মার্কিন কংগ্রেসে ৮ মুসলিম, ইলহান ওমরের উচ্ছ্বাস

মার্কিন কংগ্রেসে আটজন মুসলিম আইনপ্রণেতার প্রবেশের মধ্য দিয়ে মুসলিম আমেরিকান রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক রচিত হয়েছে।

শিল্পে অস্থিরতা ঠেকাতে বহিরাগতদের অনুপ্রবেশ রোধের আহ্বান শ্রমিক সংগঠনের

গাজীপুরের পোশাকশিল্পে চলমান শ্রম অসন্তোষ ও অস্থিরতা নিরসনে শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরে উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার আহ্বান জানিয়েছে শ্রমিক মুক্তি সংগ্রাম পরিষদ।

শিল্পে অস্থিরতা ঠেকাতে বহিরাগতদের অনুপ্রবেশ রোধের আহ্বান শ্রমিক সংগঠনের
ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে নারী ও সাংবাদিকসহ আটক ৪৫

ফিলিস্তিনি প্রিজনার্স ক্লাব ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলি বাহিনী অধিকৃত পশ্চিম তীরে বড় ধরনের অভিযান চালিয়ে অন্তত ৪৫ জন ফিলিস্তিনিকে আটক করেছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচ নারী...

ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে নারী ও সাংবাদিকসহ আটক ৪৫
৮০০ যাত্রী নিয়ে সেন্টমার্টিন গেল পর্যটকবাহী জাহাজ

দীর্ঘ দশ মাস পর সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে।

৮০০ যাত্রী নিয়ে সেন্টমার্টিন গেল পর্যটকবাহী জাহাজ
পাইপলাইনে ছিদ্র করে ৪২৯২ লিটার তেল চুরি

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলায় জাতীয় কনডেনসেটবাহী পাইপলাইনে ছিদ্র করে ৪ হাজার ২৯২ লিটার তেল চুরি করেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র।

পাইপলাইনে ছিদ্র করে ৪২৯২ লিটার তেল চুরি
টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন

মিরপুরে টস জিতলেও সিলেটে এসে কয়েনভাগ্য পাশে পেলেন না বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন
খুলনায় জোড়া হত্যা: ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট

খুলনার আদালত পাড়ায় জোড়া  হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় ১৩ জন আাসমির নাম উল্লেখ করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। 

খুলনায় জোড়া হত্যা: ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট

সারা দেশ

View more
দড়ি টেনে চলে প্রতিবন্ধী জনির ৬ সদস্যের সংসার
দড়ি টেনে চলে প্রতিবন্ধী জনির ৬ সদস্যের সংসার

সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।

Video news

Rss feed news

৬১ ম্যাচে ৬২ গোল, চ্যাম্পিয়নস লিগে অনন্য হলান্ড
৬১ ম্যাচে ৬২ গোল, চ্যাম্পিয়নস লিগে অনন্য হলান্ড

চ্যাম্পিয়নস লিগে গতকাল রাতে লাইপজিগের বিপক্ষে গোল পেয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটি তারকা আর্লিং হলান্ড।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ: ভারতের রাজত্বে ভাগ বসাবে কে
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ: ভারতের রাজত্বে ভাগ বসাবে কে

এবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজনে নতুনত্ব যেমন দেখা যাচ্ছে, আছে অব্যবস্থাপনাও। সাফের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ভিএআর প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে এবার।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
১০ মাসেও কেন তদন্তের অগ্রগতি হবে না
১০ মাসেও কেন তদন্তের অগ্রগতি হবে না

<p><em>প্রথম আলো</em> কার্যালয়ে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাটি শুধু বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের ইতিহাসের কালো অধ্যায়ই নয়, স্বাধীন মতপ্রকাশ ও গণতন্ত্রকে রুদ্ধ করে দেওয়ার চেষ্টারও অংশ। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর মধ্যরাতে হামলার পর ২১ ডিসেম্বর রাজধানীর তেজগাঁও থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন, সাইবার সুরক্ষা আইন, বিশেষ ক্ষমতা আইনসহ দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা করা হয়। সেই মামলার তদন্ত না এগোনোর খবর যারপরনাই দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক। </p><p><em>প্রথম আলো</em>র খবর জানাচ্ছে, <em>প্রথম আলো</em> ভবনে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের সাড়ে ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও মামলার তদন্ত শেষ করতে পারেনি ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। হামলার পরিকল্পনাকারী ও সমন্বয়কারীদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হয়নি, অভিযোগপত্রও জমা পড়েনি। এ মামলায় বিভিন্ন সময়ে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন ৩৯ জন, যাঁদের সবাই এখন জামিনে মুক্ত। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হচ্ছে, মামলার তদন্ত তত্ত্বাবধানকারী কর্মকর্তা বলছেন, নতুন আসামি শনাক্ত করার সম্ভাবনা তিনি দেখছেন না।</p><p>গত ২৮ ফেব্রুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ <em>প্রথম আলো </em>কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় দুই মাসের মধ্যে সুষ্ঠু তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। তাঁর সেই নির্দেশের আট মাস পেরিয়ে গেছে। কিন্তু তদন্তের অগ্রগতি কোথায়? প্রশ্ন হচ্ছে, সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে নির্দেশ দেওয়ার পরও কেন তদন্ত শেষ করা গেল না?</p><p>গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর মধ্যরাতে একদল উগ্রপন্থী <em>প্রথম আলো</em>, <em>ডেইলি স্টার </em>ও ছায়ানট ভবনে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। পরদিন উদীচী কার্যালয়েও হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এসব হামলা মোটেই কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না। দেশের সংবাদমাধ্যম, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও মুক্তচিন্তার পরিবেশের ওপর সংঘবদ্ধ আক্রমণ ছিল। এ হামলা ঠেকাতে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিষ্ক্রিয় ভূমিকা বহুমাত্রিক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছিল।</p><p><em>প্রথম আলো</em> কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার সবাই জামিনে মুক্তি পেয়েছেন অথচ হামলার পেছনে কারা পরিকল্পনা করেছিল, কীভাবে হামলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল এবং এতে অর্থ বা রাজনৈতিক সহায়তা ছিল কি না—এসব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি। ভয়াবহ এ হামলার ভিডিও ফুটেজ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারণা, স্থিরচিত্রসহ অনেক তথ্য-উপাত্ত ও প্রমাণ রয়েছে। এত কিছুর পরও হামলায় অংশ নেওয়া সবাইকে শনাক্ত করতে না পারা তদন্তের সক্ষমতা ও আন্তরিকতা—দুই বিষয়েই প্রশ্ন তৈরি করে।</p><p><em>প্রথম আলো</em> কার্যালয়ে হামলা শুধু একটি সংবাদপত্রের ভবনে হামলার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কোনো সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত বক্তব্য বা অবস্থানের সঙ্গে কারও দ্বিমত থাকলে তার প্রতিবাদের পথ খোলা আছে। কিন্তু সেই দ্বিমতের জবাব ভবন পুড়িয়ে দেওয়া, লুটপাট কিংবা সাংবাদিকদের জীবন বিপন্ন করার মাধ্যমে হতে পারে না। এ ধরনের অপরাধের বিচার না হলে ভবিষ্যতে স্বাধীন সাংবাদিকতা আরও বেশি নিরাপত্তাহীনতায় পড়বে।</p><p>আমরা মনে করি, সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহদীন মালিক যথার্থই বলেছেন, <em>প্রথম আলো</em> কার্যালয়ে হামলা আমাদের দেশে বাক্‌স্বাধীনতার ওপর জঘন্যতম আক্রমণের একটি। পুলিশকে অবশ্যই যথাযথভাবে তদন্ত করে এ হামলার পরিকল্পনাকারী ও জড়িত সবাইকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হলে যারা বাক্‌স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র খর্ব করতে চায়, তাদেরই প্রশ্রয় দেওয়া হবে।</p>

নভেম্বর ৫, ২০২৬
হাওরাঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার করুণ চিত্র
হাওরাঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার করুণ চিত্র

<p>হাওরবেষ্টিত সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা ও পাশের মধ্যনগর উপজেলার তিন লক্ষাধিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম প্রধান ভরসাস্থল ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। কিন্তু অবকাঠামো ও কোটি টাকা মূল্যের চিকিৎসা সরঞ্জাম থাকা সত্ত্বেও শুধু চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সেখানকার মানুষ। বন্ধ রয়েছে এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাম সেবা, আর দক্ষ সার্জন ও অ্যানেসথেটিস্ট না থাকায় অব্যবহৃত পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে আধুনিক অপারেশন থিয়েটার। প্রান্তিক এলাকায় সরকারি চিকিৎসাকেন্দ্রে এমন অব্যবস্থাপনা ও অবহেলার চিত্র কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।</p><p><em>প্রথম আলো</em>র প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে হাসপাতালটির দীর্ঘদিনের সংকটের চিত্র। ২০১৫ সালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও প্রয়োজনীয় জনবল বাড়িয়ে সেবার পরিধি বাড়ানো হয়নি। চিকিৎসকের ৩৬টি অনুমোদিত পদের মধ্যে ২৫টিই বছরের পর বছর ধরে শূন্য পড়ে আছে। গাইনি, সার্জারি, মেডিসিন ও অ্যানেসথেসিয়ার মতো জরুরি বিষয়ের কোনো জুনিয়র কনসালট্যান্ট নেই। প্রতিদিন যেখানে বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগে ৪০০ থেকে ৪৫০ প্রসূতি, শিশু ও সাধারণ রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন, সেখানে মাত্র ১১ জন চিকিৎসক নিয়ে রোগীদের সেবা দিতে গিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। প্রয়োজনীয় টেকনোলজিস্ট না থাকায় ও এক্স-রে, আলট্রাসনোগ্রাম কক্ষ তালাবদ্ধ থাকায় রোগীদের বাইরে থেকে চড়া দামে এসব পরীক্ষা করাতে হচ্ছে।</p><p>সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো প্রসূতিসেবার পরিস্থিতি। প্রতি মাসে গড়ে ৬০ জন প্রসূতি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজনে হাসপাতালে এলেও সার্জনের অভাবে তাঁদের ফেরত পাঠাতে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে ওই রোগীদের নেত্রকোনা কিংবা মোহনগঞ্জের হাসপাতালে যেতে হচ্ছে, যেখানে যাতায়াত ও অস্ত্রোপচার বাবদ পরিবারগুলোকে অতিরিক্ত ২৫-৩৫ হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে। হাওরাঞ্চলের দরিদ্র ও প্রান্তিক পরিবারের জন্য এটি অত্যন্ত কষ্টদায়ক ও আর্থিক পেষণ। অন্যদিকে হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীদের আলাদা ওয়ার্ড না থাকায় তাঁদের ঠাঁই হচ্ছে বারান্দায় কিংবা মেঝের ওপর।</p><p>আমাদের নীতিনির্ধারকেরা কেন বুঝতে চান না, শুধু অবকাঠামো নির্মাণ বা কোটি কোটি টাকার আধুনিক যন্ত্রপাতি কিনে ফেলে রাখলেই স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়ে না; সেই যন্ত্রপাতি চালানোর উপযোগী দক্ষ জনবলও সুনিশ্চিত করতে হয়। দুঃখজনক হচ্ছে যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে বারবার লিখিতভাবে জানানো সত্ত্বেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।</p><p>উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোকে কার্যকর না করতে পারলে দেশের সার্বিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার সংস্কার কোনো দিন সম্ভব নয়। আমরা জোরালো দাবি জানাচ্ছি, অবিলম্বে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শূন্য পদগুলোয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জনবল নিয়োগ দেওয়া হোক। অকেজো যন্ত্রপাতি দ্রুত মেরামত ও সচল করে হাওরাঞ্চলের তিন লাখ মানুষের মৌলিক চিকিৎসা অধিকার সুনিশ্চিত করা হোক।</p>

নভেম্বর ৫, ২০২৬
সিলেট টেস্ট: কিংয়ের স্টাম্প ভেঙে দিলেন তাসকিন
সিলেট টেস্ট: কিংয়ের স্টাম্প ভেঙে দিলেন তাসকিন

সিলেটে বাংলাদেশ–ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় টেস্টের লাইভ বিবরণী ও বিশ্লেষণ জানতে চোখ রাখুন এখানে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
যাঁর কোরআন পাঠ শুনতে নেমে এসেছিলেন ফেরেশতা
যাঁর কোরআন পাঠ শুনতে নেমে এসেছিলেন ফেরেশতা

নিঝুম রাতে তিনি কোরআন পড়ছিলেন আর সেই তা শুনতে আকাশ থেকে নেমে এসেছিলেন এক দল ফেরেশতা।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
বাবুল শেখের হাতে গড়ে উঠেছে মফসসলের সড়কে একের পর এক যাত্রীছাউনি
বাবুল শেখের হাতে গড়ে উঠেছে মফসসলের সড়কে একের পর এক যাত্রীছাউনি

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/httpsprothomalo-banglaquintypecomstoryb3d5bd96-9f19-4437-964c-9ea999658784</figure>

নভেম্বর ৫, ২০২৬
বিশ্বাসঘাতক কয়েল ও বড় ভাই মশা
বিশ্বাসঘাতক কয়েল ও বড় ভাই মশা

<p>এই যে দেখুন, দুনিয়ায় বিশ্বাসের স্তম্ভগুলা আস্তে আস্তে কেমনে ধসে পড়ে, তার একটা তাজা উদাহরণ দিই।</p><p>ছোটবেলা থেকে আব্বা-আম্মা শিখাইছে, ‘সত্য কথা বলবা, বড়দের মানবা, আর মশারির ভেতরে শুইবা।’ কিন্তু আমরা বাঙালিরা কি আর মশারি টাঙানোর খাটুনি খাইতে চাই? আমাদের ভরসা ছিল একটা সবুজ রঙের গোল চাকা—মশার কয়েল।</p><p>আমাদের কাছে মশার কয়েল ছিল এক অলৌকিক অস্ত্র। প্যাকেট খোলার সঙ্গে সঙ্গে ভাবতাম, ‘আজকে মশার বংশ নিপাত হবে!’ কয়েলে আগুন ধরায়া ধোঁয়া ছাড়তাম, আর মনে মনে একটা জেমস বন্ড মার্কা হাসি দিয়া বলতাম, ‘খেলা শুরু, বেটা মশার দল!’</p><p>কিন্তু আমার বিশ্বাসের ভিতটা ভূমিকম্পের মতো কেঁপে উঠল গত মঙ্গলবার রাতে।</p><p>ঘটনাটি যেভাবে ঘটল...</p><p>তখন বাজে রাত ১২টা। ঘরে লোডশেডিং। অন্ধকারের মধ্যে আমি রোমান্টিক মুডে না গিয়া মশার সঙ্গে থার্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার লড়তেছি। এক হাতে ইলেকট্রিক ব্যাট, অন্য হাতে কয়েল আর দেশলাই।</p><p>কয়েলটা স্ট্যান্ডের ওপর বসায়ে সযত্নে আগুন জ্বালালাম। ধোঁয়া উঠতেছে ভুর ভুর করে। ঘরের পরিবেশ এখন একদম পাহাড়ের কুয়াশার মতো বিষাক্ত ও সুন্দর। আমি ভাবলাম, মশার দল এখন ধোঁয়ায় কাশি তুলতে তুলতে আকুল হয়ে পালাইবে, না হয় বিষক্রিয়ায় স্ট্রোক করবে।</p><p>আমি শান্তিমতো হাত-পা ছড়িয়ে খাটে শুইলাম। মনে অপার শান্তি।</p><aside><cite></cite>কী রে ভাই? এগুলা কী জ্বালাস? শীতকালে একটু গরম সেঁকার জায়গা পাচ্ছিলাম না, থ্যাংকস কয়েলটা জ্বালানোর জন্য! আর একটু ধোঁয়া দে, বগলটা একটু ঘাইমা গেছে, শুকায়া নেই।</aside><p>কিন্তু ঠিক পাঁচ মিনিটের মাথায় একটু খসখস শব্দ শুনলাম। কয়েলের দিকে তাকিয়ে যা দেখলাম... ভাই রে ভাই, আমার চোখ কপালে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে আত্মাডা মনে হয় ক্ষণিকের জন্য বডি ছেড়ে চলে গেছিল!</p><p>একটা ধাড়ে-ধেড়ে গাম্বিয়া মার্কা মশা—সাইজে প্রায় কাকের বাচ্চার মতো—উড়ে এসে একবারে জ্বলন্ত কয়েলের আগায় গিয়া বসল!</p><p>হ্যাঁ, ভাই! আপনি ভুল শোনেন নাই!</p><p>যে কয়েলের ধোঁয়ায় মানুষের হাঁপানি উঠে যায়, সেই জ্বলন্ত কয়েলের লাল টকটকে ছাইয়ের ওপর মশাটা পরম শান্তিতে পা ছড়ায়ে বসল!</p><p>আমি চোখ ডলে আবার তাকালাম। নাহ, ভুল দেখি নাই। মশাটা কয়েলের ওপর বসে হাত-মুখ ধুচ্ছে! আমার মনে হইল মশাটা আমার দিকে তাকিয়ে একটা ব্যঙ্গাত্মক হাসি দিল। তার এক্সপ্রেশনটা ছিল অনেকটা এ রকম:</p><p>‘কী রে ভাই? এগুলা কী জ্বালাস? শীতকালে একটু গরম সেঁকার জায়গা পাচ্ছিলাম না, থ্যাংকস কয়েলটা জ্বালানোর জন্য! আর একটু ধোঁয়া দে, বগলটা একটু ঘাইমা গেছে, শুকায়া নেই!’</p><p>আমি স্তব্ধ! নিস্তব্ধ! হতবাক!</p><p>যে কয়েলকে আমি এত দিন ‘মশাবিনাশী পারমাণবিক অস্ত্র’ ভাবতাম, মশাটা সেটারেই বডি স্প্রে আর রুম হিটার বানায়া ফেলছে!</p><p>আমি আস্তে করে উঠে দাঁড়ালাম। মশাটার কাছে গেলাম। মশাটা কিন্তু পালাইল না। উল্টা কয়েলের ছাই থেকে একটু ধোঁয়া নিশ্বাসে টেনে নিয়ে একটা আড়মোড়া ভাঙল, যেন কক্সবাজারের বিচে সানবাথ নিচ্ছে!</p><p>আমার তখন মনে হইল:</p><p>প্রেমিকা ছ্যাঁকা দিলে: কষ্ট হয়, কিন্তু সহ্য করা যায়।</p><p>পরীক্ষায় ফেল করলে: কান্নাকাটি করে সামলে ওঠা যায়।</p><p>কিন্তু কয়েলের ওপর মশাকে বসে থাকতে দেখলে: জীবনের প্রতি সমস্ত বিশ্বাস, ভালোবাসা, আস্থা এক সেকেন্ডে কর্পূরের মতো উড়ে যায়!</p><p>ওই দিন রাতে আমি বুঝে গেলাম, ডারউইনের বিবর্তনবাদ একদম সত্য! আমাদের দেশের মশারা এখন আর সাধারণ মশা নাই, এরা স্পেশাল ফোর্স থেকে ট্রেনিংপ্রাপ্ত ‘সুপার মশা’! কয়েলের ধোঁয়া এখন আর ওদের মারে না, উল্টা ওদের অ্যারোমাথেরাপি দেয়। এরা কয়েলের ধোঁয়া খেয়ে জিমে যায়, পুশআপ দেয়, আর রাতে এসে মানুষের রক্ত খায় হেলথ ড্রিংক হিসেবে!</p><p>আমি আস্তে করে কয়েলটা ফুঁ দিয়ে নিভায়া দিলাম। কয়েলকে স্যালুট জানিয়ে বললাম, ‘ভাই রে, তোর জীবন ব্যর্থ। তুই রিটায়ারমেন্টে যা।’</p><p>তারপর চুপচাপ উঠে গিয়ে পুরোনো, ফুটো হওয়া মশারিটা টাঙালাম। কারণ, এই নিষ্ঠুর দুনিয়ায় মশার কয়েল ধোঁকা দিতে পারে, কিন্তু তালি দেওয়া মশারির কাপড় কখনো বিশ্বাসঘাতকতা করে না!</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/03knpkwgit">অনেক ভুলের হয় না ক্ষমা, বললে স্যরি</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/6uwedlcbma">রসালো Billboard</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/2l03xca7h9">কাকালাপ</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/xuniyw60go">পাতি-নেতাদের নামতা</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/l5kxbvr6xd">একটি প্রকল্পের আত্মকাহিনি</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/nay9oz11de">স্যরি!</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/3y37khdj9g">আপনি কত বড় মিথ্যাবাদী?</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/3fbuod5lle">উগান্ডার হুইপের ফেসবুক প্রোফাইল</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/m9eme7ddwo">বেরেক কাম করে না!</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/hik3yizsq8">সিনেপ্লেক্সে একদিন </a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/tnsdadk1at">সড়কপথে বিমানের ছোঁয়া </a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/wio8c5i398">আরও যা যা ফাঁস হতে পারে</a></aside>

নভেম্বর ৫, ২০২৬
ইরান যুদ্ধ রিপাবলিকানদের পরাজয়ের জন্য দায়ী, এমন দাবি 'বেশিরভাগই সত্য': ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধ রিপাবলিকানদের পরাজয়ের জন্য দায়ী, এমন দাবি 'বেশিরভাগই সত্য': ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের সেনেটের দুটি আসনের ফল আসতে দেরি হবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে পরাজয়ের কারণ হিসেবে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রসঙ্গ আবার সামনে আনলেন ট্রাম্প। এদিকে সেনেটের দুটি আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের কারণে ফল আসতে দেরি হতে পারে। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...

নভেম্বর ৫, ২০২৬
‘আমাদের পরাজয়ের কারণ হলো যুদ্ধ,’ মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় হারের পর বললেন জেডি ভ্যান্স
‘আমাদের পরাজয়ের কারণ হলো যুদ্ধ,’ মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় হারের পর বললেন জেডি ভ্যান্স

সেনেট ও হাউস দু্ই জায়গাতেই ডেমোক্র্যাট দল বিজয়ী হয়েছে, তাই ট্রাম্পের বাকি মেয়াদের জন্য কংগ্রেসের উচ্চ ও নিম্নকক্ষের নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধই ছিল তাদের দলের পরাজয়ের প্রধান কারণ, রিপাবলিকানদের মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারের পর দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এ কথা লিখেছেন।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
তৈরি পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি ডিসেম্বর থেকে কার্যকরের ঘোষণা বোর্ডের
তৈরি পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি ডিসেম্বর থেকে কার্যকরের ঘোষণা বোর্ডের

পহেলা ডিসেম্বর থেকে শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি কাঠামো কার্যকর হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মজুরি বোর্ডের সদস্যরা, যদিও মজুরি কাঠামো এখনো নির্ধারিত হয়নি। অন্যদিকে আগামী পহেলা ডিসেম্বর থেকে এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থীদের আবার ওই দুই বিষয়ের ওপর পরীক্ষা হবে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
পত্রিকা: 'আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগ: সাবেক মন্ত্রী, এমপিসহ ২০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দ হচ্ছে'
পত্রিকা: 'আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগ: সাবেক মন্ত্রী, এমপিসহ ২০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দ হচ্ছে'

ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকার পাতাজুড়ে পোশাকখাতের শ্রমিকদের আন্দোলন, ডিসেম্বর থেকে তাদের নতুন মজুরি কার্যকরের প্রতিশ্রুতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দলের হোঁচট খাওয়ার খবর গুরুত্ব পেয়েছে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও সাংবাদিক রাজীব ডিবি হেফাজতে, 'অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি'র দাবি পুলিশের
ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও সাংবাদিক রাজীব ডিবি হেফাজতে, 'অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি'র দাবি পুলিশের

পুলিশ বলছে, 'অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি' এড়াতে তাদের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও রাজীব ঘোষকে গাড়ীতে ওঠানোর সময় উপস্থিত ছিলেন টেলিভিশন চ্যানেলটির এমন কয়েকজন সংবাদকর্মী বলেছেন, অফিসের ভেতরে কোনও ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তাদের চোখে পড়েনি।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
পঞ্চম দিনের মতো পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, নতুন মজুরি কার্যকরের আশ্বাস
পঞ্চম দিনের মতো পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, নতুন মজুরি কার্যকরের আশ্বাস

ন্যুনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে পঞ্চম দিনের মতো বিক্ষোভ করেছেন পোশাক শ্রমিকরা। অন্যদিকে চলমান শ্রমিক অসন্তোষের মাঝে নবগঠিত মজুরি বোর্ড বুধবার জানিয়েছে, পোশাক শ্রমিকদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো আগামী ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল নিয়ে কী বললেন ট্রাম্প
মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল নিয়ে কী বললেন ট্রাম্প

ডোনাল্প ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেছেন যে, ব্যালটে তার নাম থাকলে রিপাবলিকানরা "বিপুল ভোটে" জয়ী হতো।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
পারমাণবিক হামলা ও তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে কেন নাগরিকদের সতর্ক করল ইরান?
পারমাণবিক হামলা ও তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে কেন নাগরিকদের সতর্ক করল ইরান?

পারমাণবিক হামলার ক্ষেত্রে কী জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া দরকার সে বিষয়ে নির্দেশ জারি করেছে ইরান। সোমবার রাতে ইরানের কেশম দ্বীপে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেই আবহেই তড়িঘড়ি জারি করা হয়েছে এই নির্দেশাবলী।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
বাগেরহাটের পথে প্রধানমন্ত্রী
বাগেরহাটের পথে প্রধানমন্ত্রী

একদিনের সরকারি সফরে বাগেরহাট ও খুলনার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
ইরানকে সহায়তার অভিযোগে ভারতীয় দম্পত্তির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
ইরানকে সহায়তার অভিযোগে ভারতীয় দম্পত্তির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

ইরানের তেল রপ্তানির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যেতে সহায়তা করার অভিযোগে ভারতীয় এক ব্যবসায়ী দম্পতি এবং তাদের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
পাঁচ বিভাগে হালকা বৃষ্টির আভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা
পাঁচ বিভাগে হালকা বৃষ্টির আভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা

অন্ধ্রপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে দেশের পাঁচ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
গাজীপুরে কাজে ফিরছেন শ্রমিকরা, স্বাভাবিক মহাসড়কে যান চলাচল
গাজীপুরে কাজে ফিরছেন শ্রমিকরা, স্বাভাবিক মহাসড়কে যান চলাচল

ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে টানা কয়েক দিনের বিক্ষোভ, সংঘর্ষ ও উত্তেজনার পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
খুলনায় জোড়া হত্যা: ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট
খুলনায় জোড়া হত্যা: ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট

খুলনার আদালত পাড়ায় জোড়া  হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় ১৩ জন আাসমির নাম উল্লেখ করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। 

নভেম্বর ৫, ২০২৬
টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন
টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন

মিরপুরে টস জিতলেও সিলেটে এসে কয়েনভাগ্য পাশে পেলেন না বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
পাইপলাইনে ছিদ্র করে ৪২৯২ লিটার তেল চুরি
পাইপলাইনে ছিদ্র করে ৪২৯২ লিটার তেল চুরি

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলায় জাতীয় কনডেনসেটবাহী পাইপলাইনে ছিদ্র করে ৪ হাজার ২৯২ লিটার তেল চুরি করেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
৮০০ যাত্রী নিয়ে সেন্টমার্টিন গেল পর্যটকবাহী জাহাজ
৮০০ যাত্রী নিয়ে সেন্টমার্টিন গেল পর্যটকবাহী জাহাজ

দীর্ঘ দশ মাস পর সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