<p>আর্জেন্টিনার ১০ নম্বর জার্সিতে লিওনেল মেসির উত্তরসূরি কে? এমিলিয়ানো মার্তিনেজের চোখে নিকো পাজ।</p><p>কোমোর এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারকে মেসির জার্সির উত্তরসূরি ভাবা হচ্ছে আগে থেকেই। মার্তিনেজ শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে একটি প্রশ্ন রেখে সবার সেই ভাবনাকেই আরও একধাপ এগিয়ে দিলেন। বাংলাদেশ সময় গতকাল সকালে বলিভিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনার ৪–০ গোলের জয়ে দারুণ খেলেন পাজ। দুর্দান্ত চিপে গোল করানোর পাশাপাশি সেট পিস থেকেও গোল করান। এই ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেরই এক পোস্টের মন্তব্যে পাজকে নিয়ে মার্তিনেজ প্রশ্ন রাখেন, ‘নতুন ১০ নম্বর?’</p><p>উত্তর দেওয়ার দায়িত্ব আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ)। আগামী বুধবার বেনিনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার শেষ প্রীতি ম্যাচটি খেলে মেসি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় দলের জার্সি তুলে রাখার পর হয়তো মার্তিনেজের এই প্রশ্নের উত্তর মিলবে। তবে পাজ জার্সিটি পরার যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন এরই মধ্যে। শুধু প্রতিভায়ই নয়, সৌভাগ্যও তাঁর সঙ্গী হয়েছে।</p><figure><blockquote><p lang="es" dir="ltr">Nico Paz vs Bolivia. <a href="https://t.co/Bsa5TcIwie">pic.twitter.com/Bsa5TcIwie</a></p>— Sudanalytics (@sudanalytics_) <a href="https://x.com/sudanalytics_/status/2105496605789233610?ref_src=twsrc%5Etfw">October 1, 2026</a></blockquote> </figure><p>২০২৪ সালের এই অক্টোবরেই আর্জেন্টিনার জার্সিতে অভিষেক পাজের। জাতীয় দলের হয়ে এ পর্যন্ত ১২ ম্যাচ খেলে জিতেছেন সব কটিতেই। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের ইতিহাসে অভিষেকের পর এটাই কোনো খেলোয়াড়ের টানা সর্বোচ্চ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড।</p><p>দেশটির ক্রীড়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এল গ্রাফিকো জানিয়েছে, আর্জেন্টিনার হয়ে অতীতে খেলা ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি ফুটবলারের মধ্যে পাজ এই তালিকায় শীর্ষে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/7bm96pydi8">নতুন যুগে আর্জেন্টিনার চার গোলে মেসি হয়ে উঠলেন নিকো পাজ</a></aside><p>পাজের এ জয়যাত্রার শুরুও বলিভিয়ার বিপক্ষেই। সেটা ২০২৪ সালের ১৫ অক্টোবর বিশ্বকাপ বাছাইয়ে লাতিন দলটির বিপক্ষে ৬–০ গোলের জয়ে। জিততে জিততে এই পথে ভেঙেছেন গ্যাব্রিয়েল মেরকাদোর রেকর্ড। ৩৯ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন এই ডিফেন্ডার জাতীয় দলে অভিষেক থেকে জেতেন প্রথম ৯ ম্যাচ। প্রথম ৮ ম্যাচ জিতে মেরকাদোর পরেই আছেন হোসে ম্যানুয়েল লোপেজ। ‘ফ্লাকো’ লোপেজ নামে পরিচিতি পাওয়া পালমেইরাসের এ স্ট্রাইকার গতকাল বলিভিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের শেষ গোলটি করেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-02/311k858o/573801_01_02.jpg"><figcaption>অভিষেকের পর থেকেই নজর কাড়ছেন নিকো পাজ। গতকাল বলিভিয়া ম্যাচে</figcaption></figure><p>আর্জেন্টিনার জার্সিতে অভিষেক থেকে প্রথম সাত ম্যাচজয়ী খেলোয়াড় আছেন কয়েকজন—নাতালিও পেসকিয়া (১৯৪৬–১৯৫৪), ফেদেরিকো ভাইরো (১৯৫৫–১৯৫৮), মারিও বোলাত্তি (২০০৯–২০১১) ও আলেহান্দ্রো গারনাচো।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/hdfjjqjbsr">এই রোনালদোকে কি আসলেই পর্তুগালের প্রয়োজন</a></aside>
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখে প্রায় তিন মাস পর নিখোঁজ স্ত্রী আলেয়া বেগমকে সিঙ্গাইরের গোবিন্দল থেকে খুঁজে পেলেন স্বামী আলী হোসেন।
যুক্তরাষ্ট্র–সংশ্লিষ্ট স্থাপনার বাইরেও যেসব দেশ মার্কিন অভিযানকে সমর্থন করে, সেসব দেশে হামলার বিষয় বিবেচনা করছে ইরান। এমনকি মধ্যপ্রাচ্যের বাইরের কিছু স্থানও লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় থাকতে পারে।
রাজধানীর আলোকি কনভেনশন সেন্টারে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী লাইফস্টাইল এক্সিবিশন ‘IDLC পূর্ণতা উৎসব ft আড্ডা চলে’। দেশের ১০২টি সৃজনশীল উদ্যোগের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই উৎসব শুধু কেনাকাটার আয়োজন নয়; বরং উদ্যোক্তা, ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের নিয়ে তৈরি হয়েছে আড্ডা, বিনোদন ও দেশীয় সৃজনশীলতার এক মিলনমেলা।
আটক মোমিন নগরের দক্ষিণ ঠাকুরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা ও ডাকাতির প্রস্তুতিসহ পাঁচটির বেশি মামলা থাকার কথা জানিয়েছে এসআরবি।
গত ৮ আগস্ট ২০২৬-এ তিনজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীকে ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেপালে যেতে বাধা দেওয়ার খবরটি পড়ে। ভ্রমণের অনুমতি না দেওয়ার কারণ হিসেবে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তাঁরা অবিবাহিত নারী!
<p>‘আর এগোনো যাবে না,’ বলল রফিক আহমেদ।</p><p>স্কাউট কারের ইঞ্জিন বন্ধ করল সে। শুক্র গ্রহের দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি পৌঁছে গেছে ওরা। সামনে ওদের খাড়া উঠে গেছে সুউচ্চ এক পাহাড়। পাথুরে পাহাড় বাইতে পারবে না স্কাউট কার।</p><p>‘পেছাতে হবে আমাদের।’ রফিক বলল সঙ্গীদের।</p><p>সঙ্গীরা হলো তিনজন বিজ্ঞানী। শুক্র গ্রহের দক্ষিণ মেরুতে গবেষণা করতে এসেছে। পিছু হটতে মোটেও আগ্রহী নয় তারা। বরকত বিনকিউলার ভেদ করে সতর্ক দৃষ্টিতে নিরিখ করল পাহাড়টা।</p><p>‘দেখো!’ বলে উঠল। ‘দেখতে পাচ্ছ?’</p><p>নিজের বিনকিউলারে চোখ রাখল জব্বার আর সালাম।</p><p>‘কোনো এক সময় পাহাড় থেকে পানির ঢল নামত,’ বলল বরকত। ‘আমরা শুকনো এক জলপ্রপাত দেখতে পাচ্ছি। বলেছিলাম না, এ গ্রহে নদী আছে?’ ভয়ানক উত্তেজিত সে।</p><p>‘নদী থাকে কীভাবে?’ প্রশ্ন করে রফিক। ‘শুক্র গ্রহে পানি নেই। এতই গরম এখানে, বৃষ্টি পড়তে পারে না। পানি থাকার প্রশ্নই ওঠে না।’</p><p>‘কিন্তু এখানে, দক্ষিণ মেরুর কাছে তো বেশ ঠান্ডা। আর পাহাড়ের মাথায় নিশ্চয়ই আরও ঠান্ডা হবে। ওখানে দেখা যাবে উল্টো। ঠান্ডার চোটে বৃষ্টি পড়ে না। মেরুতে গিয়ে দেখি না কেন আমরা?’</p><p>‘কী দরকার?’ জবাব চায় রফিক।</p><p>‘ওখানে যদি পানি থাকে,’ বলে বরকত, ‘পানিতে প্রাণের সন্ধানও মিলবে। ওদিকটায় হ্রদটদ আছে কি না, দেখতে চাই আমি।’</p><p>‘কিন্তু এই গাড়ি নিয়ে ওখানে উঠবে কী করে?’ বলে রফিক।</p><p>‘গাড়ি নেব কেন, চড়াই বেয়ে উঠব,’ বলে বরকত। ‘দেখো, খুব একটা কষ্ট হবে না।’</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/sciencefiction/rg1ouxo5ab">নীল রঙের সেই বোতল</a></aside><blockquote>‘কোনো এক সময় পাহাড় থেকে পানির ঢল নামত,’ বলল বরকত। ‘আমরা শুকনো এক জলপ্রপাত দেখতে পাচ্ছি। বলেছিলাম না, এ গ্রহে নদী আছে?’ ভয়ানক উত্তেজিত সে।</blockquote><p>জব্বার আর সালাম পেছনে রইল। পাহাড়চূড়ার উদ্দেশে রওনা দিল রফিক আর বরকত। বড় কষ্টকর যাত্রা। বাইরে তাপমাত্রা ২৩০ ডিগ্রি। হিমায়িত স্পেসস্যুট পরতে বাধ্য হয়েছে ওরা এবং সেই সঙ্গে বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতিও বহন করছে। ফলে ওজন সহজেই কাহিল করে দিচ্ছে ওদের।</p><p>যতই চড়াই বাইছে, গ্রহের সবুজ আলো চারদিকে জাল বিস্তার করে চলেছে। পাহাড়চূড়ায় মাটি সমতল, লক্ষ করল ওরা। আবিষ্কার করল শুকনো নদীর চিহ্ন। হাঁটছে তো হাঁটছেই। কেমন গা–ছমছমে পরিবেশ। রফিক একটু একটু ভয় পেতে শুরু করেছে, কিন্তু বরকতের উৎসাহের কমতি নেই। মাঝেমধ্যে থেমে পড়ে পাথরের নমুনা সংগ্রহ করছে সে।</p><p>‘ক্রমেই ঠান্ডাটা বাড়ছে,’ বলল বরকত। ‘আমার ইনস্ট্রুমেন্ট বলছে, বাতাসে অক্সিজেন আছে।’</p><p>‘তাতে তী হলো?’</p><p>‘তাতে হলো এই, এখানে গাছপালা থাকতে বাধ্য,’ ব্যাখ্যা করে বোঝাল বরকত। ‘গাছপালা অক্সিজেন তৈরি করে। তার অর্থ শুক্র গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব আছে। মৃত গ্রহ নয় এটা।’</p><p>হেঁটে চলল দুজনে। একটু পরই সামনে একটা হ্রদ দেখতে পেল। কালো আয়নার মতো চকচকে দেখাচ্ছে সেটাকে। বরকত কয়েক ফোঁটা পানি সংগ্রহ করে মাইক্রোস্কোপে পরখ করল। কিন্তু ওতে প্রাণের দেখা পেল না সে।</p><p>আবার হাঁটার পালা। ক্রমেই মেজাজটা খিঁচড়ে উঠছে রফিকের। মোটেই জুত লাগছে না তার এখানে। সবুজ আলো আর কালো পানির হ্রদ কেমন ভুতুড়ে অনুভূতি ছড়াচ্ছে ওর মনে।</p><p>আচমকা থমকে দাঁড়াল বরকত।</p><p>‘কী হলো?’ প্রশ্ন করল রফিক।</p><p>‘পাথরটা দেখো,’ বলল বরকত। ‘বাড়ছে ওটা। বেড়ে উঠে কেমন নড়াচড়া করছে দেখেছ?’</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/sciencefiction/sagzifd04s">০৪.০৪.৩০০৪</a></aside><blockquote>যতই চড়াই বাইছে, গ্রহের সবুজ আলো চারদিকে জাল বিস্তার করে চলেছে। পাহাড়চূড়ায় মাটি সমতল, লক্ষ করল ওরা। আবিষ্কার করল শুকনো নদীর চিহ্ন। হাঁটছে তো হাঁটছেই। কেমন গা–ছমছমে পরিবেশ।</blockquote><p>রফিক লক্ষ করল। কালো অবয়বটা নড়ছে। এগিয়ে আসছে ওদের উদ্দেশে। বিনকিউলারে চোখ রেখে ঠায় দাঁড়িয়ে রয়েছে বরকত। পাথরটা ক্রমান্বয়ে এগিয়ে আসছে। আর যখন শ খানেক গজ দূরে, কথা বলে উঠল রফিক।</p><p>‘কী ওটা?’</p><p>‘আমার মনে হয়, কোনো ধরনের উদ্ভিদ হবে,’ জবাব দিল বরকত।</p><p>‘কিন্তু নড়ছে যে! গাছপালা নড়ে নাকি?’</p><p>‘নড়ে,’ বলল বরকত। ‘পৃথিবীতে এমনও উদ্ভিদ আছে, নড়াচড়া করে। কিন্তু খুবই ধীরে ধীরে, তাই বোঝা যায় না। এটা অনেক বেশি দ্রুত নড়ছে!’</p><p>কালো, পুরু, নরম কার্পেটের মতো দেখতে লাগছে উদ্ভিদটাকে। নিঃশব্দে ওদের দিকে এগোচ্ছে ওটা। তারপর একটা সময়, ১০ ফুটের মতো ফারাক রেখে থেমে গেল। এবার সামনে পা বাড়াল বরকত। অমনি পেছনে সরে গেল আজব উদ্ভিদটা।</p><p>‘আমাদের স্পেসস্যুটের তাপ টের পাচ্ছে ওটা,’ বলল বরকত। টর্চ বের করল সে। ‘দেখি তো, জিনিসটা আলো অনুভব করে কি না।’</p><p>সে টর্চ জ্বালতে দুজনই বিস্ময়ে চিৎকার করে উঠল। শুক্র গ্রহের সবুজ আলোয় কুচকুচে কালো দেখিয়েছিল উদ্ভিদটাকে। কিন্তু এখন টর্চের সাদা আলো পড়তেই ওরা লক্ষ করল, জিনিসটার গায়ে আগুনে লাল আর সোনালির মিশেল। অপূর্ব সুন্দর এক গালিচা যেন।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/sciencefiction/3l7r1kr9jt">উড়োহুমকি</a></aside><blockquote>কালো, পুরু, নরম কার্পেটের মতো দেখতে লাগছে উদ্ভিদটাকে। নিঃশব্দে ওদের দিকে এগোচ্ছে ওটা। তারপর একটা সময়, ১০ ফুটের মতো ফারাক রেখে থেমে গেল। এবার সামনে পা বাড়াল বরকত।</blockquote><p>বরকত কাছ থেকে খুঁটিয়ে নিরিখ করতে চাইল ওটাকে। উদ্ভিদের অল্প একটু অংশ কেটে নেওয়ারও চেষ্টা করল সে। কিন্তু ওটাকে কায়দা করা কঠিন হলো। তবে শেষমেশ একটা টুকরা ঠিকই কেটে নেওয়া গেল। এরপর আবারও পাথরের কিছু নমুনা সংগ্রহ করল সে। কাজের ধকলে দুজন হাঁপিয়ে উঠল ভারী স্পেসস্যুটের ভেতর।</p><p>খানিক বিশ্রাম নেবে, ঠিক করল ওরা। খিদে-তেষ্টায় কাহিল দশা। ছোট তাঁবুটা খাটিয়ে, কিছু মুখে দিয়ে ভেতরে সটান হলো। দুজনই ভয়ানক উত্তেজিত। সবাই বলেছিল, ভেনাস ‘মৃত গ্রহ’। কিন্তু কোথায়? দিব্যি প্রাণ আবিষ্কার করে বসে আছে ওরা। ভেনাসেরও জীবন আছে পৃথিবী আর মঙ্গল গ্রহের মতো।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-01/be5sq7uo/990e4f14_73cf_4b23_b7f8_1ea557bfc0d7.png"></figure><p>এবার ফেরার পালা। নিজেদের অভুক্ত আবর্জনা জড়ো করে একটা প্লাস্টিকের ব্যাগে পুরল ওরা। একটা গর্ত খুঁড়ে ব্যাগটা মাটিচাপা দিল। তারপর বেশ কিছু পাথর দিয়ে ঢেকে দিল মুখটা। এবার ফিরতি পথ ধরল। কিছু ঘণ্টা বাদে, স্কাউট কারের কাছে এসে পৌঁছাল। ইতিমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে, শিগগিরই আবার দক্ষিণ মেরু অভিযানে আসবে।</p><p>বেশ কিছুক্ষণ হ্রদের কাছে কোনো নড়াচড়া নেই। এবার আরেকটি উদ্ভিদের আগমন হলো। পাথর মাড়িয়ে এগোল ওটা। খাবারের খোঁজ করছে। টের পাচ্ছে, কিছু একটা আছে ওখানে, ওই পাথরখণ্ডগুলোর নিচে। একের পর এক পাথর সরিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে ওটা এবং অবশেষে পেয়েও গেল প্লাস্টিকের ব্যাগটা।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/sciencefiction/uzajhdphpo">বাগানবিলাস</a></aside><blockquote>এবার ফেরার পালা। নিজেদের অভুক্ত আবর্জনা জড়ো করে একটা প্লাস্টিকের ব্যাগে পুরল ওরা। একটা গর্ত খুঁড়ে ব্যাগটা মাটিচাপা দিল। তারপর বেশ কিছু পাথর দিয়ে ঢেকে দিল মুখটা।</blockquote><p>ব্যাগটা সহজেই খুলে ফেলে, ভেতরের আবর্জনা গিলে ফেলল উদ্ভিদটা এবং জঞ্জালের সঙ্গে সঙ্গে বেশ কিছু ছোট জীবন্ত প্রাণীও চলে গেল ওর পেটে। পৃথিবীর বুকে, খুদে যেসব প্রাণী রোগবালাইয়ের জন্য দায়ী, সেগুলো গলাধঃকরণ করেছে ওটা। মানুষ এদের ব্যাকটেরিয়া আর ভাইরাস নামে চেনে। ওদের বেশ অনেকগুলো তখনো বেঁচেবর্তে ছিল অভুক্ত খাবারের ভেতর।</p><p>উদ্ভট উদ্ভিদটা এবার ধীরে ধীরে ফিরে চলল হ্রদের উদ্দেশে এবং পেটে করে বয়ে নিয়ে গেল রোগজীবাণু, শুক্র গ্রহের সমস্ত প্রাণ একদিন যারা ধ্বংস করে ছাড়বে। রফিক আর বরকত জানল না, তারা কী কাজটাই না করেছে। ভেনাসে প্রাণের অস্তিত্ব বিলোপের জন্য ওরাই দায়ী। আবারও মৃত গ্রহে পরিণত হবে শুক্র।</p><h4><em>বিদেশি গল্প অবলম্বনে</em></h4><h4>*লেখাটি ২০২৬ সালে বিজ্ঞানচিন্তায় মে সংখ্যায় প্রকাশিত</h4><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/sciencefiction/3keei9hpsk">সময়</a></aside>
এ কথা জিজ্ঞাসা করতেই ইসমাইল কনস্টেবল শফিকের ওপর চড়াও হন। পুলিশ পরিচয় দেওয়ার পরও তাঁকে মারধর করা হয়। এরপর থানায় থাকা পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন।
<figure></figure>
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন