বাংলাদেশ, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ডের পর শ্রীলঙ্কাকে পেছনে ফেলে ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের ষষ্ঠস্থানে উঠে এসেছে আফগানিস্তান।
<p>১ নভেম্বর ফিলিপাইনের উত্তরাঞ্চলের সাগাদা শহরের পাহাড়ি কবরস্থানে জ্বলতে দেখা যায় আগুন। পুরো কবরস্থান থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী ছড়িয়ে পড়ে। দেখুন ভিডিওতে...</p><figure></figure>
তবে মার্কিন রাজনীতির সাম্প্রতিক ইতিহাসে এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে যেখানে জনমত জরিপ, এমনকি নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন আগের জরিপও ভুল প্রমাণিত হয়েছে।
নেতৃত্ব বাছাইয়ে সাংগঠনিক অভিজ্ঞতার চেয়ে পরিবার, অর্থ ও তারকাখ্যাতি প্রাধান্য পায়। ৩২টি রাজনৈতিক দলের তথ্য বিশ্লেষণ করে এ চিত্র পেয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগের (এপিএল) খেলোয়াড় ড্রাফটে নাম লিখিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার মোহাম্মদ আমির।
<p>হ্যাং হয়ে যাওয়া ল্যাপটপ বা পিসি বন্ধ করতে গিয়ে রাগের মাথায় পাওয়ার বাটন চেপে ধরে আপনিও কি নিজের অজান্তেই গুরুত্বপূর্ণ ডেটা হারিয়ে ফেলছেন? আপনার একটিমাত্র ভুলের কারণে চোখের পলকে গায়েব হয়ে যেতে পারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে করা মহামূল্যবান কাজ। কী এমন হয় পাওয়ার বাটন চেপে ল্যাপটপ বা কম্পিউটার বন্ধ করলে…</p><p>আপনি খুব জরুরি একটি ভিডিও কলে আছেন বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছেন। হঠাৎ স্ক্রিনের কার্সরটা গোল হয়ে ঘুরতে শুরু করল। মাউসে ক্লিক করলেও কিছুই কাজ করছে না। ল্যাপটপ হ্যাং হয়ে গেছে। বিরক্ত হয়ে কম্পিউটারের পাওয়ার বাটনটি চেপে ধরলেন, স্ক্রিনটা কয়েক সেকেন্ড পরেই বন্ধ হয়ে গেল।</p><p>পরের দিন সকালে ল্যাপটপ চালু করে দেখলেন সবকিছু ঠিকঠাকই আছে। কিন্তু যে ডকুমেন্টটি আপনি গতকাল এডিট করছিলেন, সেটিতে ঢুকে দেখলেন আপনার লেখা শেষ প্যারাটি পুরোপুরি উধাও! তখন মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে, কেন পৃথিবীর সব আইটি এক্সপার্ট পাওয়ার বাটন চেপে পিসি বন্ধ করতে মানা করেন!</p><p>কারণ, কম্পিউটার বন্ধ করা মানেই কেবল সুইচ অফ করা নয়। পাওয়ার বাটনে একবার হালকা চাপ দেওয়া আর দীর্ঘক্ষণ চেপে ধরে রাখার পরিণতি সম্পূর্ণ আলাদা। এর মধ্যে কেবল একটি উপায়ই আপনার কম্পিউটারকে তার চলমান কাজগুলো ঠিকঠাক গুছিয়ে রাখতে পাড়ে। চলুন, পাওয়ার বাটন চেপে পিসি বন্ধ করার বিপদগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করি।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/technology/ws3404tbpu">একটি ল্যাপটপ তৈরিতে কত কার্বন নিঃসরণ হয়</a></aside><blockquote>যখনই বিদ্যুৎ চলে যায়, এক সেকেন্ডের ভগ্নাংশের মধ্যেই র্যাম পুরোপুরি ব্ল্যাঙ্ক হয়ে যায়। চার্জ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনার সেভ না করা প্যারাগ্রাফটিও মুছে যায় চিরতরে।</blockquote><h2><strong>বিদ্যুৎ চলে গেলেই র্যাম কেন সব ভুলে যায়</strong></h2><p>যেকোনো কম্পিউটার মূলত দুটি জায়গায় তথ্য জমা রাখে। আপনার হার্ডড্রাইভ বা এসএসডি হলো সেই জায়গা, যেখানে আপনার ফাইলগুলো স্থায়ীভাবে থাকে। অন্যদিকে র্যাম হলো কম্পিউটারের অত্যন্ত দ্রুতগতির একটি অস্থায়ী মেমোরি, যা কম্পিউটার কোনো কাজ করার সময় ব্যবহার করে। আপনি কিবোর্ডে যে অক্ষরগুলো টাইপ করেন, তা সবার আগে এই র্যামেই গিয়ে জমা হয়। আপনি যখন সেই পরিবর্তনগুলো সেভ করে মূল ড্রাইভের দিকে পাঠান, কেবল তখনই আপনার ডিস্ক সেগুলো দেখতে পায়।</p><p>এই দুই ধরনের মেমোরি তথ্য ধরে রাখার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ আলাদা আচরণ করে। এসএসডির ফ্ল্যাশ মেমোরি একটি সুরক্ষিত সেলের ভেতরে বৈদ্যুতিক চার্জ আটকে রাখে, তাই বিদ্যুৎ চলে গেলেও সেই চার্জ বা তথ্য হারায় না। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-29/7e965cho/Swissbit_2GB_PC2_5300U_555.jpg"><figcaption>যখনই বিদ্যুৎ চলে যায়, এক সেকেন্ডের ভগ্নাংশের মধ্যেই র্যাম পুরোপুরি ব্ল্যাঙ্ক হয়ে যায়</figcaption></figure><p>কিন্তু র্যাম প্রতিটি তথ্যকে অতি সামান্য চার্জ হিসেবে ধরে রাখে, যা মুহূর্তের মধ্যেই ফুরিয়ে যায়। তাই র্যামের চিপগুলোকে প্রতিনিয়ত বিদ্যুৎ দিয়ে সেই চার্জ রিফ্রেশ করতে হয়।</p><p>যখনই বিদ্যুৎ চলে যায়, এক সেকেন্ডের ভগ্নাংশের মধ্যেই র্যাম পুরোপুরি ব্ল্যাঙ্ক হয়ে যায়। চার্জ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনার সেভ না করা প্যারাগ্রাফটিও মুছে যায় চিরতরে। আপনার ডকুমেন্ট ঠিক ততটুকুই সুরক্ষিত থাকে, যতটুকু তথ্য ইতোমধ্যেই র্যাম থেকে মূল ডিস্কে পৌঁছাতে পেরেছিল।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/cause/ujffmdaxij">চার্জে দিয়ে ল্যাপটপ ব্যবহার করলে কি ক্ষতি হয়?</a></aside><blockquote>র্যাম প্রতিটি তথ্যকে অতি সামান্য চার্জ হিসেবে ধরে রাখে, যা মুহূর্তের মধ্যেই ফুরিয়ে যায়। তাই র্যামের চিপগুলোকে প্রতিনিয়ত বিদ্যুৎ দিয়ে সেই চার্জ রিফ্রেশ করতে হয়।</blockquote><h2><strong>কম্পিউটার কেন ডিস্কে ফাইল সেভ করার জন্য অপেক্ষা করে</strong></h2><p>আপনার হয়তো মনে হতে পারে, সেভ বাটনে ক্লিক করা মাত্রই বুঝি ফাইলটি সোজা আপনার ডিস্কে চলে যায়। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই এমনটা হয় না! আপনার অপারেটিং সিস্টেম প্রথমে সেই সেভ করা ডেটাগুলোকে র্যামের একটি বিশেষ অংশে জমিয়ে রাখে। একে বলে রাইট ক্যাশ। এরপর এটি আপনার ব্যবহৃত অ্যাপটিকে জানিয়ে দেয় ‘কাজ শেষ’। অথচ ডেটাগুলো তখনো মূল ডিস্কে যায়নি; অপারেটিং সিস্টেম একটু সময় নিয়ে পরে সেগুলো ডিস্কে পাঠায়।</p><p>এটি কিন্তু অপারেটিং সিস্টেমের কোনো অলসতা নয়, বরং কাজ দ্রুত করার একটি কৌশল। র্যামের তুলনায় হার্ডডিস্ক বা এসএসডিতে কোনো কিছু লিখতে অনেক বেশি সময় লাগে। তাই অপারেটিং সিস্টেম ছোটখাটো অনেকগুলো লেখাকে একসঙ্গে জমিয়ে তারপর বড় একটি বান্ডেল হিসেবে ডিস্কে পাঠায়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/x39zedji/HDD_VS_SSD_width_1000_format_webp.webp"><figcaption>র্যামের তুলনায় হার্ডডিস্ক বা এসএসডিতে কোনো কিছু লিখতে অনেক বেশি সময় লাগে</figcaption></figure><p>মাইক্রোসফট তাদের নিজস্ব ডকুমেন্টে পরিষ্কার জানিয়েছে, এই ‘ডিস্ক রাইট ক্যাশিং’ পিসির পারফরম্যান্স বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তবে একই সঙ্গে তারা এও সতর্ক করেছে, বিদ্যুৎ চলে গেলে এর কারণে আপনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও হারিয়ে যেতে পারে।</p><p>এখন প্রশ্ন হলো, এই ক্যাশ মেমোরিতে ডেটা কতক্ষণ অপেক্ষা করে? লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমে এর ডিফল্ট সময় হলো ৫ সেকেন্ড। অর্থাৎ, হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে আপনার সর্বশেষ ৫ সেকেন্ডের কাজ পুরোপুরি গায়েব হয়ে যেতে পারে। উইন্ডোজ এবং ম্যাকওএসের ক্ষেত্রে এই সময়ের হিসাবটা একটু আলাদা। সোজা কথায়, স্ক্রিনে ‘সেভ হয়েছে’ দেখার পরও কয়েক সেকেন্ডের জন্য আপনার ফাইলটি মূল ডিস্কে সেভ হয় না!</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/cause/tp0597g2sj">চার্জিং অবস্থায় ল্যাপটপ ব্যবহার করলে কি ক্ষতি হয়?</a></aside><blockquote>আপনার অপারেটিং সিস্টেম প্রথমে সেভ করা ডেটাগুলোকে র্যামের একটি বিশেষ অংশে জমিয়ে রাখে। একে বলে রাইট ক্যাশ। এরপর এটি আপনার ব্যবহৃত অ্যাপটিকে জানিয়ে দেয় কাজ শেষ।</blockquote><h2><strong>সঠিকভাবে শাটডাউন করলে কী সুবিধা পাওয়া যায়</strong></h2><p>আপনি যখন নিয়ম মেনে ‘Shut Down’-এ ক্লিক করেন, তখন অপারেটিং সিস্টেম একটি বিশাল চেকলিস্ট ধরে কাজ শুরু করে। এটি ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা প্রতিটি প্রোগ্রামকে বন্ধ হওয়ার নির্দেশ দেয়। ঠিক তখনই আপনার সামনে সেই পরিচিত পপ-আপ মেসেজটি ভেসে ওঠে—‘আপনি কি ফাইলটি সেভ করতে চান?’ এরপর এটি রাইট ক্যাশে জমে থাকা সব তথ্য মূল ডিস্কে লিখে ফেলে।</p><p>সবশেষে এটি এমন একটি কাজ করে, যা সাধারণ মানুষের চোখের আড়ালেই থেকে যায়। অপারেটিং সিস্টেম ড্রাইভকে জানিয়ে দেয়, একটু পরই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হতে যাচ্ছে।</p><p>এসএসডি ড্রাইভের নিজস্ব একটি ছোট্ট মেমোরি বাফার থাকে। অনেক সময় ফ্ল্যাশ মেমোরিতে ডেটা পুরোপুরি পৌঁছানোর আগেই ড্রাইভটি কম্পিউটারকে জানিয়ে দেয়, তার কাজ শেষ। তাই কম্পিউটার ড্রাইভটিকে একটি স্ট্যান্ডবাই কমান্ড পাঠিয়ে তার উত্তরের জন্য অপেক্ষা করে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/l1p24so3/hard_power_off_samsung_980_pro_nvme_ssd.webp"><figcaption>এসএসডি ড্রাইভের নিজস্ব একটি ছোট্ট মেমোরি বাফার থাকে</figcaption></figure><p>উত্তর দেওয়ার আগেই এসএসডি তার অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করে ফেলে এবং কোন ডেটা কোথায় রাখা হয়েছে, তার একটি আপডেট ম্যাপ তৈরি করে সেভ করে রাখে। এই পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ হওয়ার পরই কেবল কম্পিউটারের পাওয়ার অফ হয়।</p><p>এই এতসব গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিখুঁতভাবে শেষ করতে কয়েক সেকেন্ড থেকে শুরু করে এক মিনিট পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। কিন্তু আপনি যখন পাওয়ার বাটন চেপে ধরে রাখেন, তখন মাত্র ৪ সেকেন্ডের মধ্যে এর কোনোটিই সম্পন্ন হওয়ার সুযোগ পায় না।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/technology/1sldj8bqe7">ল্যাপটপের বিকিরণ কি ক্ষতিকর</a></aside><blockquote>এসএসডি ড্রাইভের নিজস্ব একটি ছোট্ট মেমোরি বাফার থাকে। অনেক সময় ফ্ল্যাশ মেমোরিতে ডেটা পুরোপুরি পৌঁছানোর আগেই ড্রাইভটি কম্পিউটারকে জানিয়ে দেয়, তার কাজ শেষ।</blockquote><h2><strong>পাওয়ার বাটন ৪ সেকেন্ড চেপে ধরে রাখলে ঠিক কী ঘটে</strong></h2><p>আধুনিক পিসির পাওয়ার বাটনটি সাধারণ বৈদ্যুতিক সুইচের মতো নয়। এটি কিবোর্ডের বোতামের মতোই একটি ইনপুট মাত্র। এই বাটনে একবার হালকা চাপ দিলে অপারেটিং সিস্টেমের কাছে একটি সিগন্যাল যায়। এর থেকে বোঝা যায়, কম্পিউটার শাটডাউন হতে পারে। তখনই আগের বলা চেকলিস্ট ধরে কাজ শুরু করে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ।</p><p>কিন্তু বাটনটি দীর্ঘক্ষণ চেপে ধরে রাখার বিষয়টি একদম আলাদা। আর এর পেছনের কলকাঠি নাড়ে হার্ডওয়্যার নিজেই। মাদারবোর্ডে পাওয়ার নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা চিপটি একটি নির্দিষ্ট টাইমার মেনে চলে। ইন্টেলের ডেটাশিটে এর নিয়ম খুব স্পষ্ট করে লেখা আছে—পাওয়ার বাটনটি টানা অন্তত চার সেকেন্ড চেপে ধরে রাখলে হার্ডওয়্যার বাধ্য হয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেবে। তখন সিস্টেম কী কাজ করছিল, তা মোটেও দেখা হয় না। এক্ষেত্রে অপারেটিং সিস্টেমের কাছে কোনো অনুমতিই চাওয়া হয় না, ফলে এটি ক্যাশ খালি করার বা ড্রাইভকে সতর্ক করার কোনো সুযোগই পায় না। একে বলা হয় পাওয়ার বাটন ওভাররাইড। প্রতিটি পিসিতেই এই ব্যবস্থা থাকে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/fdz6oizs/power_button_20241121104243521.jpg"><figcaption>ইন্টেলের ডেটাশিটের নিয়ম খুব স্পষ্ট করে লেখা আছে—পাওয়ার বাটনটি টানা অন্তত চার সেকেন্ড চেপে ধরে রাখলে হার্ডওয়্যার বাধ্য হয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেবে</figcaption></figure><p>তবে এই ওভাররাইড ব্যবস্থাটি কিন্তু ইচ্ছে করেই রাখা হয়েছে। ঘুরতে থাকা অপারেটিং সিস্টেম যেহেতু নিজের শাটডাউন চেকলিস্ট চালাতে পারে না, তাই এমন একটি বিকল্প সুইচ থাকা জরুরি যা সফটওয়্যারের ওপর নির্ভরশীল নয়। অ্যাপলের ম্যাক কম্পিউটারেও ঠিক একই ব্যবস্থা রয়েছে।</p><p>সুতরাং, দীর্ঘক্ষণ পাওয়ার বাটন চেপে ধরা মানে আক্ষরিক অর্থেই প্লাগ টেনে খুলে ফেলার সমান। এর ফলে আপনার ডেটা বাঁচানোর সমস্ত নিরাপত্তাব্যবস্থাই এড়িয়ে যাওয়া হয়।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/technology/uoqwzr73un">কতক্ষণ পরপর কম্পিউটার রিস্টার্ট দিতে হয়</a></aside><blockquote>ইন্টেলের ডেটাশিটের নিয়ম খুব স্পষ্ট করে লেখা আছে—পাওয়ার বাটনটি টানা অন্তত চার সেকেন্ড চেপে ধরে রাখলে হার্ডওয়্যার বাধ্য হয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেবে।</blockquote><h2><strong>ফোর্স শাটডাউন কি আপনার ফাইল নষ্ট করতে পারে</strong></h2><p>প্রথমে ভালো খবরটি দিয়ে শুরু করা যাক। পরের দিন সকালে আপনার ল্যাপটপটি যে একদম ঠিকঠাকভাবে চালু হয়, তার পেছনে রয়েছে জার্নালিং নামের একটি চমৎকার ফিচার। ফাইল সিস্টেম তার নিজস্ব কাঠামো পরিবর্তন করার আগেই জার্নাল নামক একটি লগে সেই পরিকল্পনাটি লিখে রাখে। কাজ অর্ধেক হওয়ার পর হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে, পরের বার পিসি চালু হওয়ার সময় এটি সেই জার্নালটি পড়ে নেয়। এরপর এটি হয় সেই অর্ধেক হওয়া কাজটি শেষ করে, অথবা সেটি পুরোপুরি বাতিল করে দেয়। ফলে ফাইল সিস্টেমের কোনো বড় ক্ষতি হয় না।</p><p>এবার আসা যাক খারাপ খবরে। ডিফল্টভাবে, জার্নালিং ব্যবস্থাটি কেবল ফাইল সিস্টেমের মূল কাঠামোকে রক্ষা করে, আপনার ফাইলের ভেতরের তথ্যকে নয়। ফোল্ডারটি হয়তো ঠিকই থাকবে, ফাইলটির নামও সেখানে দেখাবে। কিন্তু ঠিক পাওয়ার কাটের মুহূর্তে যে ফাইলটি রাইট করা হচ্ছিল, সেটি অর্ধেক গায়েব হয়ে যেতে পারে বা আগের ও নতুন ভার্সন মিলে একটা জগাখিচুড়ি অবস্থা হতে পারে। রাইট ক্যাশে থাকা যেকোনো তথ্য চিরতরে হারিয়ে যায়। আর যে কাজ আপনি সেভই করেননি, তা তো র্যাম থেকে কখনো বেরই হতে পারেনি!</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/technology/4u02wyxq3k">পিসি কেন ধীর গতিতে চলে, গতি ফিরে পেতে কী করবেন</a></aside><blockquote>ডিফল্টভাবে, জার্নালিং ব্যবস্থাটি কেবল ফাইল সিস্টেমের মূল কাঠামোকে রক্ষা করে, আপনার ফাইলের ভেতরের তথ্যকে নয়। ফোল্ডারটি হয়তো ঠিকই থাকবে, ফাইলটির নামও সেখানে দেখাবে।</blockquote><p>এসএসডি ড্রাইভের ক্ষেত্রেও ঝুঁকি রয়েছে। সার্ভার-গ্রেডের এসএসডিতে ক্যাপাসিটর থাকে, যার জমানো শক্তি দিয়ে পাওয়ার কাটের পরও অসমাপ্ত কাজ শেষ করা যায়। কিন্তু সাধারণ মানুষের ব্যবহারের ড্রাইভগুলো সাধারণত ‘ইন ফ্লাইট’ বা চলন্ত ডেটাকে সুরক্ষিত করতে পারে না। একটি ল্যাব টেস্টে ১৫টি এসএসডির পাওয়ার হাজারবার হঠাৎ করে কেটে দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ১৩টি ড্রাইভেই ডেটা নষ্ট হওয়া থেকে শুরু করে মারাত্মক সব সমস্যা দেখা দিয়েছিল। এমনকি একটি ড্রাইভ পুরোপুরি ডেড হয়ে গিয়েছিল!</p><p>হার্ডওয়্যারের ক্ষতির কথা বললে, শুধু পাওয়ার কাটের কারণে ল্যাপটপের যন্ত্রাংশ পুড়ে যাওয়ার ভয় নেই। এর জন্য অতিরিক্ত তাপ বা বজ্রপাতের প্রয়োজন হয়। তবে হঠাৎ পাওয়ার কাটে আপনার অমূল্য ডেটা হারানোর ঝুঁকি ষোলো আনা থেকেই যায়।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/technology/tdjg146hr0">কম্পিউটার রিস্টার্ট দিলে প্রায়ই ঠিক হয়ে যায় কেন</a></aside><blockquote>একটি ল্যাব টেস্টে ১৫টি এসএসডির পাওয়ার হাজারবার হঠাৎ করে কেটে দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ১৩টি ড্রাইভেই ডেটা নষ্ট হওয়া থেকে শুরু করে মারাত্মক সব সমস্যা দেখা দিয়েছিল।</blockquote><h2><strong>তাহলে কি পাওয়ার বাটন চেপে ধরে পিসি বন্ধ করা ঠিক</strong></h2><p>একেবারে শেষ উপায় হিসেবে, হ্যাঁ, এটি ঠিক। এই ওভাররাইড ব্যবস্থাটি মূলত এই বিপদের জন্যই তৈরি। পিসি পুরোপুরি হ্যাং করলে জোর করে কর্ড টেনে খোলার চেয়ে বাটন চেপে ধরে বন্ধ করা অনেক ভালো। জার্নালিংয়ের কল্যাণে বেশিরভাগ সময়ই ড্রাইভ এবং এর ভেতরের ডেটা নিরাপদে ফিরে আসে।</p><p>কিন্তু এটিকে প্রতিদিনের অভ্যাস বানানো মোটেও ঠিক নয়। যতবার আপনি বাটন চেপে পিসি বন্ধ করবেন, ততবারই আপনি এক ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকবেন এই আশায় যে, ক্যাশ মেমোরিতে তখন গুরুত্বপূর্ণ কিছু নেই। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/oruhz3fe/0_CHaF_0FJOVoTMPrn.webp"><figcaption>হ্যাং হয়ে যাওয়া পিসির পাওয়ার বাটনে হাত দেওয়ার আগে অন্তত এক মিনিট অপেক্ষা করুন</figcaption></figure><p>বেশিরভাগ সময় আপনি বেঁচে গেলেও, হঠাৎ একদিন দেখবেন আপনার ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে করা স্প্রেডশিট বা গেমের সেভ ফাইলটি গায়েব হয়ে গেছে। সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপারটি ঘটে তখন, যখন ব্যাকগ্রাউন্ডে অপারেটিং সিস্টেমের কোনো সিস্টেম আপডেট চলাকালীন আপনি পিসি জোর করে বন্ধ করে দেন।</p><p>তাই হ্যাং হয়ে যাওয়া পিসির পাওয়ার বাটনে হাত দেওয়ার আগে অন্তত এক মিনিট অপেক্ষা করুন। অনেক সময় কম্পিউটার সহজেই ঠিক হয়ে যায়। একটু সময় লাগে এই যা। পাওয়ার বাটন খুব বিপদের সময় ব্যবহার করুন, কিন্তু রোজ এই বাটন ব্যবহার করলে বিপদে পড়তে খুব বেশি সময় লাগবে না!</p><h4>সূত্র: সায়েন্স এবিসি</h4><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/technology/m9ox70x4jn">আপডেট দেওয়ার সময় কম্পিউটার রিস্টার্ট নেয় কেন?</a></aside>
<p>কাচের ঘরে রঙিন মাছের ছোটাছুটি। কোথাও মাথায় ঝুঁটি, কোথাও চোখের পাশে বেলুন। পানির নিচে সাজানো বাগান, এমনকি কাচের পাত্রে এক টুকরা অরণ্য। এসব নিয়েই রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে বসেছিল তিন দিনের ‘অ্যাকুয়ারিয়াম ফিশ ফেয়ার ২০২৬’। ২৯ থেকে ৩১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত মেলায় ৪৫টির বেশি স্টলে ছিল রঙিন মাছ, জলজ উদ্ভিদ, অ্যাকুয়ারিয়াম ও সাজসজ্জার নানা উপকরণ। শুক্রবার বিকেলে মেলা ঘুরে দেখা গেল দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। কেউ মাছের ছবি তুলছেন, কেউ ভিডিও করছেন, কেউ আবার ভিডিও কলে প্রিয়জনকে দেখাচ্ছেন রঙিন মাছের দুনিয়া। মেলায় ঘুরে দেখা বিচিত্র সব আয়োজনের কিছু ঝলক থাকল এখানে</p><h3>কত রঙের কত মাছ </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/97xkpr6u/LABL4647.jpg"></figure><p>গাপ্পি, বেলুন মলি, ব্ল্যাক মলি, ব্লু পান্ডা, অ্যাভাটার, গোল্ডফিশ, সিকলিড, টেট্রা, অ্যাঞ্জেলফিশ, ফ্লাওয়ার হর্ন, পার্ল গোরামি থেকে শুরু করে নানা জাতের নানা রঙের বেটা বা ফাইটার মাছ। সঙ্গে ছিল রঙিন চিংড়ি, ক্রেফিশ ও লোনাপানির ক্লাউনফিশ। নাম না–জানা আরও কত মাছ যে ছিল মেলায়!</p><h3>মাথায় ঝুঁটি নিয়ে ফ্লাওয়ার হর্ন</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/n2rlq81y/LABL4571.jpg"></figure><p>মাথায় বিশাল ঝুঁটির মতো উঁচু অংশ। দেখতে যেমন বিচিত্র, স্বভাবেও তেমন চঞ্চল ফ্লাওয়ার হর্ন। কাচের বাইরে আঙুল নাড়ালেই সেদিকে ছুটে আসে মাছটি। আকারভেদে একেকটির দাম ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত।</p> <h3>চোখের সামনে ‘ফাইন্ডিং নিমো’ </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/vmki2qxb/LABL4638.jpg"></figure><p>২০০৩ সালের জনপ্রিয় অ্যানিমেশন সিনেমা ‘ফাইন্ডিং নিমো’র সেই কমলা-সাদা ক্লাউনফিশও ছিল মেলায়। অ্যাকোয়া টেক বিডির স্টলে কমলা ও কালো রঙের এক জোড়া ক্লাউনফিশের দাম ছিল ১৪ হাজার টাকা। মাছগুলো দেখে ছবি তোলার লোভ সামলাতে পারেননি অনেক দর্শনার্থী।</p><h3>চোখের পাশে দুই বেলুন</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/bsc5wjw2/IMG5967.jpeg"></figure><p>মুখের দুই পাশে বেলুনের মতো দুটি থলে। বিচিত্র চেহারার এই মাছের নাম বাবল আই গোল্ডফিশ। সোনালি ও লাল রঙের মাছগুলো বিক্রি হচ্ছিল দেড় হাজার থেকে দুই হাজার টাকায়।</p><h3>৪০০ টাকায় ২৪ ক্যারেট গোল্ড!</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/l82mcvef/IMG5985.jpeg"></figure><p>অবাক হওয়ার কিছু নেই। এ গোল্ড কোনো সোনার গয়না নয়, অ্যাকুয়ারিয়ামের মাছের নাম। ঝকঝকে সোনালি রঙের ‘২৪ ক্যারেট গোল্ড’ নামের এক জোড়া মাছের দাম ছিল মাত্র ৪০০ টাকা।</p><h3>রঙিন ক্রেফিশ ও চিংড়ি </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/opfxhqii/LABL4658.jpg"></figure><p>ছোট ছোট কাচের পাত্রে লাল, গোলাপি, বাদামি ও সাদা রঙের ক্রেফিশ। দেখতে অনেকটা গলদা চিংড়ির মতো। দেশি ছোট চিংড়ির জোড়া যেখানে ৭০ টাকা, সেখানে রঙিন ক্রেফিশের দাম তিন হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা।</p><h3>৫০ থেকে ১৫ হাজার টাকার মাছ</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/oxn4twuo/LABL4617.jpg"></figure><p>মেলায় এক জোড়া গাপ্পিসহ কিছু প্রজাতির মাছ পাওয়া যাচ্ছিল মাত্র ৫০ টাকায়। অন্যদিকে আমদানি করা বিশেষ জাতের সাদা, বাদামি ও ছোপযুক্ত মলির এক জোড়ার দাম ছিল সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা।</p><h3>মাছের সঙ্গী শামুক</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/edq0kz3d/8H.jpeg"></figure><p>মাছের মেলায় শামুকও বিক্রি হচ্ছিল। অ্যাকুয়ারিয়ামের কাচ বেয়ে ওঠানামা করে এরা। দেখতে আকর্ষণীয়, অ্যাকুয়ারিয়ামের শেওলা পরিষ্কার রাখতেও কিছু প্রজাতির শামুক সহায়ক। একেকটির দাম মাত্র ২০ টাকা।</p><h3>কাচের পাত্রে জলজ গাছ</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/d0nkt2xt/9H.jpeg"></figure><p>কিছু স্টলে মাছের পরিবর্তে ছিল শুধু জলজ উদ্ভিদ। অ্যাকুয়ারিয়াম সাজাতে এসব গাছের বেশ চাহিদা। মেলায় এক আঁটি জলজ উদ্ভিদ বিক্রি হচ্ছিল ৮০ থেকে ১০০ টাকায়।</p><h3>পানির নিচে গাছের টব </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/fugw8sd0/10H.jpeg"></figure><p>পানির নিচে গালে হাত দিয়ে বসে আছে একদল তরুণী! আদতে এগুলো মানুষের আদলে তৈরি টব। মাথার চুলের জায়গায় গজিয়েছে সবুজ গাছ। পানিতে দুলছে সেই গাছের পাতা। গাছসহ এমন প্রতিটি টবের দাম ৫০০ টাকা।</p><h3>গাছে ঝুলছে মাছের ঘর</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/cart38f6/11H.jpeg"></figure><p>টাকার গাছ নয়, এ যেন মাছের গাছ! ডালে ডালে ঝুলছে কাচের বয়াম, আর তার ভেতরে সাঁতার কাটছে ফাইটার বা বেটা মাছ। অভিনব এই ‘ফাইটার ট্রি’র দাম ৫ হাজার টাকা।</p><h3>কাচের ঘরে একটুকরা অরণ্য </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/9nd23rnp/LABL4646.jpg"></figure><p>কাচের পাত্রের ভেতর পাহাড়, ঝরনা, নদী আর সবুজের সমারোহ। ছোট্ট এক প্রাকৃতিক দৃশ্য যেন। মেলায় এমন টেরারিয়াম ও প্রাকৃতিক দৃশ্যের আদলে তৈরি কাচের সাজসজ্জার দাম ছিল ৭০০ থেকে সর্বোচ্চ ৩৫ হাজার টাকা।</p><h3>কাচের ঘরে মাংসাশী উদ্ভিদ</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/tuqj861m/LABL4670.jpg"></figure><p>মাছের পাশাপাশি মেলায় ছিল মাংসাশী উদ্ভিদের সংগ্রহও। পাঁচ ধরনের পোকাখেকো উদ্ভিদ দিয়ে সাজানো একটি টেরারিয়ামের দাম চাওয়া হচ্ছিল ২২ হাজার টাকা।</p><h3>অ্যাকুয়ারিয়াম সাজানোর যত উপকরণ</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/mqicl4i3/LABL4650.jpg"></figure><p>শুধু মাছ নয়, অ্যাকুয়ারিয়াম ও টেরারিয়াম সাজানোর উপকরণও ছিল মেলায়। ছোট-বড় পাথর, বালু, মাটি, মস ও ড্রিফটউড বা শুকনা কাঠ—সবই বিক্রি হচ্ছিল খুচরা ও পাইকারি দরে।</p><h3>৫৫ হাজার টাকার বনসাই</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/z76nhjlf/WhatsApp-Image-2026-11-01-at-5.40.26-PM.jpeg"></figure><p>ইনডোর গাছের স্টলেও ছিল দর্শনার্থীদের আগ্রহ। নজর কাড়ে গোলাপি রঙের ছোট ছোট ফলভরা একটি ফাইকাস বনসাই। চায়না বট নামে পরিচিত এই বনসাইয়ের দাম হাঁকা হচ্ছিল ৫৫ হাজার টাকা।</p><h3> মাছের মেলায় পাখির কিচিরমিচির </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/4zr5ma30/16H.jpeg"></figure><p>রঙিন মাছের পাশাপাশি ছিল পাখির স্টলও। বাজরিগার, লাভবার্ডসহ নানা প্রজাতির পাখির দাম ছিল ৬০০ থেকে ১৫ হাজার টাকা। কোনো কোনো শিশু পাখি হাতে নিয়ে ছবি তোলার সুযোগও পেয়েছে।</p><h3>শিশুদের চোখে বিস্ময় </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/sxbziklg/17H.jpeg"></figure><p>মেলায় সবচেয়ে বেশি কৌতূহল ছিল শিশুদের চোখেমুখে। আজিমপুর থেকে মা-বাবার সঙ্গে এসেছিল দুই ভাইবোন আজমাঈন ও মুনতাহা। মাছ দেখে মুগ্ধ দুই শিশু কথা বলছিল টেলিভিশন ক্যামেরার সামনে। আর সেই মুহূর্ত মুঠোফোনে ধারণ করছিলেন তাদের বাবা।</p><h3>মেলা মিস করেছেন? আবারও সুযোগ আছে </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/9tg3bfnl/LABL4632.jpg"></figure><p>এই মেলায় যেতে না পারলেও মন খারাপের কিছু নেই। ৫ থেকে ৮ নভেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের অ্যাবাকাস কনভেনশন সেন্টারে বসছে ‘বাংলাদেশ অর্নামেন্টাল ফিশ ফেয়ার অ্যান্ড শো ২০২৬’। চার দিনের এই মেলা প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে। প্রবেশ ফি লাগবে না। থাকবে রঙিন মাছ, অ্যাকুয়ারিয়াম ও নানা সরঞ্জাম দেখার এবং কেনার সুযোগ।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/ku302hqsu4">শীতলক্ষ্যা থেকে গভীর রাতে ডাঙায় উঠে আসত যে রহস্যময় মাছ</a></aside>
<p>ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের তৃতীয় দিনের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদন…</p><figure></figure>
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।