লেখক দেবী দুর্গার মাতৃসত্তা ও শক্তির যুগপৎ প্রকাশ নিয়ে আলোচনা করেছেন। দুর্গাপূজা শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, শুভশক্তির বিশ্বাস, মাতৃস্নেহ ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতীক
বইটির কিছু অংশে বিষয়বস্তুর বিস্তৃতি পাঠকের কাছে কিছুটা বিচ্ছিন্ন মনে হতে পারে। তবে মনোবিজ্ঞান, আত্মোন্নয়ন ও নেতৃত্ব সম্পর্কে আগ্রহীদের জন্য বইটি একটি সমৃদ্ধ পাঠ। পরিশেষে, বইটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে সাফল্য কেবল প্রতিভা কিংবা পরিশ্রমের ওপর নির্ভর করে না; বরং সঠিক সময়ে সঠিক বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতাও সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি।
<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/vvxj0sgg/1.-Sirajgonj-flower.jpg"><figcaption>ঢ্যাঁড়স ফুল। কুন্দইল, তাড়াশ, সিরাজগঞ্জ, ১৭ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/qewa5pzl/2.-Rangamati-rain-droup.JPG"><figcaption>হেমন্তের ভোরে বুনো লতায় জমেছে শিশিরবিন্দু। নতুন পাড়া, রাঙামাটি, ১৭ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/3hbautq5/3.-Rangpur-weather.JPG"><figcaption>গরু দিয়ে হালচাষ করতে যাচ্ছেন কৃষক। মন্থনা, রংপুর, ১৭ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/2fpbpwzo/4.-Rangpur-worker.JPG"><figcaption>কুয়াশাভেজা সকালে ভটভটিতে চেপে কাজে যাচ্ছেন নারী শ্রমিকেরা। বৈকুণ্ঠপুর, রংপুর, ১৭ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/pxgzlchq/5______Khulna_working_women.JPG"><figcaption>গরুকে ঘাস খাওয়াতে এনেছেন তিনি। কচুবুনিয়া, বটিয়াঘাটা, খুলনা, ১৭ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/oovahp8f/6.-Cumilla-farmer.jpg"><figcaption>ঝুড়ি ভরে পুঁইশাক বিক্রি করতে বের হয়েছেন তিনি। আমিরাবাদ, দাউদকান্দি, কুমিল্লা, ১৭ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/lz8sb0ah/7_______Khulna_woman_is_returning_home.JPG"><figcaption>খেত থেকে ফল ও সবজি তুলছেন এক নারী। কচুবুনিয়া, বটিয়াঘাটা, খুলনা, ১৭ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/ncjjy3zj/9.-Cumilla-poja.jpg"><figcaption>শারদীয় দুর্গাপূজার আচার পালন করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। মনসা বাড়ি, দাউদকান্দি, কুমিল্লা, ১৭ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/9w5zsalk/10.-Rangpur-flower.JPG"><figcaption>পথের ধারে ফুটে আছে কাঠগোলাপ। নজিরেরহাট, রংপুর, ১৭ অক্টোবর</figcaption></figure>
<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/xugrp72v/Capture.PNG"></figure>
<p>জীর্ণ দালানটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে রায়েরবাজারের জমজমাট মৃৎশিল্পের বাণিজ্য, মানবকল্যাণকর নানা উদ্যোগ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির গল্প আর একটি রক্তাক্ত সময়ের স্মৃতি। শত বছরেরও বেশি সময় ধরে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকা গদিঘর দেখতে গিয়েছিলেন <strong>তৌহিদুল ইসলাম</strong></p><p>ঢাকার রায়েরবাজারের এ এলাকার নাম গদিঘর। নামটি হয়েছে শতাধিক বছরের পুরোনো একতলা একটি ভবনকে কেন্দ্র করে। সড়কের পাশ দিয়ে হেঁটে বা রিকশায় যাওয়ার পথে পুরোনো স্থাপনাটির দিকে তাকিয়েছি বহুবার। অনেকের মতো সেই তাকানোর মধ্যে ছিল একরাশ কৌতূহল। কিন্তু মোহাম্মদীয়া আলিম মাদ্রাসা গলির মুখের পাশে শেরে বাংলা রোড–লাগোয়া ভবনটিতে কোনো নামফলকই নেই।</p><p>শেষে কৌতূহল আর ধরে রাখতে না পেরে ১১ সেপ্টেম্বর সশরীর গিয়ে হাজির হই। অযত্নে থাকা একটি কালো সাইনবোর্ডে সাদা অক্ষরে লেখা—‘গদিঘর, স্থাপিত ১৯১৮ ইং’। প্রাঙ্গণে ঢুকে পড়ি। কাছে গিয়ে দেখা যায় দখিনদুয়ারি দালানটি জরাজীর্ণ। লোনা ধরা দেয়ালের কোথাও কোথাও খসে পড়ছে পলেস্তারা। কোথাও জমেছে শেওলা। দালানের পেছনের অংশে ভঙ্গুর দেয়ালে গজিয়েছে পরগাছা ও লতাগুল্ম। আর সামনে ছোট মাঠ। মাঠ-সংলগ্ন পূর্ব ও দক্ষিণ পাশে কয়েকটি বড় বড় গাছ। এসব গাছের ছায়ায় ভাদ্রের ভরদুপুরেও প্রাঙ্গণটি বেশ স্নিগ্ধ-শীতল।</p><p>১৩ শতক জমির দক্ষিণ অংশে মাঠ, উত্তর অংশে গদিঘর ভবন। ভবনটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ৪০ ফুট, প্রস্থে ৩০ ফুট। দেয়াল প্রায় ১ ফুট ৮ ইঞ্চি চওড়া। দেয়ালের বিভিন্ন স্থানে আছে শৈল্পিক নকশা। ছোট প্রাঙ্গণটির এক পাশে পাকা বারান্দায় ক্লান্ত পথচারী কিংবা শ্রমজীবী মানুষকে প্রায়ই বিশ্রাম নিতে দেখা যায়। দিনের বিভিন্ন সময় শিশু-কিশোরেরা মাঠে খেলাধুলা করে। মাঝেমধ্যে রাতের বেলায় ক্রিকেটও খেলেন স্থানীয় তরুণ-যুবকেরা। আর শীতকালে ব্যাডমিন্টন। এই মাঠ স্থানীয় মানুষের অবসরযাপন ও উৎসবের প্রাণকেন্দ্র।</p><p>এই গদিঘরের ইতিহাস কী? বাড়ি ফিরে অনুসন্ধান করি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/s67f8xnf/Football.jpeg"><figcaption>গদিঘর প্রাঙ্গণে ফুটবল খেলছে শিশুরা</figcaption></figure><h3>গদিঘরের ইতিহাস</h3><p>একসময় রায়েরবাজারের পৌর মার্কেটের মসজিদ (মসজিদুল আরাফাহ)-লাগোয়া খালে একটি নৌঘাট ছিল। পশ্চিমে পুরোনো বুড়িগঙ্গা আর উত্তরে তুরাগ নদে গিয়ে মিশেছিল সেই খাল। এখন সেই ঘাট নেই, খালও নেই। খালের ওপরই গড়ে উঠেছে সাদেক খান রোডের একাংশ।</p><p>বিভিন্ন স্থান থেকে মাটির হাঁড়ি, পাতিল, কলসিসহ নানা তৈজসপত্র নিয়ে এই ঘাটে এসে ভিড়ত ছোট–বড় নৌযান। এখান থেকে বিক্রির জন্য বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ত এসব পণ্য। এসব কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে ১৮৭৬ সালে গঠিত হয় রায়েরবাজার পাল সমিতি ট্রাস্ট। দীর্ঘদিন ভালোভাবে চলার পর একপর্যায়ে দ্বন্দ্ব ও মামলা-মোকদ্দমায় ট্রাস্টের কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়ে।</p><p>ঢাকার তৎকালীন সাবডিভিশনাল অফিসার খানবাহাদুর সৈয়দ আবদুল লতিফের পরামর্শে স্থানীয় বাসিন্দা মহেশ কুমার মজুমদার, অভয়াকুমার দত্ত, তালুকদার শেখ জাফর আলী মণ্ডল ও কিশোরীমোহন পালের নেতৃত্বে পুনর্গঠিত হয় ট্রাস্ট। এ পর্যায়েই ট্রাস্টটির উদ্যোগে ১৯১৮ সালে নির্মাণ করা হয় গদিঘর ভবন। মূলত এটি ছিল ট্রাস্টের কার্যালয়। এই গদিঘরেই মৃৎশিল্পের পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের টোল আদায় করা হতো।