২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরের যোগ্যতা নির্ধারণী সময়কাল (৩ আগস্ট ২০২৫ থেকে ১৯ জুলাই ২০২৬) মূলত এবারের বিশ্বকাপ দিয়েই রাঙানো। ৮ সেপ্টেম্বর ৩০ জনের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, পুরস্কার অনুষ্ঠান হবে ২৬ অক্টোবর লন্ডনে। কে জিতবেন সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার, তা নিয়ে জল্পনাকল্পনা কম নেই। গত মৌসুমের পারফরম্যান্স বিবেচনা করে পাওয়ার র্যাঙ্কিংও করা হচ্ছে। ব্যালন ডি’অর জয়ে ফেবারিটের তালিকায় যাঁরা আছেন, তাঁরা কে কেমন করছেন বিবেচ্য সময়ে।
বিশ্বকাপে আটটি ম্যাচের সব কটিতে খেলে স্পেনকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে গোল্ডেন বল জিতেছেন। ক্লাব মৌসুমটা অবশ্য চোটে জর্জরিত ছিল, সিটির হয়ে ৩৩ ম্যাচে করেছেন মাত্র ২ গোল, কোনো বড় ট্রফি জেতেননি সিটির সঙ্গে। তবু বিশ্বকাপ জয় আর গোল্ডেন বল তাকে ফেবারিটদের তালিকায় সবার ওপরের দিকে রাখছে।
পারফরম্যান্স
গোল–অ্যাসিস্টের পরিসংখ্যান দিয়ে রদ্রিকে বোঝানো যায় না। পাসের পর পাস দিয়ে দলের আক্রমণ গড়ায় নেপথ্য ভূমিকা থাকা মিডফিল্ডার বিশ্বকাপে পাস দেওয়ার নতুন রেকর্ডই গড়েছেন।
ট্রফি
বিশ্বকাপ (স্পেন)
লা লিগায় ১৬ গোল ও ১২ অ্যাসিস্ট করে বার্সেলোনাকে লিগ শিরোপা জিতিয়েছেন, জিতেছেন লা লিগার ‘বর্ষসেরা খেলোয়াড়’–এর পুরস্কার। চ্যাম্পিয়নস লিগে ১০ ম্যাচে ৬ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট। জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপজয়ী দলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, ফাইনালে ছিলেন মাঠে (১২০ মিনিট)। ক্লাব ও দেশ—দুই জায়গাতেই শিরোপা জেতায় তার দাবিটা বেশ জোরালো।
পারফরম্যান্স
গোল-অ্যাসিস্টে মাঝারি, কিন্তু ম্যাচ-ইমপ্যাক্ট অসাধারণ
লা লিগার সেরা খেলোয়াড়
ট্রফি
লা লিগা
বিশ্বকাপ (স্পেন)
মৌসুমে সবচেয়ে বেশি গোল করা খেলোয়াড়দের একজন। লা লিগায় ২৫ গোল করে পিচিচি ট্রফি, চ্যাম্পিয়নস লিগে ১৫ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জিতেছেন। মোট ৪৪ ম্যাচে ৪২ গোল করে জিতেছেন রিয়ালের বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও। কিন্তু রিয়াল মাদ্রিদ লিগে রানার্সআপ হয়েছে, চ্যাম্পিয়নস লিগে কোয়ার্টার ফাইনালেই বিদায় নিয়েছে। বিশ্বকাপে ফ্রান্স সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচেও ইংল্যান্ডের কাছে হেরে চতুর্থ হয়েছে। তবে ব্যক্তিগতভাবে এমবাপ্পে বিশ্বকাপে ১০ গোল করে গোল্ডেন বুট জিতেছেন; মাত্র তিনটি বিশ্বকাপ খেলেই হয়ে গেছেন টুর্নামেন্টের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। অর্থাৎ ব্যক্তিগত গোলসংখ্যা বিশাল হলেও বড় দলগত ট্রফির ঘাটতি আছে।
পারফরম্যান্স
লা লিগা: ২৫ গোল
চ্যাম্পিয়নস লিগ: ১৫ গোল
বিশ্বকাপ: ১০ গোল, গোল্ডেন বুট
ট্রফি
বড় কোনো দলগত ট্রফি নেই, বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল (ফ্রান্স)

এই সময়কালে সবচেয়ে দুর্দান্ত পরিসংখ্যান সম্ভবত তাঁরই। ক্লাব ও দেশের হয়ে ৬৫ ম্যাচে ৭৩ গোল ও ৮ অ্যাসিস্ট! বুন্দেসলিগায় ৩৬ গোল করে টানা তৃতীয়বার সর্বোচ্চ গোলদাতা ও ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু জিতেছেন, বায়ার্নকে জিতিয়েছেন বুন্দেসলিগা ও ডিএফবি পোকাল (কাপ ফাইনালেই হ্যাটট্রিক) দুটি শিরোপা, সঙ্গে সুপার কাপ। চ্যাম্পিয়নস লিগে বায়ার্ন সেমিফাইনাল পর্যন্ত গিয়েছিল। বিশ্বকাপে ৬ গোল করে ইংল্যান্ডকে তৃতীয় স্থানে তুলেছেন, যা গত ৬০ বছরে তাদের সেরা ফল। ট্রফি ও গোল দুই দিক থেকেই তিনি শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী।
পারফরম্যান্স
মোট গোল: প্রায় ৭৩ (ক্লাব + দেশ)
বিশ্বকাপে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা, সেমিফাইনাল পর্যন্ত ইংল্যান্ড
ট্রফি
বুন্দেসলিগা, জার্মান কাপ, জার্মান সুপার কাপ
বর্তমান ব্যালন ডি’অরজয়ী দেম্বেলে টানা দ্বিতীয়বার পিএসজিকে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতিয়েছেন (আর্সেনালকে টাইব্রেকারে হারিয়ে)। চ্যাম্পিয়নস লিগে করেছেন ৮ গোল, দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা কাভারাস্কেইয়া করেছেন ১০ গোল। তবে ফ্রান্স বিশ্বকাপে ব্যর্থ হওয়ায় দেম্বেলের ব্যক্তিগত দাবিটা কিছুটা দুর্বল হয়েছে। কাভারাস্কেইয়ার জর্জিয়া বিশ্বকাপে খেলেনি।

৩৯ বছর বয়সে নিজের শেষ বিশ্বকাপে অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্স। ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট করে মিরোস্লাভ ক্লোসার রেকর্ড ভেঙে বিশ্বকাপের সর্বকালের সেরা গোলদাতা হয়েছেন, জিতেছেন সিলভার বল ও সিলভার বুট। কিন্তু ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে শিরোপাবঞ্চিত থেকেছেন। শিরোপা ছাড়া তাঁর দাবিটা জোরালো হচ্ছে না। ইন্টার মায়ামির পারফরম্যান্স খুব বেশি বিবেচিত হওয়ার কথা নয়।
পারফরম্যান্স
৪৯ ম্যাচে ৭৫ গোল অবদান (গোল + অ্যাসিস্ট)
মৌসুমে ৪৪ গোল, ৩০ অ্যাসিস্ট
ট্রফি
এমএলএস কাপ
বিশ্বকাপ ফাইনাল (আর্জেন্টিনা)
বাকিদের মধ্যে আর্লিং হলান্ড প্রিমিয়ার লিগে ২৭ গোল করে টানা গোল্ডেন বুট জিতলেও নরওয়ে বিশ্বকাপে বড় কিছু করতে পারেনি। জুড বেলিংহাম ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ভালো খেলেছেন, কিন্তু দলীয় ট্রফির অভাবে এগিয়ে নেই। রদ্রি, ইয়ামাল ও কেইন—এই তিনজনকেই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ফেবারিট ধরা হচ্ছে। কারণ, তিনজনই ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ও দলগত শিরোপা—দুই দিক থেকেই এগিয়ে।
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
পবিত্র নগরী মক্কা ও মদিনা অঞ্চলে হুথিদের হামলার নিন্দা জানিয়েছে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জেদ্দা থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে সংস্থাটি এসব হামলার নিন্দা জানায়। একই সঙ্গে সৌদি আরবের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করে দেশটির পাশে থাকার কথা জানিয়েছে ওআইসি। এতে বলা হয়, ৫৭টি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের এই জোট পবিত্র স্থান, মসজিদ ও বেসামরিক স্থাপনায় হুথিদের হামলাকে সন্ত্রাসবাদের শামিল বলে মনে করে। এসব হামলা ইসলামি মূল্যবোধ ও আন্তর্জাতিক আইনবিধির পরিপন্থি বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি। The OIC General Secretariat Condemns the Houthi Attacks on Makkah and the Madinah Region#OIC #Makkah #Madinah #SaudiArabia #Houthi pic.twitter.com/nQaz3CF2ol — OIC (@OIC_OCI) September 15, 2026 পবিত্র স্থান ও মসজিদের মর্যাদা লঙ্ঘন এবং বেসামরিক মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানোর মতো ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মক্কার দক্ষিণে একটি ড্রোন শনাক্ত করে সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানিয়েছেন, ড্রোনটি মক্কার নির্ধারিত সীমার আকাশসীমায় ঢোকার আগেই ধ্বংস করা হয়েছে। তুর্কি আল-মালিকি বলেন, মক্কাকে নিশানা করে হুথিদের এটি দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা। এর আগে, ২০১৭ সালে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার ঘটনাকেও মক্কায় হামলার চেষ্টা বলে উল্লেখ করেছিল সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। আরও পড়ুন মক্কার দক্ষিণে ড্রোন হামলা, সৌদির হুঁশিয়ারি তবে, মক্কাকে নিশানা করে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে হুথিরা। গোষ্ঠীটির মুখপাত্র হাজেম আল-আসাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সৌদি আরবের দাবিটি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, এর আগেও সৌদি আরব একই ধরনের অভিযোগ করেছিল। গত কয়েক দিনে সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছে হুথিরা। এসব হামলার পর দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আরও পড়ুন পাইপলাইন বন্ধ / সৌদির তেল ফুরিয়ে যেতে পারে কয়েক দিনের মধ্যেই হুথিরা ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের কিছু এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে। এসব এলাকা বাব আল-মান্দাব প্রণালির কাছাকাছি। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে পণ্য পরিবহন হয়। হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হওয়ার পর লোহিত সাগরপথে তেল পরিবহন নিয়েও নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে। সূত্র: দ্য ডনএমডিআরএইচ/
চলতি (২০২৬-২৭) শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের প্রথম ধাপের ফল আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় প্রকাশ করা হবে। ফলাফল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দেখতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২-১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অনলাইন আবেদন নেওয়া হয়। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চয়নের জন্য ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চয়ন না করলে নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হবে। শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। অনলাইন আবেদন, ফল প্রকাশ, শিক্ষার্থী নির্বাচন ও নিশ্চয়ন প্রক্রিয়ার পর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম চলবে আগামী ২০-২২ সেপ্টেম্বর। এরপর ২৩ সেপ্টেম্বর সারাদেশে একযোগে ক্লাস শুরু হওয়ার কথা। তবে একই দিন ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে ছুটি পড়লে পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর সারাদেশে একযোগে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হতে পারে। এএএইচ/জেএইচ
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে কলেজ ও মাদ্রাসায় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের প্রথম পর্যায়ের ফল আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাত ৮টায় প্রকাশ করা হবে। ফল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দেখতে পারবে শিক্ষার্থীরা।এবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে আবেদন করেছে প্রায় ১০ লাখ ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থী। সারা দেশে একাদশ শ্রেণিতে কলেজ ও মাদ্রাসা মিলিয়ে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। ফলে এবার বিপুলসংখ্যক আসন খালি থাকবে। তবে আসন বেশি থাকলেও জিপিএ-৫ পাওয়া সব শিক্ষার্থী তাদের পছন্দের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবে না। কারণ, তুলনামূলক ভালো প্রতিষ্ঠানগুলোয় আসনসংখ্যা সীমিত।স্ট্যানফোর্ডে পড়াশোনার সুযোগ অনলাইনে, নেই টিউশন ফি, যাঁরা আবেদনের যোগ্যএকাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির লক্ষ্যে ২ সেপ্টেম্বর আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছিল। গত রোববার তা শেষ হয়। ভর্তি নির্দেশিকা অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দ দিতে পেরেছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের জ্যেষ্ঠ সিস্টেম অ্যানালিস্ট মনজুরুল কবীর প্রথম আলোকে বলেন, ভর্তির জন্য এবার মোট আবেদন করেছে ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৯৬ শিক্ষার্থী।২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ফল আজ রাত ৮টায় প্রকাশিত হবে। আবেদন করেছে ১০ লাখ শিক্ষার্থী, আসন ২৫ লাখ। পছন্দক্রম পরিবর্তনের পর, ২৩ সেপ্টেম্বর ক্লাস শুরু।ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের করণীয় বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় প্রথম পর্যায়ের ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চয়ন করতে হবে। ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার মধ্যে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চয়ন না করলে শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।এসএসসি পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরাবিনা মূল্যে এআই প্রশিক্ষণ, দিনে ভাতা ২০০, যাঁরা আবেদনের যোগ্য এরপর শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশনের ফল ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় প্রকাশ করা হবে। কলেজে মূল ভর্তি কার্যক্রম চলবে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। সব কার্যক্রম শেষে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর।এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর দেয়ালে টাঙানো রেজাল্ট শিট দেখছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা। বিদ্যাময়ী সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়যেভাবে ফল দেখবে আবেদনকারী শিক্ষার্থীরা একাদশ শ্রেণির ভর্তির ফল অনলাইনে দেখতে শিক্ষার্থীদের প্রথমে একাদশ শ্রেণির ভর্তির ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এরপর হোম পেজে থাকা ‘ভিউ রেজাল্ট’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার রোল নম্বর, শিক্ষা বোর্ডের নাম, পাসের সাল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে। এরপর স্ক্রিনে প্রদর্শিত ক্যাপচা কোড পূরণ করে ‘সাবমিট’ করলেই ফল দেখতে পাবে শিক্ষার্থীরা। সেখানে শিক্ষার্থী কোন কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে, তা জানা যাবে।একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে আবেদন করেছে প্রায় ১০ লাখ শিক্ষার্থী, আসন প্রায় ২৫ লাখএবারও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হচ্ছে। কোনো ভর্তি পরীক্ষা হচ্ছে না। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের ফলাফল, পছন্দক্রম ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনায় নিয়ে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে।বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কেন্দ্রীয়ভাবে একাদশ শ্রেণির অনলাইন ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে। এই পদ্ধতিতে কলেজ ও মাদ্রাসায় ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোয় ভর্তি হয় পৃথক প্রক্রিয়ায়। ঢাকার নটর ডেম কলেজসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের প্রায় সব কলেজ ও মাদ্রাসায় এ পদ্ধতিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়।এসএসসি ও দাখিলে যে ১৩ বিষয়ে একই প্রশ্নে ২০২৭ সালের পরীক্ষা হবে গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ পরীক্ষার্থী ছিল। এর মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। পরে অবশ্য পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নে আরও চার হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী পাস করে।