জাতীয়

৫৭ টাকা কেজি দেখিয়ে ভারত থেকে ইলিশ আমদানি

D HASAN সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
৫৭ টাকা কেজি দেখিয়ে ভারত থেকে ইলিশ আমদানি
৫৭ টাকা কেজি দেখিয়ে ভারত থেকে ইলিশ আমদানি

দুর্গাপূজার সময় বাংলাদেশের ইলিশের জন্য মুখিয়ে থাকেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মানুষ। সরকারের বিশেষ উদ্যোগে সাত বছর ধরে পূজার আগে নির্দিষ্ট পরিমাণ ইলিশ রপ্তানি হয়েছে দেশটিতে। এখন সেই চিত্র বদলাচ্ছে। গত বছর থেকে ভারত থেকে নিয়মিত ইলিশ আমদানি শুরু হয়েছে। এবার ভরা মৌসুমেও ইলিশ আসছে ভারত থেকে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্যে দেখা যায়, ভারত থেকে ইলিশ আমদানি শুরু হয় গত বছরের জুলাইয়ে। সে বছর ইলিশ আসে ১৭ হাজার ৮৫০ কেজি। আর চলতি বছর সাড়ে ৯ মাসে এসেছে ৪ লাখ ২৭ হাজার কেজি। ভারত থেকে আমদানি নতুন হলেও মিয়ানমার থেকে দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশে ইলিশ আসছে।

তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত থেকে আসা ইলিশের বড় অংশ গুজরাটের ভারুচ অঞ্চলের। আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত নর্মদা নদীর মোহনা এলাকায় এসব ইলিশ ধরা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই ডিমওয়ালা ইলিশ সংগ্রহ করে মাছ ও ডিম আলাদাভাবে বিক্রি করা হয়। বাংলাদেশের ইলিশের তুলনায় এর স্বাদ কম, আকারেও ছোট। তাই দামও কম।

গত বছর থেকে ভারত থেকে নিয়মিত ইলিশ আমদানি শুরু হয়েছে। এবার ভরা মৌসুমেও ইলিশ আসছে ভারত থেকে।

খুলনার খানজাহান আলী সড়কের বিশ্বাস ইন্টারন্যাশনাল এ বছর বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৬ হাজার ২৩১ কেজি ইলিশ আমদানি করেছে। প্রতিষ্ঠানটি আমদানি মূল্য দেখিয়েছে ৭৪ থেকে ২৪৭ টাকা কেজি পর্যন্ত। এই প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার দীপ্ত বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন, গুজরাট থেকে যেসব ইলিশ আসছে, সেগুলোর মান অনুযায়ী দাম এমনই। তাঁর দাবি, এই ইলিশ এনে লোকসান হয়েছে। আর আমদানি করবেন না।

এর চেয়েও কম দরে ইলিশ এসেছে বাংলাদেশে। যেমন: ঢাকার দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীর রুপা এন্টারপ্রাইজ ৭ হাজার ৭২৩ কেজি ইলিশ আমদানি করেছে ৫৭ টাকা কেজি ঘোষিত মূল্যে। কেজিতে প্রায় ২০০ টাকা শুল্ক–কর দিয়েছে।

বেনাপোলের মেসার্স সততা ফিশ ফিড ২৪ হাজার ৭০০ কেজি ইলিশ এনেছে ২৪৭ টাকা কেজি ঘোষিত মূল্যে। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার শহিদুর রহমান বলেন, ইলিশ আমদানি করতে সব মিলিয়ে কেজিতে প্রায় ৫০০ টাকা খরচ হয়। একেকটি মাছের ওজন ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রাম। পাইকারিতে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি করছেন। আর দেশের খুচরা বাজারে ৫০০–৭০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রায় দেড় হাজার টাকা কেজিতে।

খুলনার খানজাহান আলী সড়কের বিশ্বাস ইন্টারন্যাশনাল এ বছর বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৬ হাজার ২৩১ কেজি ইলিশ আমদানি করেছে। প্রতিষ্ঠানটি আমদানি মূল্য দেখিয়েছে ৭৪ থেকে ২৪৭ টাকা কেজি পর্যন্ত।

বাংলাদেশের ইলিশই চায় পশ্চিমবঙ্গ

দাম নাগালের বাইরে যাওয়ায় ইলিশের দোকানে ক্রেতা কম। গতকাল বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে

বাংলাদেশের রপ্তানি নীতি অনুযায়ী, ইলিশ শর্ত সাপেক্ষে রপ্তানিযোগ্য পণ্য। সরকারের অনুমতি নিয়ে এটি রপ্তানি করা যায়। ২০১৯ সাল থেকে প্রতিবছর দুর্গাপূজার আগে নির্দিষ্ট পরিমাণ ইলিশ ভারতে রপ্তানির অনুমতি দিয়ে আসছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এবারও পূজার আগে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আমদানির সুযোগ চেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মাছ ব্যবসায়ীরা। কলকাতাভিত্তিক ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে রপ্তানি আবার চালুর অনুমতি চেয়ে চিঠি দিয়েছে। তবে বাংলাদেশের ইলিশের আহরণ কম থাকায় এবার রপ্তানি নিয়ে সংশয় রয়েছে ব্যবসায়ীদের মধ্যে।

ইলিশ রপ্তানি হয়েছিল প্রায় সোয়া লাখ কেজি, আর আমদানি হয়েছিল ১০ লাখ ৬২ হাজার কেজি। চলতি অর্থবছরে এখনো ইলিশ রপ্তানি হয়নি। এর মধ্যে আমদানি হয়েছে ৫ লাখ ৯১ হাজার কেজি।

মিয়ানমার থেকে নিয়মিতই আসছে

ভারত থেকে আমদানি তুলনামূলক নতুন হলেও মিয়ানমার থেকে প্রায় প্রতিবছরই ইলিশ আমদানি হচ্ছে। এনবিআরের গত এক দশকের তথ্যে দেখা যায়, দেশটি থেকে নিয়মিত কমবেশি ইলিশ এসেছে বাংলাদেশে। সবচেয়ে বেশি এসেছে গত অর্থবছরে, মোট ১০ লাখ ২৫ হাজার কেজি। ২০১৯–২০ অর্থবছর থেকে এখন পর্যন্ত মিয়ানমার থেকে মোট ৩০ লাখ ৬২ হাজার কেজি ইলিশ আমদানি হয়েছে।

২০১৯–২০ অর্থবছর থেকে ইলিশ রপ্তানি শুরু হওয়ার পর কয়েক বছর রপ্তানির পরিমাণই বেশি ছিল। ২০২৪–২৫ অর্থবছরেও আমদানির চেয়ে প্রায় ৪ হাজার কেজি বেশি ইলিশ রপ্তানি হয়েছিল। কিন্তু ২০২৫–২৬ অর্থবছরে চিত্র উল্টে যায়। ওই সময় ইলিশ রপ্তানি হয়েছিল প্রায় সোয়া লাখ কেজি, আর আমদানি হয়েছিল ১০ লাখ ৬২ হাজার কেজি। চলতি অর্থবছরে এখনো ইলিশ রপ্তানি হয়নি। এর মধ্যে আমদানি হয়েছে ৫ লাখ ৯১ হাজার কেজি।

চট্টগ্রামের পটিয়ার মাসুদ ফিশ প্রসেসিং অ্যান্ড আইস কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশরাফ হোসেন মাসুদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আগে আমরা ইলিশ রপ্তানি করেছি। এখন আহরণ যেভাবে কমছে, তাতে আমরা নিজেরাই ইলিশ খেতে পারব কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে। এখন ইলিশ উৎপাদন বাড়াতে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।’

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।

জাতীয়

View more
গাজীপুরে পুলিশ-শ্রমিক উত্তেজনা, গাড়ি-দোকান ভাঙচুর
গাজীপুরে পুলিশ-শ্রমিক উত্তেজনা, গাড়ি-দোকান ভাঙচুর

ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ চলছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে আন্দোলন চলাকালে যানবাহন ও দোকানপাটে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

D HASAN নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
গার্মেন্টস মালিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গার্মেন্টস মালিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গার্মেন্টস খাতে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গার্মেন্টস খাতে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ

আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ

না, ফ্রান্স ‘জ্বলছে’ না
না, ফ্রান্স ‘জ্বলছে’ না

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে, ফ্রান্সের আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে জ্বলন্ত ভবন ও ধ্বংসপ্রাপ্ত শপিং স্ট্রিটের ছবি। ‘ফ্রান্স জ্বলছে’, ‘ফ্রান্স বিশৃঙ্খলার মধ্যে’, ‘ফ্রান্সে নৈরাজ্য’- এ ধরনের শিরোনামেই সংবাদ পরিবেশিত হয়েছে।

D HASAN নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
নারীর আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল, শিক্ষক গ্রেপ্তার

নারীর আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল, শিক্ষক গ্রেপ্তার

ইয়েমেনে হুথিদের ওপর ২৪ ঘণ্টায় ১২৭২ হামলা, হতাহত ৫০০

ইয়েমেনে হুথিদের ওপর ২৪ ঘণ্টায় ১২৭২ হামলা, হতাহত ৫০০

শ্রীপুরে টমটম-অটোরিকশা সংঘর্ষে যুবক নিহত

শ্রীপুরে টমটম-অটোরিকশা সংঘর্ষে যুবক নিহত

শ্রমিক বিক্ষোভ: শৃঙ্খলা রক্ষায় গাজীপুরের সড়কে বিএনপি নেতাকর্মীরা
শ্রমিক বিক্ষোভ: শৃঙ্খলা রক্ষায় গাজীপুরের সড়কে বিএনপি নেতাকর্মীরা

গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রাখা ও সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্থানে অবস্থান নিয়েছেন বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

D HASAN নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
সাংবাদিককে মারধর করে ক্যামেরা ছিনিয়ে নিলেন শ্রমিকরা

সাংবাদিককে মারধর করে ক্যামেরা ছিনিয়ে নিলেন শ্রমিকরা

পোশাক শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা ও উৎপাদন-রপ্তানি সচল রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পোশাক শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা ও উৎপাদন-রপ্তানি সচল রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ফ্রান্সে পুলিশের ওপর পেট্রোল বোমা হামলা, তদন্ত শুরু

ফ্রান্সে পুলিশের ওপর পেট্রোল বোমা হামলা, তদন্ত শুরু

0 Comments