বাগেরহাটে বিক্রয় প্রতিনিধিকে কুপিয়ে টাকা ছিনতাই
অবৈধ পথে বিদেশে যাওয়ার কারণে ব্যক্তি ও তার পরিবার আর্থিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তিও নষ্ট হয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। বিদেশে পাঠানোর নামে প্রতারণাকারীদের আইনের আওতায় আনার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছেলেদের ১১টি আবাসিক হলে একটি করে ডিপ ফ্রিজ দিয়েছে রাকসুতে বিজয়ী ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট।
বাগেরহাটের সদর উপজেলায় বাংলালিংক সিম কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি আল আমিন ইসলামকে (৩৫) কুপিয়ে নগদ টাকা ও সিমকার্ড ছিনতাই করা হয়েছে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেছেন, “সান্ধ্য আইন চালু নিয়ে যে প্রচারণা চলছে, তা প্রশাসন অনুমোদন করেনি।
রাজধানীর কাঁচপুরে মহাসড়ক পারাপারের জন্য পরিবার নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন শফিকুল ইসলাম (৩৫)। তার কোলে ছিল চার বছর বয়সী শিশুসন্তান বিপুল সরকার। এ সময় সিমেন্ট বোঝাই ট্রাকের সঙ্গে সোমা পরিবহন নামে একটি বাসের ম...
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা অর্থ আত্মসাতের মামলায় গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন পাবনার বিশেষ জজ আদালত।
বর্ষার অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে ব্যবহারের জন্য পদ্মা ও তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ভারত উজানে বাঁধ...
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন।
<p>ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় অর্থাৎ গতকাল মঙ্গলবার থেকে আজ বুধবার সকাল আটটা পর্যন্ত দেশে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৯৮২ জন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০৯। আর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে।</p><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৩০ হাজার ২১৯ জন। তাঁদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ লাখ ২৩ হাজার ৬০৫ জন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৬ হাজার ২০৫ জন।</p><p>গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এ সময়ে চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহী বিভাগে একজন করে মারা গেছেন। ময়মনসিংহ, রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।</p><p>বিভাগভিত্তিক হিসাবে, চলতি বছর ঢাকা বিভাগে (ঢাকা মহানগরসহ) ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ ১৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগে ৪০ জন, খুলনা বিভাগে ৭৭ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৮ জন, বরিশাল বিভাগে ২৯ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৩ জন, রংপুর বিভাগে ৭ জন এবং সিলেট বিভাগে ৩ জন মারা গেছেন।</p><p>হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যার দিক থেকেও ঢাকা বিভাগ শীর্ষে। এ বিভাগে চলতি বছর ৫২ হাজার ৯৪৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চট্টগ্রাম বিভাগে ভর্তি হয়েছেন ১৯ হাজার ৫৫ জন এবং খুলনা বিভাগে ১৯ হাজার ৮২১ জন। বরিশাল বিভাগে এ সংখ্যা ১৬ হাজার ২৪৬, রাজশাহী বিভাগে ৯ হাজার ৮৭৫, ময়মনসিংহ বিভাগে ৬ হাজার ৯৫৫, রংপুর বিভাগে ৪ হাজার ৫০৭ এবং সিলেট বিভাগে ৮১২ জন।</p><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা মহানগরের সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত হাসপাতালে ৩০৭ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে ৮৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। সব মিলিয়ে ঢাকা মহানগরে নতুন ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৩৯৫।</p>
<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/ug1q4q66/ABPARTY.jpg"><figcaption>মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দিচ্ছেন দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা। ২৮ অক্টোবর </figcaption></figure><p>জুলাই সনদের একটি অক্ষরও বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি বলেছেন, সনদের ৫ হাজার ৬৯০ শব্দের মধ্যে বর্তমান সরকার কয়টি অক্ষর বাস্তবায়ন করেছে, জনগণ তার হিসাব জানতে চায়। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে সরকারকে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার দায়ে একদিন রাজনৈতিক ও আইনগত বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।</p><p>রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আজ বুধবার ‘বছর পেরিয়ে জুলাই সনদ: প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবতা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে মঞ্জু এ কথা বলেন। এবি পার্টির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p><p>মঞ্জু বলেন, কোন ভাষায় সমালোচনা করলে কিংবা কী ধরনের কর্মসূচি দিলে সরকারি দলের নেতা-কর্মীরা ক্ষুব্ধ হবেন না, তা তাঁদের জানা নেই।</p><p>সভায় রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, সরকার উল্টো পথে হাঁটছে। বাক্স্বাধীনতা হরণের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করে সংবিধান সংশোধনী কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিরোধী দল কেবল পাঁচ বছর পর ক্ষমতায় আসার অপেক্ষায় থেকে ‘কুসুম-কুসুম বিরোধিতা’ করলে তা ভুল সিদ্ধান্ত হবে।</p><p>এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, জনগণ বিচার ও সংস্কার চায়। সরকার চাইলেও কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অনুমতি দিতে পারে না। এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকানো এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহি নিশ্চিত করতেই জুলাই সনদ প্রয়োজন।</p><p>ভয়েস অব রিফর্মের সংগঠক মাশরুর ফাহিম বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ও সাইবার সুরক্ষার মতো বিষয় নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি না করে বাস্তবায়নের দিকে এগোতে হবে।</p><p>এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্যের কারণে গ্রেপ্তারের মতো ঘটনা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে নতুন বিতর্ক অতীতের রাজনৈতিক সংকটের পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা তৈরি করছে।</p><p>সভায় আরও বক্তব্য দেন মানবাধিকারকর্মী ও কলামিস্ট আমাতুল্লাহ রুবী, এবি যুব পার্টির সদস্যসচিব হাদীউজ্জামান খোকন, ছাত্রপক্ষের সভাপতি মোহাম্মদ প্রিন্স, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এবি পার্টির আহ্বায়ক আবদুল হালিম খোকন প্রমুখ।</p>
<p>পাঁচ মাসের স্থবিরতা কাটিয়ে আবার বাড়ছে ভারতীয় হেলমেট আমদানি। গত পাঁচ মাসে যেখানে মাত্র ৮২ হাজার হেলমেট আমদানি হয়েছে, সেখানে গত সেপ্টেম্বর মাসেই এসেছে প্রায় ৯২ হাজার হেলমেট।</p><p>বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) মান যাচাইয়ের পদ্ধতি নিয়ে জটিলতায় গত এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে হেলমেট আমদানি নেমে এসেছিল তলানিতে। এতে আটকা পড়ে সাত আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২৫ হাজার হেলমেটের চালান। পরে ভারতীয় মানদণ্ডে পরীক্ষা শুরুর পর চালানগুলো খালাস হয়, ফিরতে শুরু করে আমদানির গতি।</p><p>বেনাপোল কাস্টমস হাউসের তথ্য বলছে, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত পাঁচ মাসে হেলমেট আমদানি হয়েছে মাত্র ৮২ হাজার। আগের বছরের একই সময়ে আমদানি হয়েছিল আড়াই লাখের বেশি। জটিলতা কাটিয়ে ওঠার পর গত সেপ্টেম্বরেই আমদানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯১ হাজার ৬৭৪টিতে। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে এই সংখ্যা ছিল ৭০ হাজার ১১৭।</p><p>আমদানিকারকদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, দেশে মোটরসাইকেলের হেলমেটের বার্ষিক বাজার প্রায় এক হাজার কোটি টাকার। এই বাজারের প্রায় ৮০ শতাংশ হেলমেট আসে ভারত থেকে, বাকি ২০ শতাংশ চীন থেকে। ফলে মান যাচাইয়ের জটিলতা কাটায় আমদানিকারকদের পাশাপাশি স্বস্তি ফিরেছে যশোর ও বেনাপোলের হেলমেট ব্যবসায়ও।</p><p><strong>কেন আমদানি কমেছিল</strong></p><p>বিএসটিআই হঠাৎ ইউরোপীয় মানদণ্ডে হেলমেট পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় গত এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত পাঁচ মাস ভারত ও চীন থেকে আমদানি মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়।</p><p>বিএসটিআই যশোরের সহকারী পরিচালক আবদুল মতিন প্রথম আলোকে বলেন, আমদানি করা হেলমেটের মান যাচাইয়ের বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করা হয়। আগে ভারতীয় মানদণ্ডের বৈশিস্ট্য অনুযায়ী মান যাচাই করা হতো। এরপর ঢাকা কার্যালয়ের থেকে ইউরোপীয় মানদণ্ডের বৈশিষ্ট্য অনুসরণ করে মান যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে ভারত থেকে আমদানি করা হেলমেট মান যাচাই পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হচ্ছিল।</p><p>বিএসটিআই মান যাচাইয়ের পদ্ধতি পরিবর্তন করায় জটিলতার সূত্রপাত ঘটে। এই জটিলতায় গত এপ্রিল থেকে আগস্টের মধ্যে বেনাপোল বন্দরের গুদামে সাতটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২৫ হাজার হেলমেট আটকে যায়। এরপর আমদানিকারকেরা হেলমেট আমদানি প্রায় বন্ধ করে দেন।</p><p>পরে আমদানিকারকদের দাবির মুখে বিএসটিআইয়ের বিশেষ আদেশে পুনরায় ভারতীয় মানদণ্ডে পরীক্ষা শুরু করলে আটকে থাকা চালান খালাস পায়। ফলে সেপ্টেম্বরে আমদানি স্বাভাবিক হতে শুরু করে।</p><p><strong>আমদানি কত বাড়ল</strong></p><p>বেনাপোল কাস্টমস হাউসের আমদানির তথ্যে দেখা যায়, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত পাঁচ মাসে বেনাপোল দিয়ে মাত্র ৮২ হাজার হেলমেট আমদানি হয়েছিল। অথচ আগের বছর এই একই সময়ে আমদানি হয়েছিল আড়াই লাখের বেশি।</p><p>বাংলাদেশ হেলমেট অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ ইম্পোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের হিসাব অনুযায়ী, দেশে প্রতিবছর ৫ থেকে ৬ লাখ মোটরসাইকেল বিক্রি হয়। ফলে বার্ষিক চাহিদা থাকে ৬ থেকে ৭ লাখ হেলমেটের। গত বছর ভারত ও চীন থেকে মোট ৭ লাখ হেলমেট (৫ লাখ ভারতীয় ও ২ লাখ চীনা) আমদানি করা হয়েছিল। গড় মূল্য ১ হাজার ২০০ টাকা হিসাবে যার বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে ৮০০ কোটি টাকা। বাকি বাজার হেলমেটের যন্ত্রাংশের।</p><p>সংগঠনটির আহ্বায়ক খন্দকার শামীম আহমেদ বলেন, বিএসটিআইয়ের জটিলতায় আমদানি থমকে গেলেও সেপ্টেম্বর থেকে তা আবার বাড়ছে। তবে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, দেশে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়া মানহীন অনেক হেলমেট তৈরি ও বিক্রি হচ্ছে, যা বাইকারদের মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। এসব অবৈধ উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ অবিলম্বে বন্ধ করা প্রয়োজন।</p><p><strong>যশোরে হেলমেটের পাইকারি বাজার</strong></p><p>ভারতীয় মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ ও হেলমেটের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার হিসেবে যশোর সারা দেশেই পরিচিত। বিশেষ করে যশোর শহরের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (আরএন) সড়ক মোটরসাইকেল যন্ত্রাংশের জন্য বিখ্যাত। এই সড়কে শুধু হেলমেটের ২০টির মতো বিশেষায়িত দোকান রয়েছে।</p><p>আমদানিকারক সমিতির যশোর প্রতিনিধি সুজন দত্ত লালটু জানান, দেশে মোট আমদানিকৃত ভারতীয় হেলমেটের প্রায় ৬০ শতাংশ যশোরের ব্যবসায়ীরা আমদানি করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ করেন।</p><p>আরএন সড়কের ‘কপোতাক্ষ অটো’র স্বত্বাধিকারী জহির হোসেন জানান, তাঁদের দোকানে বিক্রি হওয়া হেলমেটের ৭৫ শতাংশই ভারতীয় এবং ২৫ শতাংশ চীনা। ঝিনাইদহ, নড়াইল, মাগুরা, কুষ্টিয়া, খুলনা ও সাতক্ষীরাসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে বাইকাররা এখানে হেলমেট কিনতে আসেন। বাজারে ভারতীয় হেলমেট ১ হাজার ৪৫০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায় এবং চীনা হেলমেট ৮০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।</p>
বিশ্বজুড়ে খাদ্যপণ্যের দাম ও সরবরাহের অনিশ্চয়তার মধ্যে খাদ্যে স্বনির্ভরতার এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ গায়ানা। তেলসম্পদের আয় কৃষিতে কাজে লাগিয়ে দেশটি কমাতে চাইছে আমদানিনির্ভরতা।
<p>আমাদের বিশ্বমানের মেট্রোরেল আছে, আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে উঠছে, নগরজীবনে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন সুযোগ-সুবিধা। উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রা নিঃসন্দেহে আশাব্যঞ্জক। কিন্তু একটি প্রশ্ন বারবার মনে জাগে—আমরা কি সেই উন্নত ব্যবস্থার উপযুক্ত নাগরিক হয়ে উঠতে পেরেছি? মেট্রোরেলের মতো আধুনিক গণপরিবহন ব্যবহার করতে শিখেছি ঠিকই, কিন্তু এর সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করার মতো ন্যূনতম নাগরিক শিষ্টাচার কি আমরা অর্জন করতে পেরেছি?</p><p>খুব বেশি দেশ না হলেও বেশ কয়েকটি দেশ ভ্রমণের সুযোগ আমার হয়েছে। সেসব দেশের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, উন্নত দেশগুলোতে মেট্রোরেল কেবল এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়ার বাহন নয়; এটি মানুষের শৃঙ্খলা বোধ, দায়িত্বশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সামাজিক মূল্যবোধেরও একটি পরিচায়ক। সেখানে নিয়ম মেনে চলা, অন্যের সুবিধা-অসুবিধার প্রতি মনোযোগী হওয়া এবং গণপরিসরে নিজের আচরণ সম্পর্কে সচেতন থাকার বিষয়গুলো বিশেষভাবে লক্ষণীয়।</p><p>আমাদের দেশে মেট্রোরেল তুলনামূলক নতুন সংযোজন হলেও বিশ্বের অনেক দেশে বহু দশক আগেই এর ব্যবহার শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় সেসব দেশের মানুষ গণপরিবহন ব্যবহারের নিয়মকানুন ও শিষ্টাচারকে নিজেদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে নিয়েছেন। অবশ্য সব দেশের সব মানুষই যে নিয়ম মেনে চলেন, তা নয়। কিন্তু নিয়ম মানার সামাজিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাদের অনেকের কাছ থেকেই আমাদের শেখার আছে।</p><p>দুঃখজনক বিষয় হলো, আমরা আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণে এগিয়ে গেলেও আমাদের একাংশের মনমানসিকতা, আচরণ ও সামাজিক দায়িত্ব বোধে প্রত্যাশিত পরিবর্তন আনতে পারিনি।</p><p><strong>সংরক্ষিত আসন: অধিকার নয়, মানবিকতারও পরীক্ষা—</strong></p><p>মেট্রোরেলে বয়স্ক ব্যক্তি, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী এবং যাঁদের চলাচলে বিশেষ অসুবিধা হয়, তাঁদের জন্য অগ্রাধিকারমূলক বা সংরক্ষিত আসনের ব্যবস্থা রাখা হয়। এই ব্যবস্থার উদ্দেশ্য অত্যন্ত মানবিক—যাঁদের বসার প্রয়োজন বেশি, তাঁরা যেন প্রয়োজনীয় সুবিধাটুকু পান।</p><p>কিন্তু আমাদের মেট্রোরেলে প্রায়ই এমন দৃশ্য চোখে পড়ে, যা সত্যিই বিব্রতকর। যাঁদের জন্য আসন সংরক্ষিত, তাঁদের অনেক সময় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়; অথচ সেই আসনগুলোতে বসে থাকেন এমন কিছু সুস্থ-সবল যাত্রী, যাঁদের পক্ষে অনায়াসেই অন্য কোথাও দাঁড়িয়ে থাকা সম্ভব।</p><p>সবচেয়ে হতাশাজনক বিষয় হলো, কোনো বয়স্ক ব্যক্তি, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি কিংবা চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে, এমন কোনো নারী সামনে দাঁড়িয়ে থাকলেও কেউ কেউ নির্বিকার থাকেন। কেউ অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে নেন, কেউ মুঠোফোনে ব্যস্ত হয়ে পড়েন, আবার কেউ এমনভাবে বসে থাকেন যেন সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটির প্রতি তাঁর কোনো দায়বদ্ধতাই নেই।</p><p>প্রশ্ন হচ্ছে, একজন মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অসহায় বা শারীরিকভাবে অসুবিধাগ্রস্ত ব্যক্তিকে দেখেও কীভাবে তাঁর বিবেক নীরব থাকে? একটি আসন ছেড়ে দেওয়া হয়তো কয়েক সেকেন্ডের ব্যাপার, কিন্তু সেই ছোট্ট কাজটিই অন্য একজন মানুষের জন্য অনেক বড় স্বস্তির কারণ হতে পারে।</p><p>এখানে বিষয়টি শুধু নিয়ম মানার নয়; এটি মানবিকতা, সহমর্মিতা ও বিবেকেরও প্রশ্ন। সংরক্ষিত আসনে বসে থাকা ব্যক্তির যদি সত্যিই বিশেষ কোনো প্রয়োজন থাকে, সেটি ভিন্ন বিষয়। কিন্তু কোনো প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও অন্যের অধিকারের প্রতি উদাসীন থাকা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।</p><blockquote>অবকাঠামোগত উন্নয়ন হচ্ছে, বদলাচ্ছে না আমাদের মানসিকতা—শৃঙ্খলা বোধ ও নাগরিক দায়িত্ব বোধের এই ঘাটতি আর কত দিন?</blockquote><p><strong>গণপরিবহন কি শুধু নিজের সুবিধা আদায়ের জায়গা?</strong></p><p>মেট্রোরেলসহ যেকোনো গণপরিবহন একটি যৌথ পরিসর। এখানে প্রত্যেক যাত্রীর সমান মর্যাদা রয়েছে, কিন্তু সবার প্রয়োজন সমান নয়। কারও শারীরিক সীমাবদ্ধতা আছে, কারও বয়স বেশি, কেউ অসুস্থ, আবার কেউ সাময়িকভাবে দুর্বল বা ক্লান্ত। তাই গণপরিবহন ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিজের সুবিধার পাশাপাশি অন্যের প্রয়োজন বিবেচনা করাও জরুরি।</p><p>কিন্তু আমাদের মধ্যে এমন একটি প্রবণতা লক্ষ করা যায়, যেখানে নিজের সুবিধাটুকু নিশ্চিত করতে পারলেই যেন দায়িত্ব শেষ। অন্য কেউ কষ্ট পাচ্ছেন কি না, তাঁর অধিকার ক্ষুণ্ন হচ্ছে কি না, কিংবা তাঁর জন্য সামান্য কিছু করা সম্ভব কি না—এসব ভাবার অবকাশ অনেকেরই নেই।</p><p>মনে রাখতে হবে, সভ্যতার পরিচয় শুধু আমরা কত দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারি, তা দিয়ে নির্ধারিত হয় না; বরং যাত্রাপথে অন্য মানুষের প্রতি কতটা দায়িত্বশীল আচরণ করি, সেটিও সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি।</p><p>বিশৃঙ্খলাকে আমরা যেন অলংকার হিসেবে পরিধান করেছি!</p><p>এ তো গেল মেট্রোরেলের কথা। বাস্তবে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের আরও অনেক ক্ষেত্রেই একই ধরনের চিত্র দেখা যায়। সড়কে চলাচল, যানবাহনে ওঠানামা, ফুটপাত ব্যবহার, সারিতে দাঁড়ানো, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সেবা গ্রহণ কিংবা কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ—প্রায় সর্বত্রই শৃঙ্খলা বোধের ঘাটতি চোখে পড়ে।</p><p>সারিতে দাঁড়ানোর পরিবর্তে আগে যাওয়ার চেষ্টা, সামান্য সুবিধার জন্য অন্যকে ঠেলে সামনে এগিয়ে যাওয়া, যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলা, উচ্চ স্বরে কথা বলে অন্যের বিরক্তির কারণ হওয়া কিংবা নিয়ম ভঙ্গ করেও নিজের আচরণকে স্বাভাবিক বলে মনে করা—এসব প্রবণতা আমাদের সামাজিক জীবনে নতুন নয়।</p><p>সবাই এমন আচরণ করেন, বিষয়টি অবশ্যই তা নয়। আমাদের সমাজে দায়িত্বশীল, মানবিক ও সচেতন মানুষেরও অভাব নেই। কিন্তু নিয়ম ভাঙার প্রবণতা যখন বারবার চোখে পড়ে এবং অন্যায় আচরণের জন্য মানুষ যখন সামাজিকভাবে বিব্রত বোধ করেন না, তখন বুঝতে হবে সমস্যাটি কেবল ব্যক্তিবিশেষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এর সঙ্গে আমাদের সামাজিক মূল্যবোধ ও অভ্যাসেরও সম্পর্ক রয়েছে।</p><p>কথাটা কঠিন হলেও সত্য—কখনো কখনো মনে হয়, বিশৃঙ্খলাকে আমরা যেন অলংকার হিসেবে পরিধান করেছি। নিয়ম মানাকে দুর্বলতা আর নিয়ম ভেঙে নিজের সুবিধা আদায় করাকে বুদ্ধিমত্তা বলে ভাবতে শিখেছি। অথচ প্রকৃত বুদ্ধিমত্তা হলো এমনভাবে নিজের কাজ সম্পন্ন করা, যাতে অন্যের অধিকার ও সুবিধা ক্ষুণ্ন না হয়।</p><p><strong>উন্নয়ন শুধু অবকাঠামোয় নয়, মানুষের মননেও প্রয়োজন—</strong></p><p>একটি দেশের উন্নয়নকে শুধু সেতু, সড়ক, উড়ালসড়ক, মেট্রোরেল কিংবা সুউচ্চ ভবন দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। এসব অবকাঠামো উন্নয়নের দৃশ্যমান প্রতীক। কিন্তু একটি দেশের প্রকৃত অগ্রগতির সঙ্গে নাগরিকদের মূল্যবোধ, দায়িত্বশীলতা, সহনশীলতা, আইন মানার প্রবণতা এবং অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ গভীরভাবে সম্পর্কিত।</p><p>আমরা যদি আধুনিক পরিবহনব্যবস্থা নির্মাণ করি, অথচ সেখানে অন্যের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে না শিখি, তাহলে উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক অপূর্ণ থেকে যায়। প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে সহজ করতে পারে, কিন্তু প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন সচেতন ও দায়িত্বশীল মানুষ।</p><p>এ কারণে নাগরিক শিষ্টাচার শেখানোর কাজটি শুধু পরিবার কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর ছেড়ে দিলে চলবে না। পরিবারে শিশুদের ছোটবেলা থেকেই অন্যকে সম্মান করা, দুর্বল মানুষের পাশে দাঁড়ানো, নিয়ম মেনে চলা এবং নিজের অধিকার চর্চার পাশাপাশি অন্যের অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার শিক্ষা দিতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নাগরিক দায়িত্ব বোধকে গুরুত্ব দিতে হবে। গণপরিবহন কর্তৃপক্ষকেও নিয়মিত প্রচার, দৃশ্যমান নির্দেশনা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কার্যকর তদারকির ব্যবস্থা করতে হবে।</p><p>একই সঙ্গে আমাদের প্রত্যেকের নিজের আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তোলা প্রয়োজন। আমি কি নিয়ম মেনে চলছি? আমার আচরণে অন্য কেউ সমস্যায় পড়ছেন কি না? আমার সামান্য অসচেতনতা কি অন্য কারও কষ্টের কারণ হচ্ছে? এমন আত্মজিজ্ঞাসাই পরিবর্তনের প্রথম ধাপ হতে পারে।</p><p><strong>পরিবর্তন শুরু হোক নিজের কাছ থেকে—</strong></p><p>আমরা প্রায়ই দেশের সমস্যা নিয়ে কথা বলি, অন্যের ভুল তুলে ধরি এবং সমাজের পরিবর্তন প্রত্যাশা করি। কিন্তু পরিবর্তনের দায়িত্বটি নিজের ওপর নিতে কতটা প্রস্তুত? অন্যকে নিয়ম মানতে বলার আগে নিজে নিয়ম মানছি কি না, অন্যের কাছ থেকে মানবিক আচরণ প্রত্যাশা করার আগে নিজে সেই আচরণ করছি কি না—এসব প্রশ্নের উত্তরও আমাদের খুঁজতে হবে।</p><p>মেট্রোরেলে সংরক্ষিত আসনে বসার প্রয়োজন না থাকলে যাঁর প্রয়োজন বেশি, তাঁকে আসন ছেড়ে দেওয়া; সারিতে দাঁড়ানো; ওঠানামার সময় অন্যকে সুযোগ দেওয়া; ময়লা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা; অপ্রয়োজনে অন্যকে বিরক্ত না করা এবং গণপরিসরের নিয়ম মেনে চলা—এসব কোনো অসাধ্য কাজ নয়। প্রয়োজন শুধু সদিচ্ছা, সচেতনতা ও দায়িত্ববোধের।</p><p>আমাদের মনে রাখতে হবে, নাগরিক শিষ্টাচার কোনো বিলাসিতা নয়; এটি একটি সুস্থ ও সভ্য সমাজের মৌলিক উপাদান। নিয়ম মানতে পুলিশ বা কর্তৃপক্ষের উপস্থিতি সব সময় প্রয়োজন হবে কেন? মানুষের নিজের বিবেক, মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়িত্ববোধই তো তাঁকে সঠিক পথে পরিচালিত করার কথা।</p><p>পরিশেষে বলতে চাই, বিশ্বমানের মেট্রোরেল নির্মাণ আমাদের সক্ষমতার পরিচয়, কিন্তু সেই মেট্রোরেলে দায়িত্বশীল যাত্রী হয়ে ওঠা আমাদের মানসিকতা ও নাগরিক সংস্কৃতির পরিচয়। অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি যদি আমাদের চিন্তা, আচরণ ও মূল্যবোধের উন্নয়ন ঘটাতে না পারি, তাহলে উন্নয়নের পূর্ণ সুফল অর্জন করা সম্ভব হবে না।</p><p>আমরা শুধু উন্নত দেশের মতো অবকাঠামো চাই না; আমরা এমন নাগরিকও হতে চাই, যাঁরা নিয়ম মানবেন, অন্যের অধিকারকে সম্মান করবেন এবং মানবিক আচরণের মাধ্যমে নিজেদের দেশকে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করবেন।</p><p>পরিবর্তনটা শুরু হোক আজ থেকেই—অন্যের কাছ থেকে নয়, নিজের কাছ থেকে।</p><p>*লেখক: মো. কাওছার আলম চৌধুরী, কবি, লেখক</p>
<p>শিক্ষার্থীদের আধুনিক ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সাইবার নিরাপত্তা ও ওপেন সোর্স প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তোলার লক্ষ্যে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে দুই দিনব্যাপী ‘ওয়ার্ডপ্রেস ক্যাম্পাস কানেক্ট ২০২৬: ওয়ার্কশপ অ্যান্ড সিম্পোজিয়াম অন মডার্ন ওয়েব, এআই অ্যান্ড সাইবার সিকিউরিটি’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p><p>রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের তত্ত্বাবধানে পিইউ সাইবার সিকিউরিটি ক্লাব (পিইউসিএসসি) ও পিইউ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ক্লাবের (পিইউএআইসি) যৌথ উদ্যোগে এবং আন্তর্জাতিক ওয়ার্ডপ্রেস ক্যাম্পাস কানেক্টের কারিগরি সহযোগিতায় রোববার ও সোমবার (২৫ ও ২৬ অক্টোবর) এ আয়োজন সম্পন্ন হয়।</p><p>‘লার্ন, বিল্ড, গ্রো—ওপেন সোর্স, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, এআই, ক্যারিয়ার অ্যান্ড কমিউনিটি’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত কর্মসূচির উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক ওপেন সোর্স কমিউনিটি ও কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করা।</p><p>প্রথম দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই কম্পিউটার ল্যাবরেটরিতে অর্ধশতাধিক বাছাইকৃত শিক্ষার্থী ও স্বেচ্ছাসেবকের অংশগ্রহণে হাতে-কলমে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ওয়ার্ডপ্রেস এডুকেশন অ্যাডমিন ও মেন্টর মুহিবুল হক ওপেন সোর্স কন্ট্রিবিউশন, WPCredits এবং আন্তর্জাতিক কমিউনিটিতে যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া তুলে ধরেন। অপর সেশনে সিঙ্গাপুরভিত্তিক টেন-জিবির ওয়েব ডেভেলপার ও ওয়ার্ডপ্রেস অ্যাক্সেসিবিলিটি টিমের প্রতিনিধি নাসিম মিয়া ওয়েবসাইট তৈরি, ব্লক কাস্টমাইজেশন, ফুল সাইট এডিটিং এবং ল্যান্ডিং পেজ প্রকাশের কৌশল শেখান।</p><p>দ্বিতীয় দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত প্রযুক্তি সিম্পোজিয়ামে স্বাগত বক্তব্য দেন আয়োজনের প্রধান সমন্বয়ক, সিএসই বিভাগের প্রভাষক, সহকারী প্রক্টর ও পিইউ সাইবার সিকিউরিটি ক্লাবের মডারেটর মোস্তফা কামাল সাগর। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সিএসই বিভাগের প্রভাষক ও পিইউ এআই ক্লাবের মডারেটর মো. মিনহাজুল আলম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার। বক্তারা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও বাস্তবভিত্তিক শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন।</p><p>সিম্পোজিয়ামের পাঁচটি বিশেষ টেকনিক্যাল সেশনে মুহিবুল হক ওয়ার্ডপ্রেসে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সুযোগ, নাসিম মিয়া আধুনিক ওয়েব প্রযুক্তিতে ওয়ার্ডপ্রেসের ব্যবহার এবং ডব্লিউপিরিওর হেড অব মার্কেটিং ও ভিজিবলএসইও লিমিটেডের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল আসিফ এআই যুগে চাকরির জন্য দক্ষতা ও প্রজেক্ট পোর্টফোলিও তৈরির কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন।</p><p>এ ছাড়া সিএসই বিভাগের প্রভাষক প্রান্ত দেব ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (এনএলপি) ও ট্রান্সফরমার আর্কিটেকচার এবং মোস্তফা কামাল সাগর শিক্ষা, গবেষণা ও সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ব্যবহার নিয়ে সেশন পরিচালনা করেন।</p><p>অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মূল্যায়ন কুইজ অনুষ্ঠিত হয় এবং সেরা তিনজনকে পুরস্কার ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। অতিথি বক্তাদের সম্মাননা জানানোর পাশাপাশি আয়োজন সফল করতে অবদান রাখায় মোস্তফা কামাল সাগর, মো. মিনহাজুল আলম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস অব স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্সকে (ওএসএ) বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। অংশগ্রহণকারী ও স্বেচ্ছাসেবকদের সনদপত্র ও উপহারসামগ্রী বিতরণ করা হয়।</p><p>আয়োজনের একাডেমিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আজাদ এবং সার্বিক দিকনির্দেশনায় ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল অ্যাডভাইজর অধ্যাপক মো. আনোয়ারুল কবির। ওয়ার্ডপ্রেস কমিউনিটি কো-অর্গানাইজার হিসেবে সহযোগিতা করেন মুহিবুল হক, নাসিম মিয়া ও রাশেদ হোসেন। গ্লোবাল কমিউনিটি স্পন্সর হিসেবে যুক্ত ছিল WordPress.com, Woo, Automattic, Hostinger, Bluehost ও Jetpack।</p>
পাঁচটি সিনেমা বিশ্বজুড়ে আয় করেছে ১০০ কোটি ডলারের বেশি। তালিকার শীর্ষে রয়েছে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’।
<p>ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) বড় অঙ্কের শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছে ব্যাংকটির বর্তমান চেয়ারম্যান শরীফ জহিরের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। একক ব্যক্তি, পরিবার ও প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কেনার নির্ধারিত সীমার ক্ষেত্রে ইউসিবি ব্যাংক বিশেষ ছাড় পাওয়ার পর বড় অঙ্কের শেয়ার কেনার এই ঘোষণা দেয় চেয়ারম্যানের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। আজ বুধবার প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) মাধ্যমে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।</p><p>ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, শরীফ জহিরের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান অনন্ত ডেনিম টেকনোলজি ইউসিবি ব্যাংকের ৮ কোটি ২০ লাখ শেয়ার কিনবে। এ ছাড়া শরীফ জহিরের স্বার্থসংশ্লিষ্ট অপর প্রতিষ্ঠান জে অ্যান্ড জে ইন্টিমেইটস কিনবে ব্যাংকটির ৩ কোটি শেয়ার। এই দুই প্রতিষ্ঠান মিলে মোট ১১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার কিনবে। ডিএসই ও সিএসইর মাধ্যমে এসব শেয়ার কেনা হবে। এই ঘোষণায় গতকাল ঢাকার বাজারে ইউসিবি ব্যাংকের প্রতিটি শেয়ারের একদিনে সর্বোচ্চ মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। তাতে এদিন কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ১০ শতাংশ বা ৮০ পয়সা বেড়ে দাঁড়ায় ৯ টাকা ২০ পয়সায়। শরীফ জহিরের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ব্যাংকটির যে শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছে গতকালের বাজারমূল্যের ভিত্তিতে তার দাম দাঁড়ায় প্রায় ১০৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে শেয়ার ধারণের ক্ষেত্রে বিশেষ আইনি ছাড় পাওয়ার পরপরই ব্যাংকটির শত কোটি টাকার শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছে বর্তমান চেয়ারম্যানের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান।</p><p>বাংলাদেশ ব্যাংক গত সোমবার ইউসিবিকে বিশেষ আইনি ছাড় দেয়। এই ছাড়ের আওতায় ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১৪ক(১) ধারা ব্যাংকটির জন্য শিথিল করা হয়। ওই ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, কোম্পানি বা একই পরিবারের সদস্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, একক বা অন্যের সঙ্গে মিলে যৌথভাবে বা উভয়ভাবে, কোনো ব্যাংকের শতকরা ১০ (দশ) ভাগের বেশি শেয়ার কিনতে পারবে না। আইনি এই বিধিনিষেধ থেকে ইউসিবিকে ছাড় দেওয়া হয়। এই ছাড় পাওয়ার পর গতকাল ব্যাংকটির বড় অঙ্কের শেয়ার কেনার ঘোষণা দেয় শরীফ জহিরের পারিবারিক দুই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। অনন্ত ডেনিম টেকনোলজি ও জে অ্যান্ড জে ইন্টিমেইটস মিলে ইউসিবির যে শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছে গতকাল, তা ব্যাংকটির মোট শেয়ারের প্রায় ৪ দশমিক ৮২ শতাংশ।</p><p>প্রতিষ্ঠান দুটি জানিয়েছে, আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ঘোষণা অনুযায়ী এসব শেয়ার কেনা হবে। পাবলিক মার্কেটের পাশাপাশি ব্লক মার্কেটের মাধ্যমে এই শেয়ার কিনবে প্রতিষ্ঠান দুটি। ব্লক মার্কেটে সাধারণত বড় অঙ্কের শেয়ার লেনদেন হয়।</p><p>বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইউসিবি সূত্রে জানা যায়, ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদ, তাঁর ভাই, স্ত্রীসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের হাতে ব্যাংকটির উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শেয়ার ছিল। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ব্যাংকটির নানা অনিয়মের সঙ্গে এই পরিবারের সদস্যদের জড়িত থাকার বিষয়টি সামনে আসে। এ ছাড়া রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশ ছেড়ে চলে যান সাইফুজ্জামান চৌধুরী, তাঁর ভাই, স্ত্রীসহ পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য। ওই পটপরিবর্তনের পর ব্যাংকটির পর্ষদ ভেঙে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি অনিয়মের কারণে সাইফুজ্জামান চৌধুরীসহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের শেয়ার বাজেয়াপ্ত করে। তাই উদ্যোক্তা–পরিচালকদের ধারণ করা শেয়ারের পরিমাণ ১০ শতাংশে নেমে আসে। এখন ব্যাংকটির উদ্যোক্তা–পরিচালকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান হিসেবে শরীফ জহিরের প্রতিষ্ঠান নতুন করে শেয়ার কিনলে উদ্যোক্তাদের অংশ বাড়বে।</p><p>একদিকে উদ্যোক্তাদের দিক থেকে নতুন করে ব্যাংকটির শেয়ার কেনা হচ্ছে। অন্যদিকে আর্থিক সংকট দূর করতে রাইট শেয়ার বা অধিকারমূলক শেয়ার ছেড়ে মূলধন সংগ্রহ করছে ইউসিবি। এরই মধ্যে ব্যাংকটি নতুন করে প্রায় সাড়ে ৭৭ কোটি রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ৭৭৫ কোটি টাকার বেশি মূলধন সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।</p><p>শেয়ার কেনার ঘোষণার বিষয়ে জানতে চাইলে শরীফ জহির প্রথম আলোকে বলেন, ‘আর্থিক সংকটে থাকা ব্যাংকটির ভিত্তি মজবুত করতে আমরা উদ্যোক্তা হিসেবে আগে নিজেরা বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এর মাধ্যমে ব্যাংকটি একটি ধাপে উন্নীত হলে এরপর দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে কৌশলগত বিনিয়োগকারী হিসেবে যুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। এর আগে নিজেরা বিনিয়োগ করে ব্যাংকটিকে একটি পর্যায়ে না আনলে এই বিনিয়োগ আসবে না। তাই নতুন করে আমরা বিনিয়োগ করছি।’</p>
স্পেনে মাদ্রিদের কাছে দুটি দ্রুতগামী ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বাড়ছে। এদিকে, ইসরায়েলে ৭০ শতাংশেরও বেশি ভোট গণনা শেষে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বা তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটের জোট কোনোটিই সংখ্যাগরিষ্টতা পায়নি। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...
এ ঘটনায় সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের ছেলেকে আটকের পর রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফুল হক। পাশাপাশি গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী পহেলা নভেম্বর থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের বাড়তি বেতন দেওয়া শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। আর এর জন্য সরকারকে বিপুল পরিমাণ টাকা ঋণ করতে হচ্ছে।
২০০৬ সাল, সেই বছরের ২৮শে অক্টোবর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগের পাল্টা-পাল্টি সমাবেশ ঘিরে রীতিমত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল ঢাকার পল্টন ও বায়তুল মোকাররম এলাকা। লাঠি-সোটা ও আগ্নেয়াস্ত্র হাতে সেখানে রক্তক্ষয়ী এক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন দল দু’টির নেতাকর্মীরা।
টানা ৭৫০ দিন সাগরে চলার পর জ্বালানির আকাশছোঁয়া দামের কারণে 'ভিলা ভি ওডিসি' তার যাত্রা স্থগিত করেছে। জাহাজের পরিচালনাকারী সংস্থা বলছে, এশিয়ার কিছু অংশে প্রতি কেবিনের মাসিক জ্বালানি খরচ ১৮০০ ডলার থেকে বেড়ে ৮০০০ ডলার পর্যন্ত হয়েছে।
তীব্র ঘূর্ণিঝড় অর্ণব বুধবার ভোরে পুদুচেরির কাকিনাডা ও ইয়ানামের মধ্যবর্তী অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আছড়ে পড়ায় উপকূলীয় এলাকাজুড়ে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে, প্রবল বেগে ঝোড়ো বাতাস বইছে যার জেরে ব্যাহত হয়েছে দৈনন্দিন জীবন।
ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু'র নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী দলগুলোর জোটের সঙ্গে গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। তবে বুথফেরত জরিপে এখন পর্যন্ত যে ফলাফলের আভাস পাওয়া যাচ্ছে, তাতে কোনো দলই সরকার গঠন করার মতো একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারছে না বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
বাংলাদেশ প্রাকৃতিকভাবে যত্রতত্র গজিয়ে ওঠা মাশরুমের মতো দেখতে 'ব্যাঙের ছাতা'কে অনেকে মাশরুম মনে করে থাকেন। গবেষকরা ব্যাখ্যা করেছেন বিষয়টা।
রাজনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যে পড়তে যাচ্ছে ইসরায়েল। দেশটির জাতীয় নির্বাচনের পর অধিকাংশ ভোট গণনা শেষ হলেও কোনো সুস্পষ্ট বিজয়ীর খবর এখনো পাওয়া যায়নি।
নওগাঁ সদর উপজেলা বিএনপির অর্থবিষয়ক সম্পাদক মো. সাজেদুল ইসলামকে রাষ্ট্রবিরোধী ও সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
দেশের মানুষের গড় মাসিক স্বাস্থ্য ব্যয় তিনগুণ বেড়েছে। একইসঙ্গে স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় বহন করতে গিয়ে আর্থিক চাপে পড়া পরিবারের হার ২০০৫ সালের ৫২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২২ সালে ৯২ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে।
শাহরুখ খানের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘কিং’-এর নতুন পোস্টার প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।
বর্ষার অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে ব্যবহারের জন্য পদ্মা ও তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ভারত উজানে বাঁধ ও প্রকল্প নির্মাণ করে একতরফাভাবে পানি প্রত্যাহার করায় আমাদের নদ-নদীগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা অর্থ আত্মসাতের মামলায় গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন পাবনার বিশেষ জজ আদালত।
রাজধানীর কাঁচপুরে মহাসড়ক পারাপারের জন্য পরিবার নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন শফিকুল ইসলাম (৩৫)। তার কোলে ছিল চার বছর বয়সী শিশুসন্তান বিপুল সরকার। এ সময় সিমেন্ট বোঝাই ট্রাকের সঙ্গে সোমা পরিবহন নামে একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেছেন, “সান্ধ্য আইন চালু নিয়ে যে প্রচারণা চলছে, তা প্রশাসন অনুমোদন করেনি।