ধরনের আরও উদ্যোগ হলে গ্রামীণ কর্মসংস্থান বাড়বে, পাশাপাশি আমাদের কারুশিল্পও শক্তিশালী হবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/gfgssqf4/KBRH3723.JPG"><figcaption>ডিজাইনার মাহিন খান</figcaption></figure><div><div><p><strong>জামদানি ও দেশীয় ঐতিহ্য নিয়ে নানা ধরনের দাবির কথা শোনা যায়</strong></p></div><div><p>জিআই বা ভৌগোলিক পরিচয়ের বিষয়টি বুঝতে হবে। একটি শিল্পের সঙ্গে তার ভৌগোলিক পরিচয়ের সম্পর্ক রয়েছে। রাজস্থান, কাঞ্জিপুরাম বা কাশ্মীর—প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব ঐতিহ্য আছে। আমাদেরও রয়েছে। আমাদের ঐতিহ্য নিয়ে অনেক সময় টানাটানি হয়। যেমন জামদানি। এটি শুধু একটি কাপড় নয়, আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। তাই নিজের ঐতিহ্যকে রক্ষা ও সঠিকভাবে তুলে ধরতে হবে।</p></div></div><div><div><p><strong>আপনি নিজেও তো পুরোনো কাঁথার নকশা নিয়ে কাজ করছেন</strong></p></div><div><p>পুরোনো বাংলার কাঁথার মধ্যে আমাদের ইতিহাস রয়েছে। উনিশ ও বিশ শতকের পুরোনো কয়েকটি কাঁথার নকশা নিয়ে আমি কাজ করেছি, সেগুলোকে নতুনভাবে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করেছি। খুলনা, ফরিদপুর, যশোর ও কুষ্টিয়াসহ বিভিন্ন অঞ্চলের কারুশিল্পের নিজস্ব পরিচয় রয়েছে। এই ইতিহাস ও ঐতিহ্য আমাদের নিজেদেরই জানতে হবে।</p></div></div><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/h7xbiil0ed">রাতে কলা খেলে কি ভালো ঘুম হয়, ওজন বাড়ার আশঙ্কা থাকে?</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/d9973tde/KBRH3701.JPG"><figcaption>ফ্যাশনে ঐতিহ্য ও নিজস্বতাকে ভুলে যাওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন মাহিন খান</figcaption></figure><p><strong>বাঙালির পোশাকের নিজস্বতাকে কীভাবে দেখেন?</strong></p><p>পোশাক ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়। বিশ্ব এখন অনেক কাছাকাছি এসেছে। বিভিন্ন অঞ্চলের ফ্যাশন ও রুচির মধ্যে মিশ্রণ তৈরি হচ্ছে। তবে একটি ভালো আর অন্যটি খারাপ—এভাবে দেখি না। কিন্তু নিজের ঐতিহ্য ও নিজস্বতাকে ভুলে যাওয়া উচিত নয়। আমরা বাঙালি, আমাদের রুচির একটি নিজস্বতা আছে। সুতি কাপড়, হালকা রং ও আরামদায়ক পোশাক আমাদের জীবনযাপন ও আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে যায়। </p><div><div><p><strong>বাংলাদেশের ফ্যাশনের ভবিষ্যৎ নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী?</strong></p></div><div><p>শুধু অন্য দেশের পণ্য বন্ধ করলেই হবে না। আমাদের নিজেদের পণ্যকে এমন ভালো করতে হবে, যাতে মানুষ স্বাভাবিকভাবেই তার মূল্য বুঝতে পারে। ঐতিহ্যের সঙ্গে আপস না করে তাকে আধুনিক জীবনের সঙ্গে যুক্ত করতে পারলেই বাংলাদেশের ফ্যাশন আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে। আমাদের কারও সঙ্গে যুদ্ধ করার প্রয়োজন নেই। আমাদের যা আছে, সেটিকেই আরও সুন্দরভাবে উন্নত করতে হবে। ভালো নকশা, উৎপাদন, মান ও সঠিক বিপণনের সমন্বয় দরকার।</p></div></div><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/jyt6dxx9qw">অনলাইনে সৌন্দর্য বিষয়ক সবকিছু অন্ধভাবে অনুসরণ করা ঠিক নয়: কানিজ আলমাস খান</a></aside>
পহেলা ডিসেম্বর থেকে শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি কাঠামো কার্যকর হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মজুরি বোর্ডের সদস্যরা, যদিও মজুরি কাঠামো এখনো নির্ধারিত হয়নি। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের দুই কক্ষেই ডেমোক্র্যাটদের জয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। বিস্তারিত বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...
ডোনাল্প ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেছেন যে, ব্যালটে তার নাম থাকলে রিপাবলিকানরা "বিপুল ভোটে" জয়ী হতো।
পারমাণবিক হামলার ক্ষেত্রে কী জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া দরকার সে বিষয়ে নির্দেশ জারি করেছে ইরান। সোমবার রাতে ইরানের কেশম দ্বীপে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেই আবহেই তড়িঘড়ি জারি করা হয়েছে এই নির্দেশাবলী।
রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটিগুলোতে ডেমোক্র্যাটরা একের পর এক জয় তুলে নেওয়ায় আলিঙ্গন, উল্লাস ও হাসির ঢেউ বয়ে যাচ্ছে।
মিশিগান রাজ্যে জনমত জরিপগুলোও ইঙ্গিত দিচ্ছিলো, ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী আব্দুল এল-সাইয়েদ যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সেনেটর হতে যাচ্ছেন।
এক বছর আগে যে দুটি সিনেট আসনকে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ক্ষেত্র বলে মনে করা হচ্ছিল, সেগুলো ডেমোক্র্যাটদের জন্য নিশ্চিত জয়ে পরিণত হয়েছে।
আজ বুধবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকার খবরে গুরুত্ব পেয়েছে গার্মেন্ট কারখানাগুলোয় আন্দোলন – সহিংসতার খবর। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের খবরও গুরুত্ব পেয়েছে।
বাংলাদেশে মুসলিমদের এমন অনেকেই আছেন, যারা শুধু কবুল পড়ে অথবা নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিড করে বিয়ে করেন। আইনজীবী এবং কাজী অফিস সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে মসজিদে গিয়ে বর-কনে কবুল বলে বিয়ে করলে সেটি রেজিস্ট্রি না করলেও শরীয়তসম্মত। কিন্তু আইনের দৃষ্টিতে এ ধরনের বিয়ে কী বৈধ?
বলিউড তারকা সাইফ আলী খান ও কারিনা কাপুরের প্রেমের শুরুর দিকের একটি মজার ঘটনা সামনে এসেছে
ভোরের আলো তখনো পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়েনি। শিল্পাঞ্চলের সড়কে একে একে বাড়ছে মানুষের পদচারণা। কেউ কারখানার পথে, কেউ দিনের কাজ শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কোথাও চায়ের দোকানে শ্রমিকদের ছোট ছোট জটলা, কোথাও কারখানার ফটকে কর্মীদের অপেক্ষা। কিছুক্ষণ পরই সেলাই মেশিনের একটানা শব্দে মুখর হয়ে উঠবে কর্মস্থলগুলো।
পদ্মা নদী থেকে অবৈধ ও অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীর প্রাকৃতিক গঠন, নদীতীরের স্থিতিশীলতা, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো পদ্মা সেতুর নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বার কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের আইনগত ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। ১৯৭২ সালের বার কাউন্সিল অর্ডারে আইনজীবী হওয়ার ন্যূনতম বয়স ২১ বছর নির্ধারণ করা হলেও সর্বোচ্চ বয়সসীমার উল্লেখ নেই। অন্যদিকে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই বছর মেয়াদি এলএলবি কোর্সের শিক্ষার্থীদের আশঙ্কা, সেশনজট ও পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রতায় অনেকের বয়স ৩৫ বছর পেরিয়ে যেতে পারে, যা তাদের আইনজীবী হওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করবে।
সংসারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে সুদূর তাইওয়ানে পাড়ি জমান গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল গ্রামের বাসিন্দা মো. আনিসুর রহমান (৫২)। সেখানে গিয়ে অসুস্থ হয়ে মারা যান তিনি। দেশটির নিউ তাইপেই সিটির একটি হাসপাতালের হিমঘরে তার মরদেহ রয়েছে বলে পরিবার জানিয়েছে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোয়াককোয়ারেলি সাইমন্ডসের (কিউএস) প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিংস: এশিয়া ২০২৭’-এ গত বছরের তুলনায় ৪৩ ধাপ এগিয়েছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি)।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের বাসন থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) পারভেজ মল্লিকের এক রাউন্ড গুলিসহ পিস্তল হারিয়ে গেছে।
বয়সের কাছে হার মানেননি তিনি। সময়ের স্রোতে হারিয়ে গিয়েছিল শিক্ষাজীবনের স্বপ্ন, কিন্তু মনের ভেতর বেঁচে ছিল বই-খাতা হাতে নেওয়ার আকাঙ্ক্ষা। এরই মধ্যে সংসার, সন্তান, ব্যবসা এবং পারিবারিক দায়িত্বের ব্যস্ততায় কেটে গেছে দীর্ঘ ৩২ বছর। তবুও মনের ভেতর থাকা সেই স্বপ্নপূরণে পুনরায় ফিরে এসেছেন শ্রেণিকক্ষে। আর সেই প্রত্যাবর্তনে মিলেছে সাফল্য।