বাংলাদেশ

আইনজীবী হওয়ার সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর করা হচ্ছে

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
আইনজীবী হওয়ার সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর করা হচ্ছে
আইনজীবী হওয়ার সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর করা হচ্ছে
‘যাঁরা আইনজীবী হবেন, ৩৫ বছর পর গিয়ে আইনজীবী হওয়ার পথ বন্ধ। অলরেডি সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে। আমরা এমন একটা জায়গায় আনতে চাচ্ছি,’ বলেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

Prothomalo

View more
পাকিস্তানে রহমান বাবা এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত: নিহত ৫, আহত ৩০
পাকিস্তানে রহমান বাবা এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত: নিহত ৫, আহত ৩০

পাকিস্তানে রহমান বাবা এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত: নিহত ৫, আহত ৩০

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
শরতের মনভোলানো স্নিগ্ধ সৌন্দর্য
শরতের মনভোলানো স্নিগ্ধ সৌন্দর্য

গ্রামীণ দুরন্ত শিশুরা দিগন্তজুড়ে কাশফুলের বনে খেলায় মেতে ওঠে। শোভা ছড়ানো শুভ্র কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করে ছুটে যায় বালিকার দল। এ ঋতুতে প্রকৃতিতে কখনো নীল আকাশ, কখনো সাদা মেঘের ভেসে বেড়ানো চোখে পড়ে। শরতে নদী ও বিলের জল কমতে শুরু করে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রিয়াদের পর এবার দাম্মামগামী ফ্লাইটও স্থগিত করল বিমান
রিয়াদের পর এবার দাম্মামগামী ফ্লাইটও স্থগিত করল বিমান

<p>সৌদি আরবের রিয়াদগামী ফ্লাইটের পর এবার দাম্মামগামী ফ্লাইটও স্থগিত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। রিয়াদে বিমানবন্দরে চলমান হামলার পরিপ্রেক্ষিতে যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা থেকে দাম্মাম ও রিয়াদগামী সব ফ্লাইট স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী উড়োজাহাজ সংস্থাটি।</p><p> আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বিজ্ঞপ্তিতে এসব ফ্লাইটের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও নতুন সময়সূচি যথাসময়ে জানানো হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p> এর আগে রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা থেকে রিয়াদগামী সব ফ্লাইট স্থগিত করেছিল বিমান। সোমবার দেওয়া ওই ঘোষণায় দাম্মামগামী ফ্লাইট স্থগিতের কথা ছিল না।</p><p>জরুরি প্রয়োজনে যাত্রীদের সৌদি আরবে যাওয়া এবং বাংলাদেশে ফেরার জন্য জেদ্দা ও মদিনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে বিমান। এ ক্ষেত্রে টিকিট ও ভ্রমণসংক্রান্ত তথ্যের জন্য নিকটস্থ বিমানের বিক্রয়কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।</p><p>রিয়াদে বিমানবন্দরে হামলার পর ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ঢাকা থেকে দেশটিতে যাতায়াতকারী যাত্রীরা অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। এর আগে বেসরকারি উড়োজাহাজ সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসও ২১ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা–রিয়াদ–ঢাকা রুটের সব ফ্লাইট বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/slbuc61mb6">টানা তৃতীয় দিনের মতো রিয়াদ লক্ষ্য করে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা</a></aside><h3>৮২টি ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন, ক্ষতিগ্রস্ত ১৩ হাজার ৭১ যাত্রী</h3><p>বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) মঙ্গলবার দুপুরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি ও ট্রানজিট রুটে চলাচলকারী বিভিন্ন এয়ারলাইনের এখন পর্যন্ত ৮২টি ফ্লাইটে প্রভাব পড়েছে। এর মধ্যে কিছু ফ্লাইট বাতিল ও কিছু ফ্লাইট স্থগিত হয়েছে। ফলে এসব ফ্লাইটের ১৩ হাজার ৭১ যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, যাঁদের ঢাকা থেকে সৌদি আরবের বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার কথা ছিল। তবে এ হিসাবের মধ্যে রিয়াদ এয়ারওয়েজের যাত্রীর সংখ্যা অন্তর্ভুক্ত হয়নি।</p><p>বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, ৮২টি ফ্লাইটের মধ্যে সৌদি আরবের সঙ্গে সরাসরি চলাচলকারী ফ্লাইট ৩২টি। বাকি ৫০টি ট্রানজিট ফ্লাইট। </p><p>সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১০টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের পাঁচটি এবং রিয়াদ এয়ারওয়েজের সাতটি ফ্লাইট রয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/9olo44pioi">বিমানবন্দরে হুতিদের হামলার পর সৌদিতে কর্মসংস্থানে নতুন ধাক্কা </a></aside><p>অন্যদিকে ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ২২টি, এমিরেটসের ১১টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৬টি, ফ্লাই দুবাইয়ের ৬টি, সালাম এয়ারের ৪টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের ১টি ফ্লাইট রয়েছে।</p><p>মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে গত কয়েক দিনে সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালেদ বিমানবন্দরে একের পর এক হামলা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা হয়েছে গত শনিবার। এতে দুই বাংলাদেশিসহ ১৩ জন নিহত হন। আহত এক বাংলাদেশির অবস্থা আশঙ্কাজনক। এরপর ঢাকা থেকে রিয়াদগামী ফ্লাইট বাতিল হতে থাকে।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
ঢাকায় টেক্সটাইল ইনোভেশন 
প্রদর্শনী শুরু ১২ নভেম্বর
ঢাকায় টেক্সটাইল ইনোভেশন প্রদর্শনী শুরু ১২ নভেম্বর

<p><br>ঢাকায় আগামী ১২ নভেম্বর টিআইই–আইটিইটি টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সপো নামে তিন দিনের একটি প্রদর্শনী শুরু হবে। ইনস্টিটিউশন অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস (আইটিইটি) বাংলাদেশ এবং টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সচেঞ্জ (টিআইই) যৌথভাবে পূর্বাচলের ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) এ প্রদর্শনীর আয়োজন করবে। এতে দেশের বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতের উদ্ভাবনী সক্ষমতা তুলে ধরা হবে।</p><p>রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে গতকাল সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রদর্শনী সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আইটিইটি বাংলাদেশের সভাপতি মো. এনায়েত হোসেন, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সুমায়েল মোহাম্মদ মল্লিক ও মহাসচিব এ এস এম হাফিজুর রহমান; নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর পরিচালক ইমরান কাদের; বাংলাদেশ গার্মেন্টস প্রিন্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিপিএ) সভাপতি মো. আবদুল হামিদ এবং টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান এহসানুল করিম কায়সার প্রমুখ।  </p><p>আইটিইটি বাংলাদেশের সভাপতি মো. এনায়েত হোসেন বলেন, দেশে শিল্প খাতে প্রায় ১৫ হাজার প্রকৌশলী কাজ করেন। এর মধ্যে ৫ হাজারের বেশি প্রকৌশলী আইটিইটির সদস্য। এই প্রদর্শনীর মূল লক্ষ্য হলো, বস্ত্র খাতের প্রকৌশলীদের সমগ্র শিল্পজুড়ে উদ্ভাবন বাস্তবায়নে উৎসাহিত করা।</p><p>আয়োজকেরা জানান, প্রদর্শনীতে ৫০টি তৈরি পোশাক, বস্ত্র ও সরঞ্জাম কারখানা এবং ২০০টি প্রযুক্তি ও সমাধান প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। এতে বৈশ্বিক ক্রেতা প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিরা আসবেন। এবারের আয়োজনে টেক্সটাইল ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ দেওয়া হবে। এই পুরস্কারের উদ্দেশ্য হচ্ছে, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতের কারখানা পর্যায়ের উদ্ভাবন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, পণ্য উন্নয়ন এবং টেকসই ব্যবস্থাপনায় অবদান রাখা ব্যক্তি ও সংস্থাকে স্বীকৃতি দেওয়া। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের প্রদর্শনীটি উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
ক্যাচ, রান আউট, স্টাম্পিং মিস করে জয় হাতছাড়া বাংলাদেশের
ক্যাচ, রান আউট, স্টাম্পিং মিস করে জয় হাতছাড়া বাংলাদেশের

চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় সেশনে ৪৭৯ রানের বিশাল লক্ষ্য দিয়ে আফগানিস্তানকে যখন বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিল, তখন সুদূর কল্পনাতেও ছিল না এমন কিছু।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
পার্বত্য চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক ৩ কমিটি বাতিলের দাবি, রাজধানীতে প্রচারপত্র বিলি
পার্বত্য চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক ৩ কমিটি বাতিলের দাবি, রাজধানীতে প্রচারপত্র বিলি

<p>পার্বত্য চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক তিনটি জাতীয় কমিটি বাতিলের দাবিতে রাজধানীতে গণসংযোগ ও প্রচারপত্র বিতরণ করেছেন চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনসংশ্লিষ্ট ছাত্র ও যুব সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।</p><p> আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটায় পুরানা পল্টন মোড়ে সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে পল্টন মোড় থেকে বিজয়নগর হয়ে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের কাছে গণসংযোগ ও প্রচারপত্র বিতরণ করা হয়।</p><p>সমাবেশে বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সভাপতি খান আসাদুজ্জামান মাসুম বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার রাজনৈতিক সমাধানের পরিবর্তে সরকার নতুন করে সংকট তৈরি করছে। তিনি চুক্তি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান। সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাবেক সভাপতি মুক্তা বাড়ৈ বলেন, চুক্তি স্বাক্ষরের প্রায় ২৯ বছর পরও এর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।</p><p>প্রচারপত্রে বলা হয়, গত ১০ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ তিনটি কমিটি গঠন করে। এগুলো হলো প্রধানমন্ত্রীকে সভাপতি করে জাতীয় কমিটি, স্বরাষ্ট্রসচিবকে সভাপতি করে নির্বাহী কমিটি এবং চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটির চেয়ারম্যানকে সভাপতি করে পরামর্শক কমিটি। সংগঠনগুলোর অভিযোগ— এসব কমিটি পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।</p><p>কর্মসূচি থেকে আট দফা দাবি জানানো হয়। এর মধ্যে রয়েছে তিনটি কমিটি বাতিল, চুক্তি অনুযায়ী বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটি গঠন, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অপাহাড়ি প্রতিমন্ত্রীকে প্রত্যাহার, চুক্তি বাস্তবায়নে সময়সীমাভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং ভূমিবিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন কার্যকর করা। এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সঙ্গে সংলাপ ও ভূমিসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে বহুপক্ষীয় আলোচনার দাবি জানানো হয়।</p><p>সমাবেশে হিল উইমেনস ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি শান্তিদেবী তঞ্চঙ্গ্যা, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের (জাসদ) সভাপতি গৌতম শীল, পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের নেতাসহ বিভিন্ন ছাত্র ও যুব সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ স্থিতিশীল রাখতে করণীয় কী?
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ স্থিতিশীল রাখতে করণীয় কী?

রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ এবং সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এ আয়োজনে কথা বলেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষকেরা

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
এনসিপিতে আসছে ‘সুপার সিক্স’: পাটওয়ারী, হাসনাত, সারজিস ও আসিফ মাহমুদ পাচ্ছেন নতুন পদ
এনসিপিতে আসছে ‘সুপার সিক্স’: পাটওয়ারী, হাসনাত, সারজিস ও আসিফ মাহমুদ পাচ্ছেন নতুন পদ

দলে গুরুত্বপূর্ণ পদ পাচ্ছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। তবে শীর্ষ দুই পদ—আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেন বহাল থাকছেন।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
চুইংগাম চিবানো ভালো না মন্দ
চুইংগাম চিবানো ভালো না মন্দ

<p>চুইংগাম যদি সঠিক নিয়মে এবং পরিমিত পরিমাণে চিবানো হয়, তবে এটি দাঁতের সুরক্ষায় কাজ করতে পারে, বিশেষ করে যাঁদের মুখ শুষ্ক থাকে। তবে অতিরিক্ত চিবানোর অভ্যাস ডেকে আনতে পারে হাড় ও পেশির জটিলতা।</p><p><strong>ভালো দিক</strong></p><p>চুইংগাম চিবালে মুখে লালা উৎপাদন প্রায় ১০ গুণ বাড়ে। লালা মুখের ভেতর ব্যাকটেরিয়ার তৈরি করা ক্ষতিকর অ্যাসিডকে নিষ্ক্রিয় করে দাঁতের এনামেলকে রক্ষা করে। লালায় থাকা ক্যালসিয়াম ও ফসফেট দাঁতের ক্ষয় প্রতিরোধে সাহায্য করে। খাবারকে পিচ্ছিল ও হজমে সহায়তা করে, এমনকি খাবারের স্বাদ বাড়ায়।</p><ul><li><p>চুইংগাম চিবানোর ফলে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ এবং অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ে। এটি স্ট্রেস হরমোন কমাতে সাহায্য করে।</p></li><li><p>চুইংগাম মুখের দুর্গন্ধ কমাতে সাহায্য করে।</p></li></ul><p><strong>খারাপ দিক</strong></p><ul><li><p>চিনির উপস্থিতি দাঁতে ডেন্টাল ক্যারিজ বা ক্ষয় করে।</p></li><li><p>অতিরিক্ত চুইংগাম চিবানো চোয়ালের সন্ধি বা ‘টেমপোরোম্যান্ডিবুলার জয়েন্ট’ ও মাংসপেশির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। এর ফলে চোয়ালে ক্লিকের মতো শব্দ হওয়া, মাথাব্যথা এবং কান বা চোয়ালের ব্যথা হতে পারে।</p></li><li><p>কৃত্রিম চিনি যেমন সরবিটলের কারণে অনেকের ডায়রিয়াও হতে পারে।</p></li></ul><p><strong>যাদের চুইংগাম এড়িয়ে চলতে হবে</strong></p><p>সম্প্রতি দাঁতের ফিলিং, ইমপ্ল্যান্ট বা ব্রেস লাগানো হয়েছে, চোয়ালের সমস্যা বা টিএমডি থাকলে, রাতে দাঁত কিড়মিড় করার অভ্যাস থাকলে কিংবা মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে চুইংগাম ভালো নয়। ছোট শিশু এবং যাঁদের গিলতে সমস্যা আছে, তাঁদের গলায় আটকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।</p><p><strong>পরামর্শ </strong></p><ul><li><p>জাইলিটল–সমৃদ্ধ চিনি–মুক্ত গাম বেছে নেওয়া উচিত</p></li><li><p>চোয়ালের পেশির ওপর চাপ কমাতে সর্বোচ্চ ১০ থেকে ১৫ মিনিটের বেশি চুইংগাম চিবানো উচিত নয়।</p></li><li><p>ভারি খাবার খাওয়ার পর চুইংগাম চিবানো সবচেয়ে ভালো, কারণ তখন এটি দাঁত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।</p></li></ul><p><strong>ডা. মো. আসাফুজ্জোহা রাজ,</strong> দন্তবিশেষজ্ঞ, কলাবাগান রাজ ডেন্টাল সেন্টার</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন