জাতীয়

মেধাকে কবর দেওয়ার উদ্যোগ নিলে নতুন আন্দোলন হবে: শফিকুর রহমান

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
মেধাকে কবর দেওয়ার উদ্যোগ নিলে নতুন আন্দোলন হবে: শফিকুর রহমান
মেধাকে কবর দেওয়ার উদ্যোগ নিলে নতুন আন্দোলন হবে: শফিকুর রহমান

সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে ভাইবার নম্বর বাড়িয়ে দলীয় আনুকূল্যের পথ প্রশস্ত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, সবশেষ ওয়ারিং ম্যাটার শুরু হয়েছিল মেধার স্বীকৃতির দাবিতে। রিসেন্টলি আবার সেই মেধাকে কবর দেওয়ার জন্য নতুন একটা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে ভাইবার মার্ক বাড়িয়ে এখানে দলীয় আনুকূল্যের রাস্তাকে প্রশস্ত করা হয়েছে। এরই মধ্যে ছাত্র-যুব সমাজের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এটাই আরেকটা বড় আন্দোলনের জন্ম দেবে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে সংসদের অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুর রহমান বলেন, যে আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে আজকের এই সরকার, এই সংসদ, আবার একই ধরনের কার্যকারণ ঘটাই, আরেকটা আন্দোলন হোক, এটা আমরা চাই না। কিন্তু যদি এখান থেকে সরকার সংশোধন করে ফিরে না আসে, তাহলে কিন্তু এটা অনিবার্য হয়ে উঠবে। এটা কেউ ঠেকাতে পারবে না।

তিনি বলেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের ব্যাপারে সরকারের চরম অনীহা রয়েছে। এই গণরায়কে পাশ কাটিয়ে তাদের পছন্দমতো সংবিধান সংশোধন করা হচ্ছে। জনগণকে দেওয়া রাজনৈতিক কমিটমেন্ট ভোটের জন্য ছিল, এখন তা কার্যকর নয়—এমন বক্তব্য জনগণকে সুস্পষ্টভাবে ধোঁকা দেওয়ার শামিল।

বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনের ফল পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী মেনে না নেওয়ার কারণেই ১৯৭১ সালের যুদ্ধ অনিবার্য হয়েছিল। এখনো গণভোটের রায় উপেক্ষা করা দেশ, জাতি ও কোনো দলের জন্য কল্যাণকর হবে না। এটি কালো ইতিহাস হয়ে থাকবে। আমরা যতদিন সংসদে আছি, এই দাবি করে যাব। শেষ পর্যন্ত জনগণের জনরায় বাস্তবায়িত হবে। তবে ততক্ষণে দেশের অনেক ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

তিনি বলেন, আমরা প্রথাগত বিরোধী দল হতে চাই না। সরকার ভালো কিছু করলে সমর্থন পাবে, মন্দ করলে প্রতিবাদ করব এবং ক্ষেত্রবিশেষে প্রতিরোধ গড়ে তুলব। এটাই আমাদের পলিসি।

র‌্যাব প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, র‌্যাব জাতির ওপর চরম জুলুম করেছে। র‌্যাব বিলুপ্ত করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) গঠন করা হলেও র‌্যাবের স্থাপনা, লজিস্টিক ও ম্যানপাওয়ার সেখানে স্থানান্তর করা হলে এটি শুধু ‘বোতল পরিবর্তন’ হবে, পরিবর্তন আর কিছু নয়।

মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ কমিশন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার অভিযোগ, নতুন আইনে কমিশনগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। এসব আইন জনগণের জন্য নয়, সরকারকে প্রটেকশন দেওয়ার জন্য করা হচ্ছে।

বিরোধী দলের আসনে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া এবং তহবিল বরাদ্দে বৈষম্যেরও সমালোচনা করেন তিনি। বলেন, সরকারি দলের সদস্যরা আগে ও বেশি বরাদ্দ পাচ্ছেন, অথচ বিরোধী দলকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। জনগণের উন্নয়নের সঙ্গে ভোটের কোনো সম্পর্ক নেই। সর্বক্ষেত্রে এখান থেকে বৈষম্য তৈরি করা হচ্ছে। অলরেডি আমার সহকর্মী বলেছেন, বিরোধী দলের আসনগুলোতে সরকারি দলের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আমাদের ওপর সুপারভিশন করার জন্য।

লং মার্চ প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এটি কোনো একক দাবিতে করা হয়নি। গণভোট, প্রশাসনের দলীয়করণ বন্ধ, বৈষম্য দূর, মানুষের বাঁচার দাবি, শিল্প, জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাবিসহ ছয়টি দাবি ছিল। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুরের দিকে দ্বিতীয় লং মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারও পূর্ণ স্বাধীন বিচার বিভাগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু এখন উল্টো পথে চলছে। সরকারি চাকরিতে নিয়োগে ভাইবার নম্বর বাড়িয়ে দলীয় আনুকূল্যের পথ প্রশস্ত করা হচ্ছে। এটি সংশোধন না হলে নতুন আন্দোলন অনিবার্য হয়ে উঠতে পারে।

তিনি বলেন, আমাদের কোনো দাবি কোনো দলের পক্ষে বা বিপক্ষে নয়। প্রত্যেকটি দাবি জনগণের অধিকারের পক্ষে। এ ব্যাপারে কারও সঙ্গে কমপ্রমাইজ করা যাবে না। আমরা একটি মানবিক, বৈষম্যমুক্ত ও ন্যায়-ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে চাই।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কোরআন এবং সুন্নাহর পলিসির সাথে ক্লিয়ার কন্ট্রাডিক্টরি একটা আইন করা হয়েছে। প্রপার্টি ট্রান্সপারেক্ট। আমরা কোরআনের আয়াত, হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছি যে, এভাবে এটা বৈষম্য, সরাসরি কন্ট্রাডিকশন, বিপরীত। এরপরে বলেছি, আমাদের কথাগুলো আমলে নিয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন হচ্ছে সরকারি সংস্থা। তাদেরকে বিষয়টা ডেলিগেট করে। তারা এই ব্যাপারে অভিজ্ঞ স্কলার যারা আছেন, যারা কোরআন-হাদিসের উপরে পাণ্ডিত্য রাখেন, তাদের সাথে বসবেন, কথা বলবেন। তারপরে তাদের কাছ থেকে একটা রিকমেন্ডেশন আসুক। আসার পরে আপনারা আইনটা তৈরি করেন।

‘এরকম দুঃসাহস ইংরেজরাও করেনি। পাকিস্তান আমলে আইয়ুব খান অ্যাটেম্প নিয়ে ব্যর্থ হয়েছে। বাংলাদেশ আমলে দুই-একবার অ্যাটেম্প নিয়েছে, কেউ সফল হয়নি। এই সরকার দায়িত্ব নেওয়ার আগে বলেছে তারা যে কোরআন-সুন্নাহর বিরুদ্ধে কোনো আইন পাশ করবে না। কিন্তু করলেনটা কি? এর কোনো জবাব নেই।’

এ সময় বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামসহ বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এমওএস/কেএএ/

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
যৌথ ঘোষণাপত্রে কী থাকছে
যৌথ ঘোষণাপত্রে কী থাকছে

ব্রিকস নেতারা সর্বসম্মতিক্রমে ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা ২০২৬’ শীর্ষক ৪৫ পৃষ্ঠার যৌথ ঘোষণাপত্র গ্রহণ করেছেন। সম্মেলনের স্বাগতিক দেশ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই ঘোষণাপত্র অনুমোদনের কথা জানান।ঘোষণাপত্রে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ‘কাঠামোগত পরিবর্তন’সহ বহুপক্ষীয় সংস্থাগুলোর সংস্কারের আহ্বান জানানো হয়েছে। এতে সন্ত্রাসবাদের তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি একপক্ষীয়ভাবে যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়ার বিরোধিতা করা হয়েছে। এ ছাড়া ইরান যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে নাবিক ও বাণিজ্যিক নৌপরিবহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।ব্রিকসের সদস্য ও নিরাপত্তা পরিষদের দুই স্থায়ী সদস্য চীন ও রাশিয়া জাতিসংঘ এবং নিরাপত্তা পরিষদে ব্রাজিল ও ভারতের আরও বড় ভূমিকা পালনের আকাঙ্ক্ষার প্রতি তাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বিশেষভাবে আফ্রিকা, এশিয়া এবং লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের উন্নয়নশীল দেশগুলোর বৃহত্তর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।ঘোষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ব্রিকস দেশগুলোর মধ্যকার বাণিজ্য মার্কিন ডলারের বদলে নিজস্ব মুদ্রায় পরিচালনা করা উচিত।প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘এটি স্পষ্ট যে পরিবর্তিত বিশ্বকে পুরোনো আমলের প্রতিষ্ঠান দিয়ে চালানো সম্ভব নয়; প্রতিনিধিত্ব, সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা এবং নীতিনির্ধারণে সংস্কার এখন অপরিহার্য। আমরা এই বিষয়েও জোর দিয়েছি যে ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি এবং তা পরিচালনার নীতিমালা প্রণয়নে বৈশ্বিক দক্ষিণের (গ্লোবাল সাউথ) সমঅংশগ্রহণ থাকতে হবে।’মোদি বলেন, ‘গৃহীত নয়াদিল্লি ঘোষণা আমাদের যৌথ অঙ্গীকারকে একটি সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। এখন এই সিদ্ধান্তগুলো বাস্তব ফলাফলে রূপান্তর করা আমাদের দায়িত্ব।’যৌথ ঘোষণাপত্রে একমত ব্রিকসঘোষণাপত্রে বলা হয়, ‘আমরা লক্ষ করছি যে বহুপক্ষীয় বাণিজ্যব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে এক সংকটপূর্ণ মোড়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। ঢালাওভাবে শুল্ক ও শুল্কবহির্ভূত বাধা বাড়ানো কিংবা পরিবেশ রক্ষার অজুহাতে সংরক্ষণবাদের মতো ডব্লিউটিওর নিয়মের পরিপন্থী বাণিজ্য-প্রতিবন্ধকতার প্রসার ঘটছে।’ আরও বলা হয়, এগুলো বৈশ্বিক বাণিজ্য আরও হ্রাস করার, বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত করার এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমে অনিশ্চয়তা তৈরি করার ঝুঁকি বাড়ায়; যা বিদ্যমান অর্থনৈতিক বৈষম্যকে আরও তীব্র করতে পারে এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের সম্ভাবনাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
জেমসের ‘তারায় তারায়’, রূপমের ‘হাসনুহানা’য় মাতল সিডনি

জেমসের ‘তারায় তারায়’, রূপমের ‘হাসনুহানা’য় মাতল সিডনি

কবি ও ঔপন্যাসিক কেতকী কুশারী ডাইসন মারা গেছেন

কবি ও ঔপন্যাসিক কেতকী কুশারী ডাইসন মারা গেছেন

সন্দেহ হওয়ায় তল্লাশি, ঢামেকে মিললো চুরি করা মোবাইল-পাওয়ার ব্যাংক

সন্দেহ হওয়ায় তল্লাশি, ঢামেকে মিললো চুরি করা মোবাইল-পাওয়ার ব্যাংক

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঢাবিতে ছাত্রদলের ২ দিনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি
ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঢাবিতে ছাত্রদলের ২ দিনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্ন রাখার লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ছাত্রদল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচির কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার লক্ষ্যে সরকারের চলমান ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’-এর ধারাবাহিকতায় এসব কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে গিয়ে ক্যাম্পাসে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে প্রশাসনের পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়া হবে। একই সঙ্গে সচেতনতামূলক বিলবোর্ড স্থাপন ও লিফলেট বিতরণ করা হবে। এছাড়া ১৪ সেপ্টেম্বর (সোমবার) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল শাখাগুলোর উদ্যোগে স্ব-স্ব হল প্রশাসনের সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার লক্ষ্যে স্মারকলিপি দেওয়া হবে। পাশাপাশি হলগুলোতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ছাত্রদল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস এবং সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন এ কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক (যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) মলিক ওয়াসি উদ্দিন তামীর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। আরটি/এমআইএইচএস

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
ফটিকছড়িতে শুটার ডাবা হারুন গ্রেফতার

ফটিকছড়িতে শুটার ডাবা হারুন গ্রেফতার

মানদেব প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি হুতিদের

মানদেব প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি হুতিদের

ভালো কোম্পানিকে সহজে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করা হবে

ভালো কোম্পানিকে সহজে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করা হবে

মোদির জন্মদিন উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গে ২০ দিনের নজিরবিহীন আয়োজন, সমালোচনা
মোদির জন্মদিন উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গে ২০ দিনের নজিরবিহীন আয়োজন, সমালোচনা

পশ্চিমঙ্গ রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন থেকে শুরু করে আগামী ৭ অক্টোবর তাঁর কর্মজীবনের ২৫ বছর পূর্তি পর্যন্ত মোট ২০ দিনজুড়ে এই ‘সেবা সংকল্প অভিযান’ এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমুখী কর্মসূচি পালন করা হবে। অতীতে এ ধরনের অনুষ্ঠান পশ্চিমবঙ্গে হয়নি।ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৫তম জন্মদিন আর প্রশাসক হিসেবে তাঁর ২৫ বছরের কর্মজীবন উদ্‌যাপনে প্রথমবারের মতো পশ্চিমবঙ্গে নানা আয়োজনের কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। সম্প্রতি এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে রাজ্যের প্রশাসনিক শীর্ষস্থানীয় কর্তা, মন্ত্রী ও বিধায়কদের উপস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই বহুমুখী আয়োজনের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। মোট ২০ দিনজুড়ে চলবে এ আয়োজন।তবে এ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের এতে শামিল করার সমালোচনা হচ্ছে। আর পূজার সময় এ আয়োজন করায় খুচরো দোকানের বিক্রি কমবে বলে মনে করছেন দোকানিরা।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন থেকে শুরু করে আগামী ৭ অক্টোবর তাঁর কর্মজীবনের ২৫ বছর পূর্তি পর্যন্ত মোট ২০ দিনজুড়ে এই ‘সেবা সংকল্প অভিযান’ এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমুখী কর্মসূচি পালন করা হবে। অতীতে এ ধরনের অনুষ্ঠান পশ্চিমবঙ্গে হয়নি।রাজ্য সচিবালয় নবান্ন থেকে জারি করা সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, ১৭ সেপ্টেম্বর সূর্যাস্তের পর রাজ্যজুড়ে ‘আশীর্বাদো কি দিয়া’ বা আশীর্বাদের প্রদীপ জ্বালানোর মাধ্যমে এই কর্মসূচির সূচনা হবে। পরিকল্পনার আওতায় থাকা পশ্চিমবঙ্গের মোট ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রেই আলো জ্বালানোর বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিধানসভায় কমপক্ষে ২৫ হাজার প্রদীপ জ্বালানো হবে। অর্থাৎ রাজ্যজুড়ে ওই সন্ধ্যায় ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ মানুষের উদ্যোগে ৭০ লাখের বেশি প্রদীপ জ্বলে উঠবে। নবান্ন, রাজ্য সচিবালয়, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ও কালীঘাট মন্দিরের মতো ঐতিহ্যপূর্ণ স্থানগুলো প্রদীপের আলোয় সাজিয়ে তোলা হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে।স্কুলশিক্ষার্থীদের অংশ নিতে হবে অনুষ্ঠানেপ্রধান অনুষ্ঠানটি গঙ্গার তীরে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। এই বৃহৎ কর্মযজ্ঞে রাজ্যের ৮০ হাজারের বেশি প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়কে যুক্ত করা হয়েছে। বিধানসভাভিত্তিক শিক্ষার্থীদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করে তা সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের কাছে হস্তান্তরের জন্য জেলা স্কুল পরিদর্শকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই তালিকা অনুযায়ী পড়ুয়াদের মাথাপিছু একটি প্রদীপ দেওয়া হবে। ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ঠিক সাতটায় নিজের বাড়িতে সপরিবার সেই প্রদীপ জ্বালিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তারা ধন্যবাদ জানাবে এবং ২০৪৭ সালে বিকশিত ভারতের জন্য সংকল্প গ্রহণ করবে। প্রদীপ কেনার জন্য মাথাপিছু দুই টাকা বরাদ্দ করেছে প্রশাসন। শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, যেসব অভিভাবক সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন, তাঁদেরও এই কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।এই বৃহৎ কর্মযজ্ঞে রাজ্যের ৮০ হাজারের বেশি প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়কে যুক্ত করা হয়েছে। বিধানসভাভিত্তিক শিক্ষার্থীদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করে তা সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের কাছে হস্তান্তরের জন্য জেলা স্কুল পরিদর্শকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনিক সূত্রকে উদ্ধৃত করে পশ্চিমবঙ্গের প্রচারমাধ্যম জানিয়েছে, ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে আগামী ১০ অক্টোবর পর্যন্ত সময়সীমায় রাজ্যের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বিবিধ সামাজিক ও সৃজনশীল প্রতিযোগিতা আয়োজিত হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পড়ুয়াদের জন্য ‘স্বপ্নের ভারত’ ভাবনার ভিত্তিতে অঙ্কন, কুইজ, তাৎক্ষণিক বক্তৃতা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার পাশাপাশি ‘নমো সেবা নাটক’ মঞ্চস্থ করার নির্দেশও দিয়েছে স্কুলশিক্ষা দপ্তর। জানা গেছে, উচ্চশিক্ষা দপ্তরের উদ্যোগে ‘বিকশিত ভারত সংকল্প যাত্রা’ কর্মসূচির অধীন পশ্চিমবঙ্গ থেকে ২৫ প্রতিনিধিকে উত্তর প্রদেশে পাঠানো হবে এবং উত্তর প্রদেশের সমসংখ্যক শিক্ষার্থী এ রাজ্যে এসে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর কনটেন্ট সৃষ্টি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিরন্তর প্রচার করবে।দিল্লিতে মোদির আপ্যায়নে পুতিন-সি, তবে ব্রিকসে বড় হয়ে উঠবে ট্রাম্পের ছায়াআরও নানা পরিকল্পনা সরকারেরক্রীড়া দপ্তরের অধীন ‘সেবা জ্যোতি যাত্রা’, ‘সেবা সেতু অভিযান’, ‘আলপনা প্রতিযোগিতা’ এবং আইআইটি খড়গপুর বা আইআইএম কলকাতার মতো বিশিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় ‘রাষ্ট্রীয় ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ’ পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে। গোটা প্রকল্পে যুবসমাজকে যুক্ত করতে মোটরবাইক ও সাইকেল মিছিল, স্বাস্থ্য শিবিরের আওতায় সাফাই অভিযান ও রক্তদান কর্মসূচি রূপায়ণ করা হবে। উৎসবের উৎকর্ষ বাড়াতে প্রাকৃতিক রং ব্যবহার করে ১০৮ মিটারজুড়ে বিশাল ‘ভারত মণ্ডল’ রঙ্গোলি বা রঙিন আলপনা আঁকার পরিকল্পনাও করা হয়েছে।স্বপন মণ্ডল, বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদকপ্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উদ্‌যাপনে সাধারণ স্কুলপড়ুয়া ও তাদের অভিভাবকদের এক রাজনৈতিক বা সামাজিক সমীক্ষায় শামিল করা হচ্ছে। সরকারি সুবিধার উপভোক্তাদের এভাবে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণে বাধ্য করা অনুচিত।এই সুবিশাল কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষের জীবনযাপনের যে ব্যাপক হারে মানোন্নয়ন হয়েছে, সেই বার্তা প্রচার করা। সেই উদ্দেশ্যে কেন্দ্র সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি যেমন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, আয়ুষ্মান ভারত, জল জীবন মিশন অথবা পিএম কিষান সম্মাননিধির মতো প্রকল্পের সুবিধাপ্রাপ্ত পরিবারগুলোকে ‘নমো সেবা গাথা’ (মোদি সেবা কাব্য) এবং ‘কাহানি বদলাও কি’ (পরিবর্তনের কাহিনি) শিরোনামে বিশেষ প্রচার করা হবে।এর ফলে ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের সুবাদে তৃণমূল স্তরে সামাজিক ও অর্থনৈতিক রূপান্তরের চিত্র প্রকাশ করা সম্ভব হবে। এই সমগ্র আয়োজনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে মোট ১৩টি বিশেষ উদ্যোগ বা প্রকল্প, যার অন্যতম ‘জনসেবা মহাকুম্ভ’। শুধু তা–ই নয়, প্রতিটি কর্মসূচির আলোকচিত্র এবং ভিডিও তৈরি করে নির্দিষ্ট প্রতিবেদন জমা দেওয়াও আবশ্যক করা হয়েছে। সমগ্র প্রকল্পটি সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর।গোটা প্রকল্পে যুবসমাজকে যুক্ত করতে মোটরবাইক ও সাইকেল মিছিল, স্বাস্থ্য শিবিরের আওতায় সাফাই অভিযান ও রক্তদান কর্মসূচি রূপায়ণ করা হবে। উৎসবের উৎকর্ষ বাড়াতে প্রাকৃতিক রং ব্যবহার করে ১০৮ মিটারজুড়ে বিশাল ‘ভারত মণ্ডল’ রঙ্গোলি বা রঙিন আলপনা আঁকার পরিকল্পনাও করা হয়েছে।সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ৭ অক্টোবর এই মহা-আয়োজনের অন্তিম দিনে রাজ্যের প্রতিটি জেলা সদরে বড় মাপের সরকারি অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে এবং সব জেলার সাধারণ মানুষের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, যা ইন্টারনেট মাধ্যমের সাহায্যে প্রচারিত হবে। এর পাশাপাশি পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোকে নিয়ে কলকাতার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে একটি কেন্দ্রীয় সমাপ্তি অনুষ্ঠানেরও পরিকল্পনা থাকছে।তবে নন্দীগ্রাম বা রেজিনগরের মতো বিধানসভা এলাকা যেখানে উপনির্বাচন হতে চলেছে, সেখানে নির্বাচন কমিশনের আদর্শ আচরণবিধি মেনে কোনো সরকারি কর্মসূচি হবে না বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, উল্লিখিত অঞ্চলের জনসাধারণ চাইলে ব্যক্তিগত বা সামাজিক স্তরে এই মহা-উদ্‌যাপনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।বিক্ষিপ্ত সমালোচনাও হচ্ছেরাজ্য সরকারের উদ্যোগে এই বিশাল উদ্যোগকে ঘিরে ইতিবাচক উদ্দীপনার পাশাপাশি মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাবিদ ও শিক্ষক সংগঠনগুলোর একাংশের তরফে। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডলের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন ও কর্মজীবনের রজতজয়ন্তী উদ্‌যাপনের মাধ্যমে সাধারণ স্কুলপড়ুয়া ও অভিভাবকদের এক রাজনৈতিক বা সামাজিক সমীক্ষায় শামিল করা হচ্ছে। সরকারি সুবিধার উপভোক্তাদের এভাবে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণে বাধ্য করাকে অনুচিত বলে দাবি করে তিনি এই উদ্যোগের কড়া সমালোচনা করেছেন।রাজ্যজুড়ে ওই সন্ধ্যায় ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ মানুষের উদ্যোগে ৭০ লাখের বেশি প্রদীপ জ্বলে উঠবে। নবান্ন, রাজ্য সচিবালয়, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল এবং কালীঘাট মন্দিরের মতো ঐতিহ্যপূর্ণ স্থানগুলো প্রদীপের আলোয় সাজিয়ে তোলা হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে।পাশাপাশি পুজোর মুখে এর ফলে খুচরো দোকানের বিক্রি কমবে বলে মনে করছেন দোকানিরা। ‘ইতিমধ্যেই মানুষ কেনাকাটা অনেক কমিয়ে দিয়েছেন। এর প্রধান কারণ নানা স্তরে বাজারের ওপর আঘাত এসেছে। বেআইনি দোকান বলে একাধিক রেস্তোরাঁ, হোটেল ইত্যাদি বন্ধ করা হয়েছে, হকার তুলে দিয়েছে এবং পাশাপাশি বড় বাড়ি, (মূলত ফ্ল্যাট বাড়ি) বানানোর অনুমতি দিচ্ছে না সরকার। এর ফলে মানুষের হাতে যে বাড়তি অর্থ টাকা থাকে, তা পুজোর আগে নেই। তার ওপর সরকার এখন ঝাঁপিয়ে পড়ল প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালনে। এতে আপত্তির কিছু নেই, কিন্তু তার পরিবর্তে বাজারে আরেকটু অর্থ ঢোকাতে পারলে ভালো হতো বলে মনে হয়’, মন্তব্য দক্ষিণ কলকাতার সর্ববৃহৎ গরিয়াহাট বাজার সমিতির এক নেতার। তবে নিজের নাম প্রকাশ করতে চাইলেন না তিনি।অনেকেই বলছেন, আগের সরকার ধারাবাহিকভাবে নানা ধরনের উৎসব ও মেলার আয়োজন করত, বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ সরকার সেটাকেই একটু পাল্টে নানা ধরনের ধর্মীয় গুরু শহরে এনে ‘ইভেন্ট’ করছে অথবা প্রধানমন্ত্রী জন্মদিন পালন করছে। এভাবে সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নতি সম্ভব কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে সরকারের ক্ষমতায় আসার চার মাসের মাথায়।কঠোর ভাবমূর্তি ছেড়ে কেন হঠাৎ সামাজিক মাধ্যমে জেন–জির দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছেন মোদিমোদির ৫ লাখ কোটি ডলার অর্থনীতির প্রতিশ্রুতি সফল হবে, নাকি গালভরা বুলিই থেকে যাবেবিজেপির ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে কেন এত আগ্রহ, কংগ্রেস কী কারণে শুধু প্রথম দুই স্তবক গাইবেপশ্চিমবঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার দপ্তরে হামলা হিন্দুত্ববাদীদের

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিলের প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ

গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিলের প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ

ফেনীতে বিশেষ অভিযানে ডাকাতসহ গ্রেফতার ২১

ফেনীতে বিশেষ অভিযানে ডাকাতসহ গ্রেফতার ২১

নোংরা পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদন, লোহাগাড়ায় কারখানা বন্ধ

নোংরা পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদন, লোহাগাড়ায় কারখানা বন্ধ

0 Comments