<p>সৌদি আরবের দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলায় আহত হয়েছেন দুই বাংলাদেশি। তাঁদের পরিচয় জানিয়েছে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। তাঁদের মধ্যে একজনের নাম সজল চন্দ্র দাস এবং অন্যজন হলেন মোহাম্মদ আবদুর রহিম। বিস্তারিত ভিডিওতে—</p><figure></figure>
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের নেতা মনে করে হায়দার আলী (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। পরে জামায়াতের নেতারা থানায় এসে দাবি করেন, আটক ব্যক্তি তাঁদের কর্মী।
<p>সাজেকে পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর ইউপিডিএফের গুলিবর্ষণ: আইএসপিআর। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো খুলনা সফরে গেলেন তারেক রহমান। এ ছাড়া দিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর শুনুন অডিও সংবাদে...</p><figure></figure>
<p>সৌদি আরবে হুতিদের হামলার কারণে আবারও দাম্মাম ও রিয়াদগামী ফ্লাইট স্থগিত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। দাম্মামগামী ফ্লাইট ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত এবং রিয়াদগামী সব ফ্লাইট ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।</p><p>এর আগে সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হামলার পরিপ্রেক্ষিতে রুট দুটির ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রেখেছিল রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থাটি। পরে দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চালু হয়। আজ বৃহস্পতিবার সকালে একটি ফ্লাইট ঢাকা ছাড়ে। রাতেই আবার বন্ধের সিদ্ধান্ত এল।</p><p>আজ রাত সাড়ে নয়টায় পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২১ অক্টোবর বুধবার রাতে সৌদি আরবের দাম্মাম শহরের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে দাম্মামগামী ফ্লাইট স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া চলমান বিমান হামলার পরিস্থিতি বিবেচনায় রিয়াদগামী সব ফ্লাইট ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।</p><p>বিমান জানিয়েছে, স্থগিত ফ্লাইটগুলোর বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও সংশোধিত সময়সূচি যথাসময়ে জানানো হবে। তবে ঢাকা থেকে জেদ্দা ও মদিনাগামী ফ্লাইট পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চলাচল করবে।</p><p>জরুরি প্রয়োজনে দাম্মাম ও রিয়াদগামী যাত্রীরা আসন খালি থাকা সাপেক্ষে জেদ্দা ও মদিনা বিমানবন্দর ব্যবহার করে সৌদি আরবে যেতে এবং বাংলাদেশে ফিরতে পারবেন। টিকিট ও ভ্রমণসংক্রান্ত তথ্যের জন্য যাত্রীদের নিকটস্থ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিক্রয়কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।</p><p>সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমবার ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদ ও দাম্মামগামী ফ্লাইট স্থগিত করেছিল বিমান। পরে স্থগিতের সময়সীমা বাড়ানো হয়। ২১ অক্টোবর থেকে দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল সংস্থাটি; কিন্তু সেটি একদিন পিছিয়ে ২২ অক্টোবর থেকে দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চালুর কথা জানানো হয়। সেই সূচি ধরে আজ সকাল আটটার দিকে একটি ফ্লাইট ঢাকা থেকে দাম্মামে পৌঁছায়। বুধবার রাতের হামলার পর নতুন করে তৃতীয় দফায় দুই রুটের ফ্লাইট স্থগিত করল বিমান।</p>
<p>বলিউডে একের পর এক হামলায় গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের নাম আসছে। এরপরও মুম্বাই পুলিশ কেন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারছে না? বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে—</p><figure></figure>
আগামী বছর নতুন বন্ধু খোঁজার দিবসে বন্ধুসভায় যাওয়ার আগে ফেসবুকে লাইক, কমেন্ট, শেয়ার দিয়ে পাশে থাকার প্রতিজ্ঞা আর প্রোগ্রামে মনোপযুক্ত ঝাকানাকা ছবি তুলে দেওয়ার আশ্বাস রেখে সব লিখে একটি সিভি বানিয়ে প্রস্তুতি নিয়ে যাবা। শিরোনাম হবে: ‘বন্ধু পদে আগ্রহী প্রার্থী’।
<blockquote>ইংল্যান্ড: ৫০ ওভারে ৪২৯/৪। শ্রীলঙ্কা: ৪৯.৫ ওভারে ৪৩০/৮।</blockquote><p>অবিশ্বাস্য, অভাবনীয়!</p><p>স্কোরবোর্ডে ৪২৯ রান নিয়েও জিততে পারল না ইংল্যান্ড। ২ উইকেট হাতে রেখে তাদের রান টপকে গেছে শ্রীলঙ্কা।</p><p>রাওয়ালপিন্ডিতে ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচে জানিত লিয়ানাগের ছক্কায় শ্রীলঙ্কা লক্ষ্যে পৌঁছে গেছে ১ বল হাতে রেখে। </p><p>ওয়ানডে ইতিহাসে এর চেয়ে বড় রান তাড়া হয়েছে মাত্র একবার। ২০০৬ সালে চার শ রানের প্রথম ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার ৪৩৪ টপকে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। </p><p>শেষ ওভারে জয়ের জন্য শ্রীলঙ্কার দরকার ছিল ৮ রান। বোলার জশ টাং দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে টানা দুই উইকেট তুলে নিলে ম্যাচ হেলে পড়ে ইংল্যান্ডের দিকে। </p><p>লিয়ানাগে যখন স্ট্রাইকে যান, ২ বলে দরকার ৬ রান। টাংয়ের ফুল লেন্থে করা ডেলিভারি সোজা তুলে দেন বোলারের মাথার ওপর দিয়ে, লং অফ বাউন্ডারি দিয়ে ছক্কা। </p><p>শ্রীলঙ্কার পুরো ড্রেসিংরুমে ছুটে যায় মাঠের ভেতরে। নিজেদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের উচ্ছ্বাস ছিল বাধভাঙা।</p><p>২৭ বলে ৬১ রানের ইনিংসটা খেলে শেষটা করেছেন লিয়ানাগে। তার আগে শ্রীলঙ্কাকে এত বড় রান তাড়ার ভিত্তিটা তৈরি করে দিয়ে যান আভিস্কা ফার্নান্দো, পবন রত্নায়েকে ও দাসুন শানাকারা।</p><p>এর মধ্যে চারে নামা রত্নায়েকে খেলে যান ১০৬ বলে ১৩০ রানের ইনিংস। ওপেনিংয়ে আভিস্কা আর শানাকা ফেরেন ৯৭ রান করে।</p><p>শ্রীলঙ্কার রান তাড়ার আগে দিনটা নিজের করে নিয়েছিলেন হ্যারি ব্রুক। ১১৪ বলে দুই শ ছুঁয়ে ওয়ানডেতে দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির বিশ্ব রেকর্ড গড়েন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।</p><p>তবে দলগত খেলায় অধিনায়কের পারফরম্যান্স যে জয়ের নিশ্চয়তা দেয় না, সেটিই দেখা গেছে শ্রীলঙ্কা অধিনায়ক কুশল মেন্ডিসের শূন্য আর অন্যদের দাঁড়িয়ে যাওয়ায়।</p><h3>সংক্ষিপ্ত স্কোর</h3><p><strong>ইংল্যান্ড:</strong> ৫০ ওভারে ৪২৯/৪ (ব্রুক ২০২, রুট ৬৯, জ্যাকস ৬৬, ব্যান্টন ৫০, ডাকেট ২৯; ভেল্লালাগে ২/৫৬, লিয়ানাগে ১/৩২)। <br><strong>শ্রীলঙ্কা:</strong> ৪৯.৫ ওভারে ৪৩০/৮ (রত্নায়েকে ১৩০, শানাকা ৯৭, আভিস্কা ৯৭, লিয়ানাগে ৬১*; টাং ৩/৭৯, কারেন ২/১০৩)।</p><p><strong>ফল:</strong> শ্রীলঙ্কা ২ উইকেটে জয়ী। <strong>ম্যান অব দ্য ম্যাচ:</strong> পবন রত্নায়েকে।</p>
<p>সাংবাদিক শওকত হোসেনের বিশ্লেষণ ও উপস্থাপনায় দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্ব অর্থনীতি ও বাণিজ্যের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা নিতে দেখুন ‘প্রাইম ব্যাংক অর্থনীতি -অনর্থনীতি’ </p><figure></figure>
<p>সাইবার হামলার আশঙ্কায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে এতে ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেন স্বাভাবিক রয়েছে। ফলে গ্রাহকদের লেনদেনে কোনো সমস্যা হচ্ছে না।</p><p>এ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান আজ বৃহস্পতিবার রাতে প্রথম আলোকে বলেন, ওয়েবসাইটে কোনো ত্রুটি আছে কি না, তা পরীক্ষা করা হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী হামলার আশঙ্কায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে গ্রাহকদের লেনদেনে কোনো সমস্যা হচ্ছে না।</p><p>বর্তমানে সরকারি সেবা, ব্যাংকিং, ই-কমার্স, সংবাদমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম পরিচালনার জন্য ইন্টারনেট ও সফটওয়্যার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব ওয়েবসাইটের বড় একটি অংশ পিএইচপি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের ওপর নির্ভরশীল। সম্প্রতি পিএইচপিতে দুটি গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।</p><p> বিবিসি ও রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ওয়েবসাইট তৈরি ও পরিচালনায় বহুল ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ পিএইচপিতে দুটি গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি ধরা পড়ার পর জরুরি ব্যবস্থা নিয়েছে বিভিন্ন দেশের সরকার। ত্রুটি ধরা পড়ার খবর সামনে আসার পর বুধবার রাত থেকে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের সরকার ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান তাদের ওয়েবসাইট বন্ধ করে দিয়েছে। এরপরও লাখ লাখ হ্যাকিংয়ের চেষ্টা হয়েছে বলে জানা গেছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/vt0owxi65w">পিএইচপির ত্রুটি ঠিক করতে বিশ্বজুড়ে দৌড়ঝাঁপ, লাখ লাখ হ্যাকিংয়ের চেষ্টা</a></aside><p>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে একজন গবেষক পিএইচপি নামক একটি প্রোগ্রামিং ভাষায় দুটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ত্রুটি খুঁজে পেয়েছেন। বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ ওয়েবসাইটে এই প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। </p><p>এ বিষয়ে বিবিসির সাইবারবিষয়ক প্রতিনিধি জো টাইডি বলেছেন, এটি একটি নজিরবিহীন পরিস্থিতি, যেখানে আইটি টিমগুলো তাদের সংস্থাকে একটি অত্যন্ত মারাত্মক সাইবার হামলার ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে তড়িঘড়ি চেষ্টা করায় একের পর এক ওয়েবসাইট অফলাইনে যেতে দেখা গেছে।</p><p>উদাহরণস্বরূপ, এডিনবরা কাউন্সিলের ওয়েবসাইট, বিবিসি ওয়েবসাইটের ‘ডক্টর হু’ সেকশন এবং জাপান, বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডসের বিভিন্ন কোম্পানির ওয়েবসাইট অফলাইন করা হয়েছে। এমনকি কিছু সাইবার নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ওয়েবসাইটও বন্ধ রাখা হয়েছে। যদিও তারাই জনগণকে এর গুরুত্ব সম্পর্কে সতর্ক করার চেষ্টা করছিল।</p><p>এ জন্য বৈশ্বিকভাবে সাইবার হামলার সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে বাড়তি সতর্কতা হিসেবে ওয়েবসাইট বন্ধ রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/48c8bk3g4s">সাইবার হামলার শঙ্কায় বিশ্বজুড়ে বহু ওয়েবসাইট বন্ধ</a></aside>
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন