জাতীয়

বিপিএল ফিক্সিংয়ে আরও কয়েকজনের নাম আসতে পারে

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
বিপিএল ফিক্সিংয়ে আরও কয়েকজনের নাম আসতে পারে
বিপিএল ফিক্সিংয়ে আরও কয়েকজনের নাম আসতে পারে

বিপিএলের গত আসর ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত এখনো শেষ হয়নি। সামনে আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতিবিরোধী আইনে অভিযোগ আনা হতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল।

চলতি মাসের শুরুতে বিপিএলের গত আসরেরর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুর্নীতিবিরোধী কোড ভঙ্গের অভিযোগ আনে বিসিবি। এর আগে আরও পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। এছাড়া একজনকে ‘এক্সক্লুডেড পারসন’ বা ক্রিকেট-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম থেকে বাদ দেওয়া ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সব মিলিয়ে প্রকাশ্যে আসা মামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে আটটি।

শনিবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলন করেন মার্শাল। সেখানে সাম্প্রতিক অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আমরা প্রকাশ্যে সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার কথা জানিয়েছি এবং একজনকে এক্সক্লুডেড পারসন হিসেবে ঘোষণা করেছি।’

তবে এখানেই তদন্তের শেষ নয় বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সাবেক দুর্নীতিবিরোধী প্রধান। তার ভাষ্য, আরও কয়েকটি ঘটনা এখনো তদন্তাধীন রয়েছে এবং খুব শিগগিরই নতুন অভিযোগ সামনে আসতে পারে।

মার্শাল বলেন, ‘আরও কিছু মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। সামনের দিনগুলোতে আপনারা আরও অভিযোগ দেখতে পারেন।’

ইতোমধ্যে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, তাদের কেউ কেউ অভিযোগ মেনে নিয়ে সমঝোতার মাধ্যমে শাস্তি নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় যেতে চাইছেন। আবার কেউ কেউ এখনো কোনো জবাব দেননি।

মার্শাল বলেন, ‘তাদের মধ্যে কেউ কেউ অভিযোগ মেনে নিয়েছেন এবং সমঝোতার মাধ্যমে শাস্তি নির্ধারণের আবেদন করেছেন। অন্যরা এখনো জবাব দেননি।’

তিনি যোগ করেন, ‘সবশেষ যে তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, তাদের ১ সেপ্টেম্বর অভিযোগ করা হয়েছে। তাই তাদের জবাব দেওয়ার জন্য আর দুই বা তিন দিন সময় বাকি আছে। তারা চাইলে দুর্নীতিবিরোধী ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে শুনানির আবেদন করতে পারেন এবং অভিযোগ অস্বীকার করতে পারেন।’

এসকেডি/এমএমআর

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম ২৩ সেপ্টেম্বর
পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম ২৩ সেপ্টেম্বর

বাংলাদেশের আকাশে আজ ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র রবিউস সানি মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামীকাল রোববার থেকে পবিত্র রবিউস সানি মাস গণনা করা শুরু হবে। ফলে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উদযাপন হবে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র রবিউস সানি মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সমূহ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) হতে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। এ সভায়, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) মুফতি মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী নদভী, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ, এইচ, এম কামরুজ্জামান, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মুখ্য বার্তা সম্পাদক কামরুল ইসলাম, ইসলামিক ফাউন্ডেশন দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) এর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান , ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ছাদেক আহমদ, ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার মির্জা গোলাম সাবুরু, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ডক্টর গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, ঢাকা রেসিন্ডেন্সিয়াল মডেল কলেজ কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মাওলানা মো. মহিউদ্দিন, চকবাজার শাহী জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি শেখ নাঈম রেজওয়ান, লালবাগ শাহী জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ নিয়ামতুল্লাহ, সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া ঢাকার প্রভাষক মো. জমির উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। আরএমএম/জেএইচ

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের অস্তিত্ব থাকবে না: ডিএমপি কমিশনার

মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের অস্তিত্ব থাকবে না: ডিএমপি কমিশনার

হাসিনাকে ফেরাতে জামায়াত ‘এক ধরনের চক্রান্ত’ করছে: রাশেদ 

হাসিনাকে ফেরাতে জামায়াত ‘এক ধরনের চক্রান্ত’ করছে: রাশেদ 

দ্বিতীয় দফায় পানিতে তলিয়ে গেল ঝুলন্ত সেতু, নিষেধাজ্ঞার পরও সেতু পারাপার

দ্বিতীয় দফায় পানিতে তলিয়ে গেল ঝুলন্ত সেতু, নিষেধাজ্ঞার পরও সেতু পারাপার

লাইনের গ্যাস টানতে বিক্রি হচ্ছে অবৈধ কম্প্রেসর
লাইনের গ্যাস টানতে বিক্রি হচ্ছে অবৈধ কম্প্রেসর

রাজধানীতে তীব্র গ্যাস সংকটের সুযোগে ফেসবুক ও অনলাইন বাজারে দেড়-দুই হাজার টাকায় ছোট গ্যাস কম্প্রেসর/বুস্টার বিক্রি হচ্ছে, যা ৩-৫ গুণ বেশি চাপে গ্যাস দেওয়ার দাবি করছে। তিতাস গ্যাস জানায়, এসব যন্ত্র অননুমোদিত এবং আশপাশের গ্রাহকদের স্বাভাবিক সরবরাহ বিঘ্নিত করে। তিতাসের মহাব্যবস্থাপক মো. শাহজাদা ফরাজী বলেন, এটি দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে এবং ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পেট্রোবাংলার মাধ্যমে এগুলোর আমদানি বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
ছুটির দিনে বইয়ের টানে স্কুলে ভিড়

ছুটির দিনে বইয়ের টানে স্কুলে ভিড়

ক্লাবগুলোর দাবি উপেক্ষা করেই খেলা শুরুর সিদ্ধান্ত বাফুফের

ক্লাবগুলোর দাবি উপেক্ষা করেই খেলা শুরুর সিদ্ধান্ত বাফুফের

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পটিয়াকে সন্ত্রাস-মাদকমুক্ত করা হবে: এনামুল হক

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পটিয়াকে সন্ত্রাস-মাদকমুক্ত করা হবে: এনামুল হক

পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে মালিক-শ্রমিকসহ সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে
পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে মালিক-শ্রমিকসহ সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে

চট্টগ্রাম নগরীর যানজট ও জনভোগান্তি কমাতে পরিবহন মালিক, কন্ট্রাক্টর, চালক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং না করা এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলার মাধ্যমে যানজট অনেকাংশে কমানো সম্ভব। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম বন্দর ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান মালিক ও কন্ট্রাক্টর অ্যাসোসিয়েশনের কার্যকরী পরিষদের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৬ এর নবনির্বাচিত নেতাদের শপথ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। মেয়র বলেন, একটি সুন্দর, নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরীর জন্য সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিবহন মালিক, কন্ট্রাক্টর, চালক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। চট্টগ্রাম নগরীর যানজট নিরসন ও পরিবহন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। শুধু প্রশাসনের পক্ষে একা এ কাজ করা সম্ভব নয়। পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলোকেও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। নতুন নেতৃত্বের প্রতি প্রত্যাশা জানিয়ে ডা. শাহাদাত বলেন, পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি নাগরিকদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। সংগঠনের সদস্যদের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি নগরীর বৃহত্তর স্বার্থেও নবনির্বাচিত নেতাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে চট্টগ্রামের পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও সুশৃঙ্খল ও জনবান্ধব করা সম্ভব। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক ইসরাফিল খসরু। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর জোন) মো. আমিরুল ইসলাম ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ আজিজ। নির্বাচন পরিচালনা কমিটি-২০২৬ এর চেয়ারম্যান নুরুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত সভাপতি হাজী মোহাম্মদ আবু সাইদ হারুন, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরসহ কার্যকরী পরিষদের নেতারা শপথ নেন। অনুষ্ঠানে সংগঠনের নেতা, পরিবহন মালিক, কন্ট্রাক্টর, শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এমআরএএইচ/এমএএইচ/

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
পদ্মায় নৌকাডুবি, চারজন ভারতে সাঁতরে উঠলেও নিখোঁজ ৭

পদ্মায় নৌকাডুবি, চারজন ভারতে সাঁতরে উঠলেও নিখোঁজ ৭

মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাং বলে কোনো শব্দ থাকবে না: ডিএমপি কমিশনার

মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাং বলে কোনো শব্দ থাকবে না: ডিএমপি কমিশনার

তাবলিগের সাদ কান্ধলভীকে তওবা 
করতে বললেন হেফাজতের আমির

তাবলিগের সাদ কান্ধলভীকে তওবা করতে বললেন হেফাজতের আমির

0 Comments