খুলনার বড় বাজারে ১৮৯০ সাল থেকে একই রেসিপিতে তৈরি হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী পাঁচ ধরনের মিষ্টি।
প্রায় ১০ মাস বন্ধ থাকার পর কক্সবাজার থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের এমবিএম-ইভিনিং প্রোগ্রামে আবেদন করতে সিজিপিএ ২.৫ প্রয়োজন। ভর্তির জন্য ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে, পরীক্ষা ৪ ডিসেম্বর।
কিছুটা নরম সুরেই কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি জানান, ডেমোক্র্যাট নিয়ন্ত্রিত নতুন কংগ্রেস থেকে আসা যেকোনো বিলে ভেটো দেওয়ার অধিকার তাঁর আছে।
ভোটের পরদিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স প্রকাশ্যে ইরান যুদ্ধের সার্থকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেছেন, এই যুদ্ধের কারণে রিপাবলিকানদের কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারাতে হয়েছে।
<p>ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির এক দিন পর আজ বৃহস্পতিবার তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।</p><p>আজ বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে রাখা একটি সাদা ব্যক্তিগত গাড়ি থেকে নামেন পরীমনি। বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে তিনি আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেন ও জামিনের আবেদন জানান। শুনানি শেষে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমান ৫০০ টাকা মুচলেকায় তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন।</p><p>পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘গতকাল পরীমনির বিরুদ্ধে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। আমরা আজ আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করি। শুনানি শেষে আদালত জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দেন।’</p><p>গতকাল বুধবার মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে পরীমনি আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। তাঁর পক্ষে সময় চেয়ে আবেদন করা হলেও আদালত তা নামঞ্জুর করে জামিন বাতিল এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।</p><p>আদালতে অনুপস্থিত থাকার কারণ সম্পর্কে নীলাঞ্জনা রিফাত গতকাল প্রথম আলোকে বলেছিলেন, অ্যালার্জিজনিত সমস্যায় অসুস্থ থাকায় তাঁর মক্কেল আদালতে আসতে পারেননি। এ জন্য পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করার আবেদন করা হয়েছিল।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-25/3qbl1yoq/WhatsApp-Image-2026-10-24-at-22.21.37.jpeg"><figcaption>পরীমনি</figcaption></figure><p>আদালত সূত্র জানায়, গতকাল মামলার বাদী আদালতে উপস্থিত হয়ে পরীমনিসহ তিন আসামির জামিন বাতিলের আবেদন করেন। জামিন বাতিলের আবেদন শুনানির সময় আসামিপক্ষের কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। শুনানি শেষে আদালত পরীমনির জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।</p><p>এ মামলায় এর আগেও পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। গত বছরের ২৬ জানুয়ারি অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। সেদিন আদালতে অনুপস্থিত থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান তিনি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/0u439xpw/WhatsApp_Image_2026_11_05_at_12_02_19_PM.jpeg"><figcaption>আদালতের পথে পরীমনি</figcaption></figure><p>২০২২ সালের ৬ জুলাই ঢাকার আদালতে মামলাটি করেন নাসির উদ্দিন মাহমুদ। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, ২০২১ সালের ৯ জুন রাতে পরীমনি ও তাঁর সহযোগীরা সাভারের বোট ক্লাবে যান। রাত সোয়া একটার দিকে তিনি ও তাঁর সহযোগী শাহ শহিদুল আলম ক্লাব থেকে বের হওয়ার সময় পরীমনি তাঁকে ডেকে কিছুক্ষণ বসার অনুরোধ করেন।</p><p>নাসিরের অভিযোগ, একপর্যায়ে পরীমনি বিনা মূল্যে একটি মদের বোতল দেওয়ার জন্য চাপ দেন। তিনি রাজি না হওয়ায় পরীমনি তাঁকে গালমন্দ করেন। বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে তাঁর দিকে গ্লাস ও মুঠোফোন ছুড়ে মারেন। এতে তাঁর মাথা ও বুকে আঘাত লাগে। মামলায় মারধর, হত্যার হুমকি ও ক্লাবে ভাঙচুরের অভিযোগও করেন নাসির।</p><p>অন্যদিকে বোট ক্লাবের ওই ঘটনায় নাসির উদ্দিনসহ অন্যদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে এর আগেই সাভার থানায় মামলা করেছিলেন পরীমনি।</p><p>নাসিরের করা মামলাটি তদন্ত করে ২০২৪ সালে আদালতে প্রতিবেদন দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন প্রতিবেদনে পরীমনি ও তাঁর কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা জানান। তবে অপর আসামি ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।</p><p>পরে তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে পরীমনি ও জিমিকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের ২৫ জুন তাঁরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন পান।</p>
আজ বৃহস্পতিবার ভরিতে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৪৮৩ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছে।
তিনি নিজের মতো করে সেজে বা নো মেকআপ ন্যাচারাল লুকে বিভিন্ন সময়ে তাঁর বিউটি মোমেন্ট শেয়ার করেন সবার সঙ্গে, তা জীবনে যতই ঝামেলা থাকুক।
<p>কেউ কথা দিয়ে কথা রাখেনি। কোনো সম্পর্ক ভেঙে গেছে কিংবা অতীতের কোনো ঘটনা গভীরভাবে আঘাত করেছে। সময়ের সঙ্গে জীবন এগিয়ে গেলেও মনের ভেতর সেই কষ্টের ভার যেন রয়েই গেছে। নতুন সম্পর্কেও পুরোনো ভয় তাড়া করে, সামান্য ঘটনায় ফিরে আসে অভিমান আর অনিশ্চয়তা। অজান্তেই অতীত হয়ে ওঠে বর্তমানের বাধা। মনের ভেতর জমে থাকা এই কষ্ট, ভয় ও অমীমাংসিত অনুভূতিকে বলা হয় ‘ইমোশনাল ব্যাগেজ’ বা আবেগের বোঝা। কীভাবে এই বোঝা হালকা করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরবেন? জেনে নিন ছয়টি উপায়</p><figure><img alt="কাজ ক্লান্তি" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-30/f0z2uskz/IMG7942.jpg"><figcaption>অতীতের ভুলগুলো মেনে নিন, নিজেকে ক্ষমা করতে শিখুন</figcaption></figure><h3>১. কষ্টের কারণ খুঁজে বের করুন</h3><p>কারও কথা বা আচরণে কেন আপনার মন খারাপ হচ্ছে, তা বোঝার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে অনুভূতিগুলো ধাপে ধাপে লিখে ফেলুন। নিজেকে প্রশ্ন করুন, বর্তমানের ঘটনাটিই কি কষ্টের কারণ, নাকি অতীতের কোনো অভিজ্ঞতা সেই অনুভূতিকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে? কষ্টের কারণ বুঝতে পারলে আবেগ সামলানো সহজ হতে পারে।</p><h3>২. নেতিবাচক চিন্তাকে প্রশ্ন করুন </h3><p>‘আমাকে কেউ বোঝে না’ কিংবা ‘সবকিছুই খারাপ হবে’, এমন চিন্তা মাথায় এলে নিজেকে প্রশ্ন করুন, সত্যিই কি এর পক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ আছে? পরিস্থিতি অন্যভাবে দেখার চেষ্টা করুন। সব সময় ইতিবাচক ভাবতে হবে, এমন নয়। বরং বাস্তবতা বিবেচনা করে নেতিবাচক চিন্তার পাশাপাশি অন্য সম্ভাবনাগুলোও ভাবুন।</p><h3>৩. অতীতের ভুল নিয়ে পড়ে থাকবেন না </h3><p>বারবার নিজেকে দোষারোপ করার অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করুন। অতীতের ভুলগুলো মেনে নিন, নিজেকে ক্ষমা করতে শিখুন। অন্য কাউকে ক্ষমা করার সিদ্ধান্তও নিতে পারেন, তবে সে জন্য নিজেকে চাপ দেবেন না। অতীত থেকে শিক্ষা নিন, কিন্তু একই কষ্টের কথা বারবার ভেবে বর্তমানকে কঠিন করে তুলবেন না। মনোযোগ দিন সামনের দিনগুলোর দিকে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-04/cccd8848-3e35-45e9-bd50-4bafb3a84013/539A2957.JPG"><figcaption>বারবার নিজেকে দোষারোপ করার অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করুন</figcaption></figure><h3>৪. নিজের সীমারেখা তৈরি করুন </h3><p>অন্যকে খুশি রাখতে গিয়ে নিজের প্রয়োজন উপেক্ষা করবেন না। প্রয়োজন হলে ভদ্রভাবে ‘না’ বলুন। নিজের সময়, মানসিক শান্তি ও ব্যক্তিগত পরিসর রক্ষা করা স্বার্থপরতা নয়। যাঁদের আচরণ বারবার আপনাকে কষ্ট দেয়, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ সীমিত করতে পারেন। নিজের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতাকে গুরুত্ব দিন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/ybacuw4h3t">বিষণ্নতা ও উদ্বেগে ওষুধের মতোই কার্যকর হতে পারে ব্যায়াম, নতুন গবেষণায় প্রমাণ</a></aside><h3>৫. অনুভূতি প্রকাশ করুন </h3><p>মন খারাপ বা রাগ চেপে রাখলেই তা দূর হয়ে যায় না। নিজের অনুভূতিগুলো ডায়েরিতে লিখতে পারেন। হাঁটতে বের হন কিংবা বিশ্বাসযোগ্য কারও সঙ্গে মন খুলে কথা বলুন। কষ্টকে অস্বীকার না করে স্বীকার করুন। নিজের অনুভূতি বোঝা ও প্রকাশ করা তা সামলানোর গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-04-02/60gaqp4t/d83a8e88bd8d3cb4220ea1531f068fe6_Untitled_7.jpg"><figcaption>কারও কথা বা আচরণে কেন আপনার মন খারাপ হচ্ছে, তা বোঝার চেষ্টা করুন</figcaption></figure><h3>৬. প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন </h3><p>অতীতের কষ্ট যদি দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক, ঘুম, কাজ কিংবা দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলে, তাহলে মানসিক স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। বিশেষজ্ঞের সহায়তায় কষ্টের কারণ বুঝতে এবং তা সামলানোর উপায় খুঁজে পেতে পারেন। মনে রাখবেন, সাহায্য চাওয়া দুর্বলতা নয়; বরং নিজের যত্ন নেওয়ারই অংশ।</p><p><sup>সূত্র: সাইকোলজি টুডে</sup></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/xxiqwqx9n6">ইলিশ খেলে মন ভালো রাখার হরমোন বাড়ে, তবে সতর্ক থাকতে হবে যাঁদের</a></aside>
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।