জাতীয়

মশা মারা হচ্ছে, ডেঙ্গু কমছে না কেন?

News সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ 0
মশা মারা হচ্ছে, ডেঙ্গু কমছে না কেন?
মশা মারা হচ্ছে, ডেঙ্গু কমছে না কেন?

ডেঙ্গুতে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৫৭১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। সরকারের পক্ষ থেকে মশা মারার উদ্যোগ নেওয়া হলেও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। এর কারণ কী? দেখুন ভিডিওতে

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
ইয়ংবিয়নে নতুন পারমাণবিক স্থাপনা উত্তর কোরিয়ার: আইএইএ
ইয়ংবিয়নে নতুন পারমাণবিক স্থাপনা উত্তর কোরিয়ার: আইএইএ

নিজেদের প্রধান পারমাণবিক কেন্দ্র ইয়ংবিয়নে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে নতুন একটি স্থাপনা গড়ে তুলেছে উত্তর কোরিয়া। একই সঙ্গে রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ের কাছে ক্যাংসন পারমাণবিক কেন্দ্রের সম্প্রসারিত অংশেও কার্যক্রম শুরু করেছে দেশটি। আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।ভিয়েনাভিত্তিক জাতিসংঘের এই পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানিয়েছে, বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ ও চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, উত্তর কোরিয়া একাধিক স্থানে ধারাবাহিকভাবে তাদের পারমাণবিক অবকাঠামো বাড়িয়ে চলেছে। ২০০৯ সালের পর থেকে দেশটিতে আইএইএর কোনো পরিদর্শককে প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে না পিয়ংইয়ং। ফলে উপগ্রহ থেকে পাওয়া ছবি এবং উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি বিশ্লেষণ করেই সংস্থাটি এই পর্যবেক্ষণ তৈরি করেছে।আইএইএর প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং–উনের একটি পারমাণবিক কেন্দ্র পরিদর্শনের ছবি প্রকাশ করে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। সেই ছবির সঙ্গে স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবি মিলিয়ে ইয়ংবিয়নে নতুন দোতলা ভবনটি শনাক্ত করা হয়েছে। এটি ওই কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনা। ভবনটির ওপর ও নিচ—উভয় তলাতেই গ্যাস সেন্ট্রিফিউজ ক্যাসকেড বসানো হয়েছে। সব মিলিয়ে সেখানে অন্তত ২৮টি ক্যাসকেড বসানোর সুযোগ রয়েছে।প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ইয়ংবিয়নের পাশাপাশি পিয়ংইয়ংয়ের কাছে ক্যাংসনে অবস্থিত ইউরেনিয়াম কেন্দ্রেও কাজ চলছে। ২০২৪ সালে নির্মিত ওই কেন্দ্রের একটি সংযুক্ত ভবনে (অ্যানেক্স) চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকেই পারমাণবিক কার্যক্রম শুরু করার স্পষ্ট আলামত পাওয়া গেছে।সোমবার আইএইএর বোর্ড অব গভর্নরসের সভায় সংস্থাটির মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ইয়ংবিয়ন ও ক্যাংসন কেন্দ্রে পারমাণবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং অস্ত্র তৈরির উপযোগী উপাদানের উৎপাদন বাড়ানো অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। উত্তর কোরিয়ার এ ধরনের তৎপরতা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের স্পষ্ট লঙ্ঘন।তবে পিয়ংইয়ং শুরু থেকেই আইএইএর এই পর্যবেক্ষণ ও কর্তৃত্বকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে আসছে। ভিয়েনায় উত্তর কোরিয়ার মিশন থেকে সাফ জানানো হয়েছে, পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে তাদের অবস্থান এখন চূড়ান্ত এবং অপরিবর্তনীয়। পারমাণবিক বিস্তার রোধ চুক্তির (এনপিটি) বাইরে থাকা কোনো পারমাণবিক শক্তিধর দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর কোনো আইনি অধিকার আইএইএর নেই।

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
নাটালি হার্পসহ তিন নারী কর্মীকে ৪৫ হাজার ডলার করে উপহার দিয়েছিলেন ট্রাম্প

নাটালি হার্পসহ তিন নারী কর্মীকে ৪৫ হাজার ডলার করে উপহার দিয়েছিলেন ট্রাম্প

মাঠপর্যায়ে তীব্র সার সংকটে কৃষকরা হাহাকার করছেন: সংসদে শফিকুল ইসলাম

মাঠপর্যায়ে তীব্র সার সংকটে কৃষকরা হাহাকার করছেন: সংসদে শফিকুল ইসলাম

দেশজুড়ে সাংস্কৃতিক ঐক্য গড়তে জাতীয় কনভেনশন শুক্রবার

দেশজুড়ে সাংস্কৃতিক ঐক্য গড়তে জাতীয় কনভেনশন শুক্রবার

চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্মারকলিপি
চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্মারকলিপি

সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর মুক্তির দাবিতে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ সনাতন পার্টি (বিএসপি)। তাঁর প্রতি মানবিক ও আইনগত সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে স্মারকলিপিতে।স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মা অত্যন্ত অসুস্থ। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাঁর মায়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন।বিএসপির সভাপতি অনুপ কুমার দত্ত ও সাধারণ সম্পাদক সুমন কুমার রায় স্বাক্ষরিত এই স্মারকলিপি বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জমা দেয় তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধিদলের সদস্যরা হলেন বিএসপির স্থায়ী কমিটির সদস্য প্রনবানন্দ মহারাজ ও টনি মল্লিক এবং জাগো হিন্দু পরিষদের সভাপতি সঞ্জয় বণিক। প্রথম আলোকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বিএসপির সাধারণ সম্পাদক সুমন কুমার রায়।প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে স্মারকলিপিতে বিএসপি বলেছে, ‘দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বী জনগোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা ও প্রত্যাশার কথা বিবেচনা করে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তির বিষয়ে আপনার সদয় দৃষ্টি ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে।’২০২৪ সালের ৫ আগস্ট–পরবর্তী সময়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন দাবি, নিরাপত্তা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়ে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস প্রকাশ্যে প্রতিবাদ ও আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন উল্লেখ করে স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, বিশেষ করে সনাতন সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, অধিকার ও ন্যায়বিচারের দাবিতে ঘোষিত আট দফা দাবির পক্ষে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।পরে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে একটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় উল্লেখ করে স্মারকলিপিতে বলা হয়, পরবর্তী সময়ে আরও কয়েকটি মামলায় তাঁকে আসামি করা হয়েছে। তাঁর দীর্ঘদিনের হাজতবাসের বিষয়টি আইন, ন্যায়বিচার, মৌলিক অধিকার ও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম যখন হত্যাকাণ্ডের শিকার হন, তখন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে ছিলেন বলেও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়। তাতে বলা হয়, তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ ও মামলার প্রেক্ষাপট বিবেচনার ক্ষেত্রে যথাযথভাবে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট সব তথ্য-প্রমাণ ও আইনগত বিষয় নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করলে প্রকৃত সত্য উদ্‌ঘাটিত হবে।চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পারিবারিক পরিস্থিতি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক উল্লেখ করে স্মারকলিপিতে বিএসপি বলেছে, তাঁর জন্মের আগেই তাঁর বাবা মারা যান। এখন তাঁর মা অত্যন্ত অসুস্থ। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাঁর মায়ের অবস্থা সংকটাপন্ন।এ অবস্থায় মায়ের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি মানবিক বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, দীর্ঘ হাজতবাসের কারণে তাঁর মায়ের সংকটাপন্ন অবস্থায় পাশে থাকার সুযোগ থেকে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস বঞ্চিত হচ্ছেন, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।আরও ৮ দফা দাবিচিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তি ছাড়াও স্মারকলিপিতে আট দফা দাবি জানিয়েছে বিএসপি। সেগুলো হলো রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার বিষয়ে অবিলম্বে জুডিশিয়াল তদন্ত গ্রহণ করা; তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা ও হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কারণ উদ্‌ঘাটন করা; তদন্তে দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা; নিহতদের পরিবারকে প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সহায়তা ও নিরাপত্তা প্রদান করা; নারায়ণগঞ্জের কটন মিলের মন্দির উদ্ধার ও পূজা-অর্চনার জন্য পুরোহিতসহ সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার দ্রুত কার্যকর সরকারি উদ্যোগ গ্রহণ করা; মিলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অন্যান্য অংশীজনের স্বার্থ রক্ষা করা; ভবিষ্যতে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড, সহিংসতা ও সম্পদ-সংক্রান্ত অনিয়ম প্রতিরোধে কার্যকর প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং দেশের সব নাগরিকের জানমাল, সম্পদ ও মৌলিক অধিকার রক্ষায় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক ভূমিকা পালন করা।

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
মিরপুরে পুরোনো ভবনের দেয়ালধসে শ্রমিকের মৃত্যু

মিরপুরে পুরোনো ভবনের দেয়ালধসে শ্রমিকের মৃত্যু

চট্টগ্রামে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

চট্টগ্রামে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

আবারও বার্সেলোনার পাঁচ গোল, এবার উড়ে গেল ফেইনুর্ড

আবারও বার্সেলোনার পাঁচ গোল, এবার উড়ে গেল ফেইনুর্ড

ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলায় কাজ হারাচ্ছেন অস্কারজয়ী অভিনেত্রী
ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলায় কাজ হারাচ্ছেন অস্কারজয়ী অভিনেত্রী

ফিলিস্তিনের পক্ষে সরব হওয়ার কারণে এখনও পেশাগতভাবে ক্ষতির মুখে পড়ছেন বলে জানিয়েছেন অস্কারজয়ী অভিনেত্রী সুসান সারান্ডন। তার দাবি, গাজা যুদ্ধের সময় ফিলিস্তিনিদের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়ার পরও হলিউডের কিছু অংশে তাকে এড়িয়ে চলার প্রবণতা রয়েছে। সম্প্রতি ইতালির ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে নিজের নতুন সিনেমা ‌‘দ্য ইকো চেম্বার’র প্রচারে গিয়ে এ বিষয়ে কথা বলেন ৭৯ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী। রোববার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সারান্ডন বলেন, ফিলিস্তিন নিয়ে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক এবং ইসরায়েলকে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া অর্থসহায়তার বিষয়টি অনেকের কাছে এখন আগের চেয়ে স্পষ্ট হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষায়, ফিলিস্তিনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মানুষের ধারণায় বড় পরিবর্তন এসেছে। তবে জনমতের এই পরিবর্তনের পরও পেশাগত ক্ষেত্রে তার জন্য পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলায়নি। সারান্ডন বলেন, সাম্প্রতিক সময়েও তার কিছু সিনেমার কাজ হাতছাড়া হয়েছে। তার দাবি, কিছু এজেন্সি এখনও প্রযোজনা সংশ্লিষ্টদের তাকে নিয়োগ না দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে। অভিনেত্রীর ভাষ্য, বড় স্টুডিওগুলোর ক্ষেত্রে ইসরায়েলবিরোধী অবস্থান প্রকাশ্যে তুলে ধরা ব্যক্তিদের কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে এখনও বাধা রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিকভাবে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে তিনি যে উষ্ণতা পাচ্ছেন, তাতে সন্তুষ্ট বলেও জানান সারান্ডন। তিনি বলেন, দ্য ইকো চেম্বার সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ দেওয়ার জন্য পরিচালক আন্দ্রেয়া পাল্লাওরোর প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। এ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সারান্ডন বলেন, তিনি নিজের ‘পরিবার’ ও ‘নিজের মানুষদের’ খুঁজে পেয়েছেন এবং তিনি ভালো আছেন। তার এই বক্তব্যের পর সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছ থেকে দীর্ঘ সময় করতালি আসে। ভেনিস উৎসবেও ফিলিস্তিন প্রসঙ্গএবারের ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবেও ফিলিস্তিন ইস্যু আলোচনায় এসেছে। উৎসবে প্রদর্শিত কয়েকটি সিনেমায় সাধারণ ফিলিস্তিনিদের সংগ্রাম ও বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে উৎসবস্থলে ফিলিস্তিনি পতাকা ওড়ানোর দাবিও জানিয়েছেন কয়েকজন অধিকারকর্মী। তবে ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবের শৈল্পিক পরিচালক আলবের্তো বারবেরা জানিয়েছেন, ইতালি আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি না দেওয়ায় উৎসবে ফিলিস্তিনি পতাকা ওড়ানো সম্ভব নয়। অন্যদিকে, সারান্ডন নিজেও দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে সোচ্চার। ২০২৩ সালে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর ফিলিস্তিনপন্থী সমাবেশে তার বক্তব্যের জেরে দীর্ঘদিনের প্রতিভা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ইউটিএ (UTA) তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিল। সারান্ডনের নতুন সিনেমা দ্য ইকো চেম্বার ইতালীয় নির্মাতা বের্নার্দো বের্তোলুচ্চির শেষ চিত্রনাট্যের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত। এতে একজন বয়স্ক গায়িকার চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। গল্পে দেখা যায়, মাদকাসক্তি থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা এক সংগীত প্রযোজককে নিজের নতুন অ্যালবামের কাজে যুক্ত করেন ওই গায়িকা। সিনেমাটি ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবের গোল্ডেন লায়ন পুরস্কারের জন্য প্রতিযোগিতায় থাকা ২১টি ছবির একটি। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর উৎসবের পুরস্কার ঘোষণা হওয়ার কথা।   এলআইএ

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
দৌলতদিয়ায় দুর্বৃত্তের হামলায় যৌনকর্মী নিহত

দৌলতদিয়ায় দুর্বৃত্তের হামলায় যৌনকর্মী নিহত

মিরপুরের অপরাধপ্রবণ এলাকায় পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার ১৩৯

মিরপুরের অপরাধপ্রবণ এলাকায় পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার ১৩৯

বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে বাড়ি ফিরছিলেন ছেলে, পথে প্রাণ গেলো ট্রাকচাপায়

বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে বাড়ি ফিরছিলেন ছেলে, পথে প্রাণ গেলো ট্রাকচাপায়

0 Comments