জেলা

দলিল লেখক সমিতিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতা সভাপতি, পরদিনই কমিটি বাতিল

অক্টোবর ৪, ২০২৬
দলিল লেখক সমিতিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতা সভাপতি, পরদিনই কমিটি বাতিল
দলিল লেখক সমিতিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতা সভাপতি, পরদিনই কমিটি বাতিল
<p>টাঙ্গাইলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকে সভাপতি করে জেলা দলিল লেখক সমিতির কমিটি গঠনের এক দিন পর সমালোচনার মুখে তা বাতিল করা হয়েছে। রোববার বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কে এম হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে কমিটি বাতিলের কথা জানানো হয়।</p><p> এ দিকে যে সমাবেশ থেকে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল, সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন। এ নিয়ে তিনিও নিজ দলের নেতা-কর্মীদের সমালোচনার মুখে পড়েছেন।</p><p>জেলা দলিল লেখক সমিতির সদস্যরা জানান, গত শনিবার জেলা রেজিস্ট্রার অফিস চত্বরে সমিতির উদ্যোগে ‘দলিল লেখক সমাবেশের’ আয়োজন করা হয়। এতে সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি এম এ রশীদ, মহাসচিব কে এস হোসেনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে জেলার বিভিন্ন উপজেলার দলিল লেখকেরা যোগ দেন। সমাবেশে একপর্যায়ে জেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি হিসেবে হুমাযুন রশীদ ওরফে সোনা এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে খন্দকার জাহিদ হোসেনের নাম ঘোষণা করা হয়। এ সময় সমিতির সদস্যেদের একাংশ এর প্রতিবাদ করেন।</p><p>সমিতি সূত্রে জানা গেছে, হুমায়ুন রশীদ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের টাঙ্গাইল পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি। তাঁর বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে দুটি হত্যাসহ ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় একাধিক মামলা আছে। তিনি কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হয়েছেন।</p><p>সমিতির সদস্য মো. রেজাউল রহমান বলেন, হুমায়ুন রশীদের নাম সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করায় তিনিসহ সমিতির সদস্যরা বিস্মিত হয়েছেন। তাই তাঁরা তাৎক্ষণিক এর প্রতিবাদ করেছেন। এই কমিটি প্রত্যাখ্যান করেছেন।</p><p>কমিটি ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়। জেলা ছাত্রদলের সদস্য কায়সার রহমান ফেসবুকে জেলা বিএনপির সভাপতির প্রতি ইঙ্গিত করে লেখেন, ‘২৪-এর আগস্টে মারুফ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সোনা আকন্দর কাছে কত টাকার বিনিময়ে জিয়াউর রহমানের আদর্শকে আপনি বিক্রি করেছেন?’</p><p>এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল বলেন, ‘৭ দফা দাবিতে দলিল লেখকদের সমাবেশ ছিল। সেখানে আমি প্রধান অতিথি ছিলাম। ওই সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি, মহাসচিব ছিলেন। তাঁরাই কমিটি ঘোষণা করেছেন। দলিল লেখক সমিতির কমিটি গঠন বা ঘোষণার এখতিয়ার আমার নেই।’</p>

Prothomalo

View more
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, থাকবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, থাকবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন আগামী ২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ বাংলাদেশের হাইকমিশনারের
দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ বাংলাদেশের হাইকমিশনারের

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ। সাক্ষাতে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা হয়।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
বিএনপিকে দায়ী করে নাহিদ বললেন, ‘কতটা ভয় পেলে এতটা উন্মাদ হতে পারে’
বিএনপিকে দায়ী করে নাহিদ বললেন, ‘কতটা ভয় পেলে এতটা উন্মাদ হতে পারে’

কুষ্টিয়ায় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িতে হামলা ও ডিম নিক্ষেপের ঘটনায় বিএনপিকে দায়ী করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
বিদ্যালয়ের নারকেলগাছ থেকে পড়ে হাসপাতালে কাতরাচ্ছে শিক্ষার্থী, ভেঙেছে পা
বিদ্যালয়ের নারকেলগাছ থেকে পড়ে হাসপাতালে কাতরাচ্ছে শিক্ষার্থী, ভেঙেছে পা

শিক্ষক ও পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, গাছ থেকে পড়ে দুর্জয় রায়ের মাথা ও মুখমণ্ডলে আঘাতের পাশপাশি একটি পা ভেঙে গেছে।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
দলিল লেখক সমিতিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতা সভাপতি, পরদিনই কমিটি বাতিল
দলিল লেখক সমিতিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতা সভাপতি, পরদিনই কমিটি বাতিল

<p>টাঙ্গাইলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকে সভাপতি করে জেলা দলিল লেখক সমিতির কমিটি গঠনের এক দিন পর সমালোচনার মুখে তা বাতিল করা হয়েছে। রোববার বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কে এম হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে কমিটি বাতিলের কথা জানানো হয়।</p><p> এ দিকে যে সমাবেশ থেকে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল, সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন। এ নিয়ে তিনিও নিজ দলের নেতা-কর্মীদের সমালোচনার মুখে পড়েছেন।</p><p>জেলা দলিল লেখক সমিতির সদস্যরা জানান, গত শনিবার জেলা রেজিস্ট্রার অফিস চত্বরে সমিতির উদ্যোগে ‘দলিল লেখক সমাবেশের’ আয়োজন করা হয়। এতে সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি এম এ রশীদ, মহাসচিব কে এস হোসেনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে জেলার বিভিন্ন উপজেলার দলিল লেখকেরা যোগ দেন। সমাবেশে একপর্যায়ে জেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি হিসেবে হুমাযুন রশীদ ওরফে সোনা এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে খন্দকার জাহিদ হোসেনের নাম ঘোষণা করা হয়। এ সময় সমিতির সদস্যেদের একাংশ এর প্রতিবাদ করেন।</p><p>সমিতি সূত্রে জানা গেছে, হুমায়ুন রশীদ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের টাঙ্গাইল পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি। তাঁর বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে দুটি হত্যাসহ ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় একাধিক মামলা আছে। তিনি কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হয়েছেন।</p><p>সমিতির সদস্য মো. রেজাউল রহমান বলেন, হুমায়ুন রশীদের নাম সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করায় তিনিসহ সমিতির সদস্যরা বিস্মিত হয়েছেন। তাই তাঁরা তাৎক্ষণিক এর প্রতিবাদ করেছেন। এই কমিটি প্রত্যাখ্যান করেছেন।</p><p>কমিটি ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়। জেলা ছাত্রদলের সদস্য কায়সার রহমান ফেসবুকে জেলা বিএনপির সভাপতির প্রতি ইঙ্গিত করে লেখেন, ‘২৪-এর আগস্টে মারুফ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সোনা আকন্দর কাছে কত টাকার বিনিময়ে জিয়াউর রহমানের আদর্শকে আপনি বিক্রি করেছেন?’</p><p>এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল বলেন, ‘৭ দফা দাবিতে দলিল লেখকদের সমাবেশ ছিল। সেখানে আমি প্রধান অতিথি ছিলাম। ওই সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি, মহাসচিব ছিলেন। তাঁরাই কমিটি ঘোষণা করেছেন। দলিল লেখক সমিতির কমিটি গঠন বা ঘোষণার এখতিয়ার আমার নেই।’</p>

অক্টোবর ৪, ২০২৬
অসুস্থ হয়ে আরেক কারাবন্দীর মৃত্যু
অসুস্থ হয়ে আরেক কারাবন্দীর মৃত্যু

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, সুজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

অক্টোবর ৪, ২০২৬
প্রীতম–শেহতাজের বিবাহবিচ্ছেদ, কারণ জানালেন দুজন
প্রীতম–শেহতাজের বিবাহবিচ্ছেদ, কারণ জানালেন দুজন

<p>সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা প্রীতম হাসান এবং মডেল–অভিনেত্রী ও গায়িকা শেহতাজ মনিরা হাশেমের দাম্পত্যজীবনের ইতি ঘটছে। পারস্পরিক বোঝাপড়ায় কিছু বড় পার্থক্যের কারণে আলাদা পথে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। আজ রোববার রাতে ফেসবুকে আলাদা পোস্টে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন দুজন। যোগাযোগ করা হলে প্রথম আলোকে বিচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেহতাজ।<br> প্রীতম তাঁর পোস্টে লিখেছেন, ‘পারস্পরিক বোঝাপড়ায় আমাদের দশ বছরের পথচলার পর আমাদের বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’<br>একসঙ্গে কাটানো সময়ের জন্য কৃতজ্ঞতার কথাও জানিয়েছেন প্রীতম। তিনি লিখেছেন, ‘একসঙ্গে কাটানো সময়, স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার জন্য আমরা দুজনই কৃতজ্ঞ। একে অপরের প্রতি আমাদের সম্মান ও শুভকামনা সব সময়ই থাকবে।’<br> </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/song/hg7brv7fqs">রাফসান-জেফারের বিয়েতে প্রীতম-শেহতাজ</a></aside><p>কেন এমন সিদ্ধান্ত নিতে হলো, সেটিও জানিয়েছেন প্রীতম। তাঁর ভাষ্যে, সময়ের সঙ্গে তাঁরা উপলব্ধি করেছেন, পারস্পরিক বোঝাপড়ার কিছু বড় পার্থক্যের কারণে আলাদা পথে এগিয়ে যাওয়াই দুজনের জন্য ভালো হবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2022-11/6c354d89-84e8-4fad-a547-09d7f7046e36/311930619_672626837556323_4671175079852486502_n__1_.jpg"><figcaption>বিয়ের আসরে প্রীতম হাসান ও শেহতাজ</figcaption></figure><p>সিদ্ধান্তটি হঠাৎ নেওয়া নয় বলেও জানিয়েছেন এই সংগীতশিল্পী। অনেক ভেবেচিন্তে, নিজেদের মধ্যে আলোচনা এবং পরিবারের সমর্থন ও সম্মতি নিয়েই তাঁরা এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। বর্তমানে বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।<br> শেহতাজও নিজের ফেসবুক পোস্টে প্রায় একই কথা জানিয়েছেন। প্রায় এক দশকের পথচলার পর পারস্পরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে সম্পর্কের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান তিনি। একসঙ্গে কাটানো সময় ও স্মৃতির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি প্রীতমের প্রতি তাঁর সম্মান ও শুভকামনা থাকবে বলেও লিখেছেন।<br> শেহতাজ জানিয়েছেন, সময়ের সঙ্গে তাঁরা বুঝতে পেরেছেন, পারস্পরিক বোঝাপড়ার কিছু পার্থক্যের কারণে আলাদা পথে এগিয়ে যাওয়াই দুজনের জন্য ভালো। পরিবারের সমর্থন ও সম্মতি নিয়েই তাঁরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/entertainment-interview/r5rkfzswg0">কাউকে ঠকিয়ে জেতা যায় না: প্রীতম হাসান</a></aside><p>জীবনের এই পরিবর্তনের সময়ে ব্যক্তিগত পরিসর ও গোপনীয়তার প্রতি সম্মান দেখানোর অনুরোধ জানিয়েছেন দুজনই। বন্ধু, সহকর্মী ও গণমাধ্যমের প্রতি তাঁদের অনুরোধ, বিষয়টি যেন সম্মান ও সহমর্মিতার সঙ্গে বিবেচনা করা হয়।<br>প্রীতম ও শেহতাজের পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে। প্রীতমের জনপ্রিয় গান ‘জাদুকর’-এর মিউজিক ভিডিওতে মডেল হয়েছিলেন শেহতাজ। ২০১৭ সালে গানটির কাজের সময় তাঁদের পরিচয়, পরে সেই সম্পর্ক প্রেমে গড়ায়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/song/plq5p42bm1">গায়ক না অভিনেতা, কোন প্রীতম এগিয়ে</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-04/64fbb897-6a35-4c0d-a317-af5386b0cb66/KBRH1316.JPG"><figcaption>শেহতাজ-প্রীতম</figcaption></figure><p>দীর্ঘদিনের প্রেমের পর ২০২২ সালের ২৯ অক্টোবর শ্রীমঙ্গলের একটি হোটেলে দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে বিয়ে করেন প্রীতম ও শেহতাজ।<br>বিয়ের পর বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের একসঙ্গে কাটানো মুহূর্ত ভাগ করে নিয়েছেন তাঁরা। চলতি বছরের জানুয়ারিতেও জেফার রহমান ও রাফসান সাবাবের বিয়ের অনুষ্ঠানে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল প্রীতম ও শেহতাজকে।<br>তবে তাঁদের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, বেশ কিছুদিন ধরে দুজনের সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিল না। কাছের মানুষদের মধ্যেও তাঁদের আলাদা হয়ে যাওয়ার আলোচনা ছিল। শেষ পর্যন্ত আজ দুজনই প্রকাশ্যে জানালেন, দাম্পত্যজীবনের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।</p>

অক্টোবর ৪, ২০২৬
ভক্তদের হৃদয় ভেঙে আলাদা হয়ে গেলেন এই জনপ্রিয় কিউট কাপল
ভক্তদের হৃদয় ভেঙে আলাদা হয়ে গেলেন এই জনপ্রিয় কিউট কাপল

<p>কিউট কাপল হিসেবে সকলের নজর কাড়েন তাঁরা। কিন্তু আজ নিজেদের সামাজিক মাধ্যমে দুজনার দুটি পথ আলাদা করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন শাহতাজ ও প্রিতম দুজনেই।</p><p>দশ বছর আগে একসঙ্গে জীবনের পথে হাঁটা শুরু করেছিলেন তাঁরা। এরপর ২০২২ সালে চা–বাগানে ঘেরা শ্রীমঙ্গলের মনোরম পরিবেশে মালাবদল করেছিলেন সংগীত পরিচালক ও জনপ্রিয় গায়ক প্রিতম হাসান আর মডেল ও অভিনেত্রী শেহতাজ মনিরা হাশেম। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-04/4n275qg2/xefer16670553412959797190067028036898194015.jpg"></figure><p>এরপর থেকেই কিউট কাপল হিসেবে সকলের নজর কাড়েন তাঁরা। কিন্তু আজ নিজের সামাজিক মাধ্যমে দুজনার দুটি পথ আলাদা করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন শাহতাজ ও প্রিতম দুজনেই। </p><p>বিরোধহীন ও শান্তিপূর্ণ এই বিচ্ছেদের বার্তার চুম্বকাংশ রইল এখানে। </p><p>'প্রিতম ও আমি ১০ বছর একসঙ্গে থাকার পর পারস্পরিক সমঝোতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে আমাদের দাম্পত্য সম্পর্কের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।'</p><figure></figure> <p>'একসঙ্গে কাটানো সুন্দর স্মৃতিগুলোর জন্য আমরা কৃতজ্ঞ এবং এখনো একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও যত্নশীল। তবে সময়ের সঙ্গে আমরা উপলব্ধি করেছি, আলাদা পথেই আমাদের দুজনের জন্য ভালো থাকা সম্ভব। পরিবারের সমর্থনে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সামনে এগিয়ে যাচ্ছি।'</p><p>'এই সময়ে আমাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সম্মান করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ করছি। আপনাদের বোঝাপড়া ও সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ।'</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-04/0svpgeel/hdgd44-1.jpg"><figcaption>বহুদিন পর তাঁদের জেফার-রাফসানের বিয়েতে একসঙ্গে দেখে উচ্ছসিত ছিলেন সবাই</figcaption></figure><figure></figure><p>ভক্তদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় ছিলেন এই কিউট কাপল। বহুদিন পর তাঁদের জেফার-রাফসানের বিয়েতে একসঙ্গে দেখে উচ্ছসিত ছিলেন সবাই। আর এখন এই বিচ্ছেদের সংবাদে হৃদয় ভেঙে যাচ্ছে অনেক ভক্ত ও অনুসারীদের। </p><p><strong>সূত্র</strong>: শাহতাজ ও প্রিতমের ফেসবুক </p><p><strong>ছবি</strong>: জেফারের ইন্সটাগ্রাম </p>

অক্টোবর ৪, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন