<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/yorkar-naki-baunsar-nahider-pchnd</figure>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটপ্রার্থী আবদুল আল–সাইদ ও রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের মধ্যে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। সর্বশেষ ৬০ শতাংশের বেশি ভোট গণনায় আল–সাইদ এক লাখের কাছাকাছি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।</p><p>আল–সাইদ এ পর্যন্ত ১৬ লাখ ২১ হাজার ৯৭৯ ভোট পেয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকানপ্রার্থী রজার্স পেয়েছেন ১৫ লাখ ২২ হাজার ২১৮ ভোট।</p><p>সাবেক জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডেমোক্র্যাট আবদুল আল-সাইদ এবং সাবেক কংগ্রেস সদস্য রিপাবলিকান মাইক রজার্স মিশিগানের এই সিনেট আসনে লড়ছেন। ডেমোক্র্যাক নেতা হ্যালি স্টিভেন্স রিপাবলিকানপ্রার্থীকে সমর্থন করেন। তাঁর এই দলবিরোধী অবস্থানের কারণে তিনি দলের ভেতর ব্যাপকভাবে সমালোচিত হচ্ছেন।</p><p>বাইরের বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীসহ রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটরা এই লড়াইয়ে কোটি কোটি ডলার ঢেলেছেন। এই সিনেট আসনটি ডেমোক্র্যাটদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এরই মধ্যে তাদের কাছে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ চলে যাওয়ায় এই আসনে আল–সাইদের জয়ের অর্থ সিনেটে নিয়ন্ত্রণ আরও পোক্ত করা।</p><p>এল-সায়েদ এবং রজার্স—উভয়েই এমন ভোটারদের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করেছেন যারা সাধারণত প্রতিপক্ষের জোটকে সমর্থন করে থাকেন। ডেমোক্রেটিক প্রাইমারিতে আল-সাইদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিনিধি পরিষেদর সদস্য হ্যালি স্টিভেন্স মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে নিজ দলের গণ্ডি পেরিয়ে রজার্সকে সমর্থন দিলে এই নির্বাচনের উত্তাপ চরম রূপ নেয়।</p><p>ইসরায়েল ইরান যুদ্ধ নিয়ে আল-সাইদের বক্তব্য এবং তাঁর সাথে ব্যক্তিগত বিরোধকে হ্যালি নিজের এই সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে হ্যালির এই দলত্যাগ হয়তো শেষ পর্যন্ত আল-সাইদকেই বেশি সাহায্য করেছে। কারণ, এতে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে চরম ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তাঁর সমর্থনে লাখ লাখ ডলার তহবিল আসতে শুরু করে। </p><p>অন্যদিকে রজার্স ও তাঁর দলও নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে সমান আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তাঁরা বিশ্বাস করেছিলেন, হ্যালির সমর্থন মধ্যপন্থী ডেমোক্র্যাট, স্বতন্ত্র ভোটার এবং ইহুদি ভোটারদের তাঁর শিবিরে নিয়ে আসবে।</p><p>আল-সাইদ তাঁর আগ্রাসী রাজনৈতিক কৌশল এবং ওয়াশিংটন ডিসির প্রচলিত রাজনীতির ধারা পাল্টে দেওয়ার অঙ্গীকার করে নিজ দলের অনেককে অসন্তুষ্ট করে তুলেছিলেন। তিনি তাঁর প্রচারকে অত্যন্ত সুনির্দিষ্টভাবে অর্থনৈতিক গণমুখী নীতি, নির্বাচনী অর্থায়ন সংস্কার এবং ‘সবার জন্য মেডিকেয়ার’ ইস্যু সামনে নিয়ে এসেছিলেন।</p><p>রজার্স এমন এক রিপাবলিকান ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনার জন্য সব সম্পদ ঢেলে দিয়েছিলেন, যারা ট্রাম্পকে দুইবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত করতে সাহায্য করেছিলেন। একইসঙ্গে নিজের পক্ষে আনার চেষ্টা করেন। </p><p>রজার্স প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং শীর্ষস্থানীয় রিপাবলিকান সহযোগীরা জোর দিয়ে প্রচার চালিয়েছেন, আল-সাইদের মুসলিম পরিচয়, ইসরায়েল ইস্যুতে অবস্থান এবং প্রগতিশীল নীতিগুলো তাদের সম্প্রদায়গুলোকে ঝুঁকিতে ফেলবে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দেবে।</p><p>কয়েক মাস ধরে চলা জনমত জরিপে আল-সাইদকে এগিয়ে থাকতে দেখা গেছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/4q0y83ilvc">সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে, চাপে ট্রাম্প</a></aside>
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/test-ovisheker-smrriticarna</figure>
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/ami-shje-klant-hi-na</figure>
<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/g9dyo4p5/China_BNP.jpeg"><figcaption>চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মন্ত্রী লিউ হাইসিং প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদসহ অন্যরাও ছিলেন। ঢাকা, ৪ নভেম্বর ২০২৬</figcaption></figure><p>চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইসিং প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। লিউ হাইসিংয়ের নেতৃত্বে ঢাকা সফররত চীনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধিদলটি আজ বুধবার সকালে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে ওই সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। </p><p>এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন ও আব্দুস সালাম আজাদ উপস্থিত ছিলেন।</p><p>তিন দিনের সফরে সিপিসির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইসিং গতকাল মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় এসেছেন।</p>
ওয়াইল্ড কার্ডে এসে বিগ বসের ঘরে আলোচনায় রাজবীর দে, কে এই সেনসেশন ‘বিগ বস বাংলা’র ঘরে ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রিতে এসে অল্প সময়েই আলোচনায় রাজবীর দে। নন্দিনী দত্তের সঙ্গে তাঁর রসায়ন থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত জীবন, অভিনয় ও মডেলিং ক্যারিয়ার—জেনে নেওয়া যাক এই তরুণের গল্প।
<p>শুধু ‘ইগো’ বা অহংয়ের কারণে আমরা নিজেদের ভুল আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করতে বিব্রত বোধ করি। ‘স্যরি’ বললে আমি ছোট হয়ে যাব, এই দ্বিধা আমাদেরকে মনের কথাটি মুখে উচ্চারণ করতে বাধা দেয়। অথচ পিঠে একবার হাত রেখে আন্তরিকভাবে উচ্চারণ করুন, ‘স্যরি, আমাকে ক্ষমা করো।’ মুহূর্তে প্রিয়জন, সহকর্মী বন্ধু বা আত্মীয় আপনাকে বুকে টেনে নেবেন। স্যরি’র শক্তি নিয়ে লিখেছেন <em>প্রথম আলো</em>র যুগ্ম সম্পাদক ও কথাসাহিত্যিক <strong>বিশ্বজিৎ চৌধুরী</strong></p><p>রাতে খেতে বসে গজগজ করছিলেন আকরাম। নিজে নিজেই বিড়বিড় করছিলেন, ‘লোকটা কী মনে করে আমাদের, আমরা সবাই গরু–ছাগল?’</p><p>স্বামীর এই স্বভাব জানেন নাসরিন, ভেতরে–ভেতরে কোনো বিষয়ে উত্তেজিত হয়ে পড়লে এ রকম আপন মনে কথা বলেন। নিচু স্বরে জানতে চাইলেন, ‘কার কথা বলছ?’</p><p>‘কার কথা আবার, দ্য গ্রেট মোস্তাফিজুর রহমান, আমাদের মহামান্য বস। কাল থেকে আর চাকরিতে যাব না নাসরিন, এই চাকরি আর সম্ভব না। পড়াশোনা করেছি, ডাল-ভাত যাহোক, জোগাড় হয়ে যাবে...।’</p><p>নাসরিনের চেহারায় শঙ্কার ছায়া পড়ে। আর কোনো কথা না বাড়িয়ে নিঃশব্দে সে উঠে পড়েন খাবার টেবিল থেকে।</p><p>এর কিছুক্ষণ পরই একটা ফোন এল। স্ক্রিনে নামটি দেখে প্রথম দিকে ফোন ধরবেন কি না, গড়িমসি করছিলেন আকরাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফোনে কথা হলো বেশ কিছুক্ষণ ধরে। নাসরিনের মনে হলো, আপাতত কেটে গেল শঙ্কার মেঘ।</p><p>পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার জন্য তাড়াহুড়া করার সময় আকরামকে আগের রাতের সিদ্ধান্তের কথা মনে করিয়ে দিলেন নাসরিন, ‘আজ থেকে অফিসে যাবে না বলেছিলে...?’</p><p>হেসে তাঁর স্বামী বললেন, ‘ওটা তো রাগের কথা। আফটার অল মোস্তাফিজ সাহেব আমার বাবার মতো মানুষ। নিজের হাত ধরে কাজ শিখিয়েছেন, দুটো কথা বলার অধিকার তো তাঁর আছেই।’</p><p>দিব্যি ফুরফুরে মেজাজে কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে অফিসে ছুটলেন আকরাম। আর নাসরিন ভাবছেন, কাল রাতে ফোনে কী এমন কথা হলো যে এত জমাট বরফ গলে জল হয়ে গেল!</p><p>মোস্তাফিজুর রহমান ‘স্যরি’ বলেছিলেন আকরামকে। দুর্ব্যবহারের জন্য আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন তিনি একজন অধঃস্তন কর্মীর কাছে। আন্তরিকভাবে উচ্চারিত সেই শব্দ স্পর্শ করেছিল আকরামকে। হৃদয় আদ্র৴ হয়েছিল, চোখও সিক্ত হয়ে পড়েছিল। যেটুকু ক্ষত তৈরি হয়েছিল মনে, মুহূর্তেই যেন নিরাময় হয়ে গেল তাঁর।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/recipe/oke484qsyz">ছিল ঘিয়ের ব্যবসা, এখন তৈরি করে ১৮৫ রকম মিষ্টি, চার প্রজন্মের গল্পে বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডার</a></aside><h3>একটি শব্দই পাল্টে দেয় পরিস্থিতি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/71vxlpda/_MG_8822.jpg"><figcaption>স্যরি, এই সামান্য কথা বলার মতো মনের জোর সবার থাকে না</figcaption></figure><p>আসলে এই ক্ষমাপ্রার্থনার ভাষা, ‘দুঃখিত’ বা ‘স্যরি’র মতো একটি শব্দ পাল্টে দিতে পারে আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের অনেক কিছুই। একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও তাঁর অধস্তন কর্মকর্তা বা কর্মচারীর ক্ষেত্রে শুধু নয়, শিক্ষক-ছাত্র, পিতা-মাতা-সন্তান, বন্ধু-প্রিয়জন, স্বামী-স্ত্রী—সব ক্ষেত্রেই মন্ত্রের মতো কাজ করতে পারে। </p><p>পৃথিবীখ্যাত কানাডীয় কার্টুনিস্ট লিন জনস্টোন মজার ছলে এক অসাধারণ আপ্তবাক্য উচ্চারণ করেছিলেন, ক্ষমাপ্রার্থনা (পড়ুন, স্যরি বলা) হচ্ছে সুপার গ্লুর মতো একটা বিষয়, এটা জীবনের যেকোনো বিষয়কে মেরামত করে দিতে পারে। এরিখ সেগালের বহুল জনপ্রিয় উপন্যাস লভ স্টোরির কথা অনেকের মনে থাকতে পারে। এ উপন্যাসের একটি সংলাপ সত্তরের দশকে তরুণ পাঠকদের আবেগাপ্লুত করে তুলেছিল, ‘লাভ মিনস নেভার হ্যাভিং সে ইউ আর স্যরি।’ </p><p>বাংলা অর্থ করলে মোটামুটি দাঁড়ায়, ‘ভালোবাসা মানে তুমি কখনোই স্যরি বলবে না।’ অথচ দুঃখিত পিতার ক্ষমাপ্রার্থনার উত্তরে এই সংলাপ উচ্চারণ করেছিল সন্তান। তার মানে, ‘স্যরি’ বলেছিল বলেই পিতার প্রতি সমস্ত ক্ষোভ ভুলে এই কথা বলতে পেরেছিল ছেলেটি। সত্যি বলতে কি, স্যরি বা ‘দুঃখিত’, এই সামান্য কথা বলার মতো মনের জোর সবার থাকে না। কাউকে আঘাত দিয়ে ভুল বুঝতে পারলেও অনুতপ্ত বোধ করে দুঃখ প্রকাশ করার মতো চারিত্রিক দৃঢ়তা সবার থাকে না। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/h7xbiil0ed">রাতে কলা খেলে কি ভালো ঘুম হয়, ওজন বাড়ার আশঙ্কা থাকে?</a></aside><h3>স্যরি বলার তিন বাধা</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/ixl5azjw/_MG_8905.jpg"><figcaption>‘ইগো’র কারণে অনেকে নিজেদের ভুল আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করতে বিব্রত বোধ করেন</figcaption></figure><p>সাধারণত স্যরি বলার জন্য তিনটি বাধার সম্মুখীন হতে হয়— </p><p><strong>১.</strong> যাকে আঘাত দেওয়া হয়েছে তার সম্পর্কে একটা অবজ্ঞা-উপেক্ষার ভাব থাকা বা তাকে তত গুরুত্বপূর্ণ মনে না করা। </p><p><strong>২.</strong> ক্ষমা প্রার্থনা করলে নিজের ভাবমূর্তির ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করা। </p><p><strong>৩.</strong> ক্ষমা প্রার্থনা করেও কোনো কাজ হবে না বলে ধারণা করা। </p><p>কিন্তু এই দ্বিধা ঝেড়ে ফেলতে হবে। যদি আমি মনে করি আমার আচরণ কারও মনঃকষ্টের কারণ হয়েছে, যদি আমি সম্পর্কটা মেরামত করতে চাই এবং যদি সত্যিই মনে করি যে একটা ভুল করে ফেলেছি, তাহলে অকপটে ক্ষমাপ্রার্থনা বা স্যরি বলার মতো কার্যকর আর কিছুই হতে পারে না। </p><p>তবে মনে রাখতে হবে, দুঃখ প্রকাশটা যেন কথার কথা না হয়, এর আন্তরিকতা সম্পর্কে যেন উদ্দিষ্ট ব্যক্তির মনে কোনো সন্দেহ না জাগে। তবে কোনো একটি কারণ দেখিয়ে, অন্য কাউকে দোষারোপ করে স্যরি বললে পুরো ব্যাপারটি জোলো হয়ে পড়বে। </p><p>মার্কিন বিজ্ঞানী ও রাজনীতিবিদ বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন বলেছেন, ‘কোনো একটি অজুহাত দেখাতে গিয়ে ক্ষমাপ্রার্থনার ব্যাপারটিকে বরবাদ করে দিয়ো না।’ শুধু ইগো বা ‘অহং’–এর কারণে আমরা নিজেদের ভুল আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করতে বিব্রত বোধ করি। </p><p>‘স্যরি’ বললে আমি ছোট হয়ে যাব, এই দ্বিধা আমাদেরকে মনের কথাটি মুখে উচ্চারণ করতে বাধা দেয়। অথচ পিঠে একবার হাত রেখে আন্তরিকভাবে উচ্চারণ করুন, ‘স্যরি, আমাকে ক্ষমা করো।’ মুহূর্তে প্রিয়জন, সহকর্মী বন্ধু বা আত্মীয় আপনাকে বুকে টেনে নেবেন। তখনই বুঝবেন এই একটি শব্দের কত শক্তি! আর কিছু নয়, শুধু দরকার কথাটি উচ্চারণ করার মতো মনের জোর। </p><p><sup>লেখাটি ২০২০ সালের ২৮ অক্টোবর </sup><em><sup>প্রথম আলো</sup></em><sup>র সাপ্তাহিক ফিচার পাতা ‘অধুনা’য় ছাপা হয়েছিল </sup></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%AC">আমি কেন সরি বলব?</a></aside>
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/eknjre-test-krikete-srwkaler-sera-10-kingbdnti-kriketar</figure>
<p>স্যার ডন ব্র্যাডম্যান, শচীন টেন্ডুলকার নাকি মুত্তিয়া মুরালিধরন— টেস্ট ক্রিকেটে সেরা কে? সাদা পোশাকে অসামান্য পারফরম্যান্স ও ঐতিহাসিক কীর্তিতে সেরা হয়ে ওঠা ১০ কিংবদন্তিকে নিয়ে দেখুন ভিডিওতে…</p><figure></figure>
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।