জেলা

কক্সবাজারের হিমছড়ি সৈকতে গোসলে নেমে তিন পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২

অক্টোবর ২১, ২০২৬
কক্সবাজারের হিমছড়ি সৈকতে গোসলে নেমে তিন পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২
কক্সবাজারের হিমছড়ি সৈকতে গোসলে নেমে তিন পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২
নিহত ও নিখোঁজ পর্যটকেরা ঢাকার উত্তরা থেকে এসেছেন বেসরকারি লাইফগার্ড প্রতিষ্ঠান সি-সেফের আঞ্চলিক পরিচালক ইমতিয়াজ আহমেদ। তবে তাঁদের পরিচয় ও বিস্তারিত তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।

Prothomalo

View more
পুজোর সাজে সাবেকি, না আধুনিক: মিমের আনারকলি, মন্দিরার বেনারসি, দীঘির কাঞ্চিপুরম, জয়ার সুতির শাড়ি কার লুক নজর কাড়ল সবচেয়ে বেশি
পুজোর সাজে সাবেকি, না আধুনিক: মিমের আনারকলি, মন্দিরার বেনারসি, দীঘির কাঞ্চিপুরম, জয়ার সুতির শাড়ি কার লুক নজর কাড়ল সবচেয়ে বেশি

পুজোর সাজ মানেই শাড়ি নয়, পোশাকের সঙ্গে গয়না, ফুল আর মেকআপের মেলবন্ধনও। কখনো ক্রিম রঙের আনারকলিতে স্নিগ্ধতা, কখনো কাঞ্চিপুরমে সাবেকিয়ানা।

অক্টোবর ২১, ২০২৬
সিঁদুরে রঙিন বিজয়া দশমী
সিঁদুরে রঙিন বিজয়া দশমী

<p>শারদীয় দুর্গোৎসবের শেষ দিন বিজয়া দশমী মানেই এক দিকে বিদায়ের বিষাদ, অন্য দিকে উৎসবের আনন্দ। দেবী বিসর্জনের আগে মণ্ডপে মণ্ডপে চলে সিঁদুর খেলা। ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি আর উলুধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ। নারীরা একে অপরকে সিঁদুরে রাঙিয়ে দেন, মেতে ওঠেন নাচ-গানে। আনন্দঘন এ মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দী করতেও ভোলেন না অনেকে। দিনভর নানা আনুষ্ঠানিকতা শেষে চোখের জলে বিদায় জানানো হয় দেবী দুর্গাকে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/5wdumzhu/1SHARA1.JFI"><figcaption>বিজয়া দশমীতে দেবী বিসর্জনের আগে পূজামণ্ডপে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের সিঁদুর খেলা। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, ঢাকা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/wmhjq0q6/2SHARA1.JFI"><figcaption>ঢাকের বাদ্য আর শঙ্খধ্বনির তালে সিঁদুর খেলায় মেতে উঠেছেন নারীরা। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, ঢাকা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/yxfnue4i/3SHARA1.JFI"><figcaption>বিদায়ের দিনে শুভকামনা জানিয়ে একে অপরকে সিঁদুরে রাঙিয়ে দিচ্ছেন ভক্তরা। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, ঢাকা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/8em13lh1/4SHARA1.JFI"><figcaption>সিঁদুরে রাঙা মায়ের কোলে নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে শিশু। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, ঢাকা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/chzdqxkv/5SHARA1.JFI"><figcaption>সিঁদুর খেলার পাশাপাশি কাঁসা বাজিয়ে ও নেচে-গেয়ে দশমীর আনন্দ উদ্‌যাপন করছেন নারীরা। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, ঢাকা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/hnaphza2/6SHARA1.JPG"><figcaption>সিঁদুরের লাল রঙে বর্ণিল পূজামণ্ডপ। মালতীনগর বারোয়ারি সর্বজনীন দুর্গামণ্ডপ, বগুড়া</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/k3w71ae8/7SHARA1.JPG"><figcaption>রঙিন মুহূর্তগুলো মুঠোফোনে ধরে রাখতে সিঁদুর খেলার ফাঁকে সেলফি তোলায় ব্যস্ত তরুণীরা। চেলোপাড়া শনি ও দুর্গামন্দির, বগুড়া</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/y69rdv9s/8SHARA1.JPG"><figcaption>বিজয়া দশমীতে একে অপরের মুখে সিঁদুর মেখে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন ভক্তরা। করুণাময়ী কালীবাড়ি মন্দির, রংপুর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/5mlrjru7/9SHARA1.JPG"><figcaption>বিসর্জনের আগে দেবীর সামনে নেচে-গেয়ে আনন্দ প্রকাশ করছেন নারী ভক্তরা। করুণাময়ী কালীবাড়ি মন্দির, রংপুর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/nlabxcap/10SHAR1.JPG"><figcaption>আনুষ্ঠানিকতা শেষে জলে বিসর্জনের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে গণেশ ও লক্ষ্মীর প্রতিমা। টেকেরঘাট, টাঙ্গুয়ার হাওরপাড়, তাহিরপুর, সুনামগঞ্জ</figcaption></figure>

অক্টোবর ২১, ২০২৬
পতেঙ্গার ঢেউয়ে ভাসে প্রতিমা, বুকে বাজে বিসর্জনের ব্যথা
পতেঙ্গার ঢেউয়ে ভাসে প্রতিমা, বুকে বাজে বিসর্জনের ব্যথা

ঢাকের শেষ বোল, শঙ্খধ্বনি আর চোখের জল মিশে যায় সমুদ্রের গর্জনে। চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে প্রতিমা নিরঞ্জনের মধ্য দিয়ে যতি পড়ে শারদীয় দুর্গোৎসবে। আনন্দের রেশ পেরিয়ে হৃদয়ে তখন শুধুই বিষাদ আর ফিরে আসার অপেক্ষা।

অক্টোবর ২১, ২০২৬
হুতিদের হামলার মুখে কি সৌদি ছাড়ছেন ধনীরা, ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ ভাড়া কেন বাড়ছে
হুতিদের হামলার মুখে কি সৌদি ছাড়ছেন ধনীরা, ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ ভাড়া কেন বাড়ছে

<p>ইয়েমেনে সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের হামলার পর সৌদি আরবে ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ ভাড়ার খরচ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। হামলার কারণে রাজধানী রিয়াদের প্রধান বিমানবন্দর বন্ধ হয়ে গেছে। বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ সংস্থাগুলোও হাজার হাজার ফ্লাইট বাতিল করেছে।</p><p>এ পরিস্থিতিতে সৌদি আরব ছাড়তে আগ্রহী ধনী ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ ভাড়া নেওয়ার চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। উড়োজাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ও ভাড়া নেওয়ার মধ্যস্থতাকারীরা জানিয়েছেন, এতে ভাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে ৫০ শতাংশের বেশি। পাশাপাশি যুদ্ধের ঝুঁকির জন্য বিমার (ওয়ার রিস্ক ইনস্যুরেন্স) খরচও অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।</p><p>চলতি মাসের হামলার কারণে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সৌদি আরবে ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ পরিচালনা বন্ধ করে দিয়েছে। এতে ভাড়া আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।</p><p>ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ ভাড়া দেওয়ার প্রতিষ্ঠান লাক্স জেটসের আলেকজান্ডার গ্রাহাম জানান, গত সপ্তাহে রিয়াদের উত্তরে আল-কাসিম বিমানবন্দর থেকে সুইজারল্যান্ডের জেনেভাগামী একটি ফ্লাইটের ভাড়া ছিল ৯৪ হাজার ইউরো। ফ্লাইটটি পরিচালনা করা হয় বোম্বার্ডিয়ার গ্লোবাল ‘৬০০০’ মডেলের একটি উড়োজাহাজ দিয়ে। দূরপাল্লার এই উড়োজাহাজে ১৪ জন যাত্রী বসতে পারেন। অথচ রিয়াদের প্রধান বিমানবন্দর বন্ধ হওয়ার আগে একই ধরনের ফ্লাইটের ভাড়া ছিল প্রায় ৬০ হাজার ইউরো।</p><p>গ্রাহাম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেন, ‘উড়োজাহাজের প্রাপ্যতা কমে যাওয়ায় ভাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে যাঁরা এখনো উড়োজাহাজ ভাড়া নিতে রাজি আছেন, তাঁদের কিছুটা বেশি অর্থ দিতে হচ্ছে।’</p><aside><cite>আলেকজান্ডার গ্রাহাম, কর্মকর্তা, লাক্স জেটস</cite>উড়োজাহাজের প্রাপ্যতা কমে যাওয়ায় ভাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে যাঁরা এখনো উড়োজাহাজ ভাড়া নিতে রাজি আছেন, তাঁদের কিছুটা বেশি অর্থ দিতে হচ্ছে।</aside><p>হুতি বিদ্রোহীদের একের পর এক প্রাণঘাতী হামলার পর ১০ অক্টোবর থেকে রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রয়েছে। সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের জারি করা এক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত রোববার (১৮ অক্টোবর) বিমানবন্দরটি আবার চালু হওয়ার কথা ছিল।</p><p>অবশ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি এ বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য জানায়নি। উড়োজাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ধারণা, বিমানবন্দরটি চালু হলেও স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হতে সময় লাগবে।</p><p>উড়োজাহাজ চলাচলসংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান সিরিয়ামের হিসাবে, হুতিদের হামলা শুরুর পর থেকে সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল, এমন ৫ হাজার ৫০০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। জার্মানির লুফথানসা ও ইতালির আইটিএ সৌদি আরবে ফ্লাইট পরিচালনা স্থগিত করেছে। অন্যদিকে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ ও এয়ার ফ্রান্সের মতো উড়োজাহাজ সংস্থাগুলো আগেই তাদের ফ্লাইট পিছিয়ে দিয়েছিল।</p><p>ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ খাতের চারজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, রিয়াদ ছাড়তে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা আল-কাসিম বিমানবন্দর থেকে ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ ভাড়া নিচ্ছেন। ছোট এই বিমানবন্দরটি রিয়াদ থেকে ২০০ মাইলের বেশি দূরে অবস্থিত।</p><p>অন্যদিকে যাঁদের ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ ভাড়া করার সামর্থ্য নেই, তাঁদের কেউ কেউ প্রতিবেশী বাহরাইন বা কাতারে গিয়ে সেখান থেকে ফ্লাইট ধরছেন। সৌদি আরবে অবস্থানরত কয়েকজন ব্যক্তি এ তথ্য জানিয়েছেন।</p><p>বিশ্বজুড়ে উড়োজাহাজের চলাচল সরাসরি পর্যবেক্ষণের অনলাইন সেবা প্রতিষ্ঠান ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবের স্থানীয় উড়োজাহাজ সংস্থাগুলো আল-কাসিম থেকে দুবাই, কায়রো, বাহরাইনসহ বিভিন্ন গন্তব্যে বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনা করছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/ch3sg514/Surveillance-footage.jpg"><figcaption>সৌদি আরবের রিয়াদে কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঠিক আগে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছেন লোকজন। ভিডিও থেকে নেওয়া। ১০ অক্টোবর ২০২৬ </figcaption></figure><p>বিষয়টি সম্পর্কে অবগত চারজন ব্যক্তি জানিয়েছেন, পশ্চিমা বিশ্বের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান তাদের রিয়াদে কর্মরত শীর্ষ কর্মকর্তাদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবছেন। এ জন্য তারা ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ ভাড়ার মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। এসব কর্মকর্তাকে দুবাই কিংবা নিজ নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।</p><p>তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, চলতি বছরের শুরুর দিকে ইরান যুদ্ধের পর যে মাত্রায় মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, এবার তেমন পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। ইরান যুদ্ধ শুরুর পরপর সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে কয়েক হাজার নয়, হাজার হাজার মানুষ চলে গিয়েছিল।</p><p>ওই সময় ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাত লক্ষ্য করে প্রায় তিন হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছিল। সৌদি আরবে এখন পর্যন্ত যত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছোড়া হয়েছে, তার তুলনায় ওই সংখ্যা অনেক বেশি। এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের তুলনায় সৌদি আরবে পশ্চিমা প্রবাসীদের সংখ্যাও কম। সংযুক্ত আরব আমিরাত মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান আর্থিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র।</p><blockquote>হুতিদের হামলা শুরুর পর থেকে সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল, এমন ৫ হাজার ৫০০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।</blockquote><p>ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ ভাড়ার অনলাইন বাজারব্যবস্থা এন্টারজেটসের প্রতিষ্ঠাতা চার্লস রবিনসন জানান, সৌদি আরব থেকে ইউরোপগামী ব্যক্তিগত উড়োজাহাজের ভাড়া দেড় লাখ ডলার পর্যন্ত উঠেছে। অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী ফ্লাইটগুলোর ভাড়া পড়ছে ৩০ হাজার থেকে ৫০ হাজার ডলার।</p><p>রবিনসন বলেন, ‘সংঘাতের প্রভাব পড়েছে এমন বিমানবন্দরগুলোতে উড়োজাহাজ পরিচালনা করতে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমে গেছে। আর যেসব প্রতিষ্ঠান এখনো এই বাজারে আছে, তারা বিষয়টি জানে। কিছু প্রতিষ্ঠান নিজেদের মতো করে বাড়তি ভাড়া আদায় করছে। কারণ, চাহিদা আছে, কিন্তু প্রতিযোগিতা নেই।’</p><p>বিষয়টি সম্পর্কে আরও বলেন, ব্যক্তিগত উড়োজাহাজে ভ্রমণকারী উল্লেখযোগ্যসংখ্যক গ্রাহক প্রথমে মধ্যপ্রাচ্যের তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ কোনো এলাকায় যেতে চাইছেন। সেখান থেকে তাঁরা বাণিজ্যিক ফ্লাইটে ইউরোপ বা যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন।</p><p>লাক্স জেটসের গ্রাহাম জানান, ইউরোপে যেতে ইচ্ছুক যাত্রীদের নিয়ে যেতে উড়োজাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো খালি উড়োজাহাজও সৌদি আরবে পাঠাচ্ছে।</p><aside><cite>চার্লস রবিনসন, প্রতিষ্ঠাতা, এন্টারজেটস</cite>সৌদি আরব থেকে ইউরোপগামী ব্যক্তিগত উড়োজাহাজের ভাড়া দেড় লাখ ডলার পর্যন্ত উঠেছে। অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী ফ্লাইটগুলোর ভাড়া পড়ছে ৩০ হাজার থেকে ৫০ হাজার ডলার।</aside><p>মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, ভাড়া বৃদ্ধির পাশাপাশি যাত্রীদের যুদ্ধঝুঁকি বিমার জন্যও বাড়তি অর্থ গুনতে হচ্ছে।</p><p>ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ ভাড়ার প্রতিষ্ঠান ভিক্টরের সহপ্রধান নির্বাহী টবি এডওয়ার্ডস বলেন, ‘যুদ্ধঝুঁকি বিমার প্রয়োজন হলে খরচ অনেক বেড়ে যায়।’ তিনি জানান, প্রায় ১৮ আসনের বড় উড়োজাহাজগুলোর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত খরচ হতে পারে। অন্যদিকে ৮ থেকে ১০ আসনের ছোট উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে এই বাড়তি খরচ হতে পারে ৮ হাজার ডলার।</p><p>এন্টারজেটসের রবিনসন জানান, মধ্যপ্রাচ্যের কিছু ফ্লাইটে যুদ্ধঝুঁকি বিমার কারণে মোট খরচ ১০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। সৌদি আরবে সরাসরি যাওয়া-আসার ফ্লাইটগুলোর ক্ষেত্রে এই বাড়তি খরচের হার কিছুটা বেশি।</p><p>তবে ইরান যুদ্ধের শুরুর দিকে যুদ্ধঝুঁকি বিমার খরচ যে পর্যায়ে উঠেছিল, এখনো তা সেখানে পৌঁছায়নি। ওই সময় একটি যাত্রার বিমা সুরক্ষার জন্যই বিমা কোম্পানিগুলো ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত আদায় করছিল।</p><p>মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তৃত অঞ্চলে যাতায়াত এবং অঞ্চলটির অভ্যন্তরে ফ্লাইটের চাহিদা এখনো বেশ ভালো।</p><p>টবি এডওয়ার্ডস বলেন, ‘ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তৃত অঞ্চলে তেমন কোনো প্রভাব পড়েছে বলে মনে হচ্ছে না। আমাদের একজন নতুন গ্রাহক পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এক সপ্তাহের ছুটি কাটাতে তুরস্কের আনাতালিয়া থেকে দুবাই গেছেন। আরেকজন নিয়মিত গ্রাহক গত শুক্রবার কুয়েতে গেছেন। এরপর গতকাল তিনি দুবাইয়েও গেছেন।’</p>

অক্টোবর ২১, ২০২৬
‘হৃদয়ের গোপন অলিগলিতে একটু দুষ্টুমি রয়ে যাক’, নতুন ছবি দিয়ে জয়া
‘হৃদয়ের গোপন অলিগলিতে একটু দুষ্টুমি রয়ে যাক’, নতুন ছবি দিয়ে জয়া

ফেসবুকে বেশ সরব জয়া আহসান। প্রতিনিয়ত ছবি পোস্ট করেন। আজও তাই করলেন। ছবিগুলোতে জয়া অন্য রকম সাজ নজর কেড়েছে।

অক্টোবর ২১, ২০২৬
ঢাকা থেকে ১৩৪ ফ্লাইট বাতিল-স্থগিতে ভোগান্তিতে ২০ হাজার ২৫৪ যাত্রী
ঢাকা থেকে ১৩৪ ফ্লাইট বাতিল-স্থগিতে ভোগান্তিতে ২০ হাজার ২৫৪ যাত্রী

<p>সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট চলাচলে বিধিনিষেধের কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি ও ট্রানজিট রুটে চলাচলকারী ১৩৪টি ফ্লাইটে বিঘ্ন ঘটেছে। এর মধ্যে কিছু ফ্লাইট বাতিল ও কিছু স্থগিত হয়েছে। ফলে এসব ফ্লাইটের ২০ হাজার ২৫৪ জন যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন। এর মধ্যে ৬১টি সরাসরি এবং ৭৩টি ট্রানজিট ফ্লাইট।</p><p>আজ বুধবার বিকেলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ২২টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ১৯টি এবং রিয়াদ এয়ারের ১০টি ফ্লাইট রয়েছে।</p><p>অন্যদিকে ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ২৮টি, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৮টি, সালাম এয়ারের ৭টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৬টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের ১টি ফ্লাইট রয়েছে।</p><p>সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হুতিদের হামলার কারণে রিয়াদগামী ফ্লাইট চলাচল স্থগিত রয়েছে। এর মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ২৫ অক্টোবর রিয়াদগামী ফ্লাইট এবং আগামীকাল বৃহস্পতিবার দাম্মামগামী ফ্লাইট চালু করছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।</p>

অক্টোবর ২১, ২০২৬
মামলার পর জানা গেল থানায় ঢুকে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়েছিলেন এক যুবক
মামলার পর জানা গেল থানায় ঢুকে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়েছিলেন এক যুবক

গত সোমবার সন্ধ্যার এ ঘটনাটি গতকাল মঙ্গলবার পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করার পর জানাজানি হয়।

অক্টোবর ২১, ২০২৬
বিদায়ের সুরে প্রতিমা বিসর্জন
বিদায়ের সুরে প্রতিমা বিসর্জন

দেবী দুর্গার বিদায়ের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব। বিজয়া দশমীতে সিঁদুর খেলা, ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি আর উলুধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে পূজামণ্ডপ।

অক্টোবর ২১, ২০২৬
এক কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে: রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর
এক কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে: রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর

আজ রাজবাড়ী পৌরসভা মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

অক্টোবর ২১, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন