ঢাকায় আজ শুরু হচ্ছে সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ। দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের এই টুর্নামেন্টের আদ্যোপান্ত জেনে নিন এখানে।
<p>বাংলাদেশের মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) কার্যালয় এবং এর আওতাধীন ফিন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট একাডেমি (ফিমা) ও অডিট অধিদপ্তরগুলোর রাজস্ব খাতের শূন্য পদগুলোয় সরাসরি নিয়োগের দুটি আলাদা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ১৬তম ও ২০তম গ্রেডের ৪টি ক্যাটাগরিতে মোট ৩৪৭ জন কর্মী নিয়োগ দেবে। বিজ্ঞপ্তিতে ঘোষিত শর্ত অনুযায়ী যোগ্য ও প্রকৃত বাংলাদেশি প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।</p><h3>পদভিত্তিক বিবরণ, পদসংখ্যা ও বেতন স্কেল</h3><p> ১. জুনিয়র অডিটর (গ্রেড-১৬): ৭০টি। বেতন স্কেল: ২১,৯০০–৫২,৯০০ টাকা।</p><p> ২. কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক (গ্রেড-১৬): ৬২টি। বেতন স্কেল: ২১,৯০০–৫২,৯০০ টাকা।</p><p> ৩. ড্রাইভার (গ্রেড-১৬): ৬টি। বেতন স্কেল: ২১,৯০০–৫২,৯০০ টাকা।</p><p> ৪. অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০): ২০৯টি। বেতন স্কেল: ২০,০০০–৪৮,৪০০ টাকা।</p><a href="https://www.prothomalo.com/education/scholarship/f9t0zlxeg4" target="" rel=""><span>মিসরের আল-আজহারের ইনস্টিটিউটে পড়াশোনা, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা যেভাবে আবেদন করবেন</span></a><h3>শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অন্যান্য দক্ষতা</h3><p>জুনিয়র অডিটর: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে অন্যূন দ্বিতীয় বিভাগ বা সমমানের জিপিএতে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে ইংরেজিতে ২০ ও বাংলায় ২০ শব্দের সর্বনিম্ন গতিসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে Standard Aptitude Test-এ উত্তীর্ণ হতে হবে।</p><p>কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে অন্যূন দ্বিতীয় বিভাগ বা সমমানের জিপিএতে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। প্রার্থীকে কম্পিউটার চালনায় দক্ষ হতে হবে এবং কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে ইংরেজিতে ৩০ ও বাংলায় ২৫ শব্দের সর্বনিম্ন গতিসহ Standard Aptitude Test-এ উত্তীর্ণ হতে হবে।</p><p>ড্রাইভার: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। এর পাশাপাশি হালকা বা ভারী (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) যানবাহন চালনার বৈধ লাইসেন্সসহ গাড়ি চালনায় অন্যূন তিন বছরের বাস্তব কর্ম অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।</p><p>অফিস সহায়ক: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/dbdi5owhju">ইউরোপের ঘণ্টাপ্রতি বেতন যে ১০ দেশে সবচেয়ে বেশি</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2022-05/17142843-5a6a-411e-aa45-4ff905762a6e/Untitled_3.png"></figure><h3>আবেদনপ্রক্রিয়া ও সময়সূচি</h3><p>আগ্রহী প্রার্থীদের টেলিটকের নির্ধারিত ওয়েবসাইটের (<a href="https://cag.teletalk.com.bd/" target="_blank" rel="nofollow">cag.teletalk.com.bd</a>) মাধ্যমে অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে। অনলাইন ব্যতীত অন্য কোনো মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ করা হবে না। এ ছাড়া টেলিটকের জব পোর্টাল (<a href="https://alljobs.teletalk.com.bd/">alljobs.teletalk.com.bd</a>) কিংবা কিউআর (QR Code) স্ক্যান করেও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।</p><p><strong>অনলাইনে আবেদনপত্র জমাদানের শেষ তারিখ ও সময়:</strong> ২৫ নভেম্বর ২০২৬, বিকেল ৪টা।</p><p>নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে প্রার্থীরা মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (<a href="https://www.cag.org.bd/" target="_blank" rel="nofollow">www.cag.org.bd</a>) অথবা টেলিটক পোর্টাল ভিজিট করতে পারেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/higher-education/xhk2txmvsx">নিউজিল্যান্ড শিক্ষার্থী ভিসায় আনল চার পরিবর্তন</a></aside>
<p>ইইউর সহযোগিতায় একশনএইডের সুশীল প্রকল্প ও <em>প্রথম আলো</em>র যৌথ উদ্যোগে নাগরিক সংলাপ হয়।</p><p>পাহাড়ে আবাসিক শিক্ষাব্যবস্থার বিকল্প নেই। আবাসিক শিক্ষাব্যবস্থা হলে দুর্গম এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক নেই, শিক্ষার্থী নেই—এমন নানা অজুহাত দূর হয়ে যাবে। ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষা দেওয়া সহজ হবে। অনেক অভিভাবকের কাছে মাতৃভাষায় শিক্ষা নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে, সে বিভ্রান্তি দূর হবে এবং মাতৃভাষার সঙ্গে জাতীয় ভাষার সেতুবন্ধ হলে শিক্ষার গুণগত মান বাড়বে।</p><p>গতকাল মঙ্গলবার সকালে অনুষ্ঠিত ‘জাতীয় বাজেটে নাগরিক সমাজের প্রত্যাশা অন্তর্ভুক্তিকরণ: বান্দরবানের পরিপ্রেক্ষিত’ শীর্ষক গোলটেবিল সংলাপে এভাবে দুর্গম এলাকায় আবাসিক শিক্ষাব্যবস্থার অগ্রাধিকারের বিষয়টি উঠে এসেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সহযোগিতায় একশনএইডের সুশীল প্রকল্প ও <em>প্রথম আলো</em> যৌথ উদ্যোগে এ সংলাপের আয়োজন করে। বান্দরবান জেলা শহরের হোটেল ডিমোরের মিলনায়তনে সংলাপ আয়োজনে সহযোগী হিসেবে ছিল স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা বিএনকেএস।</p><p>সংলাপে জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, নাগরিক সমাজের নেতা ও বিভিন্ন পেশাজীবী অংশ নেন। সংলাপে অংশ নেওয়া অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিরা বলেছেন, সমতলের সঙ্গে পার্বত্য অঞ্চলের বাস্তবতা এক নয়। কিন্তু বাজেট প্রণীত হয় সামগ্রিকভাবে সমতলের ধারণায়। যেমন সমতলের বাজেটে বিভিন্ন হাসপাতালে দেওয়া অ্যাম্বুলেন্স অনেক ক্ষেত্রে পাহাড়ি সড়কে চালানো যায় না।</p><p>সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাধবী মারমা বলেছেন, জাতীয়ভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক বাজেট তৈরিতে ঘাটতি রয়েছে, তা অস্বীকার করা যায় না। তবে বর্তমান সরকার সেই ঘাটতিগুলো দূর করার জন্য পরিকল্পনা ও উদ্যোগ গ্রহণ করছে। ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ও প্রান্তিক মানুষের চাহিদাকে অন্তর্ভুক্তিমূলক করার ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।</p><h3>আবাসিক শিক্ষাব্যবস্থায় অগ্রাধিকার</h3><p>হেডম্যান-কার্বারি কল্যাণ পরিষদের (হেকাকপ) সভাপতি উনিহ্লা মারমা বলেছেন, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বিচ্ছিন্ন ছোট ছোট প্রতিটি পাড়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দেওয়া সম্ভব নয়। তাই দুর্গম পাহাড়ি এলাকার শিশুদের শিক্ষার আওতার আনার জন্য প্রতিটি ইউনিয়নে কয়েকটি আবাসিক বিদ্যালয় গড়ে তোলা দরকার। এতে সরকারের অনেকগুলো বিদ্যালয় নির্মাণ ও শিক্ষক নিয়োগের ব্যয় কমবে। একই সঙ্গে আবাসিক বিদ্যালয়ে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর শিশুদের মাতৃভাষায় প্রাথমিক শিক্ষা পরিচালনা করাও সহজ হবে। </p><p>জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অং চ মং মারমা বলেছেন, আবাসিক শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষার গুণগত মান বাড়বে, ঝরে পড়ার হার কমবে। শিক্ষার হার ও গুণগত মান বাড়লে উন্নয়ন টেকসই হবে। তিনি বলেন, অপেক্ষাকৃত কম দুর্গম বিদ্যালয়ের শিক্ষকদেরও আবাসন ও যাতায়াতের জন্য প্রণোদনার ব্যবস্থা করা দরকার। এর ফলে কর্মস্থলে শিক্ষক অনুপস্থিতি ও প্রক্সি শিক্ষকের সংখ্যা কমে আসবে।</p><p>উনিহ্লা ও অং চ মং মারমা উত্থাপিত প্রস্তাব সংলাপে বেশির ভাগ অংশগ্রহণকারী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা দরকার বলে মত প্রকাশ করেন।</p><h3>পরিবেশ ও পানির সংকট</h3><p>বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য অংজাই উই চাক ও রাজুময় তঞ্চঙ্গ্যা বলেছেন, জলবায়ুজনিত পরিবেশগত সংকটে পাহাড়ে যেভাবে পানির সংকট তীব্র হচ্ছে; এর সমাধান না হলে পাহাড়ে টিকে থাকা কঠিন হয়ে উঠবে।</p><p>রাজুময় তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, এখানে উন্নয়ন অপরিকল্পিতভাবে হচ্ছে। পাহাড়ের উন্নয়ন পাহাড়ি মানুষ জানে না। উন্নয়ন করতে গিয়ে বন নাই হয়ে যাচ্ছে। সবশেষে পানির উৎসে পানি নাই হয়ে উঠেছে। স্থানীয় মানুষের মতামত ও অংশগ্রহণ না থাকায় একটি উন্নয়নে পরিবেশগত অবনয়ন হচ্ছে বহুভাবে।</p><p>জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জসীম উদ্দিন বলেছেন, পানির সংকট সমাধানের বিষয়টি বান্দরবানের সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।</p><p>ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক নুক্রাচিং মারমা বলেছেন, প্রাকৃতিক পরিবেশের বিপর্যয়ের সঙ্গে সাংস্কৃতিক পরিবেশও বিপন্ন হয়ে পড়ছে। যেমন ম্রোদের ঐতিহ্যবাহী প্লুং বা বাঁশি তৈরিতে বিশেষ প্রজাতির লাউয়ের খোল ও মৌমাছির মোম দরকার। কিন্তু প্রাকৃতিক বন সীমিত হয়ে আসায় জুমচাষ কম হচ্ছে। বিশেষ প্রজাতির লাউ চাষও কম হচ্ছে। বনাঞ্চল না থাকায় মৌমাছি উধাও হয়ে গেছে। তাই উপকরণের সংকটে ম্রো বাঁশিও একদিন হারিয়ে যাবে। কিন্তু বাজেট যাঁরা তৈরি করেন, তাঁরা এসব বিষয় ভাবেন? </p><h3>কৃষির সম্ভাবনা</h3><p>বান্দরবান<strong> </strong>প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেছেন, বাজেটে পার্বত্য অঞ্চলের কৃষিকে গুরুত্ব দেওয়া দরকার। এই খাতে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও বহু স্তরে কর্মসংস্থান হতে পারে। </p><p>জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আব্দুচ সালাম আজাদ বলেছেন, পাহাড়ের মানুষ জুমচাষে অভ্যস্ত, এখন জুমচাষের পাশাপাশি উদ্যান ফসলের চাষ হচ্ছে। এই উৎপাদন ব্যবস্থাকে বহুস্তরীয় করার জন্য পাহাড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ অক্ষুণ্ন রেখে কৃষিভিত্তিক শিল্পকারখানা গড়ে তোলায় গুরুত্ব দিতে হবে। </p><h3>পর্যটন স্থানীয়দের উন্নয়নে হওয়া দরকার </h3><p>জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ম্যাম্যানু মারমা ও হেকাকপ সভাপতি উনিহ্লা মারমা বলেন, পর্যটন উন্নয়নে স্থানীয় লোকজনের কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধি করার সম্ভাবনা রয়েছে। আর স্থানীয় লোকজনের উদ্যোগ ও অংশগ্রহণ ছাড়া পর্যটন হলে ক্ষতির সম্মুখীনও হতে পারেন স্থানীয় লোকজন। সে জন্য স্থানীয় প্রাধান্য দিয়ে পর্যটন উন্নয়নের পরিকল্পনা হতে পারে। এতে স্থানীয় ও জাতীয়ভাবে বাজেট বরাদ্দ থাকা দরকার। </p><p>আব্দুচ সালাম আজাদ বলেন, স্থানীয়ভাবে ইকোট্যুরিজম উন্নয়নে বাজেটে উদ্যোক্তাদের জন্য সুদবিহীন ঋণের বরাদ্দ রাখা যেতে পারে। </p><p>আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং মারমা বলেন, বাজেট প্রণয়নে জনসম্পৃক্ততা না থাকায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সবচেয়ে উন্নয়ন অবহেলার শিকার হয়। জাতীয় বাজেটে আলাদা করে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের জেলা ও আঞ্চলিক পরিষদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয় না।</p><p>সংলাপের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন <em>প্রথম আলো</em>র বান্দরবান প্রতিনিধি বুদ্ধজ্যোতি চাকমা। একশনএইডের লিড (উইমেন রাইটস অ্যান্ড জেন্ডার ইকুইটি) মরিয়ম নেছা সুশীল প্রকল্পের বাজেট সংলাপের গুরুত্ব তুলে ধরেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সমষ্টির নির্বাহী পরিচালক মীর মাসরুর জামান। সংলাপ সঞ্চালনা করেন <em>প্রথম আলো</em>র সহকারী সম্পাদক ফিরোজ চৌধুরী।</p>
ওই সেন্টারের ৪১টি সিলিন্ডারে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট রাত ৮টা ৪৪ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
মধ্যবর্তী নির্বাচনে ধাক্কা, এখন কী করবেন ট্রাম্প
মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচারকালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বারবার ভোটারদের কাছে অনুরোধ জানিয়ে বলেছিলেন, ‘মনে করুন ব্যালটে আমিই আছি।’
<p>৩ নভেম্বর হয়ে গেল বলিউড তারকা রণবীর কাপুরের ‘রামায়ণ’ সিনেমার প্রিমিয়ার। স্বামীর সিনেমার প্রিমিয়ারে হাজির হয়েছিলেন আলিয়া ভাট। মুম্বাইয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে তাঁর সাজ ছিল বেশ অন্য রকম। সবুজ রঙের সাধারণ লিনেন শাড়ির সঙ্গে পরেছিলেন রুপার অলংকারে তৈরি নজরকাড়া ব্লাউজ। জমকালো ব্লাউজের সঙ্গে সাদামাটা শাড়ির এই মেলবন্ধনেই তৈরি হয়েছে আলিয়ার বিশেষ ফ্যাশন স্টেটমেন্ট। দীপাবলির আগে নিজের এই সাজের ছবি প্রকাশ করে আলিয়া লিখেছেন, ‘অ্যান এপিক স্টার্ট টু দিওয়ালি’। ছবিতে ছবিতে দেখে নেওয়া যাক তাঁর সাজের খুঁটিনাটি</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/6rl57f21/alia-bhatt-2.jpg"><figcaption>রণবীর কাপুরের ‘রামায়ণ’ সিনেমার প্রিমিয়ারে আলিয়া ভাট বেছে নিয়েছিলেন সবুজ রঙের লিনেন শাড়ি। সাদামাটা শাড়ির সঙ্গে ব্যতিক্রমী ব্লাউজেই ছিল তাঁর সাজের মূল আকর্ষণ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/n3wcircq/alia-bhatt-3.jpg"><figcaption>আলিয়ার শাড়িটি ভারতীয় ডিজাইনার ব্র্যান্ড ‘অনাভিলা’র। ‘গুমাল লিনেন শাড়ি’ নামের এই শাড়ি তৈরি হয়েছে চ্যামব্রে লিনেন কাপড়ে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/6wlsl9oq/alia-bhatt-12.jpg"><figcaption>শাড়ির সবুজ জমিনে আছে বিপরীত রঙের নীল পাড়। পাড়ের সূক্ষ্ম জরির কাজ শাড়িটিকে দিয়েছে পরিমিত আভিজাত্য</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/nl2azqjg/alia-bhatt-4.jpg"><figcaption>অনাভিলার ওয়েবসাইটে শাড়িটির দাম সাড়ে ১৪ হাজার ভারতীয় রুপি। সাধারণ নকশার এই শাড়ি উৎসবের পাশাপাশি দৈনন্দিন আয়োজনেও পরা যায়</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/6bwq6mbd/alia-bhatt-11.jpg"><figcaption>আলিয়ার সাজের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ ছিল রুপার অলংকারে সাজানো ব্লাউজ। ডিজাইনার রিম্পল ও হরপ্রীতের ‘রাহ জুয়েলস’ বিশেষভাবে তৈরি করেছে এটি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/we1t5vod/alia-bhatt-8.jpg"><figcaption>ব্লাউজটির নকশায় আছে হল্টার নেক, সামনের দিকে গোল গলা এবং পিঠখোলা কাট। হাতাবিহীন ব্লাউজটির পুরো অংশজুড়েই রুপার অলংকারের কারুকাজ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/4bpv5s0l/alia-bhatt-6.jpg"><figcaption>আলিয়া শাড়িটি পরেছিলেন চিরাচরিত ঢঙে। তবে আঁচল এমনভাবে সাজানো হয়েছিল, যাতে রুপার ব্লাউজের নকশা স্পষ্ট দেখা যায়</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/vxuybdrb/alia-bhatt-10.jpg"><figcaption>এত জমকালো ব্লাউজের সঙ্গে ভারী গয়না পরেননি আলিয়া</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/jurcnzrs/alia-bhatt-5.jpg"><figcaption>আলিয়ার কানের অলংকার এসেছে সুনীতা কাপুরের ব্যক্তিগত গয়নার সংগ্রহ থেকে। সুনীতা হলেন তাঁর স্টাইলিস্ট রিয়া কাপুরের মা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/ko8sk6v0/alia-bhatt-1.jpg"><figcaption>কপালে ছোট্ট সবুজ টিপ, সাজে যোগ করেছে বাড়তি সৌন্দর্য</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/3ne157a3/alia_bhatt_thumb.png"><figcaption>মাঝখানে সিঁথি করে চুল খোলা রেখেছিলেন আলিয়া। চুলের নিচের দিকে হালকা ঢেউ খেলানো স্টাইল তাঁর সাজকে রেখেছে স্বাভাবিক</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/pffdyoik/alia-bhatt-7.jpg"><figcaption>চোখে গোলাপি ঝিলমিলে আইশ্যাডো, কাজল ও মাসকারা। গালে হালকা গোলাপি ব্লাশ, হাইলাইটার আর ঠোঁটে চকচকে গোলাপি লিপস্টিকে সম্পূর্ণ হয়েছে তাঁর মেকআপ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/elf0qpz4/alia-bhatt-13.jpg"><figcaption>আলিয়ার এই সাজের পরিকল্পনায় ছিলেন রিয়া কাপুর ও সানিয়া কাপুর। মেকআপ করেছেন মিকি কন্ট্রাক্টর, আর চুলের সাজ করেছেন হৃষিকেশ নাস্কার। সাধারণ শাড়ির সঙ্গে ব্যতিক্রমী ব্লাউজ মিলিয়ে উৎসবের সাজেও যে নতুনত্ব আনা যায়, আলিয়ার এই উপস্থিতি তারই উদাহরণ</figcaption></figure><p><sup>সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস</sup></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/f2b8idxyvg">থাইল্যান্ডে ঘুরে বেড়াচ্ছেন অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম, দেখুন ৮টি ছবি</a></aside>
<p>দক্ষিণ আমেরিকা সফর শেষ করেছে কে-পপ গ্রুপ বিটিএস। ‘অ্যারিরাং’ ওয়ার্ল্ড ট্যুরের অংশ হিসেবে পাঁচটি শহরে ১৪টি কনসার্ট করেছে গ্রুপটি। সব কটি কনসার্টের টিকিট আগেই বিক্রি হয়ে যায়। এসব কনসার্টে দর্শক ছিলেন ৮ লাখ ৫৩ হাজার। গত ২৮, ৩০ ও ৩১ অক্টোবর ব্রাজিলের সাও পাওলোর মোরুম্বি স্টেডিয়ামে তিনটি কনসার্টের মধ্য দিয়ে এই সফর শেষ করে বিটিএস।</p><p>গত ২ অক্টোবর কলম্বিয়ার বোগোতা থেকে শুরু হয় দক্ষিণ আমেরিকা সফর। এরপর পেরুর লিমা, চিলির সান্তিয়াগো ও আর্জেন্টিনার বুয়েনস এইরেস ঘুরে ব্রাজিলে পৌঁছায় গ্রুপটি। কনসার্টে বিটিএসের পঞ্চম অ্যালবাম ‘অ্যারিরাং’-এর গানগুলোর পাশাপাশি ‘ফেক লাভ’, ‘নট টুডে’, ‘মাইক ড্রপ’, ‘ফায়ার’, ‘আইডল’, ‘বাটার’ ও ‘ডাইনামাইট’-এর মতো জনপ্রিয় গান পরিবেশন করা হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/song/l0ep5mrtyu">পেরুতে ঝড় তুলেছে বিটিএস</a></aside><p>এবারের ওয়ার্ল্ড ট্যুরে পোশাকেও ছিল বিশেষ চমক। ব্রাজিলের ফুটবল জার্সি পরে মঞ্চে ওঠেন সদস্যরা। জিন ও আরএমের মাথায় দেখা যায় ব্রাজিলের আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী পালকের মুকুট।</p><p>সাও পাওলোর শেষ কনসার্টে দক্ষিণ আমেরিকার দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান জে-হোপ। তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ আমেরিকা আমাদের কাছে সবচেয়ে প্রতীক্ষিত সফরগুলোর একটি ছিল। কারণ, এখানে আপনাদের সঙ্গে আমাদের খুব বেশি দেখা হয় না। আসার আগেই এখানে পারফর্ম করার জন্য আমরা ভীষণ উচ্ছ্বসিত ছিলাম। অনেক প্রত্যাশাও ছিল। আপনারা প্রত্যাশার চেয়েও বেশি ভালোবাসা দিয়েছেন।’</p><p>ভবিষ্যতে আবার দক্ষিণ আমেরিকায় ফেরার আগ্রহের কথাও জানিয়েছেন সদস্যরা। শনিবার উইভার্সে সরাসরি সম্প্রচারে জিমিন বলেন, ‘এত দিন আমাদের জন্য অপেক্ষা করার জন্য অনেক ধন্যবাদ। আমরা সবাই খুব আনন্দিত ছিলাম। দক্ষিণ আমেরিকার এই সফর আমাদের কাছে দারুণ এক স্মৃতি হয়ে থাকবে। পৃথিবীর অন্য প্রান্তের এত মানুষ আমাদের ভালোবাসেন, বিষয়টি এখনো আমাকে বিস্মিত করে। এই স্মৃতি সঙ্গে নিয়ে আমরা প্রস্তুতি নেব এবং আবার ফিরব।’</p><p>বিটিএসের জন্য এবারের সফর ছিল বিশেষ। কলম্বিয়া ও আর্জেন্টিনায় গ্রুপটির প্রথম পূর্ণাঙ্গ কনসার্ট এটি। অভিষেকের পর এই প্রথম পেরু সফর করেছে তারা। এ ছাড়া চিলিতে ৯ বছর এবং ব্রাজিলে ৭ বছর পর কনসার্ট করেছে বিটিএস।</p><p>গ্রুপটির সফর ঘিরে শহরগুলোতেও ছিল নানা আয়োজন। সাংস্কৃতিক প্রভাবের স্বীকৃতি হিসেবে বোগোতা ও বুয়েনস এইরেসে বিটিএসকে সম্মানিত অতিথি ঘোষণা করা হয়। সান্তিয়াগোতে সাময়িকভাবে একটি সড়কের নাম রাখা হয় ‘অ্যাভেনিদা বিটিএস’। এ ছাড়া শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা আলোকিত করা হয় গ্রুপটির প্রতীকী রং বেগুনিতে।</p><p>বিটিএসের কনসার্টের প্রভাব পড়েছে স্থানীয় পর্যটন ও পরিবহন খাতেও। একটি স্থানীয় জরিপ অনুযায়ী, বুয়েনস এইরেসের কাছের শহর লা প্লাতায় কনসার্ট দেখতে আসা দর্শকদের ৯৬ শতাংশই ছিলেন শহরের বাইরের। তাঁদের মধ্যে ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষের জন্য এটিই ছিল প্রথম লা প্লাতা সফর। ৪৮ হাজারের বেশি দর্শনার্থী সেখানে অন্তত এক রাত অবস্থান করেন। তাঁদের গড় অবস্থান ছিল সাড়ে তিন রাত। টিকিটের খরচ বাদে আবাসন, খাবার, যাতায়াত ও বিনোদনে তাঁদের ব্যয় হয়েছে আনুমানিক ৫ হাজার ৩০০ কোটি আর্জেন্টাইন পেসো, যা প্রায় ৩ কোটি ৪৫ লাখ মার্কিন ডলারের সমান।</p><p>কনসার্ট ঘিরে বেড়েছে ফ্লাইট ও আবাসনের চাহিদাও। বোগোতায় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ফ্লাইট বুকিং বেড়েছে ৪৬ দশমিক ৬ শতাংশ। লিমায় প্রথম কনসার্টের দিন রাইড শেয়ারিং সেবার চাহিদা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ১৫ গুণ বেড়েছিল। </p><p>কনসার্ট শেষে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪৮ গুণে। অন্যদিকে সান্তিয়াগোতে আবাসন খোঁজার হার আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে প্রায় ২০০ শতাংশ।</p><p>দক্ষিণ আমেরিকা সফর শেষে এবার এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ায় কনসার্ট করবে বিটিএস। ১৯ নভেম্বর তাইওয়ানের কাওশিয়ুংয়ে শুরু হবে এই পর্ব। এরপর ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত থাইল্যান্ডের ব্যাংকক, মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় কনসার্ট করবে গ্রুপটি। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ও সিডনিতে পারফর্ম করার কথা রয়েছে তাদের।</p><p><sup>কোরিয়া হেরাল্ড অবলম্বনে</sup></p>
<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/ujlruvtq/Untitled-1-07.jpg"></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/bzeq75t40i">বোর্ড পরীক্ষার রেজাল্ট আতঙ্ক!</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/nay9oz11de">স্যরি!</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/mgt0h8f7bi">রসচিঠি</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/3y37khdj9g">আপনি কত বড় মিথ্যাবাদী?</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/m9eme7ddwo">বেরেক কাম করে না!</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/3fbuod5lle">উগান্ডার হুইপের ফেসবুক প্রোফাইল</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/hik3yizsq8">সিনেপ্লেক্সে একদিন </a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/wio8c5i398">আরও যা যা ফাঁস হতে পারে</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/tnsdadk1at">সড়কপথে বিমানের ছোঁয়া </a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/bvavx49d33">Breaking Good</a></aside>
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।