প্রযুক্তি

আপনার স্ক্রল কে ঠিক করে দেয়

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
আপনার স্ক্রল কে ঠিক করে দেয়
আপনার স্ক্রল কে ঠিক করে দেয়
রাত ১১টা। ‘আর একটা রিল দেখেই ঘুমাব’—এই কথা বলে সাবিহা (ছদ্মনাম) ফোন হাতে নিয়েছিলেন। এখন ঘড়িতে রাত ১টা। কীভাবে দুই ঘণ্টা কেটে গেল, তিনি নিজেও জানেন না!

Prothomalo

View more
ইসরায়েলে পার্লামেন্ট নির্বাচনে সরকার গঠনে অনিশ্চয়তা, কেউ পাচ্ছে না সংখ্যাগরিষ্ঠতা
ইসরায়েলে পার্লামেন্ট নির্বাচনে সরকার গঠনে অনিশ্চয়তা, কেউ পাচ্ছে না সংখ্যাগরিষ্ঠতা

<p>ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে বুথফেরত জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে কোনো দল বা জোট একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না। তবে অভাবনীয় ফলাফল করেছে আরব ভোটারদের জোট। প্রশ্ন উঠেছে, কে হবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী? বিস্তারিত ভিডিও বিশ্লেষণে…</p><figure></figure>

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
আইইডিসিআরের পরিচালকের কক্ষে ঢুকে মারধর, অভিযোগ ড্যাবের বিরুদ্ধে
আইইডিসিআরের পরিচালকের কক্ষে ঢুকে মারধর, অভিযোগ ড্যাবের বিরুদ্ধে

<p>আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকীর কক্ষে ঢুকে তাঁকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ড্যাবের নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে। ২৮ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিস্তারিত ভিডিওতে...</p><figure></figure>

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
পাঠকের ছবি (২৮ অক্টোবর ২০২৬)
পাঠকের ছবি (২৮ অক্টোবর ২০২৬)

<p>পাঠকের পাঠানো ছবি থেকে বাছাই করা ছবি নিয়মিত প্রকাশিত হয় নাগরিক সংবাদে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/54gn0468/200.jpg"><figcaption> কাঁধে কলাগাছের খোসা দিয়ে তৈরি ভার নিয়ে খেলছে বাচ্চা দুটি। রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ। ছবিটি সম্প্রতি তোলা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/6ejgt889/201.jpg"><figcaption>ছোট্ট একটা পেঁপেগাছ। কত পেঁপে ধরেছে। উত্তর নারীবাড়ি, গুরুদাসপুর, নাটোর, ২৭ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/vmiblq8m/202.jpg"><figcaption> রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকায় সিটি করপোরেশনের মশকনিধন কার্যক্রম চলছে। সেগুনবাগিচা, ঢাকা, ২৭ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/e043fbg0/203.jpg"><figcaption>শীত এলেই হরেক রকম শাকসবজিতে ভরে ওঠে চারপাশ। খেতে খেতে ফসলের হাসি। এ হাসি মলিন হলে আমাদের ঝুঁকি বাড়ে। নিরাপদ খাদ্যের জোগানের জন্য এ যুদ্ধে জয়ের বিকল্প নেই কারও। সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/xvpzxg4w/204.jpg"><figcaption>কুয়াশার চাদরে মোড়া গ্রামবাংলা, আঁকাবাঁকা মেঠো পথে আপন মনে হেঁটে চলা এক পথিক—এ যেন বাংলার চিরচেনা সকালের এক জীবন্ত চিত্র</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/zhau0gwr/205.jpg"><figcaption> ইঞ্জিনের চেনা ছন্দ আর নদীর ঢেউয়ের শব্দে শুরু হলো বরিশাল অভিমুখে রাতের জার্নি। সদরঘাট, ঢাকা। ছবিটি সম্প্রতি তোলা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/zs7i0uis/206.jpg"><figcaption>খেয়াঘাট। কলার দোয়ানিয়া বাজার, নাজিরপুর, পিরোজপুর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/1iz4x4uh/207.jpg"><figcaption>ভোরের চাঁদ। ময়মনসিংহ সদর, ২৭ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/65zp7mwm/208.jpg"><figcaption>শহুরে আকাশ। অক্সফোর্ড মিশন রোড, বরিশাল</figcaption></figure>

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
মৃত মা-বাবার জন্য সবচেয়ে উপকারী ৩ আমল
মৃত মা-বাবার জন্য সবচেয়ে উপকারী ৩ আমল

মৃত ব্যক্তি সম্পূর্ণ অসহায় হয়ে পড়েন এবং জীবিতদের দোয়ার অপেক্ষায় থাকেন। ইসলামে একে ‘ইসালে সওয়াব’ বলা হয়। মৃত মা-বাবার জন্য উপকারী এই ৩ আমল করতে পারেন।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়োগ, পদ ৯৫
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়োগ, পদ ৯৫

<p>অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের রাজস্ব খাতভুক্ত ১৩ থেকে ২০ গ্রেডে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। মোট পদসংখ্যা ৯৫। আবেদনের শেষ তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০২৬।</p><p><strong>চাকরির বিবরণ<br></strong>১. পদের নাম: হিসাবরক্ষক<br>পদসংখ্যা: ৯<br>বেতন স্কেল ও গ্রেড<br>(গ্রেড-১৩) ২৪,০০০-৫৮,০০০ টাকা।<br>২. পদের নাম: সাঁটলিপিকার-কাম-কম্পিউটার অপারেটর<br>পদসংখ্যা: ৩<br>বেতন স্কেল ও গ্রেড<br>(গ্রেড-১৩) ২৪,০০০-৫৮,০০০ টাকা।<br>৩. পদের নাম: উচ্চমান সহকারী<br>পদসংখ্যা: ৩<br>বেতন স্কেল ও গ্রেড<br>(গ্রেড-১৪) ২৩,৫০০-৫৬,৮০০ টাকা।<br>৪. পদের নাম: সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর<br>পদসংখ্যা: ৪<br>বেতন স্কেল ও গ্রেড<br>(গ্রেড-১৪) ২৩,৫০০-৫৬,৮০০ টাকা।<br>৫. পদের নাম: গাড়িচালক<br>পদসংখ্যা: ১<br>বেতন স্কেল ও গ্রেড<br>(গ্রেড-১৫) ২২,৮০০-৫৫,২০০ টাকা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/f4lxd2c3x2">চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৯৩ জনের চাকরি, আবেদন ৮ ডিসেম্বরের পর্যন্ত</a></aside><p>৬. পদের নাম: অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক<br>পদসংখ্যা: ৪০<br>বেতন স্কেল ও গ্রেড<br>(গ্রেড-১৬) ২১,৯০০-৫২,৯০০ টাকা।<br>৭. পদের নাম: ডাটা এন্ট্রি অপারেটর<br>পদসংখ্যা: ২<br>বেতন স্কেল ও গ্রেড<br>(গ্রেড-১৬) ২১,৯০০-৫২,৯০০ টাকা।<br>৮. পদের নাম: অফিস সহায়ক<br>পদসংখ্যা: ৩৩<br>বেতন স্কেল ও গ্রেড<br>(গ্রেড-২০) ২০,০০০-৪৮,৪০০ টাকা।</p><p><strong>বয়সসীমা</strong><br>১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রার্থীর বয়সসীমা ১৮-৩২ বছর হতে হবে।<br><strong>আবেদনের নিয়ম<br></strong>পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক প্রার্থীগণ <a href="https://nsd.teletalk.com.bd/" target="_blank" rel="nofollow">ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আবেদন ফরম পূরণ</a> করতে পারবেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/chakri-news/migv2f6fyu">৭৫ বছর ছাঁটাই ছাড়াই চলছে কোম্পানিটি; পরিচালনা পদ্ধতি দেখতে ভিড় সিইওদের</a></aside><p><strong>আবেদন ফি<br></strong>১ থেকে ৭ নম্বর পদ: ১১২ টাকা;<br>৮ নম্বর পদ: ৫৬ টাকা।</p><p><strong>আবেদনের সময়সীমা<br></strong>আবেদনপত্র পূরণ ও পরীক্ষা ফি জমাদান শুরুর তারিখ ও সময়: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ১০টা।<br>আবেদনপত্র জমাদানের শেষ তারিখ ও সময়: ২৬ নভেম্বর ২০২৬, বিকেল ৪টা।<br><a href="https://nsd.teletalk.com.bd/docs/20261025.pdf" target="_blank" rel="nofollow">বিস্তারিত দেখুন এই ঠিকানায়</a>।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/higher-education/uj8maasa2b">কোটি টাকার ফেলোশিপ-বৃত্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডির সুযোগ পেলেন আশফাকুর রহমান </a></aside>

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
হকারমুক্ত করতে মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযান
হকারমুক্ত করতে মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযান

<p>রাজধানীর মিরপুর-১ এলাকার সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে উঠেছিল অবৈধ দোকানপাট। এগুলো উচ্ছেদ করতে আজ বুধবার অভিযান চালিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। অভিযানে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়। ছবিগুলো আজ সকালে তোলা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/eantew7q/1.-Eviction-DNCC-28102026.jfif"><figcaption>উচ্ছেদ অভিযানের শুরুতে জড়ো হন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/7j7u228u/2.-Eviction-DNCC-28102026.jfif"><figcaption>অবৈধ দোকানপাট ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/dkaaiy8u/3.-Eviction-DNCC-28102026.jfif"><figcaption> ভেঙে ফেলা হচ্ছে সড়কের পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/1jsff6mb/4.-Eviction-DNCC-28102026.jfif"><figcaption> অভিযানের মধ্যে দোকানের টিন–বাঁশ সরিয়ে নিচ্ছেন লোকজন। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/qsq2yi6c/5.-Eviction-DNCC-28102026.jfif"><figcaption>ফুটপাত দখলমুক্ত করতে চলছে অভিযান। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/xef0963u/6.-Eviction-DNCC-28102026.jfif"><figcaption>দোকানের বাইরে রাখা মালপত্র সরিয়ে নিচ্ছেন দোকানিরা।</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/f7pf8n50/7.-Eviction-DNCC-28102026.jfif"><figcaption>উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/797mlz9m/8.-Eviction-DNCC-28102026.jfif"><figcaption> ফুটপাতে বসা হকাররা মালপত্র সরিয়ে নিচ্ছেন। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/ikbskt2u/9.-Eviction-DNCC-28102026.jfif"><figcaption>অভিযানের মুখে রিকশায় করে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে মালপত্র। </figcaption></figure>

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
সাজেকে টানা সাত দিন ধরে অবরোধ, বিপাকে কৃষক ও গাড়িচালকেরা
সাজেকে টানা সাত দিন ধরে অবরোধ, বিপাকে কৃষক ও গাড়িচালকেরা

<p>রাঙামাটির সাজেকে সাত দিন ধরে অবরোধ চলছে। আজ বুধবারও সকাল থেকে সাজেক সড়কে কোনো ধরনের যান চলাচল করেনি। গত বৃহস্পতিবার থেকে চলা এ অবরোধে সাজেক এলাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া ওই এলাকায় উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারে নিতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন জুমচাষিরা।</p><p> শুধু তা–ই নয়, যান চলাচল না করায় ধারদেনা করে সংসার চালাচ্ছেন পর্যটকদের পরিবহনে ব্যবহৃত কয়েক শ গাড়ির চালক ও সহকারী। ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়েও দুশ্চিন্তায় পড়েছেন অনেক গাড়ির মালিক।</p><p> গত বৃহস্পতিবার থেকে সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ চলছে। এটি এ দুই সংগঠনের তৃতীয় দফা অবরোধ। নিরাপত্তাঝুঁকি বিবেচনায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসন সাজেক পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে। এ কারণে পর্যটকেরা এলাকা ছেড়ে গেছেন।</p><p>সাজেক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য অনিত্য ত্রিপুরা প্রথম আলোকে বলেন, এলাকার বাসিন্দারা ঘরে মজুত থাকা খাবার দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। রুইলুই পাড়ার পাঁচটি দোকানে থাকা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যও শেষের পথে। অবরোধ আরও দু-এক দিন চললে এলাকায় খাদ্যসংকট দেখা দিতে পারে।</p><p>সাজেকের ১৬৯ নম্বর শিয়ালদাই মৌজার হেডম্যান ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জৌপেইথাং ত্রিপুরা বলেন, তাঁর ওয়ার্ডের ২২টি পাড়ার বাসিন্দাদের অধিকাংশ জুমচাষের ওপর নির্ভরশীল। অবরোধের কারণে তাঁরা মাচলং বাজারে যেতে পারছেন না। ফলে কলা, পেঁপে, আখ, মিষ্টিকুমড়া, চালকুমড়া ও কচুর মতো কৃষিপণ্য বিক্রি করতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন। অনেক কৃষিপণ্য পেকে নষ্ট হচ্ছে। বাজারে নাপ্পি, শুঁটকি, প্রয়োজনীয় ওষুধসহ গৃহস্থালির পণ্যেরও ঘাটতি দেখা দিয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/mdf6a3elir">সুনসান সাজেক, চতুর্থ দিনে গড়াল অবরোধ</a></aside><p><strong>ধারদেনায় চলছে সংসার</strong></p><p>সাজেকে যান চলাচল বন্ধ থাকায় আয় হারিয়েছেন গাড়িচালক ও সহকারীরা। খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গার তবলছড়ির বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন দৈনিক মজুরিতে পিকআপ ভ্যান চালান। গাড়ি চালিয়ে প্রতিদিন এক থেকে দুই হাজার টাকা আয় করতেন তিনি। আট সদস্যের সংসারে অসুস্থ বাবা ও দাদির পাশাপাশি দুই ছোট ভাইয়ের দায়িত্বও তাঁর ওপর। কিন্তু টানা সাত দিন গাড়ি চালাতে না পেরে পরিচিত একজনের কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা ধার নিয়ে সংসার চালাচ্ছেন তিনি।</p><p>ইসমাইল বলেন, এখন পর্যটনের মৌসুম। এ সময়ে প্রতিদিন গাড়ি চালানোর লাইন থাকত। বছরের এই কয়েক মাসই তাঁদের আয় করার সময়। এভাবে চলতে থাকলে কয়েক দিন পর না খেয়ে থাকতে হবে।</p><p>পিকআপের সহকারী মো. শাকিল খন্দকার বলেন, সাজেকে গাড়ি গেলে প্রতিদিন ৬০০ টাকা মজুরি পান তিনি। এ আয় দিয়ে ঘরভাড়াসহ চার সদস্যের সংসার চালাতে হয়। গাড়ি বন্ধ থাকায় এখন ধারদেনা করে চলছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/8mm1k10ebd">নিরাপত্তা বাহিনীর পাহারায় সাজেক থেকে ফিরেছেন পর্যটকেরা, হোটেল না পেয়ে ভোগান্তি</a></aside><p>চাঁদের গাড়ির (পুরো জিপ) চালক অংগোজাই মগও আয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পেশা পরিবর্তনের চিন্তা করছেন। তিনি বলেন, গাড়ি চালানোর আয় দিয়েই সংসার চলে। পরিস্থিতি এমন থাকলে দিনমজুরি করতে হবে। টাকার অভাবে প্রবারণা পূর্ণিমাও ভালোভাবে উদ্‌যাপন করতে পারেননি। সামনে কঠিন চীবর দান, কী করবেন বুঝতে পারছেন না।</p><p>সাজেক বন্ধ থাকায় গাড়ির মালিকেরাও পড়েছেন বিপাকে। নিজের জমানো টাকা ও আট লাখ টাকা ঋণ নিয়ে গত বছর একটি পিকআপ কিনেছিলেন মো. মুন্না। প্রতি মাসে তাঁকে ঋণের ৩২ হাজার টাকা কিস্তি দিতে হয়। মুন্না বলেন, গাড়ি বন্ধ থাকলে ঋণের কিস্তি কীভাবে দেবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন।</p><p>খাগড়াছড়ির যানবাহন মালিক সমিতির সভাপতি আয়ুস চাকমা বলেন, তাঁদের সমিতিতে তালিকাভুক্ত গাড়ি রয়েছে ২৫০টি। জিপ মালিক সমিতির গাড়ি রয়েছে ৫০০টির বেশি। এ ছাড়া মাহিন্দ্র, চাঁদের গাড়ি, সিএনজিসহ প্রায় দেড় হাজারের বেশি যানবাহন সাজেকে চলাচল করে। অবরোধে এসব যানবাহনের চালক ও সহকারীদের আয় বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক মালিক ঋণ নিয়ে গাড়ি কেনায় তাঁরাও কিস্তি পরিশোধে সমস্যায় পড়েছেন। সব মিলিয়ে জেলায় যানবাহন খাতে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকা লোকসান হচ্ছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/3kwz9rumtv">সাজেকে অবরোধ: মূল সমস্যা যেভাবে আড়ালে চলে যাচ্ছে</a></aside><p>সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির সদস্যসচিব বিজয় কান্তি চাকমা বলেন, দাবি না মানা পর্যন্ত অবরোধ চলবে। ১০ নম্বর হাজাছড়াসহ বিভিন্ন স্থানে অবরোধ সমর্থনে আজ বুধবার পিকেটাররা অবস্থান করছেন।</p><p>সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন তিন দফা দাবিতে ১১ অক্টোবর সাজেকে এক দিনের অবরোধ কর্মসূচি পালন করে। ১৫ অক্টোবর দ্বিতীয় দফায় আবার অবরোধের ডাক দেওয়া হয়। অবশ্য শারদীয় দুর্গাপূজার জন্য ১৬ থেকে ২১ অক্টোবর কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। গত বুধবার দুটি সংগঠন এক বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ঘোষণা দেয়।</p><p>এরপর নিরাপত্তাঝুঁকি বিবেচনায় সাজেক পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন। নির্দেশনা অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পর্যটকেরা সাজেক ছাড়তে শুরু করেন। তবে ফেরার পথে উজো বাজার এলাকায় গোলাগুলি হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানায়, ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যরা গুলি চালিয়েছেন। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইউপিডিএফ।</p><p>সাজেকে অবরোধ চলাকালে হামলা, লাঠিপেটা এবং ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ভাঙচুরের প্রতিবাদে এবং সাজেকবাসীর দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে ‘ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ’ নামের একটি সংগঠন রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে গত শনিবার অর্ধদিবস অবরোধ কর্মসূচি পালন করে।</p><p>অবরোধের বিষয়ে জানতে চাইলে সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, অবরোধ এখনো চলছে। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।</p>

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
ইসরায়েলে আরব দলগুলো এবার রেকর্ড আসন জিততে পারে
ইসরায়েলে আরব দলগুলো এবার রেকর্ড আসন জিততে পারে

<p>ইসরায়েলে গতকাল মঙ্গলবার ভোটের পর বুথফেরত জরিপে দেশটির আরব দলগুলোর ১৯টি আসনে জয়ী হতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে। এবার ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত ইসরায়েলিদের ভোট দেওয়ার হার কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল।</p><p> বুথফেরত জরিপের তথ্য বলছে, আরবদের নেতৃত্বাধীন প্রধান দল ‘জয়েন্ট লিস্ট’ এবং ‘রাআম’ বা ইউনাইটেড আরব লিস্ট এসব আসন জিততে পারে।</p><p> ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ গতকাল জানিয়েছে, বুথফেরত জরিপ অনুযায়ী, ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি নাগরিকদের মধ্যে এবার ভোট দেওয়ার হার প্রায় ৮০ শতাংশ—যা ১৯৯৯ সালের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/5qsk6wsy4l">ইসরায়েলে সরকার গড়ার মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না কেউ, এখন কী হবে, প্রধানমন্ত্রী কে হবেন</a></aside><p>রাআম বা ইউনাইটেড আরব লিস্টের নেতা মনসুর আব্বাস বলেন, তিনি আশা করছেন, চূড়ান্ত নির্বাচনী ফলাফলে তাঁর দলসহ নেতানিয়াহুবিরোধী জোট সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন পাবে।</p><blockquote>আব্বাসের দল রাআম বর্তমানে ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে পাঁচটি আসন ধরে রেখেছে। ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ইসরায়েলে যে জোট সরকার ক্ষমতায় ছিল, তাঁর দল সেই জোটেও যোগ দিয়েছিল। আব্বাস আরও বলেন, নির্বাচনের আগে ও পরে—দুই সময়েই প্রধান দুই জোট তাঁর দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।</blockquote><p>আব্বাসের দল রাআম বর্তমানে ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে পাঁচটি আসন ধরে রেখেছে। ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ইসরায়েলে যে জোট সরকার ক্ষমতায় ছিল, তাঁর দল সেই জোটেও যোগ দিয়েছিল। আব্বাস আরও বলেন, নির্বাচনের আগে ও পরে—দুই সময়েই প্রধান দুই জোট তাঁর দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/0hk5sr3xvb">নেতানিয়াহুর কপালে কী আছে—ক্ষমতা, নাকি কারাগার </a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/wyf9pmah/Ahmad-Tibi.webp"><figcaption>‘জয়েন্ট লিস্ট’ দলের নেতা আহমাদ তিবি উত্তর ইসরায়েলের আরব–অধ্যুষিত তাইবে গ্রামে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট দিচ্ছেন</figcaption></figure><p><strong>‘আরবদের বাইরে রাখা যাবে না’</strong></p><p>আল-জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইসরায়েলের সাবেক রাষ্ট্রদূত অ্যালন পিঙ্কাস বলেন, আইজেনকটের দলের মতো দলগুলোর জন্য সরকার গঠন কঠিন হতে পারে। কারণ, নির্বাচনী প্রচারের সময় তারা আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট সরকার গঠন করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।</p><p>তাদের এখন এর মূল্য দিতে হবে বলে মনে করেন পিঙ্কাস। তিনি বলেন, ‘যখন আপনার ভোটের প্রয়োজন হবে, শুধু তখন তাদের বিবেচনায় নেওয়া হবে এবং জোটে টানা হবে, এমনটা আর চলবে না। আরবদের বাইরে রাখা যাবে না।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/8bfjdjaic0">সামান্য এগিয়ে নেতানিয়াহুর জোট, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি কেউই</a></aside><aside><cite>অ্যালন পিঙ্কাস, ইসরায়েলের সাবেক রাষ্ট্রদূত</cite>যখন আপনার ভোটের প্রয়োজন হবে, শুধু তখন তাদের বিবেচনায় নেওয়া হবে এবং জোটে টানা হবে, এমনটা আর চলবে না। আরবদের বাইরে রাখা যাবে না।</aside><p>নেতানিয়াহু ও তাঁর কট্টর ডানপন্থী জোট ভোটের দিন গতকাল শেষ মুহূর্তেও তাদের সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল। তারা নিজেদের সমর্থকদের ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত ইসরায়েলি নাগরিকদের মধ্যে ভোট দেওয়ার হার বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়েও সতর্ক করে। আরব রাজনীতিকেরা এই কৌশলের নিন্দা করে একে বর্ণবাদী ও উসকানিমূলক বলে অভিহিত করেছিলেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/cfmqndp71q">ইসরায়েলে ৫০ বছরের মধ্যে রেকর্ড ভোট, বেশি ভোটার উপস্থিতি কার পক্ষে যেতে পারে</a></aside>

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
গুলিস্তান–সদরঘাট সড়ক হকারমুক্ত রাখার ঘোষণা, বসলে গ্রেপ্তারের হুঁশিয়ারি
গুলিস্তান–সদরঘাট সড়ক হকারমুক্ত রাখার ঘোষণা, বসলে গ্রেপ্তারের হুঁশিয়ারি

<p>ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম বলেছেন, রাজধানীর গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত পুরো রাস্তা দখলমুক্ত রাখা হবে। এই সড়কের কোথাও হকারদের বসতে দেওয়া হবে না। নির্ধারিত স্থানের বাইরে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে কোনো হকার দোকান বসালে মালামাল জব্দের পাশাপাশি প্রয়োজনে গ্রেপ্তার করা হবে।</p><p> আজ বুধবার রাজধানীর গুলিস্তানে উচ্ছেদ অভিযান পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ডিএসসিসি প্রশাসক।</p><p>এর আগে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত গুলিস্তানের ঢাকা ট্রেড সেন্টার ও ফুলবাড়িয়া সুপারমার্কেট–সংলগ্ন এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালায় ডিএসসিসি। এ সময় ফুটপাত দখল করে গড়ে তোলা শতাধিক অবৈধ দোকান ও অবকাঠামো উচ্ছেদ করা হয়। পে-লোডারসহ ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে অবৈধ অবকাঠামো ভেঙে ফেলার পাশাপাশি মালামাল–সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।</p><p>অভিযান চলাকালে ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, হকারদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু ফুটপাত, নৈশকালীন মার্কেট ও হলিডে মার্কেট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। তাঁরা কেবল সেখানেই বসতে পারবেন। বিশেষ করে গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত পুরো রাস্তা সম্পূর্ণ পরিষ্কার রাখা হবে। মূল রাস্তায় কোনোভাবেই হকার বসতে দেওয়া হবে না।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/obl3cwq3/DSCC-2.jpeg"><figcaption>রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় আজ বুধবার উচ্ছেদ অভিযান চালায় ডিএসসিসি</figcaption></figure><p>উচ্ছেদের পর আবার রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে দোকান বসানোর বিষয়ে প্রশাসক বলেন, হকারদের বিভিন্ন মাধ্যমে সতর্ক করা হয়েছে। হকার সংগঠনের নেতাদের সঙ্গেও একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। এরপরও উচ্ছেদ করা জায়গায় আবার দোকান বসানো হচ্ছে। এ কারণে এখন কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া উপায় নেই।</p><p>আবদুস সালাম বলেন, নিয়ম অমান্য করে বসলে মালামাল জব্দের পাশাপাশি প্রয়োজনে গ্রেপ্তার করা হবে। রাস্তা ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।</p><p>ডিএসসিসি জানিয়েছে, আজকের অভিযানে সংস্থাটির চারজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, শতাধিক উচ্ছেদকর্মী ও ছয় প্লাটুন পুলিশ অংশ নেন।</p><p>অভিযান পরিচালনা করেন ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজাউল করিম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জোনায়েদ কবীর সোহাগ, সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাছিবা খান এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম।</p><p>পথচারীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ডিএসসিসি।</p>

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”