</p><p>ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় মৃৎশিল্পের বাহারি পণ্য তৎকালীন ভারতবর্ষের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানি হতো। দ্রুত এই এলাকার ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়। সেই সঙ্গে বাড়ে ট্রাস্টের অর্থনৈতিক সক্ষমতা। পর্যায়ক্রমে ট্রাস্টের উদ্যোগে মসজিদ, মন্দির, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, খাল খননসহ নানা জনকল্যাণমূলক কাজ করা হয়। এর মাধ্যমে এই এলাকায় হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/1cafsb1n/tree.jpeg"><figcaption>দালানের পেছনের অংশে ভঙ্গুর দেয়ালে গজিয়েছে পরগাছা ও লতাগুল্ম</figcaption></figure><h3>দাঙ্গার গল্প, সম্প্রীতির গল্প</h3><p>১৯৬৪ সালে রায়েরবাজার এলাকার হিন্দু-মুসলিম সম্প্রদায় এবং মোহাম্মদপুর এলাকার অবাঙালি বিহারি সম্প্রদায়ের মধ্যে দাঙ্গা লাগে। এই দাঙ্গার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা ও রায়েরবাজার শ্রীশ্রী মহাপ্রভু আখড়া মন্দিরের সভাপতি ৮১ বছর বয়সী বিশ্বনাথ পাল। তিনি বলেন, দাঙ্গার সময় গদিঘরসহ গোটা রায়েরবাজার এলাকায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে। গদিঘরে রক্ষিত মূল্যবান জিনিসপত্র, দলিল-দস্তাবেজ ও সোনা-রুপা লুট করা হয়েছে। বিহারিদের আক্রমণ প্রতিহত করতে গিয়ে শহীদ হন জিন্নাত আলী ও মাহেন্দ্র পাল।</p><p><em>সাপ্তাহিক </em>ম্যাগাজিনের ২০১৪ সালের ২১ আগস্ট সংখ্যায় এ ঘটনা নিয়ে একটি নিবন্ধ লিখেছেন নূর সুমন। সেই লেখা থেকে জানা যায়, ১৯৬৪ সালের ১৫ জানুয়ারি বাসায়ই ছিলেন জিন্নাত আলী। বিকেল ৪টার দিকে খবর পেলেন, কিছু সন্ত্রাসী তাঁদের এলাকার হিন্দুদের ওপর আক্রমণ করতে এসেছে। তখন রায়েরবাজারে ১২ ঘর আর কাটাসুরে ১৬ ঘর মুসলমান ছাড়া বাকি সব ছিল হিন্দু পরিবার। এই হিন্দু প্রতিবেশীদের রক্ষায় ঝাঁপিয়ে পড়লেন জিন্নাত আলী। এলাকার রশিদ, নাহিরশ্বা, সামছু গোয়ালা, হাসেম মাস্টার ও চান মিয়াদের সঙ্গে নিয়ে কাটাসুর গিয়ে দাঙ্গাকারীদের বাধা দিলেন। সন্ত্রাসীরা তাঁদের ওপর হামলে পড়ে। ছুরিকাঘাতে সেখানেই মারা যান জিন্নাত আলী।</p><p>জিন্নাত আলীর মৃত্যুর কথা শুনে বাড়ি থেকে বেরিয়ে সামনে এগিয়ে যান তাঁর স্ত্রী ফুলনেছা বিবি। সন্ত্রাসীরা তাঁকেও ছুরি দিয়ে মাথা, পিঠ ও ডান হাতে আঘাত করে। সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ফুলনেছা। সন্ত্রাসীরা চলে গেলে স্থানীয় লোকজন ফুলনেছাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। ১১ দিন পর ফুলনেছা বিবিও মারা যান।</p><p>এ ঘটনা জসীমউদ্দীনকে ব্যাপকভাবে তাড়িত ও ব্যথিত করে। ১৯৬৪ সালের ১৫ মে প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক বই <em>জীবন কথা</em>র উৎসর্গপত্রে কবি লিখেছেন, ‘সুসাহিত্যিক বন্ধুবর আমির হোসেন চৌধুরী, ঢাকা রায়েরবাজারের জিন্নাত আলী মাস্টার ও তাঁহার পরিবারের যে সকল মহৎপ্রাণ ব্যক্তি গত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় অসহায় হিন্দুদের রক্ষা করিতে যাইয়া জীবনদান করিয়াছেন, তাঁহাদের পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশে...এই পুস্তক উৎসর্গ করিলাম।’</p><h3>গদিঘর কি ভেঙে ফেলা হবে</h3><p>জিন্নাত আলীর নাতি ব্যবসায়ী মাহি বি সিনহা রায়েরবাজারের জাফরাবাদ এলাকায় থাকেন। তিনি বলেন, তাঁর দাদা ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে মানুষের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় কাজ করেছেন। আর সে জন্য দাদা-দাদি দুজনকেই প্রাণ দিতে হয়েছে। গদিঘর হচ্ছে সেই ইতিহাসের সাক্ষী। দুঃখের বিষয়, স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহল গদিঘর ভেঙে বহুতল ভবন নির্মাণের পাঁয়তারা করছে। গদিঘর রক্ষা করে সংরক্ষণ করতে হবে। এ জন্য সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন।</p><p>কার্যকর উদ্যোগে রুগ্ণ-ভগ্ন গদিঘর হতে পারে পর্যটনস্থান। অবশ্য প্রাচীন এই স্থাপত্য রক্ষায় সরকারি কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। স্থানীয় যুবসমাজ ও সচেতনমহল গদিঘরটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে সংস্কারের জোরালো দাবি তুলেছেন। যাতে কোনো প্রভাবশালী মহল এটি ভেঙে ফেলতে না পারে।</p><p>প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) সাবিনা আলম বলেন, গদিঘরটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সংস্কারের প্রয়োজন হলে প্রথমে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে গেজেটভুক্ত করতে হবে। এ লক্ষ্যে সরেজমিনে পরিদর্শন করে সংরক্ষণযোগ্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর জেলা প্রশাসনের মতামত গ্রহণ করে গেজেটভুক্ত করার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে।</p><p>১৯৮৮ থেকে তিন বছর গদিঘর মন্দির হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ১৯৯০ সালে এরশাদ সরকারের পতনের সময় মন্দিরটি বিলুপ্ত হয়। পাল সমিতির ট্রাস্টের কার্যক্রমও সংকুচিত হয়ে পড়ে। ট্রাস্টটির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সুখেন পাল বলেন, ট্রাস্টের অনেক সহায়-সম্পদ বেহাত হয়ে গেছে। সেসব পুনরুদ্ধারে আদালতে মামলা চলছে।</p><p>বর্তমানে দালানটি দেখভাল করছে বৈশাখী যুব সংগঠন। গদিঘর প্রাঙ্গণেই ক্লাবটির কার্যালয়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দীন বললেন, ‘গত পয়লা বৈশাখ আমরা গদিঘর মাঠে উদ্যাপন করেছি। যুবসমাজকে নিয়ে ভবিষ্যতে কীভাবে গদিঘরকেন্দ্রিক সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাড়ানো যায়, সেই চেষ্টা করছি।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/travel/hpgclpnqxi">সুন্দরবনের ২১০ জাতের মাছ আছে এই জাদুঘরে, দেখুন তো কয়টি চেনেন </a></aside>
সায়েদাবাদ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মালবাহী ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়।
<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/jfknjan8/Capture.PNG"></figure>
দিল্লির যন্তর মন্তর গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সমার্থক হয়ে ওঠে নব্বইয়ের দশকে। তার আগে যাবতীয় আন্দোলনের অকুস্থল ছিল বোট ক্লাব।
এ ধরনের স্থাপনায় বহনযোগ্য অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, অগ্নিসংকেত, হোস পাইপ ও অগ্নিনিরাপত্তা পরিকল্পনা থাকা দরকার। কিন্তু রিসোর্টটিতে এগুলোর কিছুই ছিল না।
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন