কলাম

ব্যক্তিস্বাধীনতা ও রাষ্ট্রের খবরদারি

অক্টোবর ২, ২০২৬
ব্যক্তিস্বাধীনতা ও রাষ্ট্রের খবরদারি
ব্যক্তিস্বাধীনতা ও রাষ্ট্রের খবরদারি
গত ৮ আগস্ট ২০২৬-এ তিনজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীকে ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেপালে যেতে বাধা দেওয়ার খবরটি পড়ে। ভ্রমণের অনুমতি না দেওয়ার কারণ হিসেবে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তাঁরা অবিবাহিত নারী!

Prothomalo

View more
চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি বিদেশি অপারেটর দিয়ে পরিচালনার রেয়াতি চুক্তির খসড়া অনুমোদন
চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি বিদেশি অপারেটর দিয়ে পরিচালনার রেয়াতি চুক্তির খসড়া অনুমোদন

<p>চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ১৫ বছরের জন্য বিদেশি অপারেটরের মাধ্যমে পরিচালনার জন্য রেয়াতি চুক্তির খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ-বিষয়ক প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।</p><p>নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ‘অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স অব সিপিএস নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল, ইনক্লুডিং ওভারফ্লো কনটেইনার ইয়ার্ড’ শীর্ষক পিপিপি প্রকল্পের আওতায় প্রস্তাবটি উত্থাপন করে। প্রস্তাব অনুযায়ী, এনসিটি ও এর সঙ্গে যুক্ত ওভারফ্লো কনটেইনার ইয়ার্ড ১৫ বছরের জন্য পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হবে বিদেশি একটি প্রতিষ্ঠানের হাতে। এ জন্য যে রেয়াতি বা কনসেশন চুক্তি সই হবে, তার খসড়া মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়।</p><p>মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদিত প্রস্তাবে এনসিটি পরিচালনায় বিদেশি কোন প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হবে, তার নাম উল্লেখ করা হয়নি। তবে টার্মিনালটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পিপিপি ও জিটুজি কাঠামোয় এ প্রক্রিয়া শুরু হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তা দর-কষাকষির পর্যায়ে পৌঁছালেও শ্রমিক আন্দোলন ও আলোচনা কমিটির সদস্যদের আপত্তির কারণে গত ফেব্রুয়ারিতে প্রক্রিয়াটি স্থগিত হয়ে যায়। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আবার সেই আলোচনা শুরু হয়। গত জুনে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে দর-কষাকষি চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়।</p><p>চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ থেকে কনটেইনার ওঠানো-নামানোর চারটি প্রধান টার্মিনালের মধ্যে এনসিটি সবচেয়ে বড়। গত অর্থবছরে এই টার্মিনাল দিয়ে প্রায় ১৩ লাখ ৮৫ হাজার একক কনটেইনার ওঠানো-নামানো হয়েছে। এটি বন্দরের মোট কনটেইনার পরিবহনের প্রায় ৪৪ শতাংশ।</p><p>এনসিটি বর্তমানে বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত চিটাগং ড্রাই ডক লিমিটেডের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। বিদেশি অপারেটরের কাছে হস্তান্তর না হওয়া পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি টার্মিনাল পরিচালনা করবে।</p><p>বন্দরের অন্য তিনটি টার্মিনালের মধ্যে জেনারেল কার্গো বার্থ বা জিসিবি এবং চিটাগং কনটেইনার টার্মিনাল বা সিসিটি দেশীয় অপারেটররা পরিচালনা করছে। আর পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনা করছে সৌদি আরবের রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল ইন্টারন্যাশনাল বা আরএসজিটিআই।</p>

অক্টোবর ২, ২০২৬
চকরিয়ায় পাহাড় কেটে সড়ক
চকরিয়ায় পাহাড় কেটে সড়ক

হারবাং ছাড়াও চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের আরও তিনটি সংরক্ষিত বন এলাকায় সড়ক নির্মাণ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে বন বিভাগ।

অক্টোবর ২, ২০২৬
বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা
বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে হেনস্তার অভিযোগে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

অক্টোবর ২, ২০২৬
ডেঙ্গু রোগীর জ্বর কমার পর যে বিষয়গুলোয় সতর্কতা দরকার
ডেঙ্গু রোগীর জ্বর কমার পর যে বিষয়গুলোয় সতর্কতা দরকার

যেকোনো সংক্রমণ বা জ্বরে সবাই মনে করে, জ্বর কমেছে মানে রোগী সুস্থ হচ্ছে। ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে এটি বিপজ্জনক ভুল ধারণা।

অক্টোবর ২, ২০২৬
প্রাথমিকে বাদ পড়া অধিকাংশ শিক্ষকই নিয়োগ পেলেন, কেউ কেউ এখনো বঞ্চিত
প্রাথমিকে বাদ পড়া অধিকাংশ শিক্ষকই নিয়োগ পেলেন, কেউ কেউ এখনো বঞ্চিত

যোগদান করা নতুন শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে পদায়ন করা হবে ১১ অক্টোবর। এর আগে ঘোষণা করা হয়েছিল ৪ অক্টোবর পদায়ন করা হবে।

অক্টোবর ২, ২০২৬
বাদ পড়া ভোটারদের ফেরাচ্ছে ইসি, তাহলে বিজেপিকে জেতাতেই এত কিছু করলেন জ্ঞানেশ
বাদ পড়া ভোটারদের ফেরাচ্ছে ইসি, তাহলে বিজেপিকে জেতাতেই এত কিছু করলেন জ্ঞানেশ

ভারতে এসআইআরের নামে নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই ২০ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম কেটে দিয়েছে।

অক্টোবর ২, ২০২৬
চুয়েটে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত, ছুটির দিনেও বিক্ষোভ মিছিল
চুয়েটে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত, ছুটির দিনেও বিক্ষোভ মিছিল

বেলা আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র–শিক্ষক মিলনায়তনের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। পরে মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে প্রধান ফটকে এসে শেষ হয়।

অক্টোবর ২, ২০২৬
বালিতে দুর্ঘটনায় আহত অভিনেত্রী নুসরাত, মেরুদণ্ডের হাড়ে ভাঙন
বালিতে দুর্ঘটনায় আহত অভিনেত্রী নুসরাত, মেরুদণ্ডের হাড়ে ভাঙন

<p>ইন্দোনেশিয়ার বালিতে দুর্ঘটনায় মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙেছে বলিউড অভিনেত্রী নুসরাত ভারুচার। বর্তমানে সেখানকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। অস্ত্রোপচারের জন্য তাঁকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে মুম্বাইয়ে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।</p><p>প্রথম আলোর মুম্বাই প্রতিনিধিকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানিয়েছেন নুসরাতের জনসংযোগ কর্মকর্তা সঞ্চিতা ত্রিবেদী। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কাজ ও অবকাশযাপনের উদ্দেশ্যে বালিতে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। সেখানে দুর্ঘটনায় তাঁর মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে যায়। চিকিৎসকেরা আরও পরীক্ষা–নিরীক্ষা ও মূল্যায়নের পর তাঁর মেরুদণ্ডে অস্ত্রোপচার করবেন।</p><p>সঞ্চিতা ত্রিবেদী বিবৃতিতে বলেন, ‘এ মুহূর্তে আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার তাঁর স্বাস্থ্য এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা। বালি থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নুসরাতকে মুম্বাইয়ে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করছি আমরা। সেখানেই তাঁর অস্ত্রোপচার হবে।’<br>তবে দুর্ঘটনাটি কবে, কোথায় ও কীভাবে ঘটেছে, তা বিবৃতিতে জানানো হয়নি। মুম্বাইয়ে তাঁকে কবে আনা হবে কিংবা অস্ত্রোপচার কবে হবে, সে বিষয়েও নির্দিষ্ট কোনো সময় উল্লেখ করা হয়নি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2019/11/14/f6a39aca116356b97b194287ed55c6d0-5dccfc504a835.jpg"><figcaption>মারজাওয়া ছবির দৃশ্যে সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও নুসরাত ভারুচা</figcaption></figure><p>এর আগে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে নুসরাতের বালিতে আহত হওয়ার খবর প্রকাশিত হলেও আঘাতের ধরন সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। কোনো কোনো প্রতিবেদনে শুটিংয়ের সময় দুর্ঘটনার কথা বলা হয়েছিল। তবে প্রথম আলোকে পাঠানো তাঁর জনসংযোগ কর্মকর্তার বিবৃতিতে শুটিং সেটে আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি।</p><p>আঘাত ও অস্ত্রোপচারের কারণে সুস্থ হয়ে উঠতে নুসরাতের পর্যাপ্ত বিশ্রাম প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছে তাঁর জনসংযোগ দল। এ জন্য আগামী কয়েক সপ্তাহের কাজের সূচি প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে কোন কোন কাজ পিছিয়ে যেতে পারে বা তাঁকে কত দিন বিশ্রামে থাকতে হবে, তা এখনো জানানো হয়নি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-04-11/aiyepye0/chori-2.jpg"><figcaption>‘ছোরি ২’ সিনেমায় নুসরাত ভারুচা। অ্যামাজন প্রাইম ভিডিও </figcaption></figure><p>বিবৃতিতে অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতি সম্মান জানানোর অনুরোধও করা হয়েছে। চিকিৎসা ও সুস্থ হয়ে ওঠায় মনোযোগ দেওয়ার জন্য তাঁকে প্রয়োজনীয় সময় ও সুযোগ দিতে বলা হয়েছে। ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্বেগ এবং শুভকামনার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তাঁর জনসংযোগ দল বলেছে, উপযুক্ত সময়ে পরবর্তী তথ্য জানানো হবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-05/730b588c-fd50-4bb1-933c-185ff200dc3e/321646137_918270442995393_6344518708847987826_n.jpg"><figcaption>নুসরাত ভারুচা</figcaption></figure><p> সম্প্রতি রেমো ডিসুজা পরিচালিত ও টাইগার শ্রফ অভিনীত একটি অ্যাকশন ছবিতে নুসরাতের যুক্ত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে। বলিউড হাঙ্গামার প্রতিবেদন অনুযায়ী, নাম চূড়ান্ত না হওয়া ছবিটিতে পশমিনা রোশন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও এলভিশ যাদবও রয়েছেন। নুসরাতের চরিত্রের বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে বালি সফর বা দুর্ঘটনার সঙ্গে এই ছবির শুটিংয়ের কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা তাঁর জনসংযোগ কর্মকর্তার বিবৃতিতে উল্লেখ নেই।<br>২০০৬ সালে ‘জয় সন্তোষী মা’ দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় নুসরাতের। পরে ‘লাভ সেক্স অউর ধোঁকা’ ও ‘পেয়ার কা পঞ্চনামা’ তাঁকে পরিচিতি এনে দেয়। ‘পেয়ার কা পঞ্চনামা ২’ এবং ‘সোনু কে টিটু কি সুইটি’ তাঁর জনপ্রিয়তা আরও বাড়ায়।</p>

অক্টোবর ২, ২০২৬
পল্লী বিকাশ কেন্দ্রে ৫০ জনের চাকরি, স্থায়ী হলে বেতন ২৬,৬৮০ টাকা
পল্লী বিকাশ কেন্দ্রে ৫০ জনের চাকরি, স্থায়ী হলে বেতন ২৬,৬৮০ টাকা

<p>বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘পল্লী বিকাশ কেন্দ্র’ তাদের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ‘ট্রেইনি ফিল্ড অফিসার’ পদে ৫০ জন কর্মী নেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে ১৬ অক্টোবরের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/chakri-news/8vw2kejp2y">৪৯তম বিসিএসে পিএসসির সুপারিশের পরও বঞ্চনা: ৫৭ জনের দায় কে নেবে</a></aside><p><strong>সংক্ষিপ্ত তথ্য</strong></p><p>প্রতিষ্ঠানের নাম: পল্লী বিকাশ কেন্দ্র।</p><p>পদের নাম: ট্রেইনি ফিল্ড অফিসার (ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম)।</p><p>পদসংখ্যা: ৫০।</p><p>চাকরির ধরন: পূর্ণকালীন।</p><p>কর্মস্থল: বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে।</p><p>শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর বা সমমানের ডিগ্রি।</p><p>বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৩৫ বছর।</p><p>অভিজ্ঞতা: অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই। তবে প্রতিষ্ঠিত কোনো ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানে ঋণ কার্যক্রমে অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।</p><p>অন্যান্য দক্ষতা: ফিল্ড সুপারভিশন, কম্পিউটার ব্যবহার ও যোগাযোগের দক্ষতা থাকতে হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/higher-education/gjwt9jpkxk">বিশ্বের সেরা ১০০০ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেশের ৩ বেসরকারি ও এক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়</a></aside><p><strong>বেতন ও অন্যান্য সুবিধা</strong></p><p>অনভিজ্ঞ প্রার্থীদের প্রথম ৬ মাস শিক্ষানবিশকালে সর্বসাকুল্যে মাসিক বেতন ২০,০০০ টাকা। শিক্ষানবিশকালে কর্মদক্ষতা সন্তোষজনক হলে ‘ফিল্ড অফিসার’ পদে চাকরি স্থায়ী করা হবে। চাকরি স্থায়ীকরণ হলে লাঞ্চ ভাতাসহ মাসিক বেতন হবে ২৬,৬৮০ টাকা। এ ছাড়া মোবাইল ভাতা ও মোটরসাইকেল জ্বালানি ভাতা আলাদাভাবে প্রদান করা হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/7jftrhwpeh">পেট্রোবাংলার অধীনে ৯ ও ১০ গ্রেডে বড় নিয়োগ, পদ ৭৫৩</a></aside><p><strong>অন্যান্য সুবিধা</strong></p><p>চাকরি স্থায়ীকরণের পর সংস্থার নিয়মানুযায়ী বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট, উৎসব ভাতা, বৈশাখী ভাতা, কন্ট্রিবিউটরি প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্রাচ্যুইটি (১৫ বছরের ঊর্ধ্বে ৩টি), অর্জিত ছুটি নগদায়ন, কর্মী কল্যাণ তহবিল থেকে চিকিৎসা অনুদান, পদোন্নতির সুযোগ এবং মাতৃত্ব/পিতৃত্বকালীন ছুটি সুবিধা প্রদান করা হবে।</p><p><strong>আবেদনপ্রক্রিয়া ও সময়সীমা</strong></p><p><a href="https://hotjobs1.bdjobs.com/pally-bikash-kendra/pbk63a.html" target="_blank" rel="nofollow">বিজ্ঞপ্তির বিস্তারিত জানতে এই লিংকে প্রবেশ করুণ</a>।</p><p>আবেদনের শেষ তারিখ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬</p>

অক্টোবর ২, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন