জেলা

মশার লার্ভা মরছে না, ওষুধ ফেরত দিচ্ছে খুলনা সিটি করপোরেশন

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
মশার লার্ভা মরছে না, ওষুধ ফেরত দিচ্ছে খুলনা সিটি করপোরেশন
মশার লার্ভা মরছে না, ওষুধ ফেরত দিচ্ছে খুলনা সিটি করপোরেশন
<p>মশার লার্ভা নিধনে মান যাচাইয়ের পরীক্ষায় সন্তোষজনক ফল না পাওয়ায় খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) কেনা দুই হাজার লিটার ওষুধের কার্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে ওষুধ ফেরত নিতে নির্দেশ দিয়েছে কেসিসি। এই ওষুধ কিনতে ব্যয় হয়েছিল প্রায় ৫৬ লাখ টাকা। </p><p>আজ মঙ্গলবার কেসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকার মেসার্স এম আর এন্টারপ্রাইজকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p><aside><cite>মো. আনিসুর রহমান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, কেসিসি</cite>আগের কেনা দুই হাজার লিটার লার্ভিসাইড পরীক্ষায় মান উত্তীর্ণ হয়নি। তবে বর্তমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিবেচনায় দ্রুত নতুন ওষুধ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেটারও মান পরীক্ষা করা হবে।</aside><p>এম আর এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. মাহবুবুর রহমান গাজী <em>প্রথম আলো</em>কে বলেন, ‘কার্যাদেশ বাতিলের কোনো চিঠি এখনো আমরা পাইনি। তবে তাঁদের পরীক্ষার পদ্ধতিই ঠিক ছিল না। তাঁরা তাঁদের মতো করে পরীক্ষা করেছেন। আমরা আবেদন করেছিলাম। তাঁরা বলেছিলেন, পুনরায় পরীক্ষা করবেন। বিষয়টি হলো, চিকিৎসক রোগীকে ওষুধ দিয়ে খাওয়ার নিয়ম বলে দিলেন। রোগী যদি নিজের মতো করে ওষুধ খেয়ে বলেন, এটি কার্যকর নয়, তাহলে তো হবে না।’</p><p>কেসিসির চিঠিতে বলা হয়েছে, এম আর এন্টারপ্রাইজ গত ৮ সেপ্টেম্বর দুই হাজার লিটার লার্ভিসাইড (ক্লোরপাইরিফস ২০ ইসি) সরবরাহ করে। ১২ সেপ্টেম্বর কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত কমিটি ওষুধের নমুনা সংগ্রহ করে মান যাচাই করে। পরীক্ষায় ওষুধ প্রয়োগের ২৪ ঘণ্টা পর লার্ভার মৃত্যুর হার পাওয়া যায় মাত্র ১২ শতাংশ। এ ফল সন্তোষজনক নয় বলে বিবেচনা করে কমিটি।</p><p>কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ওষুধের কার্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে। সেই সঙ্গে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে ওষুধ ফেরত নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।</p><p>কেসিসি সূত্রে জানা গেছে, মশার লার্ভা ও উড়ন্ত মশা নিধনের জন্য সম্প্রতি ৫৬ লাখ টাকা দিয়ে দুই হাজার লিটার লার্ভিসাইড এবং ৮৪ লাখ টাকা দিয়ে তিন হাজার লিটার অ্যাডাল্টিসাইড (উড়ন্ত মশা) কেনে কেসিসি। এর মধ্যে লার্ভিসাইডের কার্যকারিতা পরীক্ষায় সন্তোষজনক ফল পাওয়া যায়নি।</p><h3>বেশি দামে নতুন লার্ভিসাইড</h3><p>মান পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়া ওষুধের পরিবর্তে নতুন করে লার্ভিসাইড কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেসিসি। মঙ্গলবার নগর ভবনের শহীদ আলতাফ মিলনায়তনে সিটি করপোরেশনের পরিচালনা কমিটির সভায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড থেকে আপাতত এক হাজার লিটার ওষুধ কেনার সিদ্ধান্ত হয়। ডিপিএম (ডিরেক্ট প্রকিউরমেন্ট মেথড) পদ্ধতিতে এই ওষুধ কেনা হবে। আগামী সপ্তাহে ওষুধ সরবরাহের কথা রয়েছে।</p><p>কেসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান বলেন, সাধারণত লার্ভা নিধনের ওষুধের দাম প্রতি লিটার প্রায় ২ হাজার ৮০০ টাকা। তবে নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড থেকে নতুন যে ওষুধ কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে, তাতে প্রতি লিটারে খরচ পড়বে প্রায় সাড়ে চার হাজার টাকা।</p><p>আনিসুর রহমান বলেন, আগের কেনা দুই হাজার লিটার লার্ভিসাইড পরীক্ষায় মান উত্তীর্ণ হয়নি। তবে বর্তমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিবেচনায় দ্রুত নতুন ওষুধ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেটারও মান পরীক্ষা করা হবে।</p><p>সভায় ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ এবং নগরে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতেও বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নগরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ইউনিপোল, বিলবোর্ড, প্যানা ও ফেস্টুনের মাধ্যমে জনসচেতনতামূলক প্রচার চালানো হবে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা দৈনিক দুই শিফটে চার ঘণ্টা করে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।</p><h3>উড়ন্ত মশা নিধনের ওষুধের পরীক্ষা</h3><p>এদিকে উড়ন্ত মশা নিধনে ব্যবহারের জন্য নতুন ওষুধ সাইপারমেথ্রিনের কার্যকারিতা যাচাইয়ে পরীক্ষা চালিয়েছে কেসিসি। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে নগরের কেসিসির গ্যারেজে কীটতত্ত্ববিদ, কীটনাশকবিশেষজ্ঞ, সাংবাদিক ও নাগরিক নেতাদের উপস্থিতিতে এ পরীক্ষা করা হয়। কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু পরীক্ষা কার্যক্রম দেখতে সেখানে যান।</p><p>এর আগে গত শনিবার নতুন ওষুধের কার্যকারিতা পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে কীটতত্ত্ববিদ, কীটনাশকবিশেষজ্ঞ ও নাগরিক নেতারা উপস্থিত না থাকায় সেদিন পরীক্ষা করা হয়নি। পরীক্ষা শেষে নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, মশারি টানিয়ে তার ভেতরে মশা রেখে ফগার মেশিনের মাধ্যমে ওষুধ ছিটিয়ে কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টা মশার ওপর ওষুধের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করা হবে। এরপর ওষুধটির কার্যকারিতা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ওষুধ কার্যকর হলে তা ব্যবহার করা হবে। অন্যথায় বিকল্প ওষুধের কথা ভাবা হবে।</p><p>কেসিসি প্রশাসক বলেন, খুলনায় ডেঙ্গুর বিস্তার ঘটেছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী তিন মাস সময় দিয়েছেন। এরই মধ্যে এক মাস পার হয়েছে। আগামী দুই মাস সিটি করপোরেশনের কর্মসূচি চলবে। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি প্রায় দুই কোটি টাকা আর্থিক সহযোগিতা করেছেন। নগরে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রম চালানো হবে।</p>

Prothomalo

View more
এনসিপিতে আসছে ‘সুপার সিক্স’: পাটওয়ারী, হাসনাত, সারজিস ও আসিফ মাহমুদ পাচ্ছেন নতুন পদ
এনসিপিতে আসছে ‘সুপার সিক্স’: পাটওয়ারী, হাসনাত, সারজিস ও আসিফ মাহমুদ পাচ্ছেন নতুন পদ

দলে গুরুত্বপূর্ণ পদ পাচ্ছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। তবে শীর্ষ দুই পদ—আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেন বহাল থাকছেন।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
জ্বালানি সংকটের টেকসই সমাধান: শিল্প খাতের ভাবনা | পর্ব–০১
জ্বালানি সংকটের টেকসই সমাধান: শিল্প খাতের ভাবনা | পর্ব–০১

<p>সাম্প্রতিক জ্বালানি সংকট কাটিয়ে তৈরি পোশাক খাতকে নবায়নযোগ্য রূপান্তরের দিকে এগিয়ে নিতে কী ধরনের নীতি-সহায়তা ও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন? এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে প্রথম আলো ডটকমের বিশেষ আয়োজন ‘জ্বালানি সংকটের টেকসই সমাধান: শিল্পখাতের ভাবনা’।</p><p><strong>অতিথি</strong></p><p>মহিউদ্দিন রুবেল</p><p>বিশেষজ্ঞ, টেকসই পোশাক ও টেক্সটাইল খাত</p><p>প্রতিষ্ঠাতা, বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েস</p> <p>মোস্তফা আল মাহমুদ</p><p>সভাপতি, বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআরইএ)</p><p>চেয়ারম্যান, জিটেক সলিউশন লিমিটেড</p> <p><strong>উপস্থাপক</strong></p><p>শওকত হোসেন</p><p>হেড অব অনলাইন, প্রথম আলো</p><figure></figure>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
চুইংগাম চিবানো ভালো না মন্দ
চুইংগাম চিবানো ভালো না মন্দ

<p>চুইংগাম যদি সঠিক নিয়মে এবং পরিমিত পরিমাণে চিবানো হয়, তবে এটি দাঁতের সুরক্ষায় কাজ করতে পারে, বিশেষ করে যাঁদের মুখ শুষ্ক থাকে। তবে অতিরিক্ত চিবানোর অভ্যাস ডেকে আনতে পারে হাড় ও পেশির জটিলতা।</p><p><strong>ভালো দিক</strong></p><p>চুইংগাম চিবালে মুখে লালা উৎপাদন প্রায় ১০ গুণ বাড়ে। লালা মুখের ভেতর ব্যাকটেরিয়ার তৈরি করা ক্ষতিকর অ্যাসিডকে নিষ্ক্রিয় করে দাঁতের এনামেলকে রক্ষা করে। লালায় থাকা ক্যালসিয়াম ও ফসফেট দাঁতের ক্ষয় প্রতিরোধে সাহায্য করে। খাবারকে পিচ্ছিল ও হজমে সহায়তা করে, এমনকি খাবারের স্বাদ বাড়ায়।</p><ul><li><p>চুইংগাম চিবানোর ফলে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ এবং অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ে। এটি স্ট্রেস হরমোন কমাতে সাহায্য করে।</p></li><li><p>চুইংগাম মুখের দুর্গন্ধ কমাতে সাহায্য করে।</p></li></ul><p><strong>খারাপ দিক</strong></p><ul><li><p>চিনির উপস্থিতি দাঁতে ডেন্টাল ক্যারিজ বা ক্ষয় করে।</p></li><li><p>অতিরিক্ত চুইংগাম চিবানো চোয়ালের সন্ধি বা ‘টেমপোরোম্যান্ডিবুলার জয়েন্ট’ ও মাংসপেশির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। এর ফলে চোয়ালে ক্লিকের মতো শব্দ হওয়া, মাথাব্যথা এবং কান বা চোয়ালের ব্যথা হতে পারে।</p></li><li><p>কৃত্রিম চিনি যেমন সরবিটলের কারণে অনেকের ডায়রিয়াও হতে পারে।</p></li></ul><p><strong>যাদের চুইংগাম এড়িয়ে চলতে হবে</strong></p><p>সম্প্রতি দাঁতের ফিলিং, ইমপ্ল্যান্ট বা ব্রেস লাগানো হয়েছে, চোয়ালের সমস্যা বা টিএমডি থাকলে, রাতে দাঁত কিড়মিড় করার অভ্যাস থাকলে কিংবা মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে চুইংগাম ভালো নয়। ছোট শিশু এবং যাঁদের গিলতে সমস্যা আছে, তাঁদের গলায় আটকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।</p><p><strong>পরামর্শ </strong></p><ul><li><p>জাইলিটল–সমৃদ্ধ চিনি–মুক্ত গাম বেছে নেওয়া উচিত</p></li><li><p>চোয়ালের পেশির ওপর চাপ কমাতে সর্বোচ্চ ১০ থেকে ১৫ মিনিটের বেশি চুইংগাম চিবানো উচিত নয়।</p></li><li><p>ভারি খাবার খাওয়ার পর চুইংগাম চিবানো সবচেয়ে ভালো, কারণ তখন এটি দাঁত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।</p></li></ul><p><strong>ডা. মো. আসাফুজ্জোহা রাজ,</strong> দন্তবিশেষজ্ঞ, কলাবাগান রাজ ডেন্টাল সেন্টার</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
গ্রাহকের টাকা ফেরত দিতে ন্যাশনাল ব্যাংককে ৭ হাজার কোটি টাকা দিল সোনালী ব্যাংক
গ্রাহকের টাকা ফেরত দিতে ন্যাশনাল ব্যাংককে ৭ হাজার কোটি টাকা দিল সোনালী ব্যাংক

<p>গ্রাহকের টাকা ফেরত দিতে বেসরকারি ন্যাশনাল ব্যাংককে সাত হাজার কোটি টাকা ধার দিয়েছে রাষ্ট্রমালিকানাধীন সোনালী ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিশ্চয়তা বা গ্যারান্টিতে এই টাকা ধার দিয়েছে সোনালী ব্যাংক। এই ধারের টাকায় ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার থেকে স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু করবে ন্যাশনাল ব্যাংক। এরই মধ্যে ব্যাংকটির পক্ষ থেকে সেই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিক ব্যাংকিং শুরু হলে গ্রাহকেরা ব্যাংকটি থেকে চাহিদা অনুযায়ী টাকা তুলতে পারবেন।</p><p>বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, ন্যাশনাল ব্যাংকের গ্রাহকেরা দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংকটি থেকে চাহিদামতো টাকা তুলতে পারছেন না। এ কারণে সম্প্রতি আদালতের শরণাপন্ন হন ব্যাংকটির চার আমানতকারী। তাঁদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত চার আমানতকারীর টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশনা দেন। এরপর বিষয়টি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নজরে আসে। সরকার ব্যাংকটির লেনদেন স্বাভাবিক করতে উদ্যোগ নিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দেয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে বৈঠক করেন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। ওই বৈঠকে ১৫ অক্টোবর থেকে ব্যাংকটির স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরুর নির্দেশনা দেওয়া হয়। তারপর একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের সভায়। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার থেকে স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরুর জন্য সোনালী ব্যাংক থেকে সাত হাজার কোটি টাকা ধার নিয়েছে ন্যাশনাল ব্যাংক।</p><p>জানতে চাইলে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শওকত আলী খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্যারান্টির বিপরীতে আমরা ১০ শতাংশ সুদে ন্যাশনাল ব্যাংককে টাকা ধার দিয়েছি। সময়মতো এই টাকা ফেরত না পেলে বাংলাদেশ ব্যাংক আমাদের টাকা ফেরত দেবে। ব্যাংকটির কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে এই ধার দেওয়া হয়েছে।’</p><p>জানা গেছে, ধারের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সোনালী ব্যাংক টাকা ফেরত না পেলে মেয়াদ শেষের তিন দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক সোনালী ব্যাংককে এই টাকা ফেরত দেবে। এই শর্তে ব্যাংকটিকে টাকা ধার দিয়েছে সোনালী ব্যাংক।</p><p>এর আগে ব্যাংকটিকে স্বাভাবিক লেনদেনে বৃহস্পতিবার চেয়ারম্যান অধ্যাপক মেলিতা মেহজাবীন ও ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহিদুল হকের সঙ্গে বৈঠক করেন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। ওই বৈঠকে আমানতকারীদের চাহিদা অনুযায়ী টাকা ফেরত দিতে ১৫ অক্টোবর থেকে ন্যাশনাল ব্যাংকের সব শাখা ও এটিএম বুথে প্রয়োজনীয় নগদ অর্থ সরবরাহের নির্দেশনা দেওয়া হয়।</p><p>কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে তারল্য সহায়তা চেয়ে সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করে ন্যাশনাল ব্যাংক। মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় নতুন করে টাকা না ছাপিয়ে গ্যারান্টির বিপরীতে টাকা দেওয়ার উদ্যোগ নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এরপর বিষয়টি নিয়ে সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনার পর তিন মাসের জন্য টাকা ধার দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।</p><p>এর আগেও বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ৯৮৫ কোটি টাকা ধার নিয়েছিল ন্যাশনাল ব্যাংক। নির্ধারিত সময়ে ওই অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় বাংলাদেশ ব্যাংককে সেই দায় মেটাতে হয়। ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ন্যাশনাল ব্যাংকের ঋণ হিসেবে ওই অর্থের দায় তৈরি হয়েছে। বর্তমানে ন্যাশনাল ব্যাংকের কাছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পাওনা ১০ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা। এ অর্থের পুরোটাই কেন্দ্রীয় ব্যাংক নতুন টাকা সৃষ্টি করে দিয়েছে।</p><p>আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দীর্ঘদিন ধরে ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সিকদার গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ২০২৪ সালে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপে গ্রুপটি ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ হারায়। এখন ব্যাংকটির পরিচালনায় যুক্ত রয়েছেন মাল্টিমোড গ্রুপ, হোসাফ গ্রুপ ও আর্মানা গ্রুপের পরিবারের সদস্যরা। আগের অনিয়ম ও লুটপাটের কারণে ব্যাংকটি এখনো চরম আর্থিক সংকটে ভুগছে। ব্যাংকটি ২০২২ সাল থেকে প্রতিবছর লোকসান গুনছে।</p><p>বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ন্যাশনাল ব্যাংকের দেওয়া মোট ঋণের ৫৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ বর্তমানে খেলাপি, যার পরিমাণ প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা। ঋণের বিপরীতে নিরাপত্তা সঞ্চিতির ঘাটতি আছে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। ২০২৪ সালে ব্যাংকটি ১ হাজার ৭০৬ কোটি টাকা লোকসান করেছে।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি লটারিতে, দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে পরীক্ষার মাধ্যমে
প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি লটারিতে, দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে পরীক্ষার মাধ্যমে

<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-07/15d59295-0e6c-4d8f-ab09-83ad2d07ffa7/459e8f3e-d3c2-478a-9df1-79d2c721b89a.jpeg"><figcaption>ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা </figcaption></figure><p>আসন্ন শিক্ষাবর্ষে (২০২৭) সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী এসব বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে। আর দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে।</p><p>আজ মঙ্গলবার ভর্তির এ নীতিমালা জারি করেছে মন্ত্রণালয়। প্রথম শ্রেণিতে আবেদনের ক্ষেত্রে একজন ভর্তি–ইচ্ছুক শিক্ষার্থীর জন্য সর্বোচ্চ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে পছন্দক্রম দেওয়া যাবে। তবে দুই পালায় (ডাবল শিফট) চলা বিদ্যালয়ে উভয় পালা পছন্দ করলে দুটি বিদ্যালয় পছন্দক্রম দেওয়া হয়েছে বলে গণ্য হবে।</p><p>মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কেন্দ্রীয়ভাবে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির প্রক্রিয়াসংক্রান্ত কার্যক্রম করবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/admission/pj70nkaxou">লটারি পদ্ধতিতে হোক শিক্ষার্থীদের ভর্তি</a></aside><p>অন্যদিকে দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণিতে শূন্য আসনে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাক্রম অনুসারে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী বাছাই করা হবে। এর মধ্যে দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে ৫০ নম্বরে এবং ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ১০০ নম্বরে ভর্তি পরীক্ষা হবে।</p><p>গত মার্চে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ঘোষণা দিয়েছিলেন, ভর্তিতে লটারির পরিবর্তে পরীক্ষা চালু করা হবে। এর পর থেকে শিক্ষাবিদ ও শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলে আসছিলেন, বিশেষ করে প্রাথমিক স্তরে লটারির পরিবর্তে ভর্তি পরীক্ষা চালু হলে শিশুদের ওপর অপ্রয়োজনীয় চাপ বাড়বে। পাশাপাশি কোচিং ও প্রাইভেটনির্ভরতা নতুন করে বাড়তে পারে, যা শিক্ষাব্যবস্থায় বৈষম্য আরও বাড়াবে। এরই মধ্যে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির নামে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় কোচিং কার্যক্রম শুরুর অভিযোগও উঠেছে।</p><blockquote>দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণিতে শূন্য আসনে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাক্রম অনুসারে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী বাছাই করা হবে। এর মধ্যে দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে ৫০ নম্বরে এবং ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ১০০ নম্বরে ভর্তি পরীক্ষা হবে।</blockquote><p>পরে সিদ্ধান্ত হয় প্রথম শ্রেণিতে ভর্তিতে লটারির মাধ্যমেই শিক্ষার্থী বাছাই করা হবে। আর ওপরের শ্রেণিতে পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। পরে আবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন বিদ্যালয়গুলোতে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি আগের মতোই লটারির মাধ্যমেই করা যায় কি না, সে বিষয়ে আলোচনা হয়। যদিও সেটি আর হয়নি।</p><p>একসময় বিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার নামে অল্প বয়সেই শিশুদের কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হতো। কোচিং ও প্রাইভেট ছিল সাধারণ ঘটনা। নামী বিদ্যালয়ে সন্তানকে ভর্তি করাতে অনেক পরিবার কোচিং সেন্টারের দ্বারস্থ হতো। ভর্তিকে ঘিরে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগও ছিল। ফলে সাধারণ ও দরিদ্র পরিবারের অনেক শিক্ষার্থীর জন্য ভালো বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া কঠিন হয়ে পড়ত। এ নিয়ে গণমাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে।</p><blockquote>প্রথম শ্রেণিতে আবেদনের ক্ষেত্রে একজন ভর্তি–ইচ্ছুক শিক্ষার্থীর জন্য সর্বোচ্চ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে পছন্দক্রম দেওয়া যাবে। তবে দুই পালায় (ডাবল শিফট) চলা বিদ্যালয়ে উভয় পালা পছন্দ করলে দুটি বিদ্যালয় পছন্দক্রম দেওয়া হয়েছে বলে গণ্য হবে।</blockquote><p>এমন প্রেক্ষাপটে প্রথমে শুধু প্রথম শ্রেণিতে লটারি পদ্ধতি চালু করা হয়। ২০১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোয়, যেসব বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণি রয়েছে, সেখানে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি বাধ্যতামূলক করা হয়। পরের বছর বেসরকারি বিদ্যালয়েও একই পদ্ধতি চালু হয়। তবে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি তখনো পরীক্ষার মাধ্যমেই হতো। পরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে সব শ্রেণিতেই লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এরপর এই পদ্ধতিই অব্যাহত ছিল। এখন তাতে পরিবর্তন আনা হলো।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/admission/506v85alq1">শুধু প্রথম শ্রেণি নয়, পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত লটারিতে ভর্তির পরিকল্পনা</a></aside>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
প্রিয় বিজ্ঞানচিন্তা
প্রিয় বিজ্ঞানচিন্তা

<p>বিজ্ঞানচিন্তার সঙ্গে আমার পরিচয় খুব বেশি দিনের নয়, কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই এটি আমার নিয়মিত পড়ার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। বিজ্ঞানকে আগে শুধু পাঠ্যবইয়ের বিষয় হিসেবেই দেখতাম, কিন্তু বিজ্ঞানচিন্তা পড়ার পর বুঝতে পেরেছি, আমাদের চারপাশের প্রায় প্রতিটি কৌতূহলের পেছনেই বিজ্ঞানের কোনো না কোনো ব্যাখ্যা রয়েছে।</p><p>বিজ্ঞানচিন্তার সবচেয়ে ভালো লাগার দিক হলো জটিল বৈজ্ঞানিক বিষয়গুলোও সহজ, সাবলীল ও আকর্ষণীয় ভাষায় উপস্থাপন করা। নতুন নতুন আবিষ্কার, মহাকাশ, প্রযুক্তি, পরিবেশ কিংবা দৈনন্দিন জীবনের বিজ্ঞান—প্রতিটি বিষয়ই আমাকে নতুন কিছু জানতে এবং আরও প্রশ্ন করতে আগ্রহী করে তোলে। কোনো কোনো লেখা ও পড়ার পর মনে হয়, বই বন্ধ করার পরও বিষয়টি নিয়ে ভাবতে ইচ্ছা করছে—একজন পাঠকের জন্য এটিই হয়তো একটি ভালো বিজ্ঞান সাময়িকীর সবচেয়ে বড় সার্থকতা।</p><p>বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের জন্য বিজ্ঞানচিন্তার ভূমিকা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধু তথ্য দেয় না, বরং জানার আগ্রহ, প্রশ্ন করার সাহস এবং যুক্তি দিয়ে ভাবার অভ্যাস তৈরি করে। ভবিষ্যতেও বিজ্ঞানচিন্তা একইভাবে তরুণ প্রজন্মের কৌতূহলকে আরও সমৃদ্ধ করবে—এটাই প্রত্যাশা।</p><p>দীর্ঘদিন আমাদের কৌতূহলের সঙ্গী হয়ে থাকুক প্রিয় বিজ্ঞানচিন্তা।</p><p>শুভকামনা রইল।</p><h4>জান্নাতুন নূর রীহা, নবম শ্রেণি, ওয়াইডব্লিউসিএ উচ্চমাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, ঢাকা</h4>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
আইনজীবী হওয়ার সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর করা হচ্ছে
আইনজীবী হওয়ার সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর করা হচ্ছে

‘যারা আইনজীবী হবেন, ৩৫ বছর পর গিয়ে আইনজীবী হওয়ার পথ বন্ধ। অলরেডি সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে। আমরা এমন একটা জায়গায় আনতে চাচ্ছি,’ বলেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
ইতালির সিয়েনা অ্যাওয়ার্ডসে পিনু রহমানের দুটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি
ইতালির সিয়েনা অ্যাওয়ার্ডসে পিনু রহমানের দুটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

<p>ইতালির সিয়েনায় আয়োজিত সিয়েনা অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ দুটি বিভাগে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছেন বাংলাদেশের আলোকচিত্রী পিনু রহমান। সৃজনশীল আলোকচিত্র প্রতিযোগিতার ‘পিপল’ বিভাগে তাঁর ‘দ্য গোল্ডেন বার্ডেন’ ছবিটি সেরা নির্বাচিত হয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি পেয়েছেন প্যাঞ্জিয়া পুরস্কার। অন্যদিকে সিয়েনা আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র পুরস্কারের প্রামাণ্যচিত্র ও আলোকচিত্র সাংবাদিকতা বিভাগে তাঁর ‘ব্যাড মর্নিং ইন আ বার্নড ভ্যালি’ ছবিটি বিশেষ স্বীকৃতি পেয়েছে।</p><p>গত শনিবার (১০ অক্টোবর) সিয়েনার ঐতিহাসিক তেয়াত্রো দেই রিনোভাতি মিলনায়তনে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হয়। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর তিনটি প্রতিযোগিতায় ১৬৩টি দেশ থেকে ৪০ হাজারের বেশি ছবি জমা পড়ে।</p><p>পিনু রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারা এবং দুটি বিভাগে স্বীকৃতি পাওয়া তাঁর জন্য আনন্দ ও গর্বের। এ অর্জন আলোকচিত্রের মাধ্যমে গল্প বলার দায়বদ্ধতা আরও বাড়িয়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-13/jcb284pc/pinu-2.jfif"><figcaption>সিয়েনা অ্যাওয়ার্ডসে পিনু রহমানের ছবি ‘দ্য গোল্ডেন বার্ডেন’ সেরা ছবি নির্বাচিত হয়েছে</figcaption></figure><p>২০১২ সাল থেকে আলোকচিত্রচর্চার সঙ্গে যুক্ত পিনু রহমান মানুষ, সমাজ, ভ্রমণ ও প্রামাণ্য আলোকচিত্র নিয়ে কাজ করেন। এর আগে ২০২৬ সালের সনি ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ডসে তিনি বাংলাদেশের জাতীয় বিজয়ী নির্বাচিত হন।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ, ককরোচ পার্টির আন্দোলনের পথ কি আরও কঠিন হলো?
যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ, ককরোচ পার্টির আন্দোলনের পথ কি আরও কঠিন হলো?

যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ, ককরোচ পার্টির আন্দোলনের পথ কি আরও কঠিন হলো?

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন