জাতীয়

কি কারণে এমবাপেকে ‘স্বৈরাচার’ বলা হচ্ছে

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
জেমসের ‘তারায় তারায়’, রূপমের ‘হাসনুহানা’য় মাতল সিডনি
জেমসের ‘তারায় তারায়’, রূপমের ‘হাসনুহানা’য় মাতল সিডনি

গিটারের ঝংকার, চেনা গানে সম্মিলিত কণ্ঠ আর মুহুর্মুহু হর্ষধ্বনি—শনিবার সন্ধ্যায় সিডনির হিলসং কনভেনশন সেন্টার যেন হয়ে উঠেছিল দুই বাংলার রকপ্রেমীদের মিলনমেলা। নগরবাউল জেমস ও কলকাতার ফসিলস ব্যান্ডের রূপম ইসলামকে একই মঞ্চে দেখতে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন দুই হাজারের বেশি দর্শক। দুই শিল্পীর পরিবেশনায় সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত উচ্ছ্বাসে মেতেছিলেন প্রবাসী বাঙালিরা।মিলনায়তনের বাইরে তখন দর্শকদের দীর্ঘ সারি। তাই নির্ধারিত সময় সন্ধ্যা ছয়টার বদলে আয়োজন শুরু হয় সাড়ে ছয়টার দিকে। রাত সাতটার কিছু আগে মঞ্চে আসেন রূপম ইসলাম। ‘হাসনুহানা’, ‘একলা ঘর’, ‘অ্যাসিড’সহ প্রায় ১৫টি গান পরিবেশন করেন তিনি। সোয়া এক ঘণ্টার প্রাণবন্ত পরিবেশনায় শুরু থেকেই দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন রূপম। তাঁর সঙ্গে গলা মেলানোর পাশাপাশি করতালি ও হর্ষধ্বনিতে সাড়া দেন দর্শকেরা।রূপম ইসলামের পরিবেশনা শেষ হওয়ার পর অপেক্ষা ছিল জেমসের। সংক্ষিপ্ত বিরতি পেরিয়ে রাত পৌনে নয়টার দিকে আলো-আঁধারির মঞ্চে দেখা দেন নগরবাউল। তাঁকে দেখামাত্র হর্ষধ্বনি ও করতালিতে ফেটে পড়ে পুরো মিলনায়তন। জেমসও শ্রোতাদের অপেক্ষা দীর্ঘ করেননি; স্বভাবসুলভ অল্প কথায় সরাসরি ডুব দেন গানে। ‘দুষ্টু ছেলের দল’, ‘মীরাবাঈ’, ‘তারায় তারায়’, ‘সুন্দরীতমা’ থেকে হিন্দি গান ‘ভিগি ভিগি’—একের পর এক জনপ্রিয় গানে সুর মেলায় দুই হাজারের বেশি কণ্ঠ। মঞ্চের জেমস আর দর্শকসারির শ্রোতারা তখন যেন এক অভিন্ন গানের দল।উচ্ছ্বাসে ভরা মিলনায়তনের আবহ হঠাৎই বদলে যায় জেমসের কণ্ঠে প্রিন্স মাহমুদের কথা ও সুরে ‘মা’ গানটি শুরু হতেই। কিছুক্ষণ আগেও যাঁরা গানের তালে মেতে ছিলেন, মুহূর্তেই যেন নীরব হয়ে যান তাঁরা। আবেগঘন গানটির প্রতিটি পঙ্‌ক্তি গভীর মনোযোগে শোনেন দর্শকেরা; অনেকের চোখেমুখেও ফুটে ওঠে আবেগ।সিডনিতে পৌঁছানোর পর জেমসের সঙ্গে দেখা করেছেন ফসিলসের প্রধান কণ্ঠশিল্পী রূপম ইসলামঅপেক্ষা ছিল জেমসের আরেক জনপ্রিয় গান ‘বাবা’র জন্যও। দর্শকসারি থেকে অনেকে গানটি গাওয়ার অনুরোধ করেন। তবে এদিন সেটি জেমসের পরিবেশনার তালিকায় ছিল না। সেই অপূর্ণতা ছাপিয়ে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত একের পর এক গান আর মঞ্চজুড়ে উপস্থিতিতে দর্শকদের মুগ্ধ করে রাখেন জেমস। করতালি ও শ্রোতাদের সম্মিলিত কণ্ঠে শেষ হয় নগরবাউলের পরিবেশনা।গানের পাশাপাশি আয়োজনজুড়ে ছিল উৎসবের আবহ। মিলনায়তনের উন্নত শব্দব্যবস্থা ও আলোকসজ্জা পরিবেশনাগুলোকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। বাইরে দেশীয় খাবারের স্টল ঘিরে জমে ওঠে প্রবাসী বাঙালিদের আড্ডা। কনসার্টের এক পর্যায়ে বেঙ্গলি সিনে ক্লাবের পক্ষ থেকে সহযোগী ও পৃষ্ঠপোষকদের মঞ্চে ডেকে কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। জেমসও তাঁদের স্বাগত জানান। কনসার্ট শেষে দর্শকদের কথায়ও উঠে আসে সেই মুগ্ধতা। সিডনির বাসিন্দা তালাত মাহমুদ বলেন, ‘সিডনিতে দীর্ঘদিন পর এমন গোছানো আয়োজন দেখলাম। রূপমের পারফরম্যান্স আর গুরু জেমসের গান—প্রবাসী বাঙালিদের জন্য রাতটা সত্যি মনে রাখার মতো।’সিডনিতে নগরবাউলখ্যাত রক তারকা জেমসঅনিতা বিশ্বাসের ভালো লেগেছে দর্শকদের সম্মিলিত অংশগ্রহণ। তিনি বলেন, ‘জেমস যখন “তারায় তারায়” আর “ভিগি ভিগি” গাইছিলেন, মনে হচ্ছিল পুরো হল এক হয়ে গেছে। প্রবাসে বসে এমন অনুভূতি পাওয়া সত্যিই বিরল।’ আয়োজন নিয়ে একই রকম উচ্ছ্বাসের কথা জানান আরেক দর্শক কামরুল হাসান।দর্শকদের এই উচ্ছ্বাসের পেছনে ছিল দুই রক তারকাকে আবার এক মঞ্চে দেখার দীর্ঘ প্রতীক্ষা। এর আগে ২০২৪ সালে ভারতের একটি কনসার্টে একসঙ্গে গান করেছিলেন জেমস ও রূপম। এবার সিডনিতে তাঁদের সাক্ষাতের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর কনসার্টটি ঘিরে আগ্রহ আরও বেড়ে যায়। শনিবার রাতে দুই বাংলার দুই তারকার পরিবেশনায় অবশেষে পূর্ণতা পায় প্রবাসী সংগীতপ্রেমীদের সেই অপেক্ষা।

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
কবি ও ঔপন্যাসিক কেতকী কুশারী ডাইসন মারা গেছেন

কবি ও ঔপন্যাসিক কেতকী কুশারী ডাইসন মারা গেছেন

সন্দেহ হওয়ায় তল্লাশি, ঢামেকে মিললো চুরি করা মোবাইল-পাওয়ার ব্যাংক

সন্দেহ হওয়ায় তল্লাশি, ঢামেকে মিললো চুরি করা মোবাইল-পাওয়ার ব্যাংক

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঢাবিতে ছাত্রদলের ২ দিনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঢাবিতে ছাত্রদলের ২ দিনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি

ফটিকছড়িতে শুটার ডাবা হারুন গ্রেফতার
ফটিকছড়িতে শুটার ডাবা হারুন গ্রেফতার

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে অভিযান চালিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন ও কালা মোবারকের অন্যতম সহযোগী হিসেবে পরিচিত শুটার ডাবা হারুনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার কাঞ্চননগর ইউনিয়নের মানিকপুর গ্রামের একটি প্রত্যন্ত এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, গ্রেফতার ডাবা হারুন ডেভিড ইমন ও কালা মোবারক বাহিনীর অন্যতম সক্রিয় সদস্য। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফটিকছড়ি থানার পুলিশের একটি বিশেষ দল মানিকপুর গ্রামের দুর্গম এলাকায় অভিযান চালায়। পরে সেখান থেকে ডাবা হারুনকে গ্রেফতার করা হয়। ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আলম খান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতার আসামিকে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান এবং সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তিনি আরও বলেন, এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। এর আগে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ডেভিড ইমন ও কালা মোবারক বাহিনীর অন্যতম সহযোগী মো. মোবারক হোসেন ওরফে টেস্টার মোবারককে গ্রেফতার করে পুলিশ। এমআরএএইচ/এমআইএইচএস

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
মানদেব প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি হুতিদের

মানদেব প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি হুতিদের

ভালো কোম্পানিকে সহজে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করা হবে

ভালো কোম্পানিকে সহজে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করা হবে

মোদির জন্মদিন উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গে ২০ দিনের নজিরবিহীন আয়োজন, সমালোচনা

মোদির জন্মদিন উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গে ২০ দিনের নজিরবিহীন আয়োজন, সমালোচনা

গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিলের প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ
গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিলের প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ

ফ্যাসিবাদী খুনিদের বিচারে সরকার শিথিলতা দেখাচ্ছে বলেই তারা দুঃসাহস দেখাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাত। আওয়ামী লীগের ‘ষড়যন্ত্র ও নানামুখী অপতৎপরতার’ প্রতিবাদে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীতে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ভাটারা থানার সামনে থেকে গুলশান থানা জামায়াতের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। ইয়াসিন আরাফাত বলেন, ‘গুলশান এলাকায় নিষিদ্ধ আওয়ামী সংগঠনের লোকেরা মিছিল করেছে। এর প্রতিবাদেই আজ আমরা বিক্ষোভ মিছিল করেছি।’ তিনি বলেন, ‘যারা শত শত মায়ের বুক খালি করেছে, যারা এ দেশে আয়নাঘর সৃষ্টি করেছে, কোটি কোটি টাকা পাচার করেছে এবং গণতন্ত্রের কবর রচনা করেছে, তাদের ঠাঁই বাংলাদেশে হতে পারে না।’ প্রশাসনের উদ্দেশে তিনি বলেন, এত গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিষিদ্ধ সংগঠনের লোকেরা কীভাবে মিছিল করতে পারে, তার জবাব দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, দেশে নিষিদ্ধ সংগঠনের যেসব মিছিল হচ্ছে সেগুলোর বিষয়ে সরকারকে জবাবদিহি করতে হবে। নিষিদ্ধ লীগের বিচার কার্যক্রমে কোনো ধরনের ‘তালবাহানা’ করা হলে সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। ‘এই ফ্যাসিবাদের আর কোনো ঠাঁই বাংলাদেশে হবে না’ বলে মন্তব্য করেন ইয়াসিন আরাফাত। বিক্ষোভ মিছিল থেকে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং তাদের কথিত অপতৎপরতা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়। এসময় গুলশান পূর্ব থানা আমির জিল্লুর রহমান, ভাটারা থানা আমির অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম, গুলশান পশ্চিম থানা আমির মাহমুদুর রহমান আযাদসহ দলটির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এমইউ/এমআইএইচএস

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
ফেনীতে বিশেষ অভিযানে ডাকাতসহ গ্রেফতার ২১

ফেনীতে বিশেষ অভিযানে ডাকাতসহ গ্রেফতার ২১

নোংরা পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদন, লোহাগাড়ায় কারখানা বন্ধ

নোংরা পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদন, লোহাগাড়ায় কারখানা বন্ধ

কোকেনের সূত্রে ৬৩ বিদেশির আস্তানা, গ্রেফতার সেই মহসিন

কোকেনের সূত্রে ৬৩ বিদেশির আস্তানা, গ্রেফতার সেই মহসিন

0 Comments