জেলা

প্রবাসীর ঠিকানা জানতে চেয়ে অস্ত্র বের করে মুখোশধারী, ভয়ে দৌড় দিতেই গুলি

অক্টোবর ১৮, ২০২৬
প্রবাসীর ঠিকানা জানতে চেয়ে অস্ত্র বের করে মুখোশধারী, ভয়ে দৌড় দিতেই গুলি
প্রবাসীর ঠিকানা জানতে চেয়ে অস্ত্র বের করে মুখোশধারী, ভয়ে দৌড় দিতেই গুলি
গুলিবিদ্ধ সুজন পালের বাড়ি পাশের খালিয়াজুরি উপজেলায়। তিনি ‘মনোরমা মিষ্টান্ন ভান্ডার’ নামের মোহনগঞ্জের একটি দোকানে কাজ করেন। স্ত্রীকে নিয়ে মোহনগঞ্জে বাসায় ভাড়া থাকেন।

Prothomalo

View more
সদিচ্ছা থাকলে একটি জায়গা মানুষের ভালোর জন্য পরিবর্তন করা যায়: প্রধানমন্ত্রী
সদিচ্ছা থাকলে একটি জায়গা মানুষের ভালোর জন্য পরিবর্তন করা যায়: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, যদি পরিকল্পনা থাকে, যদি সদিচ্ছা থাকে, তাহলে একটি জায়গাকে কীভাবে মানুষের ভালোর জন্য, মানুষের উপকারের জন্য সুন্দরভাবে পরিবর্তন করা যায়, এই জায়গা হচ্ছে তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

অক্টোবর ১৮, ২০২৬
১৫ লাখ দর্শকের কনসার্ট ও আইয়ুব বাচ্চুর অপূর্ণ স্বপ্ন
১৫ লাখ দর্শকের কনসার্ট ও আইয়ুব বাচ্চুর অপূর্ণ স্বপ্ন

১৫ লাখ মানুষের সামনে গিটার হাতে দাঁড়াবেন আইয়ুব বাচ্চু। দেশি-বিদেশি নামী সংগীতশিল্পীরা থাকবেন একই মঞ্চে। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে এমন কনসার্টের স্বপ্ন দেখতেন এই কিংবদন্তি।

অক্টোবর ১৮, ২০২৬
শিক্ষার্থীদের আগামী দিনের পথচলায় পাশে ইস্টার্ন ব্যাংক
শিক্ষার্থীদের আগামী দিনের পথচলায় পাশে ইস্টার্ন ব্যাংক

অনেক শিক্ষার্থী বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিতে চান। ইবিএলের ব্যাংকিং সেবা তাঁদের আর্থিক প্রস্তুতিতে সহায়তা দেবে।

অক্টোবর ১৮, ২০২৬
ইশরাক কি ‘দাবাং-মন্ত্রী’ হতে চাইছেন
ইশরাক কি ‘দাবাং-মন্ত্রী’ হতে চাইছেন

পিস্তল হাতে গাড়ি থেকে নামছেন প্রতিমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে থাকা লোকজন কয়েকজনকে ধরতে ছুটছেন। কাউকে লাথি দেওয়া হচ্ছে, পাশ থেকে গুলি করার হুমকিও শোনা যাচ্ছে।…এ দৃশ্য কোনো সিনেমার নয়। মাদকবিরোধী অভিযানের নামে রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের ‘অ্যাকশন’ এটি।

অক্টোবর ১৮, ২০২৬
১৪ কারণে লোকসান গুনছে
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল
১৪ কারণে লোকসান গুনছে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল

গতকাল পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে প্রতিবেদন দিয়েছে সেতু কর্তৃপক্ষ।

অক্টোবর ১৮, ২০২৬
বায়োস্কোপ থেকে ফেসবুকের যুগ
বায়োস্কোপ থেকে ফেসবুকের যুগ

আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে শহরেও প্রযুক্তি সহজলভ্য হয়ে ওঠেনি। পুরো পাড়ায় বড়জোর একটা কিংবা দু-একটা বাসায় টেলিভিশন থাকত। তাতেই ড্রয়িংরুম কিংবা উঠোন হয়ে উঠত একেকটা মিনি সিনেমা হল! বিশেষ করে শুক্রবারের সিনেমা দেখার জন্য পাড়ার সবাই মিলে ভীষণ আগ্রহ নিয়ে ভিড় জমাত!

