জেলা

মনে হচ্ছে, এক লুটেরার হাত থেকে অন্য লুটেরার হাতে ক্ষমতা গেছে: জামায়াত আমির

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
মনে হচ্ছে, এক লুটেরার হাত থেকে অন্য লুটেরার হাতে ক্ষমতা গেছে: জামায়াত আমির
মনে হচ্ছে, এক লুটেরার হাত থেকে অন্য লুটেরার হাতে ক্ষমতা গেছে: জামায়াত আমির
<p>জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার বিচার ও শিক্ষা বিভাগে অনিয়ম, দুর্নীতি ও দলীয়করণের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের দেখানো পথেই হাঁটছে। এভাবে চলতে থাকলে বর্তমান সরকারের পরিণতিও শেখ হাসিনার সরকারের মতো হবে।</p><p>শফিকুর রহমান আরও বলেন, পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, এক লুটেরার হাত থেকে অন্য লুটেরার হাতে ক্ষমতা গেছে।</p><p>আজ শুক্রবার সকালে গাজীপুর মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে টঙ্গীর শহীদ আবদুল মালেক মিলনায়তনে আয়োজিত ২০২৬ সালের রুকন (সদস্য) সম্মেলনে জামায়াতের আমির এসব কথা বলেন।</p><p>সরকারকে উদ্দেশ করে জামায়াত আমির বলেন, দেশে এখনো মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। গণভোটকে অস্বীকার করা এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করার পরিণাম ভয়াবহ হতে পারে।</p><p>সমাজে দুর্নীতি, অনিয়ম ও অন্যায় বেড়েছে বলেও দাবি করেন শফিকুর রহমান। বিএনপিকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, বিগত নির্বাচনের আগে একটি দল বলেছিল, নির্বাচন হলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে; কিন্তু বাস্তবে সমস্যা দ্বিগুণ হয়েছে।</p><p>বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ২০২৪ সালে জামায়াতে ইসলামী ও তরুণ সমাজের প্রত্যাশা ছিল বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত ও ইনসাফভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ গড়ার; কিন্তু বর্তমান সরকার বৈষম্যের নতুন মাত্রা যোগ করছে। শিক্ষাঙ্গনে দলীয়করণ, লুটপাট এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ভাগ বসানোর ঘটনা ঘটছে। পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, এক লুটেরার হাত থেকে অন্য লুটেরার হাতে ক্ষমতা গেছে।</p><p>এ সময় আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জানমাল দিয়ে কাজ করে বিজয় নিশ্চিত করতে নেতা–কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে পরিচালিত হলেও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্ষমতাসীন বিএনপির পছন্দের লোক বসানো হচ্ছে। এর ফলে দেশে কার্যত দুই ধরনের সরকারব্যবস্থা চলছে—একটি জনগণের ভোটের ভিত্তিতে, অন্যটি বিএনপির পছন্দে।</p><p>পছন্দের লোক বসিয়ে সিন্ডিকেট তৈরির মাধ্যমে স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও করপোরেশনে লুটপাটের রাজত্ব কায়েম করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন শফিকুর রহমান।</p>

Prothomalo

View more
রাজবাড়ীতে মোটরসাইকেলে এসে যুবককে গুলি করে হত্যা
রাজবাড়ীতে মোটরসাইকেলে এসে যুবককে গুলি করে হত্যা

পিয়ারুল সরদার রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের বড় মুরারিপুর গ্রামের হারুন সরদারের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে ১৪টি মামলা রয়েছে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
‘সবকিছু সম্ভব’—ত্রিদেশীয় সিরিজের আগে বললেন লিটন
‘সবকিছু সম্ভব’—ত্রিদেশীয় সিরিজের আগে বললেন লিটন

এখন পর্যন্ত ১৫টি ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলে বাংলাদেশ কেবল একটিতে ট্রফি হাতে তুলতে পেরেছে। ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে ডাবলিনে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারায় তারা।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের মর্টার ওয়ার্কেবিলিটি প্রতিযোগিতায় প্রথম চুয়েট দল
যুক্তরাষ্ট্রের মর্টার ওয়ার্কেবিলিটি প্রতিযোগিতায় প্রথম চুয়েট দল

<p>যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় অনুষ্ঠিত আমেরিকান কংক্রিট ইনস্টিটিউটের (এসিআই) শরৎকালীন মর্টার ওয়ার্কেবিলিটি প্রতিযোগিতায় সামগ্রিকভাবে প্রথম স্থান অর্জন করেছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) একটি দল। গত রোববার এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) একটি দল সামগ্রিকভাবে চতুর্থ স্থান অর্জন করে। এসিআই বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের এই দুটি দল সব মিলিয়ে চারটি পুরস্কার পেয়েছে।</p><p>প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের এমন একটি বালু-সিমেন্ট মিশ্রণের নকশা করতে হয়, যা দ্রুত প্রবাহিত হয়, স্থিতিশীল থাকে এবং যার খরচ ও কার্বন নিঃসরণ কম। প্রবাহ, অবক্ষেপণ, কারিগরি প্রতিবেদন, খরচ ও গ্লোবাল ওয়ার্মিং পটেনশিয়ালের ভিত্তিতে দলগুলোর মূল্যায়ন করা হয়।</p><p>সামগ্রিক দক্ষতায় প্রথম স্থানের পাশাপাশি ব্যয়সাশ্রয়ী নকশা বিভাগে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে চুয়েট দল। আইইউটি দল পরিবেশবান্ধব নকশা বিভাগে দ্বিতীয় এবং কংক্রিটের নান্দনিকতা প্রতিযোগিতায় বিচারকদের পছন্দে দ্বিতীয় স্থান লাভ করে।</p><p>চুয়েট দলের ফ্যাকাল্টি উপদেষ্টা ছিলেন এসিআই বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের পরিচালক জি এম সাদিকুল ইসলাম এবং আইইউটি দলের উপদেষ্টা ছিলেন চ্যাপ্টারের সভাপতি মো. তারেক উদ্দিন। এসিআই বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের পরিচালক ও বুয়েটের অধ্যাপক সাইফুল আমিন আটলান্টায় দলগুলোর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।</p><p>চুয়েট দলের সদস্যরা হলেন ফাহাদ আলম, সানি উল হক, রূপম পোদ্দার, তানজিম মুসাররাত তুষিন, মো. সাইজুদ্দিন ফরহাদ, সরূপ চন্দ্র মোদক, সুমাইয়া বিনতে মান্নান ও সৈয়দ মো. আমির হামজা মাহমুদ মাহাদী। আইইউটি দলের সদস্যরা হলেন আরিনা তাহরিন আমিন, রাজিত মুহাম্মদ চৌধুরী, জাসিয়া জুবায়ের, লামিয়া তাবাসসুম, এস এম রাগিব শাহরিয়ার, মো. হুমায়েদ তাহসিন হক, মো. মাহাদী হাসান নিলয় ও মো. জুহায়ের আনজুম।</p>

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
গত পূজায় ছেলের বয়স ছিল ২৯ দিন, এবার তাকে নিয়েই মণ্ডপে নয়নী
গত পূজায় ছেলের বয়স ছিল ২৯ দিন, এবার তাকে নিয়েই মণ্ডপে নয়নী

<p>ছোট ছেলে বিক্রম বিশ্বাসের বয়স তখন মাত্র ২৯ দিন। এত ছোট শিশুকে নিয়ে তাই গত বছর পূজামণ্ডপে ঘুরতে বের হওয়া সম্ভব হয়নি নয়নী সোমের। এবার স্বামী বিনয় বিশ্বাস, তিন বছর বয়সী বড় ছেলে রামকৃষ্ণ বিশ্বাস ও এক বছর বয়সী বিক্রমকে নিয়ে বনানী পূজামণ্ডপে এসেছেন তিনি।</p><p>আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর বনানী পূজামণ্ডপে কথা হয় নয়নীর সঙ্গে। এবার দুই সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে পূজার আনন্দ ভাগ করে নিতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তিনি। জানালেন, তাঁর কাছে এবারের পূজা বিশেষ আনন্দের।</p><p>কথা বলতে বলতে দুই সন্তানের দিকে তাকিয়ে নয়নী সোম বললেন, ‘এ বছর দুই ছেলেকে নিয়ে পূজায় আসতে পেরে খুব ভালো লাগছে। গত বছর ছোটটা একদম ছোট ছিল, তাই বের হতে পারিনি। এবার পরিবারের সবাই মিলে ঘুরছি, তাদের সঙ্গে নতুন স্মৃতি তৈরি হচ্ছে, ছবি তুলছি—সব মিলিয়ে এবারের পূজার আনন্দ অন্য রকম।’</p><p>নয়নী সোমদের বাসা বাড্ডায়। স্বামী বিনয় বিশ্বাস একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন।</p><p>আজ বিকেলে রাজধানীর বনানী পূজামণ্ডপে গিয়ে দেখা যায়, দেবী দুর্গার প্রতিমা দর্শনে ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রতিমার সামনে প্রণাম ও প্রার্থনা করছেন, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে দেখছেন মণ্ডপের সাজসজ্জা। আবার অনেকে মণ্ডপের নান্দনিক সাজের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন, সেলফি নিচ্ছেন।</p><p><strong>সপরিবার দর্শনার্থীদের ভিড় ও উচ্ছ্বাস</strong></p><p>শিশুদের নিয়ে আসা অভিভাবকদের উপস্থিতিতে মণ্ডপজুড়ে ছিল উৎসবের বাড়তি আনন্দ। এমনই একটি পরিবারের দেখা মেলে মণ্ডপে। সাভার থেকে পরিবারের আট সদস্যকে নিয়ে বনানী পূজামণ্ডপে এসেছেন অবসরপ্রাপ্ত সহকারী পুলিশ কমিশনার বিকর্ণ কুমার চৌধুরী। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী, মেয়ে, ছোট ভাই, ছোট ভাইয়ের স্ত্রী এবং ছোট ভাইয়ের দুই মেয়ে। সকালে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে প্রতিমা দর্শনের মধ্য দিয়ে তাঁদের পূজামণ্ডপ ঘোরার যাত্রা শুরু হয়। সেখান থেকে রামকৃষ্ণ মিশন হয়ে অন্যান্য মণ্ডপে যান বলে জানালেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/yvuevkmh/Banani-Puja-Mandap-2.jpeg"><figcaption>কর্মজীবনে পূজার সময় ব্যস্ত কেটেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে; অবসরের পর এবার উৎসবে পুরোদমে পরিবারকে সময় দিচ্ছেন অবসরপ্রাপ্ত সহকারী পুলিশ কমিশনার বিকর্ণ কুমার চৌধুরী। বনানী, ঢাকা। ১৬ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><p>পেশাগত জীবনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করেছেন বিকর্ণ কুমার চৌধুরী। আগে পূজার সময় দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত থাকলেও অবসরে যাওয়ার পর এবার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঘুরে ঘুরে পূজার আয়োজন উপভোগ করছেন তিনি। তাঁর চোখে এবারের আয়োজন ও নিরাপত্তাব্যবস্থা বেশ গোছানো। বিকর্ণ কুমার চৌধুরী বলেন, ‘পরিবেশ অনেক সুন্দর, প্রস্তুতিও মনোমুগ্ধকর। এক কথায়, সবকিছুই মনোমুগ্ধকর।’</p><p>পূজা পরিদর্শনে আসা ওই পরিবারের সবচেয়ে ছোট সদস্য রাইকা কিন্ডারগার্টেনে পড়ে। সে জানায়, বড়দের সঙ্গে পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখতে তারও খুব ভালো লাগছে।</p><p><strong>মণ্ডপজুড়ে জলের গল্প</strong></p><p>বনানী পূজামণ্ডপে এবার দেবী দর্শনের পাশাপাশি দর্শনার্থীদের সামনে উঠে এসেছে নদী, পানি ও জলকেন্দ্রিক জীবন-সংস্কৃতির গল্প। মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকে ভেতরের সাজসজ্জা—সবখানেই রয়েছে ‘জলজ’ ভাবনার ছাপ। আয়োজকদের উদ্দেশ্য শুধু নান্দনিক একটি পূজামণ্ডপ তৈরি করা নয়, বরং পানির গুরুত্ব, নদীর সংকট এবং জলকেন্দ্রিক জনগোষ্ঠীর হারিয়ে যেতে থাকা জীবনধারা নিয়ে মানুষকে ভাবতে উদ্বুদ্ধ করা।</p><p>২০০৮ সালে এই মণ্ডপে পূজা শুরু হয়। এ বছর ১৯তম বছরে পদার্পণ করেছে বলে জানিয়েছেন গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক বিনয় গোপাল রায়। এবারের থিম ‘জলজ’ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। অথচ ধীরে ধীরে নদ-নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। নদী ও পানিকে ঘিরে যেসব জনগোষ্ঠীর জীবন, জীবিকা ও সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, সেগুলোও নানা কারণে হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। সেই বাস্তবতা সামনে আনতেই জলকে এবারের পূজার মূল ভাবনা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/1s8auiuc/Banani-Puja-Mandap-3.jpeg"><figcaption>দেবীবন্দনায় শঙ্খধ্বনি। বনানী পূজামণ্ডপে প্রতিমার সামনে দাঁড়িয়ে ভক্তিভরে শঙ্খ বাজাচ্ছেন লাল শাড়ি পরা এক দর্শনার্থী। পেছনে নান্দনিক সাজে অধিষ্ঠিত দেবী দুর্গা। বনানী, ঢাকা। ১৬ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><p>মণ্ডপের প্রবেশপথটি এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যেন দর্শনার্থীরা একটি জলাধারের ভেতর দিয়ে প্রবেশ করছেন। ভেতরে মাছ ধরার সরঞ্জাম, শেওলা এবং জলকেন্দ্রিক নানা উপকরণের মাধ্যমে নদী ও পানির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিমার পেছনে রয়েছে শঙ্খ, আর তার সামনে অধিষ্ঠিত দেবী দুর্গা। সাজসজ্জার প্রতিটি অংশে তাই রয়েছে প্রকৃতি, পানি ও মানুষের জীবনযাপনের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গল্প।</p><p>এই থিমের সঙ্গে সরাসরি ধর্মীয় কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানান বিনয় গোপাল রায়। তাঁর মতে, বিশ্বজুড়েই পানির সংকট ভবিষ্যতের বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি। সেই সংকট সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা এবং জলাধার রক্ষায় নাগরিকদের দায়িত্বশীল করে তোলাই এবারের আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, ‘আমরা বার্তা দিতে চাই, ঢাকা শহরে যাঁরা থাকি কিংবা দেশের বিভিন্ন জায়গায় যাঁরা বসবাস করি, আমরা যেন জলাধারগুলো নষ্ট না করি। আমরা সবাই যেন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে নিজেদের দায়িত্বটুকু পালন করি।’</p><p>মণ্ডপের সাজসজ্জায় পরিবেশবান্ধব ভাবনারও প্রতিফলন রয়েছে বলে জানান আয়োজকেরা। তাঁদের ভাষ্য, পুরো কাঠামো টেকসই উপকরণ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। খাবার পরিবেশনের জন্যও ব্যবহার করা হচ্ছে একবার ব্যবহারযোগ্য পাত্র।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/iat0wi08/Banani-Puja-Mandap-4.jpeg"><figcaption>নদী ও পানির গুরুত্ব তুলে ধরতে এবার বনানী পূজামণ্ডপ সাজানো হয়েছে ‘জলজ’ থিমে। সুবিশাল শঙ্খের আদলে তৈরি বেদিতে অধিষ্ঠিত দেবী দুর্গা। সেই রূপ দর্শনে ও মুঠোফোনে স্মৃতি ধরে রাখতে মণ্ডপের ভেতরে ভিড় করেছেন ভক্ত-দর্শনার্থীরা। বনানী, ঢাকা। ১৬ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><p><strong>দশমী পর্যন্ত বিশেষ নিরাপত্তা</strong></p><p>দুর্গাপূজা ঘিরে বনানীসহ গুলশান বিভাগের প্রধান পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. মামুনুর হক জানান, নিয়মিত মোতায়েনের বাইরে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য রাখা হয়েছে। দর্শনার্থীদের কোনো সমস্যা হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্থাপন করা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। মোবাইল ফোন হারানোসহ বিভিন্ন অভিযোগের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি অনুযায়ী সেখান থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p><p>এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, মণ্ডপের গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও ছাদে পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। পূজার দশমী পর্যন্ত এ ব্যবস্থা বহাল থাকবে। দায়িত্ব পালনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সদস্যদের নিয়মিত পালা করে পরিবর্তন করা হবে। পাশাপাশি পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সভার মাধ্যমে তাঁদের পর্যবেক্ষণ এবং পরামর্শ অনুযায়ী নিরাপত্তাব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।</p><p>এখন পর্যন্ত নিরাপত্তাব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য কোনো ঘাটতি দেখা যায়নি বলে জানান এডিসি মামুনুর হক। পুলিশ, পূজা উদ্‌যাপন কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত সহযোগিতায় উৎসব সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশা তাঁর।</p>

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দিল্লি থেকে অভিজিৎ দিপকে ও নেহা বোরাকে আটক করেছে পুলিশ ও অন্যান্য খবর
দিল্লি থেকে অভিজিৎ দিপকে ও নেহা বোরাকে আটক করেছে পুলিশ ও অন্যান্য খবর

<p>দিল্লি থেকে অভিজিৎ দিপকে ও নেহা বোরাকে আটক করেছে পুলিশ। শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু, আজ ষষ্ঠী। এছাড়া দিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর শুনুন অডিও সংবাদে </p><figure></figure>

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
ঘরে হেড গরম, বিদেশে কেন শীতল
ঘরে হেড গরম, বিদেশে কেন শীতল

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের দুই ইনিংসে তাঁর সংগ্রহ যথাক্রমে ৯ ও ১১ রান।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
ফেরদৌস আহমেদ মিষ্টির শূন্য আসনে এমপি হতে চান বিএনপির ৬৭ জন
ফেরদৌস আহমেদ মিষ্টির শূন্য আসনে এমপি হতে চান বিএনপির ৬৭ জন

<p>ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগে শূন্য হওয়া সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেতে ফরম কিনেছেন ৬৭ জন। বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। মনোনয়ন ফরম নেওয়া নারীদের মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য, দলের কেন্দ্রীয় নেত্রী এবং জেলা ও মহানগর পর্যায়ের সংগঠকেরা রয়েছেন। আজ শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে তাঁরা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।</p><p>ফরম সংগ্রহ করা নেত্রীরা বিগত আন্দোলন–সংগ্রামে ভূমিকা রেখেছেন এবং বিভিন্ন সময়ে নির্যাতনের শিকার হওয়ার কথা তুলে ধরে মূল্যায়নের আশা করছেন। তাঁরা সংসদে গিয়ে নিজের এলাকার পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ চান। তবে একটিমাত্র আসনে এই উপনির্বাচন হবে বিধায় একজনকে মনোনয়ন দেবে বিএনপি।</p><p>বিএনপির ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম বিতরণের সময় নির্ধারিত ছিল। সংগ্রহ করা ফরম পূরণ করে আগামীকাল শনিবার একই কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ফরম জমা নেওয়া হবে। দলীয় মনোনয়ন চেয়ে এই ফরম জমা দেওয়ার পরেও নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র দাখিলের আলাদা প্রক্রিয়া রয়েছে।</p><p>মিষ্টির শূন্য আসনে মনোনয়ন পাওয়ার আলোচনায় আগে যাঁদের নাম এসেছিল, তাঁদের প্রত্যেকেই ফরম নিয়েছেন বলে বিএনপির নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির সহমানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শাহানা আক্তার সানু ও আয়শা সিদ্দিকা মনি।</p><p>এ ছাড়া ফরম সংগ্রহ করেছেন মহিলা দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক শাহিনুর নার্গিস, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক শাহিনুর বেগম, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় মানব উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক খন্দকার ফারহানা আতিকা, বরিশাল মহানগর বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক মাসুদা আফরোজ হক, ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা দলের সভাপতি রুনা লায়লা ও দিনাজপুর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাসনাহেনা হীরা।</p><p>মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন প্রবীন নারী নেত্রী জেলী চৌধুরী। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৯ আসন থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় আসেন। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেরা আলাউদ্দিন হেনা ও সিমকী ইমাম খান। চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের সাবেক প্রচার সম্পাদক দেওয়ান মাহমুদা আক্তার, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়প্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় থাকা সৈয়দা আদিবা হোসেন, ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক রেহানা আক্তার শিরিন প্রমুখ।</p><p>এই নেত্রীদের অনেকেই এর আগে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন চেয়ে পাননি। কেউ সরাসরি সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টায় ছিলেন। মিষ্টির পদত্যাগের পর তাঁদের সামনে আবার সুযোগ এসেছে। ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে উঠে আসা নেত্রীর পাশাপাশি মহিলা দল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সংগঠকেরাও এবার মনোনয়ন চাইছেন।</p><p>মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা রুনা লায়লা বলেন, শেখ হাসিনার পতনের আন্দোলন করতে গিয়ে বিগত দিনে তাঁর বিরুদ্ধে ২২টি মামলা হয়েছে। ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর মাথায় গুলি লেগেছিল। ঢাকা উত্তরের সব অলিগলি তাঁর চেনা। দলের প্রয়োজনে তাঁকে বেছে নেওয়া হবে এবং এবার তিনি মূল্যায়ন পাবেন বলে বিশ্বাস করেন।</p><p>রুনা লায়লা মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশার সঙ্গে বিগত আন্দোলনে নিজের ভূমিকা ও অভিজ্ঞতার বিষয়টি সামনে এনেছেন। অন্যদিকে হাসনাহেনা হীরা বলেছেন, আন্দোলন–সংগ্রামে ভূমিকা রাখার পর এখন তিনি এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে চান। এ জন্য সরাসরি সংসদ উপস্থিত থেকে ভূমিকা রাখার সুযোগকে প্রয়োজনীয় মনে করছেন তিনি।</p><p>নিজের এলাকার পিছিয়ে থাকা মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছার কথা জানিয়ে হাসনাহেনা হীরা বলেন, ‘এমনিতেই আমার এলাকা অনেক পিছিয়ে রয়েছে। আমার এখন দায়িত্ব পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য কিছু করার। কিন্তু সরকারে সরাসরি না থাকলে সেটা বেশ কঠিন আমার জন্য। এ জন্যই আমি ফরম তুলেছি। আমার বিশ্বাস, দল এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে অবশ্যই মূল্যায়ন করবেন।’</p><p>গত ২৪ সেপ্টেম্বর মিরপুরের রাড্ডা মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠার পর ১ অক্টোবর সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেন মিষ্টি। তাঁর পদত্যাগের দিনই সংরক্ষিত নারী আসন–২৩ শূন্য ঘোষণা করা হয়।</p><p>এ আসনের উপনির্বাচন হবে ১২ নভেম্বর। নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন ২৬ অক্টোবর, বাছাই ২৭ অক্টোবর এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১ নভেম্বর। বিএনপির জন্য বরাদ্দ আসন হওয়ায় দলটিই এখানে প্রার্থী মনোনয়ন দেবে। একক প্রার্থী থাকলে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন। ফলে ৬৭ জনের মধ্যে বিএনপির মনোনয়ন কে পাচ্ছেন, সেটিই এখন এই আসনের পরবর্তী সংসদ সদস্য নির্ধারণের মূল বিষয়।</p>

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
শাঁখামুটি, গন্ধগোকুলের বিশাল অবয়ব দর্শনার্থীদের কী মনে করিয়ে দিচ্ছে
শাঁখামুটি, গন্ধগোকুলের বিশাল অবয়ব দর্শনার্থীদের কী মনে করিয়ে দিচ্ছে

ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লী উপজেলার সোনাপাতিলা গ্রামের পুকুরপাড়ে এমন দৃশ্যের দেখা পাওয়া যায়। স্থানীয় গ্রামের ৫০ জন বাসিন্দা মিলে তৈরি করেছেন এসব প্রাণীর অবয়ব। শিল্পীদের মধ্যে অধিকাংশই নারী।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
এখন গরু-মহিষকে ঘাস খাওয়াতেও চাঁদা দিতে হয়: রুমিন ফারহানা
এখন গরু-মহিষকে ঘাস খাওয়াতেও চাঁদা দিতে হয়: রুমিন ফারহানা

<p>এখন গরু-মহিষকে ঘাস খাওয়াতেও চাঁদা দিতে হয় বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নিজ এলাকায় চাঁদাবাজি হলে রাজপথে নামারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।</p><p>আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার প্রত্যন্ত পাকশিমুল ইউনিয়নের জয়দরকান্দি গ্রামের ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় রুমিন ফারহানা এ হুঁশিয়ারি দেন।</p><p>স্বতন্ত্র এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘বাংলাদেশের এখন এই অবস্থা হইছে যে গরু-মহিষরে ঘাস খাওয়াইতে হইলেও চান্দা দিয়া খাওয়াইতে হয়। চান্দা না দিলে খামারের মাছের খাবারে বিষ মেশানো হয়।’</p><p>এ সময় রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমার এলাকায় চান্দাবাজি হইলে আমি কাউকে চিনি না। আমি তাঁর বিরুদ্ধে রাস্তায় দাঁড়াব। ডান পাশে বালুচোর আর বাম পাশে মামলাবাজ নিয়ে আমি রাজনীতি করতে চাই না।’</p><p>ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘আমার কোনো আত্মীয় নাই, যাকে সারের ডিলারশিপ দিতে হবে। আমার কোনো আত্মীয় নাই, যাকে রাস্তার কাজের ঠিকাদারি দিতে হবে। আমার কোনো আত্মীয় নাই, যাকে চান্দা দিয়া আপনাদের ব্যবসা করতে হবে।’</p><p>রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমার কোনো কর্মীর বিষয়ে যেকোনো অভিযোগ থাকলে নাম–পরিচয় গোপন রেখে লিখিতভাবে আমাকে জানাবেন। আপনাদের পরিচয় আমি প্রকাশ করব না। কিন্তু সেই কর্মীর ব্যাপারে যে ব্যবস্থার নেওয়ার, আমি সে ব্যবস্থা নেব। আমার কোনো কর্মী যদি আমার কোনো ভোটারের সঙ্গে একটুও বেয়াদবি করে, আমার ওই কর্মীর নাম আমার কাছে জমা দেবেন, বাকি ব্যবস্থাটা আমি করব।’</p><p>তা ছাড়া স্বতন্ত্র এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘১৭ বছর আমরা আন্দোলন–সংগ্রাম করেছি। আমরা আশা করেছিলাম, আমরা জনগণের একটা সরকার পাব, যারা বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করবে, গ্যাসের সমস্যা সমাধান করবে, আইনশৃঙ্খার পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটাবে, জিনিসপত্রের দাম নাগালের মধ্যে রাখবে।... আমাদের এমন দুর্ভাগ্য, ৮০–৯০ টাকা কেজির নিচে সবজি নাই। ঢাকা শহরে একটা ডিমের দাম ১৫ টাকা। গরিব খাবে কী?’</p>

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন