বাংলাদেশ

চুরি হওয়া ল্যাপটপটি ফিরে পেলেন জার্মান পর্যটক

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
চুরি হওয়া ল্যাপটপটি ফিরে পেলেন জার্মান পর্যটক
চুরি হওয়া ল্যাপটপটি ফিরে পেলেন জার্মান পর্যটক
চুরি হওয়া ল্যাপটপটি ফিরে পেলেন জার্মান পর্যটক

Prothomalo

View more
৩ বছর পর মুনাফায় ফিরল ডেসকো, শেয়ারের দামে প্রভাব নেই
৩ বছর পর মুনাফায় ফিরল ডেসকো, শেয়ারের দামে প্রভাব নেই

<p>টানা তিন বছর লোকসানের পর মুনাফায় ফিরেছে বিদ্যুৎ খাতের সরকারি কোম্পানি ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি বা ডেসকো। গত ২০২৫-২৬ অর্থবছর শেষে কোম্পানিটি ৪০ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। গতকাল সোমবার কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় গত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হয়। তাতে লোকসান কাটিয়ে কোম্পানিটির আবার মুনাফায় ফিরে আসার তথ্য উঠে এসেছে।</p><p>ডেসকো শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি। তালিকাভুক্তির শর্ত হিসেবে কোম্পানিটি আজ মঙ্গলবার মুনাফাসংক্রান্ত এ তথ্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে। ডেসকোর আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এর আগে কোম্পানিটি সর্বশেষ মুনাফা করেছিল ২০২১-২২ অর্থবছরে। ওই বছর শেষে কোম্পানিটির মুনাফার পরিমাণ ছিল ৬৩ কোটি টাকা। এরপরের বছর ডেসকো ৫৪১ কোটি টাকার লোকসান করে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে লোকসানের পরিমাণ ছিল ৫০৬ কোটি টাকা। আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে লোকসান কমে দাঁড়ায় ১২৫ কোটি টাকায়। সর্বশেষ গত অর্থবছরে ৪০ কোটি টাকার মুনাফা করেছে কোম্পানিটি।</p><p>লোকসান থেকে মুনাফায় ফেরার কারণ হিসেবে ডেসকো জানিয়েছে, গত অর্থবছর শেষে কোম্পানিটির ব্যবসার আয়, ব্যাংকে রাখা অর্থের সুদবাবদ আয় উভয়ই উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। সেই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারজনিত আর্থিক ক্ষতির পরিমাণও কমে গেছে। তাতে বছর শেষে কোম্পানিটির মুনাফায় উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এ কারণে বছর শেষে শেয়ারধারীদের জন্য কোম্পানিটি ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ২০২৩ সালের পর কোম্পানিটি শেয়ারধারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। এ কারণে এটি দুর্বল মানের কোম্পানি হিসেবে শেয়ারবাজারে জেড শ্রেণিভুক্ত হয়। দুই বছর পর এসে কোম্পানিটি লভ্যাংশ ঘোষণা করলেও সবাই তা পাবে না। উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান বাদে শুধু সাধারণ শেয়ারধারীরা এই লভ্যাংশ পাবেন। তাতেও লভ্যাংশ বাবদ কোম্পানিটিকে বিতরণ করতে হবে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা।</p><p>এদিকে লোকসান থেকে মুনাফায় ফেরা ও দুই বছর পর লভ্যাংশ ঘোষণার কোনো ইতিবাচক প্রভাব কোম্পানিটির শেয়ারদরে পড়েনি। উল্টো শেয়ারের দাম কমে গেছে। ঢাকার বাজারে এদিন কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ১ টাকা ৭০ পয়সা বা পৌনে ৭ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ২৩ টাকা ৫০ পয়সায়।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
জোড়া ফিফটি ও ৯ ডিসমিসালে টেস্টে ক্রিকেট ইতিহাসে লিটনের বিশ্ব রেকর্ড
জোড়া ফিফটি ও ৯ ডিসমিসালে টেস্টে ক্রিকেট ইতিহাসে লিটনের বিশ্ব রেকর্ড

জোড়া ফিফটি ও ৯ ডিসমিসালে টেস্টে ক্রিকেট ইতিহাসে লিটনের বিশ্ব রেকর্ড

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
ব্যায়াম করতে গিয়ে হার্ট অ্যাটাক কেন হয়?
ব্যায়াম করতে গিয়ে হার্ট অ্যাটাক কেন হয়?

<p>সম্প্রতি খেলতে গিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আফসারের আকস্মিক মৃত্যু এবং গত এপ্রিলে নাইজেরিয়ান সাবেক ফুটবলার মাইকেল এনেরামোও প্রীতি ম্যাচ খেলতে গিয়ে মাঠে পড়ে যান। পরে নাইজেরিয়া ফুটবল ফেডারেশন তাঁর কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হওয়ার কথা জানায়। এ ধরনের ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তোলে, ব্যায়াম বা খেলাধুলার সময় হঠাৎ এমন বিপদ কেন ঘটে? ব্যায়াম কি তাহলে হৃদ্যন্ত্রের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ? নাকি ব্যায়ামের ধরন, তীব্রতা ও ব্যক্তির শারীরিক প্রস্তুতির ওপরই ঝুঁকি অনেকটা নির্ভর করে?</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/398ua5q9do">হৃদ্‌রোগীদের জন্য নিউমোনিয়া ও ফ্লুর টিকা কেন গুরুত্বপূর্ণ</a></aside><h3>হঠাৎ বেশি পরিশ্রমে ঝুঁকি কেন বাড়ে?</h3><p>ব্যায়াম শুরু করলে পেশিগুলোর অক্সিজেনের চাহিদা বেড়ে যায়। সেই চাহিদা পূরণ করতে হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত ও বেশি রক্ত পাম্প করতে হয়। ফলে হৃৎস্পন্দন ও রক্তচাপ বাড়ে, একই সঙ্গে হৃদ্‌যন্ত্রের ওপর কাজের চাপও বেড়ে যায়।<br>সুস্থ শরীর সাধারণত এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে। তবে কারও আগে থেকেই প্লাক জমে করোনারি আর্টারি বা ধমনি সরু হয়ে থাকলে হঠাৎ তীব্র শারীরিক পরিশ্রম অতিরিক্ত চাপ তৈরি করতে পারে। এতে প্লাক ফেটে গিয়ে সেখানে রক্ত জমাট বাঁধার মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে। রক্ত জমাটের কারণে হৃদ্‌যন্ত্রে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে হতে পারে হার্ট অ্যাটাক।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-13/z6seybhf/pexels-freestocks-128597.jpg"><figcaption>রক্ত জমাটের কারণে হৃদ্যন্ত্রে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে হতে পারে হার্ট অ্যাটাক</figcaption></figure><p>যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিনে প্রকাশিত একটি গবেষণায় এক হাজার দুই শর বেশি হার্ট অ্যাটাকের রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। এতে দেখা যায়, হার্ট অ্যাটাকের আগের এক ঘণ্টায় ভারী শারীরিক পরিশ্রম করলে সাময়িকভাবে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তবে নিয়মিত ভারী শারীরিক পরিশ্রমে অভ্যস্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই অতিরিক্ত ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে অনেক কম ছিল।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/wn8ovlpq9o">ডায়াবেটিস থাকলে পায়ের যত্নে কী করবেন</a></aside><h3>নিয়মিত ব্যায়ামকারীদের ঝুঁকি কম কেন? </h3><p>ব্যায়ামের ক্ষেত্রে অভ্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রমের ফলে শরীর ধীরে ধীরে বেশি পরিশ্রমের সঙ্গে মানিয়ে নেয় এবং কার্ডিওরেসপিরেটরি ফিটনেস বা হৃদ্‌যন্ত্র ও ফুসফুসের সক্ষমতা বাড়ে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত শারীরিকভাবে সক্রিয় ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে হঠাৎ ভারী পরিশ্রমের পর হার্ট অ্যাটাকের অতিরিক্ত ঝুঁকি তুলনামূলক কম। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-16/onlujlwi/pexels-ketut-subiyanto-4804016.jpg"><figcaption>ঠাৎ এক দিন প্রচণ্ড জোরে দৌড়ানো, ভারী ওজন তোলা বা কঠিন ব্যায়াম শুরু করেন, তখন শরীরের ওপর আকস্মিক চাপ পড়ে</figcaption></figure><p>অন্যদিকে কেউ যদি দীর্ঘদিন অলস জীবন যাপন করেন এবং হঠাৎ এক দিন প্রচণ্ড জোরে দৌড়ানো, ভারী ওজন তোলা বা কঠিন ব্যায়াম শুরু করেন, তখন শরীরের ওপর আকস্মিক চাপ পড়ে। এ ধরনের হঠাৎ তীব্র পরিশ্রম সাময়িকভাবে হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যার ঝুঁকি বাড়াতে পারে, বিশেষ করে যাঁরা আগে থেকে এ ধরনের পরিশ্রমে অভ্যস্ত নন বা যাঁদের হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যা অজানা অবস্থায় আছে। </p><p>এ কারণেই ব্যায়ামের ক্ষেত্রে ‘আজ থেকেই সব বদলে ফেলব’ ধরনের পরিকল্পনার চেয়ে ধীরে ধীরে অভ্যাস তৈরি করা ভালো। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনও দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকা ব্যক্তিদের কম মাত্রার ব্যায়াম দিয়ে শুরু করে শরীরের সক্ষমতা অনুযায়ী ধীরে ধীরে সময় ও ব্যায়ামের তীব্রতা বাড়ানোর পরামর্শ দেয়। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/au9nb042ki">জেনে নিন প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিকার নাম</a></aside><h3>শুধু জিমেই এমনটা হতে পারে? </h3><p>না। জিমে ভারী ওজন তোলার পাশাপাশি অন্য ধরনের তীব্র শারীরিক পরিশ্রমেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। যেমন দীর্ঘদিন খেলাধুলা না করে হঠাৎ ফুটবল ম্যাচে নেমে পড়া, কোনো প্রশিক্ষণ ছাড়াই দীর্ঘ দৌড়, পাহাড়ে ওঠা, ভারী জিনিস তোলা কিংবা হঠাৎ খুব দ্রুত সাইক্লিং শুরু করা। </p><p>এমনকি নিয়মিত ব্যায়াম না করা কোনো ব্যক্তি যদি এক দিন প্রচণ্ড শারীরিক পরিশ্রমের কাজ করেন, সেখানেও হৃদ্‌যন্ত্রের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে। </p><h3>কারা বেশি সতর্ক থাকবেন? </h3><p>যাঁদের আগে থেকেই হৃদ্‌রোগ আছে বা হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বেশি, তাঁদের ব্যায়ামের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্ক থাকা উচিত। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল যাঁদের আছে এবং যাঁরা দীর্ঘদিন শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয়, তাঁদের ক্ষেত্রেই এই সতর্কতা।</p><p>তাই কঠিন বা উচ্চমাত্রার ব্যায়াম শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। বিশেষ করে মধ্যবয়সের পর কেউ যদি দীর্ঘদিন ব্যায়াম না করে থাকেন এবং হঠাৎ উচ্চমাত্রার ব্যায়াম শুরু করতে চান, তাহলে আগে নিজের শারীরিক সক্ষমতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া জরুরি। </p><h3>ব্যায়ামের আগে করণীয় </h3><p>ব্যায়াম শুরুর আগে কিছুটা সময় নিয়ে শরীরকে প্রস্তুত করা ভালো। কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি বা সহজ মুভমেন্টের মাধ্যমে ধীরে ধীরে ব্যায়ামের মাত্রা বাড়ানো যেতে পারে। বিশেষ করে যাঁরা দীর্ঘদিন শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয় ছিলেন, তাঁদের ভারী ব্যায়াম শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। </p><p><sup>সূত্র: পাবমেড, নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিন, হার্ট ডটওআরজি, রয়টার্স</sup></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/nzbxblgcm8">প্রাণীদের ছবিগুলো দেখলে হাসি চেপে রাখা কঠিন</a></aside>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
সিন্ডিকেট করে গ্যাসের দাম বাড়ানো হচ্ছে, সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছে বিএনপি: নাহিদ ইসলাম
সিন্ডিকেট করে গ্যাসের দাম বাড়ানো হচ্ছে, সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছে বিএনপি: নাহিদ ইসলাম

<p>সরকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। এ জন্য ক্ষমতাসীন দল বিএনপি নিয়ন্ত্রিত সিন্ডিকেট দায়ী বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।</p><p> আজ মঙ্গলবার শরীয়তপুর জেলা শহরের পৌরসভা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক নাগরিক সভায় নাহিদ ইসলাম এ অভিযোগ করেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, সারের ডিলার নিয়োগে দলীয়করণ, সরকারি চাকরির নিয়োগে দুর্নীতি ও বাণিজ্যের প্রতিবাদে জেলা এনসিপি এ সভার আয়োজন করে।</p><p> নাহিদ ইসলাম বলেন, ১ হাজার ২০০ টাকার এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে ১ হাজার ৮০০ টাকা করেছে। সেই দামেও সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। একটা সিলিন্ডার ২ হাজার ৬০০ টাকা হয়ে গেছে। সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানো হচ্ছে, আর সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছে বিএনপি।</p><h3>‘চাঁদাবাজ আর স্বৈরাচার একাকার হয়ে যাচ্ছে’ </h3><p>এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বিদেশে আওয়ামী লীগ, দেশে বিএনপি—এ দুই শক্তির কারণে বাংলাদেশের মানুষ তাদের অধিকার ফিরে পাচ্ছে না। বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, সে সম্ভাবনা নষ্ট হয়েছে। ক্ষমতায় বসে বিএনপি সরকার আবার দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, সিন্ডিকেট সবকিছুই ফিরিয়ে এনেছে।’</p><p>নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে নির্বাচনের আগে হাত মিলিয়েছিল বিএনপি। তারা একটা সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচনে জয়লাভ করেছে। আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের, চাঁদাবাজদের এখন নিজেদের কাজে ব্যবহার করছে। ফলে আমরা দেখছি যে চাঁদাবাজ আর স্বৈরাচার একাকার হয়ে যাচ্ছে। যে গণ–অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে, সেই গণ–অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা থেকে বিএনপি অনেক দূরে সরে গেছে।’</p><p>কাউকে নমিনেশন তুলতে না দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই শরীয়তপুর বার নির্বাচন করে ফেলা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ। তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আমরা সেটা হতে দেব না। আপনারা যাঁরা জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছেন, আপনারা যাঁরা দেশপ্রেমিক ব্যক্তি রয়েছেন, যাঁরা এলাকার উন্নয়ন করতে চান, মানুষের কাজ করতে চান; আপনারা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিন। স্বৈরাচার, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসীদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করুন।’</p><p>নাগরিক সভায় এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, জুলাই আন্দোলনের পর বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়ে সরকার গঠন করায় তাঁরা আশা করেছিলেন, দলটি বাংলাদেশের মানুষের সরকার হয়ে উঠবে। কিন্তু বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়োগ ও সারের ডিলার নিয়োগের সময় সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।</p><p>সারজিস আলম অভিযোগ করেন, সারের ডিলার নিয়োগে ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতার পরিবর্তে দলীয় পরিচয় এবং সংসদ সদস্যদের ছেলে ও আত্মীয়স্বজনকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিএনপি দেশের মানুষের সরকার না হয়ে নিজেদের দলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।</p><p>জেলা এনসিপির আহ্বায়ক রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে নাগরিক সভায় এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য আরিফুল ইসলাম আদীব, হাজী শরীয়তুল্লাহর বংশধর আবদুল্লাহ মো. হোসাইন, শরীয়তপুর জেলা এনসিপির সদস্যসচিব সবুজ তালুকদার প্রমুখ বক্তব্য দেন।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
বিশ্বকাপ থেকে গোপনে ইনফান্তিনোর ২১ কোটি টাকা বাড়তি আয় নিয়ে প্রশ্ন
বিশ্বকাপ থেকে গোপনে ইনফান্তিনোর ২১ কোটি টাকা বাড়তি আয় নিয়ে প্রশ্ন

২০২৬ বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠান এফডব্লিউসি-২০২৬ থেকে ২০২৪ সালে ১৭ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার পেয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
ফোনে সহকর্মীদের সঙ্গে স্ত্রীর কথা বলা নিয়ে সন্দেহ, হত্যার পর ভারতে পালাতে গিয়ে গ্রেপ্তার
ফোনে সহকর্মীদের সঙ্গে স্ত্রীর কথা বলা নিয়ে সন্দেহ, হত্যার পর ভারতে পালাতে গিয়ে গ্রেপ্তার

কর্মস্থলের সহকর্মীদের সঙ্গে বীথির কথাবার্তা ও মেলামেশা নিয়ে মজনুর সন্দেহ ছিল। তাঁর ধারণা ছিল, বীথি পরকীয়ায় জড়িত।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
ফরিদপুরে ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ করায় যুবদল নেতাকে হাতুড়িপেটা
ফরিদপুরে ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ করায় যুবদল নেতাকে হাতুড়িপেটা

ফরিদপুরের নগরকান্দায় সারের ডিলারশিপ নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ করায় এক যুবদল নেতাকে হাতুড়িপেটা করার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার বাঙ্গাবাড়িয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
এসএসসিতে ২ বিষয়ে ফেল, ১৫ দিনে পুনঃপরীক্ষা
এসএসসিতে ২ বিষয়ে ফেল, ১৫ দিনে পুনঃপরীক্ষা

এসএসসিতে ২ বিষয়ে ফেল, ১৫ দিনে পুনঃপরীক্ষা

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
মোদি শাসনের এটাই কি শেষের শুরু
মোদি শাসনের এটাই কি শেষের শুরু

মোদির আমলে সমস্যাগুলো যেন জাহাজের তলায় জমে থাকা শেওলা আর পোকামাকড়ের মতো জমতে জমতে পাহাড় সমতুল্য হয়েছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন