<p> প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে অনন্য উৎকর্ষের স্বাক্ষর রেখে ‘আইডিয়াল অ্যাসোসিয়েশন অব ইনফরমেটিকস অ্যান্ড টেকনোলজি (আইএআইটি) জাতীয় আইটি উৎসব ২০২৬’–এর হ্যাকাথনে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ।</p><p> সম্প্রতি রাজধানীর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে এ সফটওয়্যার উন্নয়ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ‘টেবলটার্নার্স’ নামে তিন শিক্ষার্থীর একটি দল নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। প্রতিযোগিতায় দেশের ৭০টির বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৮০০ শিক্ষার্থী অংশ নেন।</p><p> প্রতিযোগী শিক্ষার্থীদের সামনে নির্দিষ্ট সময় ও সীমিত উপকরণের সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে ঢাকার বাস্তবমুখী নগর পরিবহন সমস্যার সমাধানে একটি ‘ফুল–স্ট্যাক’ সফটওয়্যার তৈরির চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়া হয়। দলগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সফটওয়্যারটি তৈরি করে উপস্থাপন করতে দেওয়া হয়।</p><p>হামজা হোসেন, তালাল আবিদ ও আবদুল্লাহ আহসানের সমন্বয়ে গঠিত নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের দলটি এক বুদ্ধিদীপ্ত ট্রানজিট ও রুট প্ল্যানিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে। এই প্ল্যাটফর্মে রুট খোঁজা, ভাড়া ও সময়ের সম্ভাব্য হিসাব, যাতায়াতের প্রতিবন্ধকতার তাৎক্ষণিক আপডেট এবং ব্যবহারকারীদের সরাসরি মতামত যাচাইয়ের মতো চমৎকার ফিচার যুক্ত ছিল। টানা ছয় ঘণ্টার বেশি সময় ধরে নিবিড় কোডিং শেষে নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের দলটি তাদের বিজয়ী প্ল্যাটফর্মটি সফলভাবে তৈরি করতে সক্ষম হয়।</p>
<p>নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গতকাল বুধবার শ্রমিকদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা করেছে পুলিশ। মামলায় ৪২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে যাদের বেশির ভাগই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মী। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কায়েতপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাদিম হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।</p><p> এদিকে আজ বৃহস্পতিবার জেলার শিল্পাঞ্চল ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। তবে কোথাও নতুন করে শ্রমিক বিক্ষোভ বা অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। পোশাক কারখানাগুলোতে স্বাভাবিক উৎপাদন কার্যক্রম চলেছে।</p><p>সকাল থেকে ফতুল্লার পঞ্চবটি বিসিক শিল্পনগরী, কাঠেরপুল, শিবু মার্কেট এবং সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়িসহ বিভিন্ন শিল্প এলাকায় পুলিশ সদস্যদের অবস্থান করতে দেখা যায়। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের শিবু মার্কেট, জালকুড়ি ও চাষাঢ়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন ছিলেন।</p><p>জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী প্রথম আলোকে বলেন, পোশাক কারখানাগুলোর পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারণে শ্রমিকেরা রাস্তায় নামতে পারেননি। কারখানাগুলোতে স্বাভাবিক কাজ হয়েছে। কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলা হয়নি। গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/kip0ad53/narayanganj2.jpeg"><figcaption>আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোতায়েন ছিলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ–বিজিবির সদস্যরাও</figcaption></figure><p>এর আগে গতকাল বুধবার সকালে ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে ফতুল্লার কাঠেরপুল এলাকায় কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা কারখানা থেকে বেরিয়ে সড়কে অবস্থান নেন। তাঁরা আশপাশের অন্য কারখানার শ্রমিকদেরও বাইরে বের করে আনার চেষ্টা করেন।</p><p>শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিতে গেলে পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। শ্রমিকেরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। সংঘর্ষে পুলিশ ও শ্রমিকসহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হন। কয়েকটি পোশাক কারখানার কাচও ভাঙচুর করা হয়।</p><p>এ ঘটনায় আজ দুপুরে পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করে। মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীসহ ৪২ জনকে এজাহারনামীয় আসামি করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আরও ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় রূপগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা নাদিম হোসেনের নামও রয়েছে।</p><p>অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী প্রথম আলোকে বলেন, কাঠেরপুলে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। ফতুল্লার শ্রমিক আন্দোলনে নাদিমের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। কায়েতপাড়া থেকে লোক পাঠিয়ে তিনি আন্দোলনে নাশকতার চেষ্টা করেছেন বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে।</p>
<p>নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আল মাহমুদ তারেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল বুধবার রাতে রাজধানীর মিরপুর ১-এর পাইকপাড়া আনসার ক্যাম্প এলাকা থেকে তাঁকে মিরপুর মডেল থানা–পুলিশ গ্রেপ্তার করে।</p><p> আজ বৃহস্পতিবার মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, আল মাহমুদকে গ্রেপ্তারের পর ওই এলাকার তানিম ভবনের সামনে রাস্তার ওপর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২০টি ককটেল, ৪১টি মশাল–লাঠি, দুই লিটার কেরোসিন তেল ও কর্কশিট উদ্ধার হয়।</p><p>পুলিশের ধারণা, আল মাহমুদ লোকজন জমায়েত করে মিছিলের মাধ্যমে নাশকতামূলক কার্যক্রমের জন্য এসব বিস্ফোরক ও সরঞ্জাম ব্যবহারের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/ci0j9w8y/WhatsApp_Image_2026_11_05_at_9_10_55_PM.jpeg"><figcaption>পাইকপাড়া আনসার ক্যাম্প এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ককটেলগুলো উদ্ধার করা হয়।</figcaption></figure> <p>পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার প্রথম আলোকে বলেন, আল মাহমুদ নিষিদ্ধ সংগঠনে যুক্ত থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা হয়েছে। এ ছাড়া বিস্ফোরক ও সরঞ্জাম উদ্ধারের ঘটনায় বিস্ফোরক আইনে পৃথক আরেকটি মামলায় তাঁকে আসামি করা হয়। দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আর খোলা জায়গায় গর্ত খুঁড়ে দুই দফায় বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ককটেলগুলো ধ্বংস করা হয়।</p><h3>পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৮</h3><p>এদিকে গত মঙ্গলবার মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন চলাকালে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করার অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। আজ বিকেলে ডিএমপির মিডিয়া শাখা থেকে পাঠানো খুদে বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।</p><p>গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. আশিক জুলহাস (২০), আরাফাত ইসলাম জিসান (২৫), মো. রশিদ আলী (৩০), মো. সোহেল রানা (২৬), মো. মিলন বাবু (৩২), মো. আনারুল ইসলাম (৩০), মো. রানা (২৭) ও মো. মনছুর আলী (৪০)।</p><p>গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিষয়ে জানতে চাইলে গোয়েন্দা মিরপুর বিভাগের ডিসি মোহাম্মদ রাকিব খান প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরিচয় ও কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করা হচ্ছে। পরে এ বিষয়ে জানানো হবে।</p>
রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ এবং সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এ আয়োজনে কথা বলেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষকেরা
হলিউডে অভিনয়ের ক্ষেত্রে নিজের কিছু নীতিতে অটল থাকতে চান অভিনেত্রী ম্যাককেনা গ্রেস।
পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টিতে অর্থায়নের অভিযোগে প্রায় ১০০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দ করার উদ্যোগ নিয়েছে এনবিআর
<p> ফুটপাতের অবৈধ দখল উচ্ছেদে গিয়ে স্থানীয় লোকজন ও ব্যবসায়ীদের রোষের মুখে পড়েছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অতীশ দর্শী চাকমা। ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ তুলে গতকাল বুধবার তাঁকে ঘিরে ধরেন স্থানীয় লোকজন ও ব্যবসায়ীরা। একপর্যায়ে শারীরিকভাবে হেনস্তার শিকার হয়ে পুলিশের সহায়তায় ঘটনাস্থল ছাড়তে হয় তাঁকে।</p><p> ঘটনার পর নিজের অবস্থান তুলে ধরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে লিখিত প্রতিবেদন দিয়েছেন এই ম্যাজিস্ট্রেট। তিনি বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানকে বিতর্কিত করতে পরিকল্পিতভাবে লোকজন জড়ো করা হয়েছিল। তবে তাঁর সেই বক্তব্যের সঙ্গে পুরোপুরি একমত হতে পারেননি সংশ্লিষ্ট ওই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তিনি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অতীশ দর্শী চাকমাকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার কাজ থেকে বিরত রাখার সুপারিশ করেছেন।</p><p> গতকাল দুপুরে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর সড়কের পাকার মাথা এলাকায় ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান চালানোর সময় অতীশ দর্শী চাকমাকে ঘিরে ধরেন স্থানীয় লোকজন ও ব্যবসায়ীরা। একপর্যায়ে তাঁকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়। পরে উত্তরা পশ্চিম থানা-পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে।</p><p>ব্যবসায়ীদের অভিযোগ ছিল, জরিমানা কমিয়ে দেওয়ার কথা বলে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযানের দলে থাকা একজন এক দোকানির কাছ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা নিয়েছেন। পরে ওই টাকা তাঁর কাছ থেকে পাওয়া গেছে বলেও দাবি করেন তাঁরা। তবে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।</p><p>ঘটনার বিষয়ে উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদ মনসুর প্রথম আলোকে বলেছিলেন, ফুটপাতে দোকান থাকার অভিযোগে কয়েকজনকে জরিমানা করেন ম্যাজিস্ট্রেট। জরিমানার রসিদ দেওয়াকে কেন্দ্র করে দোকানিদের সঙ্গে তাঁর বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হলে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।</p><blockquote>ম্যাজিস্ট্রেট প্রতিবেদনে বলেছেন, অবৈধ ফুটপাত দখলদারদের পক্ষের লোকজন ঘটনাটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করেছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। বিমানবন্দর-সংলগ্ন সড়ক ও এলাকা অবৈধ দখলমুক্ত রাখতে এবং দেশের প্রবেশদ্বার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে আরও শক্তিশালী অভিযান পরিচালনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।</blockquote><p><strong>ম্যাজিস্ট্রেটের পরিচয়পত্র ছিল না</strong></p><p>ঘটনার পর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-১-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেনের কাছে লিখিত প্রতিবেদন দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অতীশ দর্শী চাকমা। প্রতিবেদনে তিনি জানান, ডেঙ্গু পরিস্থিতিতে এডিস মশার বংশ বিস্তার নিয়ন্ত্রণ এবং শহরের রাস্তা-ফুটপাত ও আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার লক্ষ্যে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ৪ নভেম্বর সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরে রাজউক কলেজের সামনের সড়কে অভিযান চালানো হয়।</p><p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযানে উত্তরা পূর্ব থানার পুলিশ এবং সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিমানবন্দর-সংলগ্ন জসীমউদ্দীন সড়কে (১ ও ৩ নম্বর সেক্টরের মাঝামাঝি) একটি অবৈধ ভ্রাম্যমাণ দোকানকে ফুটপাত অপরিচ্ছন্ন করতে দেখা যায়। ওই দোকানির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালে আশপাশের লোকজন জড়ো হন।</p><p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পরিচয় দেওয়ার পর লোকজন তাঁর পরিচয়পত্র দেখতে চান। পরিচয়পত্র না থাকায় তাঁরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। আরও লোকজন জড়ো হলে তিনি কাছের একটি অস্থায়ী প্রেস ক্লাবে অবস্থান নেন।</p><p>এ ঘটনায় একটি দুষ্কৃতকারী গোষ্ঠী আগে থেকেই ভ্রাম্যমাণ আদালতকে চ্যালেঞ্জ করতে লোকজন জড়ো করার প্রস্তুতি রেখেছিল বলে অনুমান করেন তিনি। পরে উত্তরা পশ্চিম থানার কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা লোকজনকে বুঝিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন। এরপর পুলিশসহ ভ্রাম্যমাণ আদালতের সদস্যরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।</p><p>প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অবৈধ ফুটপাত দখলদারদের পক্ষের লোকজন ঘটনাটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করেছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। বিমানবন্দর-সংলগ্ন সড়ক ও এলাকা অবৈধ দখলমুক্ত রাখতে এবং দেশের প্রবেশদ্বার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে আরও শক্তিশালী অভিযান পরিচালনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।</p><blockquote>ফুটপাতের অবৈধ দোকানদারদের সঙ্গে পাশের প্রেসক্লাবের সদস্যদের সমঝোতা রয়েছে। চলমান ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমকে বিতর্কিত করে উচ্ছেদ অভিযান স্থবির করার উদ্দেশ্য থাকতে পারে। তবে এসব পরিস্থিতির বাইরে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বগুণ, দল পরিচালনায় দক্ষতা এবং পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার সক্ষমতায় যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে বলে উল্লেখ করেন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা।</blockquote><p><strong>নেতৃত্ব ও প্রস্তুতিতে ঘাটতি</strong></p><p>ম্যাজিস্ট্রেটের লিখিত প্রতিবেদন এবং অভিযানে থাকা সিটি করপোরেশনের অন্যান্য কর্মীদের বক্তব্য পর্যালোচনা করে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন তাঁর মতামত দেন। সেটা ঢাকা উত্তর সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মুহাম্মদ আসাদুজ্জামানের কাছে দেওয়া হয়েছে।</p><p>মতামতে বলা হয়, অভিযানের সময় ওই দলের সঙ্গে কোনো পুলিশ ফোর্স ছিল না। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত প্রস্তুতিও ছিল না। অভিযানে থাকা অন্য সদস্যদের ওপর ম্যাজিস্ট্রেটের পুরো নিয়ন্ত্রণ ছিল না।</p><p>ঘটনার সময় স্থানীয় সাংবাদিক ও উপস্থিত লোকজন ম্যাজিস্ট্রেটের পরিচয় নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করলে তিনি পরিষ্কারভাবে নিজের পরিচয় তুলে ধরতে পারেননি। অভিযানে থাকা এক সদস্যের বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠলেও ম্যাজিস্ট্রেট এ বিষয়ে পরিষ্কার বক্তব্য দেননি কিংবা কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানাননি। এতে তাঁর দুর্বলতার পরিচয় প্রকাশ পেয়েছে বলে মতামতে উল্লেখ করা হয়।</p><p>ঘটনার পর তাঁকে মামলা করার কথা বলা হলেও প্রতিবেদন প্রস্তুত করা পর্যন্ত তিনি কোনো মামলা করেননি। এ ছাড়া সাংবাদিক ও স্থানীয় লোকজনের ভিড়ের মধ্যে পুলিশ ফোর্স না থাকায় তিনি ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন। ফলে কোনো বিষয়ে সঠিক জবাব দিতে এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেননি।</p><p>মতামতে আরও বলা হয়, ফুটপাতের অবৈধ দোকানদারদের সঙ্গে পাশের প্রেস ক্লাবের সদস্যদের সমঝোতা রয়েছে। চলমান ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমকে বিতর্কিত করে উচ্ছেদ অভিযান স্থবির করার উদ্দেশ্য থাকতে পারে। তবে এসব পরিস্থিতির বাইরে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বগুণ, দল পরিচালনায় দক্ষতা এবং পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার সক্ষমতায় যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে বলে উল্লেখ করেন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা।</p><p>এ কারণে অতীশ দর্শী চাকমাকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার কাজ থেকে বিরত রাখা যথাযথ হবে বলে সুপারিশ করেন মোহাম্মদ কামাল হোসেন। তবে সিটি করপোরেশনের সূত্র জানিয়েছে, ওই ঘটনায় এখন পর্যন্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অতীশ দর্শী চাকমার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/xfiysm6kgv">উত্তরায় ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ তুলে ম্যাজিস্ট্রেটকে হেনস্তা </a></aside>
চোখের সঙ্গে মস্তিষ্কের সংযোগকারী স্নায়ু বা অপটিক নার্ভ রঙের বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করে।
পর্তুগালের হয়ে দুই দশকের বেশি সময় ধরে খেলা এই মহাতারকার অবসর–ক্ষণে দেখুন পর্তুগাল জার্সিতে তাঁর বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের ১৫টি মুহূর্ত।
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।