দূর পরবাস

ডানা ভেঙে যায় নিশীথে অচিনপুর

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
ডানা ভেঙে যায় নিশীথে অচিনপুর
ডানা ভেঙে যায় নিশীথে অচিনপুর
<p>মিছে সুখের চিহ্ন নিয়ে হৃদয়ে কবর খুঁড়ে পৃথিবীর পথে কারা যেন এগিয়ে আসে মরা ফুল হাতে</p><p> হাসি হাসি চোখে কাঁদো কাঁদো মুখে জল-ডাঙায় হেলেদুলে পেঙ্গুইন হুড পরে অমরাবতীতে কারা যেন আসে শুকনো পাতার নীরব জাগরণ নিয়ে;</p><p> মায়ানীড়ে খেয়া ভাসাতে গিয়ে যদি আবার মনে পড়ে বেদনাসিক্ত আত্মার বসবাস শূন্যলোকের কোথায়.... গহিন কোনো বনে না নীলিমার মনে,</p><p>আরে এ তো স্মৃতিতে অম্লান কোনো মানুষের পাণ্ডুলিপি যার প্রেম- সংসার স্বজন-বন্ধু পঞ্চইন্দ্রিয় পুড়ে হয়েছে জলে ভাসা সাদা ছাই,</p><p>শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সময়ের সঙ্গী হয়ে ছাই হয়ে যাওয়া আঙুল ধরে এ জগৎ তার ক্ষয় দেখতে অভ্যস্ত,</p><p>শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে দিগন্তের কাছে হাঁটু গেড়ে বসে এ জগৎ তার গা থেকে নক্ষত্রের পতন দেখতে অভ্যস্ত;</p><p>ভালো মানুষগুলো কাছে থাকে না থাকলেও থাকে খুব কম সময়ের জন্যে।</p><blockquote>দূর পরবাসে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: dp@prothomalo.com</blockquote>

Prothomalo

View more
নেতানিয়াহুর জোট ছেড়ে বিরোধী জোটে যেতে আগ্রহী ইউটিজে
নেতানিয়াহুর জোট ছেড়ে বিরোধী জোটে যেতে আগ্রহী ইউটিজে

<p>ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দল ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম (ইউটিজে) গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটে যেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ইসরায়েলের চ্যানেল ১৩–এর বরাত দিয়ে এ কথা জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট।</p><p> গত মঙ্গলবার ইসরায়েলে পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনা এখনো চলছে। জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৯৬ দশমিক ১ শতাংশ ভোট গণনা পর্যন্ত নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট ৫৩ আসন ও গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন জোট ৪৮ আসন পেতে যাচ্ছে। আর আরব দলগুলো পেতে যাচ্ছে ১৯টি আসন।</p><p> নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টি এককভাবে ২৭টি আসন পেতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে জেরুজালেম পোস্ট। তাঁর জোটে থাকা ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম (ইউটিজে) ৭টি আসন পেতে যাচ্ছে। এই জোটের অন্য দলগুলোর মধ্যে ইতামার বেন গভিরের দল ওৎমা ইহুদিত ৭টি, আরিয়েহ দেদির দল শাস ৬টি ও বেজালেল স্মোত্রিচের রিলিজিয়াস জায়োনিস্ট পার্টি (আরজেডপি) ৬টি আসন পাচ্ছে।</p><p>তার মানে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির পর এই জোটে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল ইউটিজে। জেরুজালেম পোস্টের খবরে বলা হয়, চ্যানেল ১৩ আজ বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে মঙ্গলবার নির্বাচনের পর ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজমের (ইউটিজে) সদস্যরা নেতানিয়াহুর বিরোধী জোটের নেতা গাদি আইজেনকোটের সঙ্গে রাজনৈতিক সহযোগিতার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে বেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। যদিও আইজনকট ও তাঁর জোট এবং ইউটিজের মধ্যে বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ওপর আস্থা না থাকায় ইউটিজের নেতারা আইজেনকটকে সহযোগিতা করতে চান।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/qytchuw0lt">নেতানিয়াহুকে হটাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোটের আহ্বান মার্কিন ইহুদিদের</a></aside><p>চ্যানেল ১৩-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচনের এক্সিট পোল প্রকাশের পর থেকেই ইউটিজের একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে তারা কথা বলেছে। ইউটেজি নেতারা জানিয়েছেন, তাঁরা আইজেনকোটের একটি ফোন কলের জন্য অপেক্ষা করছেন। দলটির প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, তাদের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। তা সত্ত্বেও তারা আইজেনকটের সঙ্গে যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক সহযোগিতার বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখতে প্রস্তুত।</p><p>তবে আইজেনকোট এখনো ইউটেজির সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেননি বলে উল্লেখ করেছে চ্যানেল ১৩।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/45fmxny7ke">নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে বিরোধী শিবিরের সঙ্গে হাত মেলানোর ইঙ্গিত দিল আরব জোট</a></aside><p>জেরুজালেম পোস্টের খবরে বলা হয়, আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটে তাঁর দল ইয়াশার এককভাবে ২১টি আসন পেতে যাচ্ছে। এই জোটের বি’ইয়াসাদ ১২টি, দ্য ডেমোক্র্যাটস ৮টি ও ইয়াসরায়েল বেইতেইনু ৭টি আসন পেতে যাচ্ছে।<br>আর আরবদলগুলোর জোট জয়েন্ট লিস্ট ১২টি ও মনসুর আব্বাসের দল রাআম ৮টি আসন পাচ্ছে।</p><p>এ অবস্থায় কারা কীভাবে সরকার গঠন করবে, কে হবেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী, এসব পরিষ্কার নয়। কারণ, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুবিরোধী শিবির সরকার গঠনের লক্ষ্যে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট করবে কি না, সে ব্যাপারে তারা কিছু বলছে না। এ অবস্থায় উদারপন্থী ইহুদিরা আরবদের সঙ্গে জোট করতে বিরোধীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।</p><p>বিশ্লেষকেরা বলছেন, এখনো ‘ডাবল এনভেলপ’–এর ৪ লাখ ৩০ হাজার থেকে ৪ লাখ ৮০ হাজার বিশেষ ব্যালট গণনা করা বাকি। এসব ভোট গণনার পর সমীকরণ কিছুটা বদলেও যেতে পারে। সেনাসদস্য, কারাবন্দী ও কূটনীতিকদের এসব ভোটের ফলে একটি বা দুটি আসনের ব্যবধানই সরকার গঠনের দর-কষাকষিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/iwxi4i4zp0">নেতানিয়াহুকে সরাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে ঐক্যের ডাক গোলানের</a></aside>

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
নেতানিয়াহুকে হটাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোটের আহ্বান মার্কিন ইহুদিদের
নেতানিয়াহুকে হটাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোটের আহ্বান মার্কিন ইহুদিদের

<p>ইসরায়েলের পার্লামেন্ট (নেসেট) নির্বাচনে ভোট গণনা প্রায় শেষের দিকে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো জোটই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয়সংখ্যক আসন জিততে পারেনি। এ অবস্থায় কারা কীভাবে সরকার গঠন করবে, কে হবেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী, এসব পরিষ্কার নয়। কারণ, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুবিরোধী শিবির সরকার গঠনের লক্ষ্যে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট করবে কি না, সে ব্যাপারে তারা কিছু বলছে না। এ অবস্থায় উদারপন্থী ইহুদিরা আরবদের সঙ্গে জোট করতে বিরোধীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।</p><p> আজ বৃহস্পতিবার শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত (বাংলাদেশ সময় রাত আটটা) প্রায় ৯৭ শতাংশ ভোট গণনা শেষ হয়েছে। এতে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট ৫৩ আসন, গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন জোট ৪৮ আসন এবং আরব দলগুলো ১৯টি আসন পেতে যাচ্ছে। ১২০ আসনের নেসেটে সরকার গঠনের জন্য ন্যূনতম ৬১টি আসন প্রয়োজন। নেতানিয়াহুর জোটের আসন না বাড়লেও তাঁর দল লিকুদ পার্টির একটি আসন বাড়ছে। তাঁর জোটের কট্টরপন্থী অংশীদার শাস দলের আসন একটি কমে যাচ্ছে।</p><p>বিশ্লেষকেরা বলছেন, এখনো ‘ডাবল এনভেলপ’–এর ৪ লাখ ৩০ হাজার থেকে ৪ লাখ ৮০ হাজার বিশেষ ব্যালট গণনা করা বাকি। এসব ভোট গণনার পর সমীকরণ কিছুটা বদলেও যেতে পারে। সেনাসদস্য, কারাবন্দী ও কূটনীতিকদের এসব ভোটের ফলে একটি বা দুটি আসনের ব্যবধানই সরকার গঠনের দর-কষাকষিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।</p><p>সরকার গঠন নিয়ে এ জটিল সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হয়ে উঠেছে আরব দলগুলো। প্রাথমিক গণনায় দুই আরব দল ও জোট মিলিয়ে ১৯টি আসন পেতে যাচ্ছে। এর মধ্যে জয়েন্ট লিস্ট ১২টি এবং মনসুর আব্বাসের দল ‘রাআম’ ৭টি আসন পেতে পারে। সংখ্যার বিচারে এ ১৯ আসনের সমর্থন নিশ্চিত করতে পারলে আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট সরকার গঠনের প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারবে।</p><p>তবে এ সমঝোতার পথে রয়েছে বড় ধরনের রাজনৈতিক বাধা। মার্কিন আর্মি ওয়ার কলেজের গবেষক জ্যাকব স্টয়েল বলেন, আইজেনকটের জোটের একাধিক নেতা নির্বাচনী প্রচারে আরবদের সঙ্গে সরকার না গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। বিশেষ করে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর ইসরায়েলের কট্টর ইহুদি ভোটারদের বড় অংশ আরবদের সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগি হোক, সেটা দেখতে চান না। তা ছাড়া দুই আরব দলের অবস্থানও এক নয়। রাআম অতীতে সরকারে যোগ দিয়েছিল এবং আবারও যেতে ইতিবাচক। অন্যদিকে জয়েন্ট লিস্ট কোনো জায়নবাদী সরকারের মন্ত্রিসভায় যোগ দিতে নারাজ।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রগতিশীল ইহুদি লবি ‘জে স্ট্রিট’-এর প্রেসিডেন্ট জেরেমি বেন-অমি বলেছেন, দেশের মোট জনসংখ্যার এক-পঞ্চমাংশের প্রতিনিধিদের বৈধ রাজনৈতিক অংশীদার হিসেবে গ্রহণ না করলে শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র গড়া সম্ভব নয়। তিনি কট্টর ডানপন্থীদের বিকল্প সরকার গড়তে বিরোধীদের আরব দলগুলোর সঙ্গে হাত মেলানোর তাগিদ দেন। একই সুরে কথা বলেন সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান শাপিরো। তিনিও বলেন, আরব দলগুলোর সঙ্গে কাজ করলে বিরোধীদের সামনে দেশে রাজনৈতিক পরিবর্তনের বড় সুযোগ তৈরি হবে।</p><p>জ্যাকব স্টয়েলের মতে, এ অচলাবস্থা কাটাতে একটি সম্ভাব্য বিকল্প হতে পারে ‘সংখ্যালঘু সরকার’। এতে আরব দলগুলো মন্ত্রিসভায় সরাসরি অংশ না নিয়ে বাইরে থেকে সরকারকে সমর্থন দিয়ে টিকিয়ে রাখবে। তবে এমন সরকারের পক্ষে পার্লামেন্টে আইন পাস করানো কঠিন হবে বলে তিনি সতর্ক করে দেন।</p><p>নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। সেনাসদস্য, কূটনীতিক ও কারাবন্দীদের বিশেষ ব্যালট গণনা শেষ হলে প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ সরকার গঠনের জন্য দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করবেন। নতুন সরকার গঠন ও শপথ না নেওয়া পর্যন্ত বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুই দেশটির তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে থাকবেন।</p><p><strong>বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ</strong></p><p>ইসরায়েলে নির্বাচনের সময় আরব–অধ্যুষিত এলাকাগুলোয় ভোটার উপস্থিতিকে প্রভাবিত করতে কাতার, তুরস্কসহ বিদেশি কোনো পক্ষ অর্থ পাঠিয়েছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখছে দেশটির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেইত।</p><p>ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি নোয়াম সোলবার্গের নির্দেশে বিদেশি অর্থায়ন ও নির্বাচনে হস্তক্ষেপ–সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে এ তদন্ত চলছে।</p><p>ইসরায়েলের সাধারণ নির্বাচনে আরব দলগুলোর অভাবনীয় সাফল্যের পর ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ তুলেছে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টি। ব্যালটের ফলাফলে আরব দলগুলোর সরকার গঠনে ‘কিংমেকার’ হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার আভাস মেলার পরই এ অভিযোগ তোলে দলটি।</p><p>সোলবার্গ শিন বেইতের প্রধান ডেভিড জিনিকে সংস্থাটির তদন্তের ক্ষমতা ব্যবহার করে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছেন।</p><p><strong>আরব দলগুলোর পক্ষে প্রসিডেন্ট</strong></p><p>ইসরায়েলের আরব ভোটারদের নিশানা করে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ কট্টর ইহুদি দলগুলো সমালোচনা শুরু করার পর তাদের পক্ষে কথা বলেছেন প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ।</p><p>হারজগ বলেছেন, ‘এমন একটি মুহূর্তেও পুরো একটি সম্প্রদায়, যারা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে এবং গণতন্ত্রে সক্রিয় অংশ নিতে চেয়েছিল, তাদের কলঙ্কিত করা থেকে আমাদের অবশ্যই বিরত থাকতে হবে।’</p><p>ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ তাঁর কট্টর ইহুদিবাদী সহযোগীরা ইসরায়েলের ফিলিস্তিনি ভোটারদের প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোর বিরুদ্ধে ব্যালট জালিয়াতির অভিযোগ তোলার পর প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ তাঁর অবস্থানের জানান দিলেন।</p><p>ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট বলেন, গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগের বিষয়ে তিনি দেশের সেন্ট্রাল ইলেকশন কমিটি ও অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেইতের প্রধানদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিষয়টি ‘পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করা উচিত’।</p>

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
আরেকটি লঙ্কা-কাণ্ড হলো না, ১৭ বলে ৫ উইকেট হারিয়ে শ্রীলঙ্কার হার
আরেকটি লঙ্কা-কাণ্ড হলো না, ১৭ বলে ৫ উইকেট হারিয়ে শ্রীলঙ্কার হার

পাকিস্তানে ত্রিদেশীয় সিরিজের লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। এই ম্যাচে ৩৮৭ রানের লক্ষ্য ছুঁতে নেমে ইংল্যান্ডকে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল শ্রীলঙ্কা।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
৯ মাসে ৩,৩০৩ কোটি টাকা লোকসান ইসলামী ব্যাংকের
৯ মাসে ৩,৩০৩ কোটি টাকা লোকসান ইসলামী ব্যাংকের

<p>ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ চলতি পঞ্জিকা বছরের প্রথম ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) কর-পরবর্তী নিট লোকসান করেছে ৩ হাজার ৩০৩ কোটি টাকা। অথচ আগের বছরের প্রথম ৯ মাসে ব্যাংকটি মুনাফা করেছিল প্রায় ৭৯ কোটি টাকা।</p><p> আবার চলতি (২০২৬-২৭) অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিক জুলাই-সেপ্টেম্বরের হিসাবে ব্যাংকটির লোকসান হয়েছে ১ হাজার ৯৭৬ কোটি টাকা। আজ বৃহস্পতিবার ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের ৪১৪তম সভায় তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুমোদন করা হয়।</p><p> সভার তথ্যানুযায়ী, লোকসানের প্রভাব পড়েছে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএসে। এ বছরের প্রথম ৯ মাসের (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) একক হিসাবে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২০ টাকা ৫১ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৪৯ পয়সা। সমন্বিত হিসাবে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২০ টাকা ৪১ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে আয় হয়েছিল ৬২ পয়সা।</p><p>এদিকে জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে একক হিসাবে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১২ টাকা ২৭ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ১৫ পয়সা। সমন্বিত হিসাবে এ প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১২ টাকা ২৪ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে আয় হয়েছিল ২০ পয়সা।</p><p>সভার তথ্যানুযায়ী, বড় লোকসানের কারণে সম্পদের মূল্য কমে প্রায় অর্ধেক হয়ে গেছে। ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকটির নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) ছিল ৩ হাজার ৫৮৪ কোটি টাকা। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬ হাজার ৯৬৩ কোটি টাকা। সমন্বিত হিসাবে নিট সম্পদমূল্য ৭ হাজার ১৬১ কোটি ৬ লাখ টাকা থেকে কমে ৩ হাজার ৮০৬ কোটি ৫ লাখ টাকায় নেমেছে।</p><p>শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্যও কমেছে। একক হিসাবে তা ৪৩ টাকা ২৫ পয়সা থেকে কমে ২২ টাকা ২৭ পয়সা হয়েছে। সমন্বিত হিসাবে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য ৪৪ টাকা ৪৮ পয়সা থেকে কমে হয়েছে ২৩ টাকা ৬৪ পয়সা।</p><p>এদিকে প্রথম ৯ মাসে একক হিসাবে শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ ঋণাত্মক ৩৬ টাকা ৫৪ পয়সা হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ে এ প্রবাহ ছিল ১১ টাকা ৮৯ পয়সা। সমন্বিত হিসাবে শেয়ারপ্রতি পরিচালন নগদ প্রবাহ ১২ টাকা ৪৪ পয়সা থেকে কমে ঋণাত্মক ৩৬ টাকা ১২ পয়সা হয়েছে।</p><p>ব্যাংকের সভায় উত্থাপিত নথিতে বলা হয়, বিনিয়োগ আয় কমে যাওয়ায় লোকসান হয়েছে। খেলাপি ঋণের উচ্চ মাত্রা, ব্যাংক–সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মাধ্যমে বড় অঙ্কের বিনিয়োগের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা এবং এসব বিনিয়োগ থেকে আয় কমে গেছে। এ ছাড়া একদিকে বিনিয়োগ থেকে আয় কমেছে, অন্যদিক আমানতের বিপরীতে মুনাফা খরচ বেড়েছে।</p><p>২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংক দখল করে চট্টগ্রামের এস আলম গ্রুপ। এরপর ব্যাংকটি থেকে নামে-বেনামে প্রায় এক লাখ কোটি টাকা তুলে নেয় গ্রুপটি। যার সবই খেলাপি হয়ে পড়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা হারানোর পর ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ হারায় এস আলম গ্রুপ। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ব্যাংকটি পরিচালনার দায়িত্ব পান স্বতন্ত্র পরিচালকেরা, এখন দায়িত্ব নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।</p>

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
শ্রীমঙ্গল ব্যান্ড অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি ঘোষণা
শ্রীমঙ্গল ব্যান্ড অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি ঘোষণা

<p>শ্রীমঙ্গল ব্যান্ড অ্যাসোসিয়েশনের (এসবিএ) নভেম্বর ২০২৬ থেকে নভেম্বর ২০২৭ মেয়াদের নতুন কার্যকরী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল বুধবার (২৮ অক্টোবর) শ্রীমঙ্গলের বিজিবি সীমান্ত স্পন্দন ক্যানটিনে আয়োজিত এক সভায় উপস্থিত সদস্যদের মতামত ও আলোচনা শেষে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।</p><p> সভায় সংগঠনের জ্যেষ্ঠ ও পুরোনো সদস্যদের পাশাপাশি বর্তমানে নিবন্ধিত ব্যান্ডগুলোর সদস্যরা অংশ নেন। সভায় সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম, সদস্যদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ আয়োজন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।</p><p>নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে প্রিতম দেব এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সুজন দেবের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন উত্তম দেব ও দেবজ্যোতি দত্ত শাওন। সহসাধারণ সম্পাদক হয়েছেন সৌমিক শেখর রায় সাম্য। সাংগঠনিক সম্পাদক হেলন আমসে, কোষাধ্যক্ষ অনন্ত চক্রবর্তী, প্রচার সম্পাদক আবেলসন পথাম এবং সহপ্রচার সম্পাদক রবিনসন মনোর।</p><p>কমিটির কয়েকটি পদ আপাতত শূন্য রাখা হয়েছে। নতুন কার্যকরী কমিটির সদস্যরা পরবর্তী সময়ে নিবন্ধিত ব্যান্ডগুলোর যোগ্য সদস্যদের মধ্য থেকে এসব পদে দায়িত্ব বণ্টন করবেন। সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা এবং নিবন্ধিত ব্যান্ডগুলোর সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p><blockquote>নাগরিক সংবাদে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: ns@prothomalo.com</blockquote><p>সভায় সদস্যদের নিয়মিত সংগীতচর্চার সুযোগ তৈরি করতে অনুশীলনের ব্যবস্থা করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি অনুষ্ঠান চলাকালে অডিটোরিয়ামের গ্রিনরুমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর আলোচনা হয়, যাতে বহিরাগত কেউ সেখানে প্রবেশ করতে না পারেন এবং শিল্পীরা নির্বিঘ্নে প্রস্তুতি নিতে পারেন।</p><p>সাংগঠনিক কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য সদস্যদের নিজ নিজ দায়িত্বের প্রতি আরও যত্নশীল ও দায়িত্বশীল হওয়ার বিষয়েও মতামত উঠে আসে। উপস্থিত সদস্যরা সংগঠনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম এগিয়ে নিতে বিভিন্ন পরামর্শ দেন।</p><p>সভায় আলোচনার মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত করা, সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং শ্রীমঙ্গলের ব্যান্ডসংগীতের চর্চাকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।</p>

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
ইসরায়েলের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর পরাজয় দাবি ও অন্যান্য খবর
ইসরায়েলের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর পরাজয় দাবি ও অন্যান্য খবর

ইসরায়েলের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর পরাজয় দাবি ও অন্যান্য খবর

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
ইংলিসের সেঞ্চুরির দিনে স্বস্তিতে অস্ট্রেলিয়া
ইংলিসের সেঞ্চুরির দিনে স্বস্তিতে অস্ট্রেলিয়া

ইংলিসের সেঞ্চুরির সুবাদে প্রথম ইনিংসে ১০০ রানের লিড নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দিন শেষ করেছে ৪ উইকেটে ১৪০ রানে।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
যান্ত্রিক ত্রুটি সারিয়ে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইট
যান্ত্রিক ত্রুটি সারিয়ে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইট

চার দিনের সরকারি সফর শেষে ঢাকার উদ্দেশে টোকিও ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাসসের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি, ঋণগ্রস্ত ৪৭% পরিবার
আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি, ঋণগ্রস্ত ৪৭% পরিবার

<p>দেশের মানুষের গড় আয়ের চেয়ে গড় ব্যয় বেশি। এ জন্য ৪৭ শতাংশ পরিবার ঋণগ্রস্ত। এর মধ্যে এ বছরের শেষ নাগাদ ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষের তীব্র খাদ্যসংকটে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে খাদ্যনিরাপত্তা ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়ন দরকার। পাশাপাশি ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি, বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সমন্বিত ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।</p><p> আজ বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের মানিক মিয়া মিলনায়তনে ‘খাদ্যনিরাপত্তার সতর্কবার্তা, পুষ্টি ও দারিদ্র্য অবস্থা এবং খাদ্যব্যবস্থার উন্নয়ন’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। খাদ্য অধিকার বাংলাদেশ ও ওয়েব ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এই সভার আয়োজন করে।</p><p>বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক এ কে এনামুল হক বলেন, আগামী শীত থেকে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। শুধু সরকারের পক্ষে সবকিছু করা সম্ভব নয়। জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে খাদ্যাভ্যাসেও পরিবর্তন আনতে হবে।</p><p>দেশের ৪৭ শতাংশ মানুষ ঋণগ্রস্ত—এমন পরিসংখ্যান তুলে ধরে বিআইডিএসের মহাপরিচালক বলেন, শহরের মানুষের আয় তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল হলেও গ্রামের মানুষের ক্ষেত্রে তা নয়। তাই প্রতিটি এলাকার বাজারব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা দরকার।</p><p>অনুষ্ঠানে অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক এম এম আকাশ বলেন, সামনে মন্দা ও মূল্যস্ফীতির কারণে বড় সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মানুষের আয় কমে যেতে পারে। অন্যদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে পারে।</p><p>বর্তমান পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে এম এম আকাশ বলেন, খাদ্যসংকটের সঙ্গে আছে চুরি ও লুটপাট। সংকটের কারণে যাঁরা পিছিয়ে পড়বেন, তাঁদের সামাজিক সুরক্ষা দিতে হবে।</p><aside><cite>এ কে এনামুল হক, মহাপরিচালক, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস)</cite>আগামী শীত থেকে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। শুধু সরকারের পক্ষে সবকিছু করা সম্ভব নয়। জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে খাদ্যাভ্যাসেও পরিবর্তন আনতে হবে।</aside><p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও সানেমের গবেষণা পরিচালক সায়মা হক বিদিশা বলেন, দেশে মূল্যস্ফীতি ও মানুষের পুষ্টির ঘাটতি দিন দিন বাড়ছে। এ সংকট মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানিনিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) বরাদ্দ বাড়ানো এবং শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।</p><p>অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ এম শাহান। তিনি বলেন, বর্তমানে মানুষের মাসিক গড় আয় ৩৩ হাজার ৫১৩ টাকা। আর গড় ব্যয় ৩৫ হাজার ৩১১ টাকা। আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হওয়ায় ৪৭ শতাংশ পরিবার ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।</p><p>জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য উল্লেখ করে আসিফ এম শাহান বলেন, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটে পড়তে পারে। স্থানীয় পর্যায়ে সুশাসন নিশ্চিত করার বদলে অতিরিক্ত দলীয় পদায়ন বর্তমানে খাদ্যনিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p><aside><cite>অধ্যাপক এম এম আকাশ, অর্থনীতিবিদ</cite>খাদ্যসংকটের সঙ্গে আছে চুরি ও লুটপাট। সংকটের কারণে যাঁরা পিছিয়ে পড়বেন, তাঁদের সামাজিক সুরক্ষা দিতে হবে।</aside><p>সেভ দ্য চিলড্রেনের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা তানিয়া শারমিন বলেন, দেশে চার সদস্যের একটি পরিবারের পুষ্টিসম্পন্ন খাবারের সংস্থান করতে মাসে প্রায় ৬০ হাজার টাকা প্রয়োজন। সে জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি।</p><p>সভাপতির বক্তব্যে খাদ্য অধিকার বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক ও ওয়েব ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মহসিন আলী বলেন, জনগণের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে খাদ্য অধিকার আইন পাস করতে হবে। ‘খাদ্য অধিকার’ একটি মানবাধিকার, যা খাদ্য আইনে থাকা উচিত। বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচিত সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে দ্রুত আলোচনা শুরু করা।</p><p>আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন গবেষক আহমেদ বোরহান এবং ওয়েল্টহাঙ্গারহিলফের (ডব্লিউএইচএইচ) হেড অব প্রোগ্রামস মলটে শুমেলফেডারসহ অনেকে। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা ও স্বাগত বক্তব্য দেন খাদ্য অধিকার বাংলাদেশের সমন্বয়কারী ও ওয়েব ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক কানিজ ফাতেমা।</p>

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।