জাতীয়

আশির দশকের সেই সব দিনে ফিরিয়ে নিয়ে গেল যে সিনেমা

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
আশির দশকের সেই সব দিনে ফিরিয়ে নিয়ে গেল যে সিনেমা
আশির দশকের সেই সব দিনে ফিরিয়ে নিয়ে গেল যে সিনেমা

দিন কয়েক ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যেন হয়ে গেছে নস্টালজিয়া উসকে দেওয়ার মাধ্যম। সাধারণ ব্যবহারকারী তো বটেই, তামাম দুনিয়ার হেন তারকা নেই যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে আশির দশকের ছবি পোস্ট করেননি। সেই সব ছবির সূত্র ধরেই আলোচনায় উঠে আসছে আশির দশকের পপ কালচারের নানা অনুষঙ্গ। ঠিক এমন সময়, গত ৪ মে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম অ্যাপল টিভি+–এ এসেছে নতুন সিনেমা ‘মে ডে’। যার পটভূমি আবার আশির দশক! ঘটনা হয়তো নেহাতই কাকতালীয়, কিন্তু আশির দশক নিয়ে যখন দুনিয়াজুড়ে মানুষ নস্টালজিয়ায় ভুগছেন, তখন এমন একটি সিনেমা নিয়ে যে জোর চর্চা হবে, সেটা সহজেই বোধগম্য। মুক্তির পর থেকেই দর্শক–সমালোচক উভয়েরই মন কেড়েছে এই বাডি অ্যাকশন–কমেডি সিনেমা।

একনজরেসিনেমা: ‘মে ডে’ধরন: অ্যাকশন–কমেডিপরিচালনা: জন ফ্রান্সিস ড্যালি ও জোনাথন গোল্ডস্টেইনঅভিনয়: রায়ান রেনল্ডস, কেনেথ ব্রানা, মারচিন দোরচিনস্কিস্ট্রিমিং: অ্যাপল টিভি+দৈর্ঘ্য: ১ ঘণ্টা ৫১ মিনিট

আশির দশকের সিনেমার কথা মনে পড়লেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে আকাশে যুদ্ধবিমান, বরফঢাকা সীমান্ত, শত্রুর পেছনে ছুটে চলা নায়ক, গাড়ি ধাওয়া, অসম্ভব সব অ্যাকশন আর দুই ভিন্ন মেরুর মানুষের অপ্রত্যাশিত বন্ধুত্ব। ‘মে ডে’ সেই পুরোনো দিনের সিনেমারই নতুন সংস্করণ। জন ফ্রান্সিস ড্যালি ও জোনাথন গোল্ডস্টেইনের ছবিটি ‘টপ গান’-এর অ্যাকশন, আশির দশকের বাডি কমেডি সিনেমার হাস্যরস আর শীতল যুদ্ধের আবহ একসঙ্গে মিশিয়েছে। ফল? খুব মৌলিক কোনো সিনেমা নয়, কিন্তু ‘মে ডে’ বেশ উপভোগ্য।

‘মে ডে’র দৃশ্য। আইএমডিবি

গল্পের শুরু ১৯৮৭ সালে। মার্কিন নৌবাহিনীর পাইলট ট্রয় ‘অ্যাসাসিন’ কেলি (রায়ান রেনল্ডস) একটি গোপন মিশনে সোভিয়েত রাশিয়ার আকাশসীমায় ঢোকেন। যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর বরফে ঢাকা দুর্গম এলাকায় আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। জ্ঞান ফেরার পর কেলি আবিষ্কার করেন, তাঁকে আশ্রয় দিয়েছেন স্থানীয় এক রুশ নাগরিক  নিকোলাই উস্তিনভ (কেনেথ ব্রানা)। তবে নিকোলাই সাধারণ কোনো নাগরিক নন, তিনি সাবেক কেজিবি কর্মকর্তা! যুক্তরাষ্ট্রের গোপন মিশনে সোভিয়েত ইউনিয়নে এসে আটকা পড়া পাইলটের আশ্রয়দাতা খোদ সাবেক কেজিবি এজেন্ট; শুরুর এই চমকই সিনেমাটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।

নিকোলাই আসলে সোভিয়েত ব্যবস্থায় বীতশ্রদ্ধ। তিনি মার্কিন পপ কালচারের পাঁড় ভক্ত। তাঁর ঘরে ‘টপ গান’-এর পোস্টার, আমেরিকান গান, সংস্কৃতি আর জীবনযাপনের প্রতি তাঁর প্রবল আকর্ষণ। কেলিকে তিনি প্রথমে নিজের কেবিনে লুকিয়ে রাখতে চান। কিন্তু পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়। ট্রয়কে ধরতে কেজিবি কর্মকর্তা আলেকজান্ডার ভলকভ (মারচিন দোরচিনস্কি) এবং তাঁর বাহিনী তাড়া শুরু করলে নিকোলাইও নিজের দেশের চোখে শত্রু হয়ে ওঠেন।

তখন শুরু হয় দুজনের এক বিপজ্জনক যাত্রা—হাজার হাজার মাইল পেরিয়ে মস্কোর মার্কিন দূতাবাসে পৌঁছাতে হবে। কেলির প্রয়োজন দেশে ফেরার নিরাপদ পথ, আর নিকোলাই চান যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়। ফলে একে অপরকে খুব একটা পছন্দ না করলেও তাঁদের বন্ধু হতে হয়। একজন মার্কিন সামরিক পাইলট, অন্যজন সাবেক কেজিবি কর্মকর্তা—শীতল যুদ্ধের আবহে দুই বিপরীত প্রান্তের মানুষ শেষ পর্যন্ত হয়ে ওঠে অসম্ভব এক জুটি।

‘মে ডে’র দৃশ্য। আইএমডিবি

‘মে ডে’ কোল্ড ওয়ারের রাজনৈতিক জটিলতা নিয়ে গভীর কোনো বক্তব্য দিতে চায় না; বরং শত্রুতা, জাতীয় পরিচয় আর মতাদর্শের বাইরে মানুষে মানুষে সম্পর্কের জায়গাটাকেই সামনে আনে। কে আমেরিকান, কে রুশ—তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে বিপদে কে কার পাশে দাঁড়াচ্ছে। অবশ্য এই সরলীকরণই ছবির সীমাবদ্ধতাও বটে। যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো দুই পরাশক্তির দ্বন্দ্বকে শেষ পর্যন্ত অনেকটা ‘আমরা আসলে একে অন্যের মতোই’ ধরনের সহজ বার্তায় নামিয়ে আনা হয়েছে। তবে এটি তো আর রাজনৈতিক থ্রিলার নয়; মূলত অ্যাকশন-কমেডি। সেই জায়গায় পরিচালকদ্বয় বেশ সফল।

১১০ মিনিটের সিনেমায় গতি দুরন্ত; এক দৃশ্য থেকে আরেক দৃশ্যে যাওয়ার সময় একঘেয়েমি খুব একটা তৈরি হয় না। বরফঢাকা বন, গাড়ি ধাওয়া, ট্রেন, উড়োজাহাজ আর অ্যাকশন—সব মিলিয়ে গল্প ক্রমে এগিয়ে চলে। বাড়তি পাওনা অ্যাকশন দৃশ্যগুলোর পাশাপাশি কমেডি । কখনো লুকিয়ে থাকার দৃশ্য, কখনো ভুল সময়ে ভুল জায়গায় উপস্থিতি—এসব মজার মুহূর্ত ছবিটিকে প্রাণবন্ত রাখে।
সবচেয়ে মজার ব্যাপার, ‘মে ডে’ নিজের পূর্বসূরিদের কথাও ভুলে যায় না। ‘টপ গান’-এর প্রতি ছবিটির ভালোবাসা স্পষ্ট। ব্রুস স্প্রিংস্টিনের গান থেকে শুরু করে পোশাক, চরিত্রের ধরন, ক্যামেরার ব্যবহার—সবকিছুতেই আশির দশকের প্রতি একধরনের নস্টালজিয়া কাজ করেছে। এমনকি সিনেমাটির অ্যাকশনেও সেই সময়ের বড় পর্দার রোমাঞ্চ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা আছে।

‘মে ডে’র দৃশ্য। আইএমডিবি

তবে যতটা প্রত্যাশা তৈরি করে সিনেমাটি শুরু হয়, ততটা সব চরিত্র শেষ পর্যন্ত কাজে লাগানো হয়নি। নিকোলাইয়ের মেয়ে আনার (মারিয়া বাকালোভা) চরিত্রটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারত। হ্যারল্ড কেলি (ডেভিড মোর্স) চরিত্রও গল্পে আবেগ যোগ করার সুযোগ পেয়েও খুব বেশি দূর যেতে পারেনি। এমনকি রায়ান রেনল্ডসও কিছু জায়গায় নিজের চেনা ব্যক্তিত্বের বাইরে পুরোপুরি বের হতে পারেননি। তাঁর রসিকতা, আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গি ও ব্যঙ্গাত্মক সংলাপ দর্শকের পরিচিত—এখানে সেটিই চরিত্রের অংশ হয়ে গেছে। ফলে কেলিকে আলাদা কোনো চরিত্রের চেয়ে ‘রায়ান রেনল্ডস চরিত্রে রায়ান রেনল্ডস’ বলেই মনে হয়।

কিন্তু কেনেথ ব্রানার ক্ষেত্রে ঘটনা একেবারেই উল্টো। নিকোলাই চরিত্রে ব্রানা যেন সিনেমাটিকে নিজের করে নিয়েছেন। ব্রানা নিজের চরিত্রটিকে শুধু ‘আমেরিকাপ্রেমী সাবেক কেজিবি’ হিসেবে আটকে রাখেননি। তাঁর মধ্যে একধরনের বিষণ্নতা, একাকিত্ব, বিদ্রোহ ও শিশুসুলভ কৌতূহল রেখেছেন। ফলে চরিত্রটি একই সঙ্গে হাস্যরসাত্মক ও মানবিক হয়ে ওঠে।

সবচেয়ে বড় চমক—অ্যাকশন। সাধারণত শেকসপিয়ার, গোয়েন্দা বা গম্ভীর চরিত্রে বেশি দেখা ব্রানাকে এখানে ঘুষি মারতে, লড়তে, ধাওয়া করতে দেখাটা বেশ মাজার। বয়স ৬৫ হলেও অ্যাকশন দৃশ্যে তিনি যথেষ্ট বিশ্বাসযোগ্য। কিছু মুহূর্তে মনে হয়, এত দিন কেন তাঁকে এমন চরিত্রে দেখা গেল না!

রেনল্ডস ও ব্রানার রসায়নও ছবিটির প্রাণ। একজন আত্মবিশ্বাসী আমেরিকান পাইলট, অন্যজন আমেরিকান সংস্কৃতিতে মুগ্ধ রুশ। তাঁদের ঝগড়া, পারস্পরিক অবিশ্বাস এবং ধীরে ধীরে বন্ধুত্বে পৌঁছানোর পথটাই সিনেমার সবচেয়ে উপভোগ্য অংশ। ব্রানা এখানে রেনল্ডসের চেনা হাস্যরসকে ভারসাম্য দিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত তাই সিনেমাটি রেনল্ডসের ছবি হলেও সবচেয়ে বেশি মনে থাকে ব্রানাকেই।

‘মে ডে’র পোস্টার থেকে। আইএমডিবি

ভিলেনের চরিত্রেও কিছুটা চমক আছে। মারচিন দোরচিনস্কি প্রচলিত ‘রুশ ভিলেন’-এর ছাঁচে ঢুকে না গিয়ে চরিত্রটিকে খানিকটা সংযত রেখেছেন।

তবে ‘মে ডে’ একেবারে নিখুঁত নয়। আশির দশকের প্রতি অতিরিক্ত সচেতনতা কখনো কখনো ছবিটিকে স্বাভাবিক গল্পের বদলে ‘নস্টালজিয়ার প্রদর্শনী’ বলে মনে হয়।
তবে ‘মে ডে’ ‘টপ গান: ম্যাভেরিক’ হতে চায়নি। বরং ‘টপ গান’, ‘মিডনাইট রান’ আর আশির দশকের বাডি অ্যাকশন ছবিগুলোর প্রতি ভালোবাসা থেকেই নিজের মতো একটি মিশ্রণ তৈরি করেছে। আর সেই মিশ্রণ যে বেশ উপভোগ্য হয়েছে, বলাই বাহুল্য।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
গাজরের হালুয়ার রেসিপি
গাজরের হালুয়ার রেসিপি

উপকরণগ্রেট করা গাজর: ৪ কাপচিনি: আধা কাপঘন দুধ: ২ কাপঘি: ৩ টেবিল চামচএলাচিগুঁড়া: ১ চা–চামচকিশমিশ, কাজু, পেস্তাকুচি: সাজানোর জন্য প্রণালিপ্যানে গ্রেট করা গাজর ও দুধ একসঙ্গে দিয়ে চুলায় বসান। সেদ্ধ হয়ে এলে চিনি দিন। চিনির পানি শুকিয়ে গেলে তাতে ঘি ও এলাচিগুঁড়া দিয়ে নাড়তে থাকুন। প্যানের গা ছেড়ে এলে কিশমিশ, বাদাম দিয়ে নেড়েচেড়ে নামিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।বেসন নারকেল বরফির রেসিপি

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি, ছিঁড়ে ফেললেন ঢাবি শিক্ষার্থী

ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি, ছিঁড়ে ফেললেন ঢাবি শিক্ষার্থী

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে মির্জা আব্বাস

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে মির্জা আব্বাস

লক্ষ্মীপুরে অবৈধভাবে মজুত করা সার জব্দ

লক্ষ্মীপুরে অবৈধভাবে মজুত করা সার জব্দ

একাদশে ভর্তিতে প্রায় ১০ লাখ আবেদন, ফল ১৭ সেপ্টেম্বর
একাদশে ভর্তিতে প্রায় ১০ লাখ আবেদন, ফল ১৭ সেপ্টেম্বর

চলতি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে অনলাইনে আবেদন শেষ হয়েছে। এতে ভর্তি হতে প্রায় ১০ লাখ শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ভর্তি আবেদনের টেকনিক্যাল দিকগুলো বুয়েট দেখছে। আমরা তাদের কাছ থেকে একদম সুনির্দিষ্ট সংখ্যাটা জানতে পারিনি। আমাদের সিস্টেম অ্যানালিস্টরাও তথ্যটা হাতে পাননি। মৌখিকভাবে জেনেছি, প্রায় ১০ লাখের মতো শিক্ষার্থী একাদশে ভর্তির আবেদন করেছে। আমরা শিগগির কোন শিক্ষার্থী কোন কলেজে মনোনয়ন পেল, সেই তালিকা প্রকাশ করবো। আরও পড়ুন একাদশে ভর্তি-ক্লাস এগিয়ে আনা হচ্ছে, আবেদনেও নতুন নিয়ম বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২-১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অনলাইন আবেদন নেওয়া হয়। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চয়নের জন্য ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চয়ন না করলে নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হবে। আরও পড়ুন নটর ডেমে ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থী-অভিভাবকের উপচেপড়া ভিড় শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। অনলাইন আবেদন, ফল প্রকাশ, শিক্ষার্থী নির্বাচন ও নিশ্চায়ন প্রক্রিয়ার পর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম চলবে আগামী ২০-২২ সেপ্টেম্বর। এরপর ২৩ সেপ্টেম্বর সারাদেশে একযোগে ক্লাস শুরু হওয়ার কথা। তবে একই দিন ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে ছুটি পড়লে পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর সারাদেশে একযোগে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হতে পারে। এএএইচ/ইএ

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
মেয়ে দেখতে গিয়ে ছবি তুলে ফেসবুকে অশ্লীলভাবে প্রচার, দেবর-ভাবি গ্রেফতার

মেয়ে দেখতে গিয়ে ছবি তুলে ফেসবুকে অশ্লীলভাবে প্রচার, দেবর-ভাবি গ্রেফতার

রাশিয়ার জ্বালানিতে নয়, অন্য কিছুতে হামলা চালাও: ইউক্রেনকে ট্রাম্প

রাশিয়ার জ্বালানিতে নয়, অন্য কিছুতে হামলা চালাও: ইউক্রেনকে ট্রাম্প

অনলাইন ইন্টারভিউর ফাঁদ: ভুয়া লিংকের ক্লিকে ১৮ হাজার পাউন্ড খোয়ালেন চাকরিপ্রার্থী, বাঁচার উপায় কী

অনলাইন ইন্টারভিউর ফাঁদ: ভুয়া লিংকের ক্লিকে ১৮ হাজার পাউন্ড খোয়ালেন চাকরিপ্রার্থী, বাঁচার উপায় কী

ইসলামী ব্যাংকের সামনে দুই পক্ষের মারামারি, আহত অর্ধশতাধিক
ইসলামী ব্যাংকের সামনে দুই পক্ষের মারামারি, আহত অর্ধশতাধিক

রাজধানীর দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংকের সামনে গ্রাহক ফোরাম ও চাকরিচ্যুত কর্মকর্তাদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করে দুই পক্ষ। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে...

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে, দল থেকে অব্যাহতি

তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে, দল থেকে অব্যাহতি

ঢাবি ক্যাম্পাসে স্বস্তি ফেরালো সড়কবাতি, এখন দাবি কার্যকর সিসি ক্যামেরা

ঢাবি ক্যাম্পাসে স্বস্তি ফেরালো সড়কবাতি, এখন দাবি কার্যকর সিসি ক্যামেরা

ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হবে

ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হবে

0 Comments