
বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়: বিস্তৃত প্রশ্ন
অধ্যায়-৩
প্রশ্ন: গারো জনগোষ্ঠীর জীবনধারা ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করো।
উত্তর: গারোরা বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। তারা প্রধানত ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর ও টাঙ্গাইল জেলায় বাস করে। তাদের ভাষার নাম আচিক। গারো সমাজ মাতৃতান্ত্রিক এবং নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাদের প্রধান পেশা কৃষিকাজ। তারা ভাত, মাছ, মাংস ও শাকসবজি খেতে পছন্দ করে। গারোদের প্রধান উৎসব ওয়ানগালা, যা ফসল কাটার পর পালন করা হয়। তারা নিজস্ব ভাষা, পোশাক ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ করে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সমৃদ্ধ করেছে।
প্রশ্ন: ওঁরাও জনগোষ্ঠীর জীবনযাপন, পোশাক-পরিচ্ছদ, খাদ্যাভ্যাস ও উৎসব সম্পর্কে লিখ।
উত্তর: ওঁরাও জনগোষ্ঠীর বেশির ভাগ মানুষ রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে বসবাস করে। তাদের সমাজব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক এবং বংশপরিচয় বাবার দিক থেকে নির্ধারিত হয়। তারা কৃষিকাজ ও গবাদিপশু পালন করে জীবিকা নির্বাহ করে। তাদের প্রধান খাদ্য ভাত। এ ছাড়া শাকসবজি, মাছ, মাংস, গম ও ভুট্টা খেয়ে থাকে। পুরুষেরা ধুতি, লুঙ্গি, শার্ট ও পাগড়ি পরিধান করে। নারীরা শাড়ি ও ব্লাউজ পরে এবং বিভিন্ন ধরনের অলংকার ব্যবহার করে। তাদের প্রধান উৎসব হলো কারামা, যা ভাদ্র মাসে উদ্যাপন করা হয়। নিজস্ব সংস্কৃতি, ভাষা ও ঐতিহ্য রক্ষা করে ওঁরাও জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে সমৃদ্ধ করেছে।
প্রশ্ন: খাসি জনগোষ্ঠীর জীবনধারা ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করো।
উত্তর: খাসিরা বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় বাস করে। তাদের সমাজব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক। খাসিদের প্রধান পেশা কৃষিকাজ এবং তারা পান চাষে বিশেষভাবে পরিচিত। তারা অতিথিদের পান-সুপারি ও চা দিয়ে আপ্যায়ন করে। তাদের প্রধান দেবতার নাম উব্লাই নাংথউ। খাসিদের প্রধান উৎসব ‘খাসি সেং কুটস্লেম’ বা বর্ষবিদায়। তাদের নিজস্ব ভাষা, পোশাক ও সংস্কৃতি রয়েছে। তারা বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
প্রশ্ন: ম্রো জনগোষ্ঠীর জীবনধারা ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করো।
উত্তর: ম্রো জনগোষ্ঠী প্রধানত বান্দরবান জেলায় বসবাস করে। তারা পাহাড়ি অঞ্চলে প্রকৃতিনির্ভর জীবন যাপন করে। তাদের প্রধান পেশা জুমচাষ। তারা ভাত, শাকসবজি, শুঁটকি মাছ ও মাংস খায়। তাদের নিজস্ব ভাষা ও ঐতিহ্যবাহী পোশাক রয়েছে। ম্রোদের প্রধান উৎসব চাংক্রান। এ ছাড়া জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে ইত্যাদি অনুষ্ঠানে বিভিন্ন আচার–উৎসব পালন করে। তাদের একটি রীতি অনুযায়ী ছেলে–মেয়েশিশু উভয়েরই বয়স ৩ বছর হলে কান ছিদ্র করে দেওয়া হয়। তাদের সংস্কৃতি বাংলাদেশের বৈচিত্র্যকে সমৃদ্ধ করেছে।
প্রশ্ন: সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর জীবনধারা ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করো।
উত্তর: সাঁওতালরা বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, রাজশাহী, নওঁগা, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় বাস করে। তাদের প্রধান পেশা কৃষিকাজ। তারা ভাত, মাছ, মাংস ও শাকসবজি খায়। তাদের ভাষার নাম সাঁওতালি। সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই। তারা নাচ-গান ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে। তাদের নিজস্ব পোশাক ও সংস্কৃতি রয়েছে। তারা বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছে।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করো।
উত্তর: বাংলাদেশে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে। প্রতিটি জনগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা, পোশাক ও সংস্কৃতি রয়েছে। তাদের জীবনধারা ও খাদ্যাভ্যাস একে অপরের থেকে ভিন্ন। তারা বিভিন্ন ধর্ম ও সামাজিক রীতি অনুসরণ করে। প্রতিটি জনগোষ্ঠীর নিজস্ব উৎসব রয়েছে। তারা নাচ, গান ও লোকজ সংস্কৃতি চর্চা করে। তাদের সংস্কৃতি বাংলাদেশের ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছে। তাই সব ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতিকে সম্মান করা উচিত।
প্রশ্ন: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতি আমাদের করণীয় বর্ণনা করো।
উত্তর: বাংলাদেশের সব মানুষ সমান মর্যাদার অধিকারী। তাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ করতে হবে। তাদের ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সম্মান করতে হবে। কোনো ধরনের বৈষম্য করা যাবে না। তাদের অধিকার রক্ষায় সচেতন থাকতে হবে। তাদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। তাদের সংস্কৃতি সংরক্ষণে সহযোগিতা করা উচিত। এতে দেশে সম্প্রীতি ও ঐক্য আরও শক্তিশালী হবে।
প্রশ্ন: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতি বাংলাদেশের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতি বাংলাদেশের ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের নিজস্ব ভাষা, পোশাক ও উৎসব রয়েছে। তারা দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য বৃদ্ধি করেছে। তাদের লোকসংগীত, নৃত্য ও শিল্পকলা আমাদের ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছে। তারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম নিজেদের সংস্কৃতি সংরক্ষণ করছে। তাদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি প্রসারিত করে। এটি পারস্পরিক সম্মান ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি করে। তাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতি সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব।
রাবেয়া সুলতানা, িশক্ষক
বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল, ঢাকা
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
চট্টগ্রাম নগরীর যানজট ও জনভোগান্তি কমাতে পরিবহন মালিক, কন্ট্রাক্টর, চালক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং না করা এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলার মাধ্যমে যানজট অনেকাংশে কমানো সম্ভব। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম বন্দর ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান মালিক ও কন্ট্রাক্টর অ্যাসোসিয়েশনের কার্যকরী পরিষদের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৬ এর নবনির্বাচিত নেতাদের শপথ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। মেয়র বলেন, একটি সুন্দর, নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরীর জন্য সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিবহন মালিক, কন্ট্রাক্টর, চালক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। চট্টগ্রাম নগরীর যানজট নিরসন ও পরিবহন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। শুধু প্রশাসনের পক্ষে একা এ কাজ করা সম্ভব নয়। পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলোকেও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। নতুন নেতৃত্বের প্রতি প্রত্যাশা জানিয়ে ডা. শাহাদাত বলেন, পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি নাগরিকদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। সংগঠনের সদস্যদের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি নগরীর বৃহত্তর স্বার্থেও নবনির্বাচিত নেতাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে চট্টগ্রামের পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও সুশৃঙ্খল ও জনবান্ধব করা সম্ভব। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক ইসরাফিল খসরু। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর জোন) মো. আমিরুল ইসলাম ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ আজিজ। নির্বাচন পরিচালনা কমিটি-২০২৬ এর চেয়ারম্যান নুরুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত সভাপতি হাজী মোহাম্মদ আবু সাইদ হারুন, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরসহ কার্যকরী পরিষদের নেতারা শপথ নেন। অনুষ্ঠানে সংগঠনের নেতা, পরিবহন মালিক, কন্ট্রাক্টর, শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এমআরএএইচ/এমএএইচ/
রাজধানীর বিজয় সরণির নভোথিয়েটারে চলছে তিন দিনের বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার। আজ শনিবার সকালে এ মেলার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ‘ইনোভেট টু মার্কেট’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শুরু হওয়া এ মেলায় নিজেদের তৈরি নানা ধরনের উদ্ভাবনী উদ্যোগ প্রদর্শন করছে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, ৭৩টি বিশ্ববিদ্যালয়সহ উদ্ভাবক ও গবেষকেরা। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ মেলায় প্রযুক্তি, ব্যবসা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, পরিবেশসহ বিভিন্ন উদ্ভাবন ও ধারণা প্রদর্শন করা হচ্ছে, যার মধ্যে সৌরবিদ্যুতে চলা যাত্রীবাহী গাড়ি ‘সান কার’ ও “সোলার সেচ” পাম্প নিয়ে দর্শনার্থীদের মধ্যে বেশ আগ্রহ দেখা গেছে।সৌরবিদ্যুতে চলা চার চাকার ‘সান কার’ প্রদর্শন করছে ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজ। বাহনটি চলার সময়ই সূর্যের আলো থেকে ব্যাটারি চার্জ করতে পারেনানা ধরনের উদ্ভাবনমেলায় যাত্রীবাহী অটোরিকশার বিকল্প হিসেবে সৌরবিদ্যুতে চলা চার চাকার ‘সান কার’ প্রদর্শন করছে ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজ। চালকসহ তিনজন যাত্রী নিয়ে চলতে সক্ষম বাহনটি চলার সময়ই সূর্যের আলো থেকে ব্যাটারি চার্জ করতে পারে। বাহনটির বিষয়ে ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজের বোর্ড অব ট্রাস্টির চেয়ারম্যান ইমরান চৌধুরী বলেন, ‘আমরা সান কার নামে যাত্রীবাহী গাড়ি তৈরি করেছি, যা সূর্যের আলোতে চলবে। সূর্যের আলো না থাকলেও এটি প্রায় পাঁচ ঘণ্টা চলতে পারবে। এটি প্যাডেলচালিত ও বিদ্যুৎ–চালিত রিকশার বিকল্প হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। গাড়িটি চার চাকার হওয়ায় এটি তুলনামূলকভাবে কম দুর্ঘটনাপ্রবণ। এটি তৈরি করতে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।’ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের তৈরি বৈদ্যুতিক মোটরবাইক ও গাড়িমেলায় নিজেদের তৈরি সৌরবিদ্যুতে চলা সেচ পাম্পসহ বৈদ্যুতিক মোটরবাইক ও গাড়ি প্রদর্শন করছে ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন প্রভাষক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘আমরা বিদ্যুৎ–চালিত বাইক ও গাড়ি তৈরি করেছি। আমাদের আরেকটি উদ্ভাবন হলো সৌরবিদ্যুতে চলা পাম্প “সোলার সেচ”। কৃষিজমির সেচকাজে ব্যবহার উপযোগী পাম্পটির মাধ্যমে প্রতি ২০ সেকেন্ডে ৫০০ লিটার পানি উত্তোলন করা যায়।’চৌকস প্রহরী নামের আগ্নেয়াস্ত্রের প্রটোটাইপ প্রদর্শন করছে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি)। ক্যামেরাযুক্ত থাকায় দূর থেকে আগ্নেয়াস্ত্রটি ব্যবহার করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন এমআইএসটির সাইবার নিরাপত্তা গবেষক জাওয়াদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমাদের সীমান্ত এলাকায় অনেক দুর্গম এলাকা রয়েছে, যেখানে সব সময় সহজে পৌঁছানো যায় না। এসব এলাকায় অপরাধ সংঘটিত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ভারত ও চীনের মতো দেশগুলোতে সংক্রিয়ভাবে গুলি করতে সংক্ষম এ ধরনের প্রযুক্তি রয়েছে। “চৌকস প্রহরী” নামের আগ্নেয়াস্ত্রটি স্বয়ংক্রিয় বা মানুষের সহায়তায় ব্যবহার করা যায়।’আখের ছোবড়া থেকে তৈরি প্লেট ও গ্লাস প্রদর্শন করছে শূন্য। দামও বেশ কমআখের ছোবড়া থেকে নিজস্ব প্রযুক্তিতে প্লেট ও গ্লাস তৈরি করে প্রদর্শন করছে ‘শূন্য’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা আকিল আহমেদ বলেন, ‘আমরা মূলত আখের ফেলে দেওয়া অংশ নিয়ে কাজ করি। আখের বর্জ্য ব্যবহার করে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লেট ও গ্লাস তৈরি করছি। এগুলোর দাম প্লাস্টিকের তৈরি প্লেট ও গ্লাসের প্রায় কাছাকাছি। তবে আমাদের তৈরি পণ্য পরিবেশবান্ধব। অন্যদিকে প্লাস্টিকের প্লেট ও গ্লাস পরিবেশের ক্ষতি করে।’মেলায় প্রদর্শনীর পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা, সংলাপ, অধিবেশন ও গোলটেবিল বৈঠক আয়োজন করা হবে। এসব আয়োজনে উদ্ভাবন, গবেষণা, প্রযুক্তির ব্যবহার, বিনিয়োগ, উদ্যোক্তা তৈরি এবং উদ্ভাবনকে বাণিজ্যিকভাবে সফল করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হবে।মেলার দ্বিতীয় দিন আগামীকাল স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে আন্তর্জাতিক অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এতে সাশ্রয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হবে।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ২টি পদে ৫৩৮ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদন শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায়। আগামী ৬ অক্টোবর রাত ১২টা পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। অনলাইন ব্যতিত আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। পরীক্ষার ফি টেলিটক সিমের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। এক নজরে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬পদের বিবরণ আবেদন করার নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আবেদন শুরু: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ সকাল ১০টা আবেদনের শেষ তারিখ: ৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদন পদ্ধতি: অনলাইনে চাকরির ধরন: স্থায়ী প্রার্থীর ধরন: নারী - পুরুষ কর্মস্থল: যে কোনো স্থান বয়স: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ ১৮ - ৩২ বছর। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না। অনলাইনে আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। আবেদনের সঙ্গে ৩০০-৩০০ সাইজের ছবি ও ৩০০-৮০ সাইজের স্বাক্ষর স্ক্যান করে যুক্ত করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পরে এবং অসম্পূর্ণ আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য হবে না। আবেদন ফি: টেলিটক সিমের মাধ্যমে পরীক্ষার ফি বাবদ প্রতিটি পদের জন্য ৫৬ টাকা অফেরতযোগ্য হিসেবে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পাঠাতে হবে। আরও পড়ুনসেনাবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, ৪০ বছর বয়সেও আবেদনের সুযোগনার্স হিসেবে ক্যারিয়ার গড়বেন যেভাবেনৌবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এইচএসসি পাসেই অফিসার ক্যাডেট হওয়ার সুযোগসেনাবাহিনীর চাকরি পেতে যেসব যোগ্যতা আপনাকে এগিয়ে রাখবে১১২ কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেবে বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনসেনাবাহিনী নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এসএসসি পাসেই আবেদন১৪২ জনকে নিয়োগ দেবে সমরাস্ত্র কারখানা, এসএসসি পাসেও আবেদন৮৫ জনকে নিয়োগ দেবে পল্লী উন্নয়ন বোর্ড, আবেদন ফি ১০০ টাকাসেনাবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এইচএসসি পাসেই আবেদনের সুযোগ এমআইএইচ