জেলা

পিচ্চি রাজা কীভাবে পালিয়ে গেলেন, দেখা গেল সিসিটিভির ফুটেজে

অক্টোবর ৭, ২০২৬
পিচ্চি রাজা কীভাবে পালিয়ে গেলেন, দেখা গেল সিসিটিভির ফুটেজে
পিচ্চি রাজা কীভাবে পালিয়ে গেলেন, দেখা গেল সিসিটিভির ফুটেজে
মোহাম্মদপুরের আলোচিত মাদক কারবারি রাজা ওরফে পিচ্চি রাজার পালিয়ে যাওয়ার এই দৃশ্য ধরা পড়েছে একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরায়।

Prothomalo

View more
এবার শীত কি কম হবে, কেন এমনটা বলা হচ্ছে
এবার শীত কি কম হবে, কেন এমনটা বলা হচ্ছে

আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ বলেন, ‘শীতে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকবে। বৃষ্টি কম হলে কুয়াশা বাড়তে পারে। ঘন কুয়াশায় দিনের তাপমাত্রা কমে ঠান্ডা অনুভূত হতে পারে।’

অক্টোবর ৭, ২০২৬
বুয়েট বিভিন্ন পদে চাকরি, আবেদন অনলাইনে, বেতন স্কেল ৮২৫০ থেকে ৩০২৩০ টাকা
বুয়েট বিভিন্ন পদে চাকরি, আবেদন অনলাইনে, বেতন স্কেল ৮২৫০ থেকে ৩০২৩০ টাকা

বুয়েট বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ২৪টি পদে যোগ্যতাসম্পন্ন বাংলাদেশি নাগরিকেরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য, ছবি ও ভিডিও প্রকাশে বিধিনিষেধ কেন
চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য, ছবি ও ভিডিও প্রকাশে বিধিনিষেধ কেন

এমন এক সময়ে এ নির্দেশনা দেওয়া হলো, যখন চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বড় নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বা এনসিটি বিদেশি অপারেটরের হাতে দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে আন্দোলন চলছে।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
স্তন ক্যানসার নিয়ে এই পাঁচ ভুল ধারণা কি আপনারও আছে
স্তন ক্যানসার নিয়ে এই পাঁচ ভুল ধারণা কি আপনারও আছে

<p>স্তন ক্যানসারের ক্ষেত্রে সতর্কতার বিকল্প নেই। এই ক্যানসার নিয়ে মানুষের মধ্যে কিছু ভুল ধারণা চালু আছে। চলুন, তেমন কয়েকটি ভুল ধারণা সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।</p><h3>ভুল ধারণা ১: স্তনে গুটি মানেই ক্যানসার</h3><p>স্তনে নতুন কোনো গোটা হলেই দ্রুত খারাপ কিছু ধরে নেওয়াটা ঠিক নয়। স্তনে গুটি হওয়া খুবই সাধারণ ঘটনা। বেশির ভাগ গুটি ক্ষতিকরও নয়। গবেষণায় দেখা গেছে, ২০ থেকে ৫০ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত এমন কিছু পরিবর্তন দেখা দিতে পারে, যার কারণে স্তনে এমন গুটি তৈরি হয়, আদতে যা ক্যানসার নয়। অনেক গুটি হরমোনের মাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত। আবার কখনো এসবের কোনো চিকিৎসারও প্রয়োজন হয় না। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ গুরুত্বপূর্ণ।</p><h3>ভুল ধারণা ২: স্তন ক্যানসার মূলত বয়স্ক নারীদের হয়</h3><p>বয়স বাড়ার সঙ্গে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে—এটি সত্য। ৪০ বছরের বেশি বয়সী নারীদের মধ্যে স্তন ক্যানসার বেশি দেখা যায়। তবে এর মানে এই নয় যে কম বয়সী নারীদের স্তন ক্যানসার হতে পারে না। গবেষণার তথ্য বলছে, ৪০ বছরের কম বয়সী নারীদের মধ্যে প্রায় ৫ শতাংশ স্তন ক্যানসারের রোগী। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক চিকিৎসক হ্যালি মুর বলেন, ‘প্রাপ্তবয়স্ক যেকোনো বয়সেই স্তন ক্যানসার হতে পারে। বিশেষ করে পরিবারে এই রোগের ইতিহাস থাকলে বা অন্য কোনো ঝুঁকি থাকলে আশঙ্কা আরও বাড়তে পারে।’</p><h3>ভুল ধারণা ৩: শুধু নারীদেরই স্তন ক্যানসার হয়</h3><p>নারীদের মধ্যেই স্তন ক্যানসার বেশি দেখা যায়। তবে পুরুষদেরও স্তন ক্যানসার হতে পারে। এমনকী কোনো ঝুঁকিও না থাকলেও সেই পুরুষের স্তন ক্যানসার হতে পারে। স্তন ক্যানসারের মোট রোগীদের মধ্যে পুরুষদের সংখ্যা ১ শতাংশেরও কম। তবে প্রাথমিক লক্ষণ উপেক্ষা করলে পুরুষের চিকিৎসা নিতে দেরি হতে পারে। নারীদের মতো পুরুষদেরও যেকোনো বয়সে স্তন ক্যানসার হতে পারে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ বছর বয়সী পুরুষদের মধ্যে এই রোগ শনাক্ত হয়।</p><h3>ভুল ধারণা ৪: পরিবারে কারও স্তন ক্যানসার না থাকলে ঝুঁকি নেই</h3><p>আপনার রক্তের সম্পর্কের এক বা একাধিক ব্যক্তির স্তন ক্যানসার হয়ে থাকলে আপনারও এ রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। এমন এক ডজনের বেশি জিন রয়েছে, যেগুলো স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে পারে। তবে পরিবারে কারও স্তন ক্যানসার না থাকলেই যে আপনি সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত, সেটা সত্য নয়। যে কারও স্তন ক্যানসার হতে পারে। <br></p><h3>ভুল ধারণা ৫: স্তন ক্যানসার সব সময় গুটি দিয়ে শুরু হয়</h3><p>স্তনে গুটি বা শক্ত কোনো অংশ তৈরি হওয়া স্তন ক্যানসারের অন্যতম সাধারণ লক্ষণ। তবে সব সময় এমনটি হয় না। ডা. মুর বলেন, ‘লক্ষণ হিসেবে কখনো কখনো স্তনে ব্যথা বা ফোলা ভাব দেখা দিতে পারে। বগলের নিচের লসিকাগ্রন্থিও ফুলে যেতে পারে। আবার অনেক সময় স্তন ক্যানসারের কোনো লক্ষণই দেখা যায় না।’</p><p>এ কারণেই নিয়মিত ম্যামোগ্রাম করা গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত ৪০ বছর বয়স থেকে নিয়মিত ম্যামোগ্রাম করার পরামর্শ দেওয়া হয়।</p><p><sup>সূত্র: ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক</sup></p>

অক্টোবর ৭, ২০২৬
ইরানের হামলায় লস অ্যাঞ্জেলেস বা সান দিয়েগো ধ্বংস হতে পারে, বললেন ট্রাম্প
ইরানের হামলায় লস অ্যাঞ্জেলেস বা সান দিয়েগো ধ্বংস হতে পারে, বললেন ট্রাম্প

ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট নেতা এবং রিপাবলিকান পার্টির বেশ কয়েকজন নেতা–কর্মী তাঁর এ মন্তব্যের তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
রেলগেটের ফলের বাজার
রেলগেটের ফলের বাজার

রেললাইনের পাশে ভোর থেকেই জমে ওঠে ফলের পাইকারি বাজার। কুষ্টিয়া শহরের মজমপুর রেলগেট এলাকায় নিলামে হাঁকডাকে চলে আপেল, কমলা, মাল্টা, আঙুর, ড্রাগন ফল ও ডালিমের বেচাকেনা।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
সন্তানের বন্ধু নির্বাচন: নৈতিকতার বিচার নাকি আচরণের মূল্যায়ন?
সন্তানের বন্ধু নির্বাচন: নৈতিকতার বিচার নাকি আচরণের মূল্যায়ন?

<p>প্রথম আলো ট্রাস্টের একটি আয়োজন বিনা মূল্যে মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা সভা। এ আয়োজনের আওতায় ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রথম আলোর কার্যালয় কারওয়ান বাজারে ১৮২তম অনলাইন পরামর্শ সহায়তা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় উপস্থিত থেকে পরামর্শ প্রদান করেন বিশিষ্ট শিশু-কিশোর ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আহমেদ হেলাল। এইবারের বিষয়টি ছিল—‘সন্তানের আচরণ ও বন্ধু নির্বাচন: অভিভাবক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব।’ উক্ত অনুষ্ঠান থেকে একটি পরামর্শ তুলে ধরা হলো।</p><p><strong>ছোটবেলা থেকেই আমরা সন্তানদের শিখাই ‘ভালো বন্ধু’ বেছে নিতে এবং ‘খারাপ বন্ধু’ এড়িয়ে চলতে। মানসিক স্বাস্থ্যের দৃষ্টিকোণ থেকে এই ধরনের ট্যাগিং বা নির্দেশনা কতটা যুক্তিযুক্ত?</strong></p><p>এর উত্তরে ডা. আহমেদ হেলাল জানান, ‘মানসিক স্বাস্থ্য ও শিশু-কিশোর মনস্তত্ত্বের দিক থেকে বিচার করলে—‘ভালো বন্ধু’ বা ‘খারাপ বন্ধু’—এই দুটো শব্দ নৈতিকতার বিচারক কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর মতো কোনো বিষয় নয়। প্রতিটি শিশুই ভালো, প্রতিটি সন্তানই সুন্দর; জন্মগতভাবে কারো ভেতরে খারাপ কিছু থাকে না। আমরা যখন খুব সহজে সন্তানের কোনো বন্ধুকে ‘খারাপ’ বলে চিহ্নিত করি, তখন আমরা অজান্তেই সেই শিশুটির ওপর এক ধরনের সামাজিক তকমা বা ‘ট্যাগ’ বসিয়ে দিই, যা তার মানসিক বিকাশের জন্য চরম ক্ষতিকর এবং অত্যন্ত অনুচিত।’</p><p>তিনি আরও বলেন, ‘বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমাদের মূল নজর দেওয়া উচিত আচরণের বৈশিষ্ট্যের ওপর। বন্ধুদের যেসব গুণ বা আচরণ অনুকরণীয় ও ইতিবাচক, সেগুলো গ্রহণ করতে হবে। আর যে আচরণগুলো ক্ষতিকর, সেগুলোকে পরিহার করতে হবে। তবে কোনো বন্ধুর আচরণ অপছন্দ হলে তাকে সরাসরি ‘বাতিল’ বা বন্ধু তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া সঠিক সমাধান নয়। বরং অভিভাবক ও সন্তান—উভয়ের দায়িত্ব হওয়া উচিত সেই বন্ধুকে সেই ক্ষতিকর বা অনুপযোগী আচরণ থেকে বের করে আনার চেষ্টা করা।’</p>

অক্টোবর ৭, ২০২৬
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬। শতকরার ওপর শূন্যস্থান পূরণ
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬। শতকরার ওপর শূন্যস্থান পূরণ

প্রাথমিক গণিত: শূন্যস্থান পূরণ করো

অক্টোবর ৭, ২০২৬
কাউকে টক্সিক বলার আগে নিজেকে যে প্রশ্নগুলো করবেন
কাউকে টক্সিক বলার আগে নিজেকে যে প্রশ্নগুলো করবেন

উদ্দেশ্য কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা নয়। বরং ক্ষতিকর আচরণ শনাক্ত করা, নিজের ভূমিকা বোঝা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সীমারেখা তৈরি, সম্পর্ক মেরামত কিংবা সরে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এ বিষয়ে কিছু দৃষ্টিভঙ্গি দিতে পারে, কিন্তু মানুষের আচরণ বোঝার একমাত্র উৎস হওয়া উচিত নয়।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন