তাসকিন-হাসানের আঘাতে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে উ.ইন্ডিজ
মিরপুরের ব্যর্থতা ভুলে সিলেটে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে বাংলাদেশের বোলাররা। দ্বিতীয় টেস্টের শুরুতেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং লাইনআপে আঘাত হেনেছেন তাসকিন আহমেদ ও হাসান মাহমুদ।
বায়ুদূষণের শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর।
‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের’ দ্বিতীয় আসরে অংশ নিচ্ছে ১৬ লাখ ২৩ হাজার শিশু-বিশোর।
বাগেরহাটের মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সব রসিকতার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত মন্তব্যটি ছিল, ফারহানের জার্সি তার দলের অন্য কোন খেলোয়াড় নেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করবেন তিনি।
ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের দায়েরকৃত মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমণির জামিন আবেদন বাতিল ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
গাজীপুরের কাশিমপুরের সারাবো এলাকায় একটি ঝুটের গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের এমবিএম-ইভিনিং প্রোগ্রামে আবেদন করতে সিজিপিএ ২.৫ প্রয়োজন। ভর্তির জন্য ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে, পরীক্ষা ৪ ডিসেম্বর।
কিছুটা নরম সুরেই কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি জানান, ডেমোক্র্যাট নিয়ন্ত্রিত নতুন কংগ্রেস থেকে আসা যেকোনো বিলে ভেটো দেওয়ার অধিকার তাঁর আছে।
ভোটের পরদিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স প্রকাশ্যে ইরান যুদ্ধের সার্থকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেছেন, এই যুদ্ধের কারণে রিপাবলিকানদের কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারাতে হয়েছে।
<p>ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির এক দিন পর আজ বৃহস্পতিবার তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।</p><p>আজ বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে রাখা একটি সাদা ব্যক্তিগত গাড়ি থেকে নামেন পরীমনি। বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে তিনি আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেন ও জামিনের আবেদন জানান। শুনানি শেষে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমান ৫০০ টাকা মুচলেকায় তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন।</p><p>পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘গতকাল পরীমনির বিরুদ্ধে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। আমরা আজ আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করি। শুনানি শেষে আদালত জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দেন।’</p><p>গতকাল বুধবার মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে পরীমনি আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। তাঁর পক্ষে সময় চেয়ে আবেদন করা হলেও আদালত তা নামঞ্জুর করে জামিন বাতিল এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।</p><p>আদালতে অনুপস্থিত থাকার কারণ সম্পর্কে নীলাঞ্জনা রিফাত গতকাল প্রথম আলোকে বলেছিলেন, অ্যালার্জিজনিত সমস্যায় অসুস্থ থাকায় তাঁর মক্কেল আদালতে আসতে পারেননি। এ জন্য পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করার আবেদন করা হয়েছিল।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-25/3qbl1yoq/WhatsApp-Image-2026-10-24-at-22.21.37.jpeg"><figcaption>পরীমনি</figcaption></figure><p>আদালত সূত্র জানায়, গতকাল মামলার বাদী আদালতে উপস্থিত হয়ে পরীমনিসহ তিন আসামির জামিন বাতিলের আবেদন করেন। জামিন বাতিলের আবেদন শুনানির সময় আসামিপক্ষের কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। শুনানি শেষে আদালত পরীমনির জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।</p><p>এ মামলায় এর আগেও পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। গত বছরের ২৬ জানুয়ারি অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। সেদিন আদালতে অনুপস্থিত থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান তিনি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/0u439xpw/WhatsApp_Image_2026_11_05_at_12_02_19_PM.jpeg"><figcaption>আদালতের পথে পরীমনি</figcaption></figure><p>২০২২ সালের ৬ জুলাই ঢাকার আদালতে মামলাটি করেন নাসির উদ্দিন মাহমুদ। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, ২০২১ সালের ৯ জুন রাতে পরীমনি ও তাঁর সহযোগীরা সাভারের বোট ক্লাবে যান। রাত সোয়া একটার দিকে তিনি ও তাঁর সহযোগী শাহ শহিদুল আলম ক্লাব থেকে বের হওয়ার সময় পরীমনি তাঁকে ডেকে কিছুক্ষণ বসার অনুরোধ করেন।</p><p>নাসিরের অভিযোগ, একপর্যায়ে পরীমনি বিনা মূল্যে একটি মদের বোতল দেওয়ার জন্য চাপ দেন। তিনি রাজি না হওয়ায় পরীমনি তাঁকে গালমন্দ করেন। বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে তাঁর দিকে গ্লাস ও মুঠোফোন ছুড়ে মারেন। এতে তাঁর মাথা ও বুকে আঘাত লাগে। মামলায় মারধর, হত্যার হুমকি ও ক্লাবে ভাঙচুরের অভিযোগও করেন নাসির।</p><p>অন্যদিকে বোট ক্লাবের ওই ঘটনায় নাসির উদ্দিনসহ অন্যদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে এর আগেই সাভার থানায় মামলা করেছিলেন পরীমনি।</p><p>নাসিরের করা মামলাটি তদন্ত করে ২০২৪ সালে আদালতে প্রতিবেদন দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন প্রতিবেদনে পরীমনি ও তাঁর কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা জানান। তবে অপর আসামি ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।</p><p>পরে তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে পরীমনি ও জিমিকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের ২৫ জুন তাঁরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন পান।</p>
আজ বৃহস্পতিবার ভরিতে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৪৮৩ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছে।
তিনি নিজের মতো করে সেজে বা নো মেকআপ ন্যাচারাল লুকে বিভিন্ন সময়ে তাঁর বিউটি মোমেন্ট শেয়ার করেন সবার সঙ্গে, তা জীবনে যতই ঝামেলা থাকুক।
<p>কেউ কথা দিয়ে কথা রাখেনি। কোনো সম্পর্ক ভেঙে গেছে কিংবা অতীতের কোনো ঘটনা গভীরভাবে আঘাত করেছে। সময়ের সঙ্গে জীবন এগিয়ে গেলেও মনের ভেতর সেই কষ্টের ভার যেন রয়েই গেছে। নতুন সম্পর্কেও পুরোনো ভয় তাড়া করে, সামান্য ঘটনায় ফিরে আসে অভিমান আর অনিশ্চয়তা। অজান্তেই অতীত হয়ে ওঠে বর্তমানের বাধা। মনের ভেতর জমে থাকা এই কষ্ট, ভয় ও অমীমাংসিত অনুভূতিকে বলা হয় ‘ইমোশনাল ব্যাগেজ’ বা আবেগের বোঝা। কীভাবে এই বোঝা হালকা করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরবেন? জেনে নিন ছয়টি উপায়</p><figure><img alt="কাজ ক্লান্তি" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-30/f0z2uskz/IMG7942.jpg"><figcaption>অতীতের ভুলগুলো মেনে নিন, নিজেকে ক্ষমা করতে শিখুন</figcaption></figure><h3>১. কষ্টের কারণ খুঁজে বের করুন</h3><p>কারও কথা বা আচরণে কেন আপনার মন খারাপ হচ্ছে, তা বোঝার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে অনুভূতিগুলো ধাপে ধাপে লিখে ফেলুন। নিজেকে প্রশ্ন করুন, বর্তমানের ঘটনাটিই কি কষ্টের কারণ, নাকি অতীতের কোনো অভিজ্ঞতা সেই অনুভূতিকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে? কষ্টের কারণ বুঝতে পারলে আবেগ সামলানো সহজ হতে পারে।</p><h3>২. নেতিবাচক চিন্তাকে প্রশ্ন করুন </h3><p>‘আমাকে কেউ বোঝে না’ কিংবা ‘সবকিছুই খারাপ হবে’, এমন চিন্তা মাথায় এলে নিজেকে প্রশ্ন করুন, সত্যিই কি এর পক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ আছে? পরিস্থিতি অন্যভাবে দেখার চেষ্টা করুন। সব সময় ইতিবাচক ভাবতে হবে, এমন নয়। বরং বাস্তবতা বিবেচনা করে নেতিবাচক চিন্তার পাশাপাশি অন্য সম্ভাবনাগুলোও ভাবুন।</p><h3>৩. অতীতের ভুল নিয়ে পড়ে থাকবেন না </h3><p>বারবার নিজেকে দোষারোপ করার অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করুন। অতীতের ভুলগুলো মেনে নিন, নিজেকে ক্ষমা করতে শিখুন। অন্য কাউকে ক্ষমা করার সিদ্ধান্তও নিতে পারেন, তবে সে জন্য নিজেকে চাপ দেবেন না। অতীত থেকে শিক্ষা নিন, কিন্তু একই কষ্টের কথা বারবার ভেবে বর্তমানকে কঠিন করে তুলবেন না। মনোযোগ দিন সামনের দিনগুলোর দিকে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-04/cccd8848-3e35-45e9-bd50-4bafb3a84013/539A2957.JPG"><figcaption>বারবার নিজেকে দোষারোপ করার অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করুন</figcaption></figure><h3>৪. নিজের সীমারেখা তৈরি করুন </h3><p>অন্যকে খুশি রাখতে গিয়ে নিজের প্রয়োজন উপেক্ষা করবেন না। প্রয়োজন হলে ভদ্রভাবে ‘না’ বলুন। নিজের সময়, মানসিক শান্তি ও ব্যক্তিগত পরিসর রক্ষা করা স্বার্থপরতা নয়। যাঁদের আচরণ বারবার আপনাকে কষ্ট দেয়, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ সীমিত করতে পারেন। নিজের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতাকে গুরুত্ব দিন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/ybacuw4h3t">বিষণ্নতা ও উদ্বেগে ওষুধের মতোই কার্যকর হতে পারে ব্যায়াম, নতুন গবেষণায় প্রমাণ</a></aside><h3>৫. অনুভূতি প্রকাশ করুন </h3><p>মন খারাপ বা রাগ চেপে রাখলেই তা দূর হয়ে যায় না। নিজের অনুভূতিগুলো ডায়েরিতে লিখতে পারেন। হাঁটতে বের হন কিংবা বিশ্বাসযোগ্য কারও সঙ্গে মন খুলে কথা বলুন। কষ্টকে অস্বীকার না করে স্বীকার করুন। নিজের অনুভূতি বোঝা ও প্রকাশ করা তা সামলানোর গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-04-02/60gaqp4t/d83a8e88bd8d3cb4220ea1531f068fe6_Untitled_7.jpg"><figcaption>কারও কথা বা আচরণে কেন আপনার মন খারাপ হচ্ছে, তা বোঝার চেষ্টা করুন</figcaption></figure><h3>৬. প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন </h3><p>অতীতের কষ্ট যদি দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক, ঘুম, কাজ কিংবা দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলে, তাহলে মানসিক স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। বিশেষজ্ঞের সহায়তায় কষ্টের কারণ বুঝতে এবং তা সামলানোর উপায় খুঁজে পেতে পারেন। মনে রাখবেন, সাহায্য চাওয়া দুর্বলতা নয়; বরং নিজের যত্ন নেওয়ারই অংশ।</p><p><sup>সূত্র: সাইকোলজি টুডে</sup></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/xxiqwqx9n6">ইলিশ খেলে মন ভালো রাখার হরমোন বাড়ে, তবে সতর্ক থাকতে হবে যাঁদের</a></aside>
<p><strong>রেহান আসিফ আসাদ </strong>প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি) থেকে ব্যবস্থাপনা ও প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর এবং অস্ট্রেলিয়ার রয়্যাল মেলবোর্ন ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে টেলিযোগাযোগ ও তড়িৎ প্রকৌশলে স্নাতক। কাজ করেছেন এটিঅ্যান্ডটি, জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি, এক্সপিডিয়া গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ পদে। <em>প্রথম আলো</em>র সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংস্কার, নাগরিকের তথ্যের নিরাপত্তা, সার্বভৌম এআই অবকাঠামো এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন <strong>সৈয়দ রিফাত মোসলেম</strong></p><p><em>বর্তমান সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তি খাতের দায়িত্ব নেওয়ার পর খাতকে কী অবস্থায় দেখতে পেয়েছেন? এই খাতে কোন পাঁচটি বিষয়ে পরিবর্তন আনা সবচেয়ে জরুরি বলে মনে করেন?</em></p><p><strong>রেহান আসিফ আসাদ:</strong> ছোট একটা উদাহরণ দিয়ে শুরু করি। আমি দায়িত্ব নিয়েই শুনলাম, আইসিটি বিভাগ চার শর বেশি গেমস বানিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের কাছে খবর নিয়ে জানলাম, সঠিক সংখ্যা আসলে ১০০। সেগুলোও কোনো কাজে লাগেনি। এই হলো অবস্থা। </p><p>অগ্রাধিকারের কথা বললে প্রথমেই থাকবে আইন ও নীতিমালায় সংস্কার আনা। দ্বিতীয়ত, সংযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন। এরপর ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার গড়ে তোলা। চতুর্থত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, দক্ষ জনশক্তি ও স্টার্টআপের বিকাশ। আর সর্বশেষ, দেশে ভোক্তা ইলেকট্রনিকস, সেমিকন্ডাক্টর ও ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানো।</p><p><em>আপনি আইনের কথা বললেন। সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধন নিয়ে সাধারণ নাগরিক ও গণমাধ্যমে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই উদ্বেগ কীভাবে দূর হবে?</em></p><p><strong>রেহান আসিফ আসাদ: </strong>সাইবার সুরক্ষা আইন নিয়ে যে বিভিন্ন মহলে আলোচনা–সমালোচনা হচ্ছে, সেটি আমরা দেখছি। আমরা শুরু থেকেই সবার মতামত নিয়ে আইন প্রণয়নের চেষ্টা করছি। এবারও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে চাই। আইনটি নিয়ে সরকারের ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্য নেই। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে বলেছেন, সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়গুলোর সমাধান করতে হবে, তারপর আইনটি মন্ত্রিসভায় নিয়ে আসতে হবে। তাই সবার উদ্বেগ ও মতামত আমরা গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছি। আপনারা যে পরামর্শ দিচ্ছেন, সেগুলো পর্যালোচনা করে খসড়ায় অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করছি।</p><p><em>আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কথা বলা হলেও শেষ পর্যন্ত যা হয়েছে, তা আধা ডিজিটাল। সেবা পেতে এখনো অনলাইনে আবেদন করার পরেও মানুষকে সরকারি দপ্তরে যেতে হয়। ভোগান্তি হয়, ঘুষ দিতে হয়। এই জায়গায় কি পরিবর্তন আসবে?</em></p><p><strong>রেহান আসিফ আসাদ:</strong> ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন ক্লাসে আমাদের শেখানো হতো, এর মূল উদ্দেশ্য মানুষের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা। কোনো সেবা শুধু অনলাইনে নিয়ে আসাই নয়, বরং সেই সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়াকে সহজ করা ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন। আমরা এখন ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান আইডি’ নিয়ে কাজ করছি। এতে নাগরিকের নাম, মা–বাবার নাম, জন্মতারিখ, জন্মস্থান, ঠিকানা ও একটি ইউনিক আইডিসহ ১২টি মৌলিক তথ্য থাকবে। এসব তথ্য একটি সমন্বিত ব্যবস্থায় পাওয়া গেলে সরকারের যেসব দপ্তর সেবা দেয়, তারা সহজেই প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করতে পারবে। তাতে সেবা দেওয়ার সময় অনেক কমিয়ে আনা সম্ভব। নাগরিকের সেবা পাওয়া সহজ করাই আমাদের ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনের প্রধান অগ্রাধিকার।</p><blockquote>আমাদের অগ্রাধিকার হলো টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে একটা ভিত্তি তৈরি করে দেওয়া। সরকার পরিবর্তন হবে, রাজনৈতিক দল আসবে–যাবে; কিন্তু আমরা যদি এখনই প্রয়োজনীয় কাঠামো ও ভিত্তি তৈরি করে দিতে পারি, তাহলে তা সব সময় কাজে লাগবে</blockquote><p><em>কীভাবে সেটা বাস্তবায়ন হবে?</em></p><p><strong>রেহান আসিফ আসাদ: </strong>ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনের একটি বড় দুর্বলতা হলো, সরকারের কাছে থাকা তথ্যের যথাযথ ব্যবহার হচ্ছে না। প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও সমন্বয় করা গেলে সিদ্ধান্ত নেওয়া অনেক সহজ হবে। এ জন্য আমরা ই-গভর্ন্যান্স ও ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার (ডিপিআই) নিয়ে কাজ করছি। চেষ্টা করছি, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে জিওগ্রাফিক্যাল কোড ব্যবহার করে এমন একটি ড্যাশবোর্ড তৈরি করতে, যেখানে সরকারি প্রকল্পের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অগ্রগতি দেখা যাবে। কোন প্রকল্পে কত টাকা বরাদ্দ হয়েছে, কত খরচ হয়েছে, কাজ কত দূর এগিয়েছে, কোন এলাকায় উন্নয়নের সুফল পৌঁছাচ্ছে—এসব তথ্য সেখানে থাকবে। এর মাধ্যমে সরকার উন্নয়নের সুফল মানুষের কাছে সমানভাবে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা করতে পারবে।</p><p>ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন মানে শুধু অনলাইনে আবেদন করার ব্যবস্থা তৈরি করা নয়। নাগরিককে যেন একই তথ্য বারবার দিতে না হয়, এক দপ্তরের তথ্য যাচাই করতে অন্য দপ্তরে ঘুরতে না হয় এবং সরকারি সেবা পেতে অপ্রয়োজনীয় সময় ও অর্থ ব্যয় করতে না হয়। আমরা সেই পরিবর্তন আনতে চাই।</p><p><em>সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে নাগরিকদের বিপুল পরিমাণে তথ্য জমা হচ্ছে, কিন্তু বারবার তথ্য ফাঁসের ঘটনা ঘটছে। সম্প্রতি প্রথম আলো অনুসন্ধান করে দেখিয়েছে, সরকারের একজন মন্ত্রীও এই ঘটনার শিকার। এই বিষয়ে কী বলবেন?</em></p><p><strong>রেহান আসিফ আসাদ:</strong> একটা দেশ ও তার নাগরিকের জন্য ব্যক্তিগত স্পর্শকাতর তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে আমরা যত সংযোগপূর্ণ ও এআই-পরিচালিত বিশ্বের দিকে যাব, তথ্যের সুরক্ষা তত বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। এ ক্ষেত্রে সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্য সুরক্ষা সর্বোচ্চ মাত্রায় বাস্তবায়ন করা দরকার। এ ক্ষেত্রে নিরাপত্তার কিছু ফাঁকফোকর চিহ্নিত করে তা দূর করা হয়েছে। তবে সব জায়গায় আরও কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে।</p><p>সাইবার সুরক্ষার ক্ষেত্রে আমার তিনটি পর্যবেক্ষণ রয়েছে। জ্ঞান ও সক্ষমতা অনুযায়ী ডেটা নিরাপদ রাখা প্রত্যেক নাগরিকের নিজস্ব দায়িত্ব। প্রতিষ্ঠানগুলোর কথা বললে ব্যাংক ও টেলিফোন খাত অন্যান্য খাতের তুলনায় কিছুটা নিরাপদ। ই-কমার্স বা বেসরকারি খাতের ডেটাবেজগুলোতে আমাদের আরও অনেক উন্নতি করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকা সবচেয়ে বড়। গত এপ্রিলে জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা আইন পাস হয়েছে এবং সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি কাজ শুরু করেছে। সাইবার নিরাপত্তার অবকাঠামো, টুলস ও ফাউন্ডেশনাল মেকানিজম নিয়ে কাজ চলছে।</p><p><em>বাংলাদেশ ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। টেলিকম ব্যবসা খুব সহজ। কিন্তু সেবার মান নিয়ে গ্রাহক সন্তুষ্ট নন। টেলিযোগাযোগ খাতে করও অনেক বেশি। আবার কর কমালেও গ্রাহক তার সুফল পান না। দুটোর সমন্বয় করবেন কীভাবে?</em></p><p><strong>রেহান আসিফ আসাদ:</strong> আমাদের এখানে জিডিপি-কর অনুপাত পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে কম পর্যায়ের—৬ দশমিক ৫ শতাংশ। এটা বড় উদ্বেগের বিষয়। একটি দেশের জন্য জিডিপি–করের অনুপাত অন্তত ১২ শতাংশ হওয়া উচিত। আমরা এমনভাবে কর কমানোর চেষ্টা করছি, যাতে দীর্ঘ মেয়াদে রাজস্ব বাড়ে। উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি, মোবাইল ফোন উৎপাদনের ক্ষেত্রে আগে শুল্ক ছিল ২৬–২৮ শতাংশ। আমরা তা কমিয়ে সর্বোচ্চ ২ দশমিক ৫ শতাংশ করেছি। এতে শুরুতে রাজস্ব কমলেও গত তিন মাসে স্যামসাং, সিম্ফনি, ভিভো, অপো, টেকনো ও ওয়ালটনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদন বেড়েছে। আইফোন ছাড়া দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ মোবাইল ফোনের চাহিদা এখন দেশে উৎপাদিত ফোন দিয়েই মেটানো হচ্ছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হচ্ছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে রপ্তানি শুরুর লক্ষ্য নিয়েও আমরা কাজ করছি।</p><p>মোবাইল অপারেটরদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সিম করও কমানো হয়েছে। টেলিটক ও বাংলালিংক তাদের নতুন প্যাকেজে সিমের দাম কমিয়েছে। অন্য অপারেটরদের সঙ্গেও এ বিষয়ে আলোচনা করেছি। সরকার তার প্রতিশ্রুতি রেখেছে; এখন অপারেটররা গ্রাহকদের কতটা সুবিধা দিচ্ছে, তা নিশ্চিত করতে হবে। মন্ত্রণালয় সরাসরি সেবার মূল্য নির্ধারণ করতে পারে না, এটি বিটিআরসির এখতিয়ার। আমরা বিটিআরসির চেয়ারম্যান ও অপারেটরদের সঙ্গে কথা বলেছি। গ্রাহকেরা যাতে কর কমানোর প্রকৃত সুফল পান, সেটি পর্যবেক্ষণ করা হবে।</p><p><em>ফোনের দাম কিন্তু কমছে না। বিটিআরসি ২০২৯ সালের মধ্যে টু–জি সেবা বন্ধের পরিকল্পনা করেছে। তাহলে যে ৬ কোটি মানুষ ফিচার ফোন ব্যবহার করে, তাদের কী হবে? </em></p><p><strong>রেহান আসিফ আসাদ:</strong> কাজটা কঠিন, সন্দেহ নেই। তবে শুরু থেকেই এটি আমার অন্যতম অগ্রাধিকার ছিল এবং থাকবে। দেশে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সাড়ে পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকায় ফোর–জি ফোন তৈরি করছে। এখন বিশ্বজুড়ে মেমোরি চিপ, সিপিইউ ও জিপিইউর দাম বাড়ছে, সরবরাহেও সংকট রয়েছে। আগে যে চিপ তিন মাসে পাওয়া যেত, এখন তা পেতে ৬ থেকে ১২ মাস লাগছে। চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান রাতারাতি দূর হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে দেশেই পিসিবি বোর্ডের নকশা ও উৎপাদন করতে পারলে চিপের বাইরের বাকি ৭০ শতাংশ খরচের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা সম্ভব।</p><p>টু–জি ফোন দিয়ে ডিজিটাল প্রযুক্তির সুফল দেওয়া সম্ভব নয়। ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের হাতেও ফোর–জি পৌঁছে দিতে হবে। তা না হলে তাঁরা এআই, ক্লাউড ও সফটওয়্যারভিত্তিক সেবার সুফল পাবেন না। কাজটি চ্যালেঞ্জিং হলেও দেশের স্বার্থে এটি করতে হবে।</p><p><em>রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারেটর টেলিটকের নেটওয়ার্কের মান, গ্রাহকসেবা ও বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে গেছে। এত দিনেও টেলিটক ঘুরে দাঁড়াতে পারল না কেন?</em></p><p><strong>রেহান আসিফ আসাদ: </strong>টেলিটকের মাসিক আয় বাড়ছে। তবে টেলিটকের মূল সমস্যা নেটওয়ার্কের পরিধি ও মান নিয়ে। দেশের বেসরকারি মোবাইল অপারেটরগুলোর সেল টাওয়ারের সংখ্যা ১৮–২০ হাজার। অন্যদিকে টেলিটকের রয়েছে ছয় হাজারের মতো। এই ব্যবধান নিয়ে টেলিটকের পক্ষে বেসরকারি অপারেটরগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা কঠিন। টেলিটকের নতুন দুই হাজার সেল টাওয়ার স্থাপনের কাজ চলছে, যা আগামী জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা। ব্যবধান কমাতে নেটওয়ার্ক ভাগাভাগির মাধ্যমে কাভারেজ বাড়ানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোথাও নতুন টাওয়ার নির্মাণ, কোথাও নেটওয়ার্ক ভাগাভাগি, কোথাও স্পেকট্রাম ব্যবহারের মাধ্যমে সেবার মান বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে টেলিটকের নেটওয়ার্ক কাভারেজ ও সেবার মান উন্নত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><p><em>আপনি সার্বভৌম এআইয়ের কথা বলছেন। সেটা কী?</em></p><p><strong>রেহান আসিফ আসাদ:</strong> সার্বভৌম এআইয়ের মূল কথা হলো দেশের নাগরিকদের তথ্য, ডেটা ও নাগরিক সেবার ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। এআই প্রযুক্তির সুফল যেন সমাজের নির্দিষ্ট কোনো শ্রেণির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং সাধারণ কৃষক থেকে শুরু করে রিকশাচালকের সন্তান পর্যন্ত সবাই পায়, তা নিশ্চিত করা। এ জন্য দেশে নিজস্ব এআই অবকাঠামো গড়ে তোলা প্রয়োজন। প্রসেসিং চিপের মতো কিছু প্রযুক্তি বিদেশ থেকে আনতে হলেও সার্ভার, র্যাকসহ প্রয়োজনীয় কম্পিউটিং অবকাঠামো দেশে স্থাপন করা হবে। এ লক্ষ্যে কালিয়াকৈর হাইটেক পার্কের জাতীয় ডেটা সেন্টারে ১০ হাজার বর্গফুট জায়গা বরাদ্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি সারা দেশে ৮টি নোড ও ১৬টি সিআরএস স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।</p><p>একই সঙ্গে বাংলা ভাষায় এআইয়ের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এ জন্য বাংলা লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (এলএলএম) উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে যুক্ত করে গবেষণা ও উন্নয়নের একটি কার্যকর পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। সক্ষমতা বাড়াতে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তিগত সহযোগিতাও নেওয়া হবে। দ্রুত সময়ে এআই নীতিমালাও চূড়ান্ত করা হবে।</p><p><strong> </strong><em>এই সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদের শেষে বাংলাদেশের ডিজিটাল সেবা, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তি খাতকে আপনি কোথায় দেখতে চান?</em></p><p><strong>রেহান আসিফ আসাদ:</strong> আমাদের অগ্রাধিকার হলো টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে একটা ভিত্তি তৈরি করে দেওয়া। সরকার পরিবর্তন হবে, রাজনৈতিক দল আসবে–যাবে; কিন্তু আমরা যদি এখনই প্রয়োজনীয় কাঠামো ও ভিত্তি তৈরি করে দিতে পারি, তাহলে তা সব সময় কাজে লাগবে।</p><p>আমি বিশ্বাস করি, ডিভাইস, সেমিকন্ডাক্টর ও ইলেকট্রনিকস উৎপাদন আমাদের অর্থনীতির জন্য বড় সম্ভাবনার একটি খাত। ১০ বছর আগেও ভিয়েতনামের ইলেকট্রনিকস রপ্তানি ছিল ১ বিলিয়ন ডলার। গত বছর তা বেড়ে ২১৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। ভিয়েতনাম পারলে বাংলাদেশ কেন সেই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারবে না?</p>
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে পরাজয়ের কারণ হিসেবে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রসঙ্গ আবার সামনে আনলেন ট্রাম্প। এদিকে সেনেটের দুটি আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের কারণে ফল আসতে দেরি হতে পারে। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...
সেনেট ও হাউস দু্ই জায়গাতেই ডেমোক্র্যাট দল বিজয়ী হয়েছে, তাই ট্রাম্পের বাকি মেয়াদের জন্য কংগ্রেসের উচ্চ ও নিম্নকক্ষের নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধই ছিল তাদের দলের পরাজয়ের প্রধান কারণ, রিপাবলিকানদের মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারের পর দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এ কথা লিখেছেন।
পহেলা ডিসেম্বর থেকে শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি কাঠামো কার্যকর হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মজুরি বোর্ডের সদস্যরা, যদিও মজুরি কাঠামো এখনো নির্ধারিত হয়নি। অন্যদিকে আগামী পহেলা ডিসেম্বর থেকে এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থীদের আবার ওই দুই বিষয়ের ওপর পরীক্ষা হবে।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক বড় পরিবর্তন এনেছে। বিবিসি সাংবাদিকরা ব্যাখ্যা করছেন, ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত থেকে শুরু করে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক পর্যন্ত - এই ফলাফল বাকি বিশ্বের জন্য কী অর্থ বহন করে।
সন্দেহ, অবিশ্বাস এবং অনেক প্রশ্ন ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা নিয়ে। তিনি কীভাবে, কোন প্রক্রিয়ায় ফিরতে চান, বিষয়টিতে তার নিজের নিয়ন্ত্রণ কতটা থাকছে, এটি ভারতসহ ভূ-রাজনীতিরও কোনো বিষয় হচ্ছে কি না- এ ধরনের অনেক প্রশ্ন রয়েছে বাংলাদেশের রাজনীতিতে।
ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকার পাতাজুড়ে পোশাকখাতের শ্রমিকদের আন্দোলন, ডিসেম্বর থেকে তাদের নতুন মজুরি কার্যকরের প্রতিশ্রুতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দলের হোঁচট খাওয়ার খবর গুরুত্ব পেয়েছে।
পুলিশ বলছে, 'অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি' এড়াতে তাদের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও রাজীব ঘোষকে গাড়ীতে ওঠানোর সময় উপস্থিত ছিলেন টেলিভিশন চ্যানেলটির এমন কয়েকজন সংবাদকর্মী বলেছেন, অফিসের ভেতরে কোনও ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তাদের চোখে পড়েনি।
ন্যুনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে পঞ্চম দিনের মতো বিক্ষোভ করেছেন পোশাক শ্রমিকরা। অন্যদিকে চলমান শ্রমিক অসন্তোষের মাঝে নবগঠিত মজুরি বোর্ড বুধবার জানিয়েছে, পোশাক শ্রমিকদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো আগামী ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে।
এরপর কারখানা থেকে বেরিয়ে অন্যান্য কারখানার প্রধান ফটকের সামনে জড়ো হয়ে অন্য শ্রমিকদেরও বেরিয়ে আসতে বাধ্য করেন। একপর্যায়ে আশপাশের কারখানাগুলো সাধারণ ছুটি ঘোষণা করলে শতাধিক কারখানার শ্রমিক রাস্তায় নেমে আসেন।
স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রথম ধাপের তফসিল ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে ঘোষণা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ঋত্বিক ঘটক—নামটি উচ্চারণ করলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে এক বিষণ্ন বাংলার ছবি। দূরে মেঘ জমে, নদীর বুকে নেমে আসে ধূসর সন্ধ্যা, আর বাতাসে ভেসে বেড়ায় হারিয়ে যাওয়া কোনো ঠিকানার দীর্ঘশ্বাস।
চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে সিটি ব্যাংকের কর-পরবর্তী মুনাফা (প্রফিট আফটার ট্যাক্স) বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ।
পোশাক কারখানাসহ শিল্পাঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতে ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে ৩৩ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন রয়েছে।
পরবর্তী সময়ে ২০১৮ সালে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে সিনথীকে বিয়ে করেন ইমন। দ্বিতীয় স্ত্রী সিনথীকে নিয়ে তিনি টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকায় একটি ভাড়া ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। আর শিশু সাইফ (১০) থাকত তার দাদার কাছে।
মনোভাব পরিবর্তনের সেই ব্যাপারটি মনে আছে? ঠিক গত বছরই কলামনিস্ট থেকে শুরু করে কর্পোরেট কর্মকর্তারা পর্যন্ত ঘোষণা দিয়েছিলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয়বার প্রত্যাবর্তনের মানে হলো রাজনীতি এমনকি দৈনন্দিন ভদ্রতার পুরোনো সব নিয়ম অর্থহীন হয়ে যাওয়া।
বাংলার প্রকৃতি যখন শীতের আগমনী সুরে মুখর, এমনই এক সময়ে জন্ম নিয়েছিলেন উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা চিত্তরঞ্জন দাস। আজ ৫ নভেম্বর তার জন্মদিন। মানুষের ভালোবাসায় তিনি অমর হয়ে আছেন ‘দেশবন্ধু’ উপাধিতে।