অক্টোবর ১৮, ২০২৬
আগ্নেয়াস্ত্র হাতে ইশরাক, তদন্তের নির্দেশ পুলিশের
আগ্নেয়াস্ত্র হাতে ইশরাক, তদন্তের নির্দেশ পুলিশের

আগ্নেয়াস্ত্র হাতে ইশরাক, তদন্তের নির্দেশ পুলিশের

অক্টোবর ১৮, ২০২৬
অস্ত্রোপচারের পর বমি বমি ভাব কমাতে সাহায্য করতে পারে নয়েস ক্যান্সেলিং হেডফোন
অস্ত্রোপচারের পর বমি বমি ভাব কমাতে সাহায্য করতে পারে নয়েস ক্যান্সেলিং হেডফোন

<p>অজ্ঞান অবস্থায় অস্ত্রোপচারের টেবিলে শুয়ে থাকা রোগীর কানে কেন পরানো হচ্ছে দামি নয়েজ-ক্যান্সেলিং হেডফোন? চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রচলিত ধারণাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মানুষের মস্তিষ্কের এমন কোন গোপন খেলা আবিষ্কার করলেন চীনের বিজ্ঞানীরা, যা বদলে দিতে পারে পুরো অপারেশন থিয়েটারের চিত্র?</p><p>জীবনে কখনো অপারেশন থিয়েটারে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়েছে আপনার? যদি হয়ে থাকে, তবে নিশ্চয়ই জানেন অস্ত্রোপচারের পর জ্ঞান ফেরার মুহূর্তটা কেমন অদ্ভুত হয়! একদিকে শরীরে কাটাছেঁড়ার ব্যথা, অন্যদিকে তার চেয়েও ভয়ংকর এক অস্বস্তি। প্রচণ্ড বমি বমি ভাব বা আক্ষরিক অর্থেই বমি হওয়া। ডাক্তারদের ভাষায় একে বলে পোস্ট-অপারেটিভ নসিয়া অ্যান্ড ভমিটিং। রোগীরা প্রায়ই বলেন, ‘অপারেশনের ব্যথার চেয়ে এই বমির চোটে প্রাণ যায় যায় অবস্থা!’ চিকিৎসকরা অবশ্য এর জন্য কড়া ডোজের ওষুধ দেন, কিন্তু তাতেও সবসময় পুরোপুরি কাজ হয় না। তবে এবার বিজ্ঞানীরা এমন এক অদ্ভুত ও সহজ সমাধান নিয়ে হাজির হয়েছেন, যা শুনলে আপনি অবাক না হয়ে পারবেন না। কোনো তেতো ওষুধ বা দামি ইনজেকশন নয়; অস্ত্রোপচারের সময় রোগীর কানে শুধু এক জোড়া নয়েজ-ক্যান্সেলিং হেডফোন গুঁজে দিলেই এই বমি ভাব ম্যাজিকের মতো কমে যায়! হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন। গান শোনার সেই পরিচিত হেডফোনই এখন চিকিৎসার নতুন হাতিয়ার।</p><p>কিন্তু কেন এমনটা হয়? বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই সাধারণ অথচ অভাবনীয় আবিষ্কারটি আমাদের মানব মস্তিষ্ক সম্পর্কে এক যুগান্তকারী সত্যকে সামনে নিয়ে এসেছে। আমরা এতকাল যা ভেবে এসেছি, ব্যাপারটা আসলে মোটেও তেমন নয়। অজ্ঞান অবস্থায় আমরা হয়তো বাইরের দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন থাকি, কিন্তু আমাদের মস্তিষ্ক ঘাপটি মেরে ঠিকই চারপাশের সব শব্দ স্ক্যান করতে থাকে!</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/technology/lbxurysx85">হেডফোনে নয়েজ ক্যানসেলিং প্রযুক্তি কীভাবে কাজ করে</a></aside><blockquote>একদিকে শরীরে কাটাছেঁড়ার ব্যথা, অন্যদিকে তার চেয়েও ভয়ংকর এক অস্বস্তি। প্রচণ্ড বমি বমি ভাব বা আক্ষরিক অর্থেই বমি হওয়া। ডাক্তারদের ভাষায় একে বলে পোস্ট-অপারেটিভ নসিয়া অ্যান্ড ভমিটিং।</blockquote><h2><strong>তবে কি অ্যানেস্থেসিয়া পুরোটাই ধোঁকা</strong></h2><p>আপনার কি মনে হয়, অ্যানেস্থেসিয়া বা অজ্ঞান করার ওষুধ দেওয়া মানেই মস্তিষ্কের মেইন সুইচ অফ করে দেওয়া? হিউস্টনের বেলর কলেজ অব মেডিসিনের গবেষক ভিগি ক্যাটলোউইটজ কিন্তু একদম অন্য কথা বলছেন। তাঁর মতে, কয়েক দশকের গবেষণা প্রমাণ করেছে, অ্যানেস্থেসিয়া মোটেও ফ্যানের সুইচের মতো ‘অফ বাটন’ নয়। আপনি হয়তো গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, আপনার শরীর অবশ, কিন্তু আপনার ব্রেন তখনো চারপাশের আওয়াজ প্রসেস করে চলেছে। ব্যাপারটা অনেকটা চলন্ত বাসে ঘুমানোর মতো। আপনি হয়তো অঘোরে ঘুমাচ্ছেন, কিন্তু কন্ডাক্টর যখন আপনার স্টপেজের নাম ধরে ডাকে, ঠিকই কিন্তু আপনার ঘুম ভেঙে যায়!</p><p>অস্ত্রোপচারের সময় রোগীকে অজ্ঞান করা হলেও, এই বমির সমস্যা কমানোর জন্য নতুন কোনো উপায় বের করা যায় কি না, তা নিয়েই কাজ করছিলেন চীনের সুচৌ ইউনিভার্সিটির ফার্স্ট অ্যাফিলিয়েটেড হাসপাতালের গবেষক হুয়াইউ লিউ এবং তাঁর দল। তাঁরা সম্প্রতি সান দিয়েগোতে অনুষ্ঠিত অ্যানেসথেসিওলজি কনফারেন্সে তাদের এই চাঞ্চল্যকর গবেষণার ফলাফল তুলে ধরেন। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল ওষুধের বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করা।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/rommo/tvv91ke8ez">ভুলোমন হেডফোন</a></aside><blockquote>হিউস্টনের বেলর কলেজ অব মেডিসিনের গবেষক ভিগি ক্যাটলোউইটজেরর মতে, কয়েক দশকের গবেষণা প্রমাণ করেছে, অ্যানেস্থেসিয়া মোটেও ফ্যানের সুইচের মতো অফ বাটন নয়।</blockquote><p>তাঁরা একটি দারুণ পরীক্ষা চালান। ১৯২ জন নারী রোগীর ওপর এই পরীক্ষাটি করা হয়। রোগীদের সবাইকে সম্পূর্ণ অজ্ঞান করে নারীদের বিশেষ অস্ত্রোপচার (কিহোল সার্জারি) হওয়ার কথা ছিল। গবেষকেরা এই রোগীদের দুটি দলে ভাগ করে ফেলেন। এক দলকে অস্ত্রোপচার শুরু হওয়ার আগে থেকে শেষ পর্যন্ত কানে নয়েজ-ব্লকিং ইয়ার ডিফেন্ডার পরিয়ে রাখা হয়। অন্য দলকে তা দেওয়া হয়নি। তবে দুই দলের সবাইকেই নিয়ম অনুযায়ী অজ্ঞান করার সাধারণ ওষুধ এবং বমি রোধ করার স্ট্যান্ডার্ড ওষুধ দেওয়া হয়েছিল।</p><p>অস্ত্রোপচারের পর ৪৮ ঘণ্টা পার হতেই দেখা গেল সেই জাদুকরী ফলাফল। যেসব রোগীকে হেডফোন বা ইয়ার ডিফেন্ডার পরানো হয়েছিল, তাদের মধ্যে মাত্র ৩৫ শতাংশ রোগীর বমি বা বমি বমি ভাব দেখা গেছে। অন্যদিকে, যাদের কানে এই হেডফোন ছিল না, তাদের মধ্যে ৫২ শতাংশই বমির যন্ত্রণায় ভুগেছেন। শুধু তাই নয়, হেডফোন পরা রোগীদের মধ্যে যাদের সামান্য বমি ভাব হয়েছিল, সেটার মাত্রাও ছিল একদমই নগণ্য, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনে খুব একটা প্রভাব ফেলেনি।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/biology/wv798pf3v5">হেডফোন ব্যবহারে কি কানে ব্যাকটেরিয়া বাড়ে </a></aside><blockquote>শব্দ থেকে তৈরি হওয়া এই মানসিক চাপ যখন মস্তিষ্কের ব্রেনস্টেমের সেই নির্দিষ্ট অংশগুলোতে গিয়ে ধাক্কা মারে, যা বমি নিয়ন্ত্রণ করে, ঠিক তখনই অপারেশন শেষে রোগীর ভয়ংকর বমি শুরু হয়!</blockquote><p>এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে, অপারেশন থিয়েটার তো একদম নীরব, পিনপতন নিস্তব্ধ একটা জায়গা। সেখানে আবার কিসের শব্দ? এখানেই আসল চমক! গবেষক লিউ মেপে দেখেছেন, একটি সাধারণ অপারেশন থিয়েটারে শব্দের গড় মাত্রা থাকে প্রায় ৬৬ ডেসিবল। এটি কিন্তু আপনার ড্রয়িংরুমে বসে দুজন মানুষের স্বাভাবিক স্বরে আড্ডা দেওয়ার শব্দের সমান! ভাবুন তো, সার্জনদের কথাবার্তা, ধাতব যন্ত্রপাতির ঠকঠক আওয়াজ, আর লাইফ-সাপোর্ট মনিটরের একটানা বিপ-বিপ শব্দ—সব মিলিয়ে সেখানে রীতিমতো একটা হট্টগোল চলতে থাকে।</p><p>কিন্তু শব্দের সঙ্গে বমির ঠিক কী সম্পর্ক? বিজ্ঞানীদের ধারণা, এই বিকট শব্দগুলো আমাদের স্নায়ুতন্ত্রের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। আপনি যখন রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় হঠাৎ গাড়ির তীব্র হর্ন শোনেন, তখন বুকের ভেতরটা যেমন ধক করে ওঠে, ঠিক তেমনি অজ্ঞান অবস্থায় এই যান্ত্রিক শব্দগুলো ব্রেনের ভেতর এক ধরনের মানসিক চাপের সৃষ্টি করে। এই চাপ সরাসরি আমাদের স্বয়ংক্রিয় নার্ভাস সিস্টেমকে জাগিয়ে তোলে। এই সিস্টেমটি আমাদের হৃৎস্পন্দন নিয়ন্ত্রণের মতো কাজগুলো করে। আর শব্দ থেকে তৈরি হওয়া এই মানসিক চাপ যখন মস্তিষ্কের ব্রেনস্টেমের সেই নির্দিষ্ট অংশগুলোতে গিয়ে ধাক্কা মারে, যা বমি নিয়ন্ত্রণ করে, ঠিক তখনই অপারেশন শেষে রোগীর ভয়ংকর বমি শুরু হয়!</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/biology/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%95-%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87">প্রযুক্তি কি মস্তিষ্ক বদলে দিচ্ছে?</a></aside><blockquote>গবেষক লিউ মেপে দেখেছেন, একটি সাধারণ অপারেশন থিয়েটারে শব্দের গড় মাত্রা থাকে প্রায় ৬৬ ডেসিবল। এটি আপনার ড্রয়িংরুমে বসে দুজন মানুষের স্বাভাবিক স্বরে আড্ডা দেওয়ার শব্দের সমান!</blockquote><p>যদিও গবেষক লিউ পরিষ্কার করেই বলেছেন, হেডফোন পরলে ঠিক কীভাবে এই বমির প্রতিক্রিয়া পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়, তার একেবারে ভেতরের বৈজ্ঞানিক কৌশলটি নিয়ে তারা এখনো কাজ করছেন এবং এটি আপাতত একটি শক্তিশালী অনুমান হিসেবেই রয়েছে। তবে এই গবেষণাটি অজ্ঞান অবস্থায় আমাদের মস্তিষ্কের কার্যকলাপ সম্পর্কে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। লিউ আশা করছেন, ভবিষ্যতে বিভিন্ন হাসপাতালে আরও বড় পরিসরে এই নিয়ে কাজ করবেন। কে জানে, হয়তো অদূর ভবিষ্যতে অপারেশন থিয়েটারে ঢোকার আগে আপনাকে হাসপাতালের গাউনের পাশাপাশি এক জোড়া সুন্দর নয়েজ-ক্যান্সেলিং হেডফোনও ধরিয়ে দেওয়া হবে!</p><h4>সূত্র: নিউ সায়েন্টিস্ট</h4><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/biology/jdiii965je">অপারেশন থিয়েটারে চিকিৎসকরা সবুজ বা নীল পোশাক পরেন কেন</a></aside>

অক্টোবর ১৮, ২০২৬
টেসলার উড়ন্ত গাড়ি কীভাবে বাতাসে ভেসে থাকতে পারে, কতটা বিপজ্জনক
টেসলার উড়ন্ত গাড়ি কীভাবে বাতাসে ভেসে থাকতে পারে, কতটা বিপজ্জনক

টেসলার উড়ন্ত গাড়ির প্রযুক্তি চমকপ্রদ হলেও গুরুতর নিরাপত্তাঝুঁকি রয়েছে।

অক্টোবর ১৮, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন