নিয়োগ

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়োগ, পদ ৯৫

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়োগ, পদ ৯৫
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়োগ, পদ ৯৫
<p>অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের রাজস্ব খাতভুক্ত ১৩ থেকে ২০ গ্রেডে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। মোট পদসংখ্যা ৯৫। আবেদনের শেষ তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০২৬।</p><p><strong>চাকরির বিবরণ<br></strong>১. পদের নাম: হিসাবরক্ষক<br>পদসংখ্যা: ৯<br>বেতন স্কেল ও গ্রেড<br>(গ্রেড-১৩) ২৪,০০০-৫৮,০০০ টাকা।<br>২. পদের নাম: সাঁটলিপিকার-কাম-কম্পিউটার অপারেটর<br>পদসংখ্যা: ৩<br>বেতন স্কেল ও গ্রেড<br>(গ্রেড-১৩) ২৪,০০০-৫৮,০০০ টাকা।<br>৩. পদের নাম: উচ্চমান সহকারী<br>পদসংখ্যা: ৩<br>বেতন স্কেল ও গ্রেড<br>(গ্রেড-১৪) ২৩,৫০০-৫৬,৮০০ টাকা।<br>৪. পদের নাম: সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর<br>পদসংখ্যা: ৪<br>বেতন স্কেল ও গ্রেড<br>(গ্রেড-১৪) ২৩,৫০০-৫৬,৮০০ টাকা।<br>৫. পদের নাম: গাড়িচালক<br>পদসংখ্যা: ১<br>বেতন স্কেল ও গ্রেড<br>(গ্রেড-১৫) ২২,৮০০-৫৫,২০০ টাকা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/f4lxd2c3x2">চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৯৩ জনের চাকরি, আবেদন ৮ ডিসেম্বরের পর্যন্ত</a></aside><p>৬. পদের নাম: অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক<br>পদসংখ্যা: ৪০<br>বেতন স্কেল ও গ্রেড<br>(গ্রেড-১৬) ২১,৯০০-৫২,৯০০ টাকা।<br>৭. পদের নাম: ডাটা এন্ট্রি অপারেটর<br>পদসংখ্যা: ২<br>বেতন স্কেল ও গ্রেড<br>(গ্রেড-১৬) ২১,৯০০-৫২,৯০০ টাকা।<br>৮. পদের নাম: অফিস সহায়ক<br>পদসংখ্যা: ৩৩<br>বেতন স্কেল ও গ্রেড<br>(গ্রেড-২০) ২০,০০০-৪৮,৪০০ টাকা।</p><p><strong>বয়সসীমা</strong><br>১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রার্থীর বয়সসীমা ১৮-৩২ বছর হতে হবে।<br><strong>আবেদনের নিয়ম<br></strong>পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক প্রার্থীগণ <a href="https://nsd.teletalk.com.bd/" target="_blank" rel="nofollow">ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আবেদন ফরম পূরণ</a> করতে পারবেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/chakri-news/migv2f6fyu">৭৫ বছর ছাঁটাই ছাড়াই চলছে কোম্পানিটি; পরিচালনা পদ্ধতি দেখতে ভিড় সিইওদের</a></aside><p><strong>আবেদন ফি<br></strong>১ থেকে ৭ নম্বর পদ: ১১২ টাকা;<br>৮ নম্বর পদ: ৫৬ টাকা।</p><p><strong>আবেদনের সময়সীমা<br></strong>আবেদনপত্র পূরণ ও পরীক্ষা ফি জমাদান শুরুর তারিখ ও সময়: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ১০টা।<br>আবেদনপত্র জমাদানের শেষ তারিখ ও সময়: ২৬ নভেম্বর ২০২৬, বিকেল ৪টা।<br><a href="https://nsd.teletalk.com.bd/docs/20261025.pdf" target="_blank" rel="nofollow">বিস্তারিত দেখুন এই ঠিকানায়</a>।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/higher-education/uj8maasa2b">কোটি টাকার ফেলোশিপ-বৃত্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডির সুযোগ পেলেন আশফাকুর রহমান </a></aside>

Prothomalo

View more
তীব্র লড়াইয়ের পর শেষ চারে কলসিন্দুর ও তেঁতুলতলা
তীব্র লড়াইয়ের পর শেষ চারে কলসিন্দুর ও তেঁতুলতলা

সাভারের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মাঠে আজ প্রথম আলো-স্টার নিউজ নারী ফুটবল টুর্নামেন্টের ম্যাচে ছিল দারুণ রোমাঞ্চ।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
সৌদির বিমানবন্দরে বিধিনিষেধ ১৫৩টি ফ্লাইট বাতিল-স্থগিত, ২২ হাজার ৬৩৬ যাত্রীর ভোগান্তি
সৌদির বিমানবন্দরে বিধিনিষেধ ১৫৩টি ফ্লাইট বাতিল-স্থগিত, ২২ হাজার ৬৩৬ যাত্রীর ভোগান্তি

সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট পরিচালনায় বিধিনিষেধের কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি ও ট্রানজিট রুটের ১৫৩টি ফ্লাইটের কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ২২ হাজার ৬৩৬ জন যাত্রী।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
৮৩ বছর বয়সে অবসরে গেলেন ক্যারল, আকাশে কেটেছে ৬৩ বছরের বেশি
৮৩ বছর বয়সে অবসরে গেলেন ক্যারল, আকাশে কেটেছে ৬৩ বছরের বেশি

<p>৬৩ বছরের বেশি সময় আকাশে যাত্রীসেবা দিয়েছেন ক্যারল ফেয়ার। এখন বয়স ৮৩। এবার অবসরে গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের আমেরিকান এয়ারলাইনসের সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ সক্রিয় ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট। ২৬ অক্টোবর (বাংলাদেশে ২৭ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের শার্লটগামী একটি ফ্লাইটে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/nkwry136/Fair-at-an-exhibit-that-opened-last-year-at-the-Sullenberger-Aviation-MuseumPhoto-courtesy-of-WFAE.jpg"><figcaption>ক্যারল ফেয়ারের বয়স এখন ৮৩ বছর</figcaption></figure><p>ফেয়ারের শেষ ফ্লাইট ছিল আমেরিকান এয়ারলাইনসের ফ্লাইট ৭৩৩। লন্ডন থেকে নর্থ ক্যারোলাইনার শার্লটগামী বিমানটি ২৬ অক্টোবর স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে শার্লট বিমানবন্দরে পৌঁছায় (বাংলাদেশ সময় ২৭ অক্টোবর, মঙ্গলবার রাত ২টা ৪০ মিনিট)। </p><p>তাঁকে বিদায় জানাতে বিমানবন্দরে ছিল বিশেষ আয়োজনের পরিকল্পনা।<br>অবতরণের পর উড়োজাহাজটিকে পানি ছিটিয়ে অভ্যর্থনা জানানোর আয়োজন ছিল। সাধারণত পাইলটদের শেষ ফ্লাইটে এমন আয়োজন করা হয়। ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টের ক্ষেত্রে এটি ব্যতিক্রমী সম্মান।</p><p>শেষ ফ্লাইটের জন্য লন্ডন-শার্লট রুটটি ফেয়ার নিজেই বেছে নেন। কারণ, ১৯৮৭ সালের ১৫ জুন পিডমন্ট এয়ারলাইনসের শার্লট-লন্ডন রুটের প্রথম ফ্লাইটে দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। দীর্ঘ কর্মজীবনের শুরুতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকা সেই রুটেই এবার বিদায় নিতে চেয়েছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/travel/pubxsi4qmv">সেন্ট মার্টিনে এবার রাতযাপন করা যাবে কত দিন, ট্রাভেল পাস লাগবে কি?</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/22n3hfi5/WhatsApp-Image-2026-10-27-at-7.38.08-PM.jpeg"><figcaption>সহকর্মীদের সঙ্গে ক্যারল ফেয়ার</figcaption></figure><h3>শুরুটা হয়েছিল ১৯৬৩ সালে</h3><p>ফেয়ারের কর্মজীবন শুরু হয় ১৯৬৩ সালে। যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যের জনসন সিটিতে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে চাকরির খোঁজে বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন। সেখানে পিডমন্ট এয়ারলাইনসের স্টেশন ম্যানেজারের সঙ্গে পরিচয় হয়। সেই সূত্রেই ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট হিসেবে চাকরির সুযোগ পান।</p><p>কর্মজীবনের শুরুতে অবশ্য আমেরিকান এয়ারলাইনসে আবেদন করে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন। ভ্রমণবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ওয়ান মাইল অ্যাট আ টাইম’–এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, তখন তাঁকে বলা হয়েছিল, তিনি আমেরিকান এয়ারলাইনসে কাজ করার উপযুক্ত নন। </p><p>দীর্ঘদিন পর সেই এয়ারলাইনসের সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ সক্রিয় ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট হিসেবে অবসরে যাচ্ছেন তিনি। ছয় দশকের বেশি সময়ে পিডমন্ট এয়ারলাইনসে শুরু করে পরে ইউএস এয়ারওয়েজ এবং সবশেষে আমেরিকান এয়ারলাইনসে কাজ করেছেন ফেয়ার।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/89so2xpa/WhatsApp-Image-2026-10-27-at-7.39.02-PM.jpeg"><figcaption>নিজের অর্জন দিয়ে ক্যারল ফেয়ার ৩০ হাজার কর্মীর মধ্যে এক নম্বরে পৌঁছেছেন</figcaption></figure><h3>৩০ হাজার কর্মীর মধ্যে জ্যেষ্ঠতার শীর্ষে</h3><p>আমেরিকান এয়ারলাইনসের প্রায় ৩০ হাজার ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট। জ্যেষ্ঠতার তালিকায় প্রথম স্থানে আছেন ফেয়ার। তবে একটি বিষয় হলো, তালিকায় তাঁর চেয়ে জ্যেষ্ঠ দুজন ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট আছেন। তাঁরা আর ফ্লাইট পরিচালনা করেন না, যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরে যাননি। সে কারণে ফেয়ারকে এয়ারলাইনসটির সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ সক্রিয় ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট বলা হচ্ছে।</p><p>জ্যেষ্ঠতার অবস্থান ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টদের চাকরিতে গুরুত্বপূর্ণ। এর ওপর নির্ভর করে তাঁরা কোনো সময়সূচি ও কোনো রুটে কাজ করার সুযোগ পাবেন।<br>নিজের অর্জন নিয়ে ফেয়ার বলেছেন, ৩০ হাজার কর্মীর মধ্যে তিনি এক নম্বরে পৌঁছেছেন। তাঁর কথায়, ‘এর চেয়ে ওপরে ওঠার আর কোনো জায়গা নেই।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/shopping/z68xtp5wmr">কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি ও আমার রঙিন স্কুলব্যাগের দিনগুলো</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/d9jeqa48/Carol-Fair-who-started-her-career-at-American-Airlines%E2%80%99-predecessor-Piedmont-Airlines-is-retiring-next-week-after-more-than-63-years-on-the-jobPhotos-courtesy-of-Carol-Fair.jpg"><figcaption>৬৩ বছরের বেশি সময় আকাশে যাত্রীসেবা দিয়েছেন ক্যারল ফেয়ার</figcaption></figure><h3>নারী ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টদের বদলে যাওয়া</h3><p>১৯৬৩ সালে ফেয়ার যখন পেশায় যোগ দেন, তখন নারী ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টদের কর্মপরিবেশ ছিল আজকের তুলনায় অনেক কঠোর। বিভিন্ন এয়ারলাইনসে তাঁদের বিয়ের ওপর বিধিনিষেধ, চেহারা ও শারীরিক গঠন নিয়ে কঠোর শর্ত এবং নির্দিষ্ট বয়সে অবসরে যাওয়ার নিয়ম ছিল। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৩২ বছর বয়সেই চাকরি ছাড়তে হতো।</p><p>এসব বৈষম্যমূলক নিয়মের বিরুদ্ধে নারী ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টদের দীর্ঘদিন লড়াই করতে হয়েছে। ফেয়ার তাঁর আগের প্রজন্মের পথিকৃৎদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন, যাঁরা ওজন, বিয়ের বিধিনিষেধ ও বয়সের কারণে চাকরি হারানোর মতো নিয়মের বিরুদ্ধে লড়েছেন।</p><p>ফেয়ারের নিজের কর্মজীবনই এই পরিবর্তনের একটি উদাহরণ। যে পেশায় একসময় নারীদের কর্মজীবনের মেয়াদ কঠোরভাবে সীমিত করা হতো, সেই পেশায় তিনি ৬৩ বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করেছেন।</p><p>ফেয়ার অবশ্য দীর্ঘ কর্মজীবনে অবসরে যাওয়া ৮০ পেরোনো প্রথম ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট নন। ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের রন আকানাও ২০১২ সালে ৮৩ বছর বয়সে অবসরে গিয়েছিলেন।</p><p><sup>সূত্র: ইয়াহু ট্রাভেল</sup></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/travel/bp8ekq0989">এশিয়ার সেরা ২০ সমুদ্রসৈকতের তালিকায় কক্সবাজার কি আছে</a></aside>

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
মিছিল নিয়ে উচ্ছেদ অভিযানে প্রশাসক, তল্পিতল্পা গুটিয়ে পালালেন হকাররা
মিছিল নিয়ে উচ্ছেদ অভিযানে প্রশাসক, তল্পিতল্পা গুটিয়ে পালালেন হকাররা

মিরপুর-১ এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে ডিএনসিসি। প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খানের উপস্থিতিতে অবৈধ দোকানপাট ও ছাউনি ভাঙা হয়।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা
‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা

‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় খরচ কমার এমন ঘটনা ঘটেছে। প্রতিযোগিতা বাড়ায় প্রাক্কলিত ব্যয়ের তুলনায় দর কমেছে প্রায় ১৪ শতাংশ।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
বিদেশমুখী পর্যটকদের যেভাবে দেশীয় পর্যটনে আকৃষ্ট করছে ভাইয়া গ্রুপ
বিদেশমুখী পর্যটকদের যেভাবে দেশীয় পর্যটনে আকৃষ্ট করছে ভাইয়া গ্রুপ

<p>বাংলাদেশে ইকো-ট্যুরিজম, সার্ভিসড অ্যাপাটমেন্ট এবং রিসোর্টভিত্তিক আবাসন খাতের ট্রেন্ডে কীভাবে নিজেদের একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছে ভাইয়া গ্রুপ?<br>সম্প্রতি প্রথম আলো ডটকম আয়োজিত ‘অনলাইন আবাসন মেলা ২০২৬’–এ অংশ নিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। সংশ্লিষ্ট খাতের সামগ্রিক বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন ভাইয়া হোটেলস অ্যান্ড রিসোর্টসের সহকারী পরিচালক (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং) এম ইমরোজ উজ্জামান এবং ভাইয়া হাউজিংয়ের উপ-পরিচালক (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং) মোহাম্মদ ফরহাদ উদ্দীন।<br><br>বিস্তারিত ভিডিওতে...<br></p><p>#বিজ্ঞাপন_বার্তা</p><figure></figure>

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
এআইয়ে বিনিয়োগ বাড়ালেও ৬০ হাজার কর্মীকে স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব মাইক্রোসফটের
এআইয়ে বিনিয়োগ বাড়ালেও ৬০ হাজার কর্মীকে স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব মাইক্রোসফটের

এআই খাতে হাজার হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করলেও একসঙ্গে প্রায় ৬০ হাজার কর্মী কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে মাইক্রোসফট।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
বাবা–ভাইকে রক্তাক্ত দেখে ক্ষুব্ধ হন যুবক, পরে দ্বিতীয় দফার সংঘর্ষে নিহত
বাবা–ভাইকে রক্তাক্ত দেখে ক্ষুব্ধ হন যুবক, পরে দ্বিতীয় দফার সংঘর্ষে নিহত

যশোরের ঝিকরগাছায় বসতবাড়ির জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আশিকুজ্জামান (২৭) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
দক্ষিণ ভারতীয় কনের সাজে মেহজাবীনের নতুন লুক
দক্ষিণ ভারতীয় কনের সাজে মেহজাবীনের নতুন লুক

অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর ব্রাইডাল সাজে এবার ফুটে উঠেছে দক্ষিণ ভারতীয় কনেদের ঐতিহ্যবাহী সাজের ছোঁয়া। জমকালো সিল্কের পোশাক, ভারী সোনালি গয়না আর বেণিজুড়ে সাদা বেলি ফুলের মালায় সাবেকি আভিজাত্যে ধরা দিয়েছেন তিনি।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”