গোয়ালঘরটি উঁচু হওয়ায় গোবরমিশ্রিত পানি গড়িয়ে শ্রেণিকক্ষে ঢোকে। ভবনের পাশে খড়, গোবর ও গরুর বর্জ্য পড়ে থাকতেও দেখা যায়।
নাক চেপে বেঞ্চে বসে আছে শিশুরা। কেউ মেঝেতে জমে থাকা দুর্গন্ধযুক্ত পানি এড়াতে পা তুলে রেখেছে। শ্রেণিকক্ষের জানালার পাশে পড়ে আছে গোবরের স্তূপ। পাশের গোয়ালঘর থেকে গোবরমিশ্রিত পানি গড়িয়ে ঢুকছে শ্রেণিকক্ষে। এমন পরিবেশেই চলছে শিশুদের পাঠদান।
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার নাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় সাত বছর ধরে এই পরিস্থিতি চলছে বলে বিদ্যালয়–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, বিদ্যালয় ভবনের দেয়াল ঘেঁষে থাকা গোয়ালঘরটি নাংলা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমের। গোয়ালঘর থেকে বের হওয়া বর্জ্য ও নোংরা পানি শ্রেণিকক্ষ ও বিদ্যালয়ের মাঠে ঢুকে পড়ে।
১৯৬৩ সালে ৫৪ শতক জমির ওপর বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭২ সালে বিদ্যালয়টি সরকারি হয়। বর্তমানে সেখানে ২০৩ জন শিক্ষার্থী ও ৮ জন শিক্ষক রয়েছেন। দুটি ভবনে ছয়টি শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলে।
গত মঙ্গলবার দুপুরে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, পুরোনো ভবনের পশ্চিম পাশে দেয়াল ঘেঁষে গোয়ালঘর। ওই ভবনের একটি কক্ষে দ্বিতীয় শ্রেণির পাঠদান হয়। গোয়ালঘরটি তুলনামূলক উঁচু হওয়ায় সেখানকার গোবরমিশ্রিত পানি গড়িয়ে শ্রেণিকক্ষে ঢোকে। ভবনের পাশে খড়, গোবর ও গরুর বর্জ্য পড়ে থাকতেও দেখা যায়।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, গরমের সময় দুর্গন্ধ আরও তীব্র হয়। বৃষ্টি হলে গোয়ালঘরের পানি ছাড়াও আশপাশের বাড়ির শৌচাগারের নোংরা পানিও বিদ্যালয়ে ঢুকে পড়ে। এতে শ্রেণিকক্ষে বসে পড়াশোনা করা কষ্টকর হয়ে ওঠে।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক খায়রুন্নাহার বলেন, নোংরা পানি ও দুর্গন্ধের কারণে স্বাভাবিক পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত শিক্ষার পরিবেশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘এ পরিস্থিতির কারণে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের কাছেও আমাদের জবাবদিহি করতে হয়।’
গোয়ালঘরটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য জাহাঙ্গীর আলমকে একাধিকবার জানানো হয়েছে বলে জানান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম। তিনি বলেন, বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকেও জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনো সমস্যার সমাধান হয়নি।
১৯৬৩ সালে ৫৪ শতাংশ জমির ওপর বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭২ সালে বিদ্যালয়টি সরকারি হয়। বর্তমানে সেখানে ২০৩ জন শিক্ষার্থী ও ৮ জন শিক্ষক আছেন।
তবে ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমার গোয়ালঘর থেকে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে কোনো পানি প্রবেশ করে না। ওই বিদ্যালয়ের জমির একটি অংশ আমাদের বংশের লোকজনের। বিদ্যালয়ের অনেক জমি অন্য লোকজনও ব্যবহার করছেন, তাতে কারও কোনো সমস্যা হচ্ছে না। কিন্তু আমার গোয়ালঘর নিয়েই সবার আপত্তি। বরং বিদ্যালয়ের দখলে আমার জমি রয়েছে, যা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাকে বুঝিয়ে দিচ্ছে না।’
মেলান্দহ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ফরহাদ আলী বলেন, বিষয়টি তাঁরা জানতে পেরেছেন। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।
গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন দীপ্ত টিভির গাজীপুর প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম। এ সময় তাকে মারধর করে ব্যাগ, ক্যামেরা ও সাংবাদিকতার কাজে ব্যবহৃত মূল্যবান সরঞ্জাম ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আন্দোলনরত শ্রমিকদের বিরুদ্ধে।
শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গাজীপুরে ১০ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।
রাজধানীর বনানীতে গ্যাসের চুলার লিকেজ থেকে সৃষ্ট আগুনে দগ্ধ ফিলিপাইনের পর্যটক ক্রিস্টিন ভার (৩৩) মারা গেছেন।