বাংলাদেশ

জাতীয় চার্চ পরিষদের ৭৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
জাতীয় চার্চ পরিষদের ৭৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন
জাতীয় চার্চ পরিষদের ৭৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন
এতে দেশি-বিদেশি অতিথি, বিভিন্ন ধর্মের নেতৃবৃন্দ এবং খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

Prothomalo

View more
জাতীয় চার্চ পরিষদের ৭৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন
জাতীয় চার্চ পরিষদের ৭৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন

এতে দেশি-বিদেশি অতিথি, বিভিন্ন ধর্মের নেতৃবৃন্দ এবং খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
লন্ডনে কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় দুই বাংলাদেশিকে খুঁজছে পুলিশ
লন্ডনে কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় দুই বাংলাদেশিকে খুঁজছে পুলিশ

ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও দোষী সাব্যস্ত করতে সহায়ক তথ্যের জন্য ১০ হাজার পাউন্ড পুরস্কার দেবে দাতব্য সংস্থা ক্রাইম স্টপার্স।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
তাহসিফের মৃত্যু: ধাওয়া দেওয়া ব্যক্তিরা কি মাদক কারবারি, নাকি পুলিশ—সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা
তাহসিফের মৃত্যু: ধাওয়া দেওয়া ব্যক্তিরা কি মাদক কারবারি, নাকি পুলিশ—সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা

লাশ উদ্ধারের দুই দিন পরও মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। ‘বন্ধুস্থানীয় ছোট ভাই’ দীপের সঙ্গে বেরিয়েছিলেন তাহসিফ। দীপকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
যাত্রাবাড়ীতে মাদক অভিযানে এসআরবি-পুলিশের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ২৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ
যাত্রাবাড়ীতে মাদক অভিযানে এসআরবি-পুলিশের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ২৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িত ২৬ জনকে গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। অভিযানের সময় পুলিশ আহত হয়।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
গ্যাসের আগুন জ্বলছেই, ১৫ দিন পর্যবেক্ষণের পর রিলিফ কূপ খননের পরিকল্পনা পেট্রোবাংলার
গ্যাসের আগুন জ্বলছেই, ১৫ দিন পর্যবেক্ষণের পর রিলিফ কূপ খননের পরিকল্পনা পেট্রোবাংলার

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে গভীর নলকূপ খননের সময় মাটির নিচ থেকে বেরিয়ে আসা গ্যাস থেকে জ্বলে ওঠা আগুন টানা চার দিন ধরে জ্বলছে।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
নেতানিয়াহুকে হটিয়ে সরকার 
গঠনে আলোচনায় বিরোধীরা
নেতানিয়াহুকে হটিয়ে সরকার গঠনে আলোচনায় বিরোধীরা

<p>ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ ভোট গণনা শেষ হয়েছে। তবে সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। ১২০ আসনের নেসেটে কোনো পক্ষই এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১ আসন পায়নি। এমন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে বিকল্প সরকার গঠনের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার কয়েক দফা বৈঠক করেছেন নেতানিয়াহুবিরোধী শিবিরের শীর্ষ নেতারা। তবে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোটে যাওয়ার প্রশ্নে বিরোধী শিবিরে এখনো মতপার্থক্য থাকায় সরকার গঠনের পথ বেশ জটিল হয়ে উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে দেশবাসীকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধী নেতা ইয়ার লাপিদ।</p><p> শুক্রবার ভোরে প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলে দেখা গেছে, নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোট পেয়েছে ৫৩ আসন। এর মধ্যে তাঁর নিজের দল লিকুদ পার্টি পেয়েছে ২৭ আসন। অন্যদিকে নেতানিয়াহুবিরোধী শিবির পেয়েছে ৪৮ আসন। আরব জোট ও দল জয়েন্ট লিস্ট এবং রাআম পেয়েছে ১৯ আসন। এই দুই দলের সমর্থন পেলে বিরোধী পক্ষের সম্ভাব্য আসনসংখ্যা দাঁড়াবে ৬৭টিতে, যা সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যার চেয়ে বেশি। এবারের নির্বাচনে চূড়ান্ত ভোটার উপস্থিতি ছিল ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশ, যা কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ।</p><p>নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে বিকল্প সরকার গঠনের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার দফায় দফায় আলোচনায় বসেন বিরোধী শিবিরের নেতারা। ডেমোক্র্যাটস দলের চেয়ারম্যান ইয়ার গোলান আলাদাভাবে রাআম দলের চেয়ারম্যান মনসুর আব্বাস, ইয়াশার পার্টির চেয়ারম্যান গাদি আইজেনকট এবং বি’য়াচাদ দলের নেতা ইয়ার লাপিদের সঙ্গে বৈঠক করেন।</p><p>অন্যদিকে বি’য়াচাদ দলের চেয়ারম্যান নাফতালি বেনেট বৈঠক করেন আইজেনকট ও গোলানের সঙ্গে। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন নিশ্চিত করতে আরব দলগুলোর সমর্থন পাওয়ার বিষয়টি এসব আলোচনায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।</p><p>টাইমস অব ইসরায়েল–এর খবরে বলা হয়, সরকার গঠনের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট নিয়ে বিরোধীদের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য। ইহুদি নেতৃত্বাধীন বিরোধী চার দলের মধ্যে তিন দল ইয়াশার, বি’য়াচাদ ও ইসরায়েল বেইতেনু আরব দলগুলোকে নিয়ে জোট সরকার গঠনে আগ্রহী নয়। ফলে আরব দলগুলোর ১৯ আসন যুক্ত করে সম্ভাব্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা ৬৭ হলেও বাস্তবে সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না।</p><p>টাইমস অব ইসরায়েল আরও জানিয়েছে, ইহুদি নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলগুলোর মধ্যে কেবল ডেমোক্র্যাটস দলের চেয়ারম্যান গোলান আরব দলগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছেন।</p><p>গতকাল শুক্রবার ইসরায়েলের উদারপন্থী পত্রিকা হারেৎজ–এ মতামত কলামে গোলান আরব দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে সরকার গঠনের জোরালো আহ্বান জানান। কলামে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ইসরায়েলে কোনো নাগরিকের নাগরিকত্ব শর্তসাপেক্ষ হতে পারে না। তাঁর যুক্তি, একজন আরব নাগরিকের ভোটের মূল্য একজন ইহুদি নাগরিকের ভোটের সমান। কয়েক লাখ নাগরিকের ভোট শুধু তাঁদের পরিচয় বা নামের কারণে অগ্রাহ্য করা গণতন্ত্রের পরিপন্থী।</p><p>নির্বাচনের ফলকে নেতানিয়াহুবিরোধী পক্ষের জয় হিসেবে দেখছেন লাপিদ। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, বিরোধীরা সরাসরি নিরঙ্কুশ জয় আশা করেছিলেন, কিন্তু তা হয়নি। তবে নেতানিয়াহুর জোটের আসন আগের পার্লামেন্টের ৬৮ থেকে কমে ৫৩টিতে নেমেছে। লাপিদের ভাষায়, পয়েন্টের ব্যবধানে হলেও বিরোধীরা জিতেছেন। তাঁর মন্তব্য ছিল, জয় মানেই জয়।</p><p>লাপিদ আরও বলেন, নেতানিয়াহুর জোটের ৫৩টি আসনের মধ্যে ১৩টি আসন অতি রক্ষণশীল ইহুদি দল শাস ও ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজমের। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, দল দুটি নিজেদের জায়নবাদী বলে মনে করে না। এই ১৩ আসন বাদ দিলে নেতানিয়াহুর পক্ষে থাকা বাকি আসনের সংখ্যা দাঁড়ায় ৪০–এ।</p><p>বসে নেই প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও। নিজেদের ডানপন্থী জোটের ঐক্য ধরে রাখতে তৎপর তিনি। বৃহস্পতিবার জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ও উগ্র ডানপন্থী ওতজমা ইহুদিতের চেয়ারম্যান ইতামার বেন–গভিরের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন তিনি।</p><p>দলটির ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমান ডানপন্থী সরকার টিকিয়ে রাখা এবং তথাকথিত সন্ত্রাসবাদে সমর্থনকারীদের সমর্থনপুষ্ট কোনো বামপন্থী সরকার গঠন ঠেকানোর বিষয়ে তাঁরা আলোচনা করেন। একই দিন আরেক উগ্রপন্থী দল রিলিজিয়াস জায়নিস্ট পার্টির চেয়ারম্যান বেজালেল স্মোট্রিচের সঙ্গেও বৈঠক করেন নেতানিয়াহু। বৈঠকে পরবর্তী পদক্ষেপ সমন্বয়ের বিষয়ে আলোচনা হয়। চ্যানেল ১৪-এর বরাতে টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, নেতানিয়াহু শরিকদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, ‘আমরা একসঙ্গে আছি, একসঙ্গেই থাকব।’</p><p><strong>নেসেটের অধিবেশনের প্রস্তুতি বিরোধীদের</strong></p><p>সরকার গঠনের আলোচনার পাশাপাশি নেসেটের অধিবেশনের প্রস্তুতিও নিচ্ছেন গাদি আইজেনকট। তাঁর দল পার্লামেন্ট বসার পরপরই কয়েকটি বিল উত্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে সব ইসরায়েলি নাগরিকের জন্য সামরিক বাহিনীতে নিয়োগ অথবা জাতীয় সেবা বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের তদন্তে রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠন এবং বাজেট বরাদ্দের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা।</p><p>ইসরায়েলের নতুন পার্লামেন্টের শপথ অনুষ্ঠান আগামী ১০ নভেম্বর হওয়ার কথা রয়েছে। সরকার গঠনের আলোচনা তখনো শেষ না হলেও নির্ধারিত দিনেই নতুন নেসেটের শপথ অনুষ্ঠান হবে। তবে জোট গঠনের আলোচনা অত্যন্ত জটিল হতে পারে। দুই মাসের বেশি সময় ধরে আলোচনা চলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিরোধীরা আরব দলগুলোর সঙ্গে কোনো কার্যকর সমঝোতায় পৌঁছাতে পারবে কি না, আর নেতানিয়াহু নিজের জোট ধরে রেখে অন্য দলের সদস্যদের সমর্থন আদায় করতে পারবেন কি না, তার ওপরই নির্ভর করছে দেশটির পরবর্তী সরকারের ভবিষ্যৎ।</p><p><strong>নির্বাচন ঘিরে বিতর্ক</strong></p><p>নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ ঘিরেও রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হয়েছে। এ বিষয়ে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেইতের প্রধান ডেভিড জিনি এবং কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি নোয়াম সোলবার্গের সঙ্গে বৈঠক করেছেন আইজেনকট। তিনি বলেন, বিদেশি হস্তক্ষেপ হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত করে বলার সময় এখনো আসেনি। পেশাদার সংস্থাগুলোকে রাজনৈতিক চাপকে পাত্তা না দিয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত শেষ করতে দিতে হবে।</p><p>একই সঙ্গে আইজেনকট অভিযোগ করেন, নেতানিয়াহু ও তাঁর দল লিকুদ সমন্বিতভাবে নির্বাচনের ফলাফলের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ করার প্রচার চালাচ্ছে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নতুন নেসেটের শপথ অনুষ্ঠান হতে দিতে হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।</p><p>শিন বেইত জানিয়েছে, বিদেশি হস্তক্ষেপের তদন্ত এখনো শেষ হয়নি। এর পরিসর অত্যন্ত সীমিত। তদন্তের অজুহাতে আইন মেনে ভোট দেওয়া আরব নাগরিকদের সামগ্রিকভাবে সন্দেহের চোখে দেখা ঠিক নয়।</p><p>কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ডিন লিভনেও ব্যাপক নির্বাচনী জালিয়াতির অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর মতে, নির্বাচন আইন মেনেই অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং ভোটের গ্রহণযোগ্যতা নষ্ট হওয়ার মতো কোনো প্রমাণ মেলেনি।</p>

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের জন্য নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করা হবে রোববার: শ্রমমন্ত্রী
তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের জন্য নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করা হবে রোববার: শ্রমমন্ত্রী

<p> শ্রমিক ফেডারেশনের বিভিন্ন জোটের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে আগামী রোববার (১ নভেম্বর) তৈরি পোশাকশিল্প শ্রমিকদের জন্য নতুন নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।</p><p> আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মিন্টো রোডে সরকারি বাসভবনে শ্রমিক ফেডারেশনের বিভিন্ন জোটের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকে পোশাকশিল্পের নতুন মজুরি বোর্ড গঠন, বকেয়া মজুরি পরিশোধ, শ্রমিক ছাঁটাইসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।</p><p>বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এমন দুজন শ্রমিকনেতা জানান, আলোচনা শেষে শ্রমমন্ত্রী বলেছেন, আগামী রোববার মালিক ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিদের নাম চূড়ান্ত করে নিম্নতম মজুরি বোর্ডে পাঠানো হবে। সেদিনই নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। মন্ত্রী মজুরি বোর্ডে শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি চূড়ান্ত করতে শ্রমিকনেতাদের কাছে নাম চান। কালকের মধ্যে নাম দেওয়ার তাগিদ দেন তিনি।</p><p>বৈঠকে থেকে মজুরি বোর্ডের শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনয়নের জন্য শ্রমিকনেতা বাবুল আখতার, তৌহিদুর রহমান ও সুলতানা আক্তারের নাম মন্ত্রীকে দেয় বিভিন্ন শ্রমিক ফেডারেশনের জোট।</p><p>জানা যায়, বৈঠকে পোশাকশ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা দ্রুত সমাধানে একটি টাস্কফোর্স গঠনের বিষয়ে আলোচনা হয়; যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।</p><p>এ ছাড়া শ্রমমন্ত্রী পোশাকশ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধে মালিক ও শ্রমিকনেতাদের কাজ করতে তাগিদ দেন। কোনো কারখানা বন্ধ করতে হলে আগে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার ওপর জোর দেন তিনি।</p><p>বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিকনেতা মন্টু ঘোষ, মোশরেফা মিশু, বাবুল আখতার, নাজমা আক্তার, তসলিমা আখতার প্রমুখ।</p>

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
নগ্ন দৃশ্যের শুটিংয়ে বহিরাগত, ক্ষুব্ধ নায়িকা
নগ্ন দৃশ্যের শুটিংয়ে বহিরাগত, ক্ষুব্ধ নায়িকা

একটি দৃশ্যের শুটিং করতে গিয়ে একবার অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়েছিলেন অস্কারজয়ী অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
লোকজন জড়ো হয়ে ঘিরে ধরে পুলিশকে, ফাঁকে পালিয়ে যায় হত্যা মামলার আসামি
লোকজন জড়ো হয়ে ঘিরে ধরে পুলিশকে, ফাঁকে পালিয়ে যায় হত্যা মামলার আসামি

<p>নোয়াখালীর হাতিয়ায় হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে ধরতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েছে পুলিশ। এ সময় আসামির স্বজন ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে পুলিশের কাছ থেকে আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। আজ শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে উপজেলার সুখচর ইউনিয়নের রামচরণ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।</p><p> পুলিশ জানায়, ছিনিয়ে নেওয়া আসামির নাম নিজাম উদ্দিন (৪৫)। তিনি সুখচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চর আমানুল্লাহ গ্রামের বাসিন্দা। জাগলার চরের একটি হত্যা মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। ঘটনার পর ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ পাঠিয়ে বিশেষ অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।</p><p>হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ রামচরণ বাজারে অভিযান চালায়। বাজারের একটি দোকানে থাকা নিজাম উদ্দিনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের উদ্যোগ নেওয়ার সময় তাঁর স্বজন ও স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে পুলিশকে ঘিরে ধরেন। তাঁরা হট্টগোল শুরু করেন।</p><p>ওসি কবির হোসেন বলেন, একপর্যায়ে আসামির স্বজন ও স্থানীয় লোকজন উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি করেন। এই সুযোগে তাঁরা নিজাম উদ্দিনকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন। এ সময় তাঁদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়।</p><p>থানা সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাঘাট ও যাতায়াতব্যবস্থার অবনতির কারণে ওই এলাকায় পুলিশের যাতায়াত কঠিন ছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় সেখানে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা এবং এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত রয়েছে।</p><p>পুলিশ জানায়, গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর হাতিয়ার সুখচর ইউনিয়নের ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডসংলগ্ন মেঘনায় জেগে ওঠা নতুন জাগলার চরের দখল নিয়ে তিনটি সন্ত্রাসী বাহিনীর মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। বাহিনী তিনটি হলো শামছুদ্দিন ওরফে কোপা শামছু, আলাউদ্দিন ও ফরিদ কমান্ডারের নেতৃত্বাধীন দল। সংঘর্ষে তিন পক্ষের লোকজনই কমবেশি হতাহত হন।</p><p>খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রথমে শামছুর ছেলে মোবারক হোসেন, আবুল কাশেম, হক সাব ও কামাল উদ্দিনের লাশ উদ্ধার করে। পরে ২৫ ডিসেম্বর শামছুদ্দিন ওরফে কোপা শামছুর (৫৫) লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি ‘সন্ত্রাসী’ শামছু বাহিনীর প্রধান হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ওই ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার আসামি হলেন আজ পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া নিজাম উদ্দিন।</p>

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।