bangladesh

জুমার নামাজ শেষে শিশুদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কুশল বিনিময়

নভেম্বর ৬, ২০২৬
জুমার নামাজ শেষে শিশুদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কুশল বিনিময়
জুমার নামাজ শেষে শিশুদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কুশল বিনিময়
জুমার নামাজ আদায়ের পর শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Prothomalo

View more
চুটকি বাজিয়ে ব্যাটসম্যানকে আউট করানো সেই ক্রিকেটার নিষিদ্ধ, শাস্তি পেল ক্লাবও
চুটকি বাজিয়ে ব্যাটসম্যানকে আউট করানো সেই ক্রিকেটার নিষিদ্ধ, শাস্তি পেল ক্লাবও

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডিভাইনের পরিচিতি ছিল ‘ক্লিকি পন্টিং’ নামে। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিংয়ের নামের সঙ্গে মিল রেখেই তাঁকে এই নামে ডাকতেন অনেকে।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় পুলিশ সদস্যের হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ
মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় পুলিশ সদস্যের হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ

গুরুতর আহত পুলিশ সদস্য আবুল কালামকে আহত অবস্থায় জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর) ভর্তি করা হয়েছে।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী
সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী

<p>বিগত ১৬ বছরের বেশি সময়ে সংঘটিত গুম, খুন ও সব অন্যায়-অবিচারের বিচার করতে সরকার বদ্ধপরিকর বলে উল্লেখ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।</p><p>আজ শুক্রবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে ঢাকা আইনজীবী সমিতির আয়োজনে নবীন আইনজীবীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘যে রক্তাক্ত পথ ধরে আমরা এসেছি, সেই রক্তের পথ অনেক পিচ্ছিল ছিল। বিগত ১৬ বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে আমাদের সাড়ে চার হাজারের বেশি সহযোদ্ধাকে হারিয়েছি, যাঁদের ক্রসফায়ার করা হয়েছে। আমাদের সাত শর বেশি সহযোদ্ধাকে হারিয়েছি, যাঁদের গুম করা হয়েছে। যাঁরা মারা গেছেন, তাঁদের স্বজনেরা এখনো নামাজ পড়ে জায়নামাজে বসে আল্লাহর কাছে কাঁদেন—কখন তাঁর স্বজন ফিরে আসবেন। আমাদের ৬০ লাখের বেশি নেতা–কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা গায়েবি মামলা করা হয়েছিল, যাঁদের অনেকেই ঘটনার ২০ বছর আগে মারা গেছেন। আমরা জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে বাংলাদেশের মাটিতে সব অন্যায়-অবিচারের বিচার করতে চাই। এ ব্যাপারে আমরা বদ্ধপরিকর।’</p><p>নবীন আইনজীবীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা যাঁরা এই পেশায় এসেছেন, আপনাদের বলব, ছোট বারান্দার আইনজীবী হওয়ার চেষ্টা করবেন না। সব সময় বড় বারান্দার আইনজীবী হিসেবে থাকবেন। ছোট বারান্দা হলো জজ সাহেবদের বারান্দা। ওই বারান্দাতে ঢুকে জজ সাহেবের সঙ্গে লেনদেনের দিকে যাবেন না।’</p><p>আইনমন্ত্রী বলেন, নবীন আইনজীবীরা কারও দয়ায় কিংবা তদবিরে নয়, মেধা, শ্রম ও প্রজ্ঞার জোরে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে এ পেশায় এসেছেন।</p><p>আদালত প্রাঙ্গণে দলীয় প্রভাব খাটানোর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এখনো আদালতের সামনে আইনের চেয়ে ক্ষমতার দম্ভ ও দলীয় আধিপত্য দেখানোর চেষ্টা করা হয়। এ অবস্থার অবসান ঘটিয়ে সবাইকে আদালতের সামনে আইনের কথা তুলে ধরতে হবে।</p><p>আইনজীবীদের বিকল্প কর্মসংস্থানের কথা উল্লেখ করে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, প্রতিটি কোম্পানিতে যেন বাধ্যতামূলক একজন করে আইনজীবী রাখা হয়, সে জন্য কোম্পানি আইন সংশোধনের বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এ ছাড়া সারা দেশের প্রায় ৮০ হাজার আইনজীবীর পেশাগত দক্ষতা ও প্রশিক্ষণের জন্য এ বছর মন্ত্রণালয় থেকে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।</p><p>অনুষ্ঠানে আইনজীবীদের পক্ষ থেকে আইনজীবী সুরক্ষা আইনের দাবি তোলা হলে মন্ত্রী বলেন, সুরক্ষা আইন করার আগে বার কাউন্সিলের প্রফেশনাল মিসকন্ডাক্ট ট্রাইব্যুনালগুলোকে আরও গতিশীল করতে হবে। দু-একজন আইনজীবীর অনৈতিক কর্মকাণ্ডের দায় যাতে গোটা আইনজীবী সমাজকে নিতে না হয়, সে জন্য আগে এই ট্রাইব্যুনালগুলোকে শক্তিশালী করা প্রয়োজন।</p><p>ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ, ঢাকার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির, অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন, ভারপ্রাপ্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুর রহমান, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি মো. ইকবাল হোসেন, মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি মো. ওমর ফারুক ফারুকী এবং সমিতির সাধারণ সম্পাদক কালাম খান।</p><p>অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির সিনিয়র সহসাধারণ সম্পাদক মো. ইলতুৎমিশ সওদাগর এ্যানী এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন অফিস সেক্রেটারি মো. আবজাল হোসাইন মৃধা।</p>

নভেম্বর ৬, ২০২৬
আওয়ামী লীগ ও সহযোগীদের উসকানিতে পোশাকশিল্পে অস্থিরতা: রিজভী
আওয়ামী লীগ ও সহযোগীদের উসকানিতে পোশাকশিল্পে অস্থিরতা: রিজভী

<p>পোশাকশিল্পসহ দেশের বিভিন্ন খাতে অস্থিতিশীলতা তৈরির পেছনে পলাতক আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) ও তাদের সহযোগীদের উসকানি রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রুহুল কবির রিজভী বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবিদাওয়া নিয়ে ইতিমধ্যে আলোচনা ও সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। এরপরও কারখানা ভাঙচুর, পুলিশ বক্সে আগুন, গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও একজন শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার মতো ঘটনা ঘটছে। এসব সহিংসতার সঙ্গে প্রকৃত শ্রমিক আন্দোলনের কোনো সম্পর্ক নেই।</p><p>সাম্প্রতিক এসব ঘটনায় জড়িত ও উসকানিদাতা হিসেবে যাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁদের অধিকাংশই যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা উল্লেখ করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে জড়িত কারখানার মালিকদের পরিচয়ও ধীরে ধীরে সামনে আসছে।</p><p>পোশাকশিল্পে অস্থিরতা তৈরির উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিএনপির এই নেতা বলেন, পরাজিত শক্তি কি আবার ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটাতে চায়? নাকি গুম-খুনের পুরোনো সংস্কৃতি আবার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে?</p><p>সংবাদ সম্মেলনে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির সাত দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেন রিজভী। তিনি জানান, দিবসটি উপলক্ষে আগামীকাল শনিবার রাজধানীতে কেন্দ্রীয় শোভাযাত্রা বের করা হবে। নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে শোভাযাত্রাটি মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হবে। এতে উদ্বোধন করবেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p><p>শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে সহিংসতার আশঙ্কা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, বিশৃঙ্খলা বা অরাজকতা মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুরোপুরি সক্ষম ও প্রস্তুত রয়েছে। সাধারণ জনগণও যেকোনো বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে সচেষ্ট থাকবে।</p><p>রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে সংঘাতময় পরিস্থিতি সৃষ্টি না করতে বিরোধী দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানান রিজভী। তিনি বলেন, আগুনে ঘি ঢেলে উত্তেজনা সৃষ্টির উসকানি শেষ পর্যন্ত সব পক্ষের জন্যই ক্ষতিকর হতে পারে।</p>

নভেম্বর ৬, ২০২৬
বারিধারায় বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা
বারিধারায় বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা

<p>রাজধানীর বারিধারা এলাকায় প্রগতি সরণিতে বৈশাখী পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে কেউ হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।</p><p>আজ শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে বারিধারার ‘জে’ ব্লক এলাকায় বাসটিতে আগুন দেওয়া হয়।</p><p>ভাটারা থানা পুলিশ সূত্র জানায়, বৈশাখী পরিবহনের বাসটি সাভার–নতুন বাজার রুটে চলাচল করে। সন্ধ্যার দিকে বাসটি বারিধারা এলাকায় যাত্রী নামানোর কিছু সময় পরে হঠাৎ দুই–তিনজন দুর্বৃত্ত আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হলে বারিধারা ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভায়। আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগেই যাত্রীরা নিরাপদে বের হন। ফলে কেউ হতাহত হননি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-06/h0u9q6ii/WhatsApp_Image_2026_11_06_at_9_11_51_PM.jpeg"><figcaption>আগুনে পুড়ছে বাসটি</figcaption></figure><p>পুলিশ সূত্র আরও জানায়, ঘটনার কাছাকাছি সিসিটিভি (ক্লোজড সার্কিট) ক্যামেরার স্পষ্ট ফুটেজ পাওয়া যায়নি। আশপাশের এলাকার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দুর্বৃত্তদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।</p><p>ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম বলেন, ফায়ার সার্ভিস আগুন নেভানোর পর পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসটি সরিয়ে নিয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাসের চালক ও সহকারীকে থানায় নেওয়া হয়েছে। বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।</p>

নভেম্বর ৬, ২০২৬
সারা দিন বড়শি ফেলে ধরলেন একটি কাতলা, তাতেই জিতে নিলেন দুই লাখ টাকা
সারা দিন বড়শি ফেলে ধরলেন একটি কাতলা, তাতেই জিতে নিলেন দুই লাখ টাকা

সকাল থেকে বড়শি ফেলে অপেক্ষায় থাকলেও কাতলা মাছটি ধরার আগে–পরে আর কোনো মাছ শিকার করতে পারেননি নাছির। তবে শেষ হাসিটি হাসলেন তিনিই।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
কেয়ারটেকার মানেন নাই, মেনেছেন; সংস্কার মানেন নাই, মানতে হবে: জামায়াত আমির
কেয়ারটেকার মানেন নাই, মেনেছেন; সংস্কার মানেন নাই, মানতে হবে: জামায়াত আমির

<p>সরকারকে গণভোটের রায় মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘কেয়ারটেকার মানেন নাই?... মেনেছেন। সংস্কার মানেন নাই?...মানতে হবে।’</p><p>আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর মগবাজারের আল ফালাহ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুর রহমান এ কথা বলেন। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াত এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।</p><p>আলোচনা সভায় জামায়াত আমির বলেন, নির্বাচনের আগে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিএনপি। কিন্তু এখন তারা গণভোটের রায় মানছে না; বাকশালি ধারায় ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছে। ইতিমধ্যে সে আয়োজন ষোলো কলায় পূর্ণ হতে চলেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের সব কটি সংসদের প্রথম অধিবেশনে তোলা হয়নি উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন, যেসব অধ্যাদেশ আইনে পরিণত হলে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার পথ বন্ধ হতো, সেগুলোর মধ্য থেকে ২০টি সরকার বাদ দিয়েছে।</p><p>বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশনসহ সব জায়গায় সরকার দলীয়করণ করেছে অভিযোগ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করা শুরু হয়েছে। দুদকের চেয়ারম্যানকে সরিয়ে যাঁকে বসানো হয়েছে, তাঁর আমলনামা এর মধ্যেই জাতি জানতে পেরেছে; এমন মানুষ দিয়ে দুর্নীতি দমন করা অসম্ভব। পিএসসির চেয়ারম্যান ও দুজন সদস্যকে চায়ের দাওয়াত দিয়ে বিদায় দেওয়া হয়েছে।</p><p>শফিকুর রহমান বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যে সরকার এমন কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেগুলোর প্রতিবাদ না করলে বিরোধী দল হিসেবে অর্পিত দায়িত্বের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হবে। এ দেশে বিপ্লব বারবার আসবে, দেশের ৫৫ বছরের ইতিহাস সেটির প্রমাণ।</p><p>সরকারকে ভুল পথ থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আধিপত্যবাদের বিরোধিতার কথা বললেও মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নিয়ে সরকার কী করেছে, তা জাতির সামনে স্পষ্ট করতে হবে। অদৃশ্য কোনো চুক্তি দেশের মানুষ মানবে না।</p><p>জামায়াত আমির আরও বলেন, সামরিক অফিসাররা তাঁদের প্রতি উপহাস ও অপমানের প্রতিশোধ নিতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ঘটনা ঘটিয়েছিলেন। এর পর থেকে ওই বছরের ৩ নভেম্বর পর্যন্ত ক্ষমতার উত্থান–পতন ও অনেক পালাবদল হয়। ৩ নভেম্বর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ মোশাররফ পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটান। তবে সামরিক কর্মকর্তারা সে পাল্টা অভ্যুত্থান ব্যর্থ করে দেন।</p><p>৭ নভেম্বরের ইতিহাস প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, ‘৩ থেকে ৬ নভেম্বর জিয়াউর রহমান বন্দী ছিলেন। এ ক্ষেত্রে তাঁর কোনো অবদান নেই, তিনি নিরুপায় ছিলেন। তাঁকে সিপাহিরাই ৭ নভেম্বর মুক্ত করে এনেছিলেন। বিপ্লব সিপাহিরা করেছিল, সংহতি জানিয়েছিল সাধারণ জনগণ। এ জন্যই দিবসটির নাম হয়েছে বিপ্লব ও সংহতি দিবস।’</p><p>বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ৭ নভেম্বরের পর জিয়াউর রহমান ধীরে ধীরে রাষ্ট্রপতি হলেন এবং বিএনপি গঠনের কাজে এগিয়ে গেলেন। ১৯৭১ সালে বিএনপি ছিল না, ১৯৭৫ সালেও ছিল না। তবে দুই সময়েই জিয়াউর রহমান ছিলেন। তাঁকে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে গুলি করে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আশপাশে থাকা তাঁর দলের কারও কিছু হলো না। সবকিছুই রহস্য থেকে গেল।</p><p>ইতিহাসে যাঁর যা অবদান রয়েছে, তাঁকে সেই স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা কারও অবদানকে ছোট করে দেখার পক্ষে নই। স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে মারামারিতে আমরা নাই। যিনি ঘোষণা দিয়েছেন, বাংলাদেশ সেটা শুনেছে। আবার স্বাধীনতার পতাকা একজন তরুণ নেতা সেদিন উড়িয়েছিলেন। এটা এখন আর আলোচনায় আসে না। জনাব আ স ম আবদুর রব। তাঁর নামটি কিন্তু কেউ বলে না। বললে নিজের ক্রেডিট চলে যায়।’</p><p>বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সফল নেতৃত্ব দিয়েছিলেন জেনারেল এম এ জি ওসমানী। তাঁর নামটি কি কেউ এখন মুখে নেয়? এটা নিলে নিজের এবং নিজের দলের কোনো কৃতিত্ব থাকে না। এসব হীনম্মন্যতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। যাঁর যেখানে অবদান, তাঁর স্বীকৃতি দিতে হবে।’</p><p>ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের আমির সেলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সহকারী সেক্রেটারি নাজিম উদ্দিন মোল্লার সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। সভায় আরও বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের নায়েবে আমির আবদুর রহমান মূসা ও গোলাম মোস্তফা, সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, ফখরুদ্দিন মানিক ও ইয়াসিন আরাফাত।</p>

নভেম্বর ৬, ২০২৬
গোল করেই কেন কেঁদেছিলেন ইব্রাহিম
গোল করেই কেন কেঁদেছিলেন ইব্রাহিম

বাংলাদেশ দলে এখনো নির্ভরযোগ্য একজন স্বীকৃত স্ট্রাইকারের অভাব। ইব্রাহিমকে সেই ভূমিকায় খেলানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ইতিহাস গড়লেন ৭ মুসলিম
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ইতিহাস গড়লেন ৭ মুসলিম

<p>যুক্তরাষ্ট্রে গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত মধ্যবর্তী নির্বাচনে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে। কংগ্রসের উভয় কক্ষে অন্তত সাতজন মুসলিম আইনপ্রণেতা জয় পেয়েছেন। নাগরিক অধিকার রক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও পররাষ্ট্রনীতি ছিল প্রার্থীদের প্রচারের মূল বিষয়। এই নির্বাচনের ফল ওয়াশিংটনে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিয়েছে। ডেমোক্রেটিক দল রিপাবলিকানদের হারিয়ে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ উভয়ের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে। নবনির্বাচিত ও পুনর্নির্বাচিত কয়েকজন আইনপ্রণেতা আন্তর্জাতিক আইনের মানদণ্ড বজায় রাখা, মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা এবং গাজায় চলমান গণহত্যার মধ্যে ইসরায়েলকে নিঃশর্ত মার্কিন সামরিক সহায়তা বন্ধের বিষয়গুলোও তাঁদের প্রচারে গুরুত্ব দিয়েছেন।</p><p><strong>আবদুল আল-সাইয়েদ</strong></p><p>৪২ বছর বয়সী ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল আল-সাইয়েদ যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সিনেটে প্রথম নির্বাচিত মুসলিম। তিনি সাবেক রিপাবলিকান প্রতিনিধি মাইক রজার্সকে হারিয়েছেন। অবসরে যাওয়া সিনেটর গ্যারি পিটার্সের ছেড়ে দেওয়া আসনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনী প্রচারের সময় তিনি রিপাবলিকান পার্টি ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দিক থেকে মুসলিম পরিচয় নিয়ে আক্রমণের শিকার হন।</p><p>গত আগস্টে ডেমোক্র্যাট প্রাইমারিতে জয়ী আল-সাইয়েদ ইসরায়েলকে নিঃশর্ত অস্ত্র সরবরাহের সমালোচনা করেন এবং গাজায় সামরিক অভিযানকে গণহত্যা বলে আখ্যা দেন। নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে প্রাইমারিতে আল-সাইদের কাছে হেরে যাওয়া হ্যালি স্টিভেন্স রিপাবলিকান প্রার্থী রজার্সকে সমর্থন দেন। গাজা নিয়ে আল-সাইয়েদের বক্তব্যের বিরোধিতা করে তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন।</p><p><strong>ইলহান ওমর</strong></p><p>ডেমোক্র্যাট নেত্রী ইলহান ওমর মিনেসোটার পঞ্চম কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে পঞ্চমবারের মতো জয় পেয়েছেন। তিনি রিপাবলিকান জন নাগেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ডেভলে জ্যাকসনকে পরাজিত করেন। ইলহান ১২ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন। তিনি ২০১৯ সালে দেশটির প্রথম সোমালি-আমেরিকান ফেডারেল আইনপ্রণেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন। রাজনৈতিক আক্রমণের শিকার হলেও তিনি মার্কিন অস্ত্র বিক্রির ওপর নজরদারি ও মানবিক সহায়তার পক্ষে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন।</p><p><strong>রশিদা তালিব</strong></p><p>ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত ডেমোক্র্যাট প্রার্থী রশিদা তালিব মিশিগানের ১২তম ডিস্ট্রিক্ট থেকে পঞ্চমবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি রিপাবলিকান প্রার্থী জেমস হুপারকে পরাজিত করেন। রশিদা কংগ্রেসের ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত একমাত্র মার্কিন সদস্য। তিনি অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনের প্রয়োগ, সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের পক্ষে সোচ্চার ভূমিকা রেখেছেন।</p><p><strong>অ্যাডাম হামাভি</strong></p><p>৫৬ বছর বয়সী ডেমোক্র্যাট প্রার্থী অ্যাডাম হামাভি নিউ জার্সির ১২তম কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি রিপাবলিকান গ্রেগ মেলেককে হারিয়ে নিউ জার্সি থেকে কংগ্রেসে প্রতিনিধিত্বকারী প্রথম মুসলিম সদস্য হলেন। হামাভি একজন প্লাস্টিক সার্জন, অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন সেনা চিকিৎসক এবং ইরাক যুদ্ধের অভিজ্ঞ সৈনিক।</p><p>অ্যাডাম ২০২৪ সালে গাজার ইউরোপিয়ান হাসপাতালে স্বেচ্ছাসেবক চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নির্বাচনী প্রচারে গাজায় মানুষের দুর্ভোগের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন হামাভি। তিনি সবার জন্য মেডিকেয়ার চালু, চিকিৎসা ও শিক্ষার্থীদের ঋণ বাতিল, মার্কিন অভিবাসন সংস্থা আইসিই বিলুপ্তকরণ এবং ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা বন্ধের পক্ষে প্রচার চালান।</p><p><strong>দারিআলিজা আভিলা শেভালিয়ে</strong></p><p>নিউইয়র্কের ডেমোক্র্যাট প্রার্থী দারিআলিজা আভিলা শেভালিয়ে প্রতিনিধি পরিষদের আসন নিশ্চিত করেছেন। তিনি গত জুনের প্রাইমারি নির্বাচনে অভিজ্ঞ কংগ্রেস সদস্য আদ্রিয়ানো এসপাইল্লাতকে পরাজিত করেছিলেন। শেভালিয়ে একজন নাগরিক অধিকারকর্মী, গবেষক। তিনি পরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। তিনি নির্বাচনে ৮৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছেন। তাঁর প্রচারে মাঠপর্যায়ে সংগঠন গড়ে তোলা এবং ফিলিস্তিনিদের অধিকারের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।</p><p><strong>আন্দ্রে কারসন</strong></p><p>ইন্ডিয়ানার ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা আন্দ্রে কারসন রিপাবলিকান প্যাট্রিক ম্যাকঅলি এবং লিবার্টেরিয়ান জেমস সিনিয়াককে হারিয়ে তাঁর আসন ধরে রেখেছেন। তিনি ২০০৮ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করছেন এবং প্রতিনিধি পরিষদে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনকারী মুসলিম সদস্য। তিনি নীতিগতভাবে আন্তর্জাতিক আইনি সংস্থা, সমান মানবিক মর্যাদা ও মানবিক সহায়তার ওপর জোর দেন।</p><p><strong>লতিফা সাইমন</strong></p><p>ক্যালিফোর্নিয়ার ১২তম ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী লতিফা সাইমন। তিনি সহকর্মী ডেমোক্র্যাট জেমি জয়েসকে পরাজিত করেন। সাইমন আক্রমণাত্মক মার্কিন অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।</p><p>ক্যালিফোর্নিয়ার অপর একটি কংগ্রেশনাল আসনে ভোট গণনা চলাকালে আরেক মুসলিম প্রার্থী আয়েশা ওহাব প্রাথমিক গণনায় এগিয়ে ছিলেন।</p>

নভেম্বর ৬, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।