activities

সম্প্রীতির বার্তায় নোয়াখালীতে পূজার উপহার

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
সম্প্রীতির বার্তায় নোয়াখালীতে পূজার উপহার
সম্প্রীতির বার্তায় নোয়াখালীতে পূজার উপহার
প্রথম আলোর ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘একটি ভালো কাজ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২৩ অক্টোবর নোয়াখালীতে সনাতন ধর্মাবলম্বী ১১ জনের হাতে উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয় নতুন পোশাক। উপহার পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ষাটোর্ধ্ব এক বৃদ্ধা।

Prothomalo

View more
০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচেও পানি তরল থাকে কীভাবে
০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচেও পানি তরল থাকে কীভাবে

<a href="https://www.bigganchinta.com/physics/4tpck815tv" target="_blank" rel=""><span>আগের পর্ব</span></a><p>এতক্ষণে নিশ্চয়ই বোঝা গেছে, পানি জমে যাওয়ার বিষয়টি শুধু তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে না। পানি বরফে পরিণত হওয়ার জন্য একটি সূচনাবিন্দু প্রয়োজন হতে পারে। পরিষ্কার ও স্থির পানিতে সেই সূচনাবিন্দু তৈরি হতে দেরি হলে পানি হিমাঙ্কের নিচেও তরল থাকতে পারে। এই অবস্থাকে বলে অতিশীতলীকরণ। ফ্রিজারে রাখা একটি পরিষ্কার বোতলের পানি মাইনাস ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাতেও তরল থাকতে পারে। কিন্তু বোতলে টোকা দিলে বা ঝাঁকালে বরফ তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। একবার বরফের স্থিতিশীল স্ফটিক তৈরি হলে তার চারপাশে আরও বরফ জমতে থাকে।</p><p>তবে পানি ঝাঁকালেই যে সব সময় জমে যাবে, তা নয়। পানির বিশুদ্ধতা, তাপমাত্রা, পাত্রের পৃষ্ঠ এবং অন্যান্য পরিস্থিতির ওপর বিষয়টি নির্ভর করে। একইভাবে প্রবাহিত নদীর পানিও সামান্য অতিশীতল হয়ে ফ্রাজিল বরফ তৈরি করতে পারে। আবার অতিশীতল বৃষ্টির ফোঁটা ঠান্ডা কোনো পৃষ্ঠে পড়লে জমে যায়। বিমানের ডানায় বরফ জমার ক্ষেত্রেও একই ধরনের পদার্থবৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া কাজ করে। আর বরফ জমার সময় নির্গত তাপের কারণে অতিশীতল পানির বোতল সাধারণত একবারে পুরোপুরি জমে যায় না। </p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/wv7gyrt9bm">পানি কি ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার চেয়ে বেশি গরম হতে পারে</a></aside><blockquote>মাইক্রোওয়েভে কখনো কখনো পানিকে না ফুটিয়েই ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের চেয়ে বেশি গরম করা যায়। পরে কাপ নাড়ালে বা পানি সরালে হঠাৎ বুদবুদ তৈরি হয়ে পানি উপচে পড়তে পারে। </blockquote><p>মাইনাস ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পানির ক্ষেত্রে আনুমানিক এক-অষ্টমাংশ পানি জমলেই নির্গত তাপ বাকি পানিকে ০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উষ্ণ করতে পারে। ফলে তৈরি হয় বরফকুচি ও পানির মিশ্রণ। এ ঘটনার সঙ্গে আরেকটি মজার বিষয়ের মিল আছে। মাইক্রোওয়েভে কখনো কখনো পানিকে না ফুটিয়েই ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের চেয়ে বেশি গরম করা যায়। পরে কাপ নাড়ালে বা পানি সরালে হঠাৎ বুদবুদ তৈরি হয়ে পানি উপচে পড়তে পারে। এ ঘটনাকে বলে অতিতাপন বা সুপারহিটিং। অতিশীতলীকরণের ক্ষেত্রে পানি হিমাঙ্কের নিচে থেকেও তরল থাকে, আর অতিতাপনের ক্ষেত্রে পানি স্ফুটনাঙ্কের ওপরে থেকেও তরল থাকতে পারে।</p><h4>সূত্র: সায়েন্স এবিসি</h4><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/others/vpa8fzh3x7">পৃথিবীর এত পানি এল কোথা থেকে</a></aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/dghw2208z7" target="_blank" rel=""><span>০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালেই পানি জমে যায় না কেন</span></a><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/31lwgtpelk" target="_blank" rel=""><span>পানি হিমাঙ্কের নিচেও তরল থাকে কীভাবে</span></a><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/84fncsjdxn" target="_blank" rel=""><span>পানি সর্বনিম্ন কত তাপমাত্রায় ঠান্ডা হয়েও তরল থাকতে পারে</span></a><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/yk134nk2tm" target="_blank" rel=""><span>অতিশীতল পানিতে টোকা দিলেই বরফ জমে যায় কেন</span></a><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/ugb7al4mte" target="_blank" rel=""><span>নাড়াচাড়া করে কি পানি জমে যাওয়া রোধ করা যায় </span></a>

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
গ্রামের পথে হেমন্তের সকাল
গ্রামের পথে হেমন্তের সকাল

হেমন্তের সকালে গ্রামের মেঠোপথ ধরে সাইকেলে চড়ে মাঠে ছুটছেন কৃষকেরা। কেউ হেঁটে, কেউ সাইকেলে—দিনের কাজ শুরু করতে তাঁদের গন্তব্য ফসলের মাঠ।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
চট্টগ্রাম থেকে উড়ে এল শিউলি, জন্মদিনে ‘ফারজানা’র চমক পরীমনির
চট্টগ্রাম থেকে উড়ে এল শিউলি, জন্মদিনে ‘ফারজানা’র চমক পরীমনির

পরীমনির এবারের জন্মদিনের আয়োজন সাজানো হয় শিউলি ফুলে। এ জন্য চট্টগ্রাম থেকে উড়োজাহাজে করে ফুল পাঠিয়েছেন এক ব্যক্তি। তবে কে সেই ব্যক্তি, জানা যায়নি।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্যেও ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ, প্যারিস-মার্সেইয়ে সংঘর্ষ
ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্যেও ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ, প্যারিস-মার্সেইয়ে সংঘর্ষ

জীবনযাত্রার ব্যয় ও বৈষম্যের প্রতিবাদে ফ্রান্সজুড়ে চলছে বিক্ষোভ।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
প্যারিসের রাস্তায় দেখা গেল ক্যাপ্টেন আমেরিকা ও ব্ল্যাক প্যান্থারকে
প্যারিসের রাস্তায় দেখা গেল ক্যাপ্টেন আমেরিকা ও ব্ল্যাক প্যান্থারকে

<p>মার্ভেলের ক্যাপ্টেন আমেরিকা ও ব্ল্যাক প্যান্থারের পোশাকে বিক্ষোভকারীরা প্যারিসে সরকারবিরোধী মিছিলে যোগ দেন। দেখুন ভিডিওতে...</p><figure></figure>

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে রান্নার 
গ্যাস, আবার কি বাড়বে
বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে রান্নার গ্যাস, আবার কি বাড়বে

এলপিজি আমদানিকারকদের সংগঠন লোয়াব ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিইআরসি সূত্র বলছে, দেশে আমদানি করার মতো অবকাঠামোগত সক্ষমতা আছে ২৩টি কোম্পানির।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগ, লক্ষ্মীপুরে মাদ্রাসা থেকে এক শিক্ষক গ্রেপ্তার
ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগ, লক্ষ্মীপুরে মাদ্রাসা থেকে এক শিক্ষক গ্রেপ্তার

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রব বলেন, ধর্ষণের ঘটনাটিতে থানায় মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার মাদ্রাসাশিক্ষক মো. ইব্রাহিমকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অভিযুক্ত অপরজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
মাছ ধরার নেশা আর পেশা
মাছ ধরার নেশা আর পেশা

মাছ ধরা কারও পেশা, কারও শখ। বয়সের গণ্ডি পেরিয়ে শিশু থেকে বৃদ্ধ—সবাই মেতে ওঠেন মাছ ধরার আনন্দে।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটে প্রথম অনিক এখন কোথায়
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটে প্রথম অনিক এখন কোথায়

<p>বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়া মানেই রীতিমতো তারকা বনে যাওয়া। কোন কলেজে পড়েছেন, কীভাবে বেড়ে উঠেছেন, কেমন করে নিয়েছেন প্রস্তুতি—কত প্রশ্ন তাঁদের কাছে! বিশ্ববিদ্যালয়জীবন শেষে তাঁরা কে কোন পথে পা বাড়াচ্ছেন, সেই খবর অবশ্য অনেক সময়ই আর নেওয়া হয় না। তাই এমন কয়েকজন শিক্ষার্থীর খোঁজ নিয়েছিলাম আমরা।</p><p>২০১৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছিলেন অনিক বিশ্বাস। পরে ভর্তি হন জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে। ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার পর পরিচিতি বেড়েছিল তাঁর। তবে সেই অর্জনই যে জীবনের শেষ কথা নয়, তা বুঝেছেন উচ্চশিক্ষার পথে এগোতে গিয়ে। স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পড়াশোনা শেষে এখন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন-ম্যাডিসনে সেলুলার অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজিতে পিএইচডি করছেন তিনি। পাশাপাশি গবেষণা সহকারী হিসেবেও কাজ করছেন। এর আগে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করেছেন।</p><p>ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনটির কথা এখনো মনে আছে অনিকের। বলছিলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষার রেজাল্টের খবর ছিল মুক্তি বা পরিত্রাণের মতো। যেন একটা অমানবিক পরিশ্রমের শেষমেশ ইতি হলো। বিশেষ স্মৃতির মধ্যে, রেজাল্টের আগের আর পরের তারতম্যের কথা মনে আছে। দুপুরবেলা, কেবল বাবা আর আমি গ্রিন রোডের একটা দোকানে বসে নাশতা খেয়েছিলাম। সন্ধ্যাবেলায় অনেক লোক চলে এল আমাকে অভিনন্দন জানাতে। সেই দিনটা এখনো চোখে ভাসে।’</p><p>প্রথম হওয়ার পর পরিচিতি বেড়েছিল দ্রুত। পুরোনো বন্ধু, পাড়া–প্রতিবেশী, এমনকি যাঁদের সঙ্গে দীর্ঘদিন যোগাযোগ ছিল না, তাঁরাও খোঁজ নিতে শুরু করেন। প্রথম দিকে বিষয়টি ভালো লাগলেও পরে অপরিচিত মানুষের যোগাযোগ বাড়তে থাকায় নিজেকে কিছুটা গুটিয়ে নেন অনিক। সেই সময়ের একটি অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে এখনো মজার। ফার্মগেটে তাঁকে ঘিরে ঢাকঢোল বাজানোর আয়োজন হয়েছিল। বাদক দল প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে নামতে দেওয়া হচ্ছিল না। তবে পরিচিতির চেয়ে পরিবারের আনন্দই বেশি মনে দাগ কেটেছে। বিশেষ করে মায়ের প্রতিক্রিয়া। অনিকের ভাষায়, ‘সবার প্রতিক্রিয়াতেই বিস্ময় ছিল। আমার মাকে অনেক খুশি দেখেছিলাম বাসায় ফিরে। আমার রেজাল্ট দেখে মায়ের খুশি হওয়া খুব বিরল, তবে ওই দিন হয়েছিলেন।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/lhd5upiszn">বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম নাফিস এখন কাজ করছেন ব্লুমবার্গে</a></aside><p>ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার অর্জন উচ্চশিক্ষা কিংবা চাকরিজীবনে খুব বেশি প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন না অনিক। তাঁর মতে, পরে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের ফলাফল এবং নিজের কাজই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তবে ওই অর্জন তাঁকে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সাহস দিয়েছিল। জীবনের পরের ধাপে এসে ধাক্কাও খেয়েছেন, বিশেষ করে পিএইচডি শুরুর পথে। এসব অভিজ্ঞতা থেকে শিখেছেন, নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিতে অনেক সময় আবার শূন্য থেকে শুরু করতে হয়। অনিক বলেন, ‘যা শিখেছি, তা হলো, যেকোনো মানুষের কাছেই পৃথিবীর সিস্টেমগুলোর বেশির ভাগই অজানা। নতুন কোনো জায়গায় খাপ খাওয়াতে আবার শূন্য থেকে শুরু করতে হয়, এটা মেনে নিয়েই এগোতে হয়। আর অবশ্যই ভাগ্যের সাহায্য লাগে।’</p><p>ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার অভিজ্ঞতাকে জীবনের একটি ধাপ হিসেবেই দেখতে চান অনিক। তাঁর মতে, মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার সমাপ্তিতে ভর্তি পরীক্ষা একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হতে পারে, কিন্তু এরপর শুরু হয় নতুন পরিচয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠার যাত্রা। এ পথে ধারাবাহিকভাবে শেখা, পরিশ্রম করা ও প্রতিকূলতা সামলানো বেশি জরুরি। তাই পরীক্ষার্থীদের শুধু প্রথম হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোতে নিষেধ করেন তিনি। অনিক বলেন, ‘অবশ্যই যথাসাধ্য প্রস্তুতি নেবেন। তবে প্রথম হওয়ার টার্গেট রাখা ঠিক নয়। সে ক্ষেত্রে প্রত্যাশাই হতাশার মূল হয়ে যেতে পারে। এর চেয়ে বরং ভর্তি পরীক্ষাকে জীবনের একটা স্টেপ হিসেবে দেখুন, স্বাস্থ্য ঠিক রেখে যাকে সদর্পে পার করতে হবে।’ শুধু ক্লাসের বইয়ে সীমাবদ্ধ না থেকে বিভিন্ন শিক্ষার্থী সংগঠন ও আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হওয়া, নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন এবং পড়াশোনার সঙ্গে জীবনের ভারসাম্য খুঁজে পাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।</p><p>এখন যুক্তরাষ্ট্রে গবেষণায় ব্যস্ত অনিক। ভবিষ্যতে বায়োমেডিক্যাল–সংক্রান্ত গবেষণা, বিশেষ করে বিভিন্ন রোগের কারণ অনুসন্ধান ও প্রতিকার নির্ণয়ে আগ্রহী তিনি।</p>

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন