bangladesh

আনন্দ-সম্প্রীতিতে শারদীয় দুর্গোৎসব

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
আনন্দ-সম্প্রীতিতে শারদীয় দুর্গোৎসব
আনন্দ-সম্প্রীতিতে শারদীয় দুর্গোৎসব
<p>বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। দেবীর আরাধনা, অঞ্জলি ও সন্ধ্যা আরতিতে মুখর পূজামণ্ডপগুলো। উৎসবকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে পড়েছে আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও সম্প্রীতির আবহ। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের দুর্গাপূজার রঙিন মুহূর্তগুলো নিয়ে এই ছবির গল্প।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/u4qfs9lg/1.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.jpeg"><figcaption>চট্টগ্রাম নগরের উত্তর কাট্টলী শ্রীশ্রী সেবা খোলা ও বৈকুণ্ঠধাম মন্দিরের ‘রিপু রজনী’ থিমের পূজামণ্ডপ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/b63ihayg/2.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.JPG"><figcaption>নান্দনিক প্রতিমা দেখতে দূরদূরান্ত থেকে মণ্ডপে ভিড় করছেন ভক্ত ও দর্শনার্থীরা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/v6n313rk/3.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.JPG"><figcaption>ব্যতিক্রমী থিমে সাজানো ‘রিপু রজনী’ থিমের পূজামণ্ডপটি ঘিরে দর্শনার্থীদের কৌতূহল </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/pdhgh8os/4.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.JPG"><figcaption>দেবীর চরণে ধূপ আরতি করছেন পুরোহিত </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/jpj7azgb/5.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.JPG"><figcaption>ভক্তদের জ্বালানো মঙ্গলপ্রদীপের আলোয় উদ্ভাসিত শিবের মূর্তি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/qyp0glun/6.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.jpg"><figcaption>রাঙামাটিতে দেবী দুর্গার সামনে প্রার্থনায় মগ্ন পুণ্যার্থীরা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/52wd3l17/7.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.jpg"><figcaption>বগুড়ায় ঢাকের বোল আর কাঁসরের শব্দে মণ্ডপে চলছে পূজা-অর্চনা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/qxlzzsvx/8.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.jpg"><figcaption>মহাসপ্তমীর সকালে শঙ্খ বাজাচ্ছেন এক ভক্ত</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/1jhkv7gq/9.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.jpg"><figcaption>ভক্তি ও শ্রদ্ধায় দেবীর আরাধনায় এক ভক্ত </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/g9i7m8pc/10.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.jpg"><figcaption>মণ্ডপ থেকে দেবীর ছবি মুঠোফোনে তুলে স্বজনদের কাছে পাঠাচ্ছেন এক দর্শনার্থী</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/xxxbgn49/11.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.jpg"><figcaption>তরুণদের উদ্যোগে গ্রামবাংলার চিরায়ত লোকজ উপকরণ দিয়ে সাজানো হয়েছে মণ্ডপ। শালগাড়িয়া বিদ্যুৎ চক্র কালীমন্দির, পাবনা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/htziq91r/12.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.jpg"><figcaption>মহাসপ্তমীর দুপুরে সপরিবার মণ্ডপে ঘুরে প্রতিমার সামনে সেলফি তোলার আনন্দ। সাহেবের কবরখানা এলাকা, খুলনা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/mzibebx2/13.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.jpg"><figcaption>চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা শ্যামা সংঘের এবারের পূজামণ্ডপ সাজানো হয়েছে ‘সংবাদপত্রের একাল-সেকাল’ থিমে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/k6ykgko5/14.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.jpeg"><figcaption>প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ধর্মীয় নানা আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন ভক্তরা। খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন (কেআইবি), ঢাকা</figcaption></figure>

Prothomalo

View more
আমাদের জীবনে ‘বিসমিল্লাহ’র ৭ শিক্ষা 
আমাদের জীবনে ‘বিসমিল্লাহ’র ৭ শিক্ষা 

বিসমিল্লাহ মুসলমানদের মুখে উচ্চারিত সবচেয়ে পরিচিত বাক্যগুলোর একটি। প্রতিবার এই বাক্য বলার সময় মনে রাখা উচিত, কাজটি যেন বিসমিল্লাহ পরিপন্থী না হয়।

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
আনন্দ-সম্প্রীতিতে শারদীয় দুর্গোৎসব
আনন্দ-সম্প্রীতিতে শারদীয় দুর্গোৎসব

<p>বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। দেবীর আরাধনা, অঞ্জলি ও সন্ধ্যা আরতিতে মুখর পূজামণ্ডপগুলো। উৎসবকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে পড়েছে আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও সম্প্রীতির আবহ। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের দুর্গাপূজার রঙিন মুহূর্তগুলো নিয়ে এই ছবির গল্প।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/u4qfs9lg/1.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.jpeg"><figcaption>চট্টগ্রাম নগরের উত্তর কাট্টলী শ্রীশ্রী সেবা খোলা ও বৈকুণ্ঠধাম মন্দিরের ‘রিপু রজনী’ থিমের পূজামণ্ডপ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/b63ihayg/2.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.JPG"><figcaption>নান্দনিক প্রতিমা দেখতে দূরদূরান্ত থেকে মণ্ডপে ভিড় করছেন ভক্ত ও দর্শনার্থীরা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/v6n313rk/3.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.JPG"><figcaption>ব্যতিক্রমী থিমে সাজানো ‘রিপু রজনী’ থিমের পূজামণ্ডপটি ঘিরে দর্শনার্থীদের কৌতূহল </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/pdhgh8os/4.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.JPG"><figcaption>দেবীর চরণে ধূপ আরতি করছেন পুরোহিত </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/jpj7azgb/5.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.JPG"><figcaption>ভক্তদের জ্বালানো মঙ্গলপ্রদীপের আলোয় উদ্ভাসিত শিবের মূর্তি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/qyp0glun/6.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.jpg"><figcaption>রাঙামাটিতে দেবী দুর্গার সামনে প্রার্থনায় মগ্ন পুণ্যার্থীরা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/52wd3l17/7.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.jpg"><figcaption>বগুড়ায় ঢাকের বোল আর কাঁসরের শব্দে মণ্ডপে চলছে পূজা-অর্চনা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/qxlzzsvx/8.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.jpg"><figcaption>মহাসপ্তমীর সকালে শঙ্খ বাজাচ্ছেন এক ভক্ত</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/1jhkv7gq/9.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.jpg"><figcaption>ভক্তি ও শ্রদ্ধায় দেবীর আরাধনায় এক ভক্ত </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/g9i7m8pc/10.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.jpg"><figcaption>মণ্ডপ থেকে দেবীর ছবি মুঠোফোনে তুলে স্বজনদের কাছে পাঠাচ্ছেন এক দর্শনার্থী</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/xxxbgn49/11.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.jpg"><figcaption>তরুণদের উদ্যোগে গ্রামবাংলার চিরায়ত লোকজ উপকরণ দিয়ে সাজানো হয়েছে মণ্ডপ। শালগাড়িয়া বিদ্যুৎ চক্র কালীমন্দির, পাবনা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/htziq91r/12.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.jpg"><figcaption>মহাসপ্তমীর দুপুরে সপরিবার মণ্ডপে ঘুরে প্রতিমার সামনে সেলফি তোলার আনন্দ। সাহেবের কবরখানা এলাকা, খুলনা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/mzibebx2/13.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.jpg"><figcaption>চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা শ্যামা সংঘের এবারের পূজামণ্ডপ সাজানো হয়েছে ‘সংবাদপত্রের একাল-সেকাল’ থিমে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/k6ykgko5/14.-Durga-Pujafestivalvisiting18102026.jpeg"><figcaption>প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ধর্মীয় নানা আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন ভক্তরা। খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন (কেআইবি), ঢাকা</figcaption></figure>

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ

ওয়াশিংটন–নিউইয়র্কসহ বিভিন্ন শহরে প্রায় তিন হাজার কর্মসূচিতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানানো হয়।

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
‘আমাদের দম বন্ধ হয়ে আসছে’: আবাসন ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে ইউরোপের দেশে দেশে বিক্ষোভ
‘আমাদের দম বন্ধ হয়ে আসছে’: আবাসন ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে ইউরোপের দেশে দেশে বিক্ষোভ

ফ্রান্স, স্পেন ও আলবেনিয়ার পর ইউরোপের পর্তুগাল ও ইতালিতেও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। আবাসনসংকট ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এসব বিক্ষোভের প্রধান কারণ।

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
সূর্যবংশীতে ভারতের মোহ কি শেষ? ৫ টি–টুয়েন্টিতেই একাদশে বাইরে
সূর্যবংশীতে ভারতের মোহ কি শেষ? ৫ টি–টুয়েন্টিতেই একাদশে বাইরে

ভারতের হয়ে সূর্যবংশীর অভিষেক চলতি বছরের জুলাইয়ে। সেই থেকে জাতীয় দলের হয়ে ১৫ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার খেলেছেন ৮টি ম্যাচ।

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
সায়মা ওয়াজেদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অনুমোদন দুদকের
সায়মা ওয়াজেদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অনুমোদন দুদকের

দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান রোববার এক ব্রিফিংয়ে সায়মা ওয়াজেদের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দেওয়ার তথ্য জানান।

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
আর্সেনালের জয়, ইউনাইটেডের দুর্দশা চলছেই
আর্সেনালের জয়, ইউনাইটেডের দুর্দশা চলছেই

৮০ মিনিটে করা একমাত্র গোলে নটিংহাম ফরেস্টের মাঠ থেকে জিতে ফিরেছে আর্সেনাল। অন্য ম্যাচে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ড্র করেছে লিডসের সঙ্গে।

অক্টোবর ১৮, ২০২৬
মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

<p>অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে নেমে বিতর্কের জন্ম দেওয়া মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p><p>আজ রোববার বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ইশরাককে ডেকে পাঠান প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তাঁকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয় বলে সরকার-সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে।</p><p>এ বিষয়ে সরকারের দায়িত্বশীল কারও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে রাত সাড়ে ১২টার পরে ইশরাক হোসেন তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে বলেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে মন্ত্রিপরিষদের যেকোনো সদস্যের প্রতি পদত্যাগ অথবা অন্য যেকোনো নির্দেশ আসার সাথে সাথে সেটি কার্যকর করা প্রথাগতভাবে বাধ্যতামূলক অথবা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা কার্যকর হয়ে যায়। অতএব এই সংক্রান্ত কোনো তথ্য তৃতীয়, চতুর্থ, অথবা আরও দূরবর্তী কোনো ব্যক্তির মাধ্যমে যাচাই করার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় অথবা আমার ক্ষেত্রে এই ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়া মাত্রই দ্রুততম সময়ে সংবাদ সম্মেলন করে দেশবাসীকে বিস্তারিত জানানো হবে ইনশা আল্লাহ।’</p><p>এর আগে অবশ্য প্রথম আলো অনলাইনে খবরটি প্রকাশের পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে এই ফেসবুক পেজে এক পোস্টে দাবি করা হয়েছিল, ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার খবরটি সঠিক নয়। সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে তাঁকে পদত্যাগের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি এবং তাঁর পদত্যাগের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। একটি মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল এবং জনসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে এ ধরনের কাল্পনিক ও মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।</p><p>শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে নামেন ইশরাক হোসেন। তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের হাতেও অস্ত্র ছিল। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এ নিয়ে বিএনপি ও সরকারের ভেতরেও অস্বস্তি ও অসন্তোষ তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে ঘটনার এক দিনের মাথায় ইশরাককে মন্ত্রিসভা ছাড়ার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী।</p><p>বিএনপি ও সরকারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, মাদকবিরোধী উদ্যোগ নিয়ে আপত্তি না থাকলেও একজন প্রতিমন্ত্রীর নিজে অস্ত্র হাতে অভিযানে নামা গ্রহণযোগ্য নয়। মাদক দমনে প্রশাসনকে সক্রিয় করার পরিবর্তে তিনি কেন নিজেই অস্ত্র হাতে অভিযানে নামলেন, সেই প্রশ্ন ওঠে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী যখন রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি আবাসিক এলাকার পরিস্থিতি দেখতে আকস্মিক পরিদর্শন করছেন, তখন একজন প্রতিমন্ত্রীর এ ধরনের কর্মকাণ্ড সরকারকে বিব্রত করেছে।</p><p>প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলা বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির একজন সদস্যও বলেন, ঘটনাটি শুধু ইশরাকের ব্যক্তিগত বিষয় হয়ে থাকেনি; প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যদেরও বিব্রত করেছে। একজন প্রতিমন্ত্রীর এমন আচরণের দায় মন্ত্রিসভাকেও নিতে হবে।</p><figure></figure><p>শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর ১৩টি স্থান আকস্মিক পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি আবাসিক এলাকার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং সেবার মান নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশনা দেন তিনি। কোথাও পরিস্থিতির উন্নয়নে সময়ও বেঁধে দেন। প্রধানমন্ত্রীর এই পরিদর্শনের দিনই বিকেলে ঘটে ইশরাকের অস্ত্রকাণ্ড। দল ও সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কেউ কেউ মনে করছেন, ইশরাকের কর্মকাণ্ডে প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শনের ইতিবাচক আলোচনা অনেকটাই আড়ালে পড়ে যায়।</p><p>এমন পটভূমিতে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার ঘটনাকে সরকারের সদস্যদের আচরণ ও জবাবদিহির প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর অবস্থানের বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/egkpxq73xu">মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা কি অস্ত্র উঁচিয়ে অভিযান চালাতে পারেন, আইন কী বলে</a></aside><p><strong>অস্ত্র হাতে কী করেছিলেন ইশরাক</strong></p><p>শনিবার বিকেলে রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেলস্টেশনসংলগ্ন দয়াগঞ্জ গুন্টিঘর রেলগেট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে যান ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। তাঁর নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়ি থেকে নেমেই আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে চিৎকার করে বলছেন, ‘এই ধর ধর ধর...।’ তাঁর পাশ থেকে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘একেবারে গুলি করে দেব।’</p><p>এ সময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে থাকা দেহরক্ষীরা কয়েকজনকে ধরতে দৌড়ান। তাঁদের একজন এক তরুণকে লাথি দেন। কয়েকজনকে বলতে শোনা যায়, ‘স্যার আমি কিছু করিনি। আমি গরিব মানুষ স্যার।’ আরেকটি ভিডিওতে আটক ব্যক্তিদের পুলিশের হাতে তুলে দিতে দেখা যায়।</p><p>ঘটনাস্থলে প্রতিমন্ত্রীর নিজের নিয়োগ দেওয়া দুই দেহরক্ষী তোফাজ্জল হোসেন ও লাভলুর পাশাপাশি একজন সরকারি দেহরক্ষীও ছিলেন। নিজের নিয়োগ দেওয়া দেহরক্ষীদের কাছেও অস্ত্র ছিল। ভিডিওর কিছু অংশে ইশরাকের হাতে থাকা পিস্তল অস্পষ্ট করে দেওয়া হলেও অন্য অংশে অস্ত্রটি স্পষ্ট দেখা যায়। গুলি করার হুমকি দেওয়া ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।</p><p>ঘটনার পর প্রশ্ন ওঠে, একজন প্রতিমন্ত্রী এভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে মাদকবিরোধী অভিযান চালাতে পারেন কি না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন ও ব্যবহার নীতিমালার ২৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আত্মরক্ষার জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত অস্ত্র বহন ও ব্যবহার করা গেলেও অন্যের মনে ভয় বা বিরক্তির সৃষ্টি হতে পারে, এমনভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করা যাবে না।</p><p>ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনাটি তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। আজ রোববার ডিএমপির গণমাধ্যম কেন্দ্রে সংবাদ সম্মেলনে গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান শফিকুল ইসলাম জানান, ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনারকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনের কোনো ব্যত্যয় হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p><p><strong>আত্মরক্ষায় অস্ত্র উঁচিয়ে ধরার দাবি</strong></p><p>অস্ত্রকাণ্ড নিয়ে সমালোচনার মধ্যে আজ রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিবৃতি দেন ইশরাক হোসেন। এতে তিনি দাবি করেন, মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে অংশ নিতে সেখানে গিয়েছিলেন। কর্মসূচিটি পুলিশ, স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতাদের যৌথ সিদ্ধান্তে নেওয়া হয়েছিল।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/6p6twt3x/WhatsApp_Image_2026_10_17_at_19_40_27.jpeg"><figcaption>প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের ফেসবুক পেজে মাদকবিরোধী অভিযানের ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছিল। সেখানে পিস্তলের ছবি অস্পষ্ট করে দেওয়া হয়। তবে ভিডিওর কিছু অংশে আগ্নেয়াস্ত্রের স্পষ্ট ছবি পাওয়া যায়</figcaption></figure><p>ইশরাকের ভাষ্য, ঢাকা-৬ আসনের গেন্ডারিয়ার বিভিন্ন এলাকায় মাদক কারবারের অভিযোগ পেয়ে তিনি আগে থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করছিলেন। জনবলসংকট দূর করা এবং মাদকের আস্তানার কাছে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের উদ্যোগও নিয়েছিলেন। কিন্তু সমস্যার সমাধান হয়নি।</p><p>বিবৃতিতে ইশরাক দাবি করেন, অভিযানের আগে তিনি জানতে পারেন, মাদক কারবারিরা ছাদ থেকে গুলি চালাতে পারে। একটি অস্থায়ী মাদকের আস্তানার কাছে পৌঁছানোর পর ৩০ থেকে ৩৫ জন ব্যক্তি হইচই করে তাঁদের গাড়িবহরের দিকে মারমুখী ভঙ্গিতে এগিয়ে আসেন। সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় নিজের ও অন্যদের নিরাপত্তার জন্য তিনি এবং তাঁর সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা অল্প সময়ের জন্য অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অস্ত্র সরিয়ে নেওয়া হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/politics/4y2ygm0edh">ইশরাকের অস্ত্রকাণ্ডে বিএনপি ও সরকারে অস্বস্তি-অসন্তোষ</a></aside><p>ইশরাক বলেন, তাঁর হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্রটি বৈধ ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত। আত্মরক্ষার জন্যই সেটি প্রদর্শন করা হয়েছিল এবং এতে আইনের কোনো ব্যত্যয় হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।</p><p>বিবৃতিতে ইশরাক আরও দাবি করেন, অভিযানে চার-পাঁচটি অস্থায়ী মাদকের আস্তানা উচ্ছেদ করা হয়েছে। সেখান থেকে মাদকদ্রব্য, অস্ত্র, নগদ অর্থ ও ছিনতাই করা মুঠোফোন জব্দ করা হয়। ছয়জনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। এসব তথ্য উপেক্ষা করে কয়েকটি গণমাধ্যম ঘটনার খণ্ডিত চিত্র তুলে ধরেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। মাদকবিরোধী কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী।</p><p>তবে ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। শনিবার ওয়ারী বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার মাসুদ রানা সাংবাদিকদের বলেছিলেন, প্রতিমন্ত্রী আগে থেকে পুলিশকে জানাননি। তাঁরা পরে বিষয়টি জানতে পারেন। ইশরাকও শনিবার সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, ঘটনাস্থলে যাওয়ার ১০ মিনিট পর পুলিশকে আসতে বলেন তিনি।</p><figure></figure><p><strong>এর আগে পদত্যাগ করেন মিষ্টি</strong></p><p>ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার আগে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের নাম আসায় বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে পদ ছাড়তে হয়েছিল।</p><p>গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা, লুটপাট ও ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে মিষ্টির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের কয়েকজনের নাম সামনে আসে। ঘটনা নিয়ে সরকার ও দলের ভেতরে অস্বস্তি তৈরি হয়। মিষ্টির রাজনৈতিক দায় নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। যদিও তিনি হামলা-ভাঙচুরে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেন।</p><p>প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনার পর গত ১ অক্টোবর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন মিষ্টি। পরে তাঁর আসন শূন্য ঘোষণা করে সংসদ সচিবালয়।</p><p>মিষ্টির পদত্যাগের আড়াই সপ্তাহের মধ্যে এবার অস্ত্রকাণ্ডে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা ছাড়ার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী। দুটি ঘটনাতেই দল ও সরকারকে বিব্রত করা কর্মকাণ্ডের পর পদত্যাগের নির্দেশ এল।</p>

অক্টোবর ১৮, ২০২৬
এবার একুশে বইমেলা শুরু ৭ জানুয়ারি
এবার একুশে বইমেলা শুরু ৭ জানুয়ারি

<p>আগামী ৭ জানুয়ারি অমর একুশে বইমেলা ২০২৭ শুরু হবে। মেলা চলবে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আজ রোববার বাংলা একাডেমির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p><p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৩ অক্টোবর সকালে বাংলা একাডেমির শহিদ মুনীর চৌধুরী সভাকক্ষে বইমেলা আয়োজন নিয়ে প্রকাশক প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই প্রকাশক প্রতিনিধিদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ২০২৭ সালের বইমেলার তারিখ নির্ধারণ করা হয়।</p><p>সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। আরও উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান ও মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম। </p><p>অমর একুশে বইমেলা ভাষার মাস ফেব্রুয়ারিজুড়ে অনুষ্ঠিত হয়। তবে চলতি বছর ২০২৬-এ এর ব্যতিক্রম ঘটে। ২৬ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে মেলা চলে ১৫ মার্চ পর্যন্ত। তবে সে সময় পবিত্র রমজান মাস পড়ায় মেলা আয়োজন না করার দাবি জানিয়েছিলেন প্রকাশকেরা। সে দাবি পূরণ হয়নি, বেচাবিক্রিও ভালো হয়নি।</p><p> এবারও প্রকাশকদের একই দাবি ছিল। তাঁদের দাবির ভিত্তিতেই এ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম।</p><p>বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভায় মেলার এই তারিখ (৭ জানুয়ারি) নির্ধারণ করে বাংলা একাডেমির কাছে আবেদন করা হয়। সমিতির প্রস্তাবিত তারিখ মেনে নিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বাংলা একাডেমি। বিষয়টি জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি ও বগুড়া ৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা। মিতালী প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশনের এই প্রকাশক বলেন, ‘আমরা সর্বসম্মতিতে এ তারিখ নির্ধারণ করেছিলাম। সমিতির সদস্যরা জানিয়েছেন গতবারের অভিজ্ঞতা তাঁদের ভালো নয়। তাই সবাই জানুয়ারিতে মেলার পক্ষে সম্মতি দিয়েছিলেন।’</p><p>মেলার নতুন তারিখ নিয়ে সন্তুষ্ট প্রকাশকেরা। অন্যপ্রকাশের প্রধান নির্বাহী মাজহারুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘গতবার আমাদের বিক্রি খুব খারাপ হয়েছে। তখন থেকেই আমরা প্রকাশকদের দাবি ছিল রমজান মাসে আর বইমেলা না হোক। এবার আমরা যে তারিখ প্রস্তাব করেছি, সে তারিখেই মেলা হচ্ছে।’</p>

অক্টোবর ১৮, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন