কয়েক সেকেন্ডের আলিঙ্গন ঘিরে আসিফের স্ত্রী-বোনকে হুমকি

সম্প্রতি সালমান খানের রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস ২০’ থেকে বাদ পড়েছেন ‘পঞ্চায়েত’ সিরিজের অভিনেতা আসিফ খান।

সততা ও শৃঙ্খলার সাথে পেশাগত দায়িত্ব পালন কর‌তে হ‌বে: উপদেষ্টা

বর্তমান সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ` নীতির আলোকে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সততা ও শৃঙ্খলার সাথে পেশাগত দায়িত্ব পালন, অস্ত্র ও সরঞ্জামের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ, নেতৃত্বের বিকাশ এবং সেনাসদস্যদ...

সততা ও শৃঙ্খলার সাথে পেশাগত দায়িত্ব পালন কর‌তে হ‌বে: উপদেষ্টা
একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাত্রি এখন কোথায়?

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুরাইয়া হুদা রাত্রি। মঞ্চনাটক দিয়ে তার অভিনয়ের হাতেখড়ি। নব্বই দশকের শেষ লগ্নে টিভি নাটকে পা রাখেন।

একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাত্রি এখন কোথায়?
সুন্দরবনঘেঁষা ১৮ রিসোর্টের বৈধতা যাচাই প্রতিমন্ত্রীর, দিলেন হুঁশিয়ারি

সুন্দরবনের কোলঘেঁষে গড়ে ওঠা ১৮টি রিসোর্টের বৈধতা এবং এসব পর্যটন স্থাপনার কারণে বনের প্রাণ-প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্যের কোনো ক্ষতি হচ্ছে কি না, সরেজমিনে খতিয়ে দেখেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণাল...

সুন্দরবনঘেঁষা ১৮ রিসোর্টের বৈধতা যাচাই প্রতিমন্ত্রীর, দিলেন হুঁশিয়ারি
মাগুরায় স্বর্ণের ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে খুন হন যুবদল নেতা, গ্রেপ্তার ১১

মাগুরায় স্বর্ণ ডাকাতির ঘটনায় লুট করা স্বর্ণের ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে বিরোধের জেরে যুবদল নেতা শাকের হোসেনকে ভাড়াটে খুনি দিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ড ও স্বর্ণ ডাক...

মাগুরায় স্বর্ণের ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে খুন হন যুবদল নেতা, গ্রেপ্তার ১১
বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) খুলনা ও বাগেরহাট যাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
শরীরে কাচের টুকরা রেখে সেলাই, চিকিৎসা কর্মকর্তা বললেন ‘স্যরি’

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হওয়ার পর ভাঙা কাচের টুকরা সাইদার মিয়ার বাম হাতে ঢুকে যায়। চিকিৎসা নিতে তিনি চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর হাতের ভেতর...

শরীরে কাচের টুকরা রেখে সেলাই, চিকিৎসা কর্মকর্তা বললেন ‘স্যরি’

সারা দেশ

View more
দড়ি টেনে চলে প্রতিবন্ধী জনির ৬ সদস্যের সংসার
দড়ি টেনে চলে প্রতিবন্ধী জনির ৬ সদস্যের সংসার

সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।

Video news

Rss feed news

টেকনাফে চার যুবককে পাহাড়ে নিয়ে নির্যাতন, দুজনের মরদেহ উদ্ধার
টেকনাফে চার যুবককে পাহাড়ে নিয়ে নির্যাতন, দুজনের মরদেহ উদ্ধার

কক্সবাজারের টেকনাফে মাদক–সংক্রান্ত বিরোধের জেরে চার যুবককে একটি পাহাড়ে নিয়ে নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। তাঁদের মধ্যে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন: সিনেটের পর প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পেল ডেমোক্র্যাটরা
যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন: সিনেটের পর প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পেল ডেমোক্র্যাটরা

<p>দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সব খবর নিয়ে প্রথম আলোর নিয়মিত আয়োজন ‘বার্তাসংক্ষেপ’। অল্প সময়ে দিনের বড় ঘটনা ও খবরের ভেতরের খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের এ বিশেষ আয়োজনে... </p><figure></figure>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
বিদ্যুৎ ছাড়াই নজরদারি করতে পারে এই সৌরবিদ্যুৎ ক্যামেরা
বিদ্যুৎ ছাড়াই নজরদারি করতে পারে এই সৌরবিদ্যুৎ ক্যামেরা

দেশের বাজারে বিদ্যুৎ ও ওয়াই-ফাই সংযোগ ছাড়া নজরদারি করতে সক্ষম সৌরবিদ্যুৎ ক্যামেরা এনেছে গ্লোবাল ব্র্যান্ড পিএলসি।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
নাম-পরিচয় নিয়ে ট্রাম্পের ঠাট্টার পর ইতিহাস গড়লেন আবদুল আল-সাইদ, দেখুন নবনির্বাচিত মুসলিম সিনেটরের জীবনের ১০টি জানা-অজানা তথ্য
নাম-পরিচয় নিয়ে ট্রাম্পের ঠাট্টার পর ইতিহাস গড়লেন আবদুল আল-সাইদ, দেখুন নবনির্বাচিত মুসলিম সিনেটরের জীবনের ১০টি জানা-অজানা তথ্য

<p>নির্বাচনী প্রচারণায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নানা মন্তব্য, বিশেষ করে তাঁর ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে আক্রমণ এবং নামের উচ্চারণ নিয়ে ঠাট্টা তাঁকে আলোচনায় রেখেছিল।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে মিশিগান থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল আল-সাইয়েদ। দেশটির ইতিহাসে প্রথম মুসলিম হিসেবে সিনেটে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। নির্বাচনী প্রচারণায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নানা মন্তব্য, বিশেষ করে তাঁর ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে আক্রমণ এবং নামের উচ্চারণ নিয়ে ঠাট্টা তাঁকে আলোচনায় রেখেছিল। তবে রাজনীতির বাইরেও তাঁর পরিচয় বেশ বৈচিত্র্যময়। মিসরীয় অভিবাসী পরিবারের সন্তান আল-সাইদ পড়াশোনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান ও কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে। খেলাধুলা, লেখালেখি ও পডকাস্টের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন আল-সাইদ। তাঁর জীবন ও পরিবার নিয়ে ১০টি তথ্য জেনে নিন এবারে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/ej6q47q8/timesofindia179377613940228082867725116951691326988.jpg"></figure><h3>মিসরীয় অভিবাসী পরিবারের সন্তান</h3><p>১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে জন্ম আবদুল আল-সাইদের। তাঁর বাবা-মা দুজনই মিসর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হয়েছিলেন। বাবা মোহাম্মদ আল-সাইদ পেশায় অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ার ও সাবেক অধ্যাপক। ছোটবেলায় মা-বাবার বিচ্ছেদ হলে বাবার কাছেই বড় হন আবদুল। তাঁর বেড়ে ওঠা মিশিগানের ডেট্রয়েট অঞ্চলে।</p><h3>পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও আগ্রহ</h3><p>ছাত্রজীবন থেকেই খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ ছিল আবদুলের। স্কুলে ল্যাক্রস, রেসলিং ও ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন। পরে মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ে জীববিজ্ঞান ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করেন। সেখানেও ল্যাক্রস দলের সদস্য ছিলেন। ২০০৭ সালে সর্বোচ্চ সম্মানসহ স্নাতক সম্পন্ন করেন তিনি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/lukupnhe/image-81.png"></figure><h3>অক্সফোর্ডে রোডস বৃত্তি পেয়েছিলেন</h3><p>২০০৯ সালে মর্যাদাপূর্ণ রোডস বৃত্তি নিয়ে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যান আবদুল। সেখানে জনস্বাস্থ্যে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। পড়াশোনার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাক্রস দলের অধিনায়কত্বও করেছেন। খেলাধুলায় অসামান্য অবদানের জন্য অক্সফোর্ডের সর্বোচ্চ ক্রীড়া সম্মান ‘ফুল ব্লু’ অর্জন করেন তিনি।</p><h3>চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ</h3><p>শিক্ষাজীবনে চিকিৎসাবিদ্যার প্রতিও আগ্রহ ছিল তাঁর। ২০১৪ সালে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসাবিদ্যায় ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিভাগে শিক্ষক ও গবেষক হিসেবে কাজ করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল জনস্বাস্থ্য, রোগের বিস্তার এবং স্বাস্থ্যসেবায় বৈষম্য।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/du9w85nr/WhatsApp-Image-2026-11-04-at-19.24.22-1.jpeg"></figure><h3>ডেট্রয়েটের স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন</h3><p>রাজনীতিতে আসার আগে জনস্বাস্থ্য খাতেই কাজ করেছেন আবদুল। ২০১৫ সালে ডেট্রয়েট শহরের স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেন। শহরের স্বাস্থ্য বিভাগ পুনর্গঠন ও জনস্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে কাজ করেন তিনি। পরে ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ওয়েইন কাউন্টির স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের পরিচালক এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ছিলেন।</p><h3>বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের পরিচয় থেকে বিয়ে</h3><p>মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় সারাহ জুকাকুর সঙ্গে পরিচয় হয় আবদুলের। দুজনই বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বন্ধুত্ব থেকে প্রেম, এরপর ২০০৬ সালের মে মাসে বিয়ে করেন তাঁরা। দীর্ঘ দুই দশকের দাম্পত্য জীবনে একে অপরের পড়াশোনা, পেশা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে পাশে থেকেছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/m0e5qn5o/WhatsApp-Image-2026-11-04-at-19.24.22-2.jpeg"></figure><h3>স্ত্রী সারাহ ভারতীয় বংশোদ্ভূত চিকিৎসক</h3><p>আবদুলের স্ত্রী ডা. সারাহ জুকাকু পেশায় একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ। তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের উপকূলীয় শহর ভাটকাল। সারাহর বাবা ডা. তাইয়েব জুকাকু একজন কিডনি বিশেষজ্ঞ। তাঁর দাদা জুকাকু শামসুদ্দিন ছিলেন আইনজীবী ও তৎকালীন মহীশূর রাজ্যের অর্থবিষয়ক উপমন্ত্রী। মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান ও নিয়ার ইস্ট স্টাডিজে পড়েছেন সারাহ। পরে অক্সফোর্ড ও কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়াশোনা করেন।</p><h3>দুই মেয়েকে নিয়ে তাঁদের সংসার</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/feaqvptg/image-82.png"></figure><p>আবদুল ও সারাহর দুই মেয়ে, এমেলি ও সেরিন। পরিবার নিয়ে মিশিগানের অ্যান আরবারে বসবাস করেন তাঁরা। নির্বাচনী প্রচারণায় স্ত্রী ও মেয়েদের সঙ্গে আবদুলের উপস্থিতি দেখা গেছে। তবে ব্যক্তিগত জীবন সাধারণত প্রচারের আড়ালেই রাখতে পছন্দ করেন এই দম্পতি।</p><h3>লেখক ও পডকাস্ট উপস্থাপক</h3><p>রাজনীতির পাশাপাশি লেখালেখি ও গণমাধ্যমেও কাজ করেছেন আবদুল। তাঁর উল্লেখযোগ্য বই ‘হিলিং পলিটিকস’। চিকিৎসক মাইকা জনসনের সঙ্গে লিখেছেন ‘মেডিকেয়ার ফর অল: আ সিটিজেনস গাইড’। এ ছাড়া ‘আমেরিকা ডিসেক্টেড’ নামের পডকাস্টের উপস্থাপক ছিলেন তিনি। সেখানে জনস্বাস্থ্য, রাজনীতি ও সামাজিক বৈষম্য নিয়ে আলোচনা করেছেন।</p><h3>ভালো কফি, খাবার ও ফুটবল তাঁর পছন্দ</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/6pffjgb2/image-83.png"></figure><p>ব্যক্তিগত পছন্দের কথা বলতে গিয়ে আবদুল জানিয়েছেন, ভালো মানুষের সঙ্গ, ভালো কফি, সুস্বাদু খাবার এবং মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল তাঁর বেশ পছন্দের। স্ত্রী সারাহর পরিবারের সঙ্গে দক্ষিণ ভারতীয় সংস্কৃতিরও ঘনিষ্ঠ পরিচয় রয়েছে তাঁর। এক সাক্ষাৎকারে মজা করে বলেছিলেন, দক্ষিণ ভারতীয় পরিবারে ২০ বছর কাটানোর পর নিজেকে কখনো কখনো আরবের চেয়ে বেশি ভারতীয় মনে হয়।</p>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
সম্পন্ন হলো ‘বর্ষসেরা দশ বন্ধুসভা’ ও ‘একটি ভালো কাজ’–এ সেরা দশ বাছাই
সম্পন্ন হলো ‘বর্ষসেরা দশ বন্ধুসভা’ ও ‘একটি ভালো কাজ’–এ সেরা দশ বাছাই

৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো কার্যালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বর্ষসেরা দশ বন্ধুসভা ২০২৬’ মূল্যায়ন ও যাচাই–বাছাই। স্থানীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের বন্ধুসভাগুলোর বছরব্যাপী ধারাবাহিক কাজের ভিত্তিতে এই মূল্যায়ন করা হয়।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে ঢাকায় এআই বিজনেস সামিট
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে ঢাকায় এআই বিজনেস সামিট

আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হতে যাচ্ছে ‘বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট ২০২৬’।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
সংস্কারের ঘোষণা ও বাস্তবতার ব্যবধান
সংস্কারের ঘোষণা ও বাস্তবতার ব্যবধান

<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/sab0yrar/Nafiul-Islam.jpg"><figcaption>নাফিউল আলম</figcaption></figure><p>২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর পুলিশ সংস্কারের দাবি ছিল রাষ্ট্রের সঙ্গে নাগরিকের সম্পর্ক বদলানোর দাবি। মানুষ এমন পুলিশ চেয়েছিল, যার কাছে অভিযোগ জানাতে রাজনৈতিক পরিচয় লাগে না, যার হেফাজতে নিরাপত্তা থাকে এবং যার অপরাধেরও বিচার হয়। দুই বছর পর আইন বদলেছে, কিছু প্রশাসনিক পদক্ষেপ এসেছে, র্যাবের জায়গায় এসআরবি হয়েছে। কিন্তু দৈনন্দিন পুলিশিংয়ে কতটা পরিবর্তন এসেছে?</p><p>জুলাই ও আগস্টের ঘটনাবলি নিয়ে জাতিসংঘের অনুসন্ধান রাজনৈতিক নির্দেশনায় দমন, বেআইনি হত্যাকাণ্ড, নির্বিচার আটক ও নির্যাতনের তথ্য তুলে ধরেছে। ফলে সমস্যা কেবল কয়েকজন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত বিচ্যুতি ছিল না। এমন একটি ব্যবস্থাও দায়ী ছিল, যেখানে ক্ষমতাসীনদের নির্দেশ অমান্য করার ঝুঁকি নাগরিকের অধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকির চেয়ে বড় হয়ে উঠেছিল। সংস্কারের লক্ষ্য হওয়া দরকার সেই প্রণোদনা ও দায়মুক্তির ব্যবস্থা বদলানো।</p><p>পুলিশ আইন, ১৮৬১-এর ৩ ধারায় পুলিশের তত্ত্বাবধান সরকারের হাতে ন্যস্ত। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নির্বাচিত সরকারের নীতিগত তত্ত্বাবধান প্রয়োজন। কিন্তু নীতিগত কর্তৃত্ব আর নির্দিষ্ট মামলায় হস্তক্ষেপ এক বিষয় নয়। নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলির সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক আনুগত্যের পুরস্কার হয়ে উঠলে নিরপেক্ষ তদন্তের পরিবেশ নষ্ট হয়। যে কর্মকর্তা জানেন আইন মানার চেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিকে সন্তুষ্ট করা তাঁর কর্মজীবনের জন্য নিরাপদ, তাঁর কাছে প্রশিক্ষণের মানবাধিকার পাঠ কতটা কার্যকর হবে?</p><p>বাংলাদেশে এই সংকটের সমাধান খোঁজা হচ্ছে বহুদিন। ইউএনডিপি-সমর্থিত পুলিশ সংস্কার কর্মসূচির প্রথম পর্যায় চলে ২০০৫ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত; পরে দ্বিতীয় পর্যায় আসে। প্রশিক্ষণ, তদন্তের সক্ষমতা, কমিউনিটি পুলিশিং ও নারীর অংশগ্রহণে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ইউএনডিপির পরবর্তী আলোচনায়ও গভীর রাজনৈতিক বাধার কথা উঠে এসেছে। এসব অভিজ্ঞতা দেখায়, দক্ষতা ও অবকাঠামো বাড়ানো প্রয়োজন হলেও তা দিয়ে রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ এবং দায়মুক্তির সমস্যার সমাধান হয় না।</p><p>এক–এগারোর সরকারের সময় তৈরি পুলিশ অধ্যাদেশের ২০০৭ সালের খসড়া ঔপনিবেশিক আইন প্রতিস্থাপনের সুযোগ দিয়েছিল। স্বাধীন কমিশন এবং আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ব্যবস্থার ধারণা সেখানে ছিল। খসড়ার সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনাও হয়েছিল; কিন্তু তা আইনে পরিণত হয়নি। পরবর্তী রাজনৈতিক সরকার উদ্যোগটি গ্রহণ করেনি; ২০১৩ সালের পর্যালোচনাও রাজনৈতিক পর্যায়ে আটকে যায়। সংস্কারের ধারণা গ্রহণযোগ্য ছিল, অথচ পুলিশ নিয়ন্ত্রণের সুবিধা ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠেনি। এই ইতিহাস বর্তমান মূল্যায়নে বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/3fs6mn4c/Untitled-1.jpg"></figure><p>২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর গঠিত পুলিশ সংস্কার কমিশন পরের বছরের ১৫ জানুয়ারি প্রতিবেদন জমা দেয়। গায়েবি মামলা বন্ধ, বলপ্রয়োগ নিয়ন্ত্রণ, ভুক্তভোগী ও সাক্ষী সুরক্ষা এবং মানবাধিকার কমিশনের তদন্তক্ষমতা বাড়ানোর সুপারিশ সেখানে ছিল। তবে স্থায়ী পুলিশ কমিশনের প্রশ্নে প্রতিবেদনটি নীতিগত ঐকমত্য জানিয়ে তার গঠন, ক্ষমতা ও পরিধি বৃহত্তর আলোচনার জন্য রেখে দেয়। সবচেয়ে প্রয়োজনীয় কাঠামোগত সিদ্ধান্তটির কার্যকর রূপ তাই পরবর্তী রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল থেকে যায়।</p><p>২০২৫-২৬ সালে ফৌজদারি কার্যবিধির সংশোধনে গ্রেপ্তারকারী কর্মকর্তার পরিচয় প্রদর্শন, গ্রেপ্তার স্মারক, আহতের চিকিৎসা ও আইনজীবীর পরামর্শের সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে। ১৬৭(২) ধারায় একই মামলায় সব মিলিয়ে ১৫ দিনের বেশি পুলিশ হেফাজত নিষিদ্ধ। অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখাতে আসামিকে আদালতে হাজির করে শুনানি করতে হবে। তদন্তের সময়সীমা ৬০ কার্যদিবস, তবে যুক্তিসংগত কারণে আদালত তা বাড়াতে পারেন। এসব গুরুত্বপূর্ণ আইনি অগ্রগতি।</p><p>প্রশাসনিক পর্যায়ে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ৮ অক্টোবর ২০২৬<em> প্রথম আলো</em>য় প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর ১৩৫ জন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে এবং ২৫ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। পদায়নের জন্য কমিটি গঠন, পুলিশ ভেরিফিকেশন সহজ করা এবং তল্লাশির সময় কর্মকর্তার পরিচয় নিশ্চিত করার উদ্যোগের কথাও বলেছেন তিনি। তবে এগুলোর ফলাফল স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।</p><p>কারণ, পদক্ষেপের সংখ্যা দিয়ে ব্যবস্থার পরিবর্তন বোঝা যায় না। বিভাগীয় শাস্তি হয়েছে মানেই নির্যাতনের অভিযোগ স্বাধীনভাবে তদন্ত হয়েছে, এমন নয়। জানতে হবে, মানুষ নিরাপদে অভিযোগ করতে পারছে কি না, কতটি অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে এবং ভুক্তভোগীরা কী প্রতিকার পেয়েছেন। পদায়ন কমিটির সিদ্ধান্তের মানদণ্ড ও আপিলের ব্যবস্থা স্পষ্ট না হলে রাজনৈতিক প্রভাব কমার দাবিও যাচাই করা কঠিন। এসব তথ্য প্রকাশের পাশাপাশি জন-আস্থা ও সেবার মান বুঝতে স্বাধীন নাগরিক জরিপ প্রয়োজন।</p><blockquote>আস্থা ফেরাতে পুলিশের অভ্যন্তরীণ উদ্যোগের সঙ্গে স্বাধীন তদারকির স্থায়ী ব্যবস্থাও প্রয়োজন। কিন্তু পুলিশ কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ সেই জায়গায় দুর্বল থেকে গেছে।</blockquote><p>জন-আস্থা যে এখনো প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি, একই সাক্ষাৎকারে আইজিপিও তা স্বীকার করেছেন। মানুষের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতায়ও পুলিশের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। মিরপুরের রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা এর একটি উদাহরণ। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের অভিযোগ, পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলেও স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি রক্ষা করতে পারেনি। পরে আসামি গ্রেপ্তার করা প্রয়োজনীয় হলেও তাতে হামলা ঠেকাতে না পারার ব্যর্থতা মুছে যায় না। বিপদে পুলিশ পাশে দাঁড়াবে এবং প্রভাবশালী অপরাধীর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেবে, এই বিশ্বাস তৈরি হলেই আস্থা ফিরবে।</p><p>আস্থা ফেরাতে পুলিশের অভ্যন্তরীণ উদ্যোগের সঙ্গে স্বাধীন তদারকির স্থায়ী ব্যবস্থাও প্রয়োজন। কিন্তু পুলিশ কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ সেই জায়গায় দুর্বল থেকে গেছে। ২০২৫ সালের ৯ ডিসেম্বরের অধ্যাদেশে আইজিপি নিয়োগে নামের প্যানেল সুপারিশের বিধান থাকলেও নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতির কার্যকর নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে দেওয়া হয়নি। দায়িত্বের বড় অংশ ছিল পরামর্শ ও সুপারিশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। পরে অধ্যাদেশটি সংসদে আইন হিসেবে পাস না হওয়ায় সাংবিধানিক সময়সীমা পেরিয়ে এর কার্যকারিতাও শেষ হয়েছে। ফলে অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক নকশার সঙ্গে নির্বাচিত সরকারের সময়ে উদ্যোগটির স্থায়ী আইনি ভিত্তি নিশ্চিত না হওয়ার ব্যর্থতাও যুক্ত হয়েছে।</p><p>এসআরবির ক্ষেত্রেও সংস্কারের মূল্যায়ন করতে হবে কাঠামো ও জবাবদিহির পরিবর্তন দিয়ে। ২০২৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর সংসদে আইন পাসের পর ১৬ সেপ্টেম্বর নতুন নামে এই বাহিনীর কার্যক্রম শুরু হয়। তবে র্যাবের জনবল, ক্ষমতা, সম্পদ ও নথিপত্র এসআরবিতে স্থানান্তরের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সরকারের যুক্তি, রাষ্ট্রীয় সম্পদ নতুন বাহিনীতে কাজে লাগানো প্রয়োজন। এই যুক্তি সম্পদ ব্যবহারের প্রয়োজন ব্যাখ্যা করলেও একই জনবল ও ক্ষমতা বহাল রাখার যৌক্তিকতা স্পষ্ট করে না।</p><aside><cite></cite>নতুন ব্যবস্থায় পুলিশের বাইরে অন্য শৃঙ্খলা বাহিনী থেকেও সদস্য নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। নতুন বিধিমালা হওয়ার আগপর্যন্ত পুরোনো বিভাগীয় শৃঙ্খলা ব্যবস্থাও বহাল থাকছে।</aside><p>নতুন ব্যবস্থায় পুলিশের বাইরে অন্য শৃঙ্খলা বাহিনী থেকেও সদস্য নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। নতুন বিধিমালা হওয়ার আগপর্যন্ত পুরোনো বিভাগীয় শৃঙ্খলা ব্যবস্থাও বহাল থাকছে। ফলে বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে বেসামরিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং তাদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার পুরোনো প্রশ্নগুলো রয়ে যাচ্ছে। সদস্যদের অতীত ভূমিকা যাচাই, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের স্বাধীন তদন্ত এবং অপরাধের দায় নির্ধারণ ছাড়া এই ধারাবাহিকতাকে কেবল প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। র্যাবের যেসব কাঠামোগত দুর্বলতা সংস্কারের দাবি সৃষ্টি করেছিল, এসআরবিতে সেগুলোর কতটা সমাধান হয়েছে, সেটিই মূল বিবেচনা।</p><p>তবে মাসখানেকের কার্যক্রম দেখে এসআরবির দীর্ঘমেয়াদি আচরণ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়াও সংগত নয়। বৃহত্তর পরিস্থিতির কিছু উন্নতিও বিবেচনায় নিতে হবে। ২০২৪-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সেপ্টেম্বরের মূল্যায়নে হত্যাকাণ্ড ও গুম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্বিচার আটক অব্যাহত থাকার অভিযোগও রয়েছে। এই উন্নতি স্বীকার করেও মনে রাখতে হবে, মানবাধিকার লঙ্ঘন কমে আসা এবং ভবিষ্যতে তা ঠেকানোর স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে ওঠা এক বিষয় নয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/endez7jp/48A5099074254.jpg"><figcaption>বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা গত জুলাই থেকে নতুন পোশাকে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। গত ২৮ অক্টোবর রাজধানীর শাহবাগে </figcaption></figure><p>স্থায়ী সুরক্ষার জন্যই স্বাধীন তদারকি জরুরি। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এসআরবির সদস্যদের অতীত ভূমিকা যাচাই, গ্রেপ্তার ও হেফাজতে অধিকার রক্ষা এবং পুরোনো নথিপত্র সংরক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। সংস্থাটি একই সঙ্গে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা ও তদন্তক্ষমতা দুর্বল বলে উদ্বেগও জানিয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের প্রতিষ্ঠান দুর্বল হলে বাহিনীর অভ্যন্তরীণ শুদ্ধাচার উদ্যোগ দিয়ে সেই ঘাটতি পূরণ করা যায় না। অভিযোগের তদন্ত ও প্রতিকার অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের সদিচ্ছার ওপর নির্ভরশীল থাকলে জবাবদিহিও অনিশ্চিত থেকে যায়।</p><p>তাহলে কি এক–এগারো ও চব্বিশের অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারের পরিণতি একই দিকে যাচ্ছে? দুই সরকার ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নিয়েছিল। এবার কিছু আইনি সুরক্ষাও যুক্ত হয়েছে। তাই দুই উদ্যোগকে পুরোপুরি এক করে দেখা ঠিক হবে না। তবে উদ্বেগজনক মিল হলো, সংকটের সময়ে সংস্কারের সুযোগ তৈরি হলেও পুলিশের ওপর রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ কমানোর প্রশ্নে অগ্রগতি আটকে যায়। এই পরিণতি মূল্যায়নে অন্তর্বর্তী সরকারের পদক্ষেপের পাশাপাশি পরবর্তী সরকারের সিদ্ধান্তও বিবেচনায় নিতে হবে। কারণ, সংস্কারের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা ক্ষমতায় আসা প্রত্যেক সরকারের দায়িত্ব।</p><p>এই ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে নতুন পুলিশ আইনে সরকারের নীতিগত তত্ত্বাবধানের সীমা স্পষ্ট করা এবং নির্দিষ্ট তদন্তে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন। নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলিতে প্রকাশ্য মানদণ্ড, সিদ্ধান্তের লিখিত কারণ এবং আপিলের ব্যবস্থা থাকতে হবে। স্বাধীন কমিশনকে নিজস্ব তদন্তকারী ও সুরক্ষিত অর্থায়ন দিতে হবে। এসআরবিতে সদস্য নেওয়ার আগে তাঁদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ যাচাই, গুরুতর অভিযোগের স্বাধীন তদন্ত এবং অতীত অপরাধের নথি সংরক্ষণও জরুরি।</p><p>একই সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের আইন মেনে দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। অবৈধ আদেশ প্রত্যাখ্যানকারী কর্মকর্তাদের সুরক্ষার পাশাপাশি যুক্তিসংগত কর্মঘণ্টা, আবাসন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও তদন্তের প্রয়োজনীয় ব্যয় দিতে হবে। কার্যকর সেবার জন্য এসব সুবিধা প্রয়োজন, আর ক্ষমতার অপব্যবহার ঠেকাতে প্রয়োজন স্বাধীন জবাবদিহি। সংস্কারে এই দুই দিককে একসঙ্গে গুরুত্ব দিতে হবে।</p><p>শেষ পর্যন্ত নাগরিকের অভিজ্ঞতাই হবে সংস্কারের মাপকাঠি। থানায় অভিযোগ দিতে টাকা লাগে কি না, পরিবার গ্রেপ্তারের খবর পায় কি না, হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগের স্বাধীন তদন্ত হয় কি না এবং রাজনৈতিক পরিচয় ছাড়াই সুরক্ষা মেলে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর চাই। সরকারকে সংস্কার বাস্তবায়নের সময়সূচি, বাজেট ও যাচাইযোগ্য ফলাফল প্রকাশ করতে হবে। এক–এগারোর অসমাপ্ত খসড়া ও জুলাই ২০২৪-এর রক্তক্ষয়ী অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ও দায়মুক্তির পুরোনো ব্যবস্থা বদলাতে না পারলে সংস্কারের সুযোগ আবারও হারিয়ে যাবে।</p> <p>* <strong>নাফিউল আলম:</strong> আইনজীবী, গবেষক ও মানবাধিকারকর্মী</p>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
সরকার বিরোধিতার ফল, সোনম ওয়াংচুকের স্কুল বন্ধের নির্দেশ
সরকার বিরোধিতার ফল, সোনম ওয়াংচুকের স্কুল বন্ধের নির্দেশ

সোনম ওয়াংচুক গণমাধ্যমকে বলেছেন, কেন হঠাৎ লাদাখ প্রশাসনের এই স্কুল বন্ধের নির্দেশ, বিরূপ মনোভাব, তা সহজেই অনুমান করা যায়।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
যে চারটি প্রথম ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে
যে চারটি প্রথম ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে

যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে এখনো মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। তবে এটি এরইমধ্যে ইতিহাস গড়ার একটি রাতও হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের দুই কক্ষেই ডেমোক্র্যাটদের জয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। বিস্তারিত বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...

নভেম্বর ৪, ২০২৬
তৈরি পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি ডিসেম্বর থেকে কার্যকরের ঘোষণা বোর্ডের
তৈরি পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি ডিসেম্বর থেকে কার্যকরের ঘোষণা বোর্ডের

পহেলা ডিসেম্বর থেকে শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি কাঠামো কার্যকর হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মজুরি বোর্ডের সদস্যরা, যদিও মজুরি কাঠামো এখনো নির্ধারিত হয়নি। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের দুই কক্ষেই ডেমোক্র্যাটদের জয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। বিস্তারিত বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...

নভেম্বর ৪, ২০২৬
পঞ্চম দিনের মতো পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, নতুন মজুরি কার্যকরের আশ্বাস
পঞ্চম দিনের মতো পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, নতুন মজুরি কার্যকরের আশ্বাস

ন্যুনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে পঞ্চম দিনের মতো বিক্ষোভ করেছেন পোশাক শ্রমিকরা। অন্যদিকে চলমান শ্রমিক অসন্তোষের মাঝে নবগঠিত মজুরি বোর্ড বুধবার জানিয়েছে, পোশাক শ্রমিকদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো আগামী ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল নিয়ে কী বললেন ট্রাম্প
মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল নিয়ে কী বললেন ট্রাম্প

ডোনাল্প ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেছেন যে, ব্যালটে তার নাম থাকলে রিপাবলিকানরা "বিপুল ভোটে" জয়ী হতো।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
পারমাণবিক হামলা ও তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে কেন নাগরিকদের সতর্ক করল ইরান?
পারমাণবিক হামলা ও তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে কেন নাগরিকদের সতর্ক করল ইরান?

পারমাণবিক হামলার ক্ষেত্রে কী জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া দরকার সে বিষয়ে নির্দেশ জারি করেছে ইরান। সোমবার রাতে ইরানের কেশম দ্বীপে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেই আবহেই তড়িঘড়ি জারি করা হয়েছে এই নির্দেশাবলী।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
উদযাপন ও সেলফি: ছবিতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন
উদযাপন ও সেলফি: ছবিতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন

রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটিগুলোতে ডেমোক্র্যাটরা একের পর এক জয় তুলে নেওয়ায় আলিঙ্গন, উল্লাস ও হাসির ঢেউ বয়ে যাচ্ছে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
কে এই আবদুল এল-সাইয়েদ, যিনি প্রথম মুসলিম মার্কিন সেনেটর হচ্ছেন?
কে এই আবদুল এল-সাইয়েদ, যিনি প্রথম মুসলিম মার্কিন সেনেটর হচ্ছেন?

মিশিগান রাজ্যে জনমত জরিপগুলোও ইঙ্গিত দিচ্ছিলো, ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী আব্দুল এল-সাইয়েদ যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সেনেটর হতে যাচ্ছেন।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
রিপাবলিকানদের এলাকায় আছড়ে পড়ছে ডেমোক্র্যাটিক ঢেউ
রিপাবলিকানদের এলাকায় আছড়ে পড়ছে ডেমোক্র্যাটিক ঢেউ

এক বছর আগে যে দুটি সিনেট আসনকে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ক্ষেত্র বলে মনে করা হচ্ছিল, সেগুলো ডেমোক্র্যাটদের জন্য নিশ্চিত জয়ে পরিণত হয়েছে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
মেহজাবীন-নিশোকে নিয়ে আদনানের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা
মেহজাবীন-নিশোকে নিয়ে আদনানের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা

প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা আগেই দিয়েছিলেন নির্মাতা আদনান আল রাজীব। এবার সেই সিনেমার নাম ও অভিনয়শিল্পীদের বিষয়ে জানালেন তিনি।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
বিদেশফেরত ৭০ শতাংশ চিকিৎসক রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
বিদেশফেরত ৭০ শতাংশ চিকিৎসক রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

বিদেশ থেকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে ডিগ্রি নিয়ে দেশে ফেরা শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাত্র ৩০ শতাংশ চিকিৎসক রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
দিল্লির বাতাসের গুণমান আরো খারাপ হয়েছে
দিল্লির বাতাসের গুণমান আরো খারাপ হয়েছে

শীতের আগমনের সাথে সাথে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে আবারো বায়ুদূষণ পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। ফুসফুসে প্রবেশ করতে সক্ষম সূক্ষ্ম ধূলিকণা বা ‘পিএম২ দশমিক ৫’ -এর মাত্রা ৩০০-এর ঘর অতিক্রম করেছে। বায়ুর এই মান সূচক ‘খুবই খারাপ’ পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত, যা লাখ লাখ বাসিন্দার স্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বুধবার বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
ডাকাতের কবলে পরিচালক এমডি ইকবাল
ডাকাতের কবলে পরিচালক এমডি ইকবাল

সিনেমার শুটিং লোকেশন দেখতে গিয়ে ডাকাতের কবলে পড়েন বলে অভিযোগ করেছেন পরিচালক-প্রযোজক এমডি ইকবালসহ টিমের সদস্যরা।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
নাটোরে সারের জন্য কৃষকদের দীর্ঘ লাইন, মিলছে না চাহিদামতো সার
নাটোরে সারের জন্য কৃষকদের দীর্ঘ লাইন, মিলছে না চাহিদামতো সার

নাটোরের নলডাঙ্গায় সারের জন্য কৃষকদের দীর্ঘ অপেক্ষা, ভোগান্তি ও ক্ষোভ বাড়ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও চাহিদামতো সার না পেয়ে অনেক কৃষককে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন।  

নভেম্বর ৪, ২০২৬
লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ল বেদে সম্প্রদায়ের বসতঘর, নিঃস্ব ৯ পরিবার
লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ল বেদে সম্প্রদায়ের বসতঘর, নিঃস্ব ৯ পরিবার

লক্ষ্মীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে লাগা আগুনে বেদে সম্প্রদায়ের বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ৯টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনার সময় আগুন নেভাতে গিয়ে ইসমাত আরা নামে এক নারী আহত হয়েছেন। এছাড়া শিকলে বাঁধা একটি বানর পুড়ে মারা গেছে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
ইনানীতে ভাড়া বাসা থেকে হোটেলকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
ইনানীতে ভাড়া বাসা থেকে হোটেলকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে ভাড়া বাসা থেকে সুমি আক্তার মীম (২৯) নামের এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি স্থানীয় তারকা মানের হোটেল ‘সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা’র কর্মী ছিলেন।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
শরীরে কাচের টুকরা রেখে সেলাই, চিকিৎসা কর্মকর্তা বললেন ‘স্যরি’
শরীরে কাচের টুকরা রেখে সেলাই, চিকিৎসা কর্মকর্তা বললেন ‘স্যরি’

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হওয়ার পর ভাঙা কাচের টুকরা সাইদার মিয়ার বাম হাতে ঢুকে যায়। চিকিৎসা নিতে তিনি চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর হাতের ভেতরে কাচের টুকরো রেখেই তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

নভেম্বর ৪, ২০২৬