শেখ হাসিনাকে ফেরাতে পাসপোর্ট নয়, প্রত্যর্পণ চুক্তিই যথেষ্ট: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কোনো পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না।

কুকসুর গঠনতন্ত্র অনুমোদন ও দ্রুত নির্বাচনের দাবিতে স্মারকলিপি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (কুকসু)-এর খসড়া গঠনতন্ত্র দ্রুত অনুমোদন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে অবিলম্বে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থী...

কুকসুর গঠনতন্ত্র অনুমোদন ও দ্রুত নির্বাচনের দাবিতে স্মারকলিপি
বিশ্ববাসী একদিন বাংলাদেশের উদাহরণ দেবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, “একদিন বাংলাদেশ এমন একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে, যাকে বিশ্বের সামনে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হবে। তখন অন্য কোনো দেশের উদাহরণ দিতে হবে না, বরং বিশ্ববাসী বাংলা...

বিশ্ববাসী একদিন বাংলাদেশের উদাহরণ দেবে: প্রধানমন্ত্রী
‘সরি, পরী এ দেশে থাকতে হলে এসব যুদ্ধ করতে হবে’

ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের দায়েরকৃত মামলায় জামিন আবেদন বাতিল ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর থেকে আলোচনায় চিত্রনায়িকা পরীমণি।

‘সরি, পরী এ দেশে থাকতে হলে এসব যুদ্ধ করতে হবে’
কপ-৩১-এ প্রতিবন্ধীদের অধিকার নিশ্চিতে ঢাবির ৭ দফা প্রস্তাব

আসন্ন ৩১তম জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (কপ-৩১) সামনে রেখে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সাত দফা সুপারিশ তুলে ধরেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)।

কপ-৩১-এ প্রতিবন্ধীদের অধিকার নিশ্চিতে ঢাবির ৭ দফা প্রস্তাব
ট্রাম্পের কাছ থেকে দূরে সরছেন ইউরোপের কট্টর ডানপন্থী রাজনীতিবিদরা

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের পর ইউরোপের কট্টর ডানপন্থী রাজনীতিবিদরা ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে শুরু করেছেন। তবে তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সরাসরি ট্রাম্পের সমাল...

ট্রাম্পের কাছ থেকে দূরে সরছেন ইউরোপের কট্টর ডানপন্থী রাজনীতিবিদরা
১১ নভেম্বর থেকে ঢাবির ভর্তি আবেদন শুরু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হচ্ছে আগামী ১১ নভেম্বর দুপুর ১২টায়।

১১ নভেম্বর থেকে ঢাবির ভর্তি আবেদন শুরু

সারা দেশ

View more
দড়ি টেনে চলে প্রতিবন্ধী জনির ৬ সদস্যের সংসার
দড়ি টেনে চলে প্রতিবন্ধী জনির ৬ সদস্যের সংসার

সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।

Video news

Rss feed news

ইরান যুদ্ধের ঘোর সমর্থক পিট হেগসেথকে কি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে
ইরান যুদ্ধের ঘোর সমর্থক পিট হেগসেথকে কি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে

<p>যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বিপর্যয়ের পর প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় তাঁর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল বুধবার তিনি এ সমর্থন জানান। এর এক দিন আগে মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা। নির্বাচনের ফলাফলে ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভোটারদের ক্ষোভের প্রতিফলন ঘটেছে বলে উঠে এসেছে।</p><p> হেগসেথকে সরিয়ে দেওয়ার কথা ভাবছেন কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘না, আমার মনে হয়, তিনি খুব ভালো কাজ করছেন।’ হেগসেথকে যুদ্ধের সমর্থক বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প।</p><p> ট্রাম্পের এই বক্তব্য ২০০৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর তৎকালীন রিপাবলিকান পার্টির প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের পদক্ষেপের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ওই নির্বাচনে ইরাক যুদ্ধ নিয়ে ভোটারদের অসন্তোষের কারণে ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ পেয়েছিলেন। নির্বাচনের পরদিন সকালে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডোনাল্ড রামসফেল্ডকে বরখাস্ত করেছিলেন জর্জ ওয়াকার বুশ।</p><p>তবে বিভিন্ন সূত্র বলেছে, রিপাবলিকানরা নির্বাচনে নিজেদের পরাজয়ের কারণ পর্যালোচনা করার সময় হেগসেথকে সরিয়ে দিতে পারেন ট্রাম্প। তাঁর এক উপদেষ্টা বলেছেন, যুদ্ধের কারণে হেগসেথ ‘ছাঁটাইয়ের মুখে পড়তে পারেন’।</p><p>ওই উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘এই হারের জন্য কাউকে না কাউকে দায়ী করা হবে। আর আপনারা জানেন, সেই ব্যক্তি ট্রাম্প হবেন না।’</p><p>হেগসেথকে অজনপ্রিয় ইরান যুদ্ধের অন্যতম প্রধান সমর্থক হিসেবে বর্ণনা করেছেন ট্রাম্প। গত ২৩ মার্চ তিনি বলেছিলেন, ‘পিট, আমার মনে হয়, আপনিই প্রথম কথা বলেছিলেন। আপনি বলেছিলেন, ‘চলুন, আমরা এটা করি। কারণ, তাদের (ইরানকে) পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেওয়া যায় না।’</p><p>ইরান যুদ্ধের আদৌ কোনো যৌক্তিকতা ছিল কি না, তা নিয়ে গতকাল প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি বলেছেন, এই যুদ্ধের কারণে রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন।</p><p>মন্তব্য জানতে চাইলে হোয়াইট হাউস রয়টার্সকে বলেছে, ট্রাম্প প্রকাশ্যে হেগসেথ সম্পর্কে কী বলছে, আপনারা তা খেয়াল করতে পারেন।</p><p>প্রতিরক্ষা দপ্তর জানিয়েছে, ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত পেন্টাগনের নেতৃত্ব দিতে হেগসেথ ‘শতভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’। ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৯ সালের ২০ জানুয়ারি।</p><blockquote>২০০৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ফল বিপর্যয়ের পর তৎকালীন রিপাবলিকান পার্টির প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডোনাল্ড রামসফেল্ডকে বরখাস্ত করেছিলেন। কিন্তু ট্রাম্প এবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথকে বরখাস্ত না করে রক্ষা করতে চাইছেন। </blockquote><p><strong>অভিশংসনের হুমকি</strong></p><p>হেগসেথ মার্কিন রাজনীতিতে বিতর্কিত ব্যক্তি। এমনকি নিজের রিপাবলিকান দলের মধ্যেও তিনি শত্রু তৈরি করেছেন।</p><p>রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা ও প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য টমাস ম্যাসি এ বছরের শুরুতে তাঁর বিরুদ্ধে অভিশংসনের প্রস্তাব এনেছিলেন। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে হেগসেথ ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।</p><p>রিপাবলিকান সিনেটর টম টিলিস গত মঙ্গলবার রাতে সিবিএস নিউজকে বলেন, হেগসেথকে জবাবদিহির মুখে পড়তে হবে। আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে তাঁর টানাপোড়েনের সম্পর্ক ট্রাম্প প্রশাসনের দেড় লাখ কোটি ডলারের প্রতিরক্ষা ব্যয় প্যাকেজ কংগ্রেসে পাস করানোর প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করছে।</p><p>মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল আসার সময় টিলিস বলেন, ‘প্রতিরক্ষা খাতের প্রয়োজন ও ব্যয় প্যাকেজ কংগ্রেসে তুলে ধরার জন্য হেগসেথই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি কি না, নির্বাচনের পর তা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। এই কংগ্রেসের মেয়াদ শেষ হতে আর মাত্র ৬০ দিন বাকি। এর মধ্যে তিনি যদি কিছু করতে চান, তাহলে বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/6u8oisph/Pete-Hegseth-speaks.jpg"><figcaption>এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের বাল্টিমোর কাউন্টির স্প্যারোস পয়েন্ট শিপইয়ার্ডে। ৬ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><p>ডেমোক্র্যাটরা হেগসেথ ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা তদন্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।</p><p>সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেছেন, এই তদন্তে ইরান যুদ্ধ পরিচালনা থেকে শুরু করে শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের অপসারণের বিষয়গুলোও থাকতে পারে। অপসারিত কর্মকর্তাদের মধ্যে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যানও রয়েছেন।</p><p>ইউক্রেন নীতি ও লাতিন আমেরিকার জলসীমায় মাদক পাচারের সন্দেহে নৌযানের ওপর মার্কিন সামরিক হামলার বিষয়েও হেগসেথকে তদন্তের মুখে পড়তে হতে পারে। কিছু ডেমোক্র্যাটের মতে, এসব হামলা ‘যুদ্ধাপরাধের শামিল’ বলে গণ্য হতে পারে।</p><aside><cite>শন পারনেল, প্রধান মুখপাত্র, পেন্টাগন</cite>দলীয় রাজনৈতিক ফায়দা নিতে চাওয়া বা কোনো অন্যায় না থাকা সত্ত্বেও ভুয়া তদন্ত শুরু করতে চাওয়া রাজনীতিকদের কাছে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথ নতি স্বীকার করবেন না বা দমে যাবেন না। </aside><p>কংগ্রেসের সদস্যদের সঙ্গে হেগসেথের বিরোধ কখনো কখনো ব্যক্তিগত পর্যায়েও গড়িয়েছে। গত বছর ডেমোক্র্যাট সিনেটর মার্ক কেলিকে বিচারের মুখোমুখি করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন হেগসেথ।</p><p>কেলি এবং সামরিক ও গোয়েন্দা বিভাগে কাজের অভিজ্ঞতা থাকা কংগ্রেসের আরও পাঁচ ডেমোক্র্যাট সদস্য মার্কিন সেনাদের অবৈধ আদেশ পালন না করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। হেগসেথ তাঁদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ তুলেছিলেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/2t8wghmr/beam-goes.jpg"><figcaption>সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসে বলরুম নির্মাণকাজের শেষ স্টিলের বিম স্থাপনের দিন। ৪ নভেম্বর ২০২৬</figcaption></figure><p>আগামী বছর প্রতিনিধি পরিষদের সশস্ত্র বাহিনী–বিষয়ক কমিটির নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ডেমোক্র্যাট অ্যাডাম স্মিথের। তিনি ইরান যুদ্ধ থেকে শুরু করে সশস্ত্র বাহিনীর ‘রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার ভিত্তি’ নড়বড়ে হয়ে যাওয়ার বিষয়ে কঠোর নজরদারির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।</p><p>বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র জানিয়েছে, হেগসেথকে নিয়ে ক্যাপিটল হিলে তীব্র বিরোধের কারণে তাঁকে সরিয়ে অন্য কাউকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি হোয়াইট হাউসের আলোচনায় এসেছে।</p><p>সূত্রটি বলেছে, এমন কাউকে দায়িত্বে আনার প্রয়োজন, যিনি ডেমোক্র্যাটদের তদন্তের মুখে থাকা ঘটনাগুলো থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারবেন।</p><p>পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পারনেল বলেছেন, হেগসেথ ট্রাম্পের কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ চালিয়ে যাবেন। পেন্টাগন ‘আইন মেনেই কাজ করেছে’।</p><p>পারনেল বলেন, ‘দলীয় রাজনৈতিক ফায়দা নিতে চাওয়া বা কোনো অন্যায় না থাকা সত্ত্বেও ভুয়া তদন্ত শুরু করতে চাওয়া রাজনীতিকদের কাছে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথ নতি স্বীকার করবেন না বা দমে যাবেন না।’</p><aside><cite>থম টিলিস, সিনেটর, রিপাবলিকান পার্টি</cite>প্রতিরক্ষা খাতের প্রয়োজন ও ব্যয় প্যাকেজ কংগ্রেসে তুলে ধরার জন্য হেগসেথই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি কি না, নির্বাচনের পর তা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। এই কংগ্রেসের মেয়াদ শেষ হতে আর মাত্র ৬০ দিন বাকি। এর মধ্যে তিনি যদি কিছু করতে চান, তাহলে বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।</aside><p><strong>টেনেসির সিনেট আসনে কি হেগসেথ</strong></p><p>হেগসেথকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত একটি সম্ভাবনা হলো, সিনেটর মার্শা ব্ল্যাকবার্নের ছেড়ে দেওয়া আসনে তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া। মঙ্গলবারের নির্বাচনে ব্ল্যাকবার্ন টেনেসির গভর্নর নির্বাচিত হয়েছেন। আগামী জানুয়ারিতে তিনি গভর্নরের দায়িত্ব নেবেন। তখন সিনেটের আসনটি ছেড়ে দিতে হবে তাঁকে।</p><p>সিনেটে ব্ল্যাকবার্নের মেয়াদের আরও চার বছর বাকি (সিনেটররা ছয় বছরের জন্য নির্বাচিত হন)। টেনেসির বাসিন্দা হেগসেথ মঙ্গলবার সেখানেই ভোট দিয়েছেন। তাঁকে ওই আসনে অন্তর্বর্তী সিনেটর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলে আপাতত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে না। তবে ২০২৮ সালের নির্বাচনে আসনটি ধরে রাখতে হলে তাঁকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে।</p><p>ব্ল্যাকবার্নের আসনে হেগসেথকে দেখতে চান কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমার মনে হয়, তিনি খুব ভালো কাজ করছেন। আমার ধারণা, তিনি ওই পদে গেলে বেশ জনপ্রিয় হবেন।’</p><blockquote>ইউক্রেন নীতি ও লাতিন আমেরিকার জলসীমায় মাদক পাচারের সন্দেহে নৌযানের ওপর মার্কিন সামরিক হামলার বিষয়েও হেগসেথকে তদন্তের মুখে পড়তে হতে পারে। কিছু ডেমোক্র্যাটের মতে, এসব হামলা ‘যুদ্ধাপরাধের শামিল’ বলে গণ্য হতে পারে। </blockquote><p>তবে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কিছুই শুনিনি।’</p><p>ট্রাম্প নিয়মিতই প্রকাশ্যে হেগসেথের প্রশংসা করেছেন। পেন্টাগনকে নতুনভাবে সাজানোর প্রচেষ্টায় সাবেক এই ন্যাশনাল গার্ড সদস্যকে যথেষ্ট স্বাধীনতা দিয়েছেন ট্রাম্প।</p><p>তবে গত মাসে হেগসেথের সঙ্গে প্রকাশ্যে মতবিরোধে জড়ান ট্রাম্প। ফোর্ট হুডে হামলাকারী নাসির হাসানের ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচারের কথা ঘোষণা করেছিলেন হেগসেথ। কিন্তু ট্রাম্প তা বাতিল করেন।</p><p>অনেক রিপাবলিকান, ধর্মীয় নেতা ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এ পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছিলেন।</p><p>নাসির হাসানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচারের পরিকল্পনা বাতিল করায় প্রতিরক্ষা দপ্তরের কর্মকর্তারা ব্যক্তিগতভাবে স্বস্তি প্রকাশ করেছিলেন।</p>

নভেম্বর ৫, ২০২৬
বড় বাজারের জন্মের ইতিহাস জড়িয়ে যে নীলকুঠিতে
বড় বাজারের জন্মের ইতিহাস জড়িয়ে যে নীলকুঠিতে

১৮৮৪ সালে খুলনায় রেলপথ স্থাপিত হলে বাড়িটিকে ইন্ডিয়ান জেনারেল নেভিগেশন অ্যান্ড রেলওয়ে কোম্পানির কার্যালয় বানায় তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
শরণার্থীশিবির থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে কীভাবে আলোচিত রাজনীতিক হয়ে উঠলেন ইলহান
শরণার্থীশিবির থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে কীভাবে আলোচিত রাজনীতিক হয়ে উঠলেন ইলহান

<p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মাঝেমধ্যেই তাঁকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর দলের কট্টর রিপাবলিকানরাও ইলহান ওমরকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের দাবি তুলেছিলেন। এমনকি মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে গত মাসে ওয়াশিংটন ডিসিতে ইলহানের বাড়িতে তল্লাশি চালান যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় দপ্তরের কর্মকর্তারা।</p><p> কিন্তু এসব কিছুই ইলহান ওমরকে আটকাতে পারেনি। ট্রাম্প প্রশাসনের লোকজন তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানোর পর ইলহান বলেছিলেন, তিনি চুপ থাকবেন না।</p><p> ইলহান চুপ থাকেননি। বরং বড় ব্যবধানে জয় নিয়ে টানা পঞ্চমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।</p><p> গত মঙ্গলবারের ভোটে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান পার্টির জন নেইগল তাঁর সামনে দাঁড়াতেই পারেননি। বার্তা সংস্থা এপির দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৯৯ শতাংশ ভোট গণনা শেষে ইলহান সাড়ে ৭৬ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছেন। নেইগল পেয়েছেন ১৬ শতাংশের সামান্য বেশি ভোট।</p><p>ইলহানের নির্বাচনী এলাকা মিনিয়াপোলিস ও এর আশপাশের শহরতলি (মিনেসোটার পঞ্চম কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্ট)। মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের এই এলাকাটি যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি ডেমোক্র্যাট-সমর্থক নির্বাচনী এলাকার একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ২০১৯ সাল থেকে এই নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধিত্ব করছেন ইলহান।</p><p>গত আগস্ট মাসে অনুষ্ঠিত দলীয় প্রাইমারিতেও ইলহান বড় ব্যবধানে জিতে দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করেছিলেন।</p><p>মঙ্গলবার বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হওয়ার পর এক বিবৃতিতে ইলহান ওমর বলেন, ‘ধন্যবাদ, মিনেসোটা। আমরা কারা এবং কোন আদর্শে বিশ্বাস করি, তা আবারও বিশ্বকে দেখিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আমরা ভয় ও বিভেদকে জয় করি। ঘৃণা ও সংকীর্ণতাকে প্রত্যাখ্যান করি। আমরা একে অপরের পাশে থাকি।’</p><blockquote>ইলহানের নির্বাচনী এলাকা মিনিয়াপোলিস ও এর আশপাশের শহরতলি (মিনেসোটার পঞ্চম কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্ট)। মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের এই এলাকা যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি ডেমোক্রেট-সমর্থক নির্বাচনী এলাকার একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ২০১৯ সাল থেকে এই নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধিত্ব করছেন ইলহান।</blockquote><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/blxsr3r7x3">বাড়িতে ট্রাম্প প্রশাসনের তল্লাশির পর ইলহান বললেন, ‘আমি চুপ থাকব না’</a></aside><h3>জন্ম ও বেড়ে ওঠা </h3><p>ইলহান ওমরের জন্ম সোমালিয়ায়, ১৯৮২ সালে। তিনি সাত ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট। রাজধানী মোগাদিসুতে জন্ম হলেও তিনি বেড়ে ওঠেন দেশটির বায়ধাবো শহরে। তাঁর বাবার নাম নূর ওমর মোহাম্মদ। মা ফাধুমা আবুকার হাজি হুসেইন। ইলহানের দুই বছর বয়সে তাঁর মা মারা যান। এরপর বাবা ও দাদার কাছে বড় হন তিনি। তাঁরা ছিলেন মধ্যপন্থী সুন্নি মুসলিম।</p><p>১৯৯১ সালে সোমালিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হলে পরিবারের সঙ্গে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান ইলহান। সে সময় তাঁর বয়স ছিল মাত্র আট বছর।</p><p>সোমালিয়া থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর নানা পথ ঘুরে কেনিয়ার একটি শরণার্থীশিবিরে পরিবারটির আশ্রয় মেলে। ইলহান পরিবারের সঙ্গে চার বছর ওই শরণার্থীশিবিরে বসবাস করেছেন। ১৯৯৫ সালে তাঁরা যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। প্রথমে ছিলেন নিউইয়র্কে।</p><p>স্থানীয় একটি গির্জার পৃষ্ঠপোষকতায় ইলহানের পরিবার ১৯৯৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিসে আসার সুযোগ পায়। পরিবারটি সেখানেই স্থায়ী হয়। ২০০০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হন ইলহান।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/mkpwq5a3he">ইলহান ওমরকে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে চলে যেতে বললেন ট্রাম্প</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/te737818/Homeland-Security-Investigations.avif"><figcaption>ওয়াশিংটন ডিসিতে ইলহান ওমরের বাসভবনের প্রবেশপথে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশনসের (এইচএসআই) কর্মকর্তারা। ১২ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><p>বিভিন্ন সূত্রের খবরে জানা গেছে, ১৪ বছর বয়সে ইলহান যখন যুক্তরাষ্ট্রে আসেন, তখন ইংরেজির ওপর তাঁর সামান্য দক্ষতা ছিল। কিন্তু মাত্র তিন মাসের ভেতর তিনি ইংরেজি ভাষা খুব ভালোভাবে রপ্ত করে ফেলেন।</p><p>কিশোর বয়স থেকেই নিজের দাদার অনুবাদক হিসাবে ইলহান ডেমোক্র্যাটদের বিভিন্ন সভায় যেতেন।</p><p>নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ে আরেকটি স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। পরে হামফ্রে স্কুল অব পাবলিক অ্যাফেয়ার্সে পলিসি ফেলো হিসেবে কাজ করেন।</p><p>২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ে কমিউনিটি নিউট্রিশন এডুকেটর হিসেবে কাজ করেন ইলহান। ২০১২ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত মিনেসোটা শিক্ষা বিভাগে শিশুদের পুষ্টিবিষয়ক কার্যক্রমের সমন্বয়ক ছিলেন।</p><p>২০১৩ সালে মিনিয়াপোলিস সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে অ্যান্ড্রু জনসনের প্রচার ব্যবস্থাপক হন ইলহান। পরে ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তাঁর জ্যেষ্ঠ নীতিবিষয়ক সহকারী হিসেবে কাজ করেন।</p><p>২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে উইমেন অর্গানাইজিং উইমেন নেটওয়ার্কের নীতি ও উদ্যোগবিষয়ক পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ইলহান ওমর।</p><p>ইলহান ২০১৬ সালে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের আইনসভার প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।</p><aside><cite>ইলহান ওমর</cite>ধন্যবাদ, মিনেসোটা। আমরা কারা এবং কোন আদর্শে বিশ্বাস করি, তা আবারও বিশ্বকে দেখিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আমরা ভয় ও বিভেদকে জয় করি। ঘৃণা ও সংকীর্ণতাকে প্রত্যাখ্যান করি। আমরা একে অপরের পাশে থাকি।</aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/bwwfume3o8">ইলহান ওমর কী বলেছেন, কেন তাঁর পেছনে লেগেছেন রিপাবলিকানরা</a></aside><h3>অনেক প্রথমের জন্ম দেওয়া ইলহান </h3><p>২০১৮ সালে প্রথমবার মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে অনেক প্রথমের জন্ম দিয়েছেন সোমালি বংশোদ্ভূত ইলহান ওমর।</p><p>ইলহানই প্রথম অশ্বেতাঙ্গ মার্কিন, যিনি মিনেসোটা অঙ্গরাজ্য থেকে কংগ্রেসে প্রতিনিধিত্ব করতে গেছেন।</p><p>সেবার বিজয়ী ভাষণে ইলহান বলেছিলেন, ‘আজ রাতে অনেকগুলো প্রথম বিশেষণের অধিকারী হিসেবে আপনাদের সামনে দাঁড়িয়েছি। হিজাব পরা নারী হিসেবে আমি কংগ্রেস যাচ্ছি, আমিই প্রথম শরণার্থী যে কংগ্রেসে নির্বাচিত হয়েছি এবং প্রথম একজন মুসলিম নারী হিসাবে কংগ্রেসে যাচ্ছি।’</p><p>ইলহান সর্বজনীন স্বাস্থ্যব্যবস্থার কট্টর সমর্থক। একই সঙ্গে ঘণ্টায় কমপক্ষে ১৫ ডলার মজুরির পক্ষে প্রচার চালিয়েছেন। বহুদিন ধরে অভিবাসী ও শরণার্থী ইস্যু নিয়েও কাজ করেন তিনি।</p><p>২০১৮ সালের নির্বাচনে জেতার পর তিনি বলেছিলেন, এ বিজয় শরণার্থীশিবিরে বাস করা আট বছর বয়সী এক শিশুর বিজয়। এই বিজয় একজন তরুণীর, যাকে জোর করে অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়া হয়। এই বিজয় তাদের, যাদের স্বপ্ন দেখায় সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/eioglcdr/omar-jumbo.avif"><figcaption>ইলহান ওমরের শপথ অনুষ্ঠানে তাঁর বাবা নূর ওমর মোহামেদ ও ন্যান্সি পেলোসি</figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/9x1jlk2wn3">মিনেসোটায় ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রাইমারিতে জিতলেন ইলহান ওমর</a></aside><h3>ট্রাম্পের সঙ্গে কথার লড়াই </h3><p>প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বহুবার ইলহান ওমরকে তাঁর জন্মস্থান নিয়ে আক্রমণ করেছেন। ২০২৫ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁকে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে চলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের দুই মেয়াদে ট্রাম্প বহুবার এ ধরনের আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিয়েছেন।</p><p>২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ওভাল অফিসে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘আপনি জানেন, আমি সোমালিয়ার প্রধানের সঙ্গে দেখা করেছিলাম? আমি তাঁকে বলেছিলাম, তিনি হয়তো তাঁকে (ইলহান ওমর) ফিরিয়ে নিতে চান। তিনি বলেছিলেন, “আমি তাঁকে চাই না”।’</p><p>জবাবে ইলহান বলেছিলেন, তাঁর অভিবাসন মর্যাদা নিয়ে এমন কথায় তিনি মোটেই উদ্বিগ্ন নন।</p><blockquote>বিভিন্ন সূত্রের খবরে জানা গেছে, ১৪ বছর বয়সে ইলহান যখন যুক্তরাষ্ট্রে আসেন, তখন ইংরেজির ওপর তাঁর সামান্য দক্ষতা ছিল। কিন্তু মাত্র তিন মাসের ভেতর তিনি ইংরেজি ভাষা খুব ভালোভাবে রপ্ত করে ফেলেন।</blockquote><p>দ্য ডিন ওবেইদাল্লাহ শোতে ইলহান বলেছিলেন, ‘আমার কোনো চিন্তা নেই। আমি জানি না, তারা কীভাবে আমার নাগরিকত্ব কেড়ে নেবে এবং আমাকে দেশ থেকে বের করে দেবে। তবে এটি কোনো ভীতিকর হুমকি কি না, তা–ও আমি জানি না।’</p><p>ইলহান চ্যালেঞ্জ ছুড়ে আরও বলেছিলেন, ‘আমি সেই আট বছরের শিশু নই, যে যুদ্ধ থেকে পালিয়ে এসেছিল। আমি বড় হয়েছি, আমার সন্তানেরাও বড়। আমি চাইলে যেখানে খুশি গিয়ে থাকতে পারি। প্রতিদিন সকালে উঠে প্রতিটি আলোচনায় “আমরা ইলহানকে দেশ থেকে বের করে দেব”—এমন কথা বলাটা খুবই অদ্ভুত।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/6pxej2h9/Ilhan.avif"><figcaption>মঙ্গলবারের ভোটে ইলহানের সামনে তাঁর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান পার্টির জন নেইগল দাঁড়াতেই পারেননি</figcaption></figure><h3>পরিবার </h3><p>ইলহান ওমরের বয়স এখন ৪৪ বছর। তাঁর তিনটি সন্তান রয়েছে। তাঁর স্বামীর নাম টিম ম্যানেট। ২০২০ সালে তাঁদের বিয়ে হয়। পলিটিক্যাল কনসালট্যান্ট ম্যানেট বিয়ের আগে থেকেই ইলহানের নির্বাচনী প্রচার দলের সদস্য।</p><p>ম্যানেটকে বিয়ে করার আগে আহমেদ হিরসির সঙ্গে ইলহানের বিয়ে হয়েছিল। ২০১৯ সালে তাঁদের ছাড়াছাড়ি হয়। তিনি একজন সাবেক ব্যাংকার। তার আগে আহমেদ নূর সাইদ নামের একজনের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ইলহানের।</p><p>ইসরায়েল ও মার্কিন রাজনীতিতে ইসরায়েলি লবির প্রভাব নিয়ে সমালোচনা করার কারণে মাঝেমধ্যে তিনি নিজ দল ডেমোক্রেটিক পার্টির ভেতরেও তোপের মুখে পড়েন। অনেকই তাঁকে ইহুদিবিদ্বেষী বলেন।</p><p>তথ্যসূত্র: পলিটিকো, সিবিএস, আল–জাজিরা, আইওয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%93%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%97">ইলহান ওমরকে ভালোবেসে সংসার ত্যাগ!</a></aside>

নভেম্বর ৫, ২০২৬
স্টেটমেন্ট ব্লাউজ ও অরগাঞ্জা শাড়িতে বোল্ড লুকে দক্ষিণি অভিনেত্রী আকাঙ্ক্ষা শর্মা
স্টেটমেন্ট ব্লাউজ ও অরগাঞ্জা শাড়িতে বোল্ড লুকে দক্ষিণি অভিনেত্রী আকাঙ্ক্ষা শর্মা

কিছু ফ্যাশন লুক প্রথম দেখাতেই নজর কাড়ে। আকাঙ্ক্ষা শর্মার এই ফটোশুট তেমনই। ধূসর দেয়াল, পুরোনো কাঠের আসবাব আর নরম আলোয় তৈরি হয়েছে এক ধরনের আভিজাত্য। এর সঙ্গে তাঁর পোশাক ও সাজে মিশেছে ঐতিহ্যবাহী কারুকাজ আর আধুনিক স্টাইলিং।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
হামজাকে ছাড়া ভুটানের বিপক্ষে মাঠে বাংলাদেশ
হামজাকে ছাড়া ভুটানের বিপক্ষে মাঠে বাংলাদেশ

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ভুটানের মুখোমুখি বাংলাদেশ। ম্যাচের তাৎক্ষণিক ঘটনাপ্রবাহ জানতে চোখ রাখুন প্রথম আলোর লাইভ ব্লগে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন, বললেন ‘জামায়াতে হারিয়ে যাচ্ছে’ দলটি
এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন, বললেন ‘জামায়াতে হারিয়ে যাচ্ছে’ দলটি

<p>জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে চলে গেলেন দলটির প্রতিষ্ঠাকালীন নেতাদের অন্যতম সামান্তা শারমিন। জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণেরা দুই বছর যখন দলটি গঠন করেন, সে সময় দলের জ্যেষ্ঠ আহ্বায়ক হয়েছিলেন তিনি। তার আগে যে প্ল্যাটফর্ম থেকে এনসিপি গঠন করা হয়, সেই জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখপাত্র ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী সামান্তা শারমিন।</p><p>সামান্ত শারমিন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়কের পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। এনসিপির পুনর্গঠিত কমিটিতে ‘পদাবনতির’ দুই সপ্তাহ পর দলটি ছেড়ে দিলেন তিনি।</p><p>তবে দল ছাড়ার কারণ হিসেবে চারুকলার শিক্ষার্থী সামান্তা বলেছেন, নিজস্ব রাজনৈতিক ‘লাইন’ স্পষ্ট না থাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে হারিয়ে যেতে হচ্ছে। গণ–অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের এই দলটিকে এখন জামায়াতের জন্য নানা ইস্যুতে প্রতিক্রিয়ামূলক ও সহায়ক ভূমিকা নিতে হচ্ছে। তাছাড়া এনসিপির ‘বড়’ রাজনৈতিক দলের ‘লেজুড়’ হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়াটা দলটির নিজস্ব নতুন রাজনীতির সম্ভাবনাকে নিঃশেষ করেছে বলেও মনে করছেন সামান্তা শারমিন। এছাড়া এনসিপির ভূমিকা নারীবিরোধী রক্ষণশীল রাজনৈতিক প্রবণতার সঙ্গে মিলে যাচ্ছে বলে মনে করছেন তিনি। কাউন্সিল এড়িয়ে এনসিপির কমিটি পুনর্গঠন নিয়েও নিজের অসন্তোষের কথা উল্লেখ করেছেন সামান্তা শারমিন।</p><p>এক ফেসবুকে পোস্টে সামান্তা শারমিন বলেছেন, এসব বিষয়ে বারবার পুনর্বিবেচনা করার আহবান জানানোর পরেও এনসিপি তার গতিপথ পরিবর্তন করতে আগ্রহী না হয়নি। সেজন্য তিনি দল থেকে পদত্যাগ করেছেন।</p><p>জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে গঠিত জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখপাত্র হয়েছিলেন সামান্তা শারমিন। এরপর গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে এনসিপির আত্মপ্রকাশের সময় দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক হন তিনি। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত ডিসেম্বরে এনসিপি জামায়াতের সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়ার পর থেকে দলীয় কার্যক্রমে অনেকটা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছিলেন সামান্তা শারমিন। সর্বশেষ গত ২৩ অক্টোবর এনসিপির পুনর্গঠিত কমিটিতে তাঁকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়।</p><p>পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে সামান্তা শারমিন আজ সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে আমি এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে হোয়াটসঅ্যাপে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি। এ ছাড়া দলের গ্রুপেও সবাইকে পদত্যাগের বিষয়টি জানিয়েছি।’</p><h3>এরপর কী করবেন সামান্তা </h3><p>এনসিপি ছাড়ার পর কী করতে চান, সে বিষয়েও ধারণা দিয়েছেন সামান্তা শারমিন। পদত্যাগ নিয়ে ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, মানুষ তরুণদের পেছনে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল এমন একটি রাজনৈতিক শক্তির প্রত্যাশা নিয়ে, যারা পুরোনো ক্ষমতাকাঠামোর পুনরাবৃত্তি করবে না; বরং নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং জাতীয় স্বার্থভিত্তিক রাজনীতির পথ তৈরি করবে। গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব, নারীর সমান অংশগ্রহণ, অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নগুলো এখনো নতুন রাজনৈতিক উদ্যোগের অপেক্ষায় আছে।</p><p>সামান্তা লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের তরুণদের সামনে এখন চ্যালেঞ্জ শুধু নতুন একটি দল গঠন করা নয়; বরং এমন একটি রাজনৈতিক ঐক্য নির্মাণ করা, যেখানে ভিন্নমত থাকবে, কিন্তু বিভাজনই রাজনীতির চালিকাশক্তি হবে না; মতাদর্শের পার্থক্য থাকবে, কিন্তু গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অভিন্ন লক্ষ্যকে তা গ্রাস করবে না; আন্তর্জাতিক সম্পর্ক থাকবে, কিন্তু বাংলাদেশের স্বার্থের ঊর্ধ্বে কোনো বিদেশি শক্তির অবস্থান থাকবে না। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে তরুণ সমাজ যদি আবার সংগঠিত হওয়ার উদ্যোগ নেয়, তবে তা হতে হবে অতীতের কোনো দলের পুনরাবৃত্তি নয়, বরং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নির্মাণের নতুন প্রচেষ্টা।’</p><p>এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে কাজ করতে যাঁরা অঙ্গীকারাবদ্ধ, তাঁদের সঙ্গে এ বিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করতে চান, সবাইকে যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়েছেন সামান্তা শারমিন। তিনি লেখেন, ‘আমি আপনাদের সঙ্গে নিয়েই গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ তৈরির প্রকল্পকে এগিয়ে নিতে চাই।’</p>

নভেম্বর ৫, ২০২৬
একটি দৃশ্য আমি সারা জীবন সঙ্গে নিয়ে যাব—বিদায়ী বক্তব্যে রোনালদো
একটি দৃশ্য আমি সারা জীবন সঙ্গে নিয়ে যাব—বিদায়ী বক্তব্যে রোনালদো

<p>একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি। পর্তুগালের হয়ে আর খেলবেন না ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি নিজেই দিয়েছেন এই ঘোষণা। পর্তুগিজ ভাষায় দেওয়া রোনালদোর বিদায়ী বক্তব্যের হুবহু বাংলা অনুবাদ তুলে ধরা হলো এখানে—</p><p> পর্তুগালের জনগণের উদ্দেশে বলছি, আমাদের জাতীয় দলের সাত নম্বর জার্সিটি ফিরিয়ে দেওয়ার সময় এসে গেছে। আমি কখনোই মনে করিনি জার্সিটি একান্তই আমার। তবে ২৩ বছর ধরে এটি পরার, এর মর্যাদা রক্ষা করার এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের স্টেডিয়ামে এই জার্সি গায়ে প্রতিনিধিত্ব করার সৌভাগ্য ও দায়িত্ব আমার ছিল। আজ সেটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের হাতে তুলে দেওয়ার সময় এসেছে।</p><p> সিদ্ধান্তটি নেওয়া সহজ ছিল না। কারণ, কিছু সিদ্ধান্ত শুধু মস্তিষ্ক দিয়ে নেওয়া যায় না, সেগুলো নিতে হয় হৃদয় দিয়েও। ২০০৩ সালের আগস্টে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, সেটিই চিরদিনের জন্য আমার জীবন বদলে দেয়।</p><p>জাতীয় দলে কাটানো সময়ের দিকে ফিরে তাকালে শুধু ম্যাচ, গোল, রেকর্ড কিংবা ট্রফির কথা মনে পড়ে না। মনে পড়ে মানুষদের কথা, মনে পড়ে অভিবাসীদের কথা, যাঁরা ৯০ মিনিটের জন্য হলেও পর্তুগালকে একটু বেশি কাছের বলে অনুভব করেছেন। মনে পড়ে লাখ লাখ পর্তুগিজ মানুষের কথা, যাঁদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কখনো দেখা হয়নি, অথচ তাঁরা আমার জীবনের অংশ হয়ে গেছেন। কারণ, শেষ পর্যন্ত ফুটবল শুধুই একটি খেলার চেয়ে অনেক বড় কিছু। ফুটবল মানে মানুষ, ফুটবল মানে মানুষের আবেগ।</p><p>জাতীয় দলের হয়ে পুরো ক্যারিয়ারে আমি নিজের সীমাবদ্ধতাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। আমি জিততে চেয়েছি, সেরা হতে চেয়েছি, ইতিহাস গড়তে চেয়েছি। নিজের কাছে সব সময়ই অনেক বেশি প্রত্যাশা ছিল। সব সময় আরও বেশি কিছু চেয়েছি, সব সময় বিশ্বাস করেছি, আমরা আরও দূর যেতে পারি। এই জার্সির জন্য নিজের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/acr4sfrd/2026-07-06T181238Z682145666UP1EM761EL042RTRMADP3SOCCER-WORLDCUP-POR-ESP.JPG"><figcaption>২০২৬ বিশ্বকাপের গ্যালারিতে রোনালদোর ছবি হাতে এক ভক্ত</figcaption></figure><p>কিছু বিকেল ও রাত ছিল নিখুঁত। এমন কিছু জয় এসেছে, যা কখনো ভুলব না। আবার এমন কিছু হারও আছে, যেগুলোর কথা মনে পড়লে আজও কষ্ট হয়। আমিও ব্যর্থ হয়েছি, আমিও কষ্ট পেয়েছি। এমন কিছু মুহূর্তও এসেছে, যখন পর্তুগালের মানুষ আমার কাছে যা গভীরভাবে প্রত্যাশা করেছিলেন, তা দিতে পারিনি। কিন্তু কখনো হাল ছাড়িনি। আর সবচেয়ে বড় কথা, পর্তুগালের প্রতিনিধিত্ব করার গর্ব কখনো হারাইনি।</p><p>এই দীর্ঘ সময়ে আমি খুব সাধারণ কিছু বিষয় শিখেছি। গোলের স্মৃতি একসময় ফিকে হয়ে যায়, ট্রফি জাদুঘরে জায়গা পায়, রেকর্ডও একদিন ভেঙে যায়। কিন্তু এমন একটি বিষয় আছে, যা সময় কখনো মুছে দিতে পারে না—মানুষের হৃদয়ে আমাদের অবস্থান। আমি যদি কখনো আপনাদের আনন্দ দিতে পেরে থাকি, আমার কোনো একটি গোল যদি কখনো আপনাদের কাউকে কাউকে জড়িয়ে ধরার সুযোগ করে দিয়ে থাকে, কোনো দুশ্চিন্তা ভুলিয়ে দিয়ে থাকে কিংবা নিজেদের দেশ নিয়ে গর্বিত হওয়ার উপলক্ষ হয়ে থাকে, তাহলেই আমার সবকিছু সার্থক। পর্তুগিজ হওয়ার অর্থও তো এটাই—আমরা একসঙ্গে কষ্ট পাই, একসঙ্গে ঘুরে দাঁড়াই, আবার নতুন করে বিশ্বাস করতে শিখি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/bar0k659ew">সবচেয়ে বেশি ম্যাচ, সবচেয়ে বেশি গোল—আন্তর্জাতিক ফুটবলে রোনালদোর আরও রেকর্ড</a></aside><p>পর্তুগালের সব সময় এমন তরুণদের প্রয়োজন, যারা স্বপ্ন দেখে; এমন খেলোয়াড়দের প্রয়োজন, যারা কখনো হাল ছাড়ে না; আর এমন নতুন প্রজন্মের প্রয়োজন, যারা বিশ্বাস করে, এর আগে কেউ যে উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেনি, সেখানেও পৌঁছানো সম্ভব। কারণ, যে দেশ নতুন নতুন বীর তৈরি করে যেতে পারে, সেই দেশ নিজের ওপর বিশ্বাস হারায় না।</p><p>জাতীয় দলের সতীর্থদের উদ্দেশে বিশেষ কিছু কথা বলতে চাই। প্রতিটি দৌড়, প্রতিটি আলিঙ্গন, প্রতিটি তর্ক-বিতর্ক, মাঠে নামার আগে প্রতিটি নীরব মুহূর্ত, একসঙ্গে উদ্যাপন করা প্রতিটি জয় এবং আমাদের আরও শক্তিশালী করে তোলা প্রতিটি পরাজয়ের জন্য ধন্যবাদ। তোমাদের অধিনায়ক হওয়ার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। কিন্তু কোনো অধিনায়ক একা পথ চলতে পারে না। তোমরাও আমার গল্পের অবিচ্ছেদ্য অংশ।</p><p>এত বছর আমাদের সঙ্গে কাজ করা সব কোচ, কর্মকর্তা, চিকিৎসক, ফিজিওথেরাপিস্ট, কিট ম্যানেজার, কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা। তোমাদের অনেককেই কখনো ছবিতে দেখা যায়নি। কিন্তু তোমরা না থাকলে সেই ছবিগুলো কখনোই তোলা সম্ভব হতো না।</p><p>আমার পরিবারের প্রতিও কৃতজ্ঞতা, তোমরা আমার সঙ্গে এই স্বপ্ন ভাগ করে নিয়েছ। আমার অনুপস্থিতি, ত্যাগ ও জাতীয় দলের প্রয়োজনে এমন কিছু মুহূর্তে তোমাদের নিজেদের প্রাপ্য সময়টুকুও ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি বুঝতে পারার জন্য ধন্যবাদ। আমি এত দূর আসতে পেরেছি, কারণ আমরা সব সময় একে অপরের হাত ধরে রেখেছি।</p><p>পর্তুগালের জনগণের উদ্দেশে, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা সব পর্তুগিজ মানুষের উদ্দেশে, শেষবারের মতো একটি কথা বলতে চাই, আর সেটি হলো একটি দৃশ্য আমি সারা জীবন সঙ্গে নিয়ে যাব—জাতীয় সংগীত শুরু হওয়ার মুহূর্তটি। আমি নিজের কণ্ঠ শুনতে পাই, সতীর্থদের দেখি, গ্যালারির দিকে তাকাই। দেখি শিশু, মা, বাবা, দাদা-দাদি ও নানা-নানিদের। দেখি সেই পর্তুগিজ মানুষদের, যাঁরা শুধু সেখানে উপস্থিত থাকার জন্য কত দূর থেকে ছুটে এসেছেন। আর সেই কয়েকটি মিনিটের জন্য আমরা আর আলাদা থাকি না। সেখানে কোনো ক্লাব নেই, কোনো রং নেই, কোনো শ্রেণি নেই, কোনো পেশা নেই, কোনো মতামতের ভিন্নতা নেই। সেখানে থাকে শুধু একটি আবেগ—পর্তুগাল। এই অনুভূতিই আমি সারা জীবন বয়ে বেড়াব।</p><p>আজ জাতীয় দলের হয়ে মাঠে আমার যাত্রার সমাপ্তি ঘটছে। মাথা উঁচু করেই বিদায় নিচ্ছি। যে পথ পাড়ি দিয়েছি, তা নিয়ে আমি গর্বিত এবং এই মানসিক শান্তি নিয়ে যাচ্ছি যে পর্তুগালের জন্য আমি নিজের সবটুকু দিয়েছি। কিন্তু কখনোই আপনাদের একজন হওয়া বন্ধ করব না। আপনাদের সঙ্গে পর্তুগালের প্রতিটি জয় নিয়ে উল্লাস করব এবং উদ্‌যাপনে শামিল হব।</p><p>বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় হওয়ার জন্য আমি সারা জীবন পরিশ্রম করেছি। আজ বুঝতে পারছি, সবচেয়ে বড় জয় ছিল বিশ্বের সেরা দেশটির প্রতিনিধিত্ব করার যোগ্যতা অর্জন করা। এই ২৩ বছরের জন্য ধন্যবাদ। আমার ওপর বিশ্বাস রাখার জন্য ধন্যবাদ। মাদেইরার ছোট্ট একটি ছেলে যখন বলের পেছনে ছুটত, তখন যে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল, সেই স্বপ্ন বেঁচে থাকার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।</p><p>সাত নম্বর জার্সিটি থেকে যাবে। এই জার্সি গায়ে পরার গর্ব চিরকাল আমারই থাকবে। পর্তুগাল চিরকাল আমার হৃদয়ে থাকবে।</p><p>বিদায়।</p><p>ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/7hy20eniwd">আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন রোনালদো </a></aside>

নভেম্বর ৫, ২০২৬
রাত সোয়া ১১টার ট্রেন ছাড়ল ১২টায়, পৌঁছেও প্রায় ২ ঘণ্টা দেরিতে
রাত সোয়া ১১টার ট্রেন ছাড়ল ১২টায়, পৌঁছেও প্রায় ২ ঘণ্টা দেরিতে

<p>রাত সোয়া ১১টায় ট্রেন ছাড়ার কথা। নির্ধারিত সময়ের আগেই ঢাকার কারওয়ান বাজার থেকে কমলাপুর রেলস্টেশনে পৌঁছান বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী ফিরোজ খান। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও ট্রেন ছাড়ার কোনো লক্ষণ ছিল না। তাঁর মতো অন্তত ৭০০ যাত্রী অপেক্ষায় ছিলেন ট্রেন ছাড়ার। তাঁদের অপেক্ষার অবসান হয় রাত ১২টায়। নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৪৫ মিনিট পর চট্টগ্রামের উদ্দেশে কমলাপুর স্টেশন ছাড়ে ট্রেনটি।</p><p> ঘটনাটি গতকাল বুধবার ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী তূর্ণা এক্সপ্রেসের। কমলাপুর স্টেশন থেকে রাত সোয়া ১১টায় ট্রেনটি ছাড়ার কথা থাকলেও ছেড়েছে রাত ১২টায়। ট্রেন ছাড়তে দেরি হওয়ায় স্টেশনে অস্বস্তিকর সময় পার করেন যাত্রীরা। শুধু ছাড়তেই নয়, গন্তব্যে পৌঁছাতেও প্রায় ২ ঘণ্টা দেরি হয়েছে ট্রেনটির। চট্টগ্রাম স্টেশনে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৫টা ১০ মিনিটে পৌঁছানোর কথা থাকলেও সেটি পৌঁছায় সকাল ৭টায়। ট্রেনের দেরি নিয়ে এমন অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।</p><p>যাত্রীরা আরও অভিযোগ করেন, ট্রেন ছাড়তে দেরির কারণ জানিয়ে মুঠোফোনে কোনো খুদে বার্তা দেওয়া হয়নি। স্টেশনেও এ বিষয়ে কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে ট্রেন কখন ছাড়বে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ছিলেন তাঁরা।</p><p>ফিরোজ খান বলেন, অফিসের কাজে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় গিয়েছিলেন তিনি। কাজ শেষ করতে রাত ১০টা পেরিয়ে যায়। তখন দুশ্চিন্তায় ছিলেন, স্টেশনে গিয়ে ট্রেন ধরতে পারবেন কি না। তড়িঘড়ি করে কাজ শেষ করে নির্ধারিত সময়ের আগেই স্টেশনে পৌঁছান। কিন্তু ট্রেন ছাড়ে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা দেরিতে। আবার চট্টগ্রামেও নির্ধারিত সময়ের চেয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা পরে পৌঁছেছে।</p><p>আরেক যাত্রী অভিযোগ করেন, তিনি তূর্ণার ‘ঙ’ বগিতে কেবিনের টিকিট নিয়ে ভ্রমণ করেছেন। এতে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কেবিনের বগিগুলো অপরিচ্ছন্ন ছিল। সেখানে ময়লা পড়ে থাকতে দেখা গেছে। আসনের চাদরও ঠিকভাবে পরিষ্কার করা হয়নি। টেবিল ছিল ভাঙা। মশার যন্ত্রণায় বসা যায়নি।</p><p>এ বিষয়ে রেলওয়ের ঢাকার বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা ফুয়াদ হোসেন আনন্দ প্রথম আলোকে বলেন, চট্টগ্রাম থেকে আসা মহানগর গোধূলী ফিরতি যাত্রায় তূর্ণা এক্সপ্রেস হয়ে চট্টগ্রামে যায়। বগি ও ইঞ্জিন একই থাকে। বুধবার মহানগর গোধূলী চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় পৌঁছাতে ১ ঘণ্টা ৫ মিনিট দেরি করে। এ ছাড়া টঙ্গী থেকে ঢাকা পর্যন্ত অন্য ট্রেনেরও চাপ ছিল। এসব কারণে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী তূর্ণা এক্সপ্রেস কমলাপুর স্টেশন ছাড়তে প্রায় ৪৫ মিনিট দেরি করে।</p>

নভেম্বর ৫, ২০২৬
এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন
এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন

বাংলাদেশে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটে থাকা নিয়ে আপত্তিসহ কয়েকটি অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সামান্তা শারমিন। এদিকে, পর্তুগালের কিংবদন্তি ফুটবলার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো বলেছেন, তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিচ্ছেন। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...

নভেম্বর ৫, ২০২৬
বাংলা এআই নিয়ে কী করতে চাইছে সরকার?
বাংলা এআই নিয়ে কী করতে চাইছে সরকার?

বাংলাদেশে নিজস্ব ভাষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মডেল তৈরির বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে যে বিনিয়োগ এবং অবকাঠামো সক্ষমতা প্রয়োজন সেটি বাংলাদেশের আছে কিনা- সেই প্রশ্নটি সামনে আসছে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর; ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্তগুলো
আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর; ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্তগুলো

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেওয়ার মুহূর্তে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ক্যারিয়ারের কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত তুলে ধরেছে বিবিসি স্পোর্টস।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ী ডেমোক্র্যাট আবদুল এল-সাইয়েদের ভারতীয় যোগ
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ী ডেমোক্র্যাট আবদুল এল-সাইয়েদের ভারতীয় যোগ

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে ডেমোক্র্যাট পার্টি থেকে নির্বাচিত প্রথম মুসলিম সেনেটর আবদুল এল-সাইয়েদের একটা ভারতীয় যোগ রয়েছে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
ইউরোপের ১০ দেশের সুপারমার্কেটের ফ্রিজারে সাইবার হামলা, সতর্ক অবস্থায় আরো অনেকে
ইউরোপের ১০ দেশের সুপারমার্কেটের ফ্রিজারে সাইবার হামলা, সতর্ক অবস্থায় আরো অনেকে

বেলজিয়াম, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, ইটালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, জার্মানি এবং সুইডেনের সুপারমার্কেটের হিমাগার ও ফ্রিজিং ব্যবস্থা সাইবার হামলার শিকার হয়েছে। এর ফলে বিপুল পরিমান খাবার ফেলে দিতে বাধ্য হয়েছে কর্মীরা।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে কংগ্রেস দখলের পর ডেমোক্র্যাটরা কী করতে পারবে ও কী পারবে না?
যুক্তরাষ্ট্রে কংগ্রেস দখলের পর ডেমোক্র্যাটরা কী করতে পারবে ও কী পারবে না?

ওয়াশিংটনে ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তন হওয়ার পর, ডেমোক্র্যাটরা এখন চাইলেই কি তাদের পরিকল্পনায় থাকা বিষয়গুলো বাস্তবায়ন শুরু করতে পারবে? বিষয়টি অনেকটাই জটিল, কারণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে কংগ্রেস থাকলেও, রিপাবলিকানদের দখলে প্রেসিডেন্ট পদটি।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
রিপাবলিকানরা এত বাজেভাবে হারার পাঁচটি কারণ
রিপাবলিকানরা এত বাজেভাবে হারার পাঁচটি কারণ

যদিও মধ্যবর্তী এই নির্বাচনগুলোয় বরাবরই ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের দলের খারাপ সময় যায়, তবে এবার রিপাবলিকানদের বড় পরাজয়কে হোয়াইট হাউজে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই বছরের শাসনের একটি জোরালো প্রত্যাখ্যান হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
ইরানসহ বিশ্বের জন্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের দলের পরাজয়ের মানে কী?
ইরানসহ বিশ্বের জন্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের দলের পরাজয়ের মানে কী?

মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক বড় পরিবর্তন এনেছে। বিবিসি সাংবাদিকরা ব্যাখ্যা করছেন, ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত থেকে শুরু করে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক পর্যন্ত - এই ফলাফল বাকি বিশ্বের জন্য কী অর্থ বহন করে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
বেরোবি কর্মকর্তাকে মারধর, তদন্ত কমিটি গঠন
বেরোবি কর্মকর্তাকে মারধর, তদন্ত কমিটি গঠন

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্যের কার্যালয়ে এক কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগের ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
‘পু’ চরিত্রে কারিনাকে নিয়ে কেন আপত্তি ছিল শাহরুখের?
‘পু’ চরিত্রে কারিনাকে নিয়ে কেন আপত্তি ছিল শাহরুখের?

বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় চরিত্র ‘পু’। ২০০১ সালে মুক্তি পাওয়া করণ জোহরের ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ সিনেমায় কারিনা কাপুরের অভিনীত এই চরিত্র আজও দর্শকের মনে জায়গা করে আছে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
আগামীতে এক কেজি কাঁচামরিচও আমদানি করতে হবে না: কৃষিমন্ত্রী
আগামীতে এক কেজি কাঁচামরিচও আমদানি করতে হবে না: কৃষিমন্ত্রী

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ বলেছেন, “দেশে এখনো মৌসুমের বাইরে কাঁচামরিচ আমদানি করতে হয়। তবে আমদানি কমেছে। আশা করছি, আগামী মৌসুমে এক কেজি কাঁচামরিচও আমদানি করতে হবে না।”

নভেম্বর ৫, ২০২৬
দুর্বল হচ্ছে নেতানিয়াহুর অবস্থান
দুর্বল হচ্ছে নেতানিয়াহুর অবস্থান

নির্বাচন পরবর্তী লড়াইয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে টিকে থাকার ক্ষেত্রে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়েছে। এর কারণ হলো, একটি অতি-রক্ষণশীল ইহুদি দল কোনো প্রার্থীর প্রতিই সমর্থন জানায়নি এবং আরব-নেতৃত্বাধীন একটি দল নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীকে সমর্থন দিয়েছে। বৃহস্পতিবার রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
জবি প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী পদ থেকে বহিষ্কার রাকিব, নতুন দায়িত্বে আকাশ
জবি প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী পদ থেকে বহিষ্কার রাকিব, নতুন দায়িত্বে আকাশ

জবি) প্রেসক্লাবের ২০২৬-২৭ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য-২ রাকিব মাজহারকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং উক্ত পদ শূন্য হওয়ায় আকাশ আহমেদ রুপনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন
এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির নেত্রী সামান্তা শারমিন।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
নাটোরে সার বিতরণের লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ
নাটোরে সার বিতরণের লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ

নাটোরের নলডাঙ্গায় সার সংগ্রহের জন্য লাইনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে কৃষকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
১১ নভেম্বর থেকে ঢাবির ভর্তি আবেদন শুরু
১১ নভেম্বর থেকে ঢাবির ভর্তি আবেদন শুরু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হচ্ছে আগামী ১১ নভেম্বর দুপুর ১২টায়।

নভেম্বর ৫, ২০২৬