তাসকিন-হাসানের আঘাতে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে উ.ইন্ডিজ

মিরপুরের ব্যর্থতা ভুলে সিলেটে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে বাংলাদেশের বোলাররা। দ্বিতীয় টেস্টের শুরুতেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং লাইনআপে আঘাত হেনেছেন তাসকিন আহমেদ ও হাসান মাহমুদ।

ঢাকার বাতাস আজ কতটা দূষিত?

বায়ুদূষণের শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর।

ঢাকার বাতাস আজ কতটা দূষিত?
‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের’ দ্বিতীয় আসরের পর্দা উঠবে আজ

‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের’ দ্বিতীয় আসরে অংশ নিচ্ছে ১৬ লাখ ২৩ হাজার শিশু-বিশোর।

‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের’ দ্বিতীয় আসরের পর্দা উঠবে আজ
মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

বাগেরহাটের মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
ফারহানের জার্সি আমার, হামজারটার জন্য বাকিরা মারামারি করুক: শ্রীলঙ্কা কোচ

সব রসিকতার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত মন্তব্যটি ছিল, ফারহানের জার্সি তার দলের অন্য কোন খেলোয়াড় নেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করবেন তিনি।

ফারহানের জার্সি আমার, হামজারটার জন্য বাকিরা মারামারি করুক: শ্রীলঙ্কা কোচ
আমি আদালতে যাব, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রসঙ্গে পরীমণি

ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের দায়েরকৃত মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমণির জামিন আবেদন বাতিল ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

আমি আদালতে যাব, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রসঙ্গে পরীমণি
গাজীপুরে ঝুটের গুদামে আগুন, ৪৫ মিনিটে নিয়ন্ত্রণে

গাজীপুরের কাশিমপুরের সারাবো এলাকায় একটি ঝুটের গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

গাজীপুরে ঝুটের গুদামে আগুন, ৪৫ মিনিটে নিয়ন্ত্রণে

সারা দেশ

View more
দড়ি টেনে চলে প্রতিবন্ধী জনির ৬ সদস্যের সংসার
দড়ি টেনে চলে প্রতিবন্ধী জনির ৬ সদস্যের সংসার

সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।

Video news

Rss feed news

মাহাতোদের গ্রামে প্রথম বিসিএস ক্যাডার অলোক
যাত্রীর অপেক্ষায় ছিলেন দুই অটোরিকশাচালক, ট্রাকচাপায় দুজনই নিহত
যাত্রীর অপেক্ষায় ছিলেন দুই অটোরিকশাচালক, ট্রাকচাপায় দুজনই নিহত

গতকাল বুধবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে এই ঘটনা ঘটে। আজ বৃহস্পতিবার এসব তথ্য প্রথম আলোকে জানান কদমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জামাল হোসেন।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
মার্কিন নির্বাচনে ট্রাম্পের দলের হার, তেহরানে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ছবি পুড়িয়ে উদ্‌যাপন
মার্কিন নির্বাচনে ট্রাম্পের দলের হার, তেহরানে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ছবি পুড়িয়ে উদ্‌যাপন

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/markin-nirwacne-tramper-dler-har-tehrane-tramp-netaniyahur-chbi-puriye-udzapn</figure>

নভেম্বর ৫, ২০২৬
মার্কিন নির্বাচনে ট্রাম্পের দলের হার, তেহরানে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ছবি পুড়িয়ে উদ্‌যাপন
মার্কিন নির্বাচনে ট্রাম্পের দলের হার, তেহরানে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ছবি পুড়িয়ে উদ্‌যাপন

<p>যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বড় পরাজয়ের পর ইরানের রাজধানী তেহরানে ট্রাম্প–নেতানিয়াহুর বিশার ব্যানার পুড়িয়ে উদ্‌যাপন করেছেন ইরানিরা। দেখুন ভিডিওতে...</p><figure></figure>

নভেম্বর ৫, ২০২৬
চন্দ্রদ্বীপ থেকে বরিশাল—কীভাবে নামটি এল
চন্দ্রদ্বীপ থেকে বরিশাল—কীভাবে নামটি এল

এই ভূখণ্ডের চালিকা শক্তি এর নদীমাতৃক বাস্তুতন্ত্র। কীর্তনখোলা, বলেশ্বর, ধানসিঁড়ি, মেঘনা কিংবা হরিণপাশার মতো জলধারা এই অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি ও অর্থনীতিকে রূপ দিয়েছে। এর উর্বর পলিমাটি ও শস্যের বিপুল প্রবৃদ্ধি দেখেই জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বরিশালকে শস্যভান্ডার বলেছেন।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
ব্রাজিলে ফুটবল ম্যাচে মারামারির চূড়ান্ত, ৫৩ লাল কার্ডের বিশ্ব রেকর্ড
ব্রাজিলে ফুটবল ম্যাচে মারামারির চূড়ান্ত, ৫৩ লাল কার্ডের বিশ্ব রেকর্ড

ব্রাজিলের ঘরোয়া ফুটবলে এক ম্যাচে মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন দুই দলের খেলোয়াড়রা। কোচিং স্টাফ ও ক্লাবের সদস্যরাও হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
রাশিয়াসহ ১২ দেশে কর্মী পাঠাতে মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া ছাড়পত্র নয়
রাশিয়াসহ ১২ দেশে কর্মী পাঠাতে মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া ছাড়পত্র নয়

সার্বিয়া, মলদোভা, বেলারুশ, কঙ্গো, রাশিয়া, জাপান, ইরাক, লাওস, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, ইউক্রেন ও লিবিয়াগামী কর্মীদের মন্ত্রণালয়ের নিয়োগানুমতি ছাড়া ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স দেওয়া যাবে না।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
ইতিহাসের ট্রাম্প-অধ্যায় শেষ হতে চলেছে, ইরান যুদ্ধের কী হবে
ইতিহাসের ট্রাম্প-অধ্যায় শেষ হতে চলেছে, ইরান যুদ্ধের কী হবে

<p>যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব ইতিহাসে বহুবার অন্য দেশের নির্বাচন প্রকাশ্য বা গোপনে প্রভাবিত করেছে। এবার তাদের নির্বাচন প্রভাবিত হলো ইরানের সামরিক কৌশল দ্বারা। ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর আগ্রাসনে কোণঠাসা ইরান যখন হরমুজ প্রণালি খামচে ধরল, তখনই যুদ্ধের আসল ধাক্কা খেল বিশ্ব অর্থনীতি এবং সেই সুনামি যুক্তরাষ্ট্রের বাজারেও আঘাত করল; যার পরিণতি আজকের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল।</p><p>গত ২০ বছরে এ রকম হয়েছে কম, যখন প্রেসিডেন্ট একজন রিপাবলিকান হওয়ার পরও সিনেট ও হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভে ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। আবার মধ্যবর্তী নির্বাচনে সচরাচর এত বেশি ভোট পড়ে না—এবার আগাম ভোটে যা ঘটছিল। নজির হিসেবে এটাও বেশ বিরল। এর কারণ বিপুল ক্রোধ।</p><p>অনেকে বলছেন, সদ্য সমাপ্ত মধ্যবর্তী নির্বাচনে আমেরিকার ভোটাররা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যে রায় দিলেন, সেটা যতটা নীতিগত, তার চেয়েও বেশি অর্থনৈতিক। কর্মসংস্থানের খারাপ অবস্থা এবং জিনিসপত্রের দাম বাড়া নিয়ে মানুষ হতাশ ও অসুখী ছিল। বলা বাহুল্য, গত কয়েক মাসের জরিপগুলোও এটাই জানাচ্ছিল।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/cdfj6skx9g">নির্বাচন নয়, যেন ধর্মযুদ্ধে নেমেছেন রিপাবলিকানরা </a></aside><p>এটা অতীতেরও অভিজ্ঞতা, আমেরিকার সাধারণ সমাজের গণতান্ত্রিক বুঝ এবং নির্বাচনী সংস্কৃতি সচরাচর যতটা অর্থনীতি ও সমাজের জীবনযুদ্ধকে গুরুত্ব দেয়—ততটা দেয় না জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নীতিগত বিষয়কে। যদি প্রকৃতিই তাদের সংবিধানে লেখা গণতন্ত্রের মহান নীতিমালাকে ভোট দেওয়ার সময় তারা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিত, তাহলে ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে জিততেন না এবং এবারও রিপাবলিকানদের পরাজয় হতো আরও ব্যাপক। </p><p>২০১৬ সাল থেকে গত এক দশকে ট্রাম্প শাস্তিযোগ্য অনেক নীতিগত অপকর্ম করেছেন। এই নির্বাচনে তথাকথিত ‘ট্রাম্প-দশকের’ কফিনে পেরেক বসছে বটে, কিন্তু সেই শাস্তি ইরান বা গাজার ক্ষতিগ্রস্তদের প্রত্যাশার সামান্যই মেটাতে পারবে। এমনকি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে অপহরণের মতো অপরাধের বিরুদ্ধেও রায় নয় এটা।</p><p>মূলত ইরানের যুদ্ধকৌশলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক জীবনে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তারই ফল ভোটের হেরফের। ভোটাররা মনে করেছেন, ট্রাম্পের সিদ্ধান্তগুলো তাঁদের অর্থনৈতিক জীবনকে বিবেচনায় নিয়ে নেওয়া হয়নি। শ্বেতাঙ্গ নিচুতলায় তাঁর প্রতি এভাবেই গত এক দশকের মোহ কেটে গেছে। অভ্যন্তরীণ অনেক সামাজিক খাত থেকে বরাদ্দ সরিয়ে তিনি যুদ্ধ খাতে নিয়েছিলেন। সাধারণ মানুষ তাতে অবহেলিত বোধ করেছে। এসবেরই প্রতিদান মধ্যবর্তী নির্বাচনের রায়।</p><blockquote>বিশ্বসমাজের জন্য এখন বিশেষভাবে দেখার পালা এই নির্বাচন ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যে কী প্রভাব ফেলে। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন: ‘সচেতনভাবে হোক বা জীবনযাত্রার ব্যয়ের কারণে হোক, যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ আসলে যুদ্ধের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে।</blockquote><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/ewhxktq6/midtermelection.jpg"><figcaption>মিশিগানে মুসলিম-আমেরিকান সিনেটর হিসেবে আবদুল আল-সাইদের বিজয় ডেমোক্র্যাট দলের ভেতর ক্ষমতা-ভরকেন্দ্রে বড় ধরনের অদলবদলের ইঙ্গিত দিচ্ছে। </figcaption></figure><p>তবে এই রায়, ভোটারদের দিক থেকে নীতিগত বা কৌশলগত যা–ই হোক না কেন, ট্রাম্পের জন্য এই ফলাফল হয়েছে বিধ্বংসী। সিনেট ও হাউস দুই জায়গাতে তিনি ও তাঁর সহযোগীদের সিদ্ধান্ত প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জে পড়বে। ভোটাররা এটাই চেয়েছেন। নিজেদের প্রেসিডেন্টের হাতে-পায়ে শিকল পরাতে চেয়েছেন তাঁরা এবং সেটা ভালোভাবেই হবে। সিনেটে ডেমোক্র্যাটরা শক্তিশালী হওয়ায় ট্রাম্পের ক্ষমতাচর্চার লাগাম টেনে ধরতে পারবে। তাঁর মন্ত্রীদের কাজের তদন্ত করতে পারবে। </p><p>রিপাবলিকান অনেক নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলা ও আটকানো যাবে। বিশেষ করে বিচারক নিয়োগগুলো পাল্টানো জরুরি। ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী নানান পদক্ষেপের সহযোগী রক্ষণশীল বিচারকেরা। ডেমোক্রেটিক পার্টির অনেক সমর্থকের প্রত্যাশা, ডেমোক্র্যাটরা এ রকম বিচারক নিয়োগে বাধা হয়ে দাঁড়াবেন। এ ছাড়া সিনেটের অনেক কমিটি আছে, যারা অস্ত্র বেচাকেনায় সিদ্ধান্ত দেয়, রাষ্ট্রদূত নিয়োগে নজর রাখে। এসব বিষয়ে এখন ডেমোক্র্যাটদের প্রভাব বাড়বে।</p><p>ইতিমধ্যে এ–ও স্পষ্ট, নির্বাচনে সামরিক লবির বিরুদ্ধে সোচ্চার এবং ফিলিস্তিনিদের পক্ষে লড়া রাজনীতিবিদদের বড় অংশই জিতেছে। সামাজিক সুরক্ষার জন্য সংগ্রামরত অনেক ডেমোক্র্যাট জিতেছেন। যাঁরা ডেমোক্র্যাট দলে প্রগতিশীল উপদল হিসেবে খ্যাত। এদের উত্থান ডেমোক্র্যাট দলে একটা মেরুকরণ ঘটাবে সামনের দিনগুলোতে, যা আবার বিশ্বরাজনীতিকে প্রভাবিত করবে। </p><p>যেমন মিশিগানে মুসলিম-আমেরিকান সিনেটর হিসেবে আবদুল আল-সাইদের বিজয় ডেমোক্র্যাট দলের ভেতর ক্ষমতা-ভরকেন্দ্রে বড় ধরনের অদলবদলের ইঙ্গিত দিচ্ছে। কারণ, আবদুল সাইদের বিজয় ধর্ম বা বর্ণের জায়গার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল তাঁর স্বাস্থ্যনীতিগত অবস্থানের কারণে। তিনি আমেরিকার ইসরায়েল নীতিরও বিরুদ্ধে ছিলেন। শেষোক্ত কারণে এবারের নির্বাচনের অন্যতম আলোচিত যুদ্ধক্ষেত্র ছিল মিশিগান।</p><p>তাঁর বিজয় ডেমোক্র্যাট শিবিরের ইসরায়েলপন্থী অংশকে বেশ কোণঠাসা করল। নির্বাচনের আগে আগে এ রকম একদল আবদুল সাইদের বিপরীতে রিপাবলিকান প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছিল। কিন্তু তারপরও এটা ডেমোক্র্যাটরা পেল। ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে এই নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীর পক্ষে জোরালো প্রচার চালান এবং আবদুল সাইদের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক পরিচয়কে লক্ষ্য করে আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেন।</p><p>মিশিগান এমন একটা রাজ্য, যেখানে একজন প্রগতিমুখী ডেমোক্র্যাট সিনেটর হওয়া মানে পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনে এই দলটিতে বার্নি স্যান্ডার্স, ওকাসিও কর্টেজের মতো ডানবিরোধীরা প্রাইমারিতে এগিয়ে থাকবেন। </p><p>সামগ্রিকভাবে এবারের নির্বাচনের ফল দুই বছর পর অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে একধরনের বাড়তি আশাবাদ তৈরি করবে বৈকি। এবারের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের মোকাবিলা করতে গিয়ে ডেমোক্র্যাটরা তহবিল সংগ্রহেও বেশ সফলতা দেখিয়েছে, যেখানে সচরাচর তারা পিছিয়ে থাকে। আবার যেসব রাজ্যকে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী সংস্কৃতিতে দোদুল্যমান বা সুইং স্টেট বলা হয়, সেগুলোতে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের ভালো করতে দেখা যাচ্ছে। </p><p>অথচ দুই বছর আগে এসব রাজ্যে ট্রাম্প জিতেছিলেন। এ রকম এক রাজ্য জর্জিয়ায় গভর্নর হিসেবে জিতেছেন আফ্রিকান-আমেরিকান ডেমোক্র্যাট কেইশা ল্যান্স বটমস। যাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী ছিলেন একজন অতি ধনী প্রার্থী। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে অর্থের বিশেষ প্রভাব থাকে। সে রকম প্রভাব অতিক্রম করে একজন আফ্রিকান-আমেরিকান নারীর গভর্নর হওয়া আমেরিকার নির্বাচনী ইতিহাসেই বড় এক ঘটনা। </p><p>কেইশা বিগত সময়ে আটলান্টার মেয়র হিসেবে ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট বাইডেন শিবিরের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। এতে এমনও ইঙ্গিত মিলছে ডেমোক্র্যাট দলে সব উপদলের প্রার্থীরাই কমবেশি জিতেছে। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/rrrkryvt/trumpkk.jpg"><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><p>সিনেট ও হাউসে এ রকম ডেমোক্র্যাটদের বাড়তি উপস্থিতিতে ট্রাম্প প্রশাসনিক নানান বিষয়ে মুশকিলে পড়বেন। আবার তাঁর জন্য এখন বিপদ আছে নিজ দলেও। রিপাবলিকান শিবিরে যাঁরা তাঁর বিরোধী হয়েও এত দিন মুখ বুজে ছিলেন, তাঁরা এখন ট্রাম্পকে চ্যালেঞ্জ করতে সাহসী হয়ে উঠবেন। </p><p>যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের এই ফলাফল ইউরোপে ট্রাম্পের ডানপন্থী মিত্রদের বিরুদ্ধে সংগ্রামরত ছাত্র-শিক্ষক-শ্রমিকদের আন্দোলনও কিছু অক্সিজেন জোগাবে। বিশেষ করে ব্রাজিলে বলসোনারোর পরাজয় এবং আমেরিকার নির্বাচনে প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাট নেতাদের বিজয় ইউরোপের চলমান ডান-বাম মেরুকরণকে প্রভাবিত করবে। </p><p>তবে এমন ভাবা বেশ উচ্চাভিলাষী হবে, দলের নির্বাচনী বিপর্যয় থেকে শিক্ষা নিয়ে ট্রাম্প তাঁর নীতিকৌশল থেকে সরবেন। রিপাবলিকানদের সে রকম ঐতিহ্য কম। আর স্বৈরশাসকেরা সাধারণত সংশোধন-অযোগ্য অবস্থাতেই বিদায় নেন। ফলে তাঁর শাসনামলের আগামী দুই বছরও তিনি বিশ্বের কোথাও না কোথাও বিপর্যয় ঘটিয়ে যাবেন—কিন্তু ইরান স্পষ্টত দেখাল যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক নীতি মোকাবিলাযোগ্য।</p><p>বিশ্বসমাজের জন্য এখন বিশেষভাবে দেখার পালা এই নির্বাচন ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যে কী প্রভাব ফেলে। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন: ‘সচেতনভাবে হোক বা জীবনযাত্রার ব্যয়ের কারণে হোক, যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ আসলে যুদ্ধের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে। </p><p>এই রায়ের পরও যদি ট্রাম্প যুদ্ধ অব্যাহত রাখেন, সেটা হবে তাঁর জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।’ ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সিতে আজ সংবাদ শিরোনাম ছিল: ‘মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ে প্রধান কারণ ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ।’ </p><p>কথাটা মিথ্যা নয়। জনজীবনে যুদ্ধ কতটা ক্ষতিকর হতে পারে, তার বড় প্রমাণ কানসাসে ১৯৩২–এর পর এই প্রথম একজন ডেমোক্র্যাট সিনেটর নির্বাচিত হলেন। নিঃসন্দেহে ট্রাম্পের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য এটা সিদ্ধান্তসূচক এক বার্তা।</p><p>●<strong> আলতাফ পারভেজ</strong> লেখক ও গবেষক</p><p><em>* মতামত লেখকের নিজস্ব</em></p>

নভেম্বর ৫, ২০২৬
বিশ্ববাজারে আরো কমলো জ্বালানি তেলের দাম
বিশ্ববাজারে আরো কমলো জ্বালানি তেলের দাম

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে পরাজয়ের কারণ হিসেবে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রসঙ্গ আবার সামনে আনলেন ট্রাম্প। এদিকে সেনেটের দুটি আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের কারণে ফল আসতে দেরি হতে পারে। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...

নভেম্বর ৫, ২০২৬
‘আমাদের পরাজয়ের কারণ হলো যুদ্ধ,’ মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় হারের পর বললেন জেডি ভ্যান্স
‘আমাদের পরাজয়ের কারণ হলো যুদ্ধ,’ মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় হারের পর বললেন জেডি ভ্যান্স

সেনেট ও হাউস দু্ই জায়গাতেই ডেমোক্র্যাট দল বিজয়ী হয়েছে, তাই ট্রাম্পের বাকি মেয়াদের জন্য কংগ্রেসের উচ্চ ও নিম্নকক্ষের নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধই ছিল তাদের দলের পরাজয়ের প্রধান কারণ, রিপাবলিকানদের মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারের পর দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এ কথা লিখেছেন।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
তৈরি পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি ডিসেম্বর থেকে কার্যকরের ঘোষণা বোর্ডের
তৈরি পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি ডিসেম্বর থেকে কার্যকরের ঘোষণা বোর্ডের

পহেলা ডিসেম্বর থেকে শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি কাঠামো কার্যকর হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মজুরি বোর্ডের সদস্যরা, যদিও মজুরি কাঠামো এখনো নির্ধারিত হয়নি। অন্যদিকে আগামী পহেলা ডিসেম্বর থেকে এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থীদের আবার ওই দুই বিষয়ের ওপর পরীক্ষা হবে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
ইরান, রাশিয়াসহ বিশ্বের ওপর মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলের কী প্রভাব পড়বে?
ইরান, রাশিয়াসহ বিশ্বের ওপর মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলের কী প্রভাব পড়বে?

মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক বড় পরিবর্তন এনেছে। বিবিসি সাংবাদিকরা ব্যাখ্যা করছেন, ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত থেকে শুরু করে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক পর্যন্ত - এই ফলাফল বাকি বিশ্বের জন্য কী অর্থ বহন করে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে আগ্রহ-সন্দেহ-অবিশ্বাস
ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে আগ্রহ-সন্দেহ-অবিশ্বাস

সন্দেহ, অবিশ্বাস এবং অনেক প্রশ্ন ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা নিয়ে। তিনি কীভাবে, কোন প্রক্রিয়ায় ফিরতে চান, বিষয়টিতে তার নিজের নিয়ন্ত্রণ কতটা থাকছে, এটি ভারতসহ ভূ-রাজনীতিরও কোনো বিষয় হচ্ছে কি না- এ ধরনের অনেক প্রশ্ন রয়েছে বাংলাদেশের রাজনীতিতে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
পত্রিকা: 'আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগ: সাবেক মন্ত্রী, এমপিসহ ২০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দ হচ্ছে'
পত্রিকা: 'আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগ: সাবেক মন্ত্রী, এমপিসহ ২০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দ হচ্ছে'

ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকার পাতাজুড়ে পোশাকখাতের শ্রমিকদের আন্দোলন, ডিসেম্বর থেকে তাদের নতুন মজুরি কার্যকরের প্রতিশ্রুতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দলের হোঁচট খাওয়ার খবর গুরুত্ব পেয়েছে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও সাংবাদিক রাজীব ডিবি হেফাজতে, 'অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি'র দাবি পুলিশের
ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও সাংবাদিক রাজীব ডিবি হেফাজতে, 'অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি'র দাবি পুলিশের

পুলিশ বলছে, 'অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি' এড়াতে তাদের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও রাজীব ঘোষকে গাড়ীতে ওঠানোর সময় উপস্থিত ছিলেন টেলিভিশন চ্যানেলটির এমন কয়েকজন সংবাদকর্মী বলেছেন, অফিসের ভেতরে কোনও ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তাদের চোখে পড়েনি।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
পঞ্চম দিনের মতো পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, নতুন মজুরি কার্যকরের আশ্বাস
পঞ্চম দিনের মতো পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, নতুন মজুরি কার্যকরের আশ্বাস

ন্যুনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে পঞ্চম দিনের মতো বিক্ষোভ করেছেন পোশাক শ্রমিকরা। অন্যদিকে চলমান শ্রমিক অসন্তোষের মাঝে নবগঠিত মজুরি বোর্ড বুধবার জানিয়েছে, পোশাক শ্রমিকদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো আগামী ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
ঢাকা ও আশপাশে ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
ঢাকা ও আশপাশে ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

পোশাক কারখানাসহ শিল্পাঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতে ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে ৩৩ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন রয়েছে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
টাঙ্গাইলে শিশু পুত্র হত্যার দায়ে সৎমায়ের যাবজ্জীবন
টাঙ্গাইলে শিশু পুত্র হত্যার দায়ে সৎমায়ের যাবজ্জীবন

পরবর্তী সময়ে ২০১৮ সালে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে সিনথীকে বিয়ে করেন ইমন। দ্বিতীয় স্ত্রী সিনথীকে নিয়ে তিনি টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকায় একটি ভাড়া ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। আর শিশু সাইফ (১০) থাকত তার দাদার কাছে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
শ্রেণি সংগ্রামের ধাক্কায় ভেঙে চুরমার ট্রাম্পের অতিধনী-শ্রমিক জোট
শ্রেণি সংগ্রামের ধাক্কায় ভেঙে চুরমার ট্রাম্পের অতিধনী-শ্রমিক জোট

মনোভাব পরিবর্তনের সেই ব্যাপারটি মনে আছে? ঠিক গত বছরই কলামনিস্ট থেকে শুরু করে কর্পোরেট কর্মকর্তারা পর্যন্ত  ঘোষণা দিয়েছিলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয়বার প্রত্যাবর্তনের মানে হলো রাজনীতি এমনকি দৈনন্দিন ভদ্রতার পুরোনো সব নিয়ম অর্থহীন হয়ে যাওয়া। 

নভেম্বর ৫, ২০২৬
চিত্তরঞ্জন দাস ইতিহাসের অবিনাশী নাম
চিত্তরঞ্জন দাস ইতিহাসের অবিনাশী নাম

বাংলার প্রকৃতি যখন শীতের আগমনী সুরে মুখর, এমনই এক সময়ে জন্ম নিয়েছিলেন উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা চিত্তরঞ্জন দাস। আজ ৫ নভেম্বর তার জন্মদিন। মানুষের ভালোবাসায় তিনি অমর হয়ে আছেন ‘দেশবন্ধু’ উপাধিতে। 

নভেম্বর ৫, ২০২৬
মোংলায় চীনা বিনিয়োগ বাড়াতে সমঝোতা স্মারক সই
মোংলায় চীনা বিনিয়োগ বাড়াতে সমঝোতা স্মারক সই

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে বাগেরহাটের মোংলায় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতাবিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
তিন উইকেট হারানোর পরও স্বস্তি নিয়ে লাঞ্চে উ.ইন্ডিজ
তিন উইকেট হারানোর পরও স্বস্তি নিয়ে লাঞ্চে উ.ইন্ডিজ

সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের সকালে পেসারদের জন্য ছিল সহায়তা। বলের বাউন্স ও মুভমেন্ট কাজে লাগিয়ে শুরুতেই তিনটি উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
টেন্ডার না পেয়ে যুবদল নেতার হুমকি, ভয়ে কর্মস্থলে যাচ্ছেন না স্বাস্থ্য কর্মকর্তা
টেন্ডার না পেয়ে যুবদল নেতার হুমকি, ভয়ে কর্মস্থলে যাচ্ছেন না স্বাস্থ্য কর্মকর্তা

টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও কঠিন শর্ত জুড়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলে পাবনার সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুপ্রভা রাণীকে হুমকি ও টেন্ডার বাতিলের জন্য চাপ সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
টানা দ্বিতীয় দিন বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
টানা দ্বিতীয় দিন বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি কত?

দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

নভেম্বর ৫, ২০২৬