বাংলাদেশ

ডিসেম্বরের আগে ডেঙ্গু পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা কম

নভেম্বর ১, ২০২৬
ডিসেম্বরের আগে ডেঙ্গু পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা কম
ডিসেম্বরের আগে ডেঙ্গু পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা কম
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত অনেক রোগী গুরুতর জটিলতা দেখা দেওয়ার পরই কেবল হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।

Prothomalo

View more
যমুনা ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক
যমুনা ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক

<p>যমুনা ব্যাংক পিএলসির নতুন চেয়ারম্যান হলেন মো. মাহমুদুল হক। সম্প্রতি ব্যাংকের ৪৮৬তম পরিচালনা পর্ষদ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তাঁকে পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়। এই দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। যমুনা ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।</p><p>মো. মাহমুদুল হক ২০১২ সালে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি যমুনা ব্যাংকের অন্যতম স্পনসর পরিচালক। মো. মাহমুদুল হক বাংলাদেশের ব্যবসায়িক খাতে প্রায় চার দশকের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন উদ্যোক্তা। তাঁর কার্যক্রম বস্ত্র ও তৈরি পোশাকশিল্প, বিদ্যুৎ উৎপাদন, ব্যাংকিং, শিক্ষা এবং আবাসনসহ বিভিন্ন খাতে বিস্তৃত। ১৯৯৪ সালে তিনি আনলিমা ইয়ার্ন ডাইং লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করেন। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও দাতব্য কার্যক্রমের মাধ্যমে তিনি আনলিমা গ্রুপের অভ্যন্তরে এবং এর বাইরেও সমাজের উন্নয়নে অবদান রেখে চলেছেন।</p><p>মো. মাহমুদুল হক চট্টগ্রাম জেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত, তাঁর স্ত্রী জনাবা হুব্বুন নাহার হক যমুনা ব্যাংকের একজন স্পনসর শেয়ারহোল্ডার।</p>

নভেম্বর ১, ২০২৬
খারাপ ফলাফল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনার নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর
খারাপ ফলাফল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনার নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন, কম পাসের হার সম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির আওতায় আনতে নির্দেশ দিয়েছেন।

নভেম্বর ১, ২০২৬
ভূতের ছড়া
ভূতের ছড়া

ভূতের ছড়া আহমেদ সাব্বির একটা ভূতের দুইটা মাথা চারখানা হাত, ছয় পা ভেংচি কেটে বলল, রতন

নভেম্বর ১, ২০২৬
সন্তানের ওপর বাবা-মায়ের বদদোয়া: পরিণতি কী
সন্তানের ওপর বাবা-মায়ের বদদোয়া: পরিণতি কী

ইসলামের দৃষ্টিতে বাবা-মায়ের এই বদদোয়া সন্তানের ইহকাল ও পরকালের জন্য এক ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে। আলোচনা করা হলো।

নভেম্বর ১, ২০২৬
নবীন বন্ধুদের বরণ করে নিল খুলনা বন্ধুসভা
নবীন বন্ধুদের বরণ করে নিল খুলনা বন্ধুসভা

কবিতা আবৃত্তি, গল্প, গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আয়োজনটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। নতুন বন্ধু সাগর মোল্লা বলেন, বন্ধুসভায় এসে অনেক ভালো লাগছে। বিভিন্ন বয়সী বন্ধুদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে পেরে সত্যি মুহূর্তটা সুন্দর হয়ে গেল।

নভেম্বর ১, ২০২৬
ইউটিউব দেখে পড়ালেখা করে জিপিএ–৫
ইউটিউব দেখে পড়ালেখা করে জিপিএ–৫

<p>দরিদ্রতম পরিবারের প্রথম মেয়েসন্তান, যাঁরা নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পৌঁছান, তাঁদের অনুপ্রাণিত করতে দেওয়া হয় আইডিএলসি ও প্রথম আলো ট্রাস্টের ‘অদ্বিতীয়া’ বৃত্তি। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের (এইউডব্লিউ) ছাত্রী। আবাসন, টিউশন ফি মওকুফসহ নানা সুবিধা দেয় এই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ২০১২ সাল থেকে ট্রান্সকম গ্রুপের সহযোগিতায় ৪২ জন এবং ২০১৭ সাল থেকে আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসির সহযোগিতায় ১০১ জনসহ মোট ১৪৩ জন এই বৃত্তি পেয়েছেন। ৮৬ জনের এরই মধ্যে স্নাতক শেষ হয়েছে। তাঁদের অনেকেই দেশে-বিদেশে ভালো অবস্থানে আছেন। এ বছর বৃত্তি পেয়েছেন ১৫ জন। পড়ুন তাঁদের মধ্যে ৫ জনের গল্প।</p><h3>ইউটিউব দেখে পড়ালেখা করে জিপিএ–৫: অন্তরা তাঁতী</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/csdc8aif/Ontora-Tati.JPG"><figcaption>শ্রীমঙ্গলের মেয়ে অন্তরা</figcaption></figure><p>শ্রীমঙ্গলের কালীঘাট চা-বাগানের একটি ছোট্ট ঘরে আমার জন্ম। বাবা চা-শ্রমিক। প্রতিদিন ১৮৭ টাকা তাঁর মজুরি। সংসারে অভাব থাকলেও বাবা সব সময় স্বপ্ন দেখেছেন, আমি পড়ালেখা করব, বড় হব। তাঁর এই কষ্ট, তাঁর স্বপ্ন ছোটবেলা থেকে আমাকেও প্রভাবিত করেছে। সব সময় ভেবেছি, একদিন প্রতিষ্ঠিত হয়ে বাবার কষ্ট দূর করব। </p><p>অভাবের কারণে স্কুলে পড়ার সময় গাইড বই কিনতে পারতাম না। বন্ধুদের কাছ থেকে বই ধার করে পড়তাম। এভাবেই ২০২২ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি পাস করি। একাদশ শ্রেণিতে ওঠার পর কোচিং করার সামর্থ্য ছিল না। বন্ধুদের নোট সংগ্রহ করে পড়তাম। বাসায় স্মার্টফোন না থাকায় মাঝেমধ্যে পিসতুতো ভাইয়ের ফোনে ইউটিউব দেখে দেখে ক্লাস করতাম। ২০২৪ সালে এইচএসসিতেও জিপিএ-৫ পাই। </p><p>এখন এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে পড়ছি; কিন্তু যাতায়াত, বই-খাতা ও পড়াশোনার অন্যান্য খরচ চালানো পরিবারের জন্য খুব কঠিন। আমার দুই ছোট বোনের পড়াশোনার খরচও বাবাকেই বহন করতে হয়। আশা করি, অদ্বিতীয়া বৃত্তি আমাকে পড়াশোনার সাহস জোগাবে, বাবার ওপরও চাপ কমবে। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/muuodi2apv">তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছিলেন সামিন, এখন কোথায় চাকরি করেন </a></aside><h3>কখনো পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবিনি: অনিমা রানী পাল</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/381rjpmx/Onima-Rani-Pal-1.JPG"><figcaption>মৌলভীবাজারের অনিমা</figcaption></figure><p>২০২৩ সালে এসএসসিতে ও ২০২৫ সালে এইচএসসি পাস করি। রেজাল্ট হয়তো খুব ভালো না; কিন্তু এর পেছনে যে কী সংগ্রাম ছিল, সেটা শুধু আমি আর আমার পরিবারই জানি।</p><p>আমার বাবা একজন কৃষক। মা চা-শ্রমিক। আমরা চার বোন। বড় বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। ছোট দুই বোনের একজন অষ্টম শ্রেণিতে, অন্যজন প্রথম শ্রেণিতে পড়ে। দাদু-ঠাকুমাও আমাদের সঙ্গেই থাকেন। বাবার খেত-খামারের অনিশ্চিত আয় আর মায়ের সামান্য মজুরিতে সাতজনের সংসার চলে। এত মানুষের খরচ মিটিয়ে আমাদের তিন বোনের পড়াশোনার ব্যয় বহন করা মা-বাবার জন্য খুব কঠিন।</p><p>চা-বাগানের শ্রমিকের সন্তান হিসেবে অভাব-অনটন খুব কাছ থেকে দেখেছি; কিন্তু কখনো পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবিনি। এখন চট্টগ্রাম শহরে পড়াশোনা করি বলে প্রতি মাসে বাড়ি থেকে টাকা পাঠাতে হয়। মা-বাবা রীতিমতো হিমশিম খান। আইডিএলসি ও প্রথম আলো ট্রাস্টের অদ্বিতীয়া বৃত্তি আমাদের এই কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করবে। ভবিষ্যতে আমি আমার পরিবারের মুখ উজ্জ্বল করতে চাই।</p><h3>স্কুলের পোশাক কিনতে মানুষের জুমে কাজ করেছি: লিডিয়া বম</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/gdrvox2d/Lidia-Bom-2.JPG"><figcaption>বান্দরবানের লিডিয়া</figcaption></figure><p>একটি ছোট মাচাং ঘরে আমার জন্ম। পরিবারে শিক্ষার সুযোগ খুব বেশি ছিল না। তবে মা-বাবার ইচ্ছা ছিল, তাঁরা উচ্চশিক্ষা না পেলেও সন্তানদের শিক্ষিত করবেন। মা-বাবা দুজনই জুমচাষি। খাবার জোগাড় করতে অন্যের জুমেও কাজ করতে হয়। কখনো মাসে সাত হাজার টাকা আয় হতো, কখনো তার অর্ধেকেরও কম। এমন দিনও গেছে, ক্ষুধা পেটে রাত কাটিয়েছি। স্কুলের পোশাক কেনার টাকা ছিল না বলে মানুষের জুমে কাজ করেছি।</p><p>বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার খরচ জোগাতে বাবা পরিচিত একজনের কাছ থেকে টাকা ধার করেছিলেন; কিন্তু ভর্তি পরীক্ষায় সুযোগ আমার হয়নি। অগত্যা ঋণের টাকা শোধ করতে ঢাকায় গিয়ে কাজে যোগ দিই। সেখানেই এক সিনিয়র আপুর কাছে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের বৃত্তির খোঁজ পাই। আবেদন করার পর পড়ার সুযোগও হয়ে যায়।</p><p>এখন আমার ছোট বোন নার্সিং কলেজে পড়ে। তাঁর পড়াশোনার খরচ চালাতেও মা-বাবাকে বেশ কষ্ট করতে হয়। অদ্বিতীয়া বৃত্তি পেলে আমি নিজের পড়াশোনার দিকটা দেখতে পারব, এতে মা-বাবার ওপর আর্থিক চাপ কিছুটা কমবে।</p><h3>বাবাকে হারিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা: মেহেরুন নেছা</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/ugqp1ss9/Meherun-nesa-1.JPG"><figcaption>খাগড়াছড়ির মেহেরুন নেছা</figcaption></figure><p>এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে আমি এখন ‘প্রি-আন্ডারগ্র্যাড পাথওয়ে’ কোর্সে পড়ছি।</p><p>আমাদের পরিবারে তিনজন—আমি, আমার ছোট ভাই ও মা। ২০২৩ সালে কিডনির রোগে আমার বাবা মারা যান। বাবা ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। এরপর থেকে সংসারের দায়িত্ব পড়ে মায়ের ওপর। মা গৃহিণী। তিনি অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। মাঝেমধ্যে বাড়িতে সেলাইয়ের কাজ করে কিছু টাকা আয়ের চেষ্টা করেন। আমার ভাই নবম শ্রেণিতে পড়ে।</p><p>বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার আগে নিজের পড়াশোনা ও অন্যান্য খরচ নিজেই চালানোর চেষ্টা করেছি। কারণ, পরিবারের আয়ের নির্ভরযোগ্য কোনো উৎস নেই। নিজের খরচ নিজে চালিয়ে পরিবারের ওপর চাপ কমাতে চেয়েছি; কিন্তু পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া সহজ নয়। আমার পড়াশোনার খরচ জোগাতে গিয়েই মা হিমশিম খান। তার ওপর ভাইয়ের পড়াশোনার খরচও তাঁকেই বহন করতে হয়।</p><p>অদ্বিতীয়া বৃত্তি আমার হাতখরচের দুশ্চিন্তা অনেকটাই কমিয়েছে। আমি চাই, আর্থিক সংকটের কারণে আমার পড়াশোনা থেমে না যাক। নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে একদিন পরিবারের দায়িত্ব নিতে চাই।</p><h3>মায়ের ত্যাগের মূল্য দিতে চাই: মিকল ময় ম্রো</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/y755xo3h/Mikol-Moy-Mro-1.JPG"><figcaption>বান্দরবানের মিকল ময় ম্রো</figcaption></figure><p>আমি যখন ছোট, তখনই মা-বাবার বিচ্ছেদ হয়। এরপর মা একাই আমাদের তিন ভাই–বোনকে বড় করেছেন। আমাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে নিজের অনেক স্বপ্ন ও আরাম ত্যাগ করেছেন। তাঁর স্বপ্ন ছিল একটাই—আমরা পড়াশোনা করে নিজের পায়ে দাঁড়াব।</p><p>আমাদের নিজেদের কোনো বাড়ি নেই। দীর্ঘদিন মামার বাড়িতে থেকেছি। সংসার চালাতে মা অনেক কষ্ট করেছেন। কখনো মানুষের কাছ থেকে টাকা ধার করেছেন, কখনো মজুরিভিত্তিক কাজ করে আমাদের বই-খাতা ও স্কুলের খরচ জুগিয়েছেন। নিজের জন্য কোনো দিন একটা নতুন জামাও কিনতে পারেননি। টাকার অভাবে আমার মেজ ভাই পড়াশোনা করতে পারেনি। নিজে কাজ করে সে আমাদের পড়াশোনায় সহায়তা করেছে।</p><p>২০২৪ সালে এইচএসসি পাস করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চেয়েছিলাম। প্রথমবার এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের ভর্তি পরীক্ষায় নির্বাচিত না হলেও হাল ছাড়িনি। দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দিয়ে বৃত্তিসহ পড়ার সুযোগ পাই। আমার মতো যাঁরা আর্থিক সংকটে দিন কাটান, ভবিষ্যতে তাঁদের পাশে দাঁড়াতে চাই।</p>

নভেম্বর ১, ২০২৬
পিএসসির নতুন সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন অধ্যাপক শামীমা সুলতানা
পিএসসির নতুন সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন অধ্যাপক শামীমা সুলতানা

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) নতুন সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন অধ্যাপক শামীমা সুলতানা

নভেম্বর ১, ২০২৬
এলডিসি উত্তরণের বাড়তি তিন বছর অর্থনীতির সংস্কারে কাজে লাগাতে হবে
এলডিসি উত্তরণের বাড়তি তিন বছর অর্থনীতির সংস্কারে কাজে লাগাতে হবে

এলডিসি উত্তরণের সময় ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়াকে অর্থনীতির দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠা, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও কাঠামোগত সংস্কারের সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাতে হবে বলে মনে করেন অ্যামচেম বাংলাদেশের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল।

নভেম্বর ১, ২০২৬
দুই ঘণ্টা পর মেট্রোরেলের তিন স্টেশন চালু, সড়কেও যান চলাচল স্বাভাবিক
দুই ঘণ্টা পর মেট্রোরেলের তিন স্টেশন চালু, সড়কেও যান চলাচল স্বাভাবিক

পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে এবং লাঠিপেটা করে আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

নভেম্বর ১, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।