রাজশাহীতে নতুন বিভাগীয় কমিশনার কাজী মোহাম্মদ সাইফুল
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে শুরু হওয়া এ বিক্ষোভ একপর্যায়ে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল...
শাহরুখ খানের আসন্ন সিনেমা ‘কিং’-এর নতুন গান ‘তু মিল জায়ে’ প্রকাশের পর আলোচনায় দীপিকা পাড়ুকোনের গেরুয়া পোশাক।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ব্যাটারিচালিত তিন চাকার স্বল্পগতির রিকশা (ই-রিকশা) চলাচলে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, যানজট হ্রাস এবং নিরাপদ নগর পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে নি...
ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ, ব্ল্যাকলিস্টিং ও শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ায় পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলের পর অনেকটাই থেমে গেছে।
নাটকের শুটিং সেটে গোপনে ধারণকৃত অভিনয়শিল্পীদের নানা মুহূর্তের ভিডিও প্রায়ই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে।
ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মাসিক মজুরির দাবিতে গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে চলমান শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে পৃথক তিনটি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় প্রায় ৪ হ...
সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।
পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আয়োজকদের স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া প্রয়োজন—কোথায় কতজন নিরাপত্তাকর্মী থাকবেন, কীভাবে দর্শক প্রবেশ করবেন, কোন পথে বের হবেন, জরুরি পরিস্থিতিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সবই ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু রাজা-রানি স্টেডিয়ামে পৌঁছে যখন অভ্যর্থনা মঞ্চে উঠেছেন, ঠিক তখনই শুরু হলো বৃষ্টি। অঝোর ধারায় ভিজতে শুরু করলেন দুজন।
আশপাশের লোকদের ওস্তাদ আমীর খাঁ ৩০-৪০ ফুট দূরত্বে বসতে বলেছিলেন। সুর তোলার সঙ্গে সঙ্গে ওই ফাঁকা জায়গায় ঝড়, বৃষ্টি, জল বইতে শুরু করল।
<p>ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) জ্ঞানেশ কুমারবিরোধী আন্দোলনে যোগ দেওয়ার অপরাধে মুম্বাই হাইকোর্টের কড়া কড়া মন্তব্য শুনতে হলো অভিনেতা ইমরান খানকে। প্রধান বিচারপতি এমসি ত্রিপাঠি ও বিচারপতি অদ্বৈত শেঠনার ডিভিশন বেঞ্চ আজ সোমবার তাঁকে বলেন, ‘বহু বছর ভারতে বসবাস করলেও আপনি মার্কিন নাগরিক। ভারতীয় কোনো নাগরিক আমেরিকায় সরকারবিরোধী আন্দোলনে যোগ দিলে পরের ফ্লাইটেই তাঁকে ভারতে পাঠিয়ে দিত।’</p><p> তীব্র ভর্ৎসনা সত্ত্বেও মুম্বাই হাইকোর্ট জানান, এ দেশে থাকার বিষয়ে অভিনেতাকে লিখিত বন্ড বা মুচলেকা জমা দিতে হবে। ইমরান খানের আইনজীবী তা দিতে রাজি হয়েছেন। তাঁকে নিঃশর্ত ক্ষমাও চাইতে হবে।</p><p> জনপ্রিয় অভিনেতা আমির খানের ভাগনে ইমরান খানের ভারত ত্যাগের আদেশের ওপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের মেয়াদ ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। তাঁকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়, যতই তিনি এ দেশে থাকুন, তিনি আদতে মার্কিন নাগরিক। ওভারসিজ সিটিজেন অব ইন্ডিয়া (ওসিআই) কার্ডধারী। তাই ভারতীয় নাগরিকের মতো অধিকার তাঁর নেই।</p><p>মার্কিন নাগরিক হয়েও ইমরান খান গত ১০ অক্টোবর মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে সিজেপি আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তাঁকে ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও) গত ২৮ অক্টোবরের মধ্যে দেশ ছাড়ার নোটিশ পাঠিয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন ইমরান। তাঁর বক্তব্য ছিল, ওসিআই কার্ডধারী হলেও তিনি এই দেশেই বসবাস করছেন। মুম্বাইয়ের নাগরিক হিসেবে তিনি যাতায়াতের সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।</p><p>আজ শুনানিতে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ বলেন, ‘ভুলে যাবেন না আপনি একজন ওসিআই কার্ডধারী। অধিকার–সংক্রান্ত বিষয়ে আপনি ভারতীয় নাগরিকের মতো আচরণ করতে পারেন না। এ দেশের ভোটার তালিকা, তার সংশোধন নিয়ে আপনার কিছু বলার থাকতে পারে না। কারণ, আপনি ভোটার নন। তাই প্রতিবাদে যোগ দেওয়ার অধিকারও আপনার নেই। আপনি তা করে ভুল করেছেন।’</p><p>ইমরানের আইনজীবী ভেঙ্কটেশ ধোন্ড বলেন, অভিনেতা তাঁর জীবনের পুরোটাই প্রায় ভারতে কাটিয়েছেন। জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিক হলেও তাঁর বেড়ে ওঠা এই দেশেই। এই সওয়ালের জবাবে বিচারপতিরা বলেন, ‘তা সত্ত্বেও এটা মেনে নিতে হবে, আপনি ভারতীয় নাগরিক নন।’ এ সময় বিচারপতিরা বলেন, কোনো ভারতীয় নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে এভাবে সে দেশের সরকারবিরোধী আন্দোলনে যোগ দিলে পরের বিমানেই তাঁকে ভারতে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হতো।</p><p>বিচারপতিরা ইমরানের আইনজীবীকে প্রশ্ন করেন, তিনি সারা জীবন ভারতেই কাটাচ্ছেন। এখানেই অভিনয়জগতে পরিচিতি পেয়েছেন। তা হলে কেন তিনি ভারতের নাগরিকত্ব গ্রহণ করছেন না? আদালতের পর্যবেক্ষণ, কয়েক দশক ধরে ভারতে থাকার ফলে তিনি সম্ভবত ভুলে গেছেন, তিনি ওসিআই কার্ডধারী।</p><p>ইমরানের আইনজীবী আদালতকে জানান, প্রতিবাদে যোগ দেওয়া কোনো সংগঠন বা নেতাদের সঙ্গে তাঁর কোনো যোগসাজশ নেই। তিনি কাউকে চেনেনও না। ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগও দেবেন না। এ বিষয়ে আদালতে মুচলেকা বা লিখিত প্রতিশ্রুতি দিতে তিনি রাজি।</p><p>এফআরআরওর পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল অনিল সিং ইমরানের যুক্তির বিরোধিতা করেন। তাঁর দাবি, ইমরান আগেও এ ধরনের কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন। একটি সাক্ষাৎকারও দিয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর অনেক অনুসারী। ফলে তাঁর বক্তব্য বহু মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেলের বক্তব্য, ক্ষমা চাইলেই অভিযোগ উপেক্ষা করা যায় না।</p><p>প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ বলেন, ইমরান খানের মনে রাখা উচিত তিনি একজন জনপ্রিয় তারকা। তাঁর বক্তব্যের প্রভাব বহু মানুষের ওপর পড়ে। বিচারপতিরা বলেন, ‘আপনি একজন ওসিআই কার্ডধারী। বিদেশি নাগরিক। অথচ এই দেশের উদারতা দেখুন, আপনার সব পরিচিতি এই মহারাষ্ট্র দিয়েছে। এই দেশ দিয়েছে। এই দেশের অধিকার আছে বিদেশি নাগরিকদের বহিষ্কার করারও।’</p><p>এফআরআরওর উদ্দেশে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেলকে বলেন, ‘আপনারা সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী। বহিষ্কারের পূর্ণ অধিকার আপনাদের রয়েছে। সেই ক্ষমতা নিয়ে আমাদের মনে কোনো প্রশ্ন নেই।’</p><p>বিদেশি নাগরিকদের প্রতি ভারতের মনোভাব নিয়ে পর্যবেক্ষেণের সময় বিচারপতিরা বলেন, ভারত ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ নীতিতে বিশ্বাসী। বেঞ্চ জানান, ইমরান খান লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। নিঃশর্ত ক্ষমাও চেয়েছেন। তবে একে এ ধরনের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার অনুমতি হিসেবে দেখা যাবে না।</p><p>লিখিত মুচলেকা ও নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার পর ইমরান খানকে ভারত থেকে চলে যেতে হবে কি না, তা নির্ধারিত হবে ৭ ডিসেম্বর।</p>
<p>প্রয়োজনীয় সব দক্ষতাই ‘সিলেবাসে’ থাকবে কিংবা শিক্ষক সব হাতে ধরিয়ে শিখিয়ে দেবেন, সেই আশায় বসে থাকলে আর চলছে না। অনেক ক্ষেত্রে নিজ উদ্যোগেই ভবিষ্যতের জন্য তৈরি হতে হবে। এআই–নির্ভর পৃথিবীতে এ কথা এখন আরও বেশি সত্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কীভাবে নিজেকে প্রস্তুত করেছেন, খোঁজ নিয়েছেন <strong>আমিনা মুমতারিন</strong></p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-25/khpukcm5/Sabbir-hossain.jpg"><figcaption>মো. সাব্বির হোসেন, আরবি বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়</figcaption></figure><p><strong>মো. সাব্বির হোসেন</strong>, আরবি বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়</p><p>প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি বিভিন্ন ভাষায় দক্ষতা অর্জন, সৃজনশীল চিন্তা, বিশ্লেষণী ক্ষমতা ও সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছি। পড়াশোনা, গবেষণা ও দৈনন্দিন কাজকে আরও সহজ, কার্যকর ও গতিশীল করতে চ্যাটজিপিটি, গুগল জেমিনাই ও নোটবুকএলএমের মতো এআই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছি। </p><p>এগুলোর কার্যকর ব্যবহার আয়ত্ত করার চেষ্টা করছি। একই সঙ্গে তথ্য অনুসন্ধান, তথ্য যাচাই, লেখালেখি ও গবেষণার কাজে এআইকে আরও দক্ষতার সঙ্গে কাজে লাগানোর সক্ষমতা গড়ে তুলতে চাই।</p><p>আমার বিশ্বাস, আগামী বিশ্বব্যবস্থায় এআই আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রচলিত অনেক কাজের ধরন বদলে যাবে, কিছু কাজের চাহিদা কমবে, আবার তৈরি হবে নতুন নতুন পেশা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ। তখন শুধু একাডেমিক যোগ্যতা দিয়ে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হবে। বরং সৃজনশীলতা, অভিজ্ঞতা, সমালোচনামূলক চিন্তা ও প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের দক্ষতাই একজন মানুষকে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রাখবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/wm7gdn4yx5">আমি শুধু চেকটার দিকে হাঁ করে তাকিয়ে ছিলাম</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/bgvjqm1e/Anika_Mahzabin.jpeg"><figcaption>আনিকা মাহজাবিন, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি, ঢাকা</figcaption></figure><p><strong>আনিকা মাহজাবিন</strong>, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি, ঢাকা</p><p>আমার মনে হয়, এআই ভবিষ্যতের কাজের ধরন বদলে দিয়ে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। তাই প্রযুক্তিগত জ্ঞানের পাশাপাশি যোগাযোগ, নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা ও বিশ্লেষণী চিন্তার দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা করছি। </p><p>বিবিএ পড়ার পাশাপাশি চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে জানছি, কঠিন ধারণাগুলো সহজভাবে বুঝে নিচ্ছি এবং নিজের লেখা ও চিন্তাকে আরও গুছিয়ে তুলছি। পাশাপাশি কোর্সেরা, গুগল স্কিলশপ ও মাইক্রোসফট লার্নের মতো প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রযুক্তিগত ও প্রফেশনাল দক্ষতা শেখার সুযোগ খুঁজছি।</p><p>আমার ধারণা, আগামী পাঁচ বছরে চাকরির বাজারে বড় পরিবর্তন আসবে। কিছু প্রচলিত কাজের চাহিদা কমবে, আবার তৈরি হবে নতুন নতুন পেশার সুযোগ। সেই বাস্তবতায় শুধু ডিগ্রি নয়, প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতা, মানুষের সঙ্গে কাজ করার সক্ষমতা এবং নিজেকে প্রতিনিয়ত হালনাগাদ রাখার মানসিকতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। </p><p>তাই এআইকে প্রতিদ্বন্দ্বী নয়; বরং শেখা ও এগিয়ে যাওয়ার সহযোগী হিসেবে গ্রহণ করে নিজেকে ভবিষ্যতের কর্মজগতের জন্য প্রস্তুত করছি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/lhd5upiszn">বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম নাফিস এখন কাজ করছেন ব্লুমবার্গে</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-25/eptybhi1/Ashiq-Adnan.PNG"><figcaption>আশিক আদনান, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি–বাংলাদেশ</figcaption></figure><p><strong>আশিক আদনান</strong>, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি–বাংলাদেশ</p><p>বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে আমি মনে করি, এআই–নির্ভর ভবিষ্যতের জন্য শুধু একাডেমিক জ্ঞানই নয়, বাস্তব দক্ষতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই পড়াশোনার পাশাপাশি এআই টুলের কার্যকর ব্যবহার শেখা, যোগাযোগ ও উপস্থাপনার দক্ষতা বাড়ানো এবং ব্যবসায়িক সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। </p><p>একই সঙ্গে ইন্টার্নশিপ, প্রশিক্ষণ ও বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে নিজেকে এগিয়ে নিতে চাই। ইংরেজিতে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি চীনা ও জাপানি ভাষা শেখার প্রতিও আমার আগ্রহ আছে। কারণ, নতুন ভাষা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যোগাযোগ ও পেশাগত সুযোগের নতুন দ্বার খুলে দিতে পারে।</p><p>আমি বিশ্বাস করি, আগামী পাঁচ বছরে এআই চাকরির বাজারে বড় পরিবর্তন আনবে, তবে এর ফলে তৈরি হবে নতুন সম্ভাবনাও। এ কারণে আমি এই পরিবর্তনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নয়; বরং শেখার সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করতে চাই। </p><p>প্রযুক্তির সঙ্গে নিজের সৃজনশীলতা, চিন্তাশক্তি ও মানবিক দক্ষতার সমন্বয় ঘটিয়ে ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রে নিজেকে আরও যোগ্য করে তোলাই আমার লক্ষ্য।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/78n4a8vmes">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটে প্রথম অনিক এখন কোথায়</a></aside>
<p>ছোটবেলায় ছাত্রজীবন রচনা লেখার সময় সূচনা হিসেবে লিখেছিলাম, ‘ছাত্রানাং অধ্যয়নং তপঃ’—অর্থাৎ অধ্যয়নই (পড়াশোনা) ছাত্রদের তপস্যা। বিবিধ বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের মোক্ষম সময় ছাত্রজীবন, কারণ এ সময়ে সাধারণত সাংসারিক ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে মানসিক চাপ থাকে না। ফলে অধ্যবসায়ের মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন করে এবং দেশের ভবিষ্যৎ হিসেবে নিজেকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারে।</p><p>কিন্তু এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল আমাদের সব ধারণা পাল্টে দিয়েছে। ২২ বছরের মধ্যে এত বড় অবনতি দেশকে হতবাক করেছে। শুধু তা-ই নয়, জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও উদ্বেগজনক হারে কমেছে। কেউ পাস করেনি—এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। অন্যদিকে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে। দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের এ বছরের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে এই চিত্রই দেখা গেছে।</p><p>এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৫ হাজার শিক্ষার্থী; গত বছর পেয়েছিলেন ৬৩ হাজার। এর অর্থ হলো, উচ্চশিক্ষায় ভর্তির ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না।</p><blockquote>সুতরাং শুধু সরকারের মুখাপেক্ষী না থেকে সুশিক্ষিত সমাজ গড়ে তুলতে প্রতিটি পরিবার ও অভিভাবককে সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা ভেবে তাকে মানবিক মূল্যবোধে গড়ে তুলতে এবং পড়াশোনায় মনোযোগী করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। কারণ, সবার আগে বাংলাদেশ গড়তে হলে চাই আলোকিত মানুষ, যারা গড়বে আগামী বাংলাদেশ।</blockquote><p>মোট পরীক্ষার্থী ছিল প্রায় সাড়ে ১০ লাখ; পাস করেছেন ৫ লাখ ৪০ হাজার। অর্থাৎ প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থী ফেল করেছেন! এটি উদ্বেগজনক। এককথায়, বিষয়টিকে উড়িয়ে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এর মূল কারণ খুঁজে বের করতে হবে।</p><p>শিক্ষার্থীদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এই পরীক্ষায় এমন ভয়াবহ ফল বিপর্যয় পুরো বাংলাদেশের জন্য লজ্জার এবং অশনিসংকেত। এর অর্থ কি আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ অন্ধকার? এসব প্রশ্নের উত্তর গভীরভাবে অনুসন্ধান করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া সময়ের দাবি।</p><p>অবকাঠামোগত ত্রুটি, পাঠদানের ঘাটতি, শিক্ষকস্বল্পতা ও বৈরী আবহাওয়ার পাশাপাশি আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে আমি এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করতে চাই। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/py7hr8lrfp">এইচএসসি পরীক্ষা: ফেল করা মানেই জীবনযুদ্ধে হেরে যাওয়া নয়</a></aside><p>২০২৪ সালের ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থান এবং পরবর্তীসময়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের অনেকে বিভিন্ন আন্দোলনে জড়িয়ে পড়ে। কোনো কোনো পক্ষ তাদের উৎসাহও দিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে অনেকের পড়াশোনায় ভাটা পড়তে শুরু করে। কথায় কথায় আন্দোলনে জড়িয়ে পড়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের লাগামহীন অপব্যবহার, অপরিণত বয়সে মুঠোফোন ব্যবহার, অভিভাবকদের গাফিলতিতে কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার এবং তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার—এসবও অনেকাংশে দায়ী।</p><p>প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে মুঠোফোন এখন যত্রতত্র ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছে। ফলে বাড়ছে মুঠোফোন-আসক্তি, আর পাল্লা দিয়ে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। এসবের কুফল এবারের ফল বিপর্যয়ের অন্যতম প্রধান কারণ।</p><p>অনিয়ন্ত্রিত ফেসবুক ব্যবহার, কিছু অভিভাবকের প্রশ্রয় এবং সঠিক সময়ে সন্তানকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা না করা—এসব কিশোরসমাজকে অবাধ ও অনিয়ন্ত্রিত পথে যেতে উৎসাহিত করেছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে লেখাপড়ায়, যার সুস্পষ্ট প্রমাণ ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল। এবারের উচ্চশিক্ষার ভর্তি পরীক্ষায় এর মারাত্মক প্রভাব দেখা যাবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/voujfo4p/WhatsApp-Image-2026-10-31-at-14.05.02.jpeg"><figcaption>এইচএসসির পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীদের সেলফি। ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ৩১ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><p>আমাদের নিজেদের দুটি চিকিৎসাশিক্ষা প্রতিষ্ঠান (ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ ও ইউনিভার্সেল নার্সিং কলেজ) পরিচালনার অভিজ্ঞতায় যে বিষয়টি আমার চোখে পড়ছে, তা হলো কিছু কিছু বাবা–মায়ের দায়িত্বহীনতা, শৈথিল্য ও সন্তানকে অতিরিক্ত প্রশ্রয় দেওয়া তাদের স্বাভাবিক ছাত্রজীবনের কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করছে। প্রায়ই দেখা যাচ্ছে, শিক্ষার্থীরা ক্লাসে অনুপস্থিত থাকছে এবং অন্যান্য শিক্ষাকার্যক্রমে ব্যাপক অনাগ্রহ দেখাচ্ছে। </p><p>কলেজ থেকে যোগাযোগ করা হলে বেশির ভাগ পিতা-মাতা বা অভিভাবকের কাছ থেকে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। এমনকি তাঁরা সন্তানের অছাত্রসুলভ আচরণের পক্ষেও অবস্থান নেন। এসব আচরণ পেশাগত পরীক্ষার ফল বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে এবং উন্নত ভবিষ্যতের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়।</p><p>আমরা যখন ছাত্র ছিলাম, তখন এ ধরনের ঘটনা ভাবনারও অতীত ছিল। অভিভাবকেরা জানতে পারলে তো রক্ষা ছিল না!</p><p>আমার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে। ১৫ বছর ধরে সেখানে আমার পিতার পুণ্য স্মৃতির উদ্দেশ্যে ‘আশুতোষ চক্রবর্ত্তী স্মারক শিক্ষাবৃত্তি’ প্রদান করে আসছি। সেখানে স্থানীয় ১০ থেকে ১৫টি সেরা স্কুলের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির প্রথম স্থান অধিকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিবছর ১০০ জনকে এই বৃত্তি দেওয়া হয়। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/vxbynf867h">এইচএসসির ফল ও শিক্ষার গলদ নিয়ে যেসব কথা না বললেই নয়</a></aside><p>একজন মন্ত্রী বা সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে জাতীয় পর্যায়ের এই বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেই সঙ্গে প্রকাশিত হয় একটি স্মরণিকা, যেখানে বৃত্তিপ্রাপ্ত সব শিক্ষার্থীর ছবি ও ফলাফলের বিবরণ থাকে।</p><p>দুঃখজনক হলেও সত্য, স্মরণিকা সম্পাদনা করতে গিয়ে দেখেছি—কোনো কোনো স্কুলের প্রথম স্থান অধিকারী শিক্ষার্থীও জিপিএ-৫ পায়নি, যা উদ্বেগজনক। এই তথ্যেই দেশের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার মানের চিত্র ফুটে ওঠে। তাই রাষ্ট্রকে এই সংকটময় অধ্যায় গভীরভাবে উপলব্ধি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।</p><p>শুধু রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলেই হবে না। সামাজিক ও পারিবারিক নজরদারি বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বলে আমি মনে করি। এত দিন আমরা শুধু দেশের আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে উদ্বিগ্ন ও উৎকণ্ঠিত হয়েছি। কিন্তু সামাজিক অবক্ষয়ের নানা দিকের পাশাপাশি মানহীন শিক্ষা ও নজরদারির অভাবও স্পষ্ট। এই ক্রান্তিলগ্নে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফল বিপর্যয় নতুন সংকটের জন্ম দিয়েছে। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/rvhgazayvj">মাধ্যমিক শিক্ষা যেভাবে সংস্কার করা দরকার</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/vlz56033xq">মাধ্যমিক শিক্ষার প্রতি এত অবহেলা কেন</a></aside><p>এর সঙ্গে হতাশাজনিত আত্মহত্যার মতো ঘটনাও যুক্ত হতে পারে, যা কখনোই কাম্য নয়।</p><p>সুতরাং শুধু সরকারের মুখাপেক্ষী না থেকে সুশিক্ষিত সমাজ গড়ে তুলতে প্রতিটি পরিবার ও অভিভাবককে সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা ভেবে তাকে মানবিক মূল্যবোধে গড়ে তুলতে এবং পড়াশোনায় মনোযোগী করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। কারণ, সবার আগে বাংলাদেশ গড়তে হলে চাই আলোকিত মানুষ, যারা গড়বে আগামী বাংলাদেশ।</p><ul><li><p><strong>ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্ত্তী</strong> ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা এবং ইউনিভার্সেল মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেড, ব্রাহ্মণবাড়িয়া</p><p><br>*মতামত লেখকের নিজস্ব</p></li></ul>
স্কুল-কলেজজীবনের দুরন্ত দিনের গল্প দিয়ে শুরু হওয়া এ আড্ডায় এরপর উঠে এসেছে চট্টগ্রামের পুরোনো দিনের স্মৃতি, বর্তমান জীবনের নানা অভিজ্ঞতা আর অর্জনের গল্প। রীতিমতো জমে ওঠে আসর। এর মধ্যেই গানের কলি আর কৌতুকের ঝলকে হাসির রোল পড়ে যায়। পাশাপাশি চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার মজাদার সংলাপ আড্ডার আমেজ আরও বাড়িয়ে তোলে।
তিন দশকের রাজত্ব, আজও অপ্রতিদ্বন্দ্বী বলিউড বাদশা শাহরুখ খান
ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলপিজির ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম আবারো বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরি নির্ধারণের দাবিতে সোমবারও, মিরপুর, আশুলিয়া ও গাজীপুরে সকাল থেকে বিক্ষোভ করছেন পোশাক শ্রমিকরা। বিস্তারিত বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...
ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধিসহ কয়েকদফা দাবিতে গত কয়েকদিনের মতো সোমবারও সকাল থেকে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ করেছে পোশাক শ্রমিকরা। এসময় কয়েকটি স্থানে পুলিশের সাথে শ্রমিকদের সংঘর্ষ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
দিল্লির রামলীলা ময়দানে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইন্ডিয়া ব্লকের রোববারের সমাবেশ একদিকে যেমন ছিল বিজেপি-বিরোধী শিবিরের ঐক্য ও শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চ, অন্যদিকে শরিক দলগুলোর কাছে নিজস্ব রাজনৈতিক সমীকরণ সাজানোর একটা সুযোগ বলে অনেকে মনে করছেন।
যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন কী, কখন হবে, কেন দেশটির ভোটাররা ভোট দিচ্ছেন আর নির্বাচনে ভোটারদের কাছে কোন বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় রয়েছে - এক নজরে তাই দেখে নিতে পারবেন এখানে।
রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় দেশেরই ইমারজেন্সি ওয়ার্নিং সিস্টেম বা জরুরি সতর্কতা ব্যবস্থা সাইবার হামলার শিকার হয়েছে। মস্কোর ইমারজেন্সি বা দূর্যোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের অ্যালার্ট অ্যাপে একটি "বড় ধরনের সাইবার হামলা" চালানো হয়েছে, যার মাধ্যমে হ্যাকাররা ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে দিতে পারতো।
আজ সোমবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকাগুলোয় প্রাধান্য পেয়েছে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিক অসন্তোষে ঢাকা, সাভার ও গাজীপুরে সহংসিতার খবর। এর বাইরে উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল নিয়ে এখনও চলছে বিশ্লেষণ। সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনার তদন্তও আছে আলোচনায়।
বাংলাদেশে যেসব এলাকায় শীত বেশি থাকে সেসব এলাকায় পেঁয়াজ বেশি জন্মায়। এর মধ্যে পাবনা, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, রংপুর, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, শরিয়তপুর ও মাদারীপুরসহ বেশ কিছু জেলায় মুড়িকাটা পেঁয়াজের চাষ হচ্ছে এবং এটি প্রতিবছরই বাড়ছে। মুড়িকাটা পেঁয়াজ আসলে কেমন? এ নিয়ে কেন আগ্রহী কৃষকরা?
সংকট সমাধানে বাংলাদেশের সরকার নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা দেওয়ার পরও ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় বিক্ষোভ ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে রোববার রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, শ্রমমন্ত্রীসহ সরকারের কয়েকজন মন্ত্রীর সাথে জরুরি বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মা ইলিশের প্রজনন মৌসুমে নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়ার পরিবেশ নিশ্চিত করতে পরিচালিত ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬’-এ আকাশপথে নজরদারি চালিয়েছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী।
রাজবাড়ীর পদ্মা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়া দুটি কাতল ও একটি বাঘাইড় মাছ ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। মাছ তিনটির মোট ওজন ৭২ কেজি।
ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মাসিক মজুরির দাবিতে গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে চলমান শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে পৃথক তিনটি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় প্রায় ৪ হাজার মানুষকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে শিল্প পুলিশের পক্ষ থেকে দুটি এবং গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নাটকের শুটিং সেটে গোপনে ধারণকৃত অভিনয়শিল্পীদের নানা মুহূর্তের ভিডিও প্রায়ই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে।
ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ, ব্ল্যাকলিস্টিং ও শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ায় পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলের পর অনেকটাই থেমে গেছে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ব্যাটারিচালিত তিন চাকার স্বল্পগতির রিকশা (ই-রিকশা) চলাচলে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, যানজট হ্রাস এবং নিরাপদ নগর পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
শাহরুখ খানের আসন্ন সিনেমা ‘কিং’-এর নতুন গান ‘তু মিল জায়ে’ প্রকাশের পর আলোচনায় দীপিকা পাড়ুকোনের গেরুয়া পোশাক।
ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে শুরু হওয়া এ বিক্ষোভ একপর্যায়ে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ভাঙচুরে রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্য, সাংবাদিক ও বিএনপির নেতা-কর্মীসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।