ভয়ভীতি ও দলভীতির মধ্য দিয়ে নির্বাচন হলে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে মন্তব্য করেন জামায়াতের আমির।
প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে আজ ভিলা পার্কে এনজো মারেসকার দল হেরেছে ২–১ গোলে। চলতি মৌসুমে এটি সিটির প্রথম হার, আর ভিলার বিপক্ষে টানা তৃতীয়।
ওই শিক্ষার্থীর নাম সামিয়া বেগম। সে জেলা শহরের দক্ষিণ মৌড়াইল এলাকার আব্দুল হাইয়ের মেয়ে। তাঁর গ্রামের বাড়ি নাসিরনগর উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের ঝামারবালি গ্রামে। মা, বাবা ও ভাই-বোনের সঙ্গে সে দক্ষিণ মৌড়াইল এলাকার একটি বাসায় ভাড়ায় থাকেন। তাঁর বাবা বর্তমানে বেকার। মাঝেমধ্যে ফেরি করে পণ্য বিক্রি করেন।
<p>কেউ কেউ খাবার খাওয়ার সময় বা খাওয়ার পর অতিরিক্ত ঘামেন। মুখ ও গলায় বেশি ঘাম হতে পারে। এমনকি খাবারের গন্ধ পেলেও কারও কারও ঘাম শুরু হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এ সমস্যাকে বলা হয় ‘গাস্টেটরি সোয়েটিং’।</p><h3>কেন হয়</h3><p>খাওয়ার সময় অতিরিক্ত ঘামের পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। যেমন ঝাল খাবার খেলে অনেকের স্বাভাবিক ঘাম হয়। তবে ঝাল না খেলেও খাবার খাওয়ার সময় বা খাবারের গন্ধ পেলেই অতিরিক্ত ঘাম হলে এর পেছনে শারীরিক কোনো সমস্যা থাকতে পারে। আমাদের শরীরের ঘাম নিয়ন্ত্রণ করে একধরনের স্নায়ু, যাকে বলা হয় অটোনমিক নার্ভাস সিস্টেম বা স্বায়ত্তশাসিত স্নায়ুতন্ত্র। ডায়াবেটিসের কারণে অটোনমিক নার্ভাস সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হলে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিস, হরমোনজনিত সমস্যা ও কিডনি রোগের ক্ষেত্রেও এমন হতে পারে।</p><p>এ ছাড়া মুখের কাছে অবস্থিত প্যারোটিড গ্রন্থিতে অস্ত্রোপচারের পরও খাওয়ার সময় অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে। মুখের এক পাশের পেশি দুর্বল হয়ে যাওয়ার সমস্যা বেলস পালসি থেকে সেরে ওঠার পরও কারও কারও এমন লক্ষণ দেখা দিতে পারে।</p><h3>চিকিৎসা কী </h3><p>খাওয়ার সময় অতিরিক্ত ঘাম হলে প্রথমে এর কারণ খুঁজে বের করা জরুরি। ডায়াবেটিসের কারণে এ সমস্যা হলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।</p><p>কিছু ক্ষেত্রে প্রিগাবালিন বা অ্যামিট্রিপটাইলিনের মতো ওষুধ ব্যবহার করা হয়। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এসব ওষুধ খাওয়া উচিত নয়। রোগীর অবস্থা বিবেচনায় কোনো কোনো ক্ষেত্রে বটুলিনাম টক্সিনও প্রয়োগ করা হতে পারে।</p><p>খাওয়ার সময় নিয়মিত অস্বাভাবিক ঘাম হলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/srq5x3k2db">৮০ পেরিয়েও যাঁদের স্মৃতিশক্তি অসাধারণ, তাঁদের সবার মধ্যে একটাই মিল</a></aside>
<p>কানাডায় অভিবাসন জালিয়াতির এক ঘটনায় পাঁচ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। দেশটির সীমান্তরক্ষী সংস্থা কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সির (সিবিএসএ) তদন্তের পর তাঁদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হয়।</p><p>গত বৃহস্পতিবার কানাডা সরকারের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সিবিএসএ।</p><p>অভিযুক্ত চার ব্যক্তি রাশেল মির্জা, মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, মো. মুদাসসার আলম ভূঁইয়া ও কাজী নাফিজ আলম ২২ অক্টোবর কুইবেকের ভ্যালিফিল্ড আদালতে হাজির হন। পঞ্চম অভিযুক্ত মো. রাকিবুল হাসান বর্তমানে বাংলাদেশে রয়েছেন বলে জানা গেছে। তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।</p><p>সিবিএসএর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৩ জুলাই কুইবেকের মারসিয়ে শহরে একটি ভবনে অভিযান চালায় সংস্থাটি। এ সময় তাদের সঙ্গে মারসিয়ে শহরের পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা ছিলেন। অভিযানে কানাডার অভিবাসন ও শরণার্থী সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের কয়েকটি আলামত পাওয়ার পর ওই বছরের আগস্টে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ড নিয়ে তদন্ত শুরু করে সিবিএসএ।</p><p>তদন্তে দেখা যায়, ২০৯ বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য মোট ২৪৩টি অস্থায়ী আবাসিক ভিসার (টিআরভি) আবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল। এসব আবেদনে বলা হয়েছিল, আবেদনকারীরা কানাডার নাগরিকদের আমন্ত্রণে দেশটিতে বেড়াতে যাবেন। তবে তদন্তকারীদের দাবি, ভিসা পেতে এসব আবেদনে জাল নথি ও মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করা হয়েছিল।</p><p>তদন্তকারীরা বলেছেন, জাল নথি ও মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করে বাংলাদেশিদের ভিসা পাইয়ে দিতে একটি চক্র সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করছিল।</p><blockquote>২০২৫ সালের ৩ জুন কুইবেক ও অন্টারিওর চার জায়গায় তল্লাশি চালান সিবিএসএর তদন্তকারীরা। এ সময় উদ্ধার হওয়া নথিপত্র ও কম্পিউটার সরঞ্জামসহ বিভিন্ন আলামতে ভিসা জালিয়াতির সঙ্গে পাঁচ ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।</blockquote><p>২০২৫ সালের ৩ জুন কুইবেক ও অন্টারিওর চার জায়গায় তল্লাশি চালান সিবিএসএর তদন্তকারীরা। এ সময় উদ্ধার হওয়া নথিপত্র ও কম্পিউটার সরঞ্জামসহ বিভিন্ন আলামতে ভিসা জালিয়াতির সঙ্গে পাঁচ ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। জালিয়াতির পরিসর ও জটিলতা বিবেচনায় তদন্তকারীরা সবচেয়ে গুরুতর প্রমাণ থাকা ৭৯টি ভিসার আবেদনকে গুরুত্ব সহকারে তদন্তের আওতায় আনেন।</p><p>অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রথমত, এক বা একাধিক ব্যক্তিকে অবৈধভাবে কানাডায় প্রবেশে সহায়তা করার পরিকল্পনা করা। দ্বিতীয়ত, ভিসার আবেদনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করা বা ভুল তথ্য দিতে জেনেশুনে সহায়তা করা। তৃতীয়ত, কানাডার অভিবাসন আইন ভাঙতে অন্যদের জেনেশুনে উৎসাহিত করা বা সহায়তা করা।</p><p>তবে অভিযোগগুলো এখনো আদালতের যাচাই-বাছাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।</p><p>কানাডার জননিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী গ্যারি আনন্দসাঙ্গারি বলেন, দেশটির অভিবাসনব্যবস্থা সততা, ন্যায্যতা ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। জালিয়াতির মাধ্যমে এই ব্যবস্থার সুযোগ নেওয়া বা এর সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করলে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে। সীমান্তের নিরাপত্তা ও অভিবাসনব্যবস্থার স্বচ্ছতা রক্ষায় কাজ করার জন্য তিনি সিবিএসএর কর্মীদের ধন্যবাদ জানান।</p><p>সিবিএসএর কুইবেক অঞ্চলের আঞ্চলিক মহাপরিচালক এরিক লাপিয়ের বলেন, কানাডার অভিবাসনব্যবস্থার অপব্যবহারকারী চক্রগুলোকে শনাক্ত ও তাদের তৎপরতা বন্ধে সংস্থাটি কাজ করে যাচ্ছে। এ তদন্ত সেই প্রচেষ্টারই অংশ। অভিবাসন কর্মসূচির ওপর মানুষের আস্থা বজায় রাখতে সংস্থার অপরাধ তদন্তকারীদের কাজের প্রশংসা করেন তিনি।</p>
<p>লেনোভোর এলওকিউ সিরিজের দুটি নতুন মডেলের গেমিং ল্যাপটপ দেশের বাজারে এনেছে গ্লোবাল ব্র্যান্ড পিএলসি। ‘৮৩জেই০১এইচএক্সএলকে’ এবং ‘৮৩জেই০১এইচডব্লিউএলকে’ মডেলের ল্যাপটপ দুটিতে ১৪তম প্রজন্মের ইনটেল কোর আই৭-১৪৭০০এইচএক্স প্রসেসর রয়েছে, ফলে সহজেই উন্নতমানের গেম খেলার পাশাপাশি দ্রুত ভিডিও সম্পাদনা এবং একসঙ্গে একাধিক কাজ করা যায়। আজ শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে গ্লোবাল ব্র্যান্ড পিএলসি।</p><p>সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দুটি মডেলের ল্যাপটপেই রয়েছে ১৬ গিগাবাইট ডিডিআর৫ র্যাম এবং ৫১২ গিগাবাইট ধারণক্ষমতা। ১৫.৬ ইঞ্চির ফুল এইচডি আইপিএস পর্দার ল্যাপটপগুলোর ওজ্জলতা ৩০০ নিটস এবং রিফ্রেশ রেট ১৪৪ হার্টজ হওয়ায় সহজেই উন্নতমানের ছবি ও ভিডিও দেখা যায়।</p><p>ল্যাপটপগুলোতে ২৪ জোন আরজিবি ব্যাকলিট কিবোর্ড, নাহমিক অডিও, প্রাইভেসি শাটার এবং ৫ মেগাপিক্সেলের ই-শাটার ওয়েবক্যাম রয়েছে। সহজে যোগাযোগের জন্য রয়েছে ওয়াই-ফাই ৬, ব্লুটুথ ৫.২, এইচডিএমআই ২.১, ইউএসবি-সি, আরজে৪৫ ল্যান এবং ইথারনেট পোর্ট।</p><p>ল্যাপটপ দুটির প্রধান পার্থক্য হচ্ছে গ্রাফিকসে। লেনোভো ৮৩জেই০১এইচএক্সএলকে মডেলে রয়েছে ৮ গিগাবাইট জিডিডিআর৭ মেমোরিসহ এনভিডিএ জিফোর্স আরটিএক্স ৫০৬০ জিপিইউ। অন্যদিকে ৮৩জেই০১এইচডব্লিউএলকে মডেলে রয়েছে ৮ গিগাবাইট জিডিডিআর৭ মেমোরিসহ এনভিডিএ জিফোর্স আরটিএক্স ৫০৫০ জিপিইউ। ল্যাপটপ দুটির দাম ধরা হয়েছে যথাক্রমে ২ লাখ ১৭ হাজার টাকা ও ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা।</p>
চুরির বিষয় টের পেয়ে গোয়ালঘরে যান সবুজ। সেখানে দুর্বৃত্তদের সঙ্গে তাঁর ধস্তাধস্তি হয়। তাঁর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে ছুরিকাঘাত করা হয়।
<p>পাঠকের পাঠানো ছবি থেকে বাছাই করা ছবি নিয়মিত প্রকাশিত হয় নাগরিক সংবাদে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/p8ql81cy/201.jpg"><figcaption>বাঁশ-বেতের তৈরি পণ্যের পসরা। চান্দাইকোনা হাটের দোকানে সারি সারি সাজানো ডালা, কুলা, ঝুড়িসহ বিভিন্ন আকৃতির বাঁশের তৈরি সামগ্রী বিক্রয়ের জন্য সাজিয়ে রেখেছেন দোকানি। চান্দাইকোনা, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ। সম্প্রতি তোলা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/gbfz4pgr/202.jpg"><figcaption>শান্ত নদের তীরে ভেড়ানো ডিঙিনৌকা। বিস্তৃত বালিয়াড়ি আর কুয়াশাচ্ছন্ন আমেজে নদীপাড়ের এক স্থির ও প্রশান্ত রূপকথা। রাইপুর, সুজানগর, পাবনা। সম্প্রতি তোলা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/chrklosx/203.png"><figcaption>শতবর্ষী এই মঠের কোথাও কোনো নামফলক খুঁজে পাওয়া যায়নি। কেবল মনে প্রশ্ন জাগে, পুরোনো মঠের অবশিষ্ট অংশ ধরে রাখার জন্যই কি বট-পাকুড় তাকে আঁকড়ে ধরে আছে? নাকি পুরোনো মঠ বট-পাকুড় গাছটিকে তার ওপর ভর করে বেড়ে ওঠার সুযোগ করে দিয়েছে? ৯ অক্টোবর ফরিদপুরের ভাঙ্গার কালামৃধা ইউনিয়নের দেওড়া কামার বাড়িসংলগ্ন রাস্তার পাশে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/jcmum78u/204.jpg"><figcaption>এই গাঁয়ের এক মেঠো পথ গেছে ওই দূরে/মাঠের পরে মাঠ চলে যায় কোন অচিন পুরে...। হেলুচিয়া, নেত্রকোনা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/isrm8gcd/205.jpg"><figcaption>পড়ন্ত বিকেলের পায়রা নদী। পায়রা নদী, আমতলী, বরগুনা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/sn4e08kz/206.jpeg"><figcaption>মন্দিরে ভক্ত-পুণ্যার্থীদের সান্নিধ্যে হরিণের অবাধ বিচরণ, ধর্মীয় আবহে প্রকৃতির অনন্য মেলবন্ধন। রমণ রেতি মন্দির, গোকুল, বৃন্দাবন, উত্তর প্রদেশ, ভারত, ২৪ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/1y3xz9bo/207.jpg"><figcaption>গ্রামীণ রান্নাঘর। দেবীদ্বার, কুমিল্লা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/t2hp2n0k/208.jpeg"><figcaption>নদীভাঙন মানুষের জীবন, জীবিকা ও পরিবেশের জন্য একটি বড় হুমকি। বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এ জন্য সরকারি উদ্যোগ, বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনা এবং জনসচেতনতার মাধ্যমে নদীভাঙনের ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। চুড়ারগাতী রাজার হাটসংলগ্ন মধুমতী নদী, মহম্মদপুর, মাগুরা, ২১ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure>
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সাজিদা ফাউন্ডেশন ‘ফিল্ড অফিসার’ পদে ২০০ জনকে নিয়োগ দেবে। আবেদনের শেষ সময় ৩১ অক্টোবর।
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন