ক্রিকেট

বাতের ব্যথায় ১০ মিটারও হাঁটতে পারতেন না, করেছেন ১৬ সেঞ্চুরি

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
বাতের ব্যথায় ১০ মিটারও হাঁটতে পারতেন না, করেছেন ১৬ সেঞ্চুরি
বাতের ব্যথায় ১০ মিটারও হাঁটতে পারতেন না, করেছেন ১৬ সেঞ্চুরি
উসমান খাজার পরিসংখ্যান ক্রিকেটপ্রেমীদের চেনা। অচেনা ছিল আড়ালে থাকা তাঁর এক গল্প। ১৭ বছর ধরে খাজার বুকে চেপে রাখা এক গোপন যন্ত্রণার গল্প।

Prothomalo

View more
ব্যালন ডি’অর জিতলেন হ্যারি কেইন
ব্যালন ডি’অর জিতলেন হ্যারি কেইন

ব্যালন ডি’অর জিতলেন হ্যারি কেইন

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
পুলিশপ্রধানের মুখে ক্রসফায়ারের কথা 
কেন ভীতিকর
পুলিশপ্রধানের মুখে ক্রসফায়ারের কথা কেন ভীতিকর

সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদে স্পষ্ট উল্লেখ আছে, ‘আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হইতে কোনো ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাইবে না।’

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
করিমগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে কিশোরগঞ্জ বন্ধুসভা
করিমগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে কিশোরগঞ্জ বন্ধুসভা

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক গোলাপ মিয়া, পুরোনো কাগজ বিক্রেতা নূরে আলম ও গাড়িচালক সাইফুল ইসলামের হাতে ৩০ হাজার টাকা তুলে দেওয়া হয়। পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন বন্ধুসভার উপদেষ্টা ও সমাজসেবক মো. জাকারিয়া।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের স্কুলে এক বছরে প্রায় ১২ হাজার বই নিষিদ্ধ
যুক্তরাষ্ট্রের স্কুলে এক বছরে প্রায় ১২ হাজার বই নিষিদ্ধ

<p>যুক্তরাষ্ট্রের স্কুলগুলোয় গত এক বছরে প্রায় ১২ হাজার বই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা সংগঠন পেন আমেরিকার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।</p><p> পাঁচ বছর আগে স্কুলে বই নিষিদ্ধের হিসাব রাখা শুরু করার পর এবারই সবচেয়ে বেশি নিষেধাজ্ঞার ঘটনা ঘটেছে। টানা দ্বিতীয় বছরের মতো সবচেয়ে বেশি নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছেন লেখক স্টিফেন কিং।</p><p> ফ্লোরিডা ও টেক্সাসে বই নিষিদ্ধের ঘটনা সবচেয়ে বেশি। রাজ্য দুটিতে বইয়ের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করে আইন করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজনীতিক ও রক্ষণশীল গোষ্ঠীগুলোও বিভিন্ন বই স্কুল থেকে সরিয়ে ফেলার দাবি জানিয়েছে। কোন বই সরানো হবে, তা বাছাই করতে স্কুল কর্তৃপক্ষের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ব্যবহারও বাড়ছে।</p><p> বই নিষিদ্ধ করার পেছনে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়গুলো উঠে এসেছে, সেগুলো হলো বর্ণ, বর্ণবাদ, যৌনতা ও লিঙ্গপরিচয়।</p><p>পেন আমেরিকার ‘ব্যানড ইন দ্য ইউএসএ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্কুলের গ্রন্থাগার শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জন এবং নানা মত ও চিন্তার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ করে দেয়। বই নিষিদ্ধ করা হলে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের লেখা, মতামত ও দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বঞ্চিত হয়। এতে তাদের বই পড়ার স্বাধীনতাও বাধাগ্রস্ত হয়।</p><blockquote>পেন আমেরিকার ‘ব্যানড ইন দ্য ইউএসএ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্কুলের গ্রন্থাগার শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জন এবং নানা মত ও চিন্তার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ করে দেয়। বই নিষিদ্ধ করা হলে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের লেখা, মতামত ও দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বঞ্চিত হয়। এতে তাদের বই পড়ার স্বাধীনতাও বাধাগ্রস্ত হয়।</blockquote><p>প্রতিবেদনে মোট ১১ হাজার ৯৮২টি বই নিষিদ্ধ হওয়ার ঘটনা পাওয়া গেছে। এতে ৭ হাজার ৩৭০টি আলাদা বইয়ের নাম আছে। এর মধ্যে ৪ হাজার ৫০০টির বেশি বই এবারই প্রথম নিষিদ্ধের তালিকায় এসেছে। এসব বইয়ের মধ্যে রয়েছে উনিশ শতকের উপন্যাস জেন আয়ার এবং সুই ইশিদার মাঙ্গা সিরিজ টোকিও গুল।</p><p>লেখক স্টিফেন কিংয়ের বই সরিয়ে ফেলা হয়েছে ৩১২ বার। এর মধ্যে রয়েছে দ্য শাইনিং ও দ্য গ্রিন মাইল। আর একক বই হিসেবে সবচেয়ে বেশি নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছে প্যাট্রিক ম্যাককরমিকের সোল্ড। ভারতে যৌন দাসত্বে বিক্রি হয়ে যাওয়া এক মেয়েকে নিয়ে লেখা উপন্যাসটি ২৫ বার সরিয়ে ফেলার তথ্য পেয়েছে পেন আমেরিকা।</p><p>নিষিদ্ধের তালিকায় আরও রয়েছে মার্গারেট অ্যাটউডের দ্য হ্যান্ডমেইডস টেল, লরি হ্যালস অ্যান্ডারসনের স্পিক এবং এলেন হপকিন্সের ক্র্যাঙ্ক। স্পিক উপন্যাসে ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর কথা বলা বন্ধ করে দেওয়া এক কিশোরীর গল্প বলা হয়েছে। ক্র্যাঙ্ক উপন্যাসের বিষয় মাদকাসক্তি।</p><blockquote>লেখক স্টিফেন কিংয়ের বই সরিয়ে ফেলা হয়েছে ৩১২ বার। এর মধ্যে রয়েছে দ্য শাইনিং ও দ্য গ্রিন মাইল। আর একক বই হিসেবে সবচেয়ে বেশি নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছে প্যাট্রিক ম্যাককরমিকের সোল্ড। ভারতে যৌন দাসত্বে বিক্রি হয়ে যাওয়া এক মেয়েকে নিয়ে লেখা উপন্যাসটি ২৫ বার সরিয়ে ফেলার তথ্য পেয়েছে পেন আমেরিকা।</blockquote><p>পেন আমেরিকা ও আমেরিকান লাইব্রেরি অ্যাসোসিয়েশন—দুটি সংগঠনই জানিয়েছে, ২০২০ দশকের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বই নিষিদ্ধের ঘটনা অনেক বেড়েছে। তবে বই নিষিদ্ধের হিসাব রাখার পদ্ধতি দুই সংগঠনের আলাদা। পেন আমেরিকা কোনো বই সাময়িকভাবে সরিয়ে ফেললেও সেটিকে নিষেধাজ্ঞা হিসেবে ধরে। অন্যদিকে আমেরিকান লাইব্রেরি অ্যাসোসিয়েশন শুধু স্থায়ীভাবে সরিয়ে ফেলা বইয়ের হিসাব রাখে। সংগঠনটির এপ্রিলে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগের এক বছরে বই নিষিদ্ধের ঘটনা ছিল প্রায় ৫ হাজার ৬০০।</p><p>সূত্র: এপি</p>

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
ট্রাম্পের সমর্থন ও যুদ্ধে নেতৃত্ব—এ দুইয়ে ভর করে টিকতে চাইছেন নেতানিয়াহু
ট্রাম্পের সমর্থন ও যুদ্ধে নেতৃত্ব—এ দুইয়ে ভর করে টিকতে চাইছেন নেতানিয়াহু

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটের এবারের নির্বাচনে ভোটার প্রায় ৭৩ লাখ। নেসেটের ১২০ আসনে ভোট হচ্ছে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য ৬১টি আসনে জয় পেতে হবে।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
ফিলিপাইনে জাদুঘরের ভেতরেই ১৭ শতকের বিশাল গ্যালিয়ন জাহাজ!
ফিলিপাইনে জাদুঘরের ভেতরেই ১৭ শতকের বিশাল গ্যালিয়ন জাহাজ!

ফিলিপাইনে জাদুঘরের ভেতরেই ১৭ শতকের বিশাল গ্যালিয়ন জাহাজ!

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
পাকিস্তানি ধারাবাহিকের আদর্শ স্বামী ‘আবু বকর’ বাস্তব জীবনে স্বামী হিসেবে কেমন
পাকিস্তানি ধারাবাহিকের আদর্শ স্বামী ‘আবু বকর’ বাস্তব জীবনে স্বামী হিসেবে কেমন

<p>পাকিস্তানের ধারাবাহিক নাটক ‘দার-এ-নিজাত’ নিয়ে আলোচনা চলছে বাংলাদেশেও। বিশেষ করে ধারাবাহিকের আবু বকর চরিত্রটি নারী দর্শকের মধ্যে তৈরি করেছে ব্যাপক কৌতূহল। কল্পনায় একজন স্বামীকে যেভাবে দেখতে চান, পর্দার আবু বকরকে অনেকের কাছে তেমন মনে হয়েছে। আবু বকর চরিত্রে অভিনয় করা এই নায়কের প্রকৃত নাম <strong>শেহেরিয়ার মুনাওয়ার সিদ্দিকী</strong>। ব্যক্তিগত জীবনে এক চিকিৎসকের সঙ্গে বাগ্‌দানের পর সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়। এরপর দুই বছর আগে বিয়ে করেন অভিনেত্রী মাহিন সিদ্দিকীকে। এখানে রইল শেহেরিয়ার মুনাওয়ার সিদ্দিকী সম্পর্কে কিছু তথ্য:</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/c33wdzht/661690950_18336496648174103_4040220533791870463_n.jpg"><figcaption>রোমান্টিক নায়ক হিসেবেই বেশি পরিচিত শেহেরিয়ার। ২০১২ সালে একটি নাটকে অভিনয়ের মধ্যে দিয়ে বিনোদনজগতে পা রাখেন। প্রথম নাটকেই আরুজ নামের এক বাক্ ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী তরুণের চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা পান। এ অভিনয় তাঁকে সে বছর বেস্ট টেলিভিশন সেনসেশন অ্যাওয়ার্ড এনে দেয়</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/8otrrfvm/810118656_18628735891029339_9033031692421167112_n.jpg"><figcaption>অভিনয়ে আসার আগে শেহেরিয়ার মডেলিং করেছেন। আইবিএ থেকে উচ্চশিক্ষা শেষে পাকিস্তানের একটি খাদ্যপণ্য প্রতিষ্ঠানে চাকরি নেন। সেই চাকরি ছেড়ে রকেট ইন্টারনেট নামের একটি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও যুক্ত হন। পাকিস্তানে অনলাইন ব্যবসার প্রসারে রকেট ইন্টারনেটের বিশেষ ভূমিকা আছে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/173mx67n/images.jpg"><figcaption>শেহেরিয়ারের বাবা পাকিস্তান বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা ছিলেন, মা গৃহিণী। বাবার দিক থেকে তাঁর বংশপরিচয় সিন্ধি এবং মায়ের দিক থেকে ব্রাহুই। শেহেরিয়ারের ফুপু সুলতানা সিদ্দিকী পাকিস্তানের টেলিভিশন জগতের অত্যন্ত পরিচিত মুখ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/dre27z04/768619559_18615704908029339_8737459711617354223_n.jpg"><figcaption>নাটকের পাশাপাশি বেশ কিছু সিনেমায়ও অভিনয় করেছেন শেহেরিয়ার। ‘হো মান জাহান’, ‘সাত দিন মহব্বত ইন’সহ বেশ কিছু সিনেমায় তাঁকে দেখা গেছে নায়কের ভূমিকায়</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/mgqiujf3/807684760_18630704194029339_9061969260784261229_n.jpg"><figcaption>২০১৯ সালের মার্চে শেহেরিয়ারের সঙ্গে বাগ্‌দান হয় চিকিৎসক হালা সুমরোর। তবে একই বছরের অক্টোবরে তাঁদের বাগ্‌দান ভেঙে গেছে বলে শোনা যায়। তবে বাগদান ভেঙে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে তাঁরা প্রকাশ্যে কিছু বলেননি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/nuairvxg/471809691_18478650139029339_4605724550044500574_n.jpg"><figcaption>এরপর অভিনেত্রী মাহিন সিদ্দিকীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০২৪ সালের ২৭ ডিসেম্বর করাচি শহরে ঐতিহ্যবাহী সিন্ধি রীতিতে তাঁদের বিয়ে হয়। এই দুই তারকার বিয়ের খবর পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে ছাপা হয়</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/ptozw4xs/741409323_18606214582029339_5462671695316224133_n.jpg"><figcaption>অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনা ও প্রযোজনায়ও নাম লিখিয়েছেন শেহেরিয়ার। ‘দার-এ-নিজাত’ ধারাবাহিকটি মূলত শেহেরিয়ারের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকেই তৈরি হয়েছে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/gv90u7qe/825323504_18632738929029339_6262911691192634496_n.jpg"><figcaption>ধারাবাহিকটিতে রাগের সময়েও শান্ত থাকা, ধর্মীয় মূল্যবোধ, ধৈর্য, মায়ের ইচ্ছাকে সম্মান করা এবং স্ত্রীর প্রতি যত্নশীল আচরণ—সব মিলিয়ে যেন আদর্শ স্বামীর প্রতিচ্ছবি পর্দার আবু বকর (শেহেরিয়ার)</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/03r4cfur/706035720_18592094659029339_4547912547170009922_n.jpg"><figcaption>‘দার–এ–নিজাত’ ধারাবাহিকের অরিজিনাল সাউন্ডট্র্যাকে কণ্ঠ দিয়েছেন শেহেরিয়ারের স্ত্রী অভিনেত্রী মাহিন সিদ্দিকী। প্রথমবার গান গাওয়া নিয়ে মাহিন সিদ্দিকী সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘তোমাকে (শেহেরিয়ার) বিশেষভাবে ধন্যবাদ। নিজেকে বিশ্বাস করতে না পারলেও তুমি আমার ওপর বিশ্বাস রেখেছ। তোমার এই বিশ্বাস আমাকে যতটা এগিয়ে দিয়েছে, তা হয়তো তুমি কখনোই পুরোপুরি বুঝতে পারবে না।’</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/2lrpfhqj/786801180186215437060293396050994203107564865n.jpg"><figcaption> ‘দার–এ–নিজাত’ ধারাবাহিকে স্বামীর অভিনয় দেখে একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্টে মাহিন লেখেন, ‘কাঁদতে কাঁদতে চোখের পানি শেষ। তোমাকে নিয়ে আমি ভীষণ গর্বিত।’ </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/wnt94dir/762812249_18614353762029339_8770791342839114139_n.jpg"><figcaption>স্ত্রীকে নিয়েও বিভিন্ন সময়ে প্রশংসা করতে দেখা যায় শেহেরিয়ারকে। সময়জ্ঞান ঠিক করতে নাকি বিশেষভাবে সাহায্য করেছেন তাঁর স্ত্রী</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/q96sslyk/471928648184786501600293392768227696059488975n.jpg"><figcaption>তবে এসব তথ্য থেকে শেহেরিয়ার বাস্তব জীবনে ঠিক কতটা আদর্শ স্বামী, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, স্ত্রীর প্রতি আস্থা রাখা, তাঁকে উৎসাহ দেওয়া এবং তাঁর অবদান স্বীকার করার মধ্য দিয়ে শেহেরিয়ারের দাম্পত্য জীবনের ইতিবাচক দিকগুলো ফুটে ওঠে</figcaption></figure><p><sup>সূত্র: ডন ও দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন</sup></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/relation/gcrk3jz9py">নতুন বিয়ের ছবি দিলেন শোয়েব মালিক, তৃতীয় বিয়ে নিয়েও চলছে জোর বিতর্ক </a></aside>

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
পেরুর মরুভূমিতে থাকা নাজকা লাইন কী, কারা এঁকেছিল
পেরুর মরুভূমিতে থাকা নাজকা লাইন কী, কারা এঁকেছিল

‘নাজকা লাইনস’ হলো পৃথিবীর সবচেয়ে পরিচিত ভূচিত্র বা জিওগ্লিফ। আজ থেকে প্রায় দুই হাজার বছর আগে পেরুর শুষ্ক পাহাড় ও উপত্যকায় এই বিশাল নকশাগুলো তৈরি করা হয়েছিল

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
হেমন্তের বিকেলে শাড়িতে মুগ্ধতা ছড়ালেন নাজিফা তুষি
হেমন্তের বিকেলে শাড়িতে মুগ্ধতা ছড়ালেন নাজিফা তুষি

সবুজের ছায়ায় শাড়িতে ধরা দিয়েছেন অভিনেত্রী নাজিফা তুষি। তুষির সৌন্দর্যে বরাবরই রয়েছে একধরনের রহস্যময় আকর্ষণ। এবার শাড়ির সাজে সেই মুগ্ধতাই ছড়ালেন তিনি । ছবিগুলো তুলেছেন পূর্ণ দাস।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”