জাতীয়

ইরানে ভাঙা পিঠ নিয়ে ৫০ ঘণ্টা, মার্কিন সেনা উদ্ধারের ভিডিও প্রকাশ

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
ইরানে ভাঙা পিঠ নিয়ে ৫০ ঘণ্টা, মার্কিন সেনা উদ্ধারের ভিডিও প্রকাশ
ইরানে ভাঙা পিঠ নিয়ে ৫০ ঘণ্টা, মার্কিন সেনা উদ্ধারের ভিডিও প্রকাশ

আকাশ থেকে নিচে পড়ার সময় প্যারাসুট কাজ করেনি মার্কিন বিমানবাহিনীর এক কর্মকর্তার। মাটিতে পড়ে পিঠ, হাত ও কাঁধে গুরুতর আঘাত পান তিনি। এরপরও থামেননি। আহত অবস্থায় উঠে যান প্রায় সাত হাজার ফুট উঁচু একটি পাহাড়ি এলাকায়।

সেখানে প্রায় ৫০ ঘণ্টা থাকার পর তাকে উদ্ধার করে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনী। সিবিএসের ‘৬০ মিনিটস’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের সেই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন ব্রাভো।

আরও পড়ুন

ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর ভরসা সৌদি আরব, থামছে না হুথিরা

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত উদ্ধার অভিযানের ভিডিওতে দেখা যায়, মার্কিন বিমানবাহিনীর বিশেষ উদ্ধারকারী দল ‘প্যারারেস্কিউ’ বা পিজেসের দুই সদস্য ব্রাভোর কাছে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করছেন। নিরাপত্তার কারণে তার পুরো নাম প্রকাশ করা হয়নি।

বিমানবাহিনীতে ব্যবহৃত পরিচয়সংকেত অনুযায়ী তাকে ‘ডুড ৪৪ ব্রাভো’ নামে শনাক্ত করা হয়েছিল। গত এপ্রিলে ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কোহগিলুয়ে ও বয়ের-আহমাদ প্রদেশে এ ঘটনা ঘটে।

Bravo says the airmen who worked on his equipment did “an incredible job.” Despite the damage from an Iranian missile to the aircraft, including the ejection seat, he says he was able to eject safely - thereby saving his life. “I call that a testament to their professionalism,” he said. https://t.co/AZQlq1bpy9

— 60 Minutes (@60Minutes) September 14, 2026

তখন ব্রাভো এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমানে ছিলেন। কাঁধ থেকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এতে তার প্যারাসুটও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে, তিনি নিচে পড়ে যান এবং পিঠ, এক হাত ও কাঁধে গুরুতর আঘাত পান। গোড়ালিতে মচকায়। মাথা ও মুখেও আঘাত লাগে।

তবে, আহত অবস্থাতেও তিনি সেখান থেকে দ্রুত সরে যান। সঙ্গে ছিল একটি পিস্তল, যোগাযোগের যন্ত্র ও ট্র্যাকিং বীকন। এগুলো নিয়ে প্রায় সাত হাজার ফুট উঁচু একটি পাহাড়ি এলাকায় উঠে যান তিনি। সেখানে লুকিয়ে থাকার মতো একটি জায়গা খুঁজে নিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা শুরু করেন।

তিনি বলেন, প্যারাসুটটি ঠিকমতো কাজ না করায় একসময় ওপরে তাকান। কিন্তু, তখন প্যারাসুটটি দেখতে পাননি তিনি। ওই মুহূর্তটিই ছিল তার জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা বলে তিনি জানান।

অন্যদিকে, ব্রাভোর সঙ্গে একই বিমানে থাকা পাইলট ‘আলফা’ প্রায় তিন মাইল দূরে মাটিতে পড়েন। তার সামান্য আঘাত লাগে। দিনের বেলায় চালানো এক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী তাকে প্রায় ১২ ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার করা হয়।

তবে, ব্রাভো তখনও নিজের অবস্থান থেকে যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

আরও পড়ুন

ইরানের বিরুদ্ধে জয় হলে তেলের দাম দ্রুত কমবে: ট্রাম্প

একপর্যায়ে পেন্টাগনে বার্তা পাঠাতে সক্ষম হন ব্রাভো। পরে, সিআইএর প্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর দুই মার্কিন উদ্ধারকারী কর্মকর্তা তার কাছে পৌঁছান এবং তাকে উদ্ধার করে একটি নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যান। সাক্ষাৎকারে উদ্ধারকারীদের দেখতে পাওয়ার মুহূর্তটিকে জীবনের অন্যতম সেরা মুহূর্ত বলে জানিয়েছেন ব্রাভো।

এদিকে, পুরো উদ্ধার অভিযানে ৯০ জনের বেশি বিশেষ বাহিনীর সদস্য ও এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছিল। একটি অস্থায়ী মরুভূমির রানওয়ে থেকে হেলিকপ্টার পাঠানো হয়। এসব হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ব্রাভোর অবস্থান শনাক্ত করে তাকে উদ্ধারের কাজ চালানো হয় বলে জানিয়েছে পেন্টাগন।

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ
এমডিআরএইচ/

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
জিনস-স্নিকার্স পরেই সরকারি চাকরির সাক্ষাৎকার, নতুন নিয়ম দক্ষিণ কোরিয়ায়
জিনস-স্নিকার্স পরেই সরকারি চাকরির সাক্ষাৎকার, নতুন নিয়ম দক্ষিণ কোরিয়ায়

সরকারি চাকরির সাক্ষাৎকারে প্রচলিত আনুষ্ঠানিক পোশাকের বাধ্যবাধকতা থেকে সরে আসছে দক্ষিণ কোরিয়া। এখন থেকে দেশটির জাতীয় সরকারি চাকরির সাক্ষাৎকারে প্রার্থীরা জিনস, স্নিকার্সসহ অপেক্ষাকৃত সাধারণ পোশাক পরতে পারবেন। বরং এ ধরনের পোশাক পরার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।দক্ষিণ কোরিয়ার জনবল ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় ১১ সেপ্টেম্বর সাক্ষাৎকারের পোশাকসংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা প্রকাশ করেছে। আগামী অক্টোবর থেকে নতুন নির্দেশনা কার্যকর হবে।মন্ত্রণালয় পুরুষ ও নারী প্রার্থীদের জন্য উপযুক্ত পোশাকের উদাহরণ দেখাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি কিছু ছবিও প্রকাশ করেছে। এসব ছবিতে জিনস, স্নিকার্স, জ্যাকেট, শার্ট, নিট পোশাক, স্ল্যাকস, চিনোস ও ফ্ল্যাট জুতার মতো পোশাক দেখানো হয়েছে।৩ মাস ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ বিনা মূল্যে, দিনে ভাতা ২০০, করুন আবেদন যেসব পোশাক পরা যাবে নাতবে সব ধরনের সাধারণ পোশাককে উপযুক্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়নি। হাইকিংয়ের পোশাক, খেলাধুলার পোশাক, শর্টস, হাতাকাটা টপ, হাই হিল ও স্লিপার না পরার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে টাই ও আনুষ্ঠানিক ড্রেস ও শু পরা সরাসরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।পোশাক, শু নিষিদ্ধ করার পেছনে বেশ বাস্তব একটি কারণও জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। তাদের ভাষ্য, জুতার শব্দ কখনো কখনো পরীক্ষার কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটিয়েছে।স্যুট কেনার চাপ কমাতে উদ্যোগসরকারি চাকরির সাক্ষাৎকারে কয়েক বছর ধরেই প্রার্থীদের তুলনামূলক সাধারণ পোশাক পরতে উৎসাহ দিয়ে আসছে দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার। টাই না পরার বিষয়টিও আগে থেকে উৎসাহিত করা হয়েছে। তবে বাস্তবে অনেক প্রার্থী এখনো কালো স্যুট ও আনুষ্ঠানিক জুতা পরেন।মন্ত্রণালয় বলেছে, সাধারণ পোশাককে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্য হলো চাকরিপ্রার্থীদের আর্থিক ও মানসিক চাপ কমানো। এ ছাড়া তাঁদের আরও স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সুযোগ তৈরি করা।সমাজসেবায় ১৪৮৫ পদে নিয়োগ: আবেদনকারী কত, পরীক্ষার তারিখ কবেমিশ্র প্রতিক্রিয়ানতুন নির্দেশনা প্রকাশের পর দক্ষিণ কোরিয়ার অনলাইন কমিউনিটি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রতিক্রিয়া অবশ্য মিশ্র।একজন মন্তব্যকারী লিখেছেন, পরিবর্তনটি ভালো হয়েছে। শুধু চাকরির সাক্ষাৎকারে পরার জন্য একটি স্যুট কিনে রাখাকে তিনি অপচয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন।তবে কেউ কেউ মনে করছেন, নতুন নির্দেশনা বাস্তবে প্রার্থীদের পোশাকের ধরনে খুব বেশি পরিবর্তন আনবে না। একজন মন্তব্যকারী লিখেছেন, ‘শেষ পর্যন্ত সবাই স্যুটই পরবে।’

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
‘অভূতপূর্ব বাক্‌স্বাধীনতা’র দাবি মাহদী আমিনের, হয়রানির তথ্য তুলে ধরল টিআইবি

‘অভূতপূর্ব বাক্‌স্বাধীনতা’র দাবি মাহদী আমিনের, হয়রানির তথ্য তুলে ধরল টিআইবি

সম্পর্ক সহজের গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হাসিনা-কাদেরসহ অন্যদের হস্তান্তর করা: জাহেদ উর রহমান

সম্পর্ক সহজের গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হাসিনা-কাদেরসহ অন্যদের হস্তান্তর করা: জাহেদ উর রহমান

হাটহাজারীতে বিস্ফোরণে শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

হাটহাজারীতে বিস্ফোরণে শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলেসহ দুজনের মৃত্যুদণ্ড
বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলেসহ দুজনের মৃত্যুদণ্ড

রাঙ্গামাটির সাজেক ইউনিয়নে বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলেসহ দুজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাঙ্গামাটি জেলা ও দায়রা জজ মো. আহসান তারেক এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন আলোময় চাকমা (৩২) ও সোহেল চাকমা (২২)। এরমধ্যে সোহেল চাকমা নিহত শান্তি লাল চাকমার ছেলে। আলোময় চাকমা সম্পর্কে ভিকটিমের আপন ভাতিজা। আসামি ও নিহত সবাই বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের উত্তর ভাই-বোন ছড়া গ্রামের বাসিন্দা। আরও পড়ুন ধর্ষণ মামলার আসামি বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে-গুলি করে হত্যা মামলায় এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৬ আগস্ট শান্তি লাল চাকমা (৫৬) রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে ১ নম্বর আসামি আলোময় চাকমা এবং ২ নম্বর আসামি সোহেল চাকমা ঘরে ঢুকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ২০০ গজ দূরে নিয়ে তাকে মারধর করেন। একপর্যায়ে আসামিরা তাকে গলা কেটে হত্যা করেন। পরে ঘটনাস্থল থেকে এক কিলোমিটার দূরে খরস্রোতা গঙ্গারাম নদীতে মরদেহ ফেলে দেওয়া হয়। এ ঘটনার পর ওই এলাকার বাসিন্দা ও নিহত শান্তি লাল চাকমার বন্ধু বিনয় শংকর চাকমা সাজেক থানায় মামলা করেন। রাঙ্গামাটি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নাজির প্রসাদেব চাকমা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আবু দারদা খান আরমান/এসআর/জেআইএম

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
‘তোর পাওয়ার আর ২৮ দিন আছে’

‘তোর পাওয়ার আর ২৮ দিন আছে’

হলি ক্রস কলেজে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

হলি ক্রস কলেজে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

সৌদি যাওয়া হলো না, মায়ের মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফিরলেন নিরব

সৌদি যাওয়া হলো না, মায়ের মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফিরলেন নিরব

আসিফের অভিযোগ এআই দিয়ে লেখা, দুদক সচিব বললেন ‘অনেক কথাই বলা হচ্ছে’
আসিফের অভিযোগ এআই দিয়ে লেখা, দুদক সচিব বললেন ‘অনেক কথাই বলা হচ্ছে’

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগের অনুসন্ধান নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অভিযোগটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি-সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিব সাইদুর রহমান খান বলেছেন, ‘অনেক কথাই বলা হচ্ছে।’ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দুদক সচিব বলেন, ‘অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আমরা পরবর্তী ধাপে গিয়েছি। অনুসন্ধান চলমান আছে। তদন্তে যেটা আসে, সে অনুযায়ী আমরা আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবো। এখানে মনমতো কাজ করার কোনো অবকাশ নেই।’ আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এআই দিয়ে তৈরি-এমন দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অনেক কথাই বলা হচ্ছে। আপনারা লক্ষ্য রাখেন, দেখেন আমরা কী করছি। নিজেরাই বুঝতে পারবেন এটা মনগড়া কি না, বা আমরা কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছি কি না।’ দুদক সচিব বলেন, অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অনুসন্ধান শেষে প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কাছে তথ্য চাওয়া হবে বলেও জানান দুদক সচিব। তিনি বলেন, ‘আইনের আওতায় বিদেশে এমএলআর পাঠানোর প্রয়োজন হলে তা অবশ্যই করবো।’ আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে যেসব দেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে, প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কাছে তথ্য চেয়ে চিঠি দেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, সত্যতা যাচাই করে অভিযোগের সারবত্তা পাওয়া গেলে পরবর্তী ধাপে অগ্রসর হবে দুদক। তিনি বলেন, অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান শেষে প্রতিবেদন পাওয়ার পর কমিশন আইন অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম নির্ধারণ করবে। এসএম/এমএএইচ/

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
জুবিনের রেখে যাওয়া কাজ নিয়ে যে প্রতিশ্রুতি দিলেন গরিমা

জুবিনের রেখে যাওয়া কাজ নিয়ে যে প্রতিশ্রুতি দিলেন গরিমা

চবির আলাওল হলের প্রভোস্টের কক্ষে তালা, পদত্যাগ দাবি

চবির আলাওল হলের প্রভোস্টের কক্ষে তালা, পদত্যাগ দাবি

বৃক্ষরোপণ শুধু গাছ লাগানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়

বৃক্ষরোপণ শুধু গাছ লাগানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়

0 Comments