ফুটবল

জয় দিয়ে এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগ শেষ করল ফর্টিস এফসি

অক্টোবর ২৩, ২০২৬
জয় দিয়ে এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগ শেষ করল ফর্টিস এফসি
জয় দিয়ে এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগ শেষ করল ফর্টিস এফসি
এর আগে কুয়েতের আল-কাদসিয়া ক্লাবের কাছে ৩-০ ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল ফর্টিস। দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের এফসি গোয়ার কাছে হারে ২-১ ব্যবধানে।

Prothomalo

View more
রিকশাচালক হত্যা মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে দীপু মনি
রিকশাচালক হত্যা মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে দীপু মনি

<p>জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর বাড্ডা থানা এলাকায় রিকশাচালক হাফিজুল শিকদারকে হত্যার মামলায় সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এদিন দুই দিনের রিমান্ড শেষে দীপু মনিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ঢাকা মেট্রো উত্তরের পরিদর্শক রিদুয়ানুল হক।</p><p>বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) কামাল উদ্দিন। তিনি বলেন, ২০২৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জি এম ফারহান ইশতিয়াকের আদালত এই মামলায় দীপু মনির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। চলতি বছরের অক্টোবর মাসে তদন্তকারী কর্মকর্তা তাঁর এই রিমান্ড কার্যকর করার জন্য আদালতে আবেদন করেন।</p><p>আদালত আবেদন গ্রহণ করে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে রিমান্ড কার্যকর করার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বুধবার দীপু মনিকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শুক্রবার তাঁকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে আদালত দীপু মনিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।</p><p>মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২০ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর বাড্ডার প্রগতি সরণি এলাকায় যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করছিলেন অটোরিকশাচালক হাফিজুল শিকদার (২৮)। এ সময় আন্দোলন দমনে আসামিদের ছোড়া গুলিতে তিনি নিহত হন। এ ঘটনায় ওই বছরের ২১ আগস্ট হাফিজুলের বাবা মো. আবুবকর শিকদার বাদী হয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩০০ থেকে ৪০০ জনকে আসামি করে বাড্ডা থানায় মামলা করেন।</p>

অক্টোবর ২৪, ২০২৬
জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ জিতল আফগানিস্তান
জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ জিতল আফগানিস্তান

এর আগে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে বাংলাদেশকে ১৬০ রানে আটকে দিয়েও আফগানরা জিতেছিল ৭ উইকেটে।

অক্টোবর ২৪, ২০২৬
কক্সবাজারে আবারও হোটেলে আগুন
কক্সবাজারে আবারও হোটেলে আগুন

কক্সবাজারে আবারও হোটেলে আগুন

অক্টোবর ২৩, ২০২৬
মেলানিয়া ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ইউক্রেনের ওলেশকি শহরে যুদ্ধবিরতি: হোয়াইট হাউস
মেলানিয়া ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ইউক্রেনের ওলেশকি শহরে যুদ্ধবিরতি: হোয়াইট হাউস

<p>যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে একটি ‘যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করেছেন’ বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলের ওলেশকি শহরে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। শহরটি ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে রাশিয়ার দখলে রয়েছে।</p><p>হোয়াইট হাউস থেকে শুক্রবার এই ঘোষণার পর ইউক্রেনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, শিগগিরই ওলেশকিতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। অন্যদিকে ক্রেমলিনের একজন মুখপাত্র বলেছেন, রণাঙ্গনে এটি বাস্তবায়নের সময় নির্ধারণ নিয়ে সামরিক বাহিনী কাজ করছে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন সম্প্রতি যুদ্ধ বন্ধে নতুন করে কূটনৈতিক উদ্যোগ শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে এমন ঘোষণা এল। এই কৌশলের অধীনে ইউক্রেনের ওপর চাপ বাড়ানো হচ্ছে। একই সঙ্গে সম্প্রতি রাশিয়াকে বেশ কিছু ছাড়ও দেওয়া হয়েছে।</p><p>হোয়াইট হাউস থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মেলানিয়া ট্রাম্প বলেন, ওলেশকির পরিস্থিতি অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। ওলেশকি একটি সম্মুখযুদ্ধের শহর, যা ধ্বংসের প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে। তিনি বলেন, ‘ওলেশকির সাধারণ মানুষ সীমিত বিদ্যুৎ পাচ্ছেন, মাইন পাতা সড়কের মধ্যে বসবাস করছেন এবং নিয়মিত সামরিক হামলার শিকার হচ্ছেন। এটি একদম স্পষ্ট ছিল যে আমার হস্তক্ষেপ ছাড়া শহরে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং প্রবীণদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া অসম্ভব হতো।’</p><p>ফার্স্ট লেডি আরও জানান, তাঁর প্রতিনিধিরা স্থানীয় পর্যায়ে এই ‘যুদ্ধবিরতির শর্তগুলো নির্ধারণ করতে সরাসরি রাশিয়া ও ইউক্রেনের নেতৃত্বের সঙ্গে কাজ করেছেন।’</p><p>মেলানিয়া বলেন, শহরের সাধারণ মানুষের কাছে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে দুই দেশের বেসামরিক নেতারা একসঙ্গে কাজ করবেন।</p><p>যুদ্ধের আগে ওলেশকি শহরের জনসংখ্যা ছিল ২৪ হাজার। শহরটি যুদ্ধক্ষেত্রের দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণ শুরুর প্রথম দিনেই শহরটি দখল করে নেয়। এর পর থেকে শহরটি গোলযোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে রয়েছে।</p>

অক্টোবর ২৩, ২০২৬
বিদ্যুৎ ও পানি বন্ধ, উচ্ছেদ-আতঙ্কের মধ্যেই দিল্লির শতবর্ষী মসজিদে জুমার নামাজ পড়লেন মুসল্লিরা
বিদ্যুৎ ও পানি বন্ধ, উচ্ছেদ-আতঙ্কের মধ্যেই দিল্লির শতবর্ষী মসজিদে জুমার নামাজ পড়লেন মুসল্লিরা

<p>প্রশাসনের উচ্ছেদ–আতঙ্ক, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ বন্ধ এবং কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেও ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির ঐতিহাসিক রেসকোর্স মসজিদে জুমার নামাজ পড়েছেন মুসল্লিরা। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের কাছে অবস্থিত শতাব্দীপ্রাচীন এই মসজিদ ঘিরে বেশ কিছুদিন ধরেই উত্তেজনা বিরাজ করছে। মসজিদটির চারপাশের ধ্বংসস্তূপ পেরিয়েই আজ শুক্রবার সেখানে জড়ো হন সাধারণ মুসল্লিরা।</p><p>নামাজ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হলেও মুসল্লিদের একটি বড় অংশের মধ্যে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ লক্ষ করা গেছে। তাঁদের অভিযোগ, প্রশাসন পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে।</p><p>রেসকোর্স মসজিদটিকে অবৈধ ঘোষণা করে সম্প্রতি উচ্ছেদের নোটিশ জারি করে স্থানীয় প্রশাসন। এরপর নির্ধারিত সময়সীমা পার হওয়ার আগেই মসজিদসংলগ্ন এলাকায় বুলডোজার চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বেশ কিছু বসতবাড়ি ও দোকানপাট। সেখানকার বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শুধু রাজধানী দিল্লিতেই নয়, ভারতের পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায়ও অবৈধ দখলের অভিযোগ তুলে মূলত মুসলিমদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে, যাঁদের একটি বড় অংশই বাংলাভাষী মুসলিম।</p><p>উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শুক্রবার রেসকোর্স মসজিদ ও এর আশপাশের এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১৬৩ ধারা জারি করা হয়। ফলে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির জমায়েত এবং যেকোনো ধরনের বিক্ষোভের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। তবে জুমার নামাজের নির্ধারিত সময়ে পুলিশ কিছুটা নমনীয় হয়ে মুসল্লিদের মসজিদে প্রবেশ ও নামাজ আদায়ের অনুমতি দেয়।</p><p>নামাজ শেষে আম আদমি পার্টির (আপ) নেতা আমানতউল্লাহ খান দাবি করেন, দিল্লি ওয়াক্‌ফ বোর্ড, এনডিএমসি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। ঐতিহাসিক এই মসজিদ পুরোপুরি সুরক্ষিত রয়েছে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন। স্থানীয় মুসল্লি ও তাঁদের সমর্থকেরা মসজিদে নামাজ পড়তে পেরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং আলোচনার মাধ্যমে এই সংকটের স্থায়ী সমাধান হবে বলে আশা করছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-23/3eq22inx/Race-Course-Masjid-2.JPG"><figcaption>বুলডোজার দিয়ে একাধিক বসতবাড়ি ও দোকান গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর রেসকোর্স মসজিদের চারপাশের দৃশ্য। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ইট ও কংক্রিটের ভগ্নস্তূপ</figcaption></figure><p>তবে উপস্থিত অনেক মুসল্লি তাঁদের ক্ষোভ গোপন করেননি। বিহার থেকে আসা আশরাফুল খান বলেন, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় সম্প্রদায় হওয়া সত্ত্বেও মুসলিমদেরই বেছে বেছে নিশানা করা হচ্ছে। একই অভিযোগ তুলে আমানুল্লাহ নামের এক যুবক বলেন, ‘এর চেয়ে বরং সরকার সরাসরি বলে দিক যে মুসলিমরা এ দেশে অবাঞ্ছিত। তাদের জন্য প্রশাসনের কোনো সহমর্মিতা নেই।’</p><p>পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা ও দিল্লিতে কর্মরত বাগান পরিচর্যাকারী মইদুল আলম সেখানকার ভীতিজনক পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে বলেন, ‘আলো নেই, পানি নেই, পাশে শুধু ভগ্নস্তূপ। মসজিদ চত্বরে যেন আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আমাদের নামাজ পড়ানোর সময় ইমাম সাহেবের চোখে পানি এসে গিয়েছিল। আমরা সকলেই তা দেখে খুবই বিষণ্ন হয়ে পড়েছি।’</p><p>৭ অক্টোবর মসজিদটির বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এরপর ১৫ অক্টোবর দিল্লি হাইকোর্টে সংযোগ পুনর্বহালের আবেদন জানানো হলে আদালত তা খারিজ করে দেন। আদালত জানান, ভূমি ও উন্নয়ন দপ্তর ওই এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে; তাই এ অবস্থায় বিদ্যুৎ সংযোগ ফিরিয়ে দিলে তা জননিরাপত্তার জন্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে। আদালতের এই আদেশের পর থেকেই এলাকাটিতে আধা সামরিক বাহিনী ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।</p><p>মসজিদের ইমাম মৌলভি হারুনের অভিযোগ, ১৭ অক্টোবর ভূমি ও উন্নয়ন দপ্তরের এক কর্মকর্তা তাঁকে মাত্র ছয় দিনের মধ্যে মসজিদ খালি করে দেওয়ার মৌখিক নির্দেশ দিয়েছেন। ইমামের দাবি, এটি ওয়াক্‌ফ তালিকাভুক্ত নিবন্ধিত সম্পত্তি এবং এর সপক্ষে বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। পরিষেবা বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর থেকে তাঁরা জেনারেটর চালিয়ে কার্যক্রম সচল রেখেছেন।</p><p>অন্যদিকে সরকারি সূত্রের দাবি, মসজিদ কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো উচ্ছেদ নোটিশ দেওয়া হয়নি। এর আগে দিল্লি ওয়াক্ফ বোর্ড কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ঘটনায় এনডিএমসির কাছে লিখিত প্রতিবাদ জানিয়েছিল। তবে আদালত জানিয়েছেন, মসজিদের ইমাম ব্যক্তিগতভাবে এই রিট করার আইনি অধিকার (লোকাস স্ট্যান্ডাই) রাখেন না এবং ওয়াক্‌ফ বোর্ড সরাসরি আদালতের দ্বারস্থ হয়নি।</p>

অক্টোবর ২৩, ২০২৬
পুলিশের কাছ থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকে ছাড়িয়ে নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি ও ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে
পুলিশের কাছ থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকে ছাড়িয়ে নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি ও ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে

<p>ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে পুলিশের অভিযানে আটক হওয়া নিষিদ্ধঘোষিত উপজেলা ছাত্রলীগের এক নেতাকে ছাড়িয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদল এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে।</p><p>আজ শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার সরিষা ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় একটি ফুটবল খেলার মাঠের কাছে এ ঘটনা ঘটে।</p><p>ছাড়িয়ে নেওয়া নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ওই নেতার নাম রিয়াজুল আলম ওরফে শাহীন (৩০)। তিনি ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি উপজেলার সোহাগী ইউনিয়নের বগাপুতা গ্রামের বাসিন্দা।</p><p>পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রিয়াজুল আলমের বিরুদ্ধে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় তিনটি মামলা রয়েছে। ২০২৬ সালের ১২ আগস্ট ও ২০২৫ সালের ৫ জানুয়ারি সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দুটি এবং ২০১৬ সালের ২ আগস্ট মাদক আইনে তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়।</p><p>স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বেলা তিনটায় সরিষা ডেকুয়ারচর দাখিল মাদ্রাসা মাঠে রঙতরঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে বিবাহিত ও অবিবাহিতদের মধ্যে একটি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়। খেলাটির উদ্বোধন করেন সরিষা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এমদাদুল্লাহ খান জামান। খেলা দেখতে সেখানে উপস্থিত হন ছাত্রলীগ নেতা রিয়াজুল।</p><p>পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আঠারবাড়ী রায়েরবাজার পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় রিয়াজুলকে আটক করা হলে রঙতরঙ্গ সংগঠনের কয়েকজন সদস্য বাধা দেন। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে সেখানে উপস্থিত লোকজনের ধস্তাধস্তি হয়।</p><p>ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ রোমন বলেন, রিয়াজুলের বিরুদ্ধে মাদক, নাশকতাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তাঁকে আটক করতে গেলে স্থানীয় বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকজন পুলিশের কাছ থেকে তাঁকে নিয়ে যান। তাঁদের মধ্যে বিএনপির স্থানীয় নেতা স্বপন ও মিলন এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।</p><p>ওসি আরও বলেন, ধস্তাধস্তি হলেও পুলিশের কোনো সদস্য আহত হননি। রিয়াজুলকে হাতকড়া পরানোর সুযোগ পুলিশ পায়নি। পুলিশের অতিরিক্ত দল ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই তাঁকে ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।</p><p>জানতে চাইলে সরিষা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নূর আহাম্মদ ওরফে মিলন মিয়া বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি সেখানে ছিলাম না। দূরে চায়ের স্টলে ছিলাম। ছেলেটা আওয়ামী লীগ করায় পুলিশ ধরার পর ধস্তাধস্তি হতে দূর থেকে দেখেছি। আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা উদ্দেশ্যমূলকভাবে আমার নাম ছড়াচ্ছে।’</p><p>অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সরিষা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হারুন অর রশিদ স্বপনও। তিনি বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা। ব্যক্তিগত শত্রুতার কারণে এ ঘটনায় তাঁর নাম জড়ানো হচ্ছে। তিনি পুলিশকে বারবার আটক ব্যক্তিকে নিয়ে যেতে বলেছেন।</p><p>ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে আজ রাত সাড়ে ১০টার দিকে সরিষা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এমদাদুল্লাহ খান জামান বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা থানায় অবস্থান করছি। বিস্তারিত পরে বলা হবে।’ এ কথা বলেই ফোন কেটে দেন তিনি।</p>

অক্টোবর ২৩, ২০২৬
এবার লন্ডনে সাবেক ভূমিমন্ত্রীর ভাইয়ের দেড় কোটি পাউন্ডের ফ্ল্যাট জব্দ
এবার লন্ডনে সাবেক ভূমিমন্ত্রীর ভাইয়ের দেড় কোটি পাউন্ডের ফ্ল্যাট জব্দ

<p>যুক্তরাজ্যের লন্ডনের রিজেন্টস পার্কের কাছে দেড় কোটি পাউন্ড মূল্যের একটি ফ্ল্যাট বিক্রি বা অন্য কারও কাছে হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন দেশটির হাইকোর্ট। ওই ফ্ল্যাটের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি প্রভাবশালী পরিবারের সংশ্লিষ্টতা তদন্তের অংশ হিসেবে এ আদেশ দেওয়া হয়েছে।</p><p>অর্থ পাচার করে ফ্ল্যাটটি কেনা হয়ে থাকতে পারে, এমন সন্দেহে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ) এ বিষয়ে তদন্ত করছে। ২০২৩ সালে ফ্ল্যাটটি কেনার অর্থ কোথা থেকে এসেছে, তার সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি এর প্রকৃত মালিক। যুক্তরাজ্যের দুর্নীতিবিরোধী আইনের আওতায় এ ধরনের ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে সম্পদটি অবৈধ উপায়ে অর্জিত হয়েছে বলে ধরে নেওয়ার আইনি ভিত্তি তৈরি হতে পারে। খবর ফিন্যান্সিয়াল টাইমস’র।</p><p>লন্ডনের রিজেন্টস পার্ক এলাকায় অবস্থিত ওই ফ্ল্যাটের সঙ্গে বাংলাদেশের সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ভাই আনিসুজ্জামান চৌধুরী ‘রনি’র সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এবং তা পাচার করা অর্থে কেনা হয়ে থাকতে পারে এমন অভিযোগে সেটি বিক্রি বা হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের হাইকোর্ট। ফ্ল্যাটটির মূল্য দেড় কোটি পাউন্ড।</p><p>তদন্তে ফ্ল্যাটটির মালিকানা গোপন রাখার উদ্দেশ্যে জটিল ব্যবস্থা নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে মাত্র এক পাউন্ডের বিনিময়ে কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তর কর হয়। এটি কেনার অর্থের উৎসও ব্যাখ্যা করতে পারেননি আনিসুজ্জামান চৌধুরী।</p><p>এটি যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সির (এনসিএ) বৃহত্তর তদন্তের অংশ। এর আগে ২০২৫ সালের জুনে বাংলাদেশের সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ১৮ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড মূল্যের সম্পদ জব্দের আদেশ দেওয়া হয়। তাঁর এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পদের উৎস ব্যাখ্যা করার জন্যও আদালতের আদেশ নেওয়া হয়।</p><p><strong>মালিকানা ও অর্থের উৎস নিয়ে তদন্তের পর আদালতের আদেশ</strong></p><p>যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহে দেশটির ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ) হাইকোর্ট থেকে ফ্ল্যাটটির ওপর নিষেধাজ্ঞার আদেশ পেয়েছে।</p><p>আদালতে এনসিএ জানায়, ফ্ল্যাটটির সঙ্গে অর্থ আত্মসাৎ, দুর্নীতি, প্রতারণা ও অর্থ পাচারের সন্দেহজনক সম্পর্ক রয়েছে। সংস্থাটির দাবি, ফ্ল্যাটটির প্রকৃত মালিক আনিসুজ্জামান ‘রনি’ চৌধুরী। তাঁর কোম্পানি যে অর্থ দিয়ে ফ্ল্যাটটি কিনেছে, সেই অর্থের উৎস তিনি ব্যাখ্যা করতে পারেননি।</p><p>এনসিএর একজন তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে লিখিত সাক্ষ্য দেন। তিনি বলেন, ফ্ল্যাটটির প্রকৃত মালিকানা আড়াল করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে জটিল মালিকানা কাঠামো তৈরি করা হয়েছে।</p><p>২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ফ্ল্যাটটির শেয়ার মাত্র এক পাউন্ডের বিনিময়ে তৃতীয় একটি পক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।</p><p>এনসিএর অভিযোগ, এই ব্যবস্থার উদ্দেশ্য ছিল আনিসুজ্জামান চৌধুরীর নিয়ন্ত্রণ গোপন করা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, শেষ পর্যন্ত সম্পদটির মালিকানা তাঁর স্ত্রী ও দুই মেয়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা ছিল।</p><p>বিচারপতি কারেন স্টেইন রায়ে বলেন, ফ্ল্যাটটি অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে কেনা হয়েছে—এমন দাবি করার যথেষ্ট যুক্তিসংগত ভিত্তি রয়েছে। এ কারণে তিনি ফ্ল্যাটটির ওপর নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন।</p><p>তবে বাড়িওয়ালা যাতে ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে সম্পত্তির দখল ফিরে পাওয়ার জন্য আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন, সে সুযোগ রাখা হয়েছে।</p><p>আদালতে আনিসুজ্জামান চৌধুরীর আইনজীবীরা নিষেধাজ্ঞার আদেশের বিরোধিতা করেননি।</p><p>তবে আনিসুজ্জামান চৌধুরী দাবি করেছেন, তিনি কোনো বেআইনি কাজ করেননি। সম্পদের মালিকানা গোপন করার অভিযোগও অস্বীকার করেছেন তিনি।</p><p>আনিসুজ্জামান চৌধুরী জানান, ভবিষ্যতে সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার জন্য কোনো দেওয়ানি মামলা হলে তিনি জোরালোভাবে তা মোকাবিলা করবেন। তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য দেওয়া হলেও তিনি আইনি ব্যবস্থা নেবেন।</p><p><strong>বাংলাদেশ-সংশ্লিষ্ট সম্পদের তদন্তের পরিধি বাড়ছে</strong></p><p>এই মামলা যুক্তরাজ্যে চলমান একটি বৃহত্তর তদন্তের অংশ। ওই তদন্তে বাংলাদেশের সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সম্পদের বিষয়ও রয়েছে। আনিসুজ্জামান চৌধুরী তাঁর ভাই।</p><p>২০২৫ সালের জুনে এনসিএ সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ১৮ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড মূল্যের সম্পদ জব্দের আদেশ পায়।</p><p>একই সঙ্গে সাইফুজ্জামান চৌধুরী, তাঁর স্ত্রী এবং তাঁদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি কোম্পানির বিরুদ্ধে সম্পদের উৎস ব্যাখ্যা করার জন্য আদালতের আদেশও নেওয়া হয়। যুক্তরাজ্যে এ ধরনের আদেশকে বলা হয় আনএক্সপ্লেইনড ওয়েলথ অর্ডার বা ইউডব্লিউও।</p><p>আদালতে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তাঁর স্বজনেরা ১৯৯২ সাল থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত প্রায় ২৯ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের সম্পত্তির মালিক হন।</p><p>২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদের খোঁজ শুরু করে।</p><p>অন্তর্বর্তী সরকারের অভিযোগ ছিল, শেখ হাসিনার শাসনামলে বাংলাদেশ থেকে অর্থ সরিয়ে বিদেশে বিভিন্ন সম্পদ কেনা হয়েছে।</p><p>যুক্তরাজ্যের ভূমি নিবন্ধন দপ্তরের নথি অনুযায়ী, আনিসুজ্জামান চৌধুরী ২০২৩ সালে রনি ৪২ লিমিটেড নামের একটি কোম্পানির মাধ্যমে রিজেন্টস পার্ক এলাকার ফ্ল্যাটটি কেনেন। তখন এর দাম ছিল ১ কোটি ২৪ লাখ পাউন্ড।</p><p>হাইকোর্টে জানানো হয়, পরে কোম্পানিটির নাম পরিবর্তন করে পিএনএন ইউকে প্রপার্টিজ রাখা হয়।</p><p>এনসিএর আইনজীবীরা আদালতে বলেন, মাত্র এক পাউন্ডে কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তরের বিষয়টি ছিল মূলত একটি সুবিধাজনক ব্যবস্থা। এর সঙ্গে ফ্ল্যাটটি বন্ধক রেখে নেওয়া ঋণ নতুনভাবে অর্থায়নের একটি উদ্যোগের সম্পর্ক ছিল।</p><p>সিঙ্গাপুরভিত্তিক ডিবিএস ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণ পুনঃঅর্থায়নের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে সেই প্রক্রিয়া শেষ পর্যন্ত সম্পন্ন হয়নি।</p><p>এনসিএ আরও জানায়, ঋণ পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে ডিবিএস ব্যাংক এখন ফ্ল্যাটটির দখল নেওয়ার আইনি প্রক্রিয়া চালাচ্ছে।</p>

অক্টোবর ২৩, ২০২৬
ময়মনসিংহে চুরখাই খালের মরণদশা: দখল-বর্জ্যে বন্ধ পানিপ্রবাহ
ময়মনসিংহে চুরখাই খালের মরণদশা: দখল-বর্জ্যে বন্ধ পানিপ্রবাহ

<p>একসময় যে খালে নৌকা চলার পাশাপাশি কৃষিকাজ হতো, সেটি এখন দখল আর বর্জ্যে মৃতপ্রায়। ময়মনসিংহ সদরের চুরখাই খালের পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে...</p><figure></figure>

অক্টোবর ২৩, ২০২৬
শূন্যস্থান
শূন্যস্থান

কথা ছিল একসাথে মেলাব সব সমীকরণ, অথচ শেষে পড়ে রইল কেবলই শূন্যস্থান! নক্ষত্র ঝরে পড়ে নিঝুম আঁধারে, হাওয়ায় হাওয়ায় মেশে অনুভূতির শূন্যস্থান। তুমি তো হারিয়ে গেছ দূর কোনো দিগন্তে, আর আমার আয়ু জুড়ে থেকে গেল এই শূন্যস্থান!

অক্টোবর ২৩, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন