‘পু’ চরিত্রে কারিনাকে নিয়ে কেন আপত্তি ছিল শাহরুখের?
বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় চরিত্র ‘পু’। ২০০১ সালে মুক্তি পাওয়া করণ জোহরের ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ সিনেমায় কারিনা কাপুরের অভিনীত এই চরিত্র আজও দর্শকের মনে জায়গা করে আছে।
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্যের কার্যালয়ে এক কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগের ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
গাজীপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে এক পুলিশ সদস্যের হারিয়ে ফেলা পিস্তল ও গুলিসহ ম্যাগাজিন উদ্ধার করেছে পুলিশ।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সারপ্রাইজ ভিজিট করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে দুদকের কমিশন।
রাঙামাটিতে কোতোয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অভিযোগে সাত কিশোরসহ ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে।
জাপান থেকে রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানির ক্ষেত্রে নীতি প্রণয়নে ‘বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গি’ বাদ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন আমদানিকারকেরা।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, “জ্বালানি খাতে ভর্তুকির চাপ কমাতে সরকার প্রতিটি বাড়ির ছাদে সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে...
সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।
<p>গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স ও বাংলাদেশ জেনারেল ইনস্যুরেন্স কোম্পানির মেরিন (কার্গো) বিমা বিক্রিতে স্থগিতাদেশ জারি করেছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। মেরিন ট্যারিফ হার লঙ্ঘনের দায়ে কোম্পানি দুটিকে আগামী তিন মাসের জন্য এ নির্দেশ দেওয়া হয়। মেরিন কার্গো বিমাকে বলা হয় সামুদ্রিক পণ্য পরিবহন বিমা।</p><p> স্থগিত করার পাশাপাশি মেরিন (কার্গো) উপশ্রেণির নিবন্ধন কেন স্থগিত করা হবে না, তা জানতে চেয়ে কোম্পানি দুটিকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে সংস্থাটি।</p><p> আজ বৃহস্পতিবার আইডিআরএর পরিচালক (রেটিং, অডিট ও জরিপ) মো. মিজানুর রহমানের স্বাক্ষরিত আলাদা দুই চিঠি গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স ও বাংলাদেশ জেনারেল ইনস্যুরেন্স কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর পাঠানো হয়। চিঠির অনুলিপি দেওয়া হয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, সাধারণ বীমা করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে।</p><p>আইডিআরএ গ্রিন ডেল্টাকে বলেছে, সংস্থাটির পরিদর্শন দল গ্রিন ডেল্টার প্রধান কার্যালয়ে সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখতে পেয়েছে, বিমা পলিসি ইস্যুর ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি নির্ধারিত মেরিন ট্যারিফ (কার্গো) হার উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে বিভিন্ন হারে রেটে প্রিমিয়াম নিয়েছে। আইডিআরএর মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড ‘বিমা আইন ২০১০’-এর ৬০ ধারা এবং আইডিআরএর জারি করা ২০২১ সালের ৮৩ প্রজ্ঞাপনের লঙ্ঘন।</p><p>আইডিআরএ সূত্রে জানা গেছে, মেরিন কার্গোর বিদ্যমান ট্যারিফ হার দশমিক ৪৫ ও দশমিক ৩০ শতাংশ। প্রতিষ্ঠান দুটি এ হার থেকে গ্রাহকদের ছাড় দেয়। অথচ বিমা আইনের ৬০ ধারায় বলা হয়েছে, বিমা পলিসি বিক্রি, নবায়ন বা চালু রাখার জন্য গ্রাহককে নির্ধারিত কমিশন বা প্রিমিয়ামের অংশবিশেষ ছাড় দেওয়া যাবে না। ২০২৫ সালে মেরিন বিমা থেকে দেশের নন লাইফ কোম্পানিগুলোর মোট প্রিমিয়াম আয় ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।</p><p>একইভাবে চিঠি দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ জেনারেল ইনস্যুরেন্স কোম্পানিকেও। আইন ও নীতিমালা লঙ্ঘনের দায়ে বিমা আইন ২০১০–এর ধারা ১০(২) মোতাবেক তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিষ্ঠান দুটির মেরিন (কার্গো) উপশ্রেণির সব ধরনের বিমা ব্যবসা তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি ধারা ১০(১) অনুযায়ী তাদের এই উপশ্রেণির নিবন্ধন কেন চূড়ান্তভাবে স্থগিত করা হবে না, আইডিআরএর কাছে তার লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে।</p><p>প্রজ্ঞাপনের বিষয়ে জানতে গ্রিন ডেল্টার মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা চৌধুরীকে ফোনে না পেয়ে খুদে বার্তা দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি সাড়া দেননি।</p><p>বাংলাদেশ জেনারেল ইনস্যুরেন্স কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ সাইফুদ্দিন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘৫০ শতাংশ ব্যবসায়ের জন্য আমরা বিদেশের বাজারে গিয়েছি। এতে আয় হয়েছে আমাদের। আবার গ্রাহকদের জন্যও ভালো হয়েছে। প্রজ্ঞাপন জারির আগে আইডিআরএ আমাদের কাছে ব্যাখ্যা চাইতে পারত। তা সংস্থাটি করেনি।’</p>
<p>৪ উইকেটে ২৩৫ রান নিয়ে প্রথম দিন শেষ করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেঞ্চুরি করা আমির জাঙ্গুও এখনো অপরাজিত আছেন। সিলেট টেস্টে ক্যারিবিয়ানরাই যে সুবিধাজনক অবস্থায় আছে, আপাতত তা বলে দেওয়া যায় কোনো সংশয় ছাড়াই।</p><p> আগামীকাল সকালে দলের রানটা আরও বাড়িয়ে প্রথম ইনিংসেই বাংলাদেশকে চাপে ফেলার প্রত্যাশাও স্বাভাবিকভাবেই থাকবে তাদের; কিন্তু সেটি কত রান? সিলেটে আজ দিনশেষে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নটা ছিল অভিষেক ইনিংসে ফিফটি করা কেভিন উইকহামের কাছে।</p><p>উত্তরে কেভিন উইকহাম বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত বড় সংগ্রহ গড়া—হতে পারে ৪০০ বা ৩৫০-এর বেশি। কারণ, উইকেট যেমন আচরণ করছে, তাতে একবার ব্যাটিং করেই বড় সংগ্রহ গড়ে নেওয়া ভালো হবে। এতে প্রতিপক্ষকে দুইবার অলআউট করার সুযোগ তৈরি হবে।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/z5el0umf/820184_01_02.jpg"><figcaption>ফিফটির পর কেভিন উইকহাম</figcaption></figure><p>জাঙ্গুর সঙ্গে ১৩৩ রানের জুটিতে দলকে বড় রানের ভিতই গড়ে দিয়েছেন উইকহাম। ৬১ রান করে নিজে আউট হয়ে গেলেও অন্য ব্যাটসম্যানদের কাছে বড় প্রত্যাশার কথাই জানিয়ে রেখেছেন, ‘আমরা জানি, সময়ের সঙ্গে উইকেটের অবস্থা আরও খারাপ হবে। তাই ৩৫০-এর বেশি রান করতে পারলে ম্যাচে আমাদের জয়ের খুব ভালো সম্ভাবনা থাকবে।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/zvs0xnwxtj">আবার কি একই ভুল করল বাংলাদেশ</a></aside><aside><cite>তাসকিন আহমেদ, পেসার</cite>অভিষেকে রানও পেয়েছে, সে কারণেও ওর মধ্যে বাড়তি উচ্ছ্বাস কাজ করছে। তাই ও অনেক কিছুই বলতে পারে, এটা নিয়ে সমস্যা নেই।</aside><p>জাঙ্গুর কথাটাই পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশের পেসার তাসকিন আহমেদের কাছে। দলের প্রতিনিধি হয়ে প্রথম দিন শেষের সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন তিনিও। উইকহ্যামের প্রথম ইনিংসে স্কোরবোর্ডে চার শ রান তুলে বাংলাদেশকে দুইবার অলআউট করার কথা শুনে পাল্টা খোঁচাই দিলেন তিনি, ‘ওর আজ অভিষেক হয়েছে, তাই স্বাভাবিকভাবেই খুব রোমাঞ্চিত। অভিষেকে রানও পেয়েছে, সে কারণেও ওর মধ্যে বাড়তি উচ্ছ্বাস কাজ করছে। তাই ও অনেক কিছুই বলতে পারে, এটা নিয়ে সমস্যা নেই।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/tdhmxcjk/819609_01_02.jpg"><figcaption>ব্র্যান্ডস কিংকে ফেরানোর পর তাসকিন আহমেদ</figcaption></figure><p>তাহলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে প্রথম ইনিংসে কত রানে আটকে রাখতে চায় বাংলাদেশ? তাসকিনের উত্তর, ‘এমনও হতে পারে, ওরা ৪৫০ রান করবে, আবার কাল এক ঘণ্টার মধ্যেই ৫০ রানে অলআউট হয়ে যেতে পারে। এটাই টেস্ট ক্রিকেটের মজা। তাই ওর কথায় খুব বেশি বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। ও নতুন এসেছে, স্বাভাবিকভাবেই অনেক কিছু বলবে।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/bar0k659ew">সবচেয়ে বেশি ম্যাচ, সবচেয়ে বেশি গোল—আন্তর্জাতিক ফুটবলে রোনালদোর আরও রেকর্ড</a></aside>
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/hajaro-abednkareeke-pechne-fele-snggeet-prtizogitar-czampizn-navhan</figure>
<p>বিটিএস কিংবা ব্ল্যাকপিংক বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পাওয়ার অনেক আগে দক্ষিণ কোরিয়ার সংগীতকে আন্তর্জাতিক শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দেন বোয়া। বিশেষ করে জাপানের সংগীতবাজারে তাঁর সাফল্য বদলে দিয়েছিল কে-পপের সম্ভাবনার হিসাব। </p><p>ভাষা ও সংস্কৃতির বাধা পেরিয়ে তিনি প্রমাণ করেন, দক্ষিণ কোরিয়ার একজন শিল্পীও জাপানের মতো প্রতিযোগিতাপূর্ণ বাজারে শীর্ষস্থান দখল করতে পারেন। আজ ৫ নভেম্বর ৪০ বছরে পা রাখলেন এই সংগীতশিল্পী। </p><p>প্রায় ২৬ বছরের সংগীতজীবনে নিজের অর্জনের পাশাপাশি পরবর্তী প্রজন্মের কে-পপ শিল্পীদের জন্যও তৈরি করেছেন পথ।</p><p>১৯৮৬ সালের ৫ নভেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে জন্ম বোয়ার। তাঁর পুরো নাম কোওন বোয়া। মাত্র ১৩ বছর বয়সে সংগীতজগতে অভিষেক হয় তাঁর। ২০০০ সালের ২৫ আগস্ট প্রকাশিত হয় প্রথম অ্যালবাম ‘আইডি; পিস বি’। </p><p>এর আগে ১৯৯৮ সালে এসএম এন্টারটেইনমেন্টের নজরে আসেন তিনি। এরপর প্রায় দুই বছর চলে গান, নাচ ও ভাষার প্রশিক্ষণ। শুরু থেকেই তাঁকে আন্তর্জাতিক বাজারের উপযোগী শিল্পী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা ছিল প্রতিষ্ঠানটির।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/v6ymu65c/12056763.webp"><figcaption>বোয়া</figcaption></figure><p><strong>জাপানে সাফল্যের শুরু</strong></p><p>২০০১ সালের ৩০ মে ‘আইডি; পিস বি’ গানের জাপানি সংস্করণ দিয়ে জাপানের সংগীতবাজারে অভিষেক হয় বোয়ার। পরের বছর প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম জাপানি অ্যালবাম ‘লিসেন টু মাই হার্ট’। অ্যালবামটি জাপানের জনপ্রিয় ওরিকন চার্টের শীর্ষে ওঠে। বিক্রির দিক থেকেও পায় মিলিয়ন সেলারের স্বীকৃতি।</p><p>এরপর ২০০৩ সালে প্রকাশিত হয় ‘ভ্যালেন্তি’। অ্যালবামটির বিক্রি ছাড়ায় ১২ লাখ কপি। ‘বেস্ট অব সোল’ অ্যালবামটিও মিলিয়ন সেলারের স্বীকৃতি পায়। জাপানের জনপ্রিয় বর্ষশেষের সংগীতানুষ্ঠান ‘কোহাকু উতা গাসেন’-এ টানা ছয় বছর অংশ নেন বোয়া, ২০০২ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত।</p><p>জাপানের বাজারে বোয়ার এই সাফল্য ছিল দক্ষিণ কোরিয়ার সংগীতশিল্পীদের জন্য বড় ঘটনা। তখন জাপানের সংগীতাঙ্গনে স্থানীয় শিল্পীদের প্রভাব ছিল প্রবল। সেই বাজারে একজন কোরীয় শিল্পীর শীর্ষস্থান দখল করা সহজ ছিল না। </p><p>বোয়া নিয়মিত গান প্রকাশ, জাপানি ভাষায় দক্ষতা এবং স্থানীয় শ্রোতাদের রুচি বুঝে নিজের অবস্থান তৈরি করেন। তাঁর সাফল্যের পর অন্য কোরীয় শিল্পীদের জন্যও জাপানের বাজারে প্রবেশের সম্ভাবনা বাড়ে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/9ee4le1n/201801260008200.jpg"><figcaption>বোয়া</figcaption></figure><p><strong>এশিয়া পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে</strong></p><p>জাপানে সাফল্যের পর বোয়া নজর দেন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে। ২০০৯ সালের মার্চে প্রকাশিত হয় তাঁর ইংরেজি ভাষার অ্যালবাম ‘বোয়া’। অ্যালবামটি বিলবোর্ড ২০০ চার্টে ১২৭ নম্বরে জায়গা করে নেয়। কোনো দক্ষিণ কোরীয় শিল্পীর অ্যালবাম হিসেবে এটি ছিল ওই চার্টে প্রথম প্রবেশের ঘটনা।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রে জাপানের মতো বাণিজ্যিক সাফল্য না পেলেও বোয়ার এই উদ্যোগ ছিল গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, তখন কে-পপের আন্তর্জাতিক পরিচিতি আজকের মতো বিস্তৃত ছিল না। বিদেশি ভাষায় গান প্রকাশ, স্থানীয় শ্রোতাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং ভিন্ন সংগীতসংস্কৃতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তাঁর ক্যারিয়ারেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/song/tcoc6owweq">‘কে-পপ সংস্কৃতিতে আমরা প্রেম করতে পারি না’</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/c8zs6ek1/MZTGIOBVGRTDCMRRMY4DQNZYGI.avif"><figcaption>বোয়া</figcaption></figure><p><strong>নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা</strong></p><p>কে-পপের আন্তর্জাতিক বিস্তারের ইতিহাসে বোয়ার নাম তাই আলাদা করে উল্লেখ করতে হয়। বিটিএস, ব্ল্যাকপিংক কিংবা টোয়াইসের মতো গ্রুপগুলো বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হওয়ার অনেক আগেই তিনি এশিয়ার সংগীতবাজারে কোরীয় শিল্পীদের সম্ভাবনা দেখিয়েছিলেন। জাপানে তাঁর সাফল্য পরবর্তী সময়ে গার্লস জেনারেশন ও এক্সোর মতো শিল্পীদের জন্যও নতুন বাজারের দরজা খুলতে সহায়তা করে।</p><p>শুধু গায়িকা হিসেবেই নয়, গীতিকার, সুরকার ও প্রযোজক হিসেবেও কাজ করেছেন বোয়া। ২০২৪ সালে এসএম এন্টারটেইনমেন্টের নতুন গ্রুপ এনসিটি উইশের প্রযোজক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একই বছর জনপ্রিয় কোরীয় টেলিভিশন নাটক ‘ম্যারি মাই হাজব্যান্ড’-এ অভিনয় করেও আলোচনায় আসেন তিনি।</p><p>২০২৫ সালে সংগীতজীবনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রকাশিত হয় তাঁর ১১তম পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যালবাম ‘ক্রেজিয়ার’। ওই বছরের ৩১ ডিসেম্বর এসএম এন্টারটেইনমেন্টের সঙ্গে ২৫ বছরের সম্পর্কেরও সমাপ্তি ঘটে। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় প্রতিষ্ঠানটি। পরে নিজের ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান বাপাল এন্টারটেইনমেন্ট প্রতিষ্ঠা করে নতুন অধ্যায় শুরু করেন বোয়া।</p><p><sup>কোরিয়া টাইমস, কেবিএস ও বাপাল এন্টারটেইনমেন্ট অবলম্বনে</sup></p>
বিবাহবিচ্ছেদের মতো জটিল আইনি লড়াইয়ে আইনজীবীর বদলে এআই চ্যাটবটের সাহায্য নিচ্ছেন অনেকে। মুহূর্তেই মিলছে আইনি যুক্তি, মামলার কৌশল, এমনকি আদালতে জমা দেওয়ার মতো নথিও। কিন্তু এআইয়ের দেওয়া পরামর্শ অনুসরণ করতে গিয়ে কেউ কেউ পড়ছেন আরও বড় আইনি জটিলতায়।
<p>যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারের পর নিজ দলের ভেতর থেকেই নীতি ও কৌশল বদলাতে চাপে পড়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রিপাবলিকান মিত্র ও কৌশলবিদেরা হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের রদবদল এবং প্রশাসনে শৃঙ্খলা ফেরানোর আহ্বান জানিয়েছেন। ইরান যুদ্ধ ও শুল্কনীতির মতো যেসব বিষয়কে নির্বাচনে হারের কারণ মনে করা হচ্ছে, সেগুলো থেকে সরে আসার পরামর্শও দিয়েছেন তাঁরা।</p><p> তবে গত মঙ্গলবারের ভোটে কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েও কৌশল বদলানোর তেমন ইঙ্গিত দেননি ট্রাম্প। ওই রাতে ফক্স নিউজকে তিনি বলেন, ‘এটাকে আমার ওপর আঘাত হিসেবে দেখছি না।’</p><p> কংগ্রেসের দুই কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায় ডেমোক্র্যাটরা এখন ট্রাম্পের আইন প্রণয়নের প্রস্তাব আটকে দিতে, তাঁর প্রশাসনের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে এবং তাঁর মনোনীত ব্যক্তিদের নিয়োগে বাধা দিতে পারবেন। এতে নিজের কর্মসূচি এগিয়ে নিতে নির্বাহী ক্ষমতার ওপর ট্রাম্পের নির্ভরতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।</p><p> এ পরিস্থিতিতে ট্রাম্প নিজের বর্তমান নীতি আঁকড়ে পড়ে থাকলে তা রিপাবলিকানদের জন্য কতটা রাজনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, সেই প্রশ্নও উঠেছে। বিশেষ করে দলটির পক্ষ থেকে ২০২৮ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহীদের জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।</p><p><strong>জেডি ভ্যান্সের দূরত্ব</strong></p><p>ট্রাম্পের সম্ভাব্য রাজনৈতিক উত্তরসূরি হিসেবে পরিচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স গতকাল বুধবার নির্বাচনে হারের জন্য ইরান যুদ্ধকে দায়ী করেন। এতে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তাঁর কিছুটা দূরত্বের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।</p><p>কৌশলবিদ ও দলীয় কর্মকর্তারা বলেছেন, রিপাবলিকান রাজনীতিবিদেরা যদি মনে করেন, দলের ভোটারদের ওপর ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হচ্ছে, তাহলে ভ্যান্সের মতো আরও অনেকে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করবেন।</p><p>প্রবীণ রিপাবলিকান কৌশলবিদ জন ফিহেরি মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলকে ট্রাম্পের জন্য ‘বিরাট বিপর্যয়’ বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর মতে, হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের ব্যাপক রদবদল প্রয়োজন। সময় যত যাবে, ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রভাব তত কমবে।</p><aside><cite>জন ফিহেরি, প্রবীণ কৌশলবিদ, রিপাবলিকান পার্ট</cite>হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের ব্যাপক রদবদল প্রয়োজন। সময় যত যাবে, ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রভাব তত কমবে।</aside><p><strong>সতর্কবার্তা শোনেননি ট্রাম্প</strong></p><p>নাম প্রকাশ না করার শর্তে হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, কর্মীদের বিদায়, মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য পরিবর্তন ও ডেমোক্র্যাটদের তদন্তের মুখে পড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ সহযোগীরা। তাঁদের মনোবল একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে।</p><p>ওই কর্মকর্তার ভাষ্য, ভোটের ছয় সপ্তাহ আগেই (ট্রাম্প প্রশাসনের) অভ্যন্তরীণ জরিপে দুই কক্ষে হারের আভাস মিলেছিল। রাজনৈতিক পরিণতির সতর্কবার্তা সত্ত্বেও ইরান নিয়ে অবস্থান বদলাননি ট্রাম্প। কারও কথা তিনি শুনতে চাননি।</p><p>মঙ্গলবার রাতে ট্রাম্প স্বীকার করেন, আট মাসের ইরান যুদ্ধ রিপাবলিকান প্রার্থীদের ক্ষতি করেছে। তবে যুদ্ধের পক্ষে নিজের অবস্থান বজায় রাখেন তিনি।</p><p><strong>বলরুম নিয়েও ক্ষোভ</strong></p><p>উদ্বেগ শুধু যুদ্ধ নিয়ে ছিল না। মিশিগান ও আইওয়া অঙ্গরাজ্যের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সিনেট আসনে ভোটারদের সঙ্গে আলোচনায় আরেকটি অসন্তোষ ধরা পড়ে। হোয়াইট হাউসের বলরুম ও রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে সরকারি ভবন ও স্থাপনায় সংস্কারকাজে ট্রাম্পের উদ্যোগ নিয়ে আপত্তি জানান অনেক রিপাবলিকান ও স্বতন্ত্র ভোটার।</p><p>এক রিপাবলিকান রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, আগামী দুই বছরও ট্রাম্প এসব নিয়ে কথা বলতে থাকলে পরের নির্বাচনে দল আবার বড় ধাক্কা খাবে। অথচ গতকালও সাংবাদিকদের বলরুমের নির্মাণস্থলে নিয়ে যান ট্রাম্প। প্রকল্পটিতে সময় দেওয়ার পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, কাজটি তাঁকে স্বস্তি দেয়।</p>
<p>লন্ডনের রয়্যাল অ্যালবার্ট হলে ‘ফিউচার মেকার্স ২০২৬’ সংগীত প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ১৬ বছর বয়সী ব্রিটিশ-বাংলাদেশি পিয়ানোবাদক নাভহান উজায়ের রঈস চৌধুরী। নিজের রচিত সংগীতে মুগ্ধ করেছে বিচারকদের। দেখুন ভিডিওতে...</p><figure></figure>
<p>গুণগত মান, আধুনিক প্রযুক্তি ও ধারাবাহিক উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশের সিমেন্টশিল্পে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে আকিজ সিমেন্ট। ২০০২ সালে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি দুই দশকের বেশি সময় ধরে দেশের অবকাঠামো ও নির্মাণশিল্পের অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখছে।</p><p> বাংলাদেশের নির্মাণশিল্পের বিকাশের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে দেশের সিমেন্টশিল্পের অগ্রযাত্রা। সময়ের সঙ্গে বেড়েছে অবকাঠামো নির্মাণ, আবাসন, শিল্পকারখানা ও বড় উন্নয়ন প্রকল্পের চাহিদা। এই পরিবর্তনশীল শিল্পে গুণগত মান, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ ও গ্রাহকের আস্থা ধরে রেখে দুই যুগ পূর্ণ করল আকিজ সিমেন্ট।</p><p> ২০০২ সালে যাত্রা শুরু করা আকিজ সিমেন্ট শুরু থেকেই পণ্যের গুণগত মান ও আধুনিক উৎপাদন প্রযুক্তির ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে। প্রতিষ্ঠাতা শিল্পোদ্যোক্তা শেখ আকিজ উদ্দিনের দূরদর্শী উদ্যোগে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানটি সময়ের সঙ্গে নিজেদের উৎপাদনব্যবস্থা, প্রযুক্তি ও বাজারজাতকরণ কার্যক্রমে এনেছে নানা পরিবর্তন। বর্তমানে আকিজ রিসোর্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে শক্তিশালী অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছে আকিজ সিমেন্ট।</p><p><strong>স্বপ্ন থেকে শিল্পপ্রতিষ্ঠান</strong></p><p>আকিজ সিমেন্টের যাত্রা শুরু হয়েছিল একটি সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য নিয়ে—দেশের নির্মাণশিল্পে আন্তর্জাতিক মানের সিমেন্ট সরবরাহ করা। প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই উৎপাদনপ্রক্রিয়ায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পণ্যের মান নিশ্চিত করার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।</p><p>প্রতিষ্ঠানটির অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে প্রযুক্তির ধারাবাহিক আধুনিকায়ন। শুরুতে বল মিল প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালিত হলেও পরবর্তী সময়ে ভার্টিক্যাল রোলার মিল (ভিআরএম) প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়। ২০০৫ সালে জার্মান প্রযুক্তির ভিআরএম স্থাপনের মাধ্যমে উৎপাদনপ্রক্রিয়ায় আধুনিকায়নের নতুন ধাপ শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে ২০১৮ সালে ডেনমার্কের এফএল স্মিথের আরও উন্নত প্রযুক্তি যুক্ত হয় উৎপাদনব্যবস্থায়।</p><p>প্রযুক্তিগত এই পরিবর্তনের ফলে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি পণ্যের গুণগত মান, উৎপাদন দক্ষতা ও ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা সহজ হয়েছে। আধুনিক যন্ত্রপাতি ও উন্নত উৎপাদনপ্রক্রিয়ার সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিযোগিতামূলক বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করেছে।</p><p>আকিজ বিল্ডিং সলিউশনস লিমিটেডের ক্লাস্টার সিইও আসাদুল হক সুফিয়ানী বলেন, ‘সিমেন্টশিল্পে দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকার জন্য শুধু উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো যথেষ্ট নয়। পণ্যের গুণগত মান, প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার এবং গ্রাহকের আস্থা অর্জন—এই তিনটি বিষয় সমান গুরুত্বপূর্ণ। আকিজ সিমেন্ট শুরু থেকেই এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। দুই যুগের পথচলায় গ্রাহকদের আস্থা অর্জনই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন।’</p><p><strong>গুণগত মানে আপসহীনতা</strong></p><p>সিমেন্ট নির্মাণশিল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। একটি ভবন কিংবা অবকাঠামোর স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা অনেকাংশেই নির্ভর করে ব্যবহৃত নির্মাণসামগ্রীর গুণগত মানের ওপর। এ কারণে সিমেন্ট উৎপাদনে কাঁচামাল নির্বাচন থেকে শুরু করে চূড়ান্ত পণ্য বাজারজাত করা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে মান নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব রয়েছে।</p><p>আকিজ সিমেন্ট উৎপাদনের বিভিন্ন পর্যায়ে মান নিয়ন্ত্রণ ও পরীক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে থাকে। আধুনিক পরীক্ষাগার, প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদনপ্রক্রিয়া এবং নিয়মিত মান যাচাইয়ের মাধ্যমে পণ্যের নির্ধারিত বৈশিষ্ট্য বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়।</p><p>প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য শুধু বাজারে পণ্য সরবরাহ করা নয়, বরং নির্মাণকাজে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী, ঠিকাদার, নির্মাতা ও সাধারণ গ্রাহকদের জন্য নির্ভরযোগ্য একটি ব্র্যান্ড হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করা।</p><p>আকিজ রিসোর্সের চিফ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার তৌফিক হাসান বলেন, ‘আকিজ সিমেন্টের দুই যুগের পথচলা মূলত গ্রাহকের আস্থা অর্জন এবং সেই আস্থা ধরে রাখার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার গল্প। বাংলাদেশের নির্মাণশিল্প দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। গ্রাহকের চাহিদা ও প্রত্যাশাও বাড়ছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পণ্যের মান, প্রযুক্তি ও সেবার ক্ষেত্রে নিজেদের আরও এগিয়ে নেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।’</p><p><strong>প্রতিযোগিতার বাজারে নিজস্ব অবস্থান</strong></p><p>বাংলাদেশের সিমেন্টশিল্পে বর্তমানে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা রয়েছে। উৎপাদন সক্ষমতা, পণ্যের বৈচিত্র্য, মূল্য, পরিবেশক নেটওয়ার্ক এবং গ্রাহকসেবার মতো বিষয়গুলো বাজারে প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।</p><p>এমন প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে আকিজ সিমেন্ট গুণগত মান ও ব্র্যান্ডের গ্রহণযোগ্যতাকে গুরুত্ব দিয়ে নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছে। বিশেষ করে প্রিমিয়াম সিমেন্টের বাজারে প্রতিষ্ঠানটির উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, পণ্যের মান এবং বাজারের চাহিদা অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে।</p><p>এ ক্ষেত্রে পরিবেশক ও বিক্রয় নেটওয়ার্কও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পণ্য সরবরাহ, পরিবেশকদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন এবং গ্রাহকদের কাছে পণ্যের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরার মাধ্যমে বাজার সম্প্রসারণে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।</p><p>আকিজ সিমেন্টের হেড অব মার্কেটিং সুব্রত কুমার সিংহ বলেন, ‘সিমেন্টের বাজারে গ্রাহকের আস্থা অর্জন করতে হলে পণ্যের মানের পাশাপাশি গ্রাহকের প্রয়োজন ও প্রত্যাশা বুঝতে হয়। আমরা বাজারের পরিবর্তন, নির্মাণপ্রযুক্তির অগ্রগতি এবং গ্রাহকের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিয়ে আমাদের বিপণন কার্যক্রম পরিচালনা করি। আকিজ সিমেন্টকে একটি নির্ভরযোগ্য ও মানসম্পন্ন ব্র্যান্ড হিসেবে আরও শক্তিশালী করাই আমাদের লক্ষ্য।’</p><p><strong>পরিবেশ ও দায়িত্বশীল উৎপাদন</strong></p><p>আধুনিক শিল্পায়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা এখন পরিবেশ সুরক্ষা। বিশেষ করে সিমেন্টশিল্পে উৎপাদনপ্রক্রিয়ার পরিবেশগত প্রভাব নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানিদক্ষতা বৃদ্ধি এবং ধুলা ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p><p>আকিজ সিমেন্ট উৎপাদনপ্রক্রিয়ায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত প্রভাব কমানো ও উৎপাদনদক্ষতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে। উন্নত যন্ত্রপাতি, ধুলা নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা এবং উৎপাদনপ্রক্রিয়ার ধারাবাহিক উন্নয়নের মাধ্যমে দায়িত্বশীল শিল্পপ্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা রয়েছে।</p><p>একই সঙ্গে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সামাজিক দায়বদ্ধতা, কর্মপরিবেশের উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক বজায় রাখাও দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক অগ্রযাত্রার অংশ।</p><p><strong>সামনে আরও বড় হওয়ার প্রত্যাশা</strong></p><p>দুই যুগের অভিজ্ঞতা নিয়ে আকিজ সিমেন্ট এখন ভবিষ্যতের বাজার সামনে রেখে নিজেদের প্রস্তুত করছে। দেশের অবকাঠামো, আবাসন ও শিল্প খাতের বিকাশের সঙ্গে সিমেন্টের চাহিদা ও গ্রাহকের প্রত্যাশায় পরিবর্তন আসছে। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উৎপাদন প্রযুক্তির আধুনিকায়ন, পণ্যের মানোন্নয়ন, বাজার সম্প্রসারণ ও গ্রাহকসেবায় আরও গুরুত্ব দিতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।</p><p>একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মান ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উৎপাদনব্যবস্থাকে আরও দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।</p><p>আকিজ সিমেন্টের দুই যুগের পথচলা তাই কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন নয়, বরং বাংলাদেশের নির্মাণশিল্পের পরিবর্তন ও বিকাশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলার একটি অধ্যায়। গুণগত মান, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং গ্রাহকের আস্থাকে ভিত্তি করে আগামী দিনেও দেশের নির্মাণশিল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করছে প্রতিষ্ঠানটি।</p>
বাংলাদেশে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটে থাকা নিয়ে আপত্তিসহ কয়েকটি অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সামান্তা শারমিন। এদিকে, পর্তুগালের কিংবদন্তি ফুটবলার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো বলেছেন, তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিচ্ছেন। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...
বাংলাদেশে নিজস্ব ভাষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মডেল তৈরির বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে যে বিনিয়োগ এবং অবকাঠামো সক্ষমতা প্রয়োজন সেটি বাংলাদেশের আছে কিনা- সেই প্রশ্নটি সামনে আসছে।
আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেওয়ার মুহূর্তে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ক্যারিয়ারের কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত তুলে ধরেছে বিবিসি স্পোর্টস।
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে ডেমোক্র্যাট পার্টি থেকে নির্বাচিত প্রথম মুসলিম সেনেটর আবদুল এল-সাইয়েদের একটা ভারতীয় যোগ রয়েছে।
বেলজিয়াম, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, ইটালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, জার্মানি এবং সুইডেনের সুপারমার্কেটের হিমাগার ও ফ্রিজিং ব্যবস্থা সাইবার হামলার শিকার হয়েছে। এর ফলে বিপুল পরিমান খাবার ফেলে দিতে বাধ্য হয়েছে কর্মীরা।
ওয়াশিংটনে ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তন হওয়ার পর, ডেমোক্র্যাটরা এখন চাইলেই কি তাদের পরিকল্পনায় থাকা বিষয়গুলো বাস্তবায়ন শুরু করতে পারবে? বিষয়টি অনেকটাই জটিল, কারণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে কংগ্রেস থাকলেও, রিপাবলিকানদের দখলে প্রেসিডেন্ট পদটি।
যদিও মধ্যবর্তী এই নির্বাচনগুলোয় বরাবরই ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের দলের খারাপ সময় যায়, তবে এবার রিপাবলিকানদের বড় পরাজয়কে হোয়াইট হাউজে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই বছরের শাসনের একটি জোরালো প্রত্যাখ্যান হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক বড় পরিবর্তন এনেছে। বিবিসি সাংবাদিকরা ব্যাখ্যা করছেন, ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত থেকে শুরু করে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক পর্যন্ত - এই ফলাফল বাকি বিশ্বের জন্য কী অর্থ বহন করে।
পুলিশের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) থেকে এএসপি পদে ৭৮ জন কর্মকর্তা পদোন্নতি পেয়েছেন।
জাতীয় দৈনিক প্রথম আলোর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শুধু ‘স্যরি’ লিখে একটি পোস্ট দেওয়া হয়। সংক্ষিপ্ত এই পোস্ট মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, “গত আট মাসে দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সরকারকে ৪৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হয়েছে। যুদ্ধের কারণে সারা বিশ্বে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। এ পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানো ছাড়া কোনো কার্যকর বিকল্প নেই।”
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, “জ্বালানি খাতে ভর্তুকির চাপ কমাতে সরকার প্রতিটি বাড়ির ছাদে সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে ২৫ হাজার মানুষ আবেদন করেছেন।”
জাপান থেকে রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানির ক্ষেত্রে নীতি প্রণয়নে ‘বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গি’ বাদ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন আমদানিকারকেরা।
রাঙামাটিতে কোতোয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অভিযোগে সাত কিশোরসহ ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সারপ্রাইজ ভিজিট করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে দুদকের কমিশন।
গাজীপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে এক পুলিশ সদস্যের হারিয়ে ফেলা পিস্তল ও গুলিসহ ম্যাগাজিন উদ্ধার করেছে পুলিশ